এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • S | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৫:০৮336900
  • @Du থ্যান্কু লেখাটা শেয়ার করার জন্য।
  • Abhyu | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৫:০৫336899
  • নতুন নামটা শুনে এই বাজারে গানটা মনে পড়ল :)
  • aka | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৪:৫৫336898
  • হানুদা ভালো লাগল। প্যারালাল সঙ্গীত অনেক কারণে গড়ে ওঠে। শুধুই টেকনিকাল কচ্কচি হলে সেই ইতিহাসকে ইগনোর করা হয়। যেমন কিশোর প্রথম সিলেবল এ জোর দিয়ে গান গেয়েছেন। বলা ভালো অধিকাঙ্গশ। সেটা ইশান বলার পরেই খেয়াল করলাম। তারপরে ভাবলাম যে কেন? এই মস্তানি ও গায়কী বোধহয় বচ্চন ও সমাজকে পাল্টে ফেলার মানসিকতার সাথে সময়োপযোগী। রাহুল যাস্ট সঠিক সময়ে সঠিক সুর দিয়েছিলেন। অ্যানালিসিস শুধুই টেকনিকাল কচকচি হলে দাজ নট মিন এনিথিঙ্গ। তবে ইশান বা ন্যাড়াদার এই ক্রিয়েটিভিটির দিকে ঝোক অ্যাপ্রিশিয়েবল। সেই যায়গায় ক।
  • Abhyu | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৪:৫২336897
  • নামটা দেখি পছন্দ হয়েছে :)
  • h | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৪:২২336895
  • অনেক ডাইভার্সন হয়ে যাবে। ওখনে গানের টেকনিকাল আলোচনা হচ্ছে, হোক। বাজে বকে ওখানে লাভ নেই।
  • h | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৪:২১336894
  • * মঙ্গেশকর এবং ওয়াডেকর রাই করছেন।
  • S | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৪:২০336893
  • গানের টইতে ফেলুন না লেখাটা।
  • h | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৪:০৯336892
  • *নুক্কড় না বলে চাওল বলা উচিত ছিল। সময়ের একটা তারতম্য আছে।
  • h | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৪:০৭336891
  • অনেকদিন পরে আমার ওভারল এই গানের আলোচনা টা খুব সুন্দর লেগেছে। ইশান এবং ন্যাড়া কি সুন্দর গায়, মিউজিক বুঝি না, কিন্তু গলা গুলো শুনে ভালো লেগেছে। বাড়িতে এই কোয়ালিটির রেকর্ডিং ইন্স্ট্রুমেন্ট আছে মানে গানে সিরিয়াস। এ মানে খুব ই ভালো ব্যাপার। বাড়ির লোকের খুব আনন্দ। ছেলে মেয়েদের ও সুর বেসুর জ্ঞান হবে, এ বিরাট সৌভাগ্যের ব্যাপার। পক্ষ অবলম্বন করতে হলে আমি আজ্জো বা লসাগুদার র পক্ষ অবলম্বন করছি আপতোতো, কারণ গানের টেকনিকাল জায়গা বোঝার ক্ষমতা এই জীবনে আর হল না।

    এবার আমার চাট্টি বক্তব্য ছিল। সেটা হল, এই প্রসঙ্গে তাইলে 'ল্যালা' কে? ;-)

    উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের আঙ্গিক বা বিভিন্ন ধরণের গানের আঙ্গিক, অনেক অনেক ল্যালা দের কাছে পৌছে দেওয়ার জন্য, কিসোর দা ল্যালা, না হিন্দী ভাষার সরকারী মদতের মস্তানি র শিকার, বাংলা 'আধুনিক' গান বা সিনেমার গান ল্যালা। নাকি আরো অসংখ্য ধরণের গান, যেটা সিনেমার গানে রিফ্লেকটেড হছে না জায়গা পাচ্ছে না, বাঙলা যখন রাজনইতিক অস্থিরতা য় উত্তাল, যখন জীবনানন্দ নামক বিচিত্র ঘটনাটি বাঙ্লা কবিতায় ঘটে যাচ্ছে, তাঁর কবিতা পত্রিকা কর্তৃক আবিষ্কার এবং মৃত্যুর পরেও বাংলা কবিতা তদ্দিনে একটা উচ্চতায় পৌঁছে যাচ্ছে, অনেকদিন পরে স্টেল হচ্ছে, সেই পিরিয়ডে বাঙ্লা সিনেমার গানের জগত বাসর ঘরের গানের বাইরে বেরোতে পারছে না কেন? এই প্রসঙ্গ উত্থাপন হলে ভালো লাগতো।

    আরেকটা দিক বলা দরকার। পপুলার কালচার আলোচনার জগতে হিন্দী ফিল্মের আলোচনা যখন নর্মালি হয়, তখন কিন্তু বিংশ শতাব্দীর শুরু থেকে, বা মারাঠি মধ্যবিত্তের মধ্যে মার্গ সঙ্গীতের চর্চা বাড়ার পর থেকে, সময় বাঁধা ৭৮ বা এল পি বা রেডিও র গান ব্যাপার টা শুরু পর থেকে, বা ফ্ল্ল্মী গান রেডিও তে ব্যান হওয়ার সময়্টা [যে সময় টা রেডিও সিলোন গান বাজিয়ে বিখ্যাত হয়ে যাচ্ছে], ৪০-৫০ এর দশক থেকে ৭০ বা ৮০ র দশক সবটাই একটা ধরণের মাপকাঠি যেমন রাখা হয়, বড় বাজার ইত্যাদি র কথা, তেমন ই নতুন ইন্ডাস্ট্রি হওয়ার কারণে সেটা কি ভাবে নানা মানুষের একটা জায়গা হচ্ছে, এমন কি কমিউনাল টেনসনের সময়েও হচ্ছে, সেটাও ধরা হয়ে থাকে। আর ভাষা বা বিষয়ের একটা বিবর্তন ও আছে। গানের ভাষায় উর্দু/ফার্সী র ব্যবহার বা দৃষ্যপটে আশরফি সঙ্স্কৃতির একটা দিক আছে যে এক ধরণের ইনক্লুশন চিহ্নিত করে। আবার উল্টো দিকে ৭০ এর দশকে এসে, যখন বম্বে শহরটা নিজেই নতুন করে বিষয় হয়ে উঠছে ফিল্মের, একটা নতুন হিন্দী চালু হচ্ছে, রাগী ও লম্বা যুবক এসে পড়ছেন, এবং মজার বিষয় হল, আফগানী মস্তান রা, যারা কিনা স্ট্রাইক ভাঙ্গতো আর শার শোধ করতে না পারে শ্রমিক দের পেটাতো, (শরাবী) এক ধরণের নুক্কড় ঐক্য উঠে আশছে, এবং হাজি মস্তানের বা স্ট্রাইক আন্দোলিত বম্বে তে একটা কালচারাল স্পেস তইরি হচ্ছে যেটা ৮৫ সালে শিব সেনার উত্থানের পর নষ্ট হচ্ছে। গুলাম সিনেমা আর অমর আকবার অ্যান্টনি সিনেমা এটার দুটো ফ্ল্যাশ পয়েন্ট। গান ও অনুরুপ হচ্ছে। ৯০ এর দশকে বাজার বড় করে এলেও, কতগুলো দারুণ জিনিশ হচ্ছে সিনেমায় সেটা ইশান ছুঁয়ে গেছে মাত্র, সেটা হল প্লেক ব্যাক সিংগিং ব্যাপারটা 'ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর' হয়ে যাচ্ছে। গলা মিলিয়ে গাওয়ার ঝামেলা বাধ্যবাধকতা আর থাকছে না। এবং ভগবানের আশীর্বাদ এ আর রহমান আশছেন। এই দশকেই স্বয়ং সুরের ঈশরের বরপ্রাপ্ত নুস্রত আসছেন। অনেক ঘটনা ঘটে যাছে। তার পরে বড় করে পাঞ্জাবি ফোক সং এর একটা জাতীয় পরিচিতি বাড়ছে, মুলতঃ এন আর আই মার্কেট, এবং মধ্য প্রাচ্যের মার্কেট এর একটা ইউনিফিকেশন হচ্ছে।

    তো মার্কেট অবশ্যই, কিন্তু বক্তব্য হল, সিনেমার গান যে পিরিয়ড টা নিয়ে কথা হচ্ছে, সে পিরিয়ড টা তে কিছুটা হাতে গোনা শিল্পী দের একাধিপত্যের সময়ে হলেও, এটা বোঝা দরকার, সিনেমা সরকারী ইচ্ছ্হার গতি র বাইরেও একটা নিজের জগত তৈরি করে নিচ্ছে, তার গান ও তার ব্য়্তিক্রম না। মনিপুরী বা সাঁওতালি লোকেরা আমেরিকা বা দুবাই তে গিয়ে বড়লোক হোলে, পাঞ্জাবি গানের বদলে তাদের গান ই আসতো বলিউইডি সিনেমাতে তো ক্ষমতার একটা বিন্যাস আছে, কিন্তু আমি যেটাকে ওভারলুক করার মত আন লভু ভাবি না, সেটা হল রাইট উইং অ্যাঙ্গ্রি ম্যান রা যারা বম্বের শিল্প জগতের কারখানা বন্ধের টেনসন, ডি ইনডাস্ট্রিয়ালাইজেশনের টেনশন, ব্যবস্থায় আস্থা না রাখা যুবক কেও, কিন্তু একটা স্ট্রীট সেকুলারিজম আনতে হচ্ছে, কারণ সেটাও রিয়ালিটি। এবং এই বিচিত্র মিশ্র জগতে, শহর আর ৫০ এর দশকের মত ভিলেন থাকছেনা, সকলেই শহরে এসে খারাপ হয়ে যাছে না। গান ও এই চলন কিছুটা ফলো করছে। অনেক ধরণের প্রভাবের একটা মিশ্রণ, হিন্দী ভাষাটাও, রেডিও/মহভারত মেগা সির‌্যাল/দুরদর্শনের আমলের হিন্দী ভাশার থেকে অনেকটা ভাইব্রান্ট। হ্যাঁ ক্ষমতা এবং বাজার আছে, কিন্তু গান কে আরো অনেক কিছু র কথা বলতে হয় বলেই মনে হয়।

    আরেকটা কথা মনে রাখা দরকার, মারাঠি গান বা সিনেমার জগতে কিন্তু বম্বে সিনেমার আধিপত্যের সময়েও একটা উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের চর্চা থেকেই যাচ্ছে, এই মঙ্গেশকর ওয়াডেকর ই করছেন।

    প্রসঙ্গান্তর হয়ে যাবে বলে টই তে দিছি না, কিন্তু আমার মনে হয়, বম্বে সিনেমার গানের সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং দিক হল, কতগুলো নাগরিক কালচারাল রেফারেন্স তৈরি হয়ে ওঠা, যেটা কোনো মাপ কাঠিতেই বিশুদ্ধ নয়। হ্যা দুখের একটা দিক আছে, হিন্দী বলয়ের বাইরের লোকেদের ওখানে গিয়ে ইন্ডাস্ট্রি র সঙ্গে যুক্ত হওয়ার একটা সমস্যা রয়েই যাচ্ছে। এস ডি তদ্দিন ই গুরুত্ত্ব পাচ্ছেন, যদ্দিন বম্বে মনে করছে, গ্রাম ই বিশুদ্ধ, শহর ট্রানসিয়েন্ট এবং করাপটিভ এক্সপিরিয়েন্স মাত্র। এই দিক টা নিয়ে আলোচনা হলে ভালো লাগবে।
  • S | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৩:৫২336890
  • খুশি হলাম জেনে। এটা একটা বড় ঘটনা তো বটেই।
  • রসকলি মহামহোপাধ্যায় | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৩:৫০336889
  • আর ইমরান খান এসছিলেন জেনেই বা কি হত
  • রসকলি মহামহোপাধ্যায় | ২১ মার্চ ২০১৬ ০৩:৪৭336888
  • overcooked ঘুগনি - বেশ করে জিরেভাজার গুঁড়ো ইত্যাদি ছড়িয়ে রুটি দিয়ে ফ্যাতোর ফ্যাতোর করে খেয়ে নিন না
  • cm | ২১ মার্চ ২০১৬ ০২:৪৬336887
  • বরফি, তবে গুচ্ছের ঘি যাবে।
  • S | ২১ মার্চ ২০১৬ ০১:৪৪336886
  • কোলকাতায় ইমরান খান এসেছিলেন জানতাম না তো।
  • Du | ২১ মার্চ ২০১৬ ০১:৩০336885
  • ভারি ভালো লাগলো।
  • sosen | ২১ মার্চ ২০১৬ ০১:০৪336884
  • ঘুগনির মটর ওভারবয়েল্ড হয়ে গেছে। ফেলতে গায়ে লাগছে। কেউ কোনো রেসিপি বাতলাতে পারেন? বড়া ভাজা ছাড়া।
  • dc | ২০ মার্চ ২০১৬ ২৩:৩১336883
  • মার্ক্সিস্টের কি মহিমা! :d
  • 4z | ২০ মার্চ ২০১৬ ২৩:২৭336882
  • কেসিদাকে হাই ফাইভ
  • pi | ২০ মার্চ ২০১৬ ২২:৪৪336881
  • অনির্বাণ মাইতির পোস্টটা শেয়ার করতে ইচ্ছে হল,

    'হাই দিস ইজ লাবন্য, আই নিড টু টক টু ইউ।
    এরকম একটা মেসেজ কারো মোবাইলের পর্দায় ভেসে উঠলে কোন পুরুষ মাইনষের ক্ষমতায় কুলায় সেটা কে ইগনোর করে? একদম ঠিক ধরেছেন আমিও করি নি। প্রত্যুত্তরে হেলো লিখে ছেড়ে দিলাম। আশা করেছিলাম মহিলা যখন খুব কাঁচা খিস্তি দেবেনা হয়তো। ও হ্যাঁ ঐ শিবারাত্রির পরের ঘটনাই বলছি। যাই হোক এরপর আবার মেসেজ এলো, ঘটনার সারসংক্ষেপে যাই, মেয়েটি হায়দ্রাবাদে থাকে একটি চাকরি করে, বাবা নেই, মাকে নিয়েই থাকে। এবং এও জানালো সে আর এস এস এর একজন সক্রিয় সদস্য। এটা শোনার পর আমি হাতা গোটাতে শুরু করেই দিয়েছিলাম। কিন্তু বাধ সাধল মেয়েটির পরের মেসেজটি। ও লিখল সারাদিন উপোষ করে তোমার পোস্টটা দেখে আমি কষ্ট পেয়েছি, আমি ভাবতে পারি না একজন মানুষ এত অবিশ্বাসী হয় কি করে ? আমি একটু ঝটকা খেলাম। সত্যিই তো নিজেকে ওর জায়গায় বসিয়ে যদি ভাবা যায় তবে তো খারাপ লাগার ই কথা। আমি বললাম
    "আমরা বাঙালিরা একটু উদারমনস্ক হই। আমরা স্বভাব নাস্তিক, যারা পুজো আর্চা করেন তারাও বিশেষ গোঁড়া নন। এবং সর্বোপরি বাঙালির রসবোধ সারা পৃথিবীতে প্রশংসিত। তুমি একটি গোঁড়া ব্রাহ্মন পরিবারের মেয়ে আমি বুঝছি এটা তোমার পক্ষে মেনে নেওয়া কঠিন। তাই তোমার খারাপ লেগে থাকলে আমারো সেটা খারাপ লেগেছে। তুমি কিছু মনে রেখো না, আমি চেষ্টা করব এমন কোন পোস্ট না করতে, যাতে তোমায় এরকম কষ্ট পেতে হয়। "
    এতটা শুনে মেয়েটি শান্ত হল। তারপর এও জানালো যে আমায় ও ভেবেছিলো একজন মনস্টার। আমায় দুটো কথা শোনানোর লোভ ও সামলাতে পারছিল না, শুনিয়েই ও আমায় ব্লক করে দিত। কিন্তু কথা বলার পর ওর মনে হচ্ছে আমি কোন ভালো মনস্টার grin emoticon যে খারাপ পথে চলে গেছি। আচ্ছা মা চল তাই সই। আমি ভালো মনস্টার। তো ভালো মনস্টার হলেও আমার উদ্দেশ্য নেহাত ভালো না। তাই কথা এগোলাম রাজনীতির কথা খুব শ্লথ গতিতে ঢুকতে থাকল। ও আমার কাছে জানতে চাইল মার্কসবাদের মত এক ইউটোপিয়ায় কেন আমি বিশ্বাস করি? আমি আমার মত করে ওকে বোঝালাম। সে শুনে আমাকে উড়িয়ে দিলো। কিভাবে মোদী ভারত কে পালটাতে পারেন সে সম্বন্ধে আমাকে অনেক্ষন বোঝালো। আমিও কাউন্টার করলাম এসব নিয়ে প্রথম রাতটা বেশ হৃদ্যতার সাথেই শেষ হল।
    দ্বিতীয় দিন ঘুম ভেঙেই আমি বেশ চমকে গেলাম। একটা ছোট্ট মেসেজ এসছে "আমি ম্যাক্সিম গোর্কির মা পড়তে চাই।"এই আমার ই মেইল আইডি এখানে পাঠিও"। চুপিচুপি মনে মনে একটু হেসে নিলাম। আমার কাছে ইস্পাত এর প্রথম খন্ডটাও ছিলো ওটাও পাঠিয়ে দিলাম। তারপর আবার রাতে আমায় ধরল। জিজ্ঞেস করল আমি কোনদিন ইস্তেহার বিলি করেছি কিনা। সেই ইস্তেহারে কি লেখা থাকে ? দেশের বিরুদ্ধে কিছু লেখা থাকে কিনা ? আমি বললাম "যে ইস্তেহারে মানুষের পক্ষের কথা লেখা থাকে। সেটা দেশের বিরুদ্ধে কি কখনো হতে পারে লাবন্য ? " একটা ছোট্ট উত্তর এলো "না" আমিও তাই বলছি। তারপর আবার দুদিন চুপ। আমিও ঘাঁটাই নি পড়ছে পড়ুক। দুদিন পর সকালে আবার চমক। যার জন্য এই স্টেটাসটা লিখতে বসতেই হল।
    "মনস্টার আমার কিছু ব্যাক্তিগত কথা ছিলো শেয়ার করতে পারি ?"
    "বল"
    "তুমি তো জানই আমি গোঁড়া ব্রাহ্মন পরিবারের মেয়ে, অন্য জাতে বিয়ে আমাদের সমাজে হয় না। আমার এক দাদা একটি নীচু জাতের মেয়েকে বিয়ে করতে চায়। আমি এই প্রথমবার পরিবারের বিরুদ্ধে গিয়ে দাদার পক্ষে দাঁড়াতে চাই। "
    সত্যি বলছি আমার গায়ে কাঁটা দিলো পড়ে। জিজ্ঞেস করলাম
    "সে দাঁড়াতেই পারো। কিন্তু তুমি এগুলো আমায় কেন বলছ লাবন্য ? আমার কাছে কি কোন সাহায্য চাও ? আমি তো এত দূর থেকে কিছুই করতে পারব না। "
    বলল "না, আসলে কাকে বলব বুঝতে পারছিলাম না। হঠাত মনে পড়ল তোমার কথা। তুমি তো মার্কসিস্ট। আমি শুনেছি তোমরা এসব মানো না, তাই মনে হল তোমাকে বললে যদি তুমি আমায় সাহস দিতে পারো। আমার সমাজে এটা অপরাধ। আর এর বিরুদ্ধে যাওয়া মানে আমি একা হয়ে যাব "
    আমার চোখে জল এসে গিয়েছিলো। লিখলাম
    "তুমি ঠিক শুনেছো লাবন্য, আমরা কোন জাতপাত মানি না, আমরা একটা জাতপাত, ধর্ম, বর্ণ, শ্রেনীবিহীন সমাজের কথা বলি। আমার খুব গর্ব হচ্ছে তোমায় নিয়ে। তুমি আমার বন্ধু। আমি জানি এই লড়াইটা কঠিন, লড়াইটা জিতবে কি হারবে তা আমি জানি না। কিন্তু অনেকদুর থেকে তোমার এই বন্ধু তোমার জন্য গর্বিত হবে। তোমায় নিয়ে লিখবে যে তুমি একটা লড়াই করেছিলে "
    আজ সকালে ব্রহ্ম মূহুর্তে ওর দাদার বিয়ে হয়েছে একটি আদিবাসী মেয়ের সাথে। লাবন্য নিজে দাঁড়িয়ে থেকে বিয়ে শুধু দেয় নি, ওর পরিবারকে রাজিও করিয়েছে সেই বিয়েতে উপস্থিত থাকতে। সবাই থাকে নি, ওর অনেক আত্মীয় ওকে শাপশাপান্ত করেছে। ওকে একঘরে করার কথাও বলেছে ও তবু হেরে যায় নি। ওর মা নিজে উপস্থিত না থাকলেও মেয়েকে আশীর্বাদ করেছেন। আমাকে সেসব ছবি পাঠালো ও।
    ছবি গুলো দেখে আমি ওকে লিখলাম "প্রাউড অফ ইউ"
    উত্তর এলো "আমি এখনো একজন আর এস এস কর্মী, তুমি ভেবো না তুমি আমার ব্রেন ওয়াশ করতে পেরেছো"
    আমি কে তোমার ব্রেন ওয়াশ করার ? তোমার লড়াইটা অনেক কঠিন ছিলো লাবন্য। আমার পাশে অনেক লোক আছে তোমার পাশে শুধু তোমার ছায়া। তবু তুমি পেরেছো। আমার প্রাপ্তি শুধু একটাই যতই গালি দাও সমাজ বদলের কথা উঠলে, যে কোন বৈপ্লবিক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা উঠলেই যাদের কথা মাথায় আসে তারা মার্কসিস্ট। ভালো থেকো লাবন্য। সামনে আরো কঠিন লড়াই তোমার দাদার, তোমার বৌদির আর তোমার। আমার সমর্থন রইলো এক লড়াকু সঙ্ঘীর প্রতি। পালটে দাও এদেশের খোলনলচে। তারপর বল তুমি দেশপ্রেমিক ছিলে নাকি দেশদ্রোহী?
    *** এটা গল্প না বাস্তব। মেয়েটি চায় না তার কথা সবাই জানুক। কারণ এখন অনেকদিন ওকে কঠিন যুদ্ধ করতে হবে গোটা সমাজের সাথে। তবু ও পালটাতে চায় এই অন্ধকার সমাজ ব্যবস্থাকে। ওর পাশে দাঁড়াতেই ওর নাম প্রকাশ করলাম না। যেদিন ও চাইবে সেদিনই ওর নাম সামনে আনব।'
  • T | ২০ মার্চ ২০১৬ ২২:৩৭336880
  • বি দা, মেইল পেয়েছি। একটু কাজ সেরে গুছিয়ে লিখে পাঠাচ্ছি। বুধবার নাগাদ।
  • pi | ২০ মার্চ ২০১৬ ২২:২৮336879
  • বস্তার নিয়ে যথারীতি সব চুপ। সাময়িক উত্তেজনার ঢেউ আসে, তারপর কোথাও কিছু নেই। দেখা যাক, অনির্বাণ, উমরদের নিয়ে যেমন হল শেষমেশ, এগুলো নিয়েও হয় কিনা।
    ডাঃ শৈবাল জানার গ্রেপ্তারের পর আজ আরো তিনজন ছাত্রছাত্রী গ্রেপ্তার। এর মধ্যে একজন ক্লাস টেনের।

    বাস্তার থেকে একজন জানালেন,
    three students who have been picked up and beaten by police and are being taken to chintalnar thana, in sukma

    Bhimlal Madvi, of Timapuram, studying BA computer science in Sukma College

    Kawasi Raju and Telam Nagesh of Kerlapenta studying class 10 in Konta.

    All three were visiting their families and were picked up. Please call SP Sukma and ask the police to release them 07587350687, 07864284101

    (SP told us he's unaware of any such happenstance)
  • cb | ২০ মার্চ ২০১৬ ২২:২৩336878
  • কোয়াইট ইজি অ্যাকচুয়ালি, ইউ নো!!!

    "তামিম ও সাকিব যেন ২০ ওভার ধরে খেলার চেস্টা করে। অন্যরা ৪/৬ পিটিয়ে অলআউট খেলা খেলবে। আর বোলিং হবে ভেরি ভেরি লো এবং কুইক ডেলিভারী। তামিম/সাকিব জেনুইন ৪/৬ হিট করবে, বেরিয়ে আসবে মাঝে মাঝে বলার য়েন বুঝতে না পারে। না বের হওয়া উত্তম। পাওয়ার পেলের সুবিধা নিতেই হবে। তামিম পাওয়ার পেলেতে রানরেট ১০এ তুলতে পারলে খেলা স্লো করে দিয়ে বাকি ২০ ওভার খেলবে। কালকের খেলার চরম টিপস দিয়ে দিলাম। এবার বাংলাদেশ খেলে বিশ্বকে দেখিয়ে দাও। জয় সুনিশ্চিত। "
  • b | ২০ মার্চ ২০১৬ ২২:১৭336876
  • পাকিস্তানের কাছে হারাটাও আই সি সির চক্রান্ত? কি খোরাক মাইরি।
  • Arpan | ২০ মার্চ ২০১৬ ২২:১৫336875
  • হ্যাঁ, খুব ম্যাচিওর্ড ইন্টারভিউ ছিল।
  • Robu | ২০ মার্চ ২০১৬ ২২:১৩336874
  • ম্যাশের ইন্টারভিউটা খুব ভাল ছিল। কিছু সুস্থ লোক এখনো আছে।
  • Arpan | ২০ মার্চ ২০১৬ ২২:০৩336873
  • বোঝো!
  • T | ২০ মার্চ ২০১৬ ২১:৫৩336872
  • মাশরফি।
  • Arpan | ২০ মার্চ ২০১৬ ২১:৪৬336871
  • ম্যাশ মানে কী? মেষ?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত