বিশ্বাস্য স্পন্দন (১)আমি এখনো যেখানে পা রেখে দাঁড়িয়ে আছি। সেখানে পা রেখে আর কেউ দাড়িয়ে নেই।আমার পায়ের নিচে জীবনের শুরুর সভ্যতার মাটি।আমার মাথার ওপর বুদ্ধের আকাশ। অতীত স্পর্শের মধ্যে... ভবিষ্যত আকাশ ছোঁয়া!(২)মহাকাশ স্টেশন থেকে তোলা পৃথিবীর ছবিটা দেখলে দুঃখ হয়। দুঃখ হয় পৃথিবীর ভাগকাটা পুঁজিবাদ আর দালাল দেখলে। যখন কিছু দেখি না ঘুমিয়ে থাকি।তখনো 'বিপ্লব' হয় ঘুমের মধ্যে। আদিখ্যেতার নয়তো সম্ভাবনার। ~। শুভঙ্কর বৃক্ষ। ... ...
বালের ছড়া- বীরবাল বাল ছিঁড়্ছ বালের মতো বাল দেখিয়ে, বাল! বালের জোরে বাল ক'রেছোহয়না কোনো বাল।বালের মতো আছি সবাই বাল শুখিয়ে খাল।বাল দিয়েছ বালের হাতেবাল'কে বলে ছাল।বাল লিখেছো বাল পেয়েছোবাল নিয়েই থাকো।বাল এঁকেছো ছাল এঁকেছোবাল-ছালই আঁকো! বালের মতো বালের কথা বলোনা আর বাল।বালের মতো হারিয়ে যাবেথাকবেনা আর বাল।। ... ...
Fourth in our collaborative #AntiVarnaCular project, @gainsuvankar recites two of his poems: 'Chaar Stambha' (Four Pillars) and 'Dharma Bhiru' (God-Fearing).Through his poetry, Gain highlights how Dalits ... ...
ভালোবেসে কি না পূরণ করতে পারতাম, / বেঁচে আছি। এই বেঁচে থাকার গুরুত্ব পালনে। / আমাদের কোনো গণতন্ত্র নেই, রাষ্ট্রের / আসলে পঞ্চবার্ষিকি একানায়কতন্ত্র, এই অচলায়তনে। ... ...
ক্রুশবিদ্ধ পাখি / প্রতিদিন আমি সন্ন্যাসী সেঁজে ট্রেনে যাই। / দাড়াই স্টেশনে, স্টপিজে। / মানুষ অন্ধ-বিশ্বাসি হয়ে আমার সামনে নিচু হয়। / আমি জানি এই ঈশ্বর ধারণা আদিকাল থেকে / কি'ভাবে বয়ে এসেছে। ... ...
অস্পৃশ্য রাষ্ট্রজল প্রতিদিন জল আর বাঁ হাত দিয়ে গু সাফ করি।কিন্তু পোঁদটাকে আর কাজটাকে কখনো নোংরা মনে হয় না।রাস্তা দিয়ে যখন যাই তখন মনে হয় কি নোংরামি এই দেশ ভাগ। কি জঘন্য চক্রান্ত এই ব্যাপারটা।এই মন্বন্তর! এই দূর্ভিক্ষ! এই ধর্ম ধর্ম ধর্ম!!!বনগাঁ লোকালে এখন ভীষণ দূর্ভিক্ষ, ভীষণ মন্বন্তর, ভীষণ ধর্মও... অর্থাৎ রিফিউজি।দূর্ভিক্ষ আর মন্বন্তরের কোনো রাষ্ট্র থাকে না। শতাব্দীর অস্পৃশ্যের মতো এরাও অস্পৃশ্য অচ্ছুৎ। এই শতাব্দীর রাষ্ট্রজল আর বাঁ হাতের কাছে, সবসময়...~ শুভঙ্কর বৃক্ষ ... ...
চারটে স্তম্ভ ফ্যাসিবাদ মনুবাদ কখনো মরে না।তাকে হত্যা করতে হয়৷যেভাবে ফ্যাসিবাদ দলিত-আদিবাসী মেয়ের ওপর অকথ্য হিংসা করে, তারপর তার লাশ বাহিনী দ্বারা পুড়িয়ে দেয়।আর তার বেকার প্রেমিক'কে এই শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ অস্পৃশ্য বানিয়ে রাখে, হাসপাতাল চাকরি আর কারখানায়।যেই তথ্যের কোনো বিচার নেই; এই সংবিধান শপথেরন্যায়ালয়ের হাতুড়ি আর কলমের সামনে।যেনও সেখানেও ন্যায়ালয় সমস্ত মেয়ের ওপর অকথ্য হিংসা করে, বাজেয়াপ্ত করে তাদের মা-মানুষের মাটি।এই সর্বহারা-অল্পহারা প্রলেতারিয়েতদের হৃদপিণ্ড জমতে থাকে মনুবাদের কোষাগারে।ঠিক যেনও পৈতেবাদ ফল খায় ফ্যাসিবাদের ঘাড়ের ওপর চেপে৷বাজেয়াপ্তি হওয়া লেখক, মানবাধিকার, নাগরিকের হৃদপিণ্ডের লালরস গুলো শুকোতে থাকে।ম্যাজিস্টেট থেকে ন্যায়ালয় সকলে জানে তাদের হাতুড়ি আর কলমের থেকেও শক্তিশালি, হাতুড়ি আর কলম আছে নাগরিকদের।আছে এক ... ...