এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kc | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১১:৫৬338520
  • সচ, ঘিঞ্জি এলাকায় ব্রীজ পড়লে এরকমই হবে। কিন্তু প্রশ্ন হল চারদিকে এত জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও ব্রীজ পড়ে কী করে বাল?
  • sch | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১১:৫২338519
  • KCদা urban flyover একটা ইউনিক জিনিস। ট্রাফিক ডাইভারশান প্ল্যান কন্সট্রাকশান সিকোয়েনস এগুলো খুব ক্রিটিক্যাল হয়ে যায় আপনি আমার চেয়ে ঢের ভালো জানেন। গোল্ডেনের কাজ কিন্তু অনেক ফাঁকা জায়গায় - ঝামেলা কম। এই ফেলিওরটা একটা NH এর কন্সট্রাকশানে হলে লেবার কজন ছাড়া কেউ মারাই যেত না। এত হাইপও হত না।
  • করঞ্জাক্ষ চাকলাদার | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১১:৫১338518
  • এই ভয়ানক জনঘনত্বকেও হিসেবে ধরবেন।
  • kc | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১১:৪৮338517
  • সচ, IVRCL গোল্ডেন কোয়াড্রিল্যাটারালে বেশ ভাল কাজ করেছিল। সবকটাই সাব এ অবশ্য।
  • dc | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১১:৪৫338515
  • ইয়ে IVRCL বোধায় আর কাজ করার অবস্থায় নেই। শুনলাম কোম্পানিটা দেউলিয়া হয়ে গেছে।
  • kc | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১১:৪৫338516
  • সচ, ২০০৭ এই বোধহয়, গ্যামনের একটা ব্রীজ পড়েছিল হায়দ্রাবাদে, আন্ডারকনস্ট্রাকশন। অলমোস্ট একরকম ঘিঞ্জি এলাকায়। অনেক লোক মারা গেছিলেন। পিওর টেকনিক্যাল ফেলিওর ছিল। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং আর লেসনস নিয়ে একটা খুব সুন্দর প্রেজেন্টেশন বানিয়েছিল আমার তৎকালীন এমপ্লয়ার। খুঁজে পেলে তোমাকে পাঠাচ্ছি।
  • sm | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১১:৪৪338514
  • উড়াল পুল তো বানাতেই হবে। কারণ এত পুরনো শহরে গঙ্গা পার হবার বিকল্প থাকছে না। হাওড়া ব্রিজ আর কত টানবে?
    মোদ্দা কথা হলো ভুল থেকে কি শিক্ষা নিলাম। শহরের মাঝে উড়াল পুল করার দ্বায়িত্ব সেনা বাহিনী বা বিদেশী নাম করা কোম্পানি দিয়ে করা উচিত।
    ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট গ্রূপের কতৃত্বও সেনা বাহিনীর হাতে থাকা উচিত। এতে লটর পটর কম হবে।
  • sch | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১১:৪০338513
  • kC দা আগে ভাঙ্গতো না কেন জানো? মানুষ ভয় পেত। রাত জেগে ডীজাইন একাধিকবার চেক করে ফ্যাবিকেশানে পাঠাতো, বা সারা রাত ধরে কাস্টিং এর আগে সর কিছু চেক করত। কোয়ালিটি ম্যানুয়াল কিছুটা হলেও মানতো। এখন জানে পার্টির গান্ডু দাদা বা দিদি আছে - চিন্তা নেই - আমার কোম্পানি ফান্ডে পয়সা দিয়ে দেবে সব ঠিক হয়ে যাবে। IVRCL আবার তিন বছর বাদে এখানে কাজ পাবে - যেমন AMRI খুলে গেছে।

    IVRCL -এর urban flyover এ ক'টা কাজ করেছে। ওদের main expertise water sector pipeline ar gas pipe line -এ। সেরকম কোম্পানী কাজ পেল কি করে? কি ক্রাইটেরিয়া ছিল যাতে L&T, GAMMON, নিদেন ঘরের ছেলে GPT ও কাজ পেল না? কি কোয়ালিফিকেশান ক্রাইটেরিয়া ছিল টেন্ডারে?
  • Arijit | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১১:২৮338511
  • মূল স্ট্রাকচার নয়, ওই রেলিঙেরই ক্ষতি হবে বলতে চেয়েছিলাম। সেটাও তো সেফটি ইস্যু বলেই মনে হল।
  • kc | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১১:২৮338512
  • সচ, ওসব অসুবিধা তো থাকবেই। কিন্তু তাই বলে ব্রীজ ভেঙ্গে যাবে?
  • sch | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১১:২৬338510
  • আর হ্যা আররেকটা কথা পরমা ফ্লাই ওভারের রেলিং (যেটাকে পরিভাষায় crush barrier) বলে তাতে হানিকম্ব থাকলে কেন মূল স্ট্রাকচারের ক্ষতি হবে বুঝলাম না। crush barrier আসলে বাড়ির রেলিং এর মতো - তার বেশী কিছু না।

    পরমা ফ্লাই ওভারের কন্সট্রাকশান খুব ইউনিক - একই ব্রীজে ডেক স্লাব গার্ডার, স্টিল বক্স গার্ডার, প্রিস্ট্রেস বক্স গার্ডার তিনটেই ব্যবহার করা হয়েছে - বেশ রেয়ার।
  • ঠিক | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১১:১৮338509
  • এই কথাটাই লিখতে চাইছিলাম। কাঁকড়া জীবটা জেনেটিকালি বাঙালি।
  • dc | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১১:১৬338508
  • "সলিউশান খুব সহজ। যে কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ারদের করতে দিন - দল নির্বিশেষে রাজনৈতিক নেতারা এবং তাদের ফোড়ে ঈআ রা দূরে থাকুন।"

    হায় রে! এই জিনিস হবে কলকাতায়?!!
  • dc | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১১:১৩338506
  • হতে পারে, কার দোষ কে জানে। তবে কলকাতা আর পশ্চিম বঙ্গে যে কি মাইক্রোর থেকে মাইক্রো লেভেলে পলিটিক্স ঢুকে গেছে সেটা কলকাতার বাইরে না থাকলে বোঝা যায়না।
  • sch | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১১:১৩338507
  • কলকাতার যে কোনো প্রজেক্টে জমি সংক্রান্ত সমস্যা অনেক বেশী। আর রাজনৈতিক স্বার্থ থাকে বলে অনেক ক্ষেত্রেই আলাইনমেন্ট অনুযায়ী জমি আছে কি না দেখে না নিয়েই কাজ শুরু করে দেওয়া হয় লোক দেখানোর উদ্দেশে। ফলে মাঝ রাস্তায় কাজ বন্ধ হয়ে যায়। প্রজেক্ট কস্ট বাড়ে আর ভালো কন্ট্রাক্টররা কলকাতায় কাজ করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।
    ঊদাহরণঃ পরমা আইল্যান্ড ফ্লাইওভারের যে অংশটা চার ন্মবর ব্রিজের ওপর দিয়ে গেছে সেটা একাধিকবার টেন্ডার করা সত্তেও শেষ অব্দি সিঙ্গল টেন্ডারে আওয়ার্ড হয়েছে।

    আর এই সব প্রজেক্টের DPR তৈরীর সময় কন্সাল্টান্টদের ওপর অসমভব চাপ দেওয়া হয় খুব স্বল্প সময়ে কাজ শেষ করার জন্য যাতে দ্রুত টেন্ডার করা যায়। আমার জানা একটি ফ্লাই ওভারের DPR সাতদিনে শেষ করতে বাধ্য করা হয়েছিল একটি কন্সাল্টেন্সি ফার্মকে। বলাই বাহুল্য কি হবে সেটা। তারা আপত্তি জানালে বলা হয়েছিল পঃবঃ তে আর কাজ পেতে হবে না যদি ঝামেলা করেন

    এই ধরণের কাজে, মানে ব্রীজ ইত্যাদিতে ভালো কোনো প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট কন্সাল্টান্ট রাখা হয় না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ডিপার্ট্মেন্টের ইঞ্জিনিয়ার-রা সুপারভাইজ করেন। ভালো PMC থাকলে কাল কখনোই বোল্ট খুলে যাচ্ছে - তাকে weld করে কাজ শুরু করার অনুমতি পেত না।

    সলিউশান খুব সহজ। যে কোনো ইঞ্জিনিয়ারিং প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ারদের করতে দিন - দল নির্বিশেষে রাজনৈতিক নেতারা এবং তাদের ফোড়ে IAS রা দূরে থাকুন। আর যে কাজের জন্য যে সময় দরকার সেটা দিন। মাতৃগর্ভে একটা শিশুকে ন'মাস থাকতে দিতে হয় একটা ডিজাইন আর প্ল্যানিং কেও সেই রকম উপযুক্ত সময় দিতে হবে। না হলে বিকৃত শিশুর জন্ম হবে

    ওই টাউন হল যেটা বলেছেন সেটাকে গাল্ভারী নাম দেওয়া হয় stakeholder consultation. এই consultation যে কোনো ইন্টারন্যাশনাল ফান্ডেড প্রজেক্টে বাধ্যতামূলক। project affected person দের জন্য স্থানীয় ভাষায় প্রজেক্টের প্ল্যান, সুবিধা -অসুবিধা ইত্যাদি লিখে লোক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের অফিসে বা ডি এমের অফিসে রাখতে হয় যাতে লোকে জানতে পারে। JNNURM এ এগুলো কাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। যাতে প্রজেক্ট দ্রুত হয়। তাই হচ্ছে। দ্রুত খালাস
  • :) | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১১:১০338505
  • তবে পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে হাতির শিঙ যে অনেক বছর বাদে স্বনামে ফিরে এল সেজন্য অভিনন্দন জানাই।
  • d | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১১:০৯338504
  • ব্র্যাবোর্ন রোডের ফ্লাইভারটা বহু পুত্রানো, এখনও ভাঙে টাঙে নি। রিসেন্টগুলো`ঈ ভাঙছে দুমদাম।
  • Arijit | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১১:০২338503
  • হ্যাঁ, পাবলিক প্রোজেক্টে আকচা-আকচি হয় না দক্ষিণের রাজ্যে - এইটা মানি। যেমন কাবেরীর জল - আন্না/আম্মা সেই নিয়ে ঝগড়া করে না। বরং আন্না/আম্মা মিলে কর্ণাটকের সঙ্গে ঝগড়া করে।

    কাঁকড়া জীবটা জেনেটিক্যালি বাঙালি - এই নিয়ে সন্দেহ নেই। তবে তার দোষটা রাজনীতির নয়। এই জিনিস বাঙালী রেনেসাঁ আমলেও হয়েছে।
  • ... | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১০:৪৮338502
  • দিল্লি মেট্রোতে একাধিক সংস্থা ছিল। শুধু AFCONS নয়।

    যদ্দূর মনে পড়ছে, লাজপত নগরে মেট্রোর গার্ডার পিলার ভেঙে পড়ে। BEML ছিল কি? মনে নেই। চারজন মারা যায় আর সাথে সাথে কোম্পানিকে ব্ল্যাকলিস্ট করা হয়। ইঞ্জিনীয়ারও সাসপেন্ড হন।

    আর রাজ্য লেভেলে মানে? গাজিয়াবাদের কাজ তো রাজ্য লেভেলেই হচ্ছে। এটা তো সেন্টারের কাজ নয়!
  • dc | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১০:৪৭338501
  • হুঁ আমরা যারা একটু কম রাজনীতিওয়ালা জায়গায় থাকি তারা দেখি চোখের সামনে একেকটা প্রোজেক্ট শেষ হয়, ওপেন করে দেয়, পরের প্রোজেক্টে হাত লাগায়। অবশ্যই দুয়েকটা প্রোজেক্ট আটকে যায়, তবে সেরকম কম হয়। সারা চেন্নাই জুড়ে মেট্রোর কাজ চলছে, খুব একটা হৈচৈও নেই, রাস্তা আটকানোর ফলে যা অসুবিধে সেসব লোকে মেনেও নেয়, আন্না-আম্মা আকচা আকচিও করে না। জমি পাওয়া যাচ্ছে না, সেই নিয়ে রাজনীতি, সেসবও খুব একটা পেপারে বেরোয় না। আর ফ্লাইওভার তো কতো হচ্ছে, প্রতি বছরই একটা দুটো খুলে যাচ্ছে। শুধু চেন্নাই না, আরো অনেক শহরেই এরকম দেখি। কলকাতার থেকে কিছুটা কম রাজনীতি করে আমরা দিব্যি আছি।
  • b | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১০:৪৫338500
  • এদিকে গুরুতে লিখবেন আর উদিকে ল্যালাপনাকে গালি দেবেন সে তো হয় না।
  • S | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১০:৩৮338499
  • সেতো টালিগন্জ থেকে গড়িয়ার মেট্রোর কাজও হয়েছে। ধরে নিচ্ছি ওগুলো সব ঠিক আছে। জয় মা কালী। আসলে রাজ্য লেভেলে হয়তো ফান্ডিঙ্গ কম থাকে। তার পরে মাঝে মাঝেই ডিলে হয়। ফলে খরচ আর টাইম বাঁচানোর তাগিদ বেশি থাকে হয়তো। তবে এসবই হলো ঘরে বসে আরাম কেদারায় বসে আলোচোনা। কিন্তু ভয় ক্রমশই বাড়ছে।
  • Arijit | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১০:৩৬338498
  • দিল্লী মেট্রোও করেছে এই একই AFCONS। পরমা ফ্লাইওভার করেছে HCC - যারা বম্বে-ওরলি সী লিঙ্ক বানিয়েছে।
  • Arijit | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১০:৩৩338495
  • এমনকি পরমা ফ্লাইওভারে - একেবারে নতুন - একদিন আমাকে দেখালো ব্রীজের ওপর রাস্তার ধারের রেলিঙে - অসংখ্য হানিকোম্ব - যেগুলো নাকি কন্সট্রাকশন ডিফেক্ট। এমনিতে কিছু হবে না, কিন্তু লাইফস্প্যান কমবে - লং টার্মে।
  • :( | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১০:৩৩338496
  • এগুলো বোধ হয় শুধু কলকাতাতেই হয়। দিল্লিতে চোখের সামনে মেট্রোর নেটোয়ার্ক তৈরি হতে দেখলাম, ফি বচ্ছর একটা দুটো ফ্লাইওভার হতে দেখছি - পুরো এলাকা সার্ভে করে সয়েল টেস্টিং করে তবে ডিজাইন করা হয়।

    বাড়ির সামনেই হিন্দোন ক্যানেল বরাবর ফ্লাইওভার তৈরি হচ্ছে। দিল্লি গাজিপুর থেকে হার্ট অফ গাজিয়াবাদ ননস্টপ। কীভাবে জলে ভর্তি ক্যানেলের ঠিক পাশের মাটিতেই বেস বানিয়ে পিলার তুলছে, দেখলে অবাক হতে হয়।

    এক্সপার্টের তো কমতি নেই এ দেশে, কেন আমাদের শাঁওলি সব্যসাচীদের বক্তব্য অবধি পৌঁছতে হয়!
  • lcm | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১০:৩৩338497
  • মাইক্রো লেভেলে রাজনীতি আছে। আমাদের কলকাতার ফ্ল্যাটে দিব্য একটা গ্রুপ হোম মেইনটেন্যান্স চালাচ্ছিল। তারা বাইরের একটি কোম্পানি। এখন এমন ভোট টোট করে কিসব করেছে, সেই কোম্পানি গেছে, এখন কে যে হোম মেইনতেন্যান্সের পয়সা নেয়, কিভাবে চলে কে জানে। মেইনট্যানেন্সের মান নেমে গেছে।
  • lcm | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১০:৩০338493
  • একদম ঠিক। এত ঘন ঘন ব্রীজ ভেঙে পড়া ভালো লক্ষণ নয়। বিশেষ করে যেগুলো সবে তৈরী হয়েছে।
  • Arijit | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১০:৩০338494
  • এও শুনেছি যে AFCONS এখন রীতিমত হাত কামড়াচ্ছে মেট্রো প্রোজেক্ট নিয়ে ফেলে - এত নাকি নাক গলানো, পয়সার দাবি, আর জমি সংক্রান্ত অসুবিধা।
  • dc | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১০:২৭338492
  • বড়ো কনস্ট্রাকশান প্রোজেক্টে টাউনহল হওয়া উচিত, এটা আমারো মনে হয় কারন আফটার অল এসব বড়ো প্রোজেক্টে সাধারন মানুষেরই তো নানান সুবিধে-অসুবিধে হয়। তাছাড়া টাউন হলে হয়তো আমি আপত্তি জানালাম, মেট্রোর টানেল খুর্হছে বলে অমুক রাস্তা ওয়ান ওয়ে হয়ে গেছে, তাই আমাকে অনেক ঘুরে যেতে হচ্ছে, তখন হয়তো ট্রাফিক পুলিশ আমাকে বললো এই এই কারনে ওটা ওয়ান ওয়ে হয়েছে, তো আমিও ভেবে দেখলাম কারনগুলো লজিকাল। এর ফলে অনেকের মনের অনেক অসন্তোষও দূর হতে পারে।

    তবে কলকাতায় যে লেভেলে রাজনীতি হয় (আজকে না, অনেক দিন থেকেই), তাতে এই রক্তদান বা ত্রানের সময়েও যে রাজনৈতিক খেয়োখেয়ি শুরু হবে তাতে আশ্চর্য্যের কিছু নেই।
  • Arijit | ০১ এপ্রিল ২০১৬ ১০:২৬338490
  • তা আসবে। এর থেকে উদ্ধারের রাস্তা জানা নেই। তবে পাবলিকলি প্রোজেক্ট প্রেজেন্ট না করলে এই ধরণের ঘটনা ঘটতেই থাকবে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত