জাদুর নাম ডিমনেটাইজেশন -প্রথম পর্ব : শেখর মুখোপাধ্যায়
বুলবুলভাজা | আলোচনা : বিবিধ | ০৯ জানুয়ারি ২০১৭ | ৮৭৬ বার পঠিত | মন্তব্য : ২
১৯৪৬ ও ১৯৭৮ সালেও টাকার ডিমনেটাইজেশন ঘটেছিল। তার ফলে কালো টাকা ও জাল টাকা নির্মূল হয়নি। বরং, সময়ের সঙ্গে বেড়েছে। ন্যাশনাল ইনস্টিউট অফ পাবলিক ফিনান্স অ্যান্ড পলিসির হিসাবমতো, ১৯৭৫-৭৬ আর্থিক বর্ষে কালো টাকার পরিমাণ ছিল জাতীয় আয় (জিডিপি) এর ১৫ থেকে ১৮ শতাংশ। ১৯৮০-৮১ তে তা বেড়ে হয় ১৮ থেকে ২১ শতাংশ। বর্তমানে কালো টাকা জাতীয় আয়ের ২৩ থেকে ২৪ শতাংশ। সুতরাং, তত্ত্বের পাশাপাশি সময়ের ধারায় বাস্তবেও এটা প্রমাণিত যে, ডিমনেটাইজেশন নীতি কালো ও জাল টাকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার আদর্শ অস্ত্র নয়। তাত্ত্বিক দিকটা এবার একটু বিশদে দেখা যেতে পারে। আগেই বলেছি যে, কালো টাকা আসল অপরাধী নয়। আসল অপরাধী হল কালো কারবার। অনেকসময়ই ওয়েলথ, অ্যাসেট ও মানি, এমনকী আয়ও সমার্থক ব্যবহার হয়ে থাকে। অর্থনীতিতে এগুলির প্রভেদ গুরুত্বপূর্ণ। ওয়েলথ, অ্যাসেট ও মানি এই তিনটিই স্টক কনসেপ্ট অর্থাৎ, একটি সময়-বিন্দুতে এদের পরিমাপ করা দস্তুর।