এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PM | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১৩:৫৮336030
  • সে-কে আপনার জীবন আর অভিজ্ঞতা একটা টইয়ে শেয়ার করুন না। দরকারে নাম-ধাম সব পাল্টে।

    কোনো প্রখ্যত উপনয়সের চেয়ে কম কিছু হবে না বলেই আমার বিশ্বাস। বহু কিছু জানার আছে, শোনার আছে আপনার থেকে।
  • হেমিড্যাকটাইলাসফ্লাভিভিরিডিস | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১৩:৫৭336029
  • সিকির হিরো রেঞ্জার ছিল? আমার পাতি মেরুন রঙের বিএসএ এসএলআর। তবে সেও যে কবে কাউকে দিয়ে দেওয়া হল জানতে পারিনি।
  • পোপোক্যাটাপেটাপোটোপুলটিশ | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১৩:৫০336028
  • মারাত্মক স্টিং - টইয়ে দিয়েছি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেছে। দিল্লীতে প্রেস ক্লাবে মীট হচ্ছে শুনলাম।
  • সে | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১৩:২৬336027
  • দ এর বক্তব্য বুঝতে পারছি। অবশ্যই ভ্যালিড পয়েন্ট। তবে আমার অভিজ্ঞতাও তেমন কম নয়, জিনিস বেহাত হয়ে যাবার। কিন্তু যে জিনিস আমি সঙ্গে করে রাখতে পারলাম না, তা অন্য কেউ নিয়ে নিল কি বেচে দিল, সেটায় মন খারাপ হতে পারে, তবু নিজেকে জিগ্যেস করব, যে আমি জিনিসগুলো কোথাও গচ্ছিত রেখেছিলাম, সেগুলো গেছে, যাক। মনখারাপ করে, দুঃখ করে, নিজেকে ভারী করে তুলে আখেরে কীই বা রইবে শুধু মনখারাপটুকু ছাড়া? ঐটুকু ঝেড়ে ফেলতে পারলে নিজের জন্য তো ভাল।

    ডিসির বক্তব্যও বুঝি। সহজ নয়। প্রয়োজনও নেই। কিন্তু এমন পরিস্থিতি যদি আসে যে সবচেয়ে প্রিয় বস্তুটা নেই, তা সে বই হোক কি সিগারেট, দুটোই নেশার বস্তু, সেগুলোকে বাদ দিয়েও তখন দিব্যি বাঁচা যায়। এবং সেই বাঁচার কোয়ালিটি কমে যায় না।

    মনে হতে পারে যে, একটা নিরাপদ অবস্থানে বসে এমন মন্তব্য করা খুব সহজ, - কিন্তু, না। তা নয়। বারেবারে অসংখ্য পরিস্থিতিতে এই ব্যাপারটা যাচিয়ে নিয়েই বলছি। খুব বেসিক কিছু ব্যাপার, বাঁচের জন্য খাবার, ঘুমোবার জন্য একটা জায়গা, অল্প কাপড়জামা, নীরোগ শরীর, এগুলো থাকলে বাঁচবার জন্য অনেকটা পাওয়া যায়।
    একটা লিমিট পেরিয়ে গেলে বোঝাগুলো বইতে বইতেই সব সময়, সব শক্তি খরচ হয়ে যায়। কিচ্ছু বাকি থাকে না। এটা একেবারে আমার নিজের অনুভব। এমনটা কারোকে করতে উপদেশ দিচ্ছি না। বারবার শুনতে শুনতে ক্লিশে হয়ে যাওয়া কিছু কথা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে, অভিজ্ঞতার সঙ্গে সঙ্গে এখন অনুভব করতে পারি।
    প্রতি বছর হয়ত মরশুমীফুলের গাছ লাগাচ্ছি, তাতে বাহারী ফুল ফুটছে, দেখে মনে আনন্দ হচ্ছে। এবার একবার হয়ত গাছ লাগালাম না। ঐ অভ্যেস থেকে বেরিয়ে আসতে। ফুলের টব ফাঁকা পড়ে রইল। এইরকম আরকি। ঠিক বোঝাতে পারছি না। ভোকাবুলারির অভাব ফিল করছি।
  • dc | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১২:৫৭336026
  • সে, বইএর মায়া এখনো কাটিয়ে উঠতে পারিনি। অন্তত রাত্রে বিছানায় শুয়ে দুতিন পাতা না পড়তে পারলে ঘুম আসেনা। অবশ্য এখন ট্যাবলেটে বেশী পড়ি, তাও ঐ কয়েক পাতা সত্যজিত, শরদিন্দু বা শিব্রাম সুনীল না পড়লে হয়না। তাও বলবো হাতে ধরে পাতা উল্টে বই পড়ে যে সুখ সেটা ট্যাবলেটে পাওয়া যায়না। আমাদের পড়ের জেনারেশান হয়তো উল্টো কথা বলবে।
  • d | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১২:৪৭336025
  • বিলিয়ে দেওয়া আর বিক্রী করে দেওয়া একেবারে আলাদা জিনিষ। বিলিয়ে দিলে সেটা কারো কাজে লাগবে (হোপফুলি) সেক্ষেত্রে একটু জানিয়ে দিলেই লোকে তেমন দুঃখ পয় না দেখেছি। কিন্তু কিছু না জানিয়ে বিক্রী করে দিলে সেটা ক্ষত হয়ে থেকে যায়।

    আর নিজেই নিজের জিনিষ বিলিয়ে দেওয়া তো একেবারেই আলাদা ব্যপার। সেসব আজকাল লোকে বেশ প্রভুত পরিমাণেই করে। অফিসগুলোতে NGO দের মস্ত মস্ত বাক্স বসানো থাকে, লোকে জিম করে রোগা হয়ে গেলেও গাদা গাদা নতুন টিশার্ট ড্রপ করে যায়। বাচ্চাদের প্রয় নতুন জামা, অক্ষত, চকচকে খেলনা, গল্পের বই সবই দিয়ে যায়।
  • সে | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১২:৪২336024
  • বই জিনিসটা আগে আমার খুব মূল্যবান মনে হতো, বা একমাত্র মূল্যবান জিনিস।
    ক্রমশঃ সে ধারণাও বদলেছে। একটাও বই না থাকলেও আমার বেঁচে থাকতে কোনো অসুবিধে হবে না। জ্ঞানার্জনের পথেও বাধা হবে না। ঐটেও একটা অভ্যাস বা মায়া বা পিছুটান বা কী একটা যেন, যা আমি শব্দ দিয়ে প্রকাশ করতে পারছি না। তবে অপরিহার্য কিছু নয়। বই ছাড়াও দিব্যি আনন্দে শান্তিতে সুন্দর জীবন বাঁচা সম্ভব।
  • b | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১২:৩৮336023
  • সে বড্ড ভালো লিখেছেন। তবু, এই মায়া আছে বলেই তো সবকিছু। থ্রী মেন অন দ্য বোট মনে পড়ে গ্যালো
    "How many people, on that voyage, load up the boat till it is ever in danger of swamping with a store of foolish things which they think essential to the pleasure and comfort of the trip, but which are really only useless lumber.

    How they pile the poor little craft mast-high with fine clothes and big houses; with useless servants, and a host of swell friends that do not care twopence for them, and that they do not care three ha’pence for; with expensive entertainments that nobody enjoys, with formalities and fashions, with pretence and ostentation, and with – oh, heaviest, maddest lumber of all! – the dread of what will my neighbour think, with luxuries that only cloy, with pleasures that bore, with empty show that, like the criminal’s iron crown of yore, makes to bleed and swoon the aching head that wears it!

    It is lumber, man – all lumber! Throw it overboard. It makes the boat so heavy to pull, you nearly faint at the oars. It makes it so cumbersome and dangerous to manage, you never know a moment’s freedom from anxiety and care, never gain a moment’s rest for dreamy laziness – no time to watch the windy shadows skimming lightly o’er the shallows, or the glittering sunbeams flitting in and out among the ripples, or the great trees by the margin looking down at their own image, or the woods all green and golden, or the lilies white and yellow, or the sombre- waving rushes, or the sedges, or the orchis, or the blue forget-me-nots.

    Throw the lumber over, man! Let your boat of life be light, packed with only what you need – a homely home and simple pleasures, one or two friends, worth the name, someone to love and someone to love you, a cat, a dog, and a pipe or two, enough to eat and enough to wear, and a little more than enough to drink; for thirst is a dangerous thing.

    You will find the boat easier to pull then, and it will not be so liable to upset, and it will not matter so much if it does upset; good, plain merchandise will stand water. You will have time to think as well as to work."
  • dc | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১২:৩৫336022
  • বই ছাড়া পৃথিবীতে আর কোন জিনিষের কোন মূল্য নেই। মুশকিল হলো আমার যেসব বইগুলো আমার ভাই বোনেরা নিয়ে গেছে সেগুলোও এখন ওদের বাড়িতেই পড়ে আছে কিন্তু সে ব্যাটারা নানান দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ওদের বলি কলকাতায় যখন মাঝে মাঝে ফেরে তখ্ন বইগুলো আমাকে কুরিয়ার করে দিতে, আবার ওরা আমাকে বলে আমি কলকাতায় গেলে ওদের বাড়ি থেকে যেন তুলে নি। দুপক্ষেই কোঅর্ডিনেশন আর হয়ে ওঠে না ঃ(
  • সে | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১২:৩৪336021
  • আমার মেয়ের একটা নিজস্ব সম্পত্তি ছিলো। জুনিয়র সাইকেল, হিরো ক্যাডেট। বেগুনী রঙের। তেরো বছর আগে এক অন্ধকার ভোর রাতে তাকে যখন নতুন দেশে নিয়ে আসছি পেছনে না ফিরে, সে দরজার বাইরে সাইকেলটার দিকে তাকিয়ে বলল, এটা নিয়ে যাওয়া যাবে না?
    আমি মনে মনে ভাবলাম, আবার কিনে দেবো।
    আমি আমার নিজের পয়সা দিয়ে কেনা ফ্ল্যাটটা ওখানেই ফেলে রেখে দিলাম। মনে মনে নিজেকে বললাম, কোনটা চাও তুমি? এই ইট সিমেন্টের ঘর? না সামনে যে জীবনটা পড়ে রয়েছে সেইটে? এসব খুচরো পিছুটানে ভুলো না। বাড়ীর দলিল, অসংখ্য ভোগের জিনিস, এসবের মায়া ত্যাগ করে বেরিয়ে এলাম।
  • সে | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১২:২১336020
  • জিনিসের বোঝা বওয়া খুব পরিশ্রমের কাজ। বইতে বইতে কাঁধ ভেঙে যায়। কত কিছু করা যায়, দেখা যায়, কত বেশি সময় পাওয়া যায়, ওসব বইতে না হলে। এই জিনিস বওয়াটাও একটা মায়া টাইপের মনে হয়। যত কম থাকবে, তত শান্তি বেশি থাকে, ঝঞ্ঝাট অশান্তি কমে গিয়ে। এখন আমি প্রতি বছর নিয়ম করে দু তিন বার কি আরো বেশিবার পুরোনো বা অপ্রয়োজনীয় জিনিস হয় বিলিয়ে দিই নয় ফেলে দিই। খুব অল্প জিনিস নিয়ে বাঁচি, নতুন জিনিস কিনি, মন আনন্দে ভরে থাকে। পুরোনো জিনিসের মায়া ত্যাগ করা কঠিন লাগে না আর। জিনিস তো তুচ্ছ ব্যাপার। মানুষই থাকে না, মরে যায়। সম্পর্ক, বন্ধুত্ব, এগুলোর পেছনেই যদি যত্ন করবার সময় না পেলাম তো জিনিস জিনিস করে হেদিয়ে মরে করবটা কী?
  • kc | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১২:০৮336019
  • আমার ঝিনুক বাটি ভাগ্নেকে দিয়ে দিয়েছে মা। মাকে জিজ্ঞেস করতে বলেছে, তোর ঝিনুক বাটি প্রথম সন্তানের, তাই প্রথম নাতিকেই সেটা দিয়েছি। অকাট্য যুক্তি। যুক্তি সবকিছুরই হয়।
  • সে | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১১:৫৯336018
  • আমার বোনের বিয়েও আমাকে না জানিয়ে হয়েছিল তো। এতে দুঃখ করবার কী আছে?
  • সে | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১১:৫৭336017
  • আমার মেয়ের জন্য নিয়ে যাওয়া রাশিরাশি পুতুল একটাও তাকে খেলতে দেয়া হয়নি, পরে সমস্ত বোনঝিকে খেলতে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমার যাবতীয় সোনার গয়না প্রত্যেকটা বেছে বেছে কেনা নানান রকমের আঙটি ম্যাচিং কানের দুল পেন্ডেন্ট হার, সুন্দর সুন্দর রিস্টওয়াচ সমস্ত খুব শখ করে তিল তিল করে পয়সা জমিয়ে কেনা, সব দিয়ে দেওয়া হয়েছে। ফেরৎ চেয়েছি, ফেরৎ দেয় নি। প্রথমে রাগ হয়েছে, তারপর সময়ের সঙ্গে নিজেই বদলে গেছি। গয়না জিনিসটাই আর পছন্দের থাকে নি। এখন অমন জিনিস অনেক কিনতে পারি, অথচ ইচ্ছেও করে না। মনে হয়, যাকে দিয়েছে সে পরুক ভোগ করুক, আমার অঢেল আছে এবং আমার দুনিয়া এখন অনেক অন্যরকম।
  • cb | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১১:৫৩336016
  • সে ঠিকই বলেছেন। নষ্ট হয়ে যায়, নতুন জিনিষের জায়গা হয় না, আর সবচেয়ে বড় কথা ছেলেমেয়ে কাছে থাকে না, কি হবে রেখে?

    তবে এগুলো তুচ্ছ, বোনকে না জানিয়ে ভাইয়ের বিয়ে হয়ে গেল - এটা প্যাথেটিক, কমপ্লিটলি আলাদা লেভেলের
  • হ্যাঁ | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১১:৪৭336015
  • মনে পড়ল, আমার সেই হিরো রেঞ্জার সাইকেল। নীল রঙের। কবে বিক্রি হয়ে গেল, জানতেও পারি নি।
  • সে | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১১:৪৫336014
  • জিনিস জমিয়ে রাখা বা বিলিয়ে দেবার মধ্যে বিভিন্ন ফ্যাকটর থাকে মনে হয়। ছেলে/মেয়ে/ প্রিয় সন্তান/কাছে আছে/কাছে নেই এগুলো হতে পারে, বাড়ীতে জায়গার অভাব/ জিনিসগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে/ আলাদা করে যত্ন করবার লোক নেই, আবার অনেকে কেবল জিনিস জমিয়েই যায়, কিছুই ফেলতে পারে না, খাটের নীচে জিনিস রাখে, চিলেকোঠায়/ লফটে জিনিস রাখে, সেখানে টিকটিকি আরশোলা হয় উই ধরে, ক্রমে জিনিসগুলো নষ্ট হয়ে যায়, কারো ব্যবহারেও আসে না।
  • kc | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১১:৪১336013
  • আমারই হয়েছে। আমার অনেক জিনিষই বিলিয়ে / বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে, না জানিয়েই। মায় আমার সাইকেল পর্যন্ত। বোনের জিনিষ খুব ভালো করে গুছিয়ে রাখা আছে। আমার দাদুর স্কুলে নিয়ে যাওয়া নেসফিল্ডের বই, আড়ম্বর করে ভাগ্নেকে দেওয়া হয়েছে। আমার ছেলেকে লবডঙ্কা।
  • d | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১১:৩৫336012
  • না নেই।
  • S | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১১:২৭336011
  • @d আপনার কাছে ডেটা আছে? অপছন্দ হলেও চাইবো।
  • d | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১১:২৬336010
  • সে আমিও অমন ছেলেকে চিনি যে এক সন্তান হওয়া সত্ত্বেও তার সব জিনিষ বিলিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাতে জেনেরাল ট্রেন্ড বদলায় না তো।

    আর যে সব ক্ষেত্রে বেশ স্পষ্ট মেয়ে পুরুষ আqলাদা ব্যবহার দেখা যায়, সেগুলো নিয়ে কথা হবে। অপছন্দ হলেও হবে।
  • S | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১১:১৪336009
  • আমি কিন্তু এমন মেয়েকে চিনি - এক সন্তান নয় - তবুও ছোটোবেলা থেকে কিছুই ফেলা হয়নি - না জনিয়ে তো নয়ই।
  • Arpan | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১১:১৩336007
  • আমার কোন কিছুর ওপরেই কোন আকর্ষণ নেই, কোনদিনই ছিল কী? বাবা - মা-ই যত্ন করে রেখে দিয়েছে যেটুকু পেরেছে।
  • san | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১১:১৩336008
  • মায়ের নিজের বই তো কিছুই আনতে দেয়না :-( :-( আমায় দুনম্বর কপি কিনে আনতে হয়েছে কবিতার বইয়ের, হায় একমাত্র মেয়ে বলে কুনো ছাড় নেই -
  • S | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১১:১২336006
  • আসলে ঐ জিনিসগুলো তো খুব দামী নয়, দামী হলো ঐসব জিনিসের সাথে লেগে থাকা সময়-ইমোশান-ইতিহাস-এক্সপিরিয়েন্স যাই বলেন না কেন সেইগুলো। সেইগুলো আমার থেকে কেউই কোনোদিন নিতে পারবেনা।
  • san | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১১:১০336005
  • আমার অনেক কিছুই একে ওকে দেওয়া হয়ে গেছে তো, তবে সবই আমায় জিজ্ঞেস করে নিয়ে। সে ভালই করেছে। বই অবশ্য নিজের স্বার্থেই মা রেখে দেয় :-) আমার লী ম গুলো, আরো কত বই দিল্লিতে আনতে দেয়নি আবদার করে :-)
  • S | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১১:০৯336004
  • পিলিজ সব ব্যাপারে ছেলে মেয়ে আনবেন না।
  • dc | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১১:০৬336002
  • আমার কোন কিছু বেহাত হয়নি। অবশ্য আমি এক ছেলে। তাছাড়া বাপটা পটোল তোলার পর থেকে মা বেশীর ভাগ সময়ে আমাদের সাথেই থাকে (চেন্নাইতে), মাঝে মাঝে কলকাতার বাড়িতে গিয়ে কয়েক মাস থেকে আসে। নানান সময়ে আমার মাসতুতো ভাইবোনেরা অনেক কিছু নিয়ে গেছে, যেমন আমার একটা গাব্দা স্টিরিও প্লেয়ার ছিল, রাশিয়ান বইয়ের কালেকশান ছিল (মির থেকে যেগুলো বেরোত, দশ থেকে তিরিশ টাকা দামের), প্রচুর ক্যাসেট ছিল, সেইসব। তবে বেশীর ভাগ সময়ে জিগ্যেস করে। বেহাত কিছু হয়নি।
  • sosen | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১১:০৬336003
  • যাক তাহলে এক্সেপশন। বুঝলাম।এস, আমার যেটুকু দেখা তাই থেকে বললাম- এক সন্তান হলে বাবা মা খানিকটা যত্ন করে সব রাখেন। কিন্তু আমার দেখাটাও এক্সেপশন হতেই পারে।
  • d | ১৪ মার্চ ২০১৬ ১১:০৫336001
  • না মেয়েদের ক্ষেত্রে এটা একটু বেশী হয় সোসেন। আমি সেরকমই দেখছি তো।

    তবে সব ছাপিয়ে সম্প্রতি যা একটা ঘটনা দেখলাম। মেয়েকে না জানিয়ে (নেমন্তন্ন তো দূরের কথা) ভাইয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। মেয়ে এমনই অবাক আর শকড .... আমি ভেবেই পেলাম না কি বলব। শুধু বললাম নিজের নতুন জগৎ গড়ে নিতে, শিকড় কেটে না দিলে নিজেই ছিঁড়ে যায়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত