এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • 4z | 184.145.34.178 | ৩১ জুলাই ২০২১ ১৯:০০734792
  • collegestreet.net ছাড়া আর কোথাও থেকে কি পাওয়া যাচ্ছে? বা ই-বুক ভার্সন? 

  • | ৩১ জুলাই ২০২১ ২০:৪৮734804
  • ইবুক ভার্সান আসবে। অপেক্ষাও। 

  • dc | 27.62.27.45 | ৩১ জুলাই ২০২১ ২১:০৩734805
  • ইবই বেরোলে চট করে কিনে নেবো। 

  • 4z | 184.145.34.178 | ৩১ জুলাই ২০২১ ২১:১৮734806
  • ইবইয়ের জন্য ইঁট পেতে রাখলাম।

  • Abhyu | 47.39.151.164 | ৩১ জুলাই ২০২১ ২১:২২734807
  • বই বেরোনোর পরে গ্রামের রিয়্যাকশন, গ্রামের কালীচরণ পুস্তকালয়ে এর বিক্রিবাটা, নিমো মাধ্যমিক বিদ্যায়তনে ক্লাস নাইনের ফার্স্ট বয়কে বইটা প্রাইজ দেওয়া, নিমো গ্রামের সেই মাসি যিনি বইয়ে জায়গা পেয়েছেন তাঁর পাঠপ্রতিক্রিয়া, প্ল্যানচেটে মাস্টারমশাইয়ের ঝাড় - এই সব কবে আসবে?

  • সুকি | 165.225.125.37 | ১০ আগস্ট ২০২১ ১০:৫৩734832
  • অবশেষে হাতে এল ছাপা বই - তাই ভাবলাম শেয়ার করি ছবি কিছু


    আমার এক বান্ধবী ০৮/০৮/২০০৮ দিনে বিয়ে করবে বলে তিনবছর অপেক্ষা করেছিল কারণ ওদের সংস্কৃতি এবং বিশ্বাসে ওই দিনটি নাকি চরম শুভ! আগষ্ট মাস ঠিক ওই ভাবে আমার কাছে ধরা না দিলেও, আমাকে আগষ্ট ছুঁয়েছে অন্যভাবে। তাই চেয়েছিলাম কাজ যখন শুরুই হয়েছিল, ‘নিমো গ্রামের গল্প’ প্রকাশ আগষ্টের প্রথম সপ্তাহেই হয়ে যাক। 


    ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনেক সময় কেবল নিয়ম মাফিক হয়, নিজেও যে তেমন কিছু করি না এমন নয়। কিন্তু এই বই প্রকাশের জন্য, ক্লিশে মনে হলেও আমাকে ধন্যবাদ দিতেই হবে গুরুচন্ডালি কর্তৃপক্ষ এবং বিশেষ করে ঈপ্সিতা-কে। নিমোর সব গল্প একজায়গায় করার আইডিয়াও প্রথমে তার মাথাতেই আসে এবং এই নিয়ে বই বের করার ইচ্ছেও।  নিজের সব কাজ (যেটা খুবই জটিল এবং স্ট্রেসফুল) সামলে এই বইয়ের সব দিক দেখা – প্রুফ, পেজ সেটিং, প্রিন্টিং ইত্যাদি নিয়ে অনেক ব্যস্ততা গেছে তার। ছাপা সংক্রান্ত নানাবিধ আবদার তার কাছেই করেছি এবং সানন্দেই সে মেনে নিয়েছে সবকিছুই।


    যাঁরা বাংলা প্রকাশনার এখনকার হালহকিকত নিয়ে তেমন খোঁজ খবর রাখেন তাঁদেরও না বুঝতে পারার কথা নয় যে বই ব্যবসার হাল খুব একটা সুবিধার নয় এই মুহুর্তে। আমার মতন ‘অনামী’ লেখকের বই প্রকাশ তাই বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যের জন্য তাঁরা নিশ্চিত করেন নি  বরং নিমো  গ্রামের গল্প ভালোবেসে, সেই গল্প আরো অনেকের কাছে পৌঁছে দিতেই এই উদ্যোগ।


    পাঠক সমাজে যদি এই বই আদৃত হয় তাহলে খুবই ভালো লাগবে – নিজের এবং প্রকাশক উভয়ের জন্যই। লেখকের তরফে প্রতিশ্রুতি – ল্যাবরেটরিতে টেষ্টিং করে যতটা গ্যারান্টিড রেজাল্ট আমি দিতে পারি, তার থেকেও বেশী জোর দিয়ে দাবী করতে পারি, নিমোর গল্প ভালো না বেসে উপায় নেই। একবার পড়তে শুরু করলেই আসক্তি এবং নেশা চড়ে যাবে তা নিশ্চিত, কেবল সেই নেশা এল এস ডি নাকি মারিজুয়ানা নাকি দেশীয় গাঁজা বা ব্ল্যাক কফি/দুধ-চা – ঠিক কার মত, সেটাই যা তর্কসাপেক্ষ।


    বইয়ের নামঃ নিমো গ্রামের গল্প


    লেখকঃ সুকান্ত ঘোষ


    প্রকাশকঃ গুরুচন্ডালি


    পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৩০০


    মুদ্রিত মূল্যঃ ৩৩০ টাকা 


    অন লাইনে বইটি অর্ডার করা যাবে এখান থেকেঃ


    https://www.collegestreet.net/Nimo_Graamer_Golpo

     
     
     
  • dc | 223.226.9.86 | ১০ আগস্ট ২০২১ ১১:৩১734833
  • সুকিবাবুকে অনেক ধন্যবাদ। একটা প্রশ্ন, এটার ই-বই কি বিক্রি করার ব্যবস্থা করবেন? কারন আমার পিডিএফ পড়তে বেশী সুবিধে হয়, ছাপা বই এর থেকে। যদি বলেন ই বুক বার করার প্ল্যান নেই তো এটাই কিনে নেবো। 

  • সুকি | 165.225.125.37 | ১০ আগস্ট ২০২১ ১২:০৯734834
  • dc, ই-বুকের প্ল্যান আছে। পাই বলছিল এবং দমু-দি হেল্প করবে বলেছে আলরেডী। টাইম লাইন ঠিক হয় নি এখনো, তবে হয়ে যাবে আচিরেই আশা করি 

  • সে | 2001:171b:c9a7:d3d1:95b2:e648:c8a2:dd3 | ১০ আগস্ট ২০২১ ১২:১১734835
  • জ্জিও সুকি! কনগ্র্যাটস।

  • বোধিসত্ত্ব দাশগুপ্ত | 14.140.229.202 | ১০ আগস্ট ২০২১ ১২:৪০734836
  • অভিনন্দন  সুকি তোমার অনেক ভালো হোক ভাই। আরো অনেক বই হোক। কবিতার বই ও যেন হয়। 

  • সুকি | 165.225.125.37 | ১০ আগস্ট ২০২১ ১৩:৪৬734837
  • সে-দি, অনেক ধন্যবাদ, নিমোর গল্পে তোমার উৎসাহ প্রথম থেকে মনে আছে, কৃতজ্ঞতা সেই জন্যও।


    বোধিদা - নিমোর গল্পে তোমারও ভালোবাসা পেয়েছি। কবিতার বই হবে হয়ত কোনদিন। দেখা যাক - আগের থেকে অনেক কম লেখা হয় কবিতা। 

  • Guruchandali | ২০ আগস্ট ২০২১ ২৩:২০734883
  • পাঠকদের অবগতির জন্যে:


    সদ্য প্রকাশিত নিমো গ্রামের গল্প বইটির বিপুল চাহিদা, কিন্তু সরবরাহ কম। গুরুচণ্ডা৯র আইএসবিএন অ্যাকাউন্টটি পণবন্দী হিসেবে অপহৃত হওয়ায় একটু অসুবিধের সৃষ্টি হয়েছে - আইএসবিএন সহ অথবা ব্যতীত কত বই ছাপা হবে, কীভাবে ডিস্ট্রিবিউশন হবে, অন্য বিক্রেতারা বইটি কীভাবে ক্যাটালগ করবেন, সেই সব নিয়ে খুব ধীরে এগোতে হচ্ছে।


    এই অসুবিধের জন্যে আমরা মার্জনাপ্রার্থী। বিকল্পের সন্ধানে কাজ অনেকদূর এগিয়েছে; আশা করি তাড়াতাড়ি সেটা স্থির করে নেওয়া যাবে।


    ধন্যবাদ!

  • aranya | 2601:84:4600:5410:5175:ba72:6f79:117a | ২০ আগস্ট ২০২১ ২৩:৩২734884
  • পণবন্দী এখনও মুক্তি পায় নি !  :-(

  • | ২০ আগস্ট ২০২১ ২৩:৫৬734885
  • এহ বক্তব্যটা কিরকম ধোঁয়াটে। পণবন্দীর তো ফেরার সম্ভাবনা ছিলও না ফেরেও নি। উটি কবরস্থ। 


    নতুন হয়েছে। তো পণবন্দীজনিত দেরীর ফলে  সম্ভবত অ্যাডিমিনিস্ট্রেটিভ ব্যপারটা কিঞ্চিৎ ঘেঁটে থাকবে। 

  • ইন্দ্রাণী | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৭:১২734936
  • ইউ টিউবে বিরহী নামে একটা ধারাবাহিক দেখছি কদিন- প্রদীপ্ত ভট্টাচার্জের পরিচালনা ( গোয়েন দা দেখে খুবই ভালো লেগেছিল)।
    বিরহী দেখতে দেখতে নিমো র কথা খুব মনে পড়ল। তাই জানায়ে গেলাম।

    সুকান্তর বইটি কিনব অবশ্যই- এইটাও বলার।
  • ইন্দ্রাণী | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৭:৪৬734937
  • সরি। প্রদীপ্ত ভট্টাচার্য।
  • r2h | 2405:201:8005:9078:cc9d:1886:2845:7c5d | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১০:১০734938
  • গোয়েন দা খুব ভালো লেগেছিল, বিরহী খুঁজবো তো!
  • সুকি | 49.207.217.189 | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৭:৪২734943
  • আচ্ছা কয়েকজনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয় নি এখন খেয়াল করলাম - দুঃখিত
     
    :|:  না, কোন গালি ছাঁটাছাঁটি করা হয় নি - তার কারণও দেখি না। এখানে যেমন লেখা আছে বই-তেও তেমনি আছে।
     
    অভ্যুদা, বই প্রকাশ নিয়ে নিমোর রিয়্যাকশন ব্যাপারটা দুর্গাপুজোয় গেলে টের পাব। নিমোতে অনেকেই আমাকে কিছুদিন আগে জিজ্ঞেস করছিল “হ্যাঁরে সুকান তুই নাকি নিমো নিয়ে বই লিখেছিস! তা কোথায় পাব সেটা?” মাঝে একদিন নিমো গিয়েছিলাম। রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলাম এক কাকিমা দাঁড় করিয়ে বলল, “সুকান্ত তুমি কি বই লিখেছো সে তো ছোট বৌমা কিনবে বলে পাগল করে দিলে। বাড়িতে অশান্তি ভালো লাগে না – তুমি কোথায় পাওয়া যাবে তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা করো”।   
  • সুকি | 49.207.217.189 | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৭:৪৪734944
  • ইন্দ্রাণীদি, অনেক ধন্যবাদ - বইয়ের দত্তক হিসাবেও দেখলাম তোমার নাম আছে - সেই জন্যও। 
     
     
  • সুকি | 49.207.217.189 | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৭:৪৭734945
  • নিমোর বই নিয়ে ব্যস্ত হয়ে গিয়ে, নিমোর গল্প অনেক দিন আপডেট করা হয় নি। কিন্তু নিমো তো আর বসে নেই! তাই ভাবলাম আজ দু-এক্টা আপডেট করা যাকঃ
     
    মামারবাড়িতে আজ গুচ্ছ বাওয়াল হয়েছে। রান্না করতে করতে দরকার পরলে ছোট মামিমা সামনের বাগানের পাতিলেবু গাছ থেকে এক পিস লেবু পেড়ে আনে। 
     
    তখন চালায় বসে খড় কাটছিল সাধন, লেবু গাছে হাত দেওয়া দেখে সে রেগে ফায়ার, মামি কে বিশাল হুঙ্কার
     
    - বৌদি, তুমি না বলে আমার গাছে হাত দিলে?
    - তোমার গাছ আবার কবে হল এটা সাধন?
    - আমার নয়? পঞ্চায়েত থেকে দেওয়া পাতিলেবু গাছটা কে এনে লাগিয়েছে?
    - কিন্তু জায়গাটা তো আমাদের নাকি
    - তোমার জায়গা? জায়গা আমার বাবার
     
    মামি তর্কে হেরে পিছপা হল। সাধনের বউ রুবি মামার বাড়িতে কাজ করে, আর সাধন সকালে বউয়ের সাথে এসে বাওয়ালি। আমার দাদুকে সে বাবা বলে ডাকত, এবং বলতে কি ভালোও বাসত
     
    আমার প্রতিও সাধনের ভালোবাসা এখনো অটুট। একদিন দুপুরে খেয়ে দেয়ে জানালার ধারে বসে হাওয়া খাচ্ছি, সাধন জানালার ধারে এসে লুঙ্গির কোঁচড়ের ভিতর থেকে এক গ্লাস ভর্তি ধেনো আমার দিকে এগিয়ে বলে,
     
    - ভাগনা, টুক করে মেরে দাও চুমুকে। চাঁদা দেখতে পেলে (চাঁদু আমার ছোটমামা) আবার বকাবকি করবে
     
    সাধনকে কেউ কোনদিন ঔষুধ খেতে দেখে নি। পঞ্চায়েতে করোনার ভ্যাকসিন নিতে গেলে তাকে নাকি বলা হয়, "সাধন, অন্যদের নিতে দে। করোনা ভাইরাসের বাপও তোর কিছু করতে পারবে না, কোথায় তোকে অ্যাটাক করবে সেই ভেবেই ঘাবড়ে যাবে"
     
    সেদিন খড় কাটতে গিয়ে হাত কেটে গেলে মামা বলে, সাধন, চল তোকে ডাক্তার দেখিয়ে আনি। 
    সাধন বলে, "চাঁদা তুই এই পাশের বোতল থেকে আমার মুখে দু ছিপি ধেনো ঢেলে দে"
     
    শুধু পাতিলেবু গাছই নয়, পঞ্চায়েত থেকে নারকেল গাছও এনে মামার বাড়ির বাগানে লাগিয়েছে। সেই গাছ থেকে নারকেল পেড়ে আজকাল ছোট মামিকে বিক্রী করছে, এবং বিক্রীলব্ধ টাকা দিয়ে দেদার ধেনো খাচ্ছে। 
     
    এখনো মামারবাড়ি গেলে কিছুক্ষণের মধ্যেই সাধনের আবিভার্ব এবং প্রশ্ন, "তাহলে বিকেলের দিকে আনবো তো ভাগনা"?
     
  • সুকি | 49.207.217.189 | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৭:৪৯734946
  • ছোটবেলায় কোন ধারণাই ছিল না যে আলাদা আলাদা সাবজেক্টের আলাদা আলাদা প্রাইভেট টিউশন শিক্ষক দরকার হয়! মানে অন্য কারো থাকলেও হয়ত থাকতে পারে - কিন্তু আমার এবং আমার বাপের একদমই ছিল না সেই বিষয়ে কোনই সংশয় নেই।  আমাদের কাছে সাবজেক্ট ছিল সাকুল্য দুটো – সায়েন্স এবং ইংরাজি।
     
    তো সেই হিসেব মত আমি সায়েন্স পড়তাম হাকিম স্যার আর ইংরাজী কেষ্ট স্যারের কাছে। অবশ্য কেষ্ট স্যার মূলত ইংরাজী পড়ালেও সাথে বাংলা এবং ইতিহাসটা ফাউ ছিল।  আমার ইংরাজীর হাল দেখে কেষ্ট স্যার মাঝে মাঝেই কনসার্ণ প্রকাশ করত – 
     
    “সুকান্ত, তুই কি করে মাধ্যমিকে ইংরাজীতে পাশ করবি রে! কৌশিক-কে দেখে শেখ একটু”।
     
    কেষ্ট স্যারের মুখের উপর কথা বলার হিম্মত ছিল না।  মনে মনে ভাবতাম – হ্যাঁ, সেটাই তো! কৌশিকের বাপ গোপাল বাঁড়ুজ্জে বুলেট চেপে কারখানায় বের হলে মেমারী স্টেশন বাজার তো ছেড়েই দিলাম, ওদের বাড়ির পাশের রসিকলাল বালিকা বিদ্যালয়ের ম্যাডাম গুলো পর্যন্ত খোঁজ রাখত আড়চোখে।  কারখানার নামই বা কি – “ওয়েষ্ট এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস”।  একবার কৌশিকের বাপ আমাদের গাড়ি চালিয়ে নিয়ে গিয়েছিল পানাগড় – কি একটা জেলাভিত্তিক পুরষ্কার নিতে। সে কি ক্যাট ব্যাপার স্যাপার।  
     
    আর ওদিকে আমার বাড়ির চোদ্দপুরুষের সাথে ইংরাজী কথাবার্তার কোনই সম্পর্ক নেই।  ছোট বেলায় ইংরাজী যা একটু শুনেছি সবই বাউরি পাড়ার সুবলদার কাছে – আমাদের মাঠে কাজ করত এবং মদ খেয়ে ঠাকুমার সাথে গল্প করতে আসত, তখনি সুবলদার মুখ দিয়ে ওই যেটুকু ইংরাজী শোনা।  তবে সেই দিয়ে কি আর মাধ্যমিক পাশ হয়! 
     
    অনুরূপ ভাবে হাকিম স্যারও দুঃখ করত, “তোর অঙ্কের ভিত তো একদম কাঁচা রে”! 
     
    হাকিম স্যার যদিও মাই ডিয়ার লোক ছিলেন, নানা বিধ জিনিস নিয়ে হাসি ঠাট্টা, তর্ক করে দিন কাটিয়েছি – কিন্তু অঙ্কের ভিত খারাপ হবার মূল কারণটা স্যারকে ঠিক বলতে পারতাম না।  ছেলেদের যে বয়সে অঙ্কের ভিত্তি স্থাপন হচ্ছে, আমাদের তখন চলছে ভিত্তি প্রতিস্থাপন! 
     
    হয়েছে কি আমি, পিন্টু এবং আরো দুএকজন ক্লাস সেভেনে অঙ্ক করতে যেতাম পাশের গ্রামের এক স্যারের কাছে।  ওই স্যারের বাড়ি যেত হত না – উনি কাঁঠালগাছি ইস্কুলে মাষ্টারি করতেন – আমরা সেই ইস্কুলের একটা ঘরে প্রাইভেট পড়তাম সকাল বেলা। স্যার আসতেন সাইকেলে চেপে।
     
    তখন স্যারের সদ্য বিয়ে হয়েছে।  একদিন পড়া চলকালীন একজন আবিষ্কার করল স্যারের গলার একপাশে লাল রঙে ভর্তি।  লাল রঙ কোথা থেকে এল? রক্ত নাকি? বলে উঠলাম, “স্যার আপনার গলায় রক্ত”।  স্যার দেখলাম ভালো করে খতিয়ে দেখলেন না রক্ত কোথা থেকে আসছে – বরং তাড়াতাড়ি ‘ও কিছু না, কিছু না’ বলে চট করে মুছে নিলেন।
     
    সেদিন প্রাইভেট পড়া শেষ হলে দুজন সিনিয়র দিল আমাদের বিশাল ঝাড়! ছাগল – ওটা রক্ত কে তোদের বলল! স্যারের নতুন বিয়ে হয়েছে – তাই গালে সিঁদুর লেগে আছে।
     
    যে টিউশনিতে অঙ্ক নিয়ে ভাবার কথা, সেই টিউশনিতে আমরা স্যারের গলায়, গালে, কানের লতিতে সিঁদুরের দাগ লেগে কেন সেই নিয়ে ভাবনা চিন্তায় ব্যস্ত ছিলাম।  
     
    এর পরে তো ব্যাপার আরো সিরিয়াস হয়ে গেল – স্যার আসার আগেই আমরা পৌঁছে যেতাম।  সিনিয়ররা চার আনা, আট-আনা বাজি ধরা শুরু করল সেদিন স্যারের গালে, গলায়, কানে কোথায় সিঁদুরের দাগ লেগে থাকবে।  ডান বা বাম সঠিক বলতে পারলে তিন ডবল রিটার্ন!
     
    ভিত্তি আমাদের সলিডই ছিল – শুধু সেটা অঙ্কে নয় এটাই যা!
  • সুকি | 49.207.217.189 | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৭:৫০734947
  • নিমোতে এক দাদার স্ট্রোক-এর মত হয়েছে - বেশ জটিল ব্যাপার। তাও স্ট্রোক হয়েছে বাথরুম গিয়ে - সেখান থেকে উদ্ধার করে আনতে হয়। 
     
    আদৌ স্ট্রোক কিনা সেই নিয়ে তদন্তে ঢুকে দেখা গেল দাদা মোট ষোল পাউচ প্যাক ধেনো কিনেছিল - খেতে খেতে কোন ফাঁকে চোদ্দটি পাউচ ফাঁক করে দিয়েছে! তাই বোঝা যাচ্ছে না ঠিক যে বাথরুমে ট্রিগার ঠিক ধেনো থেকে হয়েছিল নাকি অন্য কিছু থেকে।
     
    একটু স্টেবল হলে দাদা-কে জিজ্ঞেস করা হল, "তুমি কোন আক্কেলে চোদ্দ-টা পাউচ প্যাকের ধেনো খেয়ে নিলে! বয়স তো হচ্ছে নাকি? আগের মত ক্ষমতা আর আছে"?
     
    দাদা জানালো - "ইচ্ছে ছিল না রে এত গুলো পাউচ  প্যাক  খাবার, কিন্তু এত দুঃখ আর কোথায় রাখব!"
     
    - কিসের দুঃখ তোমার? ছেলের বিয়ে থা দিয়ে দিয়েছো, বৌমা যত্ন-আত্তি করছে।
     
    - ভাই, সেটাই তো দুঃখ রে। বিকেলে বারান্দায় বসে চা খাচ্ছি - ছেলে আর ছেলের বৌ সেজে গুজে চোখের সামনে দিয়ে মেমারী চলে গেল হাওয়া খেতে। বারান্দায় যে গুরুজন বাবা বসে আছে, একবার পারমিশন নিই বা নিদেনপক্ষে বলে বেরুই সেটুকুর প্রয়োজন বোধ করল না! এত দুঃখ হল আর  কি বলব, চোদ্দ পাউচ ধেনো খেয়েও কমল না। পুরো ষোলটা পাউচই শেষ করে দিতাম, নেহাত মাথাটা ঘুরে গেল তাই!
  • সুকি | 49.207.217.189 | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৭:৫৩734948
  • নিমো গিয়েছিলাম একদিনের জন্য মাঝে - কোভিড জনিত কারণে নানা বিধিনিষেধের মধ্যে দিয়েই বিবাহ সম্পন্ন হচ্ছে। হাজার-দেড় হাজার লোক নিমন্ত্রণ সম্ভব হচ্ছে না সেটাতে দু:খ পেলেও ভেঙে পড়ি নি যতটা অবশ হলাম এই শুনে যে বাসর রাত জাগাও নাকি এখন বন্ধ! 
     
    তো বাসর জাগাই যখন বন্ধ তখন আর কি করা! ভাতৃপ্রতিম দুই জন তাদের বন্ধুর বিয়ে দিতে নিয়ে গিয়েছিল ডানহাত হয়ে, জিজ্ঞেস করলাম 
     
    - কি করলি রে রাতে বাসর ঘরে?
     
    এক ডানহাত আবার বিবাহিত - সে কিছু বলল না, আরেকজন বলল
     
    - দাদা, বাসর জাগা হবে না শুনে খুব মুষড়ে পড়লাম। কনের বান্ধবীকে বললাম, তুমি অন্তত পাশে এসে একটু বসো, খানিক গল্প করি। 
     
    খানিক গল্প চলে, রাত হলে দুই ডান হাত বাসর ঘরের খাটে শুয়ে পড়ে আর নীচে সদ্যবিবাহিত বর বউ। 
     
    জিজ্ঞেস করলাম, "তাহলে আর কি! সারাদিন ধকলের পরে, ঘুমটা অন্তত ভালো দিতে পেরেছিস"
     
    - আর দাদা ঘুম! ঝনঝন শব্দে ঘুম ভেঙে যাচ্ছে বারবার। আমাদেরটা দেখি বলছে, "সোনা, তুমি চুড়ির শব্দ করো না অতো, খাটে বন্ধুরা ঘুমাচ্ছে"
     
    আমাদেরটা প্রবল সাফাই দিচ্ছে এখন, "বুঝলে দাদা, অতো চুড়ি পড়ার অভ্যেস নেই তো, এমনি এমনিই শব্দ হচ্ছিল"
     
    ভাবি ভার্চ্যুয়াল যুগে সবই সম্ভব - এমনি এমনি  চুড়ির ঝনঝনও!
  • π | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২১:৫৬734949
  • নিমো নিয়ে মানসী ভট্টাচার্য লিখেছেন, আমি এখন "নিমো গ্রামের গল্পে" ডুবে আছি। বলতে পারেন নিমোর নেশায় বুঁদ। সত্যি বলতে কি, আমার এতো বছরের জীবনে আপনার মতো লেখকের দেখা আগে পাওয়ার সৌভাগ্য হয়নি। ভাববেন না যেন বাড়িয়ে চাড়িয়ে বলছি। আগেও বলেছি এখন আবার বলছি, এমন কিছু শব্দ আছে যা লেখার আগে অনেক লেখকই দু'বার ভাববেন। কেননা এলিট শ্রেণীর কাছে তা ভালগারিটির প্রকাশ। অথচ কী অবলীলায় আপনি লিখে গেছেন। পড়তে পড়তে কিন্তু এতটুকুও অপ্রস্তুত হচ্ছি না। 
    সত্যি, "নিমো গ্রামের গল্প" গল্পও বটে, আত্মজীবনীও বটে।
    মনেই হচ্ছে না কোথাও এতটুকু অতিরঞ্জিত আছে। কী পরিষ্কার ঝরঝরে সাবলীল লেখা। আপনার লেখার এই বিশেষ গুণটাই আপামর পাঠককুলকে বাধ্য করেছে নিমো গ্রামকে, আপনার লেখাকে এবং আপনাকে আপন করে নিতে।
    গোগ্রাসে গিলছি না ভয়ে। শেষ হয়ে গেলে তারপর?????
    পড়তে পড়তে ভেতর থেকে দমকা হাসি রোখা দায়।
     
    সবশেষে বলি, এরপর আর কারো লেখা পড়তে ভালো লাগবে তো!!!!!
     
    অনেক ধন্যবাদ এইভাবে নিমো গ্রামকে আমাদের সামনে এনে তুলে ধরার জন্য।
  • aranya | 2601:84:4600:5410:bf:20c7:75f3:140b | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৬:৫৭734952
  • লেটেস্ট গপ্পো গুলো পড়লাম। নিমো রকস :-)
  • সুকি | 49.207.213.122 | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৯:০৫734953
  • ধন্যবাদ অরণ্যদা। 
     
    পাই বলল নিমো-র বইটির পাঠ প্রতিক্রিয়াগুলো একজায়গায় করে রাখতে।  তাই ভাবলাম এখানেই দিয়ে রাখি - সব একজায়গায় থাকবে। 
  • সুকি | 49.207.213.122 | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৯:০৬734954
  • "নিমো গ্রামের গল্প" নিয়ে সাম্য দত্ত লিখলেনঃ
     
    আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অলিন্দে ঘোরাঘুরি করলে দুই ধরনের লেখকের সঙ্গে আপনার মোলাকাত হতে বাধ্য। এক, যাঁরা আদ্যন্ত ক্যালকেশিয়ান। গল্প যে জঁরের‌ই হোক,  তার প্রেক্ষাপট শহর কলকেতা, বা বলা ভালো, দক্ষিণ কলকাতার বাইরে নড়ে না। এঁদের ধ্যানধারণায় পশ্চিমবঙ্গের প্রান্ততম বিন্দুটির নাম হাওড়া স্টেশন, সুতরাং কল্পনার মাসল বেধড়ক ফুলিয়ে যখন গ্রামবাংলার প্রেক্ষাপটে কোনও গল্পকে নিয়ে গিয়ে ফেলেন, তখন গল্পে বর্ণিত সেই গ্রামের সঙ্গে মঙ্গলগ্রহের বিশেষ ফারাক থাকে না। অবশ্য দ্বিতীয় একটি শ্রেণীও আছেন, যাঁরা বেশক গ্রামবাংলার হার্ড রিয়ালিটির সঙ্গে পরিচিত, কিন্তু কলকাত্তাই সাহিত্যসমাজে গ্রহণযোগ্যতা লাভের মরিয়া প্রয়াসে তাঁরা তাঁদের লেখায় অ্যায়সা ফিল্টার লাগান যে, পাঠকের চোখে গ্রামবাংলার যে রূপটা ধরা পড়ে, সেটা সতত‌ই সেই 'সুজলা সুফলা' আর 'রাঙামাটির পথ'-এর গাঁজাখুরি কম্বিনেশন। 
     
    লেখক সুকান্ত ঘোষের কৃতিত্ব এখানেই যে, তিনি সযত্নে এই থোড়-বড়ি-খাড়ার গাড্ডা এড়িয়ে এক স্বতন্ত্র রাস্তার সন্ধান করেছেন। 'নিমো গ্রামের গল্প' তাই দিনের শেষে কোনও জাদু আয়না হয়ে ওঠেনি, যে আয়না মুখের সামনে ধরলে পচাকে মার্লন ব্র্যান্ডো মনে হবে। এই আয়না নির্ভেজাল আপনার শ্রীমুখখানিই দেখাবে- যে মুখে তিনদিনের না-কামানো দাড়ি, মেচেতার দাগ, অথচ প্রাণখোলা হাসলে দিব্যি ধরা পড়ে আপনার ভিতরের অমলিন চিরশিশুটির অস্তিত্ব। 
     
    পরিশেষে বলি, 'নিমো গ্রামের গল্প' গল্প‌ও বটে, আত্মজীবনী‌ও বটে। পেশাগত কারণে নিমোবাসী এবং তাঁদের জীবনযাত্রার সঙ্গে যৎকিঞ্চিৎ পরিচয় থাকায় বেশ কিছু চরিত্রের বাস্তবতা সম্পর্কে আমার মনে প্রশ্ন উঠি-উঠি করেও মিলিয়ে গেছে। তবে অনভিজ্ঞ পাঠক ক্যালকেশীয় গ্রামদর্শনের সম্পূর্ণ উল্টোবাগের এই পথচলায় বিস্তর হোঁচট খেতে পারেন। অবিশ্যি তা'তে গল্পের রসগ্রহণে তারতম্য হ‌বার কথা নয়!
     
  • সুকি | 49.207.213.122 | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৯:০৭734955
  • "নিমো গ্রামের গল্প" নিয়ে বিশ্বজিত ঠাকুর লিখলেনঃ
     
    'বহুবিশ্ব' বা 'মাল্টিভার্সে'র ধারণার রমরমা এখন সাহিত্যে বা অন্য দৃশ্য-শ্রাব্য মাধ্যমে। তাত্ত্বিক বা ফলিত বিজ্ঞানে এই ধারণা ঠিক কতটা সমর্থিত বা পরিত্যক্ত তা বোঝার মত পড়াশোনা নেই এই অধমের। কিন্তু দুচোখ মেলে এই দীনদুনিয়ার দিকে তাকালে মনে হয় প্রতিটি চেতনা তার নিজস্ব অভিজ্ঞতার বিশ্ব বুনে চলেছে নিরন্তর - যারা কিছুটা এক, আবার একে অন্যের থেকে অনেকটাই স্বতন্ত্র। এই আধবুড়ো বয়সে শিল্প-উপভোগের যে সংজ্ঞা আমার কাছে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠছে, তা হলো - নিজের অভিজ্ঞতার সম্ভাব্য বিশ্বটির সীমানা পের হয়ে অন্য কারো অভিজ্ঞতার অনন্য বিশ্বটিতে উঁকিঝুঁকি দেওয়া। কিশোর কুমার বহুদিন আগে সহজ করে গেয়ে গিয়েছিলেন: "শীতল শীতল পরের কথা আসুক বন্ধু কানে / মন জানলা খুলে দে না - বাতাস লাগুক প্রাণে"। 
     
    সুকান্ত ঘোষ এই বইয়ে এরকমই অনেকগুলো জানলা খুলে দিয়েছেন জোড়ালো কলমের অনায়াস খোঁচায় - আর সেই বাতাসের কী স্বাদ!!! আহা!!!
     
    বই: নিমো গ্রামের গল্প
    প্রকাশক :  গুরুচণ্ডা৯
    বিনিময়মূল্য: ৩৩০ টাকা
     
  • সুকি | 49.207.213.122 | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৯:০৮734956
  • "নিমো গ্রামের গল্প" নিয়ে শান্তনু দে লিখলেনঃ
     
    অবশেষে ভাইজ্যাগে পৌঁছলাম। গাড়ি চাপাও পড়িনি বা একুশ তলা ,আঠাশ তলা বাড়িও মাথায় ভেঙ্গে পড়েনি।ইলিশ-পাবদা-কচি পাঁঠা-ফিশ ফ্রাই -রসগোল্লা-জলভরাও পেটে ঢুকেছে বিস্তর ,কোন রকম দুর্ঘটনা ছাড়াই। তাও ফেরার সময় মনে হচ্ছিল, কি একটা মিস হয়ে গেল। বাড়ি ফিরে এই বই দুটো দেখে মনে পড়লো। এবার কলেজ স্ট্রিট চত্ত্বরে যাই নি ,এক দিন ও। ভাই Malay Kundu র দুয়ারে বই প্রকল্পের আমি ভাগ্যবান সদস্য।তাই এই ভুলে যাওয়াটা স্বাভাবিক।মণীন্দ্র গুপ্তের অক্ষয় মালবেরি তো কাল্ট স্ট্যাটাস পেয়ে গেছে, আমার মতো অভাগা ছাড়া সবাই পড়েছে এ বই। সাথে আছে আর এক কলেজের ভাই সুকান্ত ঘোষের বাজারে হই চই ফেলে দেওয়া নিমো গ্রামের গল্প। শুধু লেখাই নয়, প্রচ্ছদ,মুদ্রণ সব কিছুই ব্যাপক টাইপের ভালো।
  • সুকি | 49.207.213.122 | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৯:১০734957
  • "নিমো গ্রামের গল্প" নিয়ে শুভশ্রী লিখলেনঃ
     
    যা কথা তাই কাজ করে ফেলেছি, যদিও এই কাজ সম্পূর্ণ ব্যক্তিস্বাধীনতা থেকে নেওয়া আনন্দের কাজ সারা।  লেখকের বিভিন্ন ভ্রমণমূলক লেখা পড়া দিয়ে সূত্রপাত, ক্রমে সেই লেখাগুলো পড়া অভ্যাসে দাঁড়িয়ে যায়। সেই হারানো স্বাদ ফিরে পাই সুকান্তদা (আমাদের এখানে স্যার এর বদলে দাদা বলে সম্বোধন এর চল তাই আর কি) এর লেখায়।  বিভিন্ন লেখার মধ্যে উল্লখযোগ্য ভাবে নিমো এর গল্প বা প্রসঙ্গ পড়ে খুব আনন্দ পেতাম, মজার লাগত – সেখান থেকে সুকান্ত ঘোষ-দাকে বেশ কিছু বার আবদার করেছি বই হিসাবে প্রকাশ করতে, বই পড়ার মজাই আলাদা। নিমো গ্রামের গল্প ছাড়াও আরো অন্য যে বিষয়গুলির লেখা পড়ে আনন্দ পাই তার মধ্যে অন্যতম হল গ্রেস-হাউস।  বর্তমান এবং আগামী দিন এর সকল বই এর জন্য শুভেচ্ছা এবং অভিনন্দন জানাই।   
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন