এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৮:৩৭337410
  • আরে রাম রাম sch আমাকে প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবী দলে ধরলেন নাকি? গুজ্জু, মাল্লু, ট্যামব্র্যাম, বং, এই সমস্ত টার্ম আমি বিনা দ্বিধায় ব্যাবহার করে থাকি, ওদের সামনেই। মুখোশই নাই, তার আবার খোলা আর পরা :d
  • Div0 | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৮:৩৬337409
  • ** খারম!! WTF!! ওটা গরম হবে।
  • Div0 | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৮:৩৫337408
  • গুজরাটি স্ন্যাক নিয়ে কথা হচ্ছে বুঝি? আমি ঢোকলা খাখরা ফাফড়া থেপলা গাঠিয়া মঠরি সঅঅব অত্যন্ত ভালোবেসেই খাই। খারম ভাজা হলে তো আরোই কথা নেই। তবে ক্ষেত্রবিশেষে ধনিয়ার চাটনি আর আচার মস্ত, মানে এগুলো খাওয়ার সময়।

    এই কথা বলে আজকের মত পাত্তাড়ি গুটোই। কালকে ছুটি।
  • ঊমেশ | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৮:৩১337407
  • জোহান ক্রুয়েফ আর নেই।
    আরো একটা ফুটবলের খারাপ দিন।
  • pi | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৮:২৪337406
  • চন্দ্রবিন্দুর গানটা এখনো এল না ? ঃ)
  • sch | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৮:১৪337404
  • একেবারেই তাই - আগরতলায় সব কিছুতে শুঁটকি মাছ। আমার পরিচিত ঘোরতর আমিষাশীও দেখেছি কাঁচা শুঁটকির গন্ধে বমি করে ফেলেছেন। সেক্ষেত্রে আমরাই লজ্জিত হয়েছি। কারণ সেটা তাদের খুব ভালোবাসার খাবার।
    আমার ধারণা সদ্য কাটা বাছুরের রক্ত পরিবেশন করলেও অনেক মাংসাসী ঘাবড়ে যাবেন।

    গোঁড়ামি কারোর দিক থেকেই সহনীয় না। সেইটুকুই - কিন্তু সেই রেখাটা এখানে মাঝে মাঝে সরে যাচ্ছে। আর বং, গুজু, মাল্লু এইগুলো কিন্তু ওই চিঙ্কির মতোই
  • sch | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৮:১৪337405
  • একেবারেই তাই - আগরতলায় সব কিছুতে শুঁটকি মাছ। আমার পরিচিত ঘোরতর আমিষাশীও দেখেছি কাঁচা শুঁটকির গন্ধে বমি করে ফেলেছেন। সেক্ষেত্রে আমরাই লজ্জিত হয়েছি। কারণ সেটা তাদের খুব ভালোবাসার খাবার।
    আমার ধারণা সদ্য কাটা বাছুরের রক্ত পরিবেশন করলেও অনেক মাংসাসী ঘাবড়ে যাবেন।

    গোঁড়ামি কারোর দিক থেকেই সহনীয় না। সেইটুকুই - কিন্তু সেই রেখাটা এখানে মাঝে মাঝে সরে যাচ্ছে। আর বং, গুজু, মাল্লু এইগুলো কিন্তু ওই চিঙ্কির মতোই
  • san | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৮:০৭337403
  • নানা সে তো আমিও ফুটন্ত /গরম দুধের গন্ধ সহ্য করতে পারিনা। তা বলে কি কেউ আমার সামনে গরম চা খেলে আমি তার নামে কমপ্লেন করতে পারি ? এই যে আপিস কাছারির গল্প শুনছেন এর মধ্যে আমিষাশীদের আমিষ খাওয়া আটকানোর জন্যে প্রচুর চেষ্টা চলে। ব্যঙ্গ বিদ্রুপ আপিসিয়াল কমপ্লেন আর উল্টোপাল্টা কথাবার্তা শুনতে শুনতে লোকে রেগে গিয়ে রিটর্ট করে একসময়। নইলে আমি বা অর্পণ বা ডিসি বা বাকিরা কেউই অন্যে কেন শুধু ভেজ খায় সে নিয়ে নিন্দে করতে যেতাম না :-) আর পার্সনালি আমি ভেজ খেতে ভালই বাসি -
  • | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৮:০৫337402
  • এসসিএইচ, খামোখাই উত্তেজিত হয়ে হাওয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাইলে করতেই পারেনঃ)

    হ্যাঁ, ওদের স্ন্যাকগুলো অনেকগুলো ই খুব ভালো খেতে।আমি দুচারটে বানাতেও শিখেছি।
  • sch | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৭:৫৭337401
  • ধর্মীয় বিশ্বাস ছাড়াও অনেক মানুষ নিরামিষ খান জাস্ট ব্যক্তিগত পছন্দের কারণে। বাই চয়েস। তারা ধর্ম নিয়ে অনেকে আদৌ মাথা ঘামান না। যদ্দুর জানি পাশ্চাত্যে বিভিন্ন দেশে নিরামিষাশীর সংখ্যা ২-৮% এর মধ্যে। এরা যদি কেউ নন ভেজ এর গন্ধ সহ্য করতে না পারেন তাহলে তাকেও কি ভেজু বলে ব্যঙ্গ করবেন? একজন মানুষের খাবার চয়েস তো থাকতেই পারে সেটা নিয়ে বিদ্রূপ করাটা কি ধরণের রেশন্যালিটি ঠিক বুঝতে পারা গেল না।

    একজন নিরামিষাশী মাংসের গন্ধ সহ্য করতে না পেরে যদি তার টেবিলে কোনও আমিষভোজীকে বসতে না দেয় সেটা খুব অপরাধ কি ? সে তো অনেক সময় শুঁটকি মাছের গন্ধ সহ্য করতে না পেরে ওনেক আমিষ ভোজীও শুঁটকি রসিক কে অন্য টেবিলে বসতে বলতে পারে। এরকমক অভিজ্ঞতা অনেক সময়েই হয়। আমার নিজের পাকা পেয়ারার গন্ধ অসহ্য লাগে - কেউ খেলে আমি কেটে পড়ি সেখান থেকে। ভূটানে পরম যত্নে caterpillar ভাজা পরিবেশ্ন করেছিল - তা বড়ো আমিষভোজীও দেখে দৌড়।

    প্রত্যেকে নিজের পছন্দ মতো খাবেন - কিন্তু মনে রাখা দরকার আরেকজনের খাবারকে দেখে ঘৃণা প্রদর্শণ করা মানে তাকে অপমান করা। কাউকে ভ্যাজ বলে বিদ্রূপ করা - কি করে এগুলো খায় বলা - মনে হয় তাকে অসম্মান করা। সেটা কি খুব জরুরী??

    নিরামিষভোজী মাত্রেই বিজেপি ভক্ত এরকম কোরলেশান তৈরী করার মতো কোনো স্টাডি কি হয়েছে?

    আর গুজু মাল্লু এই প্রাদেশিক টার্মগুলো প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবীরা ব্যবহার করছেন দেখে অবাক হচ্ছি। মুখোস খুলে যাচ্ছে তো - এঁটে নিন
  • san | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৭:৫৫337400
  • আমরসের প্রচুর নাম শুনেছি, একবার খেয়ে দেখতে হবে।
  • san | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৭:৫৪337399
  • হ্যাঁ। আমার তো খাকরা ( স্পেশালি মেথি খাকরা), থেপলা, পুরনপুলি এসবও বেশ পছন্দ। আর ঐ যেটা বাজরা দিয়ে ছোট্টো মত রুটি বানায়, মাখন দিয়ে খায় - কি বলে জানিনা ওটাও।
  • pi | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৭:৫৩337398
  • আমার থেপলাও ভাল লাগে। আমার গাইড ছিলেন রাজস্থানী। ওঁরা নানারকম ক'রে রুটি বানাতেন। মাঝে মাঝে বাড়িতে ডেকে পুরো ট্র্যাডিশানাল খাবারদাবার খাওয়াতেন, কিছু গুজরাতি ডিশও, কারণ ওখানেও অনেকদিন ছিলেন। বানানোর গুণেই কিনা কে জানে, দিব্বি লাগতো খেতে। বিশেষ ক'রে ভাল লাগতো ওদের চানাচুর। আমার ল্যাবের একজন, তার বাড়ি ছিল আবার গোঁড়া গুজরাতী জৈন, যদিও সে নিজে বাইরে সবই খেত, ওর মা র বানানো চানাচুর নিয়ে আসতো। আমি ঘোর চানাচুর খোর, কিন্তু না হলেও বোধ্হয় ভাল লাগতো, এমন টেস্ট।
  • dc | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৭:৪৬337397
  • গুজ্জুদের স্ন্যাক্স ভালো খেতে হয়। ধোকলা, আচার, ফাফড়া এইসব।
  • | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৭:১০337396
  • কাল এক গুজুর বাড়ি যেতে হয়েছিলো। বেলা তিনটে পেরিয়ে গেছে, সে তখন দুপুরের খাবার বানাচ্ছে। কিছুতেই ছাড়বে না, আমাকে একটা দারুন জিনিস খেয়েই যেতে হবে। একটা প্লেটে আমাকে একটা রুটি দিলো,আটার,খুব মোটা( বরোদা থেকে আনা স্পেশ্যাল মাটির চাটুতে সেঁকেছে),লংকার আচার, ঘি আর সরবতের চেয়েও মিষ্টি চা। এই খাবার সে আর তার ছেলে পরিতৃপ্তির সঙ্গে খেলো, আমাকেও দিলো। বল্লো, তরকারি সবদিন খায়ও না,আচার দিয়েই তরকারির কাজ চলে যায়!(রুটিটা কি যে বাজে ছিলো খেতে)

