বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--1


           বিষয় : টাইপিং ইনপুটস
          বিভাগ : অন্যান্য
          শুরু করেছেন :টাইপ
          IP Address : 018912.234.0178.78 (*)          Date:05 Jul 2018 -- 02:43 PM




Name:  টাইপিং          

IP Address : 018912.234.0178.78 (*)          Date:05 Jul 2018 -- 02:44 PM

৫.

ক্রিস্টোফার শোল্‌স হচ্ছেন ইতিহাসের সেইসব ব্যক্তিদের একজন যাঁরা অনেক খেটেখুটে একটা জিনিস বানিয়েও সেটার উপর মালিকানা স্বত্ব ধরে না রেখে মাত্র বারো হাজার ডলারে সেটা রেমিংটন কোম্পানির কাছে বেচে দেন । কিন্তু তিনি তাঁর চিন্তাভাবনার ছাপ রেখে গেছেন টাইপরাইটার বা কি বোর্ডের উপরে যেটার জের আমরা এখনো বহন করে চলেছি । যদিও শোল্‌স অ্যান্ড গ্লিডেন টাইপরাইটার কোম্পানির অস্তিত্ম তাঁর জীবদ্দশাতেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে ।

এখন বোঝা দরকার কেন তিনি QWERTY লেআউটটা বানাতে গেলেন । এটার জন্য আসলে জীবদ্দশাতেই তাঁকে বেশ খোঁচা মারা কথা শুনতে হয়েছে । অভিযোগটা মোটামুটি এইভাবে এসেছিল;
আসলে ঠিক সে সময়ে (মানে ১৮৬০ এর শেষ আর ১৮৭০ এর শুরু) যে সব কি বোর্ড ছিল সেগুলোর বেশিরভাগই ছিল অ্যালফাবেটিক্যাল মানে বাঁ দিক থেকে ABCD দিয়ে শুরু নীচে Z এ গিয়ে শেষ । কিন্তু টাইপিস্টরা যে যুগের লক্কড়মার্কা মেশিন তাড়াতাড়ি চালাতে গিয়ে ‘টাইপবার’গুলো (টাইপফেস মানে খোদাই করা হরফ লাগানো যে জিনিসটা এসে কাগজে বাড়ি খায় তাকেই বলে টাইপবার) ভজঘট করে ফেলতো ।
টাইপবার জ্যামিং আসলেই খুব পুরানো একটা সমস্যা । যারাই এমনকি ৮০ দশকেও মানে ইতিহাসের সবচেয়ে আধুনিক ও শেষ প্রজন্মের টাইপরাইটার নিয়ে নাড়াচাড়া করেছে তারাও দেখেছে সমস্যাটা অন্তত মেকানিক্যাল টাইপরাইটারে পুরোটা মেটেনি ।

তাই টাইপরাইটারের কিবোর্ডটাকে আরেকটু কঠিন (?) করার দরকার হয়ে পড়েছিল । আর সেজন্যই এই ‘হযবরল’ এর আমদানী ।
শোল্‌স নিজের সাফাই গেয়ে বলেছিলেন যে আসলে মোটেই সেরকম কিছু নয় । তাঁর পার্টনার গ্লিডেনের এক ভাষাবিদ আত্বীয়ের কাছ থেকে ইংরেজি ভাষায় সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় এমন সব শব্দের হরফগুলো ঢেলে সাজিয়েছেন যেন পর পর আসে এমন হরফের টাইপবার এসে জড়িয়ে না যায় । মানে একেবারে বৈজ্ঞানিক বিঘ্ন সৃষ্টি আর কি!
আরেকটু বাড়িয়ে তিনি বলেছিলেন যে দু’হাতের দশ আঙ্গুল যেন যথেষ্ট কাজ পায় তাই এই নতুন বিন্যাস ।
এইখানে শোল্‌সের সমালোচকরা বলেন তিনি যে ইচ্ছাকৃত হযবরল বানিয়েছেন সেটার দরকার ছিল না । যন্ত্রের উন্নতি সময়ের সাথে অবশ্যাম্ভাবী হয়ে উঠত । ১৮৮০ এর দশকেই এই টাইপবার জ্যামিং বেশ আয়ত্বের মধ্যে চলে এসেছিল । কিন্তু তদ্দিনে কোয়ার্টি লেআউট বেশ ভালভাবেই জাঁকিয়ে বসেছে কি বোর্ড জগতে (এবং এখনো রাজত্ব করছে!)

শোল্‌সের কথায় কিন্তু যুক্তি আছে । আর তিনি যেহেতু কাগজের সম্পাদক ছিলেন তাই কম্পোজের সমস্যাটা তিনি বুঝতেন না এটা বোধহয় ঠিক নয় ।
সমালোচকদের শেষ কথা হচ্ছে, শোল্স একটা ভাল স্প্রিং মেশিনে বসানোর ব্যবস্থা করলেও কিন্তু টাইপবার জ্যামিং অনেক কমে যেত!
(দেখা যাচ্ছে যে কাগজের নীচ থেকে গোল গর্তটার মধ্যে দিয়ে এসে টাইপবার কাগজে লেখা তুলত । তারপরে আবার মাধ্যাকর্ষণের টানে নীচে নেমে যেত । এবং আজব কথা হচ্ছে যে কি টাইপ করা হচ্ছে সেটা টাইপিস্ট কিন্তু কাগজটা বের করে না আনা পর্যন্ত দেখতে পেতো না!)

৬.

একটা ব্যাপার আমরা অনেক সময়েই দেখি যে একেবারে আনকোরা নতুন জিনিস বাজারে নিয়ে আসাটা বেশ কঠিন, কিন্তু একবার একটা ‘ইন্ডাস্ট্রি স্ট্যান্ডার্ড’ তৈরি হয়ে গেলে দ্রুত বাজারে অনেক প্রস্তুতকারক চলে আসে।

রেমিংটন টাইপ রাইটার ১৮৭০ এর দশকে বাজার পেল আশাতীত ভাবে আর তার সাথে দ্রুত প্রতিদ্বন্দ্বীরাও গজাতে শুরু করে দিল। প্রায় একশো, একশো দশ বছর পরে পার্সোন্যাল কম্পিউটরের বাজারেও ঠিক একই ঘটনার পুণরাবৃত্তি হবে। আসলে এটা খুবই স্বাভাবিক একটা ঘটনা।

রেমিংটনের কোম্পানির আসল সুনাম ছিল বন্দুক-পিস্তল এসব জিনিস বানানোতে। যাকে বলে ‘প্রিসিশান এঞ্জিনিয়ারিং’ বা একদম নিঁখুতভাবে যন্ত্র তৈরি করা সেটা রেমিংটন ব্যাপক উৎপাদন প্রক্রিয়ায় সফলভাবে কাজে লাগাতে সক্ষম হয়েছিল। আসলে সেই যুগটাই ছিল ওরকম। সিংগারের সেলাই-কল ভীষণভাবে বাজার মাত করে দিচ্ছে, আলভা এডিসন প্রথম সফল ইলেক্ট্রিক বাল্ব ছাড়ছেন বাজারে। ফনোগ্রাফ আর টেলিফোন আসছে একটু একটু করে।

আরো একটা কারণ ছিল অবশ্যই টাইপরাইটার জিনিসটার চাহিদা দুনিয়ার সবখানেই ছিল। ইউরোপের নব্য শিল্পায়িত দেশগুলো সরকারের সহোযোগিতা পেয়েছিল অনেক ক্ষেত্রেই। টাইপরাইটার বানানোটা দেশের জন্যই সম্মানের ব্যাপার ছিল। শিক্ষা-দীক্ষার প্রসার আর দাপ্তরিক কাজের সুবিধাও উপেক্ষা করতে পারেনি কেউ।

আমরা যাকে বলি ‘পপ কালচার,’ তাতেও টাইপরাইটার বেশ জায়গা করে নিয়েছিল। বহু জায়গায় ‘টাইপিং ক্লাব,’ গড়ে উঠছিল এবং প্রথমবারের মতো কোনো দাপ্তরিক কাজে মহিলাদের অংশগ্রহন নিশ্চিত করেছে টাইপরাইটার। আমরা যদি শার্লক হোমসের ‘হাউন্ড অভ দ্য বাস্কারভিল্‌স’টা পড়ি তাহলেই দেখব তাতে টাইপিস্ট লরা লিয়ন্স চরিত্রটি একজন গল্পে বেশ ভাল ভুমিকা নিয়েছে (বাস্কারভিলের হাউন্ড অবশ্য ১৯০১ সালের দিকে লেখা)। মার্ক টোয়েন, কিপলিং এরাও টাইপমেশিনের সাথে ভালই পরিচিত ছিলেন।

তবে যা বললাম, মোটামুটি একটা ফর্মের উপরে যন্ত্রটাকে দাঁড় করিয়ে দিয়েছিল রেমিংটন কোম্পানি। সবাই সেটাকেই বিশেষ করে কোয়ার্টি লেআউটকে একেবারে অন্ধের মতো অনুসরণ করে যাচ্ছিল । কিন্তু একেবারে ১৮৯০ পর্যন্ত বেশ কয়েক ধরণের লেআউট দেখতে পাই আমরা।
টাইপিং ক্লাবের মতোই টাইপিং প্রতিযোগিতাও বেশ জনপ্রিয় ছিল। কোন ধরণের মেশিনে/লেআউটে সবচেয়ে দ্রুত টাইপ করা যায় তখনকার দিনে এইসব প্রতিযোগিতা দিয়ে মাপার চেষ্টা করা হতো। অবশ্য এতে টাইপরাইটারের বাজার বাড়ানোর চেষ্টা করত নির্মাতারা। কোয়ার্টি লেআউট যে ‘শ্রেষ্ঠ’ তা এইরকম কিছু কম্পিটিশনে ‘প্রমাণ’ করা হয়েছে।

৭.
তবে টাইপিং জগতে একটু খুব গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটল ১৮৮৮ সালের ২৫ জুলাই, ওহাইওর সিনসিনাটি শহরে।
এ দিনে সল্টলেক সিটির টাইপিং প্রশিক্ষক ফ্র্যাংক এডওয়ার্ড ম্যাকগারিন এক টাইপিং প্রতিযোগিতায় লুই ট্রবকে হারিয়ে দিলেন। শোনা যায় সে সময় ম্যাকগারিন প্রথম টাচ টাইপিং পদ্ধতিতে টাইপ করতেন। ট্রব একটা ক্যালিগ্রাফ টাইপরাইটারে ‘আট আঙ্গুল’ পদ্ধতিতে টাইপ করে ম্যাকগারিনের কাছে বিশাল ব্যবধানে হেরে যান। এর সেই থেকে দুনিয়াতে টাচ টাইপিং এর জয় জয়কার।
এ ব্যাপারটা আরেকটু ভালো করে বোঝা দরকার। ‘টাচ টাইপিং’টা আবার কী জিনিস। কি বোর্ড ‘টাচ’ করেই তো আমরা টাইপ করি তাই না?
আসলে ‘টাচ টাইপিং’ এর মুল ধারনাটা হচ্ছে আপনি না দেখে শুধু আঙ্গুলের ছোঁয়াতে আন্দাজ করে টাইপ করে যাবেন। পেশাদার টাইপিং বা ফাস্ট টাইপিং মানেই টাচ টাইপিং।
সাধারনত যেসব লোক টাইপ জানেন না তাঁরা যেটা করে তা হচ্ছে ‘হান্ট অ্যান্ড পেক’ টাইপিং। চোখ দিয়ে খুঁজে খুঁজে তারা চাবি বের করে সেটা ‘পেক’ করবেন (মানে খোঁচা দেবেন)। আর এইভাবে টাইপে দেখা যায় প্রায়ই দু’আঙ্গুল ব্যবহার হয় (তর্জনী আর মধ্যমা)। অনেকে আবার তিন বা চার আঙ্গুলেও টাইপ করেন।
এভাবে টাইপ করতে যে সময় বেশি লাগে তাই নয় এতে হাতে, আঙ্গুলে এবং চোখে তিনটে অঙ্গেই বেশি চাপ পড়ে। এবং দ্রুত বড় কোনো ডকুমেন্ট যে টাইপ করা যায় না তা বলাই বাহুল্য। অনেকে (ছোট কি বোর্ড বা বীশেষ করে পামটপে) এমন কী বুড়ো আঙ্গুল দিয়েও টাইপ করে থাকেন যাকে বলে ‘থাম্বিং’।
টাচ টাইপিং করতে গেলে প্রথমেই জানা দরকার আঙ্গুলের প্রধান অবস্থান বা ‘ওরিয়েন্টেশন’ কী হবে। ASD(F)GH(J)KL: এই চাবিগুলো নিয়ে যে মাঝখানের সারিটা সেটাকে বলে ‘হোম রো’। F এ বাঁ হাতের আর J তে ডানহাতের তর্জনী রাখতে হবে। এ দুটো চাবি যে সামান্য আলাদা এবং খাঁজ বসানো সেটা তো চোখেই দেখা যাচ্ছে।
ডান ও বাঁ দিকে শিফট চাপতে কনি আঙ্গুল আর স্পেস বারের জন্য ডান হাতের বুড়ো আঙুল ব্যবহার করাটাই ডান-হাতি টাচ-টাইপিস্টদের নিয়ম। হোম রো এবং তার দুটি চিহ্নিত চাবিকে স্থির ধরে নিয়েই আমাদের বাকি চাবিগুলোর অবস্থান ঠিক করতে হবে।




৮.

টাচ টাইপিং ‘মাসল মেমোরি,’ নির্ভর একটা কাজ। জুতার ফিতে বাঁধা, গাড়ি চালানো বা দাঁত ব্রাশ করার মতো যে কাজগুলো অনেকবার করা হয় তা আমরা একসময় বিশেষ চিন্তা না করে করতে থাকি।

একজন দক্ষ টাচ টাইপিস্ট (এখন দুনিয়ার সব টাইপিং ক্লাসেই টাইপিং মানে টাচ টাইপিং) মিনিটে ৬০ শব্দ নিঁখুতভাবে টাইপ করতে পারেন, যাকে WPM বা Word Per Minute দিয়ে প্রকাশ করা হয়। এখানে শব্দ-word মানে কিন্তু পাঁচবার চাবি চাপা, তাই ঘোড়া, Horse একশব্দ, কিন্তু গন্ডার Rhinoceros কিন্তু আবার দুই শব্দ! তারমানে 60 WPM মানে দাঁড়াচ্ছে গিয়ে ষাট সেকেন্ডে পাঁচ পুরণ ষাট=তিনশোবার চাবি টেপা। আর এই নাকি সর্বনিম্ন সম্মানজনক মান।


চাট্টিখানি কথা নয়!



আর কোয়ার্টি লেআউট সফলভাবে ইংরেজভাষী উত্তর আমেরিকায় প্রাধান্য বিস্তার করার সাথে সাথেই সেটা অন্যান্য রোমান বর্ণমালার ইউরোপীয় ভাষাতেও প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে দিল। ইউরোপীয়রা স্রেফ কপি করেছিল সেটা বলা যাবে না। কারণ অধিকাংশ ইউরোপীয় লেআউট অ্যাংলোস্যাক্সন কোয়ার্টি থেকে বেশ খানিকটা আলাদা।

এটি কেন করা হলো তার সবচেয়ে বড় ব্যাখ্যা হচ্ছে সে একটা সফল লেআউটকে অনুসরণ করে এগোনো অনেক সহজ। কিন্তু এইকাক করতে গিয়ে কোয়ার্টি লেআউটের যুক্তি (অত্যন্ত খোঁড়া যুক্তি যদিও) খারিজ হয়ে যায় যে এই লেআউট আসলে ডিকশনারি ভিত্তিক, ইংরেজি ভাষায় সবচেয়ে ব্যবহৃত শব্দগুলো নাকি কোয়ার্টিতে এমনভাবে রাখা হয়েছে যে তা সহজে ব্যবহার করা যায়। কারণ প্রত্যেক ভাষাতেই শব্দ ভান্ডার বিভিন্ন। ফরাসী অভিধানের সাথে ইংরেজির যেমন তুলনা চলে না তেমন চলে না ফরাসীর সাথে জার্মানের।

এবং এখানে আরো একটা বড় পার্থক্য আছে। প্রায় সব ইউরোপীয় ভাষাতেই কিছু অতিরিক্ত স্বরচিহ্ন বা ‘ডায়াক্রিটিক্‌স’ ব্যবহার করা হয় (আমাদের যেমন আছে রেফ, হসন্ত, অনুস্বর)। ফরাসীতে আছে তিনটে অ্যাক্সেন্ট মার্ক আছে, অ্যাকিউট অ্যাক্সেন্ট á, সার্কামফ্লেক্স অ্যাক্সেন্ট à, আর গ্রেভ অ্যাক্সেন্ট; â, আর আছে সেডিলা ç যেগুলো ছাড়া ফরাসী লেখাই যাবে না শুদ্ধ করে। জার্মান লিখতে গেলে ‘উমলাউট’ (হরফের উপরে দুটো ফোঁটা) ä, ö , ü একেবারে অপরিহার্য। আর উত্তর আর পূর্ব ইউরোপের ভাষাগুলোতে তো ডায়াক্রিটিকসের ছড়াছড়ি। এমন কী দুয়েকটা আলাদা হরফও আছে ইউরোপের প্রায় সব ভাষার যেটা প্রচলিত রোমান হরফের সাথেই ব্যবহার করা হয়। যেরকম জার্মানে আছে ‘সেট’ বলে একটা বিশেষ হরফ ß, যেটা SS দিয়েও প্রতিস্থাপণ করা হয়। আইসল্যান্ডিকে আছে ‘থর্ন’ Þ, এইরকম আরো উদাহরণ আছে। কিছু যুক্তাক্ষরও আছে! যেমন Æ

ইংরেজিই একমাত্র পশ্চিমী ভাষা যাতে কোনো ডায়াক্রিটিক মার্ক ব্যবহার না করেই কাজ চালানো যায় (অল্প কিছু ধার করা বিদেশী শব্দে অবশ্য ব্যবহার করা হয়)!

সেসব চিহ্ন আনার জন্য ইউরোপীয় কি বোর্ড গুলোতে বেশ কিছু কারিগরি করতে হয়েছে। স্বরচিহ্ন আনার জন্য কোনো ডেডিকেটেড চাবি ব্যবহার না করে বরং দুটো চাবির সাহায্য সেই চিহ্নটি নিয়ে আসার বন্দোবস্ত সেইসব ইমপ্রোভাইজশনের অন্যতম ছিল। এরকম দুটো চাবি যখন একসাথে ব্যবহার করা হচ্ছে তখন প্রথম চাবিটিকে বলে ‘ডেড কি’ বা ‘কম্বিনেশন কি’। এসবের ব্যবহার এখনো আছে। যেমন Alt+ Ctr, Ctr+A, এইসব।





এই সুতোর পাতাগুলি [1]     এই পাতায় আছে1--1