বইমেলা হোক বা নাহোক চটপট নামিয়ে নিন রঙচঙে হাতে গরম গুরুর গাইড ।

এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2]     এই পাতায় আছে5--35


           বিষয় : অনন্ত বিজয় দাশকেও ওরা মেরে দিল
          বিভাগ : অন্যান্য
          শুরু করেছেন :bip
          IP Address : 79.138.209.156 (*)          Date:12 May 2015 -- 12:10 PM




Name:  PT          

IP Address : 213.110.243.23 (*)          Date:12 May 2015 -- 07:52 PM

"সাধারণ মানুষকে বোঝাতে হবে অন্যের ধর্মকে সম্মান করার কথা। সাধারণ মানুষকে বোঝাতে হবে ধর্ম ব্যক্তিগত বিষয়।"
কে বোঝাবে?


Name:  dd          

IP Address : 132.167.175.71 (*)          Date:12 May 2015 -- 08:42 PM

সুমন দে। রোজ এক ঘন্টা।


Name:  কল্লোল          

IP Address : 111.63.85.26 (*)          Date:12 May 2015 -- 09:26 PM

যারা বোঝে।


Name:  cm          

IP Address : 116.208.5.165 (*)          Date:12 May 2015 -- 09:54 PM

নাঃ বেসিকে গোলমাল। মানুষের মূল চাহিদা যেমন রটি কাপড়া আউর মকান এটা ভাল করে বোঝান। এবাদ দিয়ে ওসব নবীটবী নিয়ে চেল্লালে ঐ হবে।


Name:  dc          

IP Address : 132.164.65.203 (*)          Date:12 May 2015 -- 09:59 PM

নবিটবিও তো রটি কাপড়া আউর মকান এর থেকে কম বেসিক কিছু মনে হয়না। নাহলে পাঁচ হাজার বছরে নবি-পাদ্রী-পুরুতের দরকার ফুরিয়ে যেত। রুটি পেটের খিদে মেটায়, আর এরা মনের খিদে। দুটো নিয়েই মানুষ।


Name:  cm          

IP Address : 116.208.5.165 (*)          Date:12 May 2015 -- 10:08 PM

একদিন উপোস করে দেখুন কোন খিদে চাগাড় দিচ্ছে।


Name:  cm          

IP Address : 116.208.5.165 (*)          Date:12 May 2015 -- 10:18 PM

আর মনের খিদের জন্য লোকে বই পড়ে গান শোনে সিনেমা দেখে।


Name:  রুদ্র          

IP Address : 55.64.238.188 (*)          Date:12 May 2015 -- 11:22 PM

এত সব কান্ড আর তাও বার বার হচ্ছে----আর বাংলাদেশ এর হাসিনা সরকার কি করছে???বাবা তো সেই ছোটবেলা থেকেই বলতেন যে হাসিনা শেখ মুজিবুরের মেয়ে,উনার মতই বুদ্ধি তার মেয়েটির।তাহলে এই বুদ্ধিমতী মেয়ের আমলে এত সব কান্ড হচ্ছে কিভাবে??সেই বুদ্ধিমতী মেয়ের বুদ্ধি কোথায় আজ???


Name:  অলীক আশা          

IP Address : 178.26.197.46 (*)          Date:12 May 2015 -- 11:49 PM


মুসলমান থাকবে না একশো বছর বাদে?
http://www.cnn.com/2015/04/02/living/pew-study-religion/index.html


Name:  Atoz          

IP Address : 161.141.84.175 (*)          Date:13 May 2015 -- 12:02 AM

থাকবে, থাকবে, মনে হয় সবই থাকবে।
ততদিনে যদি ধরুন মানুষ মঙ্গলে বা বৃহস্পতির বিভিন্ন ভালো ভালো উপগ্রহে উপনিবেশ বানিয়ে থাকতে শুরু করে, আশেপাশের অন্য ভালো ভালো নক্ষত্রের গ্রহমন্ডলীর দিকে যাই যাই করতে থাকে, তবুও তখন কি আর মানুষ খুবই বদলে যাবে? কিছুকিঞ্চিৎ বদলাবে ঠিকই, কিন্তু বেসিক ব্যাপারগুলো কি আর তত বদলাবে?


Name:  amit          

IP Address : 190.148.69.210 (*)          Date:13 May 2015 -- 04:01 AM

একশ বছর পরে কি হবে জানি না, তবে নেক্সট ২০-৩০ বছর এ কি হবে সেটা আন্দাজ করার চেষ্টা করাই যায়। আস্তে আস্তে ইসলামিক-দের কমপ্লিট Ghettoization করে ফেলার চেষ্টা হবে। অলরেডি কানাডা , অস্ট্রেলিয়া এ সব দেশে ইসলামিক ইম্মিগ্রসন কম করার চেষ্টা হচ্ছে, বাকি সমস্ত পশ্চিম দেশ এক ই পথে তাকাচ্ছে। আজকে যে দেশে আছি , সেখানে যে জাতি বিদ্বেষ দেখা যায়, ৫-১০ বছর আগে দেখিনি, এখন বোরখা ছেড়ে দিন, মাথায় কাপড় পরে কেও বেরোলে লোকে ঘৃণাভরে তাকায়। কোনো suberb-এ বেশি মুসলিম থাকলে সেখানে রিয়েল এস্টেট এর দাম কমে যায়।

আরো বেশি করে এদেরকে সোসালি isolate করা হবে এবং আরো বেশি করে সন্ত্রাসবাদী একটিভিটি বাড়বে। সুতরাং এই দেশ গুলোর ওপর প্রতি -আক্রমন ও আরো বাড়বে, কারণ সবাই গান্ধীবাদে বিশ্বাস করে না । টিপিকাল ভিসীয়ুস সাইকেল ইফেক্ট। আর তত বেশি ইসলামিক দেশ গুলোতে বাকি ধর্মের ওপর আক্রমন বাড়বে। এখানে বসে গন্ডা গন্ডা ব্লগ লেখা যায়, বাস্তব এটাই যে সুযোগ থাকলে ইসলামিক দেশ থেকে সংখালঘুরা অন্য দেশে পালাবেন প্রাণ বাচাতে , যারা পালাতে পারবেন না তারা মরবেন। বাংলাদেশ বা পাকিস্তান -এ বসে আজকে মুক্তচিন্তা, বিজ্ঞানচিন্তা করা আর হাড়িকাঠে গলা দিয়ে বসে থাকা এক জিনিস।


Name:  PT          

IP Address : 213.110.246.25 (*)          Date:13 May 2015 -- 06:32 AM

পেটের ক্ষিধে ও ধর্মাচরণ প্রসঙ্গে রাহুল সংকৃত্যায়নের "ভোলগা থেকে গঙ্গা" আবার পড়ুন!!


Name:  কল্লোল          

IP Address : 111.63.88.32 (*)          Date:13 May 2015 -- 07:20 AM

সিএম ও পিটি।
১)একদিন উপোস করে দেখুন কোন খিদে চাগাড় দিচ্ছে।
২)আর মনের খিদের জন্য লোকে বই পড়ে গান শোনে সিনেমা দেখে।
৩)পেটের ক্ষিধে ও ধর্মাচরণ প্রসঙ্গে রাহুল সংকৃত্যায়নের "ভোলগা থেকে গঙ্গা" আবার পড়ুন!!

এগুলো সবই আমাদের মতো মানুষদের দিক থেকে দেখা। আমরা যারা কোন ধর্মাচারণে আস্থা রাখি না।

আমি তো এরকম অজস্র মানুষকে চিনি, আমার দৃঢ় বিশ্বাস তোমরাও চেনো, যারা পরপর দুদিন উপোষ করে পূজো সেরে তবে সামান্য কিছু খান। তাতে তাদের কোন কষ্টই হয় না। আমি তো আমার প্রচুর মুসলমান বন্ধুদের চিনি যারা সারাদিন থুতু পর্যন্ত না গিলে বেশ কায়িক পরিশ্রমের কাজ করে, ভর গরম কালেও সারাদিন কাটায়।
মনের ক্ষিধে মেটানোর জন্য তারা রামায়ণ পড়ে, কোরান পড়ে, আজকাল টিভিতে নানান ধর্মীয় উপদেশ শোনে।

বিষয়টা বেশ জটিল।

এই কুসংষ্কার দূর করা একটা চলমান লড়াই। মোটা দাগে রামমোহন থেকে চলছে। বেগম রোকেয়া থেকে চলছে। এই লড়াইটাকে চালিয়ে যেতে হবে ধৈর্য না হারিয়ে, অসহিষ্ণু না হয়ে। নইলে এ আরও বেশী করে চেপে বসবে।

নাস্তিক ব্লগারদের প্রতি সমস্ত শ্রদ্ধা রেখেও আমার মনে হয় ওদের পদ্ধতিতে গন্ডোগোল আছে।



Name:  dc          

IP Address : 132.164.36.147 (*)          Date:13 May 2015 -- 07:37 AM

cm, তিনদিন না খেয়ে থাকলে খিদে তো পাবেই। আসলে পেটের আর মনের খিদে ওভাবে বোধায় তুলনা করা ঠিক হচ্ছে না। ম্যাসলো সাহেবের ত্রিভুজ যদি মনে করেন, পেটের খিদে মেটানো যেরকম প্রয়োজন মনের খিদে মেটানোরও ততটাই দরকার, তবে এই খিদেগুলোর আলাদা আলাদা স্তর আছে। আর পেটের খিদের জন্য যেমন নানারকম খাবার, তেমনি মনের খিদেরও নানারকম উপাদান। গান বাজনা সাহিত্য শিল্পও উপাদান আবার বিজ্ঞান চিন্তা, ধর্ম চিন্তা এগুলোও একেকটা উপাদান। এটা হতেও পারে যে যাঁরা ধর্ম চিন্তা করেন তাদের ভাবনাচিন্তা গুলো ভুল, তবুও মানুষের ইতিহাসে আজ পর্য্যন্ত ধর্মের প্রভাব কিন্তু কমেনি। আজ ধর্ম নিয়ে যে সমস্যা চতুর্দিকে, তার সমাধান বোধায় ধর্মকে অস্বীকার করে করা যাবেনা।


Name:  cm          

IP Address : 127.247.98.217 (*)          Date:13 May 2015 -- 08:51 AM

এই টই-এ কল্লোলদার সাথে হাত মেলাবই মেলাব এ আমার পিতিজ্ঞে।
"নাস্তিক ব্লগারদের প্রতি সমস্ত শ্রদ্ধা রেখেও আমার মনে হয় ওদের পদ্ধতিতে গন্ডোগোল আছে।" ১০০ ভাগ সহমত। ঐ পদ্ধতিগত গোলমালের কথাই বলেছি এই যে " এবাদ দিয়ে ওসব নবীটবী নিয়ে চেল্লালে ঐ হবে।"

dcবাবুকে নিশ্চয়ই আমায় প্রায়োরিটি কথাটার মানে বোঝাতে হবেনা।

আর আমার মতন ধার্মিকে লোককে ধর্মাচরণে অবিশ্বাসী বলায় ভারি কষ্ট পেয়েছি। আমি সব সময় ২৫শে ডিসেম্বর কেক খাই আর ইদ আর কালীপুজোয় পাঁঠা। একেবারে নিষ্ঠাবান ধার্মিক।

"জ্ঞানীর তরে অমৃত এ অজ্ঞানীর তরে মদ হারাম"।


Name:   ঈশান           

IP Address : 183.17.193.253 (*)          Date:13 May 2015 -- 09:13 AM

কে কাকে বোঝাবে, আমি ঠিক বুঝিনা। শ দুই বছর আগে মার্কস নাস্তিকতার প্রচার করেছেন, ধর্ম হল আফিং, নিপীড়িতজনের দীর্ঘশ্বাস, এইসব বলে-টলেছেন। দরকার কি কিছু ছিল? কে জানে। তবে এইটুকু জানি, এইসব বলার জন্য মার্কস অন্তত কোতল হননি। দুশ বছর পরে বাংলাদেশে বসে লিখলে নির্ঘাত ঘিলু বেরিয়ে আসত। দুশ বছরে এইটুকু উন্নতি ঘটেছে। এখন আমাদের ভাবতে হচ্ছে, নাস্তিকেরা কেন ধর্মের বিরুদ্ধে বলবেন। দুশ বছর আগে ভাবতে হয়নি। আমি বোধহয় দুশ বছরের পুরোনো লোক। আমি ভাবি, কেন বলবেনা? ধার্মিকদের ধর্মের পক্ষে বলার অধিকার থাকলে নাস্তিকদের উল্টোটা বলার অধিকার কেন থাকবেনা? একবিংশ শতাব্দীতে হয়তো এইটা খুব বড়ো এবং অযৌক্তিক চাওয়া। জানিনা।


Name:  cm          

IP Address : 127.247.98.217 (*)          Date:13 May 2015 -- 09:48 AM

দুশ বছরে অসাম্য বেড়েছে না কমেছে? মার্কস সাথে আরো কিছু বলেছিলেন মনে হয়। আসল কথায় কেন যাইনা?


Name:  kc          

IP Address : 198.236.36.45 (*)          Date:13 May 2015 -- 09:48 AM

অযৌক্তিক তো বটেই। নিজের বৃত্তে বসেছিলেন বলেই বলতে পেরেছিলেন। নইলে তাঁকেও গ্যালিলিও বানিয়ে দিত। ভারতে খুল্লমখুল্লা বললে নরবলি দিয়ে দিত। হয় নিজের বৃত্তে থাক অথবা জনকল্যাণে বেরোতে ইচ্ছে করলে তাদের বেসিক চাহিদাগুলোকে অ্য্যাড্রেস কর। তবেই তারা তোমার কথা শুনবে। নইলে কেলিয়ে দেবে।


Name:  dc          

IP Address : 132.164.36.147 (*)          Date:13 May 2015 -- 09:58 AM

মার্কস যদিও প্র্যাকটিকাল কিছু বলতে পারেননি, তবে উনি যে নাস্তিকতার স্বপক্ষে বলেছিলেন আর তার জন্য ওনাকে কোনভাবে হ্যারাস করা হয়নি সেটা নিশ্চয়ই সেইসময়ের ডেমোক্র্যাসির একটা ভালো ব্যাপার ছিল। আবার এটাও দেখছি আমেরিকাতে এখন নাকি নাস্তিকতা বাড়ছে, অনেকে ওখানকার ধর্মের সাথে নিজেকে আর জড়াচ্ছেন না। এটাও একটা ভালো দিক। একটা দেশের ডেমোক্র্যাটিক পরিকাঠামোর ওপর বোধায় অনেক কিছু নির্ভর করে। আর ঠিকমতো এডুকেশন সিস্টেম গড়ে তুলতে পারাটাও দরকার।


Name:   সিকি           

IP Address : 192.69.198.7 (*)          Date:13 May 2015 -- 10:10 AM

দুটো তিনটে ছোট অ্যানেকডোট মনে পড়ে গেল।

নিজের নাস্তিকতা কখনও লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করি নি। ডেনমার্কে কথায় কথায় ক্লায়েন্টদের জানিয়েছিলাম - আমি নাস্তিক, তারা স্পোর্টিংলি নিয়েছিল, অবিশ্যি ডেনিশরা এমনিতেই ধম্মোকম্মো নিয়ে বিশেষ মাথা ঘামায় না।

দুবাইতে যতগুলো ফর্ম ভরতে হয়েছিল - সমস্তকটায় রিলিজিয়নের জায়গায় লিখেছিলাম অ্যাথেইস্ট। কখনও কোনও অসুবিধেয় পড়তে হয় নি তার জন্য, ওয়ার্ক পারমিট পাই নি - তার কারণ অবশ্য ছিল অন্য। নাস্তিকতা নয়।

আমেদাবাদে ছিলাম তিনমাস, সেখানেও দু তিনজন ভগবানের মাহাত্ম্য প্রচার করছিল বসে বসে, আমি জানিয়েছিলাম আমার এসবে ইন্টারেস্ট নেই, আমি নাস্তিক। ফ্রেন্ডলি তক্কাতক্কি হয়েছিল, তার আগে ও পরে প্রফেশনাল সম্পর্কে কোনও ছেদ পড়ে নি।

টলারেন্স অনেক জায়গায় আছে। আবার ইনটলারেন্স দেখেছি। রাম-কে আমি ভগবান মনে করি না, র‌্যাদার বউকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করার জন্য আমি ক্রিমিনাল মনে করি, একটা হোয়াটস্যাপ গ্রুপে এই কথা বলার জন্য ভার্চুয়ালি লোকজন রে-রে করে উঠেছিল, আমাকে কথা উইথড্র করতে হবে, ক্ষমা চাইতে হবে ইত্যাদি দাবি সমেত। সকলেই উত্তর ভারতীয়।


Name:   Biplob Rahman           

IP Address : 129.30.38.230 (*)          Date:13 May 2015 -- 10:19 AM

হেফাজতি বাংলায় চাপাতিই হোক রাষ্টীয় প্রতীক। জিও পাকিস্তান।


Name:  কল্লোল           

IP Address : 111.63.205.46 (*)          Date:13 May 2015 -- 03:04 PM

মার্কস যা বলেছিলেন - "Religious suffering is, at one and the same time, the expression of real suffering and a protest against real suffering. Religion is the sigh of the oppressed creature, the heart of a heartless world, and the soul of soulless conditions. It is the opium of the people.

ঈশেন।
নাস্তিকদের নিশ্চই ঈশ্বরের অস্তিত্বের বিরুদ্ধে প্রচারের অধিকার আছে। কিন্তু সেই প্রচারের পদ্ধতিতে গন্ডোগোল আছে।
আজকেও সিপিএম বা সিপিআইএমএলের বা মাওবাদীদের ঠেকে মার্কসের ঝিবাজি বা মাওয়ের চাট্টে বিয়ে নিয়ে কথা বল্লে কি কি হবে তা অনুমান কত্তে ফেলুদা হতে হবে না। প্রথম দুটো জায়গায় উত্তাল খিস্তি ও শেষেরটিতে ঘিলু-টিলু অবধি কেস যেতেই পারে।

মার্কসবাদ বা ঈশ্বর ও ধর্মের ক্রিটিক ঐ পদ্ধতিতে করলে উল্টো ফল হবে ও হচ্ছে। মার্কসবাদ তবু ফলিত বিষয়, তাই তার সাফল্য বা ব্যর্থতা মাপা যায় (তাতেও তো গাঁঠ কম নেই)। ধর্ম বা ঈশ্বর নিয়ে তো ট্যঞ্জেবল কোন জায়গাতেই দাঁড়ানো যায় না।

তাই আমার দৃঢ় বিশ্বাস, যে পদ্ধতিতে ব্লগাররা নাস্তিকতার প্রচার করছেন, সেটা উল্টো ফল দিচ্ছে।



Name:   সিকি           

IP Address : 132.177.172.33 (*)          Date:13 May 2015 -- 03:25 PM

নাস্তিকতা কি প্রচার করছেন এঁরা? আমি দ্বিমত।

ধর্মের বিধানের লাইনের পর লাইন তুলে সেগুলোর অসারতা প্রমাণ করা হচ্ছে। পদ্ধতি ঠিক কি ভুল সেটা আলাদা ডিবেট, কিন্তু নাস্তিকতা প্রচার করার মানে "প্রীচ" করা, অন্যদের নাস্তিক হতে উদ্বুদ্ধ করা। নাস্তিকরা কখনওই এই কাজটি করে না।


Name:   সুকান্ত ঘোষ           

IP Address : 129.160.188.221 (*)          Date:13 May 2015 -- 04:10 PM

এই থোড়-বড়ি-খাড়া আর বড়ি-খাড়া-থোড় আলোচনা আর কত দিন চলবে? সেই এক জিনিস! হীরকের রানী ভগবান থ্রেডের আলোচনার মত হয়ে যাচ্ছে এই বিষয় সংক্রান্ত আলোচনা গুলি।


Name:  কল্লোল          

IP Address : 111.63.219.185 (*)          Date:13 May 2015 -- 05:03 PM

এবিপিতে এখন নিউজ ফ্ল্যাস করছে - আবারও আরেক ব্লগার খুন।
কেউ কিছু জানে কি?

সুকান্ত, আপনি আলোচনাটা শুরু করুন। আমি আছি।




Name:  কল্লোল          

IP Address : 111.63.219.185 (*)          Date:13 May 2015 -- 06:03 PM

আমি কেন নাস্তিক।
ছোট বেলায় ঠাকুর্দা আর দিদিমাদের কাছে রামায়ণ মহাভারতের গল্প শুনে বড় হয়েছি। আমার যতদূর মনে পড়ে আমার ঠাকুর্দা আমায় ১৯৬৩ সালে আমায় কৃত্তিবাসী রামায়ণ আর কাশীদাসী মহাভারত উপহার দিয়েছিলেন। বইগুলো ওনার কেনা ঢাকায় থাকতে। সেগুলোই আমায় উপহার দিয়েছিলেন। ধণপতি ও শ্রীমন্ত সওদাগরের গল্পও শুনেছি মা-দিদিমার কাছে। এছাড়া পুরাণের গল্প, ঈশপের গল্প, জাতকের গল্প পড়েই কেটেছে ছোট বেলা। এর পাশাপাশি রুশ ছোটদের সাহিত্য, জুলেভার্ণ, আর্থার কোনান ডায়েল, ঘানাদা, টেনিদা আর হর্ষবর্ধন-গোবর্ধন-রিণিও ছিলো। বাড়িতে মা বৃহষ্পতিবার লক্ষীপূজো করতেন, লক্ষীর পঁচালী পড়ে। পরিবারে ধর্মীয় অনুষ্ঠান বলতে ওটুকুই। ঠাকুর্দা মারা যাওয়ার পর (১৯৬৪) ওনার শ্রাদ্ধই আমার প্রথম কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান কাছ থেকে দেখা। তখনই শুনেছি পিতৃলোক, প্রেতলোকের কথা। আত্মা একলোক থেকে আরেক লোকে ভ্রমণ করে।
এগুলোর প্রতি বিশ্বাস বা অবিশ্বাস কোনটাই তত প্রবল ভাবে বিরাজ করতো না।
এরপর ক্লাস সিক্সে পড়তে মার্কসবাদে হাতে খড়ি। ছোটদের রাজনীতি আর ছোটদের অর্থনীতি নামে দুটো RSP প্রকাশনার বই দিয়ে। সেই থেকে ধীরে ধীরে ভগবান-ধর্ম ইত্যাদিতে আস্থা হারানো। এমনকি ভাগ্য-টাগ্য নিয়েও অবিশ্বাস দৃঢ় হয় ঐ সময়ে।
কিন্তু তার পাশে পাশে মায়ের মাসিকের কারণে কোন কোন বৃহষ্পতিবার লক্ষীর পাঁচলী পড়েছি। মামাবাড়ির সত্যনারায়ণ পূজোর সিন্নি খেয়েছি। প্রত্যক শণিবার-মঙ্গলবার কালীঘাটের প্যাড়া দিব্যি হাত পেতে, কিন্তু মাথায় না ছুঁইয়ে খেয়েছি। হ্যাঁ, মাথায় প্রসাদী ফুল ছোঁয়াতে আপত্তি করতাম। মায়ের সাথে, দিদিমার সাথে ভগবানের অনস্তিত্ব নিয়ে ঝগড়া করতাম। এটা অবশ্য নানান বন্ধুদের সাথেও হতো। একটা কথা সেই সব বন্ধুদের গর্ব করে বলতাম যে, বিপদে পড়লে আমার নিজের চেষ্টতেই তার থেকে বেরিয়ে আসতে পারবো বা পারবো না। তার জন্য মাকালী বা বাবাকালীকে ডাকবো না।
প্রথম ধাক্কা খাই আমার এক মুসলমান বন্ধুর কাছে। ১৯৬৯। মানুষ পা রেখেছে চাঁদে। সেটাকে আলাউদ্দীন আহমেদ তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিলো - সিনেমায় কতকিছু দেখানো যায় বলে। প্রসঙ্গতঃ আলার বাবা বেচু আহমেদ ছিলেন টালিগঞ্জ স্টুডিও পাড়ার মেকাপ আর্টিস্ট ও এক্স্ট্রা সাপ্লায়ার। ওকে কিছুতেই বোঝাতে না পেরে বড় মনোকষ্টে ছিলাম। কিন্তু সেই প্রথম যুক্তির ওপর আবেগের/বিশ্বাসের জয় সূচিত হতে দেখলাম। সেই থেকে ধর্মের ভূমিকা নিয়ে উৎসাহী হয়ে উঠি। এবং শেষ পর্যন্ত নিপীড়িত মানুষের কাছে ধর্মের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কিছু ধারানার জন্ম হয়েছে। অনেকেই ধূনো দিয়েছেন এতে। একজন হেমাঙ্গদা(বিশ্বাস)। ওনার কাছে যখন নামাজ আমার হইলো না আদায় গানটি শিখি তখন স্বাভাবিক্ভাবেই প্রশ্ন ছিলো এই গানটা কেন গাইবো? উনি বলেছিলেন, এটা একজন নিপীড়িত মানুষের সারাদিনের হাড়ভাঙ্গা খাটুনির বয়ান। এতো পরিশ্রম করতে হয় শুধু কোনমতে বেঁচে থাকার জন্য যে ভাগবানকে ডাকার ফুরসৎ হয় না তার। তার কাছে আমরা মার্কসবাদ নিয়ে পৌঁছাতে পারিনি সেটা আমাদের ব্যর্থতা। সে আর কার কাছে তার দুঃখের কথা বলবে।
পরে গৌতম ভদ্রের হাত ধরে ধর্ম-বিশ্বাস-অতিকথা নিয়ে পড়াশোনা এই ধারনার ভিতকে আরও পাকা করেছে, নাস্তিক হয়েও।


Name:  দেব          

IP Address : 133.63.241.40 (*)          Date:15 May 2015 -- 01:11 PM

অনন্ত বিজয়ের লেখা প্রথম পড়েছিলাম কয়েক বছর আগে, মুক্তমনায়। "ইসকনের জৈববিবর্তন পাঠ" - বলে একটা লেখা। ভাল লেগেছিল।

বিপ্লব পালের মতন চিন্তাধারার লোকেদের এপ্রোচটার সঙ্গে সহমত নই। বাংলাদেশের আসল সমস্যা ধর্ম নয়, সীমাহীন দুর্নীতি ও অপশাসন। ধর্ম তাতে আরেকটা লেয়ার যোগ করে।

আওয়ামী লিগের নিজস্ব লেজিটিমেসীই নেই বাংলাদেশে। কোদ্দিয়ে দেবে সাপোর্ট? এই নিয়েও কোনদিন বিপ্লব পালের মাথাব্যাথা দেখিনি। মিস করে থাকতে পারি অবশ্য।


Name:  bip          

IP Address : 79.138.209.156 (*)          Date:16 May 2015 -- 10:55 AM

অভিজিতের মৃত্যুর পরে গর্জে উঠেছিল হাজারো কন্ঠ-প্রত্যাশা ছিল রাষ্ট্র এবং শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষেরা মিলে কোনঠাসা করে দেবে ধর্মীয় সন্ত্রাসবাদিদের। ওয়াশিকার রহমান বাবুর খুনের পর বাংলাদেশের রাজপুত্র জানালেন, তিনি আসলেই ভোটপুত্র। নাস্তিকেদের খুনীরা যেহেতু গুরুত্বপূর্ন ভোটব্যাঙ্ক, রাষ্ট্র নাস্তিক খুনের ক্ষেত্রে নীরব দর্শক থাকবে। সেইদিনই উৎসাহিত সন্ত্রাসবাদিরা খুন করলো অনন্তবিজয় দাশকে।

সেই সব গর্জে ওঠা প্রতিবাদি কন্ঠে আজ সুর বদল। ভীতু ইঁদুরের মতন গর্তে ঢুকে গেছে। সবাই আমাকে বলছেন -অভিজিত বা অনন্তরা কিন্তু বড্ড র‍্যাডিক্যাল ছিল! কি দরকার ছিল ইসলামিক ধর্মানুভূতিতে আঘাত করার ? ধর্মানুভূতিতে আঘাত করে তোমরা ( মুক্তমনারা ) কি উপকার করছ মুসলিম সমাজের?

প্রশ্নটি যৌত্বিক । উত্তর আরো সোজা। ধর্মানুভূতি যে সমাজে প্রবল-বস্তবাদি উন্নয়নের রাজনীতি সেখানে অসম্ভব। পশ্চিম বঙ্গের রাজনীতিই ধরুন। যে পার্টি যত ইসলামিক মৌলবাদের হেগো পোঁদ চাটতে পারবে, মুসলিম ভোটের জোরে তারাই ক্ষমতাই আসবে। চিটফান্ডের জেরে পশ্চিম বঙ্গে সংসারের পর সংসার ছারখার হয়ে গেল-অথচ যে পার্টির চৌর্য্যবৃত্তির জন্য আজ রাজ্যবাসীর এই সব্বোনাশ, তারা মুসলিম ভোট এবং গুন্ডাদের কৃপায় মসনদে বহাল তবিয়তে। হ্যা, কারন সেই ধর্মানুভূতি। বিজেপির বাড়ন্ত-কারন সেই ধর্মানুভুতি। অভিজিত বা আমি বা মুক্তমনার কোন সদস্য বস্তুবাদি প্রাপ্তির আশায় এসব লিখি নি। বরং প্রান হাতে নিয়েই সত্য কথাগুলো আমরা লিখেছি।

এই কণ্ঠ বদলে আমি বিস্মিত নই । এল্যান ব্লুম লিখছেন বুর্জোয়াদের সঠিক সংজ্ঞা জান ? বুর্জোয়া হচ্ছে সেই লোক যে মৃত্যুভয়ে সর্বদা এত ভীত সব সময় "কায়দা করে" নিজেকে বাঁচাতে ব্যস্ত [
Nietzsche, Nihilism and the Philosophy of the Future-পেজ ৬৯ ] ।
সুতরাং যখন এটা পরিস্কার রাষ্ট্রযন্ত্র এবং সাধারন মুসলিমরা নাস্তিক খুনের পক্ষে, পরিস্কার দেখতে পাচ্ছি-ফেসবুকের অধিকাংশ নাস্তিক প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলেছে। আফটার অল এই খুনীদের নেটওয়ার্ক সর্বত্র। অসংখ্য টেটর সেল। এরা সবাই আত্মঘাতী জঙ্গী। ওপরতলার নির্দেশ এলেই কোতল করতে নেমে যাবে।

মুশকিল হচ্ছে সেই ভয়ের কথা বলতে পারছে না -এখন শুরু করেছে অভিজিত রায়, বাবু, অনন্তের চিন্তাধারা নাকি র‍্যাডিক্যাল ছিল!! এগুলো ডাঁহা মিথ্যে কথা। অভিজিত রায় কোন বিকল্প রাজনীতি বা সমাজের কথা লিখে যায় নি। অনন্ত বিজ্ঞান নিয়েই লেখালেখি করত। এরা বন্দুক হাতে কাউকে মারতে বলেছে? বলেছে জীবন , রাষ্ট্র বা সমাজের উদ্দেশ্য এই হওয়া উচিত? যেমনটা কমিনিউস্ট বা ধর্মীয় র‍্যাডিক্যালরা বলে? এরা শুধু ধর্মের নামে ধাপ্পাবাজি গুলো চোখ খুলে দেখিয়েছে।

ধর্মের ধাপ্পাবাজি, কুসংস্কার তুলে দেখানো-বিজ্ঞানের চর্চা কবে থেকে র‍্যাডিক্যাল চিন্তাধারা হল ??

ন্যা-এগুলো মোটেও র‍্যাডিক্যাল না । র‍্যাশানাল চিন্তাধারা। আর আসল সত্যটা হল, বুর্জোয়াদের আসল ভীত রূপটা এখন বেয়াব্রু। সরি এতগুলো মহৎ প্রানের দুবার মৃত্যু আমি হজম করতে পারবো না ।

ভয় অবশ্যই সবার আছে। কিন্ত ধার্মিক উগ্রপন্থীরা যদি মৃত্যুভয় জয় করে থাকে, আর নাস্তিকরা যদি মৃত্যুভয়ে সর্বদা ভীত থাকে, তাহলে ত বলতেই হবে, যে দর্শন মৃত্যুভয় দূর করেছে -সেই দর্শন অনেক বেশী শক্তিশালী! তা সে দর্শনে যতই জল থাকুক না কেন! আফটার অল লাইফ একটা এক্সিডেন্ট ।জীবনের কোন পরম উদ্দেশ্য নেই । একজন প্রকৃত এথিইস্ট মৃত্যুভয়ে ভীত হতে পারে না -কারন যে জীবনের কোন উদ্দেশ্য নেই -সেই জীবন থাকা বা না থাকার মধ্যে তাহলে পার্থক্যটা কি? পার্থক্য খুব সামান্য। যেটুকু সময় বাঁচছি, সেইটুকু সময় জীবনটাকে কোন মহৎ উদ্দেশ্যে কাজে লাগাতে পারছি কি না ।

ইতিহাসের শিক্ষা এটাই- যে দর্শন যুক্তিতে বা বুদ্ধিতে বা মানবতায় সেরা -- সেই দর্শন সামাজিক বিবর্তনে নির্বাচিত নাও হতে পারে । যে দর্শনের মিলিটারী ক্ষমতা বেশী, রিপ্রোডাক্টিভ ফিটনেস বেশী, সেই দর্শন বিবর্তনের নিয়মে জয়ী হয়। যুক্তিবাদি বিজ্ঞানমুখী দর্শনের পেছনে কোন মিলিটান্সি বা মিলিটারী ফোর্স না থাকলে, বিজ্ঞান মুখী সমাজ আসবে না । ইউরোপ বা আমেরিকাতে বিজ্ঞানমুখী সমাজ বিবর্তিত হয়েছে এর মূল কারন এই সমাজগুলি কলোনী দখলের জন্য উন্নত মিলিটারী এবং যন্ত্রশিল্পের ওপর নির্ভর ছিল এক সময়। সুতরাং আজকের যে ধর্মীয় উগ্রবাদি তৈরী হয়েছে, তাদের ডান্ডা না মারা পর্যন্ত আটকানো যাবে না । যুক্তি, লেখা, ফেসবুক স্টাটাসে কিছু হবে না । প্রশ্ন হচ্ছে বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাঁধবে কে ? উত্তর লুকিয়ে আছে সেই মার্কেটে। মার্কেট যদি দেখে, উগ্রপন্থার জন্য সে বাংলাদেশে বাণিজ্য করতে পারছে না -এবং শেখ হাসিনা উগ্রপন্থী দমনে ব্যর্থ, আব্দেল সিসির মতন মিলিটারী শাসক বসিয়ে, মার্কেট নিজের প্রয়োজনে উগ্রপন্থী ক্লীন করবে।

মার্কেট নিজের প্রয়োজনে এই উগ্রপন্থীদের তৈরী করেছে-নিজের প্রয়োজনেই সে তাদের ধ্বংস করবে। এটাই নির্মম বাস্তব। আমরা শুধুই কুর্ম অবতার।



Name:  Atoz          

IP Address : 161.141.84.175 (*)          Date:17 May 2015 -- 01:01 AM

এই তো, মার্কেট এসে গ্যাছে।
ইয়া আ আ আ হু।
ঃ-)


Name:  ranjan roy          

IP Address : 192.69.134.43 (*)          Date:17 May 2015 -- 01:07 AM

হে ভগবান!
সেই সর্বশক্তিমান মার্কেট! আরে আগে আম্রিকার ইকনমিকে উদ্ধার করুক! মানবমনের গুঢ় প্রকোষ্ঠে যে অন্ধকার বাসা বেঁধে আছে যার ফলশ্রুতিতে "Thou shall not kill", বা মা মা হিংসী আদিযুগ থেকে উচ্চারিত হলেও হননযজ্ঞ চলছেই চলছে-- তার থেকে মানুষকে উদ্ধার করবে মার্কেট! মোগল-পাঠান হদ্দ হল ফার্সি পড়ে তাঁতি!


Name:  ranjan roy          

IP Address : 192.69.134.43 (*)          Date:17 May 2015 -- 01:09 AM

তবে বিপদার একটা কথা খাঁটি।
আমাদের আরও মরবার জন্যে তৈরি থাকতে হবে।

এই সুতোর পাতাগুলি [1] [2]     এই পাতায় আছে5--35