    আমার মাথায় কাল থেকে খাবার, অভ্যাস,অতিথেয়তা,মুচকি হাসি,বিষ্ময় সব ঘোঁট পাকাচ্ছে!
  • pi | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৫:৫৯337395
  • এগুলোও বাংলাদেশের লোকজনই লিখেছেন।।
    'দুই দেশের ২২ জন প্লেয়ার দুর্দান্ত একটা ম্যাচ উপহার দিল। ধোনি, মাশরাফি, দুই ক্যাপ্টেনই অসাধারণ। মার্জিত এবং ম্যাচিউরড। অথচ যাদের আমরা লিডার মানি, তাদের কাছ থেকে এক আনা শিখিনা। আবালে আবালে গ্রুপ সয়লাব। একটা ভাল খেলা কেন যে মানুষে মানুষে সম্প্রীতি বাড়াতে পারেনা। কেন যে আমরা অন্য দেশকে অসম্মান করে নিজের দেশের সম্মান বাড়াতে চাই? আমাদের এইসব কামড়া কামড়ি যতদিন অব্যাহত থাকবে, পিউপেল যতদিন ইউনাইটেড হবেনা, ততদিন কসাই রাষ্ট্রগুলো যার যার দেশের মানুষের উপর জুলুম লুণ্ঠন চালিয়ে যাবে।
    (ভারতের বন্ধুদের অনুরোধ, আমার দেশের কিছু আবাল অবধারিত ভাবে লাফাইতে আসবে। জাস্ট ইগনোর। এইগুলা খাটাস ধরনের প্রাণীকে পাত্তা দেয়ার কিছু নাই।)

    --

    'ছাগুকেল্লার কোন এক বোকাচোদা ধোনিকে দোষারোপ করে পোস্ট করেছে, আর তাতেই ভারতীয় ক্রিকেটবিপ্লবীরা দেশপ্রেমের ডিলডো নিয়ে ঝাপিয়ে পড়েছে ৷ আমার নিউজফিডে প্রায় সাড়ে পাঁচশ বাংলাদেশি সমর্থকের প্রতিক্রিয়া পড়েছি, কাউকে হারের জন্য অন্য কাউকে দোষারোপ করতে দেখিনি ৷ প্রায় সবাই মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিকের ইম্যাচিউরড শট খেলাকে দায়ি করেছে ৷ আমার মনে হয়, এই ছাগলটা যা লিখেছে তাই চাচ্ছিল সবাই, একটা বাহানা ৷ বাংলাদেশকে গালিগালাজ না করলে অনেকের রাতের খাবার হজম হয় না ৷ ভুল বললাম ?
  • pi | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৫:৪৮337394
  • লোকসভা টিভিতে জল নিয়ে খুব ভালো আলোচনা চলছে। সরকারের লোকজন এগুলো শুনলে এক্টু কাজ দিতো।
  • Kaju | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৫:২৭337393
  • সেই তো, আর খাবারের মধ্যে নাক গলালে নাকের পোঁটাও হয়ত টস করে পড়ে গেল খাবারে, ইর্র্র্র্র্র্র্র্র্র্র্ক, সে কি আর খাওয়া যাবে তহন?
  • dc | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৪:৫১337392
  • এমনিতে বিশেষ কোন রান্নার গন্ধে অস্বস্তি হতে পারে, সেটা বোঝা যায়। এই যেমন শুঁটকির গন্ধ, ওতে আমারই বেশ অস্বস্তি হয়। তেমনি যাঁরা মাছ-মাংস খান না তাঁদের সেই গন্ধে অসুবিধে হতেই পারে। কিন্তু অফিসে বা স্কুলে একদল যদি তাদের অভ্যাস অন্যদলের ওপর চাপাতে যায় তখন ভয়ানক আপত্তি করব, কারন এসব জায়গায় তো সবাই বাড়িতে রান্না করা খাবার নিয়ে আসে! আর আমি কি খাবো তাতে অন্যের নাক গলানো কেন সহ্য করতে যাবো?
  • ! | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৪:৩৪337391
  • ইয়ে এটা ভেজুদের কাছ থেকে শোনা কথা ডি: 'ভেজিটেরানিয়ান' ই শুনেছি!
  • | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৪:৩৩337390
  • ভেজিটেরানিয়ানদের হোলিস্টিক এনার্জি ব্যারোমিটার সবসময় ননভেজদের থেকে বেশি থাকে, তারা বেশিদিন বাঁচে আর তাদের পাছায়ও ফোঁড়া হয় না।
  • S | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৪:২৪337389
  • হোলিতেও ভারতমাতা।

    ইন্টালারেন্সের কথা বলতে হলে পাকিস্তানে গিয়ে বলুন। বুঝি না পাকিস্তানে যেতে বলে কেন? পাকিস্তানকে বেশি টলারেন্ট ভাবে?
  • অবস্থা | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৪:২১337388
  • নিচে ডিজে বক্সে এইমাত্র বাজছিল রঙ্গ বরসে আর জানেজা ঢুন্ডতা ফিরুঁ। এখন সব থেমে গিয়ে সমস্বরে কোরাস শুনতে পাচ্ছি - ভারতমাতা কি জয়। ভারতমাতা কি জয়।
  • pi | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৪:১৮337387
  • এক বন্ধুর কাছে শুনেছিলাম, শুঁটকি মাছ রান্না করায় ৯১১ ডেকেছিলেন প্রতিবেশী ঃ)
  • pi | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৪:০৭337385
  • ekajan chhaatreer ayApeel :

    #‎JusticeforRohith‬
    URGENT URGENT APPEAL: Please every one on my timeline take note. We need to be in solidarity in these moments
    The students are pooling the bail money, and the total amount will come around 4 Lacs as per the info I recieved. I am posting two accounts where you can donate the money, it will be thoroughly accounted .
    Zuhail KP
    31320792740 (HCU Students union president)
    or
    Jinas Nassar
    31897810479.
    SBI HUC Branch,Hyderabad-500046,Telangana
    IFSC Code :
    SBIN0005916 (5th character is zero)
    MICR Code :
    500002063.
  • S | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৩:৩২337384
  • বললাম তো মেইন অডিয়েন্স তো দিল্লি পান্জাব হরিয়ানার। এই লাস্টেরটা নতুন। বিগত কয়েক বছর ধরে ডিউ টু রাইজিঙ্গ প্রপার্টি প্রাইস হরিয়ানার চাষিদের (যাদের জমি ছিলো দিল্লির কাছাকাছি) বেশ ভালো হাল। সেজন্যে তারা এখন নতুন অডিয়েন্স। দেখবেন আজকাল এক নতুন ধরনের গান শুরু হয়েছে - হানি সিং বা ডিজে ওয়ালে বাবু ইত্যাদি। এদের প্রায় সবকিছু বিদেশি কিন্তু গানে দেশি অ্যাকসেন্ট মেশানো থাকে - ঐ হরিয়ানার পাব্লিককে টার্গেট করে।

    বাঙ্গালীদের কাছে সর্বত্রই হিন্দি গান মানে একটা খারাপ ব্যাপার ছিলো/আছে। ছোটো বেলায় হিন্দি গান শুনতে গিয়ে অনেকেই বকা খেয়েছে। সেইটা ঐ অন্চলে ভাবাও যায়না। বাঙ্গালী লিরিসিস্ট তো তেমন নেই, সুরকার আছে কিছু। যেমন প্রিতম বারফি সিনেমাতে সেই ফ্লেবার এনেছিলো। এইটা যথেস্ট না।
  • pj | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৩:২৩337383
  • কি জানি! বলিউড বা মিউজিক ইন্ডাস্ট্রী তে বাঙালির তো অভাব নেই. সুরকার বা গায়ক বা লিরিসিস্ট। তারা কেন কিছু করে না?
  • S | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৩:১৪337382
  • এগুলোর অনেক বড় কারণ আছে। খুব ছোটো করে লিখছি। স্বাধীনতার আগে ইন্ডিয়াতে বাঙ্গালীরা অনেক অনেক এগিয়ে ছিলো প্রায় সব ব্যাপারেই। মহাত্মা গান্ধী প্রথম সুভাষ বোসের বিরুদ্ধে গেছিলেন। উনি সংগ্রাম আন্দোলন ইত্যাদির বাইরে গিয়ে অহিংসার পথ দেখিয়েছিলেন, নেগোশিয়েশনে গেছিলেন। সেটা বেশিরভাগ ইন্ডিয়ার খুব পছন্দের। ভেবে দেখুন এখনো কোনো বাঙ্গালী প্রধান মন্ত্রী হয়নি।

    এরপরে ৩৪ বছরের বাম শাসনের অনেক নিন্দা হয়েছে সারা ভারতে। বেশিরভাগ লোক না জেনেই করেছে। আমাকে এক মারাঠি ছেলে বলেছিলো যে কোলকাতা দেখে তার মনে হয়েছে যে একটা খুব বড় টাউন। আমি বললাম যে হ্যাঁ ইনফ্রাস্ট্রাকচারে অনেক পিছিয়ে থাঅকলেও অন্য অনেক দিকে এগিয়ে রয়েছে। জিগালো একটা উদাহরণ চাইলো। বললাম তুমি এখানে জল পিউরিফাই করে খাও, আমাদের ওখানে সেইটা করতে হয়না। প্রায় বিশ্বাস করতেই চায়না।

    এছাড়া ৭০ এর দশকে অনেক ভালো ট্যালেন্ট নস্ট হয়ে গেছে। একটা পুরো জেনারেশন। জাতির ডেলাক্রিম মিডিওক্র্যাসিতে ভরে গেছে যেটার কুফল দেখা যায় ৮০-৯০ তে। সিনেমার কথাই ভাবুন। এছাড়া অনেক বাঙ্গালীরাও বাইরের রাজ্যে গিয়ে রাজ্যের বদনাম করেন (দলে মেশার জন্যে)। এইটা অন্য কোনো রাজ্যের লোক (বিহার ছাড়া) করেনা।

    ফলে বাঙ্গালী জাতি হিসেবে অনেক অনেক পিছিয়ে পরেছে। আর আজকে সব কিছুই মাপা হয় (অন্তত ইন্ডিয়াতে) জিডিপি দিয়ে। অতেব সেদিক থেকে তো বাঙ্গলা অনেক পিছিয়ে আছে বটেই। কিছু বলতে গেলেই দাগিয়ে দেয় তুমি কমিউনিস্ট। আর পবের আজ এইরকম অবস্থা কেন? বাঙ্গলার বাইরে উত্তর ভারতে লোকেরা খুব অ্যাগ্রেসিভ আর তক্ক ব্যাপারটা একেবারেই বোঝেনা।

    বাঙ্গালীর কালচার তখনই লোকে নেবে যখন পব সবদিক থেকে এগিয়ে যাবে। যে কারণে আজকে লোকে গুজরাতি বলতে মুর্ছা যায়। আর পান্জাবী গান সবাই শোনে থ্যান্ক্স টু বলিউড আর সেখানে পান্জাবীদের হেজেমনি। খান থেকে কুমার এরা সবাই মুম্বাইতে বসে সিনেমা তৈরী করে মুলতঃ পান্জাব দিল্লির অডিয়েন্সের জন্যে - এবং অবশ্যই অনাবাসি উত্তর ভারতীয়দের (পড়ুন পান্জাবী) জন্য।

    দক্ষিন ভারতেও যেমন তামিলরা অনেকটা এগিয়ে গেছে বাকিদের থেকে।
  • pi | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১৩:০১337381
  • আম্রিগায় দুইবার কিছুদিন পিজি মতন ছিলাম। ইন্ডিয়ান মশলার গন্ধে তাঁদের প্রভূত আপত্তি ছিল। এক্জন আম্রিগান, অন্য পরিবার ইরানিয়ান মেশোমাসিমা।
    তবে ভ্দ্রলোকের সত্যি এই গন্ধে কাশি হত দেখতাম, তাই ওঁরা বাড়িতে না থাকলে রান্না সেরে নেবার চেষ্টা করতাম। পথম দিকে খুব চাপ হত। কারণ আমার হয়তো খেয়ালই নেই, খিদে পেতে রান্না করতে গেছি রাত এগারোটা সাড়ে এগারোটা বারোটা নাগাদ, তো সে গন্ধ রান্নাঘরের চিমনি বেয়ে ওঁদের বেডরুমে হাজির ঃ(
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত