বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--4


           বিষয় : আসামে বিপন্ন বাঙালি, পাশে দাঁড়াক পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি
          বিভাগ : অন্যান্য
          শুরু করেছেন :কৌশিক মাইতি
          IP Address : 670112.203.894512.221 (*)          Date:15 Jul 2018 -- 10:56 AM




Name:             

IP Address : 670112.193.4590012.133 (*)          Date:15 Jul 2018 -- 05:50 PM

ইটা কী বটেক?
দাবী? ফেবু স্ট্যটাস? নিজের নাম খোদাই? টেস্ট?


Name:  কৌশিক মাইতি          

IP Address : 342323.233.4512.194 (*)          Date:15 Jul 2018 -- 05:59 PM

আসামে বাঙালির বিপন্নতা ও এ রাজ্যের বাঙালি

ভারাক্রান্ত মনে পশ্চিমবঙ্গের এক বাঙালি লিখতে বসেছে। কলকাতার নানা পত্রিকায় তপোধীর ভট্টাচার্যের আর্তনাদ, উত্তরে পশ্চিম বাংলার বাঙালির উদাসীনতা বেদনাদায়ক। NRC র ড্রাফটে নাম নেই তপোধীর বাবুর নিজেরই, তাঁর বাবা স্বাধীনতা সংগ্রামী, এক সময়ের বিধায়ক। NRC বিলকে হাতিয়ার করে বাঙালি বনাম অসমীয়া খেলায় নেমেছে বিজেপি-আরএসএস। ব্রহ্মপুত্র ও বরাক উপত্যকার মধ্যে দূরত্ব তৈরির সব রকম চেষ্টা চলছে। বাঙালি বিদ্বেষী অসমীয়া সংগঠনগুলি হুঙ্কার ছাড়ছে, আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। বিদেশী সন্দেহে বাঙালিকে ডিটেনশন ক্যাম্পে তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, চলছে অকথ্য অত্যাচার। বরাক উপত্যকার তিন জেলার পরিস্থিতি ভয়াবহ।

আসামের বাঙালি সংগঠনগুলি একত্রিত হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে, প্রায় ৪৩ টা বাঙালি সংগঠন। প্রতিবাদে পথে নেমেছে। তাদের অভিযোগ, NRC বিলকে কাজে বাঙালি জাতিকে ধ্বংসের চেষ্টা চলছে। কলকাতার সংবাদপত্রে বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরায় এফআইআর হয়েছে তপোধীর ভট্টাচার্যের নামে। কিন্তু, মাথা নীচু না করে, পালটা প্রতিবাদ শানাচ্ছেন তিনি।

এমতাবস্থায় পশ্চিম বাংলার বাঙালির নৈতিক কর্তব্য আসামের বাঙালির পাশে দাঁড়ানো। দায়িত্ব তপোধীর বাবুদের হাত শক্ত করা। আসামে বাঙালি জাতির অস্তিত্ব রক্ষা করা মানবতার দাবী। এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে বাংলার রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা হতাশাজনক, অদ্ভুত ভাবে চুপ সবাই। মুখ্যমন্ত্রীতো আবার আসাম সীমান্তে কড়া নজরদারির কথা বলছেন,  যা ভয়ের উদ্রেক করে। অন্যদিকে, যারা বহির্বিশ্বের সমস্ত ঘটনা নিয়ে চিন্তিত হন, তারা নিজের জাতির সংকটে উদাসীন। কারণ স্বজাতির বিপদে কথা বললে, সমানাধিকারের কথা বললে পাছে প্রাদেশিকতার ছাপ লাগে পাট পাট করে ইস্ত্রি করা পাঞ্জাবিতে। এটা চূড়ান্ত বাস্তব বিচ্ছিন্নতা এবং ভণ্ডামির লক্ষন। তবে আশার কথা হল, দলীয় রাজনীতির বাইরে বেশ কিছু সংগঠন কাজ করছে। পশ্চিমবঙ্গের বাঙালিদের মধ্যে জনমত গড়ার প্রচেষ্টা জারি আছে। সভা, সেমিনারও হচ্ছে কলকাতার নানা প্রান্তে। এই সময়ে দাঁড়িয়ে বেশ কিছু সংগঠন সামাজিক গণ মাধ্যমে এবং বাস্তবের মাটিতে প্রচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যৌথ কর্মসূচীও নেওয়ার পরিকল্পনা আছে। যত দ্রুত সম্ভব কলকাতায় আসাম ভবনের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভের কথা ভাবা হচ্ছে।

পশ্চিম বাংলার বাঙালি হিসাবে আমাদের সর্বতোভাবে আসামের বিপন্ন বাঙালির পাশে দাঁড়াতে হবে। আসামের বাঙালি নিয়ে নিরুত্তাপ থাকা আসলে নিজের পায়ে কুড়ুল মারা, বাঙালি জাতির বুকে কুড়ুল মারা। নির্লিপ্ত থাকার মানে, বাঙালি ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়নি। বাঙালির অনৈক্য, বাঙালি জাতিসত্তার নড়বড়ে ভিত্তি বাঙালিকে বারবার ভিটেমাটি ছাড়া করেছে, বাঙালি বারবার হেরে যায়। আর কতবার? একবার তো ঘুরে দাঁড়াতে হয়! এই সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত। আসামের বাঙালির জন্য অগ্নিপরীক্ষা, এ রাজ্যের বাঙালির জন্য লিটমাস টেস্ট। এ পরীক্ষায় বাঙালিকে জিততেই হবে। আরও একবার হারলে বাঙালি চিরতরে মুছে যাবে! এবার আর যেন তপোধীর ভট্টাচার্যদের পশ্চিম বাংলা থেকে খালি হাতে ফিরতে না হয়।

তাই, আসুন, আমরা শপথ নিই। আসামের বাঙালি বিদ্বেষী শক্তির বিরুদ্ধে একজোট হবো, সব চক্রান্ত ভেস্তে দেব। বাঙালি মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াবে।




Name:  ।          

IP Address : 342323.191.3423.234 (*)          Date:17 Jul 2018 -- 10:32 PM




Name:  Du          

IP Address : 237812.58.560112.231 (*)          Date:17 Jul 2018 -- 11:21 PM

অদ্ভুত এই এনার্সি। নিজেরই দেশে কাগজের অভাবে লোককে ডিভোটার করে দিচ্ছে বা অনুপ্রবেশকারী আর কোনই হইচই নেই। এই আইনকে কি কেউ সুপ্রীম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করেনি বা করতে পারে না? পুরোপুরি অসংবিধানিক তো মনে হয় শুনলে। বরাক ভ্যালির লোকের তো ভারত ভুখন্ডে ঐটাই জায়গা তারাই বা ভুমিপুত্র স্ট্যটাস পাচ্ছেন না কেন যদি আদৌ ওটা কোন স্ট্যটাস হতে পারে সংবিধান অনুযায়ী?

এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--4