এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Byaang | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১০:৪৮337350
  • আমাদের লুরুর পাড়ার ইমেলগ্রুপে প্রায়ই আগে ইমেল আসত, প্রতিবেশীর মাছরান্নার গন্ধ তাদের নাকে ঢুকেছে কেন, এই অভিযোগ জানিয়ে।
  • Byaang | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১০:৪৫337349
  • এস সত্যিই আজকাল দেখি ঐ ভক্ত প্রমাণ করার লাইন লেগেছে। এবং বাঙালীরা খুব একটা কম যাচ্ছেন না এই ব্যাপারে। ক্লাস এইট-নাইনে (৮৮-৮৯সাল) উঠে জানলুম অনেকে নাকি শনিবারে মাছ-মাংস খায় না। তাদের বাড়িতে সেদিন আমার নিমন্ত্রণ থাকলে আমাকে একটা ডিম তাদের ভেজে দিতেই হত, তারা বেশ কুন্ঠিতও থাকতেন নিরামিষ দিয়ে খেতে দিয়েছেন বলে। এখন তো দেখি ঐ শনিবার বাড়তে বাড়তে সোমবার, মঙ্গলবার, এমনকি বৃহস্পতিবারের মাছভাতেও থাবা বসিয়েছে।
  • san | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১০:৪৪337348
  • নাস্তিক ননভেজ হওয়া যে চোর ডাকাত খুনী ধর্ষক হওয়ার সমান ট্রিটমেন্ট ডিজার্ভ করে তা এনসিআরে না থাকলে কোনোদিনও জানতাম না। মাথা ঠান্ডা রাখা খুব কঠিন রে ভাই। লুরুতে সৌভাগ্যবশত আপিসের পিয়ার গ্রুপ খুব ভাল পেয়েছিলাম। তারা অবাক হলেও হাসি মজার উপর দিয়েই যেত। অবশ্য সকলে নিশ্চই অতটা লাকি হয়না।
  • b | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১০:৪০337347
  • বিহারিদের কিন্তু হোলি-র দিন মাংস আর মালপোয়া মাস্ট। ছিলো। এখন জানি না।
  • san | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১০:৩৮337345
  • আমার সিরিয়াসলি এখানে থাকতে থাকতে দমবন্ধ লাগে। অর্পণের কেসটা হুবহু হয়েছে :-)
    সত্যি বলতে কি এগুলো এদিকে না থাকলে বোঝা যায় না। কোলকাতায় মা বাবা দোল দুগ্গাপুজো নির্বিশেষে মাছটাছ খেত, ফলে পাড়াপ্রতিবেশীরা তখনও বেশ অবাক-টবাক হত। কিন্তু হিংস্রতা জিনিসটা তাদের রিয়াকশনে কখনো দেখিনি।
    এই দাদরি কান্ডের পরদিন দিল্লি যাচ্ছিলাম মেট্রোয়। যা সব বাক্যাংশ উড়ে আসছিল আমি সত্যিকারের ভয় পেয়ে গেছিলাম মেট্রোর মধ্যে না খুনোখুনি শুরু হয়।
  • Arpan | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১০:৩৮337346
  • গ্যাণেশজি আর শিবজি কিন্তু সবই লক্ষ্য রাখছেন।
  • S | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১০:৩২337344
  • ব্যাং, ঐরকম বুদ্ধি আমিও দিয়েছিলাম বন্ধুটিকে যে তুইও ওর খাওয়ারের দিকে ওরকম ঘেন্না দৃষ্টি নিয়ে তাকাবি ইত্যাদি। কিন্তু অনেকেই অতো কনফ্রন্টেশনের মধ্যে দিয়ে যায়্না।

    আমি তো সব জায়্গায় বলেই দি আমি "পিউর ননভেজ"।

    আর হোলির দিন ভাং হতে পারে ননভেজ না হওয়ার কি আছে? আজকাল মনে হয় কে কত বড় ভক্ত দেখানোর ভীড় লেগে গেছে।
  • Byaang | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১০:৩১337343
  • লুরুতে গণেশপুজোর দিন আর শিবরাত্রির দিন বার্বিকিউ নেশন বা অ্যাবসোলিউট বার্বিকিউ গিয়ে গাঁতিয়ে হাঁস-এমু-খরগোশ খাওয়ার যা আনন্দ, সারাবছর প্রতি সপ্তাহেও ঐ একি খাওয়া খেতে সেই আনন্দ নেই।
  • Arpan | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১০:২৬337342
  • এক বছর আগে হোলির দিন আপিস পার্টিতে নন ভেজ অপ্ট করায় লোকজনের সে কী উপদেশ জ্ঞান (ছি ছি আজকের দিনটাও ছাড়লে না?)।

