এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sosen | ১৩ মার্চ ২০১৬ ০৭:৪৯335850
  • লতার সমালোচনা ঐ মডুলেশন অব্দি থাকলেই ভালো। দক্ষতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন ওঠেনা।
  • পোপোক্যাটাপেটাপোটোপুলটিশ | ১৩ মার্চ ২০১৬ ০৭:৪৮335849
  • ওদিকে আপনারা কী জানেন যে আরএসএস আজ থেকে হাপ্প্যান্ট ছেড়ে ফুলপ্যান্ট পরবে?

    চাড্ডিত্ব যদি প্যান্টের ঝুলের ওপর নির্ভর করতো...
  • পোপোক্যাটাপেটাপোটোপুলটিশ | ১৩ মার্চ ২০১৬ ০৭:৪৬335848
  • কোথায় বেল পেয়ে গেছে? ওদের ছাড়ার দাবীতে মার্চ বলেই তো জানি। এই কালকেই হোক্কলরব গ্লোবালের পেজে লেখা দেখলাম - যে জেএনইউ তে কিছু হচ্ছে না উমর/অনির্বাণকে নিয়ে, হিরো পাওয়া হয়ে গেছে ইঃ
  • Atoz | ১৩ মার্চ ২০১৬ ০৭:৪১335846
  • সাত থাকলেই পাঁচও এসে পড়ে আস্তে আস্তে। ঃ-)
  • sosen | ১৩ মার্চ ২০১৬ ০৭:৪১335847
  • গভীর আলোচনা করতে গেলে একটু আধটু গুলিয়ে যেতে পারে। ঃ) সাত তো আছে।
  • i | ১৩ মার্চ ২০১৬ ০৭:১৯335845
  • এই সপ্তাহের হাম্বা নাকি বুঝলাম না।

    যাক এই কথা বলে, যাব আমি চলে। সপ্তাদুয়েক মনে হয় এদিক পানে আসতে পারব না। তাপ্পর আবার কথা হইবে।
  • i | ১৩ মার্চ ২০১৬ ০৭:১৬335844
  • ইয়ে হয়েছে, সপ্তপদী না সাত পাকে বাঁধা? সপ্তপদী বিদেশের ফেস্টিভাল থেকে পুরস্কার এনেছিল বলে তো জানি না।
  • ঈশান | ১৩ মার্চ ২০১৬ ০৬:৫৭335843
  • এই কিশোর-লতার উত্থান প্রকৃত অর্থেই একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। শুধু ফিল্মি ইতিহাস নয়, ভারত রাষ্ট্রের ইতিহাসেও। আমি হিন্দি গান একটু বেশি শুনলে ভালো করে লিখতে পারতাম। আপাতত যেটুকু পারি সেটুকুই লেখা যাক।

    স্বাধীনতাকালে ভারতবর্ষের সিনেমা এককেন্দ্রিক ছিলনা। দুটো বড়ো কেন্দ্র ছিল। একটা মুম্বাই একটা কলকাতা। হিন্দির বাজারটা বড়ো ছিল তুলনায়, কিন্তু অবিভক্ত ভারতবর্ষে বাংলা বাজারও খুব ছোটো কিছু ছিলনা। স্বাধীনতার পরে-পরেই, ঋত্বিকের লেখায় পাই, তখনও মূল কেন্দ্র দুটোই। যদিও মুম্বইএর অর্থের জোর বেশি। দেশবিভাগ অবশ্যই তার একটা কারণ। কারণ অর্থনীতির কারণেই বড়ো বাজারে লগ্নী করতে আগ্রহী লোক বেশি পাওয়া যায়।

    উল্টোদিকে কলকাতার সিনেমা এবং বিশেষ করে সঙ্গীতের মূল জোরটা ছিল দক্ষতায়। স্বাধীনতার আগে বাজার বড়ো ছিল, স্বাধীনতার পরে মূল সম্বল ছিল দক্ষতা। এ নয়, যে হিন্দি বলয় হিন্দুস্তানী সংগীতে কিছু পিছিয়ে ছিল (এগিয়েই ছিল বলা যায়), কিন্তু বাংলা গানের বিবর্তনের যে একটা ধারা ছিল, রবীন্দ্রনাথ, অতুলপ্রসাদ, নজরুল, সলিল চৌধুরি (এর মধ্যে শেষ দুজন সরাসরি সিনেমায় কাজ করেছেন), এর সমতূল্য জিনিস হিন্দি বলয়ে হয়নি। শুধু সিনেমা না, হিন্দি ভাষাতেই হয়নি -- হিন্দিতে কোনো জীবনানন্দ জন্মাননি।

    তো, প্রতিযোগিতাটা দেশভাগের পর অসম হয়ে দাঁড়ায়। বিষয়টা হয়ে দক্ষতা বনাম অর্থ। সদ্যগঠিত রাষ্ট্র কিছুদিনের মধ্যেই হিন্দিকে বস্তুত রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়ে প্রোমোট করতে থাকে। ফলে অসম শুধু না, জিনিসটা হয়ে দাঁড়ায় সরকারি উদ্যোগ এবং অর্থ বনাম দক্ষতা। এই অসম যুদ্ধে বাংলা সিনেমা এবং গান দীর্ঘদিন লড়াই করে। বস্তুত ষাটের দশকে এবং সত্তরেও খানিক বাংলা পপুলার সিনেমা এবং গান যে উচ্চতায় পৌঁছেছিল, একটা কেবল আঞ্চলিক ভাষার পক্ষে সেটা অকল্পনীয়। পথের পাঁচালি তো পঞ্চাশের দশকের ঘটনা, যেটা পপুলার সিনেমা হিসেবে দীর্ঘদিন চলেছিল। পরের দিকেও দীর্ঘদিন এই ধারা চলেছিল। একটা সিনেমার কথা মনে করতে পারি, সপ্তপদী, যা একই সঙ্গে হলেও হিট, এবং বিদেশের ফেস্টিভ্যাল থেকেও প্রাইজ এনেছ্হিল। বাকি অনেক সিনেমা বিদেশে প্রাইজ পায়নি, কিন্তু তাদের মান সমকালীন হিন্দি ছবির চেয়ে অনেক এগিয়ে ছিল সন্দেহ নেই।

    কিন্তু সবাই জানে, যে, বাজর এবং সরকারি উদ্যোগের বিরুদ্ধে শুধু দক্ষতা দিয়ে অসম যুদ্ধ চলেনা। অতএব, এই বালির বাঁধ ভাঙা অবধারিতই ছিল। সেটা ভাঙে দূরদর্শন চালু হবার পর। হিন্দি ভাষায় এবং হিন্দি সিনেমার কালচারকে প্রোমোট করাটা দৃষ্টিকটু মাত্রা নেয় এবং বাংলা সিনেমা অস্তাচলে যায়।

    তা,সিনেমার কথা না, আমরা সিনেমার গানের কথা কইছি। এই যুদ্ধে জেতার জন্য হিন্দি সিনেমার্নিজস্ব কোনো কালচার হাতের কাছে ছিলনা। তাদের দরকার ছিল একটা ওয়ান সাইজ ফিটস অল টাইপের গোলগাপ্পা একটা ব্যাপার। অর্থ ও সরকারি উদ্যোগের স্টিম রোলার চাইলে যেটা দেশের সমস্ত প্রান্তে গুঁজে দেওয়া যাবে। সায়গল টায়গলের জমানা পেরিয়ে একটা সময়ে এই গোলগাপ্পা গানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর ছিলেন ওই দুজন। লতা এবং কিশোর। এঁদের দুজনেরই যে সময়ে উত্থান, তখন বাংলা কাঁপাচ্ছেন যে শিল্পীরা, দক্ষতায় এঁরা তাদের কাছাকাছিও যেতেন না। বস্তুত চান্স পেতেন কিনাই সন্দেহ। তবুও হিন্দি সিনেমা যে এঁদের বেছে নেয়, তার পিছনে কারণ একটাই। যে, ওই গোলগাপ্পা একটি প্যাকেজ তৈরি করতে হবে, যেটা অমিতাভ বচ্চন (এবং অন্যান্য নায়ক নায়িকাদের) চড়া দাগের স্ক্রিন প্রেজেন্সের সঙ্গে ম্যাচ করে যাবে। সিনেমা নামক একটি খিচুড়ি ও তৎসহ সংগীত নামক একটি প্রহসনকে ইনজেক্ট করা হবে ভারত জুড়ে, যেটা আঞ্চলিক বৈশিষ্ট্যকে ধ্বংস করবে, সঙ্গীতের সূক্ষ্মতাকে নষ্ট করবে।

    ওই দুজন, এই প্রোজেক্টেরই ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর। এখানে কোনো ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার কম্পিটিশন নেই, স্বসস্ফূর্ততা নেই, এটা ভারত সরকারের উদ্যোগে এবং বেসরকারি স্বার্থে জনরুচি তৈরির একটা প্রোজেক্ট। একেই আজকাল আমরা ক্রোনি ক্যাপিটালিজম বলি।
  • T | ১৩ মার্চ ২০১৬ ০৬:৪০335842
  • উফ্‌, ঈশানদা তো বাঘ পুরো। :)
  • aka | ১৩ মার্চ ২০১৬ ০৪:১৫335841
  • ভিভ - আমার মতে বেস্ট ব্যাটসম্যান অফ মর্ডান এরা। ব্র্যাডম্যান, ব্যারি রিচার্ডস, পোলক এদের খেলা দেখি নি। কিন্তু ভিভ, শচীন, লারা, খুব কাছে সহবাগ। আর এখনকার ডেভিলিয়ার্স।
  • | ১৩ মার্চ ২০১৬ ০৩:২৯335840
  • বাড়িতে কানে হেডফোন না লাগাইয়া হিন্দি(কিশোরকুমার) গান শুনিয়া থাকি।
  • i | ১৩ মার্চ ২০১৬ ০৩:২৭335839
  • কবি রফিক আজাদ মারা গেলেন গতকাল। এখন কাগজে দেখছি।
  • i | ১৩ মার্চ ২০১৬ ০৩:১৩335838
  • ব্যারি না ভিভ?
  • aka | ১৩ মার্চ ২০১৬ ০৩:০০335833
  • রিচার্ডস কে একবার একজনা জিগ্যেস করেছিল, আদর্শ ব্যাটিঙ্গ স্টান্স কি? বলেছিল ব্যাটটা মাটিতে রাখো, এবার হাতে করে তোলো, এবার ব্যাট করতে যাও, যেভাবে ধরলে ও দাড়ালে সেটাই তোমার স্টান্স, কথা হল যেভাবেই ধরো আর দাড়াও জোরে মেরে যদি মাঠের বাইরে বল ফেলতে পারো সেটাই ব্যাটিঙ্গ, স্টান্স দিয়ে কি হবে?

    মনে পড়ে গেল।
  • Atoz | ১৩ মার্চ ২০১৬ ০৩:০০335834
  • টইপত্তরের লিস্টে লেখাগুলো কেমন মোটা মোটা আসছে।
  • lcm | ১৩ মার্চ ২০১৬ ০৩:০০335835
  • সময়ের বন্ধন থেকে সবকিছুই বেরিয়ে আসে এক সময়। এক হাতে অ্যান্ড্রয়েড, অন্য হাতে আইফোন - এদিকে তাতে রাখার জন্য ঠুংরি ছাড়া গান নাই তাতো হবে না।
    যে পরিবর্তনের কথা ঈশান বলেছে, সেটি পশ্চিম প্রভাবিত - ফিল ফ্রি টু সিং অ্যাজ ইউ ফিল এন্ড লাইক, ব্রেক দ্য গ্রামাটিক্যাল ব্যারিয়ার। এ জিনিস হতই, যে ফর্মেই হোক, আজ বা কাল।
  • lcm | ১৩ মার্চ ২০১৬ ০৩:০০335836
  • ভারতীয় সঙ্গীতের সনাতন গভীর সঙ্গীততত্ত্বের নাগপাশ থেকে রাহুমুক্তি ঘটিয়ে গানকে মানুষের কাছে এনেছেন লতা-কিশোর তথা হিন্দি-সিনেমার-গান। ভালো হয়েছে। দিজ ইজ অ্যা গুড "গুষ্টির তুষ্টি সাধন"।
  • ঈশান | ১৩ মার্চ ২০১৬ ০৩:০০335837
  • অভ্যুকুমারকে লেখা হয়নি কাল। কিশোরকুমারের সব নোট মোটেই বেসুরো না। জায়গায় জায়গায় লাগত। বিশেষ করে একটু কঠিন জায়গা হলে। এমনিতেই আমি হিন্দি গান দুচোখে দেখতে পারিনা, কোথায় বলা মুশকিল। তবে একটা গান মনে আছে। মেরে নয়না সাওন কী একটা যেন। আমার মাসতুতো দাদার খুব প্রিয় গান ছিল। তাতে একটা লাইন আছে, বাত পুরানি হ্যায়। সেটা কিশোরকুমার কিছুতেই গলাতে লাগাতে পারেননি (আমাদের পাশের বাড়ির টুকটুকি ও পারত)। একটু কঠিন ছিল তো, তাই। :-)

    তবে বেসুরো গাওয়া খারাপ জিনিস না। ডিলানের তো প্রায় সব নোটই বেসুরো। তাতেও আমি তাঁর প্রচন্ড ভক্ত। কিন্তু সেই হিসেবেও কিশোরের ভক্ত হওয়া কঠিন। ওর চেয়ে ওঁচাটে থ্রোয়িং আমি কারো শুনিনি। আমি অবশ্য কিশোরের মেরেকেটে কুড়িটার বেশি গান শুনতে পাইনি, এত খারাপ, তাই গান ধরে ধরে বিশ্লেষণ করতে পারবনা। কিন্তু যেকটা শুনেছি, তার থ্রোয়িং হল শব্দের প্রথম সিলেবলে জোর দিয়ে সব গানকেই পাড়ার রকের মস্তানদের ভঙ্গীতে গাওয়া। "ন্নয়ন স্সরস্সী ক্কেনব্‌ভরেছে জ্জলে।" টোট্টাল ফ্ল্যাট। একে এক কথায় বলে ভারতীয় সঙ্গীতের গুষ্টির তুষ্টি সাধন।

    অবশ্য উনি একা নন, আরেকজনও ভারতীয় সংগীতের ষষ্ঠীপুজো করে ছেড়েছেন। তিনি কোকিলকন্ঠী, গলা খুবই সুরেলা। তাঁর নাম লতা মুঞ্গেশকর। সেও খুব কিছু শুনিনি, কিন্তু যা শুনেছি, তাতে প্রতিটা সুর চমৎকার নোটে, গলার কাজ এবং আওয়াজ অতীব চমৎকার, কিন্তু কোনো মডিউলেশএর বালাই নেই। সবই একই জোরে ফ্ল্যাট করে গাওয়া। উনি, মডিউলেশন পারতেন কিনা জানিনা, পারতেন হতেই পারে, কিন্তু সব গানই একই রকম ফ্ল্যাট করে গাইতেন। ফলে, সব গানই যেন তিরিশ-তিরিশ-তিরিশ ফিগারের। কোনো খাঁজ, ওঠানামা, গমক, ঠমক, গর্জন, ফিসফিসানির কোনো বালাই নেই। ওনার গলায় ঠুংরি শুনলে বাইজিরা আত্মহত্যা করতেন, রবীন্দ্রসংগীত শুনলে কণিকা বন্দ্যো গান ছেড়ে দিতেন, ইত্যাদি। যদিও সব গানই উনি নিখুঁত সুরে গাইতেন।

    তা এঁরা দুজনে মিলে ভারতীয় সম্গীতের যে বলিউডি স্টাইলটা চালু করেছেন, সেটা ভারতীয় সংগীতকে ধ্বংস করা ছাড়া আর কিছু না। এই ঘরানা শুনে যারা বড়ো হয়েছে, তারা টেরও পাবেনা, পায়ও না, কী জিনিস হারিয়েছে। এদের কাছে গান মানে একই টোনে গোলগোল করে (দরদ কিংবা জোর দিয়ে) একটা বস্তু গেয়ে চলা। ভারতীয় সংগীত যে সিংহনাদ থেকে ফিসফিসানি পর্যন্ত মডিউলেশনে চলে, তার সঙ্গে একদিকে গমক তান থেকে অন্যদিকে নরম মীড় বা মুড়কি কীভাবে লেগে থাকে, এই লতা-কিশোরের ধারার শিক্ষিত কান সেটা কোনোদিন বুঝতে পারলনা।
  • ঈশান | ১৩ মার্চ ২০১৬ ০১:৫৬335832
  • অনির্বাণরা বেল পেয়ে গেছে? বাঃ।
  • Arpan | ১৩ মার্চ ২০১৬ ০০:৪১335831
  • দিয়েগো কোস্তা লাল কার্ড দেখল। হেডবাট। পোয়েটিক জাস্টিস।
  • pi | ১৩ মার্চ ২০১৬ ০০:৩৪335830
  • আর অবশেষে জে এন উ তে উমর, অনির্বাণকে নিয়ে মার্চ। ১৫ তারিখ।
  • pi | ১৩ মার্চ ২০১৬ ০০:১৮335829
  • রৌহিনকে জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা রইলো।
  • pi | ১৩ মার্চ ২০১৬ ০০:১০335828
  • সামনের বৃহস্পতিবার তিনটের সময় কলেজ স্ট্রীটে প্রতিবাদসভা, বাস্তারের ঘটনাগুলি নিয়ে।

    https://www.facebook.com/events/477768899081557/permalink/477784665746647/

    আর সোমবার বিকেল পাঁচটায় দুর্বারের অফিসে মিটিং আছে। কেউ চাইলে চলে যেতে পারেন।
  • Robu | ১২ মার্চ ২০১৬ ২২:৫৪335827
  • একদম ;-)
  • pi | ১২ মার্চ ২০১৬ ২২:৫১335825
  • এটা নিয়ে কেউ কিছু জানেন?

    The retired chief of India’s nuclear regulator, Dr. A Gopalakrishnan has sent out an urgent note, published on DiaNuke,org, in which he has cautioned that a ‘loss of coolant accident(LOCA)’ might be underway in Gujarat’s Kakrapar Nuclear Power Station(KAPS). A LOCA accidents is the most serious accident that can happen in nuclear plants and it might lead to the meltdown of the reactor fuel core.

    The same reactor had a major accident in 1994 when floodwaters drowned Kakrapar. The floodgates meant to release excess water could not be opened and the water kept increasing–which could lead to a major accident–but it was prevented with the efforts of local engineers. Mr. Manoj Mishra, a worker in the power station then who blew whistle on that accident was terminated by the NPCIL. He was denied justice even by the Supreme Court in India which bought the NPCIL’s argument that he cannot be a whistle-blower as he did not have technical degrees. Mr. Mishra had years of experience in the reactor and he was a strong leader of the workers’ union.
  • Robu | ১২ মার্চ ২০১৬ ২২:৪৯335824
  • আমার টাইমলাইনে একটা ভিডিও শেয়ার করেছি, কেউ একটু লিন্কটা এখানে দিয়ে দিন্না। মোবাইল থেকে পারছিনা। উমদা চিজ।
  • দাঁড়ান | ১২ মার্চ ২০১৬ ২২:০৭335823
  • কালকে আর্ট অফ লিভিংয়ের প্রোগ্রাম দেখতে যাচ্ছি। ফিরে এসে গল্প বলব।
  • sinfaut | ১২ মার্চ ২০১৬ ২১:২৬335822
  • ঃ)
    মুখে একদলা খাবার ছাড়াই।
  • T | ১২ মার্চ ২০১৬ ২০:৪৪335821
  • :)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত