বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3]     এই পাতায় আছে1--30


           বিষয় : রবীন্দ্রনাথ ও প্ল্যানচেট
          বিভাগ : অন্যান্য
          শুরু করেছেন :Kaju
          IP Address : 236712.158.455612.162 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 07:09 PM




Name:  Kaju          

IP Address : 236712.158.455612.162 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 07:14 PM

রাজেন্দ্রলাল আচার্যের "মৃত্যুর পরপারে" বইতে জানা যাচ্ছে ২৩শে ডিসেম্বর ১৯৪৫ রাজেন্দ্রবাবু লোকান্তরিত রবিবাবুকে প্ল্যানচেটে এনেছিলেন ও প্রশ্ন করেন মৃত্যুর পর তাঁর অভিজ্ঞতার কথা। তাতে রবিবাবু তো ডিটেলস বিবরণ দিয়েছেন শরীর কীভাবে কুয়াশা হয়ে গেল। শুনলে লোকে অবিশ্বাস তো করবেই, ঢপ ভাববে, কেউ হাসতেও পারেন। কিন্তু ওরকম একজন লোক কী এক গুলগাপ্পা মারবেন, আমি তো মানতে পারছি না। সে যা বর্ণনা যাঁরা পড়েছেন নিশ্চয়ই জানেন। বইটি অনলাইনে পাওয়াও যায় দেখলাম। স্বয়ং রবিবাবু ১৯২৯ এ জ্যোতিদাদা, কাদম্বরী, আরো অনেককে এমনকি সুকুমার রায়কে পর্যন্ত প্ল্যানচেটে যোগাযোগ করতে পেরেছিলেন বুলা কে মিডিয়াম করে, সে কথা প্রেতচর্চা বিষয়ক বইতে পাই আমরা। সবই ১৯২৯ এর ঐ সময়ে। সুকুমারের সঙ্গে তত্ত্বালোচনা, প্রায় ইন্টারভিউ বলা চলে ওটাকে। " তুমি কেমন আছ ওখানে " বলাতে সুকুমার উত্রর দিতে চান না, "অন্য প্রশ্ন করুন"। প্রশ্ন করছেন সুকুমার - "আপনি নিজের থেকে কতদিন বিচ্ছিন্ন হয়ে আছেন?" রবিবাবুকে বলছেন গান শোনাতে। বলছেন ব্রাহ্মধর্মে আমার আর আস্থা নেই। আরো বহু কিছু, যেন জীবিত কেউ ! তো এসব ক্ষেত্রে আগত আত্মা স্বল্প কথাই বলে থাকে দেখি, বিস্মিত হলাম রবিবাবুর নিজের কথাগুলো দেখে। টানা বলে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে আলোকপাত করুন কেউ। একেবারে ফেলে দেয়ার মত লাগেনি আমার। আমিও এসবে ঘোর অবিশ্বাসী। অভেদানন্দের "মরণের পারে" বেশি এগোতে পারিনি কোনোদিনই। কিন্তু এগুলো পড়ে একটু আগ্রহ তো হচ্ছেই। যা জানি না তাকেও উড়িয়ে দিতে পারি না, দাহ বা কবরেই পঞ্চভূতে অত সহজে মেলায় না দীর্ঘযাপিত এই দেহ এটা তো নানা জায়গায় পড়েছি।


Name:  dc          

IP Address : 236712.158.566712.199 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 07:39 PM

সবথেকে সোজা হলো দাদুকে প্ল্যানচেট করে ডেকে আনা হোক আর ল্যাম্পপোস্টে দাদুর গান বিষয়ে একটা কবিতা লিখতে দেওয়া হোক। সব প্রশ্নের মীমাংসা হয়ে যাবে।


Name:  sm          

IP Address : 236712.158.565612.49 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 09:44 PM

প্রথমে একটু বিজ্ঞান সম্মত ব্যাখ্যা দেওয়া যাক।
একজন মানুষ দেখে বা শোনে কি ভাবে?
বস্তু থেকে আলো চোখের কর্নিয়া,লেন্স হয়ে রেটিনায় পড়ে।প্রতি ক্ষেত্রে আলোর প্রতি সরণ ঘটে বা চ্যুতি ঘটে। ওই ইমেজ এর সিগন্যাল ব্রেনে যায় ও মানুষ এর দর্শন এর পারসেপশন তৈরী হয়।
শোনার ক্ষেত্রেও একই রকম ফিজিক্স।
এখন কথা হলো,এই লেন্স,কর্নিয়া,এদের প্রতিসারাঙ্ক আলাদা।
মরে যাওয়ার পর যদি আত্মার অস্তিত্ব থাকে,তবে তো সেটা বায়োবীয় কোন অবস্থা।
ওই অস্তিত্বের ভেতরে কোন আলাদা আলাদা প্রতিসরণ সম্ভব নয়। সুতরাং শোনা ,দেখা বা কোনরকম ইন্দ্রিয়ানুভূতি সম্ভব নয়।
কাজে কাজেই, আত্মার পক্ষে দেখা,শোনা,প্রশ্ন বোঝা বা উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়।

এবার আসি পরাবিজ্ঞানের কথায়।আত্মা একটি অস্তিত্ববিহীন অস্তিত্ব।ধরা ও বোঝার বাইরে।কিন্তু উপযুক্ত মিডিয়াম তাঁর অস্তিত্ব বা উপস্থিতি অনুভব করতে পারে।
একটু গাঁজা বলে মনে হয়।কিন্তু মনের জানালা খোলা রেখেছি।


Name:  r2h          

IP Address : 237812.68.674512.103 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 09:48 PM

প্ল্যানচেটের আত্মারা অত জটিল কাজ করেন না, ঐ গান লেখা টেখা। ওরা শুধু হ্যাঁ না এইসব করেন। আমার মা, কাকা ইত্যাদিরা ইমার্জেন্সির সময় মহাত্মা গান্ধীকে প্ল্যানচেট করে ইন্দিরা গান্ধীর নামে নালিশ করেছিল।


Name:  Atoz          

IP Address : 237812.69.4545.151 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 10:24 PM

মহাত্মা গান্ধী(মানে ওঁর আত্মা) সেই নালিশ শুনে কী বললেন?


Name:  অর্জুন           

IP Address : 236712.158.1234.155 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 10:35 PM


বিখ্যাত মানুষদের প্ল্যানচেট যদি লেখার বিষয় হয় তাহলে আরেকটু ডিটেলে লিখতে পারতেন। লেখাটা ইঙ্কমপ্লিট লাগল। রবীন্দ্রনাথের সুকুমার রায়কে প্ল্যানচেট করার একটা গল শুনেছিলাম, সুকুমার রায় নাকি রবীন্দ্রনাথকে বলেছিলেন 'আমার ছেলেটাকে একটু দেখবেন।' রবীন্দ্রনাথ সে কথা সুকুমার-পত্নী সুপ্রভাকে জানান। যেই হেতু সত্যজিতের স্বল্পকাল শান্তিনিকেতনে ছাত্ররূপে কাটানো।




Name:  Kaju          

IP Address : 236712.158.895612.20 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 10:40 PM

মুখে কেউ বলে না। পেন্সিলে লেখা পড়ে কাগজে এটাই তো জানতাম। এবার তাতে রবিব্ববুর নিজের আসার এতখানি বর্ণনা কীভাবে সেইটা নিয়েই ভাবছি। বাকি সবাই এক আধ লাইনেই উত্রর দিয়েছেন রবিবাবুকে যখন উনি করতেন ১৯২৯ এ। এক কথায় নস্যাৎ করা গেলে তো কথাই ছিল না। ঐ বইটা কি কেউ পড়েছেন? গোটা বইটা পড়ে তিনি কী বলেন? এটা বহুচর্চিত একটা ধোঁয়াশার ব্যাপার। যে প্রশ্নটা সত্যজিৎ ও তাঁর লেখায় বারবার এনেছেন। মানে এই প্রশ্নের দ্বন্দ্ব তাঁর মনেও ছিল।


Name:  অর্জুন           

IP Address : 236712.158.1234.155 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 10:43 PM


*গল্প

*সেই হেতু


কোন বইয়ের কথা বলছেন?

'মরণের পরে' বইটিতে অভেদানন্দজী কি লিখেছেন? বইটার একটা কপি প্রায় সব বাড়িতেই দেখা যেত।


Name:  avi          

IP Address : 236712.158.1234.135 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 10:44 PM

গুলগাপ্পা জিনিসটা বহুস্তরীয়। মোটিভেশন, প্রেজেন্টেশন, সচেতন জেনেবুঝে করা - অনেক পার্থক্য থাকে। অনেকসময় নিজের আবেগ ও মুডের ওপর নির্ভর করে ভ্রান্তি হয়, এখন এগুলোর নিউরোসার্কিট্রি একটু একটু করে জানা যাচ্ছে। পুরো স্থায়ী ড্যামেজ থাকলে সেটা তথাকথিত মানসিক রোগের মধ্যে চলে আসে, কিন্তু সেটা ছাড়াও অনেক সময় স্ট্রেস লেভেলের ওপর নির্ভর করে সাময়িক তারতম্য হয় বেশ কয়েকটা গেটিং পাথওয়ের। তার ওপর থাকে নিজের বিশ্বাস তথা প্রায়র লার্নিং, সোশ্যাল গ্রূপ বায়াস ইত্যাদি ঝামেলা। সব মিলিয়ে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা হিসেবে যে স্মৃতিটি বেরিয়ে আসে, তাতেও প্রচুর জল থাকে। অনেক সময় আবার এরকম হয়, প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা বিভিন্ন জনের সাথে শেয়ার করতে করতে একটু একটু করে ডালপালা মেলতে থাকে এপ্রিসিয়েশন অনুসারে, পরে তাকে অখণ্ডভাবে সত্য মনে হয়। আবার এই নিয়ে নিজের মনেই যদি সন্দেহ বা অসততা থাকে, সেক্ষেত্রে অনেক মানুষ একে রক্ষার্থে রীতিমতো হিংস্র হয়ে ওঠেন। সবরকম উদাহরণই চারপাশে পাওয়া যায়। আর এইসব ব্যাপার জ্ঞানীগুণী মানুষের মধ্যে হওয়ার সম্ভাবনা যথেষ্ট বেশিই থাকে।


Name:  Kaju          

IP Address : 236712.158.895612.20 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 10:46 PM

অর্জুন, হ্যাঁ সে কথাটা তো আছেই।

আমি কম্প্লিট তো লিখতে বসিনি, তার জন্যে উপযুক্ত ও বিখ্যাত বই আছে। সে বই এখানে কেউ না কেউ পড়েছেন তো বটেই। আমি শুধু প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছি মাত্র আলোচনার স্বার্থে। ভাটের ল্যাঙ্গুয়েজেই লেখা তাই, কিন্তু ভাটে হারিয়ে যাবে, অযথা অন্য একটি বিষয় নিয়ে অলরেডি ভারাক্রান্ত, তাই টইতে আলোচনার খেই ধরানো এটুকুই।


Name:  Kaju          

IP Address : 236712.158.895612.20 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 10:48 PM

অর্জুন, আমি রাজেন্দ্রলাল আচার্যের বইটির কথা বলছি, শুরুতেই উল্লিখিত। ওতেই রবিবাবুর নিজের আসার বর্ণনাটি আছে। আমার আগ্রহ ঐখান থেকেই এল।

রবীন্দ্রের প্রেতচর্চা নিয়ে কোন বই সে নাম কেউ জানলে বলবেন। আছে একটা যদ্দূর জানি।


Name:  অর্জুন           

IP Address : 236712.158.1234.155 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 10:53 PM


রাণী চন্দের স্মৃতিকথা 'গুরুদেব' এ রবীন্দ্রনাথের প্ল্যানচেটের উল্লেখ আছে।

মনে হয় আনন্দবাজারে নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় এ বিষয়ে লিখেছেন।


Name:  এলেবেলে          

IP Address : 236712.158.676712.22 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 11:11 PM

@কাজু, আপনার যখন এই বিষয়ে আগ্রহ জেগেছে তখন এই ফাঁকে অমিতাভ চৌধুরীর 'রবীন্দ্রনাথের পরলোকচর্চা' বইটা একবার দেখতে পারেন। আমার কাছে হার্ড কপি আছে, জানি না ওটার সফট কপি আছে কি না।


Name:  অর্জুন           

IP Address : 236712.158.1234.135 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 11:13 PM


@কাজু

পড়ুন


'নতুন বৌঠান কাদম্বরী, স্ত্রী মৃণালিনী, পুত্র শমী, কন্যা মাধুরীলতা, নতুনদাদা জ্যোতিরিন্দ্রনাথের মতোই প্রেত-অধিবেশনে একদিন এলেন বিদেহী সুকুমার রায়। তাঁর গানের সমঝদার সুকুমারের অনুরোধে রবীন্দ্রনাথ ধরলেন ‘তরী আমার হঠাৎ ডুবে যায়।।।’। মাঝপথে থেমে গেলেন গানটার কথা ভুলে! সুকুমারের আত্মা রবীন্দ্রনাথকে প্রশ্ন করে বসল, ‘‘আমার ছেলেকে আপনার আশ্রমে নিতে পারেন?’’

সুকুমারের এই ইচ্ছের কথা তাঁর স্ত্রী সুপ্রভাকে জানিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ স্বয়ং। এই কথা শুনে কিছু দিন ছেলেকে নিয়ে কবির শান্তিনিকেতনে কাটিয়েও যান সুপ্রভা। কিন্তু সদ্য বাবা-হারানো ছেলেকে কী ভাবে আর একা ছেড়ে আসেন সেখানে! কিন্তু এর ঠিক দশটা বছর পর দেখা যাচ্ছে, রবীন্দ্রনাথের আশ্রমে সত্যজিৎকে পড়তে পাঠিয়ে দিচ্ছেন সুপ্রভা রায়।'


Name:  অর্জুন           

IP Address : 236712.158.1234.135 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 11:17 PM


এটা আরো ইন্টারেস্টিং

'স্বামী বিবেকানন্দের উৎসাহে স্বামী অভেদানন্দ, আঠেরো শতকের শেষে পাশ্চাত্যে গিয়েছিলেন বেদান্ত দর্শন প্রচার করার জন্য। আমেরিকার প্রথম সারির প্রেততাত্ত্বিকের সঙ্গে তাঁর ভাবনার আদানপ্রদান হয়। প্রায় দুই দশকের প্রবাসজীবনে পাশ্চাত্যের প্রখ্যাত পরলোকচর্চার কেন্দ্রগুলোতে দেওয়া তাঁর বক্তৃতা সমাদৃত হয়েছিল। মরণের পরে আত্মা কোথায় যায়, এই প্রশ্নের উত্তরে সাংখ্যকার কপিল আর অন্যান্য হিন্দুদার্শনিকদের সুরেই একবার অভেদানন্দ বলেছিলেন, মৃত্যুর পর পঞ্চপ্রাণ, পঞ্চ কর্মেন্দ্রিয়, পঞ্চ জ্ঞানেন্দ্রিয়, মন ও বুদ্ধির মতো সতেরোটা উপাদানে তৈরি সূক্ষ্মদেহ ধারণ করে আত্মা যায় স্বপ্নলোকের মতোই মনলোকে'


Name:  Atoz          

IP Address : 237812.69.4545.143 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 11:17 PM

প্রিয় পুত্র শমীন্দ্রনাথের অকালমৃত্যুর পর রবীন্দ্রনাথ যখন প্ল্যানচেটে শমীর আত্মাকে ডাকলেন, সেই জায়্গাটা বিস্তারিত জানতে চাই। শমী নাকি এসে বলেছিল সে বৃক্ষলোকে আছে। এই জায়্গাটা ভালো করে জানতে চাই। শমী তো মনে হয় খুবই অল্পবয়সে মারা গিয়েছিল, একেবারে বালকবয়সেই প্রায়, কৈশোরের প্রারম্ভে।


Name:  Kaju          

IP Address : 236712.158.455612.210 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 11:25 PM

রানী চন্দের গুরুদেব পড়েছি অনেক আগে, কোটেশন দেখে মনে পড়ল ভালোমত এবার। তবে আলাদা করে এই বিষয়ের বইয়ের লেখক মনে ছিল না। এলেবেলেদাকে ধন্যবাদ। এটাই চাইছিলাম।

আগ্রহ প্রধানতঃ রবিবাবুর নিজের ঐ অতখানি বর্ণনায়। সেটা হয়ত ঐ রাজেন্দ্রলালের বইতেই শুধু আছে।


Name:  অর্জুন           

IP Address : 236712.158.1234.155 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 11:27 PM


রবীন্দ্রনাথকেও প্ল্যানচেট করা হয়েছিল।


'১৯৪৫। পরলোকে উৎসাহী রাজেন্দ্রলাল ভট্টাচার্য প্ল্যানচেটে ডেকে আনলেন রবীন্দ্রনাথের আত্মাকে। সেখানে রবীন্দ্রনাথ নাকি জানিয়েছিলেন, জনাকয়েক অবাঙালির হাত ধরে পরলোকে কুয়াশাচ্ছন্ন, অন্ধকার এক এলাকা থেকে ক্রমশ এসেছেন তীব্র আলোয় ধুয়ে যাওয়া স্থানে। দিলীপকুমার রায় আর রজনীকান্ত নতুন গান লিখে কবিকে পরলোকে স্বাগত জানিয়েছেন। দেখা হয়েছে বাবা মহর্ষিদেবের সঙ্গেও। চারপাশে আশ্চর্য সুন্দর সব ফুল আর পাখি। রাজেন্দ্রলাল পরলোক নিয়ে বই লিখবেন শুনে রবীন্দ্রনাথের আত্মা বলছিল, ‘‘তুমি তোমার বইতে লিখে রেখো যে এইখানে ভয় পাবার কিছুমাত্র নেই।’’

তারপরও আরও কথা, ‘‘অবশ্য আমি যে স্তরে আছি নিজের সুকৃতির ফলেই লোক সেখানে আসতে পারে।’’ রবীন্দ্রনাথের আত্মা চলে যাওয়ার সময় তেপায়া নড়ে ওঠে।'


Name:  Kaju          

IP Address : 236712.158.455612.210 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 11:27 PM

শমী ১৩ বছরে মারা গেছিল। জ্যোতিরিন্দ্রের সঙ্গে কথাতেও তিনি শমীকে কেমন দেখছেন ওখানে, সে একটা নতুন জগৎ বানিয়েছে এটা বলেছেন জ্যোতিরিন্দ্র।


Name:  Kaju          

IP Address : 236712.158.455612.210 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 11:31 PM

অর্জুন ১১ঃ২৭, হ্যাঁ সেটা তো শুরুতেই লিখলাম। এটা কোন বই থেকে কোট করলেন?

কোটেশনগুলো আলোচনাকে সমৃদ্ধ করছে খুবই। বই সব সময় হাতের কাছে থাকে না, সুবিধেই হল।


Name:  অর্জুন           

IP Address : 236712.158.1234.151 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 11:31 PM


যারা প্ল্যানচেট করছে তাদের চাইতে যাদের প্ল্যানচেট করা হচ্ছে তারা অনেক বেশী চালাক। ঃ-) ঃ-)


"পরলোক-উৎসাহীদের উদ্দেশে মোক্ষম প্রশ্নটা কিন্তু রেখে গিয়েছিলেন ঠাকুরবাড়ির এক খাজাঞ্চি কৈলাস মুখুজ্জেই।

‘জীবনস্মৃতি’- তে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন, পরলোকের ব্যবস্থা কেমন, গুরুজনেরা প্ল্যানচেটযোগে একবার স্বভাব-রসিক কৈলাসকে এই প্রশ্ন করলে উত্তর এসেছিল, ‘‘আমি মরিয়া যাহা জানিয়াছি আপনারা বাঁচিয়াই তাহা ফাঁকি দিয়া জানিতে চান? সেটি হইবে না।’’


Name:  এলেবেলে          

IP Address : 237812.69.563412.123 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 11:43 PM

@আতোজ, আপনি শমী সম্পর্কে যা জানতে চেয়েছেন সেটা তো 'মংপুতে রবীন্দ্রনাথ'-এ আছে। যেখানে তিনি লিখছেন, "শমী বলছে --- 'আমি বৃক্ষলোকে আছি, সেখানে এক নূতন জগৎ সৃষ্টি করেছি'। কে জানে কী তার মানে। যে রকম দ্রুত গতিতে লিখে যেত, আশ্চর্য লাগত। একটা কথা শুনে তার অর্থ বুঝে লিখে যাওয়া, এক মুহূর্ত বিরাম না করে, আমি তো মনে করি না সে সহজে সম্ভব"।


Name:  Atoz          

IP Address : 237812.69.4545.137 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 11:44 PM

অনেকে বলেন, এই শমীন্দ্রনাথ বেঁচে থাকলে ওর বাবার মতন হত, হয়তো আরো ভালো ভালো লেখা লিখত। ওর মধ্যেই নাকি রবীন্দ্রনাথের স্বভাবপ্রকৃতির অনেকটা ছিল।
তো, এই ধারণার ভিত্তি কী? শমীর বাবা ও অন্য আত্মীয়স্বজনেরা ( জ্যেঠারা, জ্যেঠিরা, নিজের দাদাদিদিরা, তুতো দাদাদিদিরা, পারিবারিক বন্ধুবান্ধবেরা ) কেউ কি কিছু লিখে গিয়েছেন?


Name:  এলেবেলে          

IP Address : 237812.68.454512.252 (*)          Date:13 Oct 2019 -- 11:55 PM

এমনিতেই আমার খুব চাপ যাচ্ছে, দেদার টাইপাতে হচ্ছে ডেস্কটপে! তবুও শুধু কাজু, আতোজ আর অর্জুনের জন্য অমিতাভবাবুর বই থেকে সামান্য টাইপালাম।

১৯২৯ সালের ৯ নভেম্বর রানী মহলানবিশ লেখা চিঠিতে রবীন্দ্রনাথ জানান --- "... বুলা তার পরে একদিন এসে পেন্সিল ধরেছিল। এদিনও ভাববার মতো অনেক লেখা বেরিয়েছে। একটা বড় আশ্চর্য কথা পাওয়া গেছে। শমী এসেছিল। অন্য অনেক কথার মধ্যে সে বললে, --- 'শান্তিনিকেতনের ধ্রুবকে আমার মনে পড়ে'। সে অনেক দিনের কথা। ধ্রুব আর দুটি ছেলে শান্তিনিকেতনে আমারই বাড়িতে শমীর সঙ্গে একত্রে ছিল। বেলা তাদের দেখাশোনার ভার নিয়েছিল --- তাদের পড়াশোনাতেও সাহায্য করত। অপূর্ব [অপূর্বকুমার চন্দ] বললে, হ্যাঁ, ধ্রুব বলে এক ছাত্র ছিল। রাত্রে বিছানায় শুয়ে হঠাৎ ওই তিনজনের কথা মনে পড়ল। ধ্রুবকে বেলা খুব স্নেহ করত। তার কথা শমীর মনে পড়বে এটাই সঙ্গত। কিন্তু বুলার হাত থেকে এ কথা বের হলো কী করে? শমীর কথাগুলি ভারি মজার রকমের। সুকুমারের কথাও যেন তারই মতো। মোহনলাল এগুলো লিখে নিয়েছে, কোনো এক সময়ে দেখতে পারো।"


Name:  অর্জুন           

IP Address : 236712.158.1234.161 (*)          Date:14 Oct 2019 -- 12:04 AM


@ কাজু

লেখাটা নেটে খুঁজে পেয়ে জলের ছিটা দিচ্ছিলাম। এই নিন নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখাটা। পুরোটা পড়ে নিন।

বাঙালীর প্ল্যানচেটের ইতিহাস।

@এলেবেলে নিশ্চয় এ লেখার সঙ্গে পরিচিত।


https://www.anandabazar.com/supplementary/patrika/a-planchette-1.46987
5





Name:  এলেবেলে          

IP Address : 236712.158.566712.153 (*)          Date:14 Oct 2019 -- 12:15 AM

@অর্জুন, লেখাটা পড়েছি কিন্তু আমি চরম অগোছালো স্বভাবের তাই আপনার মতো গুছিয়ে রাখতে পারেনি। লেখাটায় নীলাঞ্জন সুকুমার রায়কে গান শোনানোর প্রসঙ্গটা অসম্পূর্ণ রেখেছেন। রবীন্দ্রনাথ সুকুমারের অনুরোধে 'তরী আমার' গাইতে গিয়ে মাঝপথে বাণী ও সুর দুই ভুলে যান। ফলে সুকুমারকে নতুন করে শোনান 'অন্ধজনে দেহো আলো'। তবে প্লিজ, আর টাইপানোর জন্য প্ররোচিত করবেন না!!!


Name:  অর্জুন           

IP Address : 236712.158.1234.151 (*)          Date:14 Oct 2019 -- 12:21 AM


অনেক ধন্যবাদ @এলেবেলে। অমিতাভ চৌধুরীর বইটার নাম শুনলেও পড়া হয়নি।

চাপ ত যাবেই। স্বয়ং জাতির জনক আপনার আঙুলে ভার চাপিয়েছেন। ঃ-)


@আতোজ, কে বেঁচে থাকলে কি হত, এইসব ক্লিশে আলোচনা বাঙালী আজীবন করে গেছে। রবীন্দ্রনাথের চারপাশের লোকজনের কাজই তাই ছিল। 'বাপ-কা-বেটা'কে 'সিপাহি-কা' ঘোড়ার মত হতেই হবে।

রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজের স্বকীয় প্রতিভায় উজ্জ্বল ছিলেন। কৃষি বিজ্ঞানী, শিল্পী, সংগ্রাহক, পর্যটক। বাবাকে নকল করে লেখক, কবি কোনোটাই হতে চাননি। রথীন্দ্রনাথ না থাকলে বিশ্বভারতী ও শ্রীনিকেতন পূর্ণাঙ্গ রূপ পেত। শ্রীনিকেতন হতই না। ভারতীয় হ্যান্ডলুম ও হ্যান্ডিক্র্যাফটসের একজন পুরোধা ব্যক্তিত্ব রথীন্দ্রনাথ। কিন্তু আজীবন বাবার মত নিজেকে অ্যাডভারটাইজ না করে আড়ালে রেখে দিলেন নিজেকে, পরে চলে গেলেন নির্বাসনে। রথীন্দ্রনাথকে নিয়ে গত বছর তাঁর ১৩০ তম জন্মবার্ষিকীতে শান্তিনিকেতনে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন হয়েছিল। তাঁকে নিয়ে বলতে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গবেষক, লেখক এসেছিলেন। রথীন্দ্রনাথকে নিয়ে নূতন করে চর্চা শুরু হয়েছে।


Name:  অর্জুন           

IP Address : 236712.158.1234.155 (*)          Date:14 Oct 2019 -- 12:26 AM


*বিশ্বভারতী ও শ্রীনিকেতন পূর্ণাঙ্গ রূপ পেত না ।

@এলেবেলে, কষ্ট করে আর টাইপাবেন না। বইয়ের নাম তো পেয়েই গেছি। সময় করে পড়ে নেব। নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখাটার নীচেও গ্রন্থ তালিকা রয়েছে।


Name:  b          

IP Address : 236712.158.676712.216 (*)          Date:14 Oct 2019 -- 12:35 AM

আচ্ছা, 'খুব মালপোয়া খেতে ইচ্ছে করছে'? এটা কি রবীন্দ্রনাথের আত্মা ঐ সময়েই বলেছিলেন?


Name:  Atoz          

IP Address : 237812.69.4545.137 (*)          Date:14 Oct 2019 -- 12:51 AM

কিন্তু মহাত্মাগান্ধী এসে কী বললেন সে তো আর শোনা হল না!

এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2] [3]     এই পাতায় আছে1--30