    আমি বিনীত ভাবে বলেছিলাম কোংপানির পয়সায় খাচ্ছি, কী খাব আমার ব্যপার। আর আমি বহুদিন ভেজ খেয়ে কাটিয়ে দিতে পারি, কিন্তু কোনদিন কী খাবো আমিই ডিসাইড করব।
  • Byaang | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১০:২৫337341
  • যারা অন্যের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে কথা বলতে যায়, তাদেরকে একই ট্রীটমেন্ট পাল্টা দিলে শুধরে যায়। আমাদের বাড়িতেই আমার আর আমার ভাইয়ের প্রচুর বদনাম, আমরা আমিষ ছাড়া এক গ্রাসও মুখে তুলি না বলে। এক দিদিমাস্থানীয়া আবার এ নিয়ে নিন্দে করতে গেছিলেন আমার বরের কাছে। তারপরে কোনো এক জমায়েতে তিনি যখন আয়েস করে শোল-মুলো খাচ্ছিলেন, আমার ভাই আর আমি " ম্যাগো! ওয়াক! মুলো! পালা শিগ্গিরি! " বলতে বলতে পাত ছেড়ে উঠে পড়েছিলাম। তারপর থেকে তিনি আমিষ ছাড়া আমরা কেন খেতে পারি না এই নিয়ে অবাক হওয়া বন্ধ করেছেন।
  • dc | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১০:০৮337340
  • আমারও অফিসে বদনাম হয়ে গেছে হার্ডকোর ননভেজ হিসেবে :d এমনকি থালি নিলেও খোঁজ করবো নন-ভেজ থালি আছে কিনা, নাহলে গ্যাজ গ্যাজ শুরু করবো।
  • dc | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১০:০৫337339
  • সবাই যে ঠিক "বোকা" বনেছিল তা নয় কিন্তু। ২০১৪ তে মোদি হাওয়া উঠেছিল দুটো কারনে। মোদি নিজে দারুন ভলো বক্তা, অতি ধূর্ত স্ট্র্যাটেজিস্ট, সোশ্যাল মিইয়াকেও দক্ষভাবে ব্যবহার করেছিল। প্রশান্ত কিশোরের টিমও খুব ভালো পারফর্ম্যান্স দিয়েছিল। মোদির মাস অ্যাপিল বা পাবলিক ইমেজ যে বেশ ভালোভাবে বানানো হয়েছিল এতে কোন সন্দেহ নেই, আর এর ফলে কিছু মানুষ বোকা বনেছিল। কিন্তু মোদির আরেকটা বিরাট অ্যাডভান্টেজ, যা এখনও আছে, সেটা হলো মোদির প্রতিপক্ষ। একদিকে মোদি যতোটা দক্ষ পলিটিশিয়ান, উল্টোদিকে ঠিক ততোটা অদক্ষ, অনিচ্ছুক আর অপদার্থ পলিটিশিয়ান রাহুল বাবা, যাকে কং দশ বছর ধরে ঠেলে তোলার চেষ্টা করেই চলেছে। এরকম অদ্ভুত কনট্রাস্ট খুব কম দেখেছি। মোদির কম্পিটিটর যদি সামান্য পারদর্শী কোন নেতাও হতো, তো এরকম একটা গ্যাপ তৈরি হতো না। আর ২০১৪ সালে যতো লোক মোদির পাবলিক পার্সোনায় বোকা বনে ভোট দিয়েছে, আমার তো মনে প্রায় সমান সংখ্যক লোক কংগ্রেসের করাপশনে বিরক্ত হয়ে মোদিকে ভোট দিয়েছে। ওই সময়টায় কং নেতারা এমন ব্যাবহার করছিল যে ওদের হার স্রেফ সময়ের অপেক্ষা ছিল।
  • Byaang | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১০:০৩337338
  • রকমও
  • Byaang | ২৪ মার্চ ২০১৬ ১০:০২337337
  • এস-য়ের ৯ঃ২৯য়ের পোস্টের প্রথম প্যারা। মানে ঐ গুজরাটির বন্ধুর ঘেন্নার দৃষ্টিতে তাকানোয় ভেজ খাওয়া শুরু করার ব্যাপারটা আমার খুব অদ্ভুত লাগল। তাও যদি সে গুজরাটে বসে ঘেন্নার চোখে দেখত তো খাদ্যাভ্যাস পাল্টানোর মানে বুঝতাম। গুজরাটি বন্ধুটি যখন বহুদিনের বাসি রুটি খাকরা নামে খায় বা কড়ি মেখে ভাত খায় তখন নাকে রুমাল চেপে তার খাওয়ার দিকে কয়েকদিন তাকালে কী এমন ক্ষতি হত!

    সপ্তাহ তিনেক আগে দুই তামিল বন্ধুর নতুন অফিস নেওয়ার লাঞ্চ পার্টি ছিল। গিয়ে দেখি সবার হাতে আদিগা'জ-য়ের বেন্টো থালি (ভেজ ) ধরাচ্ছে। আমার হাতে ধরানো মাত্রই চক্ষু চড়কগাছ করে "ঠিকাছে ঠিকছে লাগবে না" বলে থালি ফেরত দিয়েছি। লোকজন ভেবেই পাচ্ছে না কী অসুবিধা হল, কেন খাব না। তখন বুঝিয়ে বলতেই হল "কঠোরভাবে আমিষাশী হওয়ার কারণে ঐ খাবার আমার গলা দিয়ে নামবে না।" তারাও চোখ কপালে তুলে বলল, "কোনো একদিনও কোনো একবেলাও নামবে না?"
    বললুম "না, অসম্ভব। কোনো এক এঅকমও আমিষ পদ ছাড়া এত গুলো নিরামিষ পদ গলাধঃকরণ সম্ভব না।"
    তারা আর ঘাঁটায় নি।
  • S | ২৪ মার্চ ২০১৬ ০৯:৫২337336
  • নিপা, হক কথা, কিন্তু অনেকেই এখনো বোঝেনি যে বোকা বনেছিলো। অনেকেই ভাবছে যে সব্বাই যদি তাদের মতন ভক্ত হয়ে যায় তাহলেই সব স্বপ্ন পুরণ হয়ে যাবে। জে এন ইউর কান্ডটাতেই তো দেখলাম।

    এক্জন বেশ উচ্চশিক্ষিত চিন্তাশীল মানুষকে বলেছিলাম যে এইতো এলো কি করলো? উনি বলেছিলেন যে কি করে করবে? রাজ্যসভায় তো কোনো বিল পাশ করতেই দিচ্ছে না। আমি বললাম যে তাহলে কঙ্গ বা অন্য দলগুলোর সাথে নেগোশিয়েট করুক - সেইটাই তো রাজনীতি। তাতে দেখলাম একদমই খুশি না। মানে মোদিএক ফাঁকা রাজনৈতীক ময়দান ছেড়ে দিতে হবে - স্বৈরাচারিতা করতে দিতে হবে তবেই নাকি দেশের উন্নতি সম্ভব। যাকগে।
  • dc | ২৪ মার্চ ২০১৬ ০৯:৪৯337335
  • হুঁ পিএফ/পিপিএফের জোর ধাক্কাটা জোরেই লেগেছে। মোদিভক্তরাও এটা নিয়ে কিন্তু কিন্তু করছে।
  • Arpan | ২৪ মার্চ ২০১৬ ০৯:৩৮337334
  • পরিষেবা কর বেড়েছে, সঞ্চয় প্রকল্পে সুদের হার কমেছে। ভক্তকুলের একাংশও কিঞ্চিৎ বিচলিত।
  • nipa | ২৪ মার্চ ২০১৬ ০৯:৩৬337333
  • S যেটা বলেছেন সেটা তো প্রায় সব যায়গাতেই চলে। কে আর স্বীকার করে যে সে বোকা বনে গিয়ে ভোট দিয়েছিল।
  • S | ২৪ মার্চ ২০১৬ ০৯:৩৩337332
  • সেই আশাতেই আছি।
  • Arpan | ২৪ মার্চ ২০১৬ ০৯:৩১337331
  • ধৈর্য, ধৈর্য, ধৈর্য।

    পোকামাকড়ের উৎপাত এখানেও। কিন্তু সিজন সেশ হয়ে গেলে আবার সব ক্লোজেটে ঢুকে যাবে।
  • S | ২৪ মার্চ ২০১৬ ০৯:২৯337330
  • ডিসির কথা পড়ে সত্যিই ভয় লাগে। বিগত দশকের প্রথম দিকে যখন বাঙ্গালোরে থাকতাম তখন আমার এক বন্ধু আপিসের ক্যান্টিনে ভেজ খাওয়া শুরু করেছিলো - কারণ তার এক গুজরাতী গ্রুপ মেট (মানে যাদের সঙ্গে লান্চ করে) নাকি খুব বিশ্রি ভাবে তাকায়। পরে আমি অবশ্যি মুম্বাইতে গুজরাতীদের সাথে গিয়ে ভেজ অর্ডার করছি দেখে তারা আমাকে উৎসাহ দিয়েছিলো ননভেজ নিতে। আমার প্রস্নের উত্তরে বলেছিলো তাদের কোনই অসুবিধে নেই। জানিনা আজ কি বলতো - অনেককেই খুব অচেনা লাগে।

    আর সিকিবাবু যে পোস্টার গুলোর কথা বলছেন বা ডিসিবাবুর মেয়ের ইস্কুলের মোদির রচনার উদ্দেশ্য এক। মুসলমান আর নাস্তিকদের চিহ্নিত করো। মানে চিনে নেও কে কে ভক্ত নয়। আমার মনে হয় অনেকেরই ধারনা যে এই অ-ভক্তদের জন্যেই তারা ১৫ লাখের জুমলা পাননি বা মেড ইন ইন্ডিয়া সফল হয়নি বা ইন্ডিয়া এখনো ক্লিন হয়নি। আসলে কেউই নির্বাচনী প্রচারে বলা কথাগুলোকে মিথ্যা বা যাস্ট ভোট নেওয়ার কথা বুঝতে পারেনি। অনাবশ্যক আশা করে ফেলেছিলো। ভোটের পরে মোদি যখন কাশিতে বক্তিতা দিচ্ছে - আমি সেটা শুনেছিলাম ইন্টারনেটে। শুনে সত্যিই মনে হয় যে লোকটা এইবারে পুরো দেশের সমস্ত ময়লা সাফ করে দেবেন। আমার মতন যার সবেতেই অভক্তি তাকেও যদি কিছুক্ষনের জন্য টুপি পড়ানো যায় তাহলে ধরে নিচ্ছি সেই টুপি অনেকেই পড়েছে।

    ইতিহাসে যে এমন ঘটনার নমুনা নেই তা নয়। আর তার ফল যে কি ভয়াবহ তাও আমরা দেখেছি। কিন্তু ইতিহাস সম্বন্ধে অনেকেরই আধখাচরা আইডিয়া। ওটা তো সোশাল সায়েন্স। ঐটা পড়ে বা জেনে তো জয়েন্ট পাবোনা। আর যারা পড়েন তারাও ইকুলের মাস্টারির কাজ পাবেন বলে পড়েন।

    সিকিবাবু ওখানে এইসব লোকেদের সাথে ডাইরেক্ট ওঠা বসা করছেন। নিস্চই মন কষাকষিও হয়েছে বহুবার। আমি এই এতোদুরে বসেও সেই আগুনের তাপ পেয়েছি। সত্যিই খুব ভয়ে আছি।
  • দেখি | ২৪ মার্চ ২০১৬ ০৮:৪৬337328
  • খোলাপাতায় হয় তো কখনওই সেসব লিখতে পারব না। উইকেন্ডে মেল করব।
  • dc | ২৪ মার্চ ২০১৬ ০৮:৪১337327
  • সিকির পোস্টগুলো পড়ে মনে হলো এরকম হতাশা আমারও হয়। এমনিতে আমি আল্টিমেট স্বার্থপর, নিজেকে আর নিজের ফ্যামিলি ছাড়া আর কিছু ভাবিনা। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে দক্ষিন ভারতেও আস্তে আস্তে এই হিন্দু মহাসভা, রামলীলা ব্যাপারগুলো এমন ভাবে ছড়াচ্ছে যে আজকাল ভয় লাগে। আগে খুব উৎসাহ নিয়ে মেয়েকে নাস্তিক হতে শেখাতাম, সব ধর্মের ভালো খারাপ দিকগুলো দেখাতাম। গরুর মাংস খাওয়া টাওয়া নিয়েও কিছু কিছু বলতাম। বার দুয়েক পেরেন্ট টিচার মিটিং এ গিয়ে বলেছি ক্লাস টিচার কেনো মোদিজিকে নিয়ে এসে লিখতে দিয়েছে (একবার দিয়েছিল), কেন স্বচ্ছ ভারত ক্যাম্পেনে মোদিজির ছবি সাঁটাতে বলেছে। কিন্তু গোরু মা, রাম মাহাত্ম্য, এই জিনিসগুলো আস্তে আস্তে বাড়ছে। মাস কয়েক আগে মেয়ে স্কুল থেকে এসে বললো ওর নন-ভেজ টিফিন নিয়ে নাকি ক্লাসের আর কয়েকটা বাচ্চা খুব নাক সিঁটকেছে। আজকাল ভয় লাগে বড়ো হয়ে ওরা কোন দেশ দেখবে।
  • Tim | ২৪ মার্চ ২০১৬ ০৮:১৩337326
  • এগুলো নিয়েও লিখিস। খোলাপাতায় না ইচ্ছে হলে মেইল করিস। দূরে থেকে অনেক কিছুই বোঝা যায়না।
  • গ্রাফিতি ছবি | ২৪ মার্চ ২০১৬ ০৮:০৫337325
  • 'ডিক্লেয়ার কাউ অ্যাজ আওয়ার ন্যাশনাল অ্যানিম্যাল' 'গৌ হত্যারে কো ফাঁসী দো'

    এসবের ছবি তুলে একটা পেজ বানানো দরকার। শেয়ার করতে সুবিধা হবে।
  • টিমকে | ২৪ মার্চ ২০১৬ ০৮:০৪337324
  • কঠিন তো বটেই, তবে কাঠিন্যটা অন্য জায়গায়। চাপ আসছে, সরাসরি আসছে অন্য দিক থেকে। এবং সে চাপের সঙ্গে আমি লড়তে পারছি না।

    এমনিতেই আমি খুব বাজে ওরেটর, বলার থেকে লেখায় বেশি স্বচ্ছন্দ। বলতে বসলেই ঘেঁটে যাই।
  • :) | ২৪ মার্চ ২০১৬ ০৮:০২337323
  • আমি পরিচিতি দিতে বলেছিলাম শুধু 'তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী' লিখতে। 'দিল্লি' আর 'ব্লগার' মূলত বন্ধুটির যোগ করা। ইন ফ্যাক্ট আমি লেখাটা নিয়ে একেবারেই উৎসাহী ছিলাম না বলে, পরিচয় লেখার আদৌ কী দরকার - সে তর্কে যাই নি। ভেবেছিলাম অপ এড বা ডিজিটাল এডিশনের কোনও ডিবেটে দিচ্ছে বোধ হয়, তাই এক লাইনে পরিচয় চেয়েছে। বেরোবার পর দেখি, বিদেশ বিভাগে বেরিয়েছে।
  • Tim | ২৪ মার্চ ২০১৬ ০৭:৩৬337322
  • সিকি আমি তো বললাম যে কঠিন, খুবই কঠিন। দেশে বসে নিরপেক্ষ ডায়লগে যাওয়া হয়্তা আমিও পারতাম না। কিন্তু লিখতে বসলে এইটা খচখচ করে, এই আর কি। কি আর বলবো, অনেস্টলি আমার তেমন আশা নেই।

    আরেকটা জিনিস চোখে লাগলো, আবাপে লেখার নিচে ব্র্যাকেটে লিখেছে লেখক ব্লগার। মানে কী? ব্লগার মানে কি লেখক নয়? আর ব্লগার না পেইন্টার তাতে কি এসে যায়? সার্টিফিকেট দেখিয়ে প্রবন্ধ লিখতে হবে নাকি?
  • hu | ২৪ মার্চ ২০১৬ ০৭:১৭337321
  • সিকি, বুঝেছি। পিনাকিদার কথাও বুঝেছি। কি বলব! আমার পক্ষে বলা সোজা, কারণ এখানে আমাকে নিত্যদিন এদের সাথে ওঠাবসা করতে হয় না। তোমরা সেটা করছো। তাও, শুধুমাত্র অনেক ধৈর্য আর আলোচনার পথেই কিছু সমাধান বেরোবে বলে আমার ধারনা। গোমাংস থেকে কাশ্মীর - সর্বত্রই।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত