এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সব্যসাচী মুখার্জি | unknown.*** | ২৪ জুন ২০১৯ ০৯:৫৩383240
  • নচিকেতার "নীলাঞ্জনা" গানটা শুনেছেন তো ? হ্যাঁ হ্যাঁ ওইটাই। স্কুল জীবনের প্রথম প্রেম। প্রচুর আহা উহু করেছেন শুনে। স্কুল জীবনের প্রেমের কথাও মনে পড়েছে হয়তো শুনতে শুনতে। সেরকমই আরকি। ছেলেটার বয়স কতো হবে ? সতেরো। টুয়েলভে পড়ে। মেয়েটার বয়স কাছাকাছিই হবে। ইলেভেনে পড়ে। হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন। ওই ভিডিওটার কথাই বলছি। ফাঁকা ক্লাসরুমে দুজন খানিকটা ঘনিষ্ঠ হয়েছিলো। যাঁরা ভিডিওটা দেখেননি তাঁদের উদ্দেশ্যে জানিয়ে রাখি যে ঘনিষ্ঠ হওয়া মানে মোটেও প্রত্যক্ষ যৌনতা নয়। দুজন চুমু খাচ্ছিলো। শারীরিক ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিলো খানিকটা। ভিডিওটা দেখলে বুঝবেন যে উভয়পক্ষেরই যোগদান ছিলো এতে। অনেকে বলবেন আঠেরোর নীচে এই সম্মতির কোনো মূল্য নেই। আইনত কথাটা ঠিক। আমায় ওদের জায়গা থেকে কথাটা বললাম। ছেলেমেয়েদুটো দুজনেই আঠেরোর কম। আর এখানে সম্মতি অসম্মতির বিষয়টা নিজের ওই সময়ের জীবনটাকে বিবেচনা করলে হয়তো বুঝতে পারবেন। ভিডিওটা সম্ভবত ছেলেমেয়েটির অজান্তে ওদেরই কোনো সহপাঠী তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়। সবাই হইহই করে শেয়ার করেন। এখন সবকিছুই মিম কন্টেন্ট। সমস্ত মিম পেজ হুলিয়ে শেয়ার করে। বহুজন "স্কুল কি এসব করার জায়গা ?", "এটা ভারতীয় সংস্কৃতি নয়", "মেরে সিধে করে দেওয়া উচিৎ" থেকে "মেয়েদের বেশি স্বাধীনতা দেওয়ার ফল" পর্যন্ত মন্তব্য অবধি করেছেন। ঘটনাটি মগরা বাগহাটি রামগোপাল ঘোষ হাইস্কুলের। আজকে জানা গেলো স্কুল কর্তৃপক্ষ দুজনকেই সাসপেন্ড করেছেন। স্কুলের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে দাবী করে বহু ছাত্রছাত্রীর অভিভাবকরাও 'উদ্বিগ্ন'। কিন্তু গোটা ঘটনাটায় এর থেকে অনেক বেশি উদ্বেগজনক কিছু বিষয় উঠে এসেছি বলে আমি মনে করি।

    প্রথমত, স্কুল কর্তৃপক্ষ বলেছেন যে তাঁদের স্কুলের একটা সুনাম রয়েছে। সেই সুনাম নষ্ট হয়েছে। প্রশ্ন হলো সুনামটা নষ্ট হলো কেন ? একটু ওই বয়সী ছাত্রছাত্রীদের জায়গায় নিয়ে যাই নিজেকে। সদ্য বয়ঃসন্ধি পার করেছে। শারীরিক চাহিদা খুব স্বাভাবিক ভাবেই তীব্র থাকবে এই সময়ে। এই সহজ সত্যিটা আগে স্বীকার করে নিয়ে তারপর বাকি আলোচনায় যাওয়া ভালো। এবার একটু ভাবুন তো ; যাঁরা এতো কথা বলছেন ; স্কুল লাইফে কখনও কোনো দুষ্টুমি করেননি ? সিগারেট খাননি লুকিয়ে ? সিনেমা দেখেননি স্কুল পালিয়ে ? স্কুল থেকে ফেরার পথে কখন সদ্য প্রেমে পড়া মানুষের সঙ্গে রাস্তায় দাঁড়িয়ে গল্প - হয়নি এসব ঘটনা আপনাদের জীবনে ? এখন দুষ্টুমির ধরণ বয়স বাড়ার সঙ্গে বদলে যায় এটা সর্বজনবিদিত। স্কুলের ফাঁকা ক্লাসরুমে দুজন চুমু খাওয়া অনুচিত ; এটা ঠিক। স্কুল চুমু খাওয়ার জায়গা নয়। কিন্তু এটা মারত্মক অছাত্রসুলভ কাজ ? আমার স্কুলের ভূগোল স্যার বলতেন যে তাঁরা যখন ছাত্র ছিলেন তখন তৎকালীন অঙ্ক স্যার ছেলেদের সিনেমাহল থেকে ধরে আনতেন। এই ছাত্র শিক্ষক সম্পর্কটা অনেক বিশুদ্ধ ছিলো। এখন সেটা অনেক যান্ত্রিক।

    দ্বিতীয়ত, বয়ঃসন্ধিকালীন সময়ে স্বভাবতই নিষিদ্ধ কাজকর্মের প্রতি আকর্ষণ বাড়ে। এটাই নিয়ম। আজকে যে ঘটনা ঘটেছে ; তার পিছনে স্কুল কর্তৃপক্ষ দায় অস্বীকার করতে পারে কি ? যৌন চাহিদা যে বয়সে তৈরি হওয়ার হয়েছে ; কিন্তু সেই নিয়ে কোনো প্রপার গাইডেন্স স্কুলস্তরে পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত কি ? না শিখিয়ে পরীক্ষয় ফেল করিয়ে দেওয়াটা মনে হয় সঠিক পদ্ধতি নয়। এমনিতেও আমাদের দেশে যৌনতা নিয়ে ট্যাবু মারাত্মক। যে কারণে এরকম একটা সামান্য ঘটনায় লোকজন এরকম রে রে করে উঠলো। অবশ্য যৌনঈর্ষা এটার একটা কারণ হতে পারে। ছেলেমেয়েদুটোকে ডেকে কথা বলে নিলেই কিন্তু সবকিছু মিটে যেতে পারতো ; এমনকি সেটা ভবিষ্যতের জন্য অনেক ফলপ্রসূ হতো। ছাত্র শিক্ষক সম্পর্ক ভালো হতো। সেটা না হয়ে বিষয়টা অনেক জটিল হলো। ছেলেমেয়েদুটোর মনের অবস্থা ভাবুন। দুর্বল মুহূর্তের একটা একান্ত ব্যক্তিগত সময় কীভাবে বিনা দোষে পাবলিক হয়ে গেলো। স্কুল থেকে বিতাড়ন। আর বাড়ির লোকের কাছে কী হয়েছে সেটা সহজেই অনুমেয়। আর যৌনতাকে মারত্মক ভাবে সাপ্রেস করার ফল তো আমাদের সমাজ রোজ ভুগছে। ধর্ষণ, শ্লীলতাহানি রোজ বেড়ে চলেছে সমাজে। যা দেখলাম বলপূর্বক যৌনতার ঘটনার থেকেও এই ঘটনা বেশি নাড়া দিলো মানুষকে। ভাবতে হবে আমরা উল্টোদিকে হাঁটছি কিনা।

    তৃতীয়ত এবং সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ, যে সহপাঠী (সম্ভবত একটি মেয়ে) এই ঘটনাটা মোবাইলে ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছাড়লো ; তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে ? কারও ব্যক্তিগত মুহূর্ত, বিনা অনুমতিতে ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া কতবড় অপরাধ ; সেই বিষয়ে তাকে অবহিত করা হয়েছে ? নেওয়া হয়েছে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ? আমি অন্তত সেরকম কোনো খবর পাইনি। উল্টে স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে এতদিন স্কুলের করিডরে সিসিটিভি থাকতো ; এবার ক্লাসরুমেও থাকবে। মানে যতো বেশি পরিমাণ নজরদারি চালানো যায় আরকি। এই নজরদারি আদৌ সুস্থ ভাবে বেড়ে ওঠার পক্ষে সহায়ক ? এটা শুনে মনে পড়লো চার্লি চ্যাপলিনের "মডার্ন টাইমস" সিনেমার সেই দৃশ্যটা। কারখানার শ্রমিক টয়লেটে গেছে। সেখানে গিয়ে বিড়ি খাচ্ছে। টয়লেটেও সিসি ক্যামেরা আরা স্ক্রিন। ম্যানেজার নজরদারি করছে আর ধমকাচ্ছে। আদতে সেই নজরদারি আর ধমকানির ওপরেই যেন দিনে দিনে ভরসা বাড়ছে সর্বস্তরের "ম্যানেজার"দের। আর যৌন শুচিবায়গ্রস্ত মানুষ যৌনতার কথা শুনলেই কান চাপা দিচ্ছে। এদিকে দেশের জনসংখ্যা প্রায় দেড়শো কোটি। বিখ্যাত চ্যানেলে বসে কবিতা নিয়ে আলোচনায় প্যানেলিস্টরা বলছে - কন্ডোম শব্দটি অশ্লীল। অন্যের ব্যক্তিগত পরিসরে আর শোওয়ার ঘরে উঁকি দেওয়ার প্রবণতা বেড়েই চলেছে। কিন্তু সরকারি ভাবে এগুলোকে একেবারে গোড়া থেকে নির্মূল করার প্রচেষ্টা ? নাহ ! কিচ্ছু নেই। ভাবতে হবে সত্যিই আমরা সামনে এগোতে চাইছি নাকি পিছিয়ে যেতে চাইছি। ভাবতেই হবে।
  • কল্লোল | unknown.*** | ২৪ জুন ২০১৯ ১২:১৬383250
  • যে বা যারা এই ভিডিয়োটি তুলেছে ও সামাজিক মাধ্যমগুলোতে ছড়িয়েছে, তাদের সাথে বসা উচিৎ। তাদের বোঝানো দরকার এমনতরো ব্যক্তিগত মুহুর্তকে কিভাবে সম্মান দিতে শিখতে হয়।
    আর যারা ঐ ছেলে মেয়েটিকে সাসপেন্ড করেছে তাদের আদালতে নিয়ে যাওয়া। বিষয়টা আইনের নয় মানবিকতার। আইন মানুষের জ্ন্য - মানুষ আইনের জন্য নয়।
  • r2h | unknown.*** | ২৪ জুন ২০১৯ ১২:১৯383251
  • 'কারও ব্যক্তিগত মুহূর্ত, বিনা অনুমতিতে ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া কতবড় অপরাধ ; সেই বিষয়ে তাকে অবহিত করা হয়েছে ?' - এটা খুবই গুরুত্ত্বপূর্ণ ব্যাপার। হাতে ডিভাইস থাকলেই ছবি তুলে ছড়িয়ে দেওয়াটা যে ক্রাইম হতে পারে সেটা বোঝানো দরকার। ইনফ্যাক্ট কড়া ভাবেই বোঝানো দরকার, কারন ষোল সতেরো বছরে এরকম কিছুর পরিণাম না বোঝার কথা না।
  • Amit | unknown.*** | ২৪ জুন ২০১৯ ১২:২৩383252
  • অদ্ভুত সেক্সচুয়াল হতাশায় ভোগা লোকজন, যে বা যারা এই ভিডিও তুলেছে বা যারা শেয়ার করে বেড়াচ্ছে।
  • কল্লোল | unknown.*** | ২৪ জুন ২০১৯ ১২:৫৪383253
  • না হে। আমার সেরকম মনে হয় না। যারা তুলেছে তারাও হয়তো ওদেরই বয়েসী। নিষিদ্ধ মজা পেতেই করেছে এসব।
    ওদের খুব যত্ন করে বোঝানো উচিৎ - কেন এই ব্যক্তিগত মুহুর্তগুলো সম্মানযোগ্য। এটাই তো শেখানোর সময়।
    বরং যে ধেড়েগুলো মাস্টার বলে দাবী করে তাদেরই কড়া করে বোঝানো দরকার।
  • Ekak | unknown.*** | ২৪ জুন ২০১৯ ১৩:১১383254
  • কী করে জানা গ্যালো, যে ভিডিও তোলা ও ছরানো তে চুমুখোর দের সম্মতি নেই ?

    মরালিটি পাল্টাচ্চে, সমাজ বদলাচ্চে, আগে যা ছিলো ব্যক্তিগত আজকাল সেটাই ক্যামেরার সাম্নে করে ভিডিও ছরানোর মধ্যে আমোদ পাচ্চে নতুন প্রজন্ম।

    এই বিগ ব্রাদার আর রিআলিটি শো এ র দুনিয়াতে সেটা অস্বাভাবিক কি ?
  • r2h | unknown.*** | ২৪ জুন ২০১৯ ১৩:২২383255
  • হুম সেটা একটা বাস্তব সম্ভাবনা।

    শুধু পরিবর্তিত মরালিটিতে না, কিছু এক্জিবিশন প্রবণতাওতো থাকেই, আর ঐ বয়সে হয়তো পূর্বাপর বিবেচনা কম। তবে এখন অডিয়েন্সটা বড় হয়ে গেছে অনেক।
  • S | unknown.*** | ২৪ জুন ২০১৯ ১৩:৪৯383256
  • অনেকক্ষন ধরে লিখবো ভাবছিলাম। সোশাল নেটওয়ার্কে ভিউজ আর লাইক পাওয়ার লোভটাও খুব প্রবল। ফলে এখানে সমস্যাটি মাল্টিডাইমেনশনাল। প্রাইভেসি, অ্যাডভেন্চার, একজিবিশান, সোশাল নেটওয়ার্ক, ক্যাজুয়াল সেক্স অনেক কিছুই হতে পারে।

    আমার মনে হয় আজকালকার দিনে এসব নিয়ে এতো মাথা না ঘামিয়ে সকল স্টেকহোল্ডারদের ডেকে পাঠিয়ে এরকম হওয়ার ফলে কি কি ক্ষতি হতে পারে টাইপের একটু বক্তিতা দিলেই হয়। ইনফ্যাক্ট ক্ষতিও তেমন খুবেকটা কিছু হয়্না। আনওয়ান্টেড প্রেগন্যান্সি কি বেড়েছে আদৌ? আর ঐ একটা চুমু খাওয়ার ফলে ছেলেমেয়ের বিয়ে হবেনা সেসব দিনও আর নেই। ছেলেমেয়ে ভালো থেকেও যে কি এমন হাতিঘোড়া হয় সেও তো বুঝলাম না।
  • sm | unknown.*** | ২৪ জুন ২০১৯ ১৩:৫৪383257
  • সবচেয়ে আগে সোশ্যাল মিডিয়া কে বন্ধ করলে কাজের কাজ হয়।
    গত কয়েক বছরে কয়েক কোটি পাগল তৈরী করেছে।
  • সৈকত | unknown.*** | ২৪ জুন ২০১৯ ১৪:২৭383241
  • মানুষের মাথার পেছনে শিং গজিয়ে গেল স্মার্টফোন আর সোশাল মিডিয়া করে, আর এখনও এইসব নিয়ে মাথা খারাপ করা !! ঃ-)
  • sm | unknown.*** | ২৪ জুন ২০১৯ ১৪:৩৫383242
  • একটা টেস্ট করলে তো পারে সাত দিনের জন্য ফেবু,হোয়া, গুরু, ই মেল সব বন্ধ রাখুক।হেরোইন এর চেয়ে বেশি উইড্রোয়াল হবে,গ্রান্টি!
  • সম্ভাবনা | unknown.*** | ২৪ জুন ২০১৯ ১৫:১৬383243
  • অনেক কিছুই হতে পারে, পুরনো প্রেম পুরনো ভিডিও, না জানিয়ে তোলা, এখন ব্রেক আপ করতে চাইছে বা ডিচ করছে বা আর/পুরোটা শরীর দিতে চাইছে না বলে ফেসবুকে ছেড়ে দেওয়া। সকলেই খুুউউব ইনোসেন্ট হয় না কিন্তু।
  • Atoz | unknown.*** | ২৪ জুন ২০১৯ ২০:০৪383244
  • এই টেস্ট সত্যি করেই করা উচিত। সাতদিনের জন্য ফেবু হোয়া ইত্যাদি বন্ধ রাখার। দ্যাখা যাক কী হয় সারা দুনিয়ায়।
  • PM | unknown.*** | ২৪ জুন ২০১৯ ২৩:১৯383245
  • আমার মেয়ের স্কুলে একটা অ্যাওয়ারনেস ওয়ার্ক্শপ করেছিলো। একটি এনজিও থেকে প্রেসেন্টার এসেছিলো। তাতে ছবি, ভিডিও, কেস স্টাডি, ডেটা দিয়ে বুঝিয়েছে অ্যাবিউস, ট্র্যাফিকিঙ্গ, পর্ন সাইট, সোসাল মিডিয়া তে ডু আর ডোন্ট এইসব।

    এটা ওদের মনে মারাত্নক প্রাভাব ফেলেছে দেখলাম। পরের তিন দিন ঐ ছাড়া বারিতে কথা নেই। । মেয়েই আমাকে বোঝাচ্ছে পঃবঃ এ ট্যাফিকিং সব থেকে বেশী, কিভাবে ট্র্যাফিকিং হয় এইসব।

    বাবা মা হিসেবে আমাদের কাজ অনেক কাজ অনেক হাল্কা হয়ে গেছে। ওরা ট্রেইনার, টিচারদের কথার সাথে অনেক বেশী রিলেট করতে পেরেছে
  • দ্যুতি | unknown.*** | ০৫ জুলাই ২০১৯ ০০:৫১383246
  • মোবাইল নিয়ে যাওয়া কি করে স্কুলে চলে?
  • র২হ | unknown.*** | ০৫ জুলাই ২০১৯ ০১:০৪383247
  • আগরতলা কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে একজন ব্যাগে করে বন্দুক নিয়ে গেছিল, সেই নিয়ে কী গন্ডোগোল।

    সে পঁচিশ বছর আগের কথা। মোবাইল তো কোন ছার, পোলাপান কবে যুদ্ধজাহাজ নিয়ে স্কুলে চলে যাবে।
  • Atoz | unknown.*** | ০৫ জুলাই ২০১৯ ০১:২৯383248
  • এক বৃদ্ধ ভদ্রলোকের নাতনি কানে হেডফোন লাগিয়ে সর্বাঙ্গে তার জড়িয়ে কলেজে যাচ্ছে। সেই ঠাকুরদা দেখে হতাশায় মাথা নেড়ে বললেন, কী যে হচ্ছে দুনিয়ায়!
  • রঞ্জন | unknown.*** | ০৫ জুলাই ২০১৯ ১৫:৩৫383249
  • ১ আমার ছোটবেলায় রেল স্টেশনে একটা টি-বোর্ডের বিজ্ঞাপন দেখেছিলাম। সেই দ্বিপদীতে চুমুর সম্বন্ধেও প্রযোজ্য।
    "ইহাতে নাহিকো কোন মাদকতা দোষ,
    কিন্তু পানে করে চিত্ত পরিতোষ"।

    ২ ননী ভৌমিকের থেকে ধার নিয়েঃ
    "জেনো করা যায় সবকিছু,
    শুধু বুঝে নাও -- কোথায়, কখন, কার পিছু"।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন