এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • .. | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ১২:৫০338700
  • b | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ১২:০৯338699
  • ঈশানকেই খুব ভয় লাগে। এবারে ঈশানের ছেলের সামনেও মুখ খোলা যাবে না।
  • | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ১০:৫০338698
  • লেসার এভিল বেছে নেওয়াও রাজনৈতিক অবস্থান। সেটা ক খ বা গ দলের পছন্দ নাই হতে পারে কিন্তু সেটাও রাজনীতি।

    যাউগ্গিয়া কাটি।
    অপ্পন হোয়াটস্যাপ তোমার অপেক্ষায় আছে।
  • | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ১০:৪৭338697
  • অ?অঃ সব ঘেঁটে একাকার। নোটা কোনও অরাজনৈতিক অবস্থান নয়। একটি সুষ্পষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান। প্রচলিত রাজনৈতিক দলকে সমর্থন না করাও কোনও অরাজনৈতিক ব্যপার নয়।
  • sch | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ১০:৪২338696
  • অরাজনৈতিক মানে যে কোনো রাজনৈতিক দলকেই সমর্থন করে না - তার মানে সে রাজনোইতিক ভাবে অসেচতন কেন হবে। সবটা না জানলে তো কাউকে সমর্থন করব না এই সিদ্ধান্তও নেওয়া কঠিন।
    ঈশানের ছেলে ভাগ্যবান - তাকে চয়েস করতে হচ্ছে না গুণ্ডা, বদমাইস, রেপিস্ট, মূর্খ আর ভণ্ড শয়তানের মধ্যে কাকে বেছে নেওয়া যায়।
  • Du | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ১০:২৩338695
  • ছেলেমেয়েদের হাসি গল্প দেখে আমরা ওপিনিয়ন দিচ্ছি -- ঃ)) মাসী কাকুদের দল।
  • Arijit | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ১০:২২338694
  • ও কি ১০১ ক্লাসটা নেবে? জ্ঞানীগুণীরা তো গা করলেন না। টই ফাঁকা পড়ে আছে।
  • aranya | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ১০:১৫338693
  • এক্সেপশনালি ব্রাইট, টিনটিন
  • | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ১০:০৭338692
  • ওদিকে ঈশানের এগারো বছরের ছেলে রাজনীতি নিয়ে শুধু মাথাই ঘামাচ্ছেনা আবার এক্সেল ফাইল খুলে হিসেবও কষছে। (ঐ টইটায় আর লিখলাম না, তেমন কিছু প্রাসঙ্গিক নয় বলে)
  • aranya | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ১০:০৫338691
  • sch-এর বক্তব্যের সাথে একমত, কিক বক্সিং-এর জায়গাটা ছাড়া।
    তবে নোটা তো কোন সলিউশন নয়, আর সততা একটু আধটু থাকলে বাম-দের মধ্যেই থাকবে, মন্দের ভাল
  • Arijit | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ১০:০৩338690
  • নোটা আর অরাজনৈতিক - দুটি অর্থোগোনাল।
  • pi | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:৪৫338689
  • আমাদের ম্যালেরিয়া কালচারের জন্য নিয়মিত রক্ত, সিরাম লাগতো। তখনও ব্লাড ব্যাঙ্কগুলোর সাথে কথা বলে দেখেছি, কী ক্রাইসিস থাকে। হোল ব্লাডের। কিছু কিছু মাসে পজিটিভ ব্লাডেরও। মানে মাসে দুটো ক'রে ইউনিট সাপ্লাই দিতে পারার গ্রাণ্টিও দিতে পারতো না। পজিটিভ ব্লাড হলেও।
  • pi | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:৩১338687
  • প্রতিটা রক্তদান শিবিরে কাল আলাদা ক'রে নেগেটিভ রক্তের লোকজনের রক্ত নেওয়া হয়েছে।

    যাহোক, এই টইটা তোলা রইলো। যিনি লিখেছেন, তিরিশ চল্লিশ বছর ধরে রক্তদান শিবিরের কাজ করছেন। লোকজন মোটামুটি তাঁকে রক্ত বিপ্লবী বলে থাকে। আসামের নানা জায়গা জুড়ে যা কাজ করেছেন।
  • sch | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:৩১338688
  • কে যেন কাল বলছিলেন stakeholder consultation বড়ো প্রজেক্টের জন্য জরুরী। কোনোদিন কলকাতার কোনো স্টেকহোলডার মিটিঙ্গে গেছেন?
    ২০০৪, বেহালা অঞ্চলে KEIPর কাজের স্টেকহোল্ডার মিটীং হচ্ছে -stekeholder শুধু বরো কাউন্সিলাররা আর কিছু লোকাল কমিটির লোক। এক কাউন্সিলার বললেন তিনি নক্সা দেখে বুঝেছেন তার বাড়ীর গলির পাইপের ডায়ামিটার ছোটো আর পাশের গলিরটা বড়ো - গর্জন করে উঠলেন - "এসব চালাকি ধরতে পারি না ভাবছেন? দুটো গলিই একরকম চওড়া"- বোঝানোর চেষ্টা হল অন্য গলির পাইপে আরো জল বাইরে থেকে আসছে - তাই বড়ো পাইপ। দু'তিনবার চেষ্টার পর গর্জন করে উঠলেন "রেখে দিন মশাই - আমার বাবার পয়সা থাকলে আমিও আপনাদের মতো ইঞ্জিনিয়ার হতাম"। কি করে বোঝানো যাবে তাকে যে পয়সা নেই বলেই যাবপুরে ১৮০ টাকা সেমেস্টার ফি দিয়ে ইঞ্জিনরিং পড়ে লোকজন। কাজেই স্টেহোলদার কন্সাল্টেশান আরো বড়ো আপদ

    খুব অস্থির লাগে। আকার কথাটা ঠিক। কাকে সমর্থন করব? যারা অরাজনৈতিকতা নিয়ে মুখ ব্যাঁকান তারা ভেবে দেখুন তাদের সমর্থনের দলেও কি সততার তিল মাত্র অবশিষ্ট আছে?

    তিনোরা আপাদমস্তক অসৎ, অশিক্ষিত, বর্বর, ঘূষখোর, দালাল সিন্ডিকেটবাজ, গুণ্ডা গাণ্ডুদের পার্টি। সিপিএম কি এর বাইরে? ব্যতিক্রমী? মানিকতলা ব্লাড ব্যাঙ্কের বাইরে যারা পোস্টার আর ফ্ল্যাগ লাগিয়েছিল, তারাই ক্ষমতায় থাকলে বলত কমরেডরা আগে আসুন। নির্মল শুয়োরটার মতো এতো ক্রুড বাওয়ালি করত না, অনেক পলিশড ওরা। বলত নাম লিখিয়ে যান দরকার পড়লে জানাবো। সেদিন দেখছিলাম যে সব অল্প বয়েসী ছেলে মেয়েরা ব্লাড ব্যাঙ্কের বাইরে গল্প করছে (সহজেই অনুমেয় SFI এর সদস্য) তারা সগর্বে একে অন্যেকে হাতের ব্যান্ড এইড দেখাচ্ছে - হা হা হি হি করছে। কোনো বিষণ্ণতার ছাপ নেই। এরা লেফটিস্ট আদর্শে পার্টি করে বিশ্বাস করা কঠিন। এরা কেউ করে দলে পড়ে কেউ করে আখের গোছানোর ধান্দায়। লক্ষণ শেঠ haldia inst, of technology র প্রোফেসর selection এর প্যানেলে বসত।ওর যা শিক্ষাগত যোগ্যতা তাতে নিজের বাড়ীর বিছানা ছাড়া অন্য কোথাও কি ওর বসা উচিত। অনিল বিশ্বাস গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাটাকেই মধ্যমেধায় ভরে দিয়েছিল। ছোটোবেলায় ওকে টীভিতে কথা বলতে দেখলে খালি মনে হত কিক বক্সিং জানলে এক লাথিতে ওর সবক'টা দাঁত ভেঙ্গে দিতাম যাতে পরের বার মুখ খুললে শুধু রক্ত আর ভাঙ্গা দাঁত থুতু ফেলে। আর ক্যাডার দের দাপট পাচ বছরে মলিন হবে এতো খারাপ অবস্থা এখনো হয় নি। এই যে বাড়ি করা, বাড়ি বেচা, ভাড়া দেওয়া সবেতে লোকাল কমিটির অনুমোদন, রাজনীতিকে মানুষের জীবনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢূকিয়ে দেওয়া এই কাজটা তো সিপিএম ই করেছে। অনেকদিন আগে এখানেই বলেছিলাম না ADB র প্রতিনিধি দলকে অসীম দাসগুপ্ত বলেছিলেন we will bulldoze the squatters. বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় এরা leftist. আরো ভণ্ড।
    বিজেপি তো কিছু বিকৃত মানসিকতার অসুস্থ পারভার্টের দল।

    কিছুদিন রাজনীতি থেকে মুখ ঘুরিয়ে দেখুন না - খারাপ হয়তো হবে না। নোটায় বোতাম টিপে দেখুন - কত আর খারাপ হবে এর চেয়ে।
  • Arijit | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:২৯338686
  • এত সহজ ইকুয়েশন তৈরী করাটা সেল্ফ স্যাটিসফ্যাকশন নাকি গিল্টি ফিলিং নাকি আর কিছু - সেটা নিয়ে ধন্দে পড়ে যাই।

    আপাতত বালের দলেই থাকি। কাল একজন সম্পূর্ণ অচেনা কেউ ফেবু-তে লিখে গেছেন - "আপনি কে আমি জানি না, তবে দোষারোপ আর কান্নাকাটির চেয়ে এইটা অনেক কাজের" - এটুকুই স্যাটিসফ্যাকশন।
  • কারা বাল | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:২৮338684
  • আমার মতে এই সবগুলো বালস্য বাল। মানুষ পচে মরছে স্ল্যাবের তলায়, ব্যানার লাগিয়ে ব্লাড ডোনেশন শুরু হয়ে গেল। আরে যাকে ব্লাড দিবি তাকে আগে তোল। জেনে নে, কোন ব্লাডের দরকার কোথায়?
  • aka | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:২৮338685
  • যেকোন ব্লাড সেন্টারে যান। আমার দরকার ছিল চার বোতল রক্তের। শুনলাম দু বোতলের বেশি দেই না। আপনি কি রক্ত দেবেন। বললাম হ্ন্যা। তো রক্ত নেবার লোক নেই। এরপরে চেনাশোনা লোক ধরে ১০০০ টাকা দিতেই চার বোতল রক্ত এসে গেল।

    অনেকটা সারা পৃথিবী জুড়ে ফুডের মতন - প্রোডাকশন সমস্যা নেই কিন্তু ডিস্ট্রিবিউশন সমস্যা। কোথাও লোকে খাবার ফেলে কোথাও অনাহারে মারা যায়।

    তবে নেগেটিভ রক্ত রেয়ার যার চাহিদা সব সময়ে। এই হিড়িকে যদি সেই সময়্সা কিছু মেটে তাই ভালো।
  • pi | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:২৭338683
  • ?, লোকজনের আরো কাজকর্ম থাকে তো। সবসময় খোঁচা দেবার চেষ্টা নাই করলেন। টইয়ের লিস্টে নেই, আপনার খুব অসুবিধে কিছু করছে কি ? আর অসুবিধে হলে অন্য টই তো নিজেও তুলে আনতে পারতেন।
  • pi | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:২৫338680
  • গরমকালে সব রক্তেরই ক্রাইসিস থাকে। যাঁরা থ্যালসিমিয়া, লিউকোমিয়া রোগীদের নিয়ে কাজ করেন, জিগেশ করে দেখুন।
  • dc | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:২৫338682
  • আর হ্যাঁ গরমকালেও ক্রাইসিস থাকে। এগুলো বোধায় সব শহরেই মোটামুটি একইরকম।
  • Robu | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:২৩338677
  • "তুমি কোনো দলে?"
  • dc | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:২৩338678
  • সাধারনত নেগেটিভ রক্তের ক্রাইসিস থাকে সেটা জানি, কারন আমিও একজনকে চিনি যার ডনর কার্ড আছে। তবে সেটা লায়ন্স কার্ড, এরা চেন্নাইয়ে একটা বড়ো সেন্টার। থ্যালাসেমিয়া আর হিমোফিলিয়ার রুগীদের রেগুলার সাপ্লাই করে।
  • এটা কিভাবে হয়? | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:২৩338679
  • এমনিতে ব্লাডের কোন সমস্যা নেই। কিন্তু প্রতিদিন মানুষ মারা যাচ্ছে রক্তের অভাবে।
  • aranya | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:২১338676
  • সবাই বাল কেন হবে!! অন্যের বিপদে এগিয়ে আসার এই দৃষ্টান্ত গুলো ই তো আশা জোগায়। মানুষ দিনকে দিন আরও বেশি ব্যক্তিকেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছে, স্বার্থপর হয়ে যাচ্ছে, এই তো প্রচলিত ধারণা।
    তার ব্যতিক্রম-ও যে আছে, সেটা আশার কথা
  • aka | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:২০338675
  • যারা প্রাণ বাচানোর চেষ্টা করেছে, কিছু করার তাগিদে ব্লাড দিয়েছেন কেনই বা বাল হবে?

    তবে বালেরা প্রকৃত বাল আবার তা প্রমাণিত। সমস্ত পলিটিকাল পাR্টি গুলোর কথা বলছি, এক সে বড়কর এক।
  • pi | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:১৮338674
  • রক্তদান শিবিরে কাজ করা লোকজন কেউ এই কথা বলেন না। কী বলেছেন, সেদিন জানিয়েছি। ডাক্তারদের কথাও। বলছেন, এই রক্তে এবার অনেক থ্যালসিমিয়া রোগী বেঁচে যাবেন।
    সরকারি ব্লাড ব্যাংক গুলোয় একটা সীমার পরে নেওয়া যাচ্ছে না কারণ একটা লিমিটের পরে নেওয়ার মত ব্যবস্থা নেই ( সেটার জন্যও দোষ দেওয়া হচ্ছে না)। অন্য নানা শিবিরে হলে ওয়েলকামই বলছেন। কিন্তু বি পজিটিভ আর কিছু গ্রুপ লাগবেনা, এটাও জানাচ্ছেন।
    গরমকালে রক্তের বিশাল ক্রাইসিস থাকে, এবারেও সেটা চলছিল। এই রক্তে সেই ইউজ্যুয়াল ক্রাইসিসও মিটবে বলেই লোকজন বলছেন, যাঁরা এগুলো নিয়ে রোজ ডিল করেন।
  • aka | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:১৭338673
  • সব মিলিয়ে বোধহয় ১০০ লোক উদ্ধার হয়েছে, তাদের প্রত্যেকের ৩ বোতল করে রক্ত লাগলে ৩০০ বোতল হয়। কলকতার ব্লাড ব্যান্কে কত বোতল রক্ত আছে? ধরে নিন কলকাতা ও শরতলীতে?

    সাধারণ মানুষ যেমন রায়া দেবনাথ গেছেন কিছু করার তাগিদে। সেটা ছোট করার কোন জায়্গাই নেই।

    আমার সাধারণ বুদ্ধিতে বলে রক্তের চাহিদা অনুযায়ী যোগান ছিল।

    তবে সেটাও প্রশ্ন নয়। ব্যানার লাগিয়ে রক্তদান উতসবে ঘোরতর আপত্তি। রায়ার বয়ানেই পড়েছি, ঘরের ভিতরে ব্যানার খোলা হলেও বাইরে ব্যনার ঠিকই ঝুলছিল।

    আর সেখানেই নির্মল মাজির আপত্তি।
  • সবাই বাল? | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:১৪338672
  • ভেঙে পড়া ফ্লাইওভারের সামনে নিজের সব টুকু দিয়ে আহত, রক্তাক্তদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন, অনেকে, হ্যাঁ, অনেকেই। পুলিশ আসার ঘণ্টা দুই আগে থেকেই যাঁরা ওই ভয়ঙ্কর ধ্বংসাবশেষ থেকে যে কোনও ভাবে প্রাণ বাঁচাবার চেষ্টায় মাতেন। মধ্য বয়সী কোনও প্রৌঢ় বেলচা দিয়ে, প্রাণপন চেষ্টা চালান দানবাকৃতি সিমেন্টের চাঁই সরানোর। ব্যর্থ হন বা ব্যর্থ হবেন জেনেও চেষ্টাটা কিন্তু থামান না। আহতদের ধরাধরি করে অ্যাম্বুলেন্সে তুলে দিতে হুড়োহুড়ি পরে যায়। যদি বাঁচান‌ো যায়। সেই আশায় চাপা পড়া কোনও এক মুমূর্ষুর মুখে জল তুলে দেন। আবার ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যাওয়া সেই শরীরটার দিকে তাকিয়ে কেঁদে ওঠেন। উদ্ধারকাজে পুলিশ, সেনা জওয়ানের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাত জাগেন বহু মানুষ। ভোরেও একই উদ্যমে জড়ো হন, মানুষের জন্য, প্রাণের টানে।
    এই শহরের যারা, দিনের বেশিরভাগ সময়টাই ব্যস্ত থাকেন ফেসবুকে এটা ওটা সেটা শেয়ারে, বিভিন্ন ছবি পোস্ট করতে, তারাও ওই সেই ফেসবুকেরই আপাত অকিঞ্চিত্কর ছোট্ট পোস্টের ডাকে সাড়া দিয়ে এক ঘণ্টার মধ্যে শয়ে শয়ে ভিড় জমান মেডিক্যাল কলেজ, আরজিকর হাসপাতাল, সেন্ট্রাল ব্লা়ড ব্যাঙ্কের সামনে। কেউ বা ছুটে যান মারোয়ারি হাসপাতালের সামনে। আহতদের জন্য রক্ত দিতে। কোনও ভাবে যদি, কোনও সাহায্যে আসা যায় ওই মানুষগুলোর, সেই কমিটমেন্টে। এই ভীষণ সময়ে ইমারজেন্সিতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনও এক জুনিয়র ডাক্তার ফেসবুকে নিজের ওয়ালে পোস্ট করেন নিজের আর বন্ধুদের ফোন নম্বর। আহ্বান জানান রক্ত দেওয়ার, আহ্বান জানায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার। সে‌ই পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে এক দেওয়াল থেকে অন্য দেওয়ালে। এই গরমে, এই ভোটের বাজারে এমনিতে ব্লাডব্যাঙ্কগুলোতে রক্তের বড় হাহাকার থাকে। কিন্তু সেই ঘাটতি যাতে আর একটাও প্রাণ নষ্ট করতে না পারে, তার টানেই জড়ো হন মানুষ। কালকের ব্ল্যা়ডব্যাঙ্কের পর আজও শুধু ফেসবুক পোস্টের সূত্র ধরে মানিকতলা ব্লাড ব্যাঙ্ক, মেডিক্যল কলে়জের সঙ্গেই রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয় যাদবপুর, প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে, দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়ায়। কোনও কোনওটির দায়িত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা, কোনওটির দায়িত্বে নিছকই কোনও রাজনৈতিক দল। সারা বছর যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক মত নিয়ে একে অপরের সঙ্গে ঝগড়ায় মাতেন, আজ তারাও সেই সব ভুলে এক সঙ্গে পাশা পাশি বেডে শুয়ে হাসি মুখে রক্ত দেন।
  • | ০২ এপ্রিল ২০১৬ ০৯:১৩338671
  • হ্যাঁ রক্তদান শিবিরের রক্তদান অনেকটাই নষ্ট হয় সেটা জানি। আজকাল রক্তের বিভিন্ন অংশ আলাদা করে স্টোর করার কিছু একটা প্রসেস হয়েছে, পাই বোধহয় ডিটেল বলতে পারবে। ঐজন্য এখন নাকি ততটা নষ্ট হয় না। আমি রেগুলার ডোনার। এখানে এই রক্ত আলাদা করার গল্পটা শুনেছি। পশ্চিমবঙ্গে কতটা কী ব্ভ্যবস্থা আছে জানি না। আমি ঐ আশঙ্কাজনক অবস্থায় থাকাদের খবর জানতে চাইছিলাম।

    যাইহোক আমি চেনাদের কাছে তার মধ্যে দু তিনজন কলকাতা অফিসের কলিগও আছে, শুনলাম যে না রক্তের দরকার আছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত