এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • আকুতি

    Rashmita Das লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ১১৮ বার পঠিত
  • ১৯.১১.২০২৩

    রাত ঘনিয়ে এসেছে।আমি জানি কালকের মতো তুমি স্বপ্নে দেখা দিয়েই আমায় ফেলে আর কোনো অজানার দুনিয়ায় উধাও হয়ে যাবে না।কথা তুমি রাখবে।আমি জানি আমার আশেপাশেই আছ তুমি।আমার পার্থিব অনুভবের বাইরে তোমার বিচরণ।তোমার সাথে আমি চাইলেও আমার হৃদয়ে পঞ্চাশটি বছর ধরে জমে থাকা হাজারো শব্দ কথা সুর কান্নাগুলো তোমার সামনে এনে ফেলে ক্ষমাভিক্ষার ঝুলিখানি মেলে ধরে তোমার সামনে হাঁটু গেড়ে বসতে পারব না।তাই আজ থেকে এই ডায়েরীর প্রতিটি পাতায় আমি তোমায় ডাকব।কাঁদব আর দীর্ঘ বছর ধরে জমে থাকা সমস্ত কথা অনুভূতির ধূলো ঝেড়ে তুলে ধরব তোমার সামনে।আমি জানি তুমি আমার এই ডাক শুনবে।ঠিক শুনবে...

    ২২.১২.২০২৩

    আজ সকাল থেকে আবার আমার হাঁটুর ব্যাথাটা ভীষণভাবে চাগাড় দিয়ে উঠেছে। সারা শরীর বার্ধক্যের ভারে বোঝা হয়ে উঠেছে। আর পরিবারের সকলের ক্ষমাঘেন্না কুড়িয়ে এই ঘৃণ্য জীবন টানতে ইচ্ছা হয় না।তবু জীবনের অমোঘ প্রাপ্তির বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাসের বাঁধনহীন ঝড়ে আমার হৃদয় হয়ে উঠেছে দামাল যুবা।যে ঝড় পঞ্চাশ বছর আগে পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ের কোলে এক গহিন জঙ্গলের শত গাছগাছালির আড়ালে কৃষ্ণকলির মতো তামা পোড়ানো সর্বাঙ্গে, শিশিরবিন্দুর মতো ফোঁটা ফোঁটা ঘামে সিক্ত তোমার শরীরে চাগিয়ে উঠেছিল কাঠ কাটার ক্লান্তি,সেই পাগল করা তুফান আজও যেন আমার প্রতিটি রোমকূপে জাগিয়ে তুলছে এক অলীক সুরের মূর্ছনা।পরীক্ষা শেষে কলেজের বন্ধুদের সাথে হৈ হৈ করে পুরুলিয়া ঘুরতে আসা একটা সাদামাটা ছেলের জীবন এভাবে এক অপ্রত্যাশিত দামাল ঝড়ের দাপটে দিশাহীন হয়ে যাবে সে কি আমি স্বপ্নেও ভেবেছিলুম!বারো ভাইবোন,বাপ মা আর বৃদ্ধ দাদু দিদিমাকে নিয়ে গড়ে ওঠা সুবিশাল সংসারের মুখ্য কান্ডারীর গুরুদায়িত্ব যখন তোমার কাঁধে,তখন সারাদিনের হাড়ভাঙা পরিশ্রমের পরেও আমার জন্য তোমাদের পরবের পিঠেটা,আমার পছন্দের টুকিটাকি খাবার নিজে
    হাতে রেঁধে যখন নির্জন জঙ্গলের পথ ধরে লুকিয়ে এসে আমার হাতে দিয়েই উধাও হয়ে যেতে...চাঁদের ক্ষীণ জ্যোৎস্নায় স্নাত তোমার ওই প্রশান্ত গভীর নিটোল চোখদুটির মূক তুফানে ক্ষণিকের ওই মূহুর্তটুকুই আমার অন্তরাত্মা উথালপাথাল করে যে কি অবর্ণনীয় আলোড়ন তুলে দিয়ে যেত তা কোনোদিন সেভাবে বলা হয়ে ওঠেনি তোমায়।আজ এতদিন বাদে এই ভগ্ন শরীরের ভিতরে যে আহত ক্ষতবিক্ষত হৃদয়খানি শুধুমাত্র ডানা ঝাপটে মরেছে এতদিন,আজ যেন পঞ্চাশ বছর আগের সেইদিনের আলোড়ন আবার নতুন করে অনুভব করতে পারছে।সেইদিন তোমার দুচোখ আশ্বাস ছিল...তুমি যেন দুচোখে উদ্বেলিত প্রেমের ঢেউএ পৃথিবী কাঁপিয়ে আমায় আশ্বাস দিয়ে যেতে..."আমি আছি...আমি থাকব"...
    আজ দীর্ঘযুগ পেরিয়ে যাওয়ার পরে স্বপ্নে যখন তুমি দেখা দিলে,তখন সেই আশ্বাস আবার যেন নতুন করে ফিরে পেলাম।আমি জানি তুমি আজও কথার খেলাপ করবে না।তাই তো তোমার কথামতো আমি রংতুলি ক্যানভাস সব আনিয়ে রেখেছি।আমার মুক্তির দিন যে ঘনিয়ে এসেছে...

    ২৪.১২.২০২৩

    বড় ঠান্ডা পড়েছে শরীরটাকে আর যেন বইতে পারছি না।তার মধ্যেই যখনই প্যালেটে রং আর তুলি নিয়ে আসি ক্যানভাসের সামনে তখনই যেন অনুভব করি আমার বয়স দ্রুতগতিতে যেন কমতে শুরু করেছে।রং তুলি হাতে নেওয়ার সাথে সাথে প্রতিবার এ কোন তড়িৎকম্পন যে আমার সারা শরীর তীব্রভাবে আন্দোলিত করে যায় এখন তা আমি বুঝতে পারি।আমি জানি আমার হাতের প্রতিটি অঙ্গুলীসঞ্চালনের কম্পনের সাথে সাথে আবির্ভূত হচ্ছ তুমি।কথার খেলাপ করার মানুষ তো তুমি নও।যে মানুষ কথা রাখবার জন্য নিজেকে জীবন্ত লেলিহান অগ্নিশিখায় অবলীলায় ছুঁড়ে দিতে পারে...আমি জানি...কথা রাখতে সে মৃত্যুর ওপার হতে ফিরেও আসতে পারে।ক্যানভাসে প্রস্ফুটিত অগ্নিকুন্ডের ছায়া প্রতিকৃতির মধ্যে দিয়েও কি অবর্ণনীয় সুন্দরভাবে জীবন্ত তুমি।আমার হাতকে তোমার নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আমার জীবনে পুনরায় এভাবে আবির্ভূত হয়ে দীর্ঘবছর আগে দেওয়া কথা যে তুমি অবশেষে রাখবে আমি সত্যিই ভাবতে পারিনি।পঞ্চাশ বছর আগে সেই দুর্যোগের রাতটার কথা আমার আজও মনে পড়ে।যেই মায়াবী পূর্ণিমার  জ্যোৎস্না সিক্ত অভিলাষের লাস্যময়ী সমুদ্রে দুজনে নোঙর ফেলেছিলাম একান্ত নির্জনে...দুজনের অতল পিয়াসী অধরের এক পৃথিবী তৃষ্ণার বুকে হঠাৎ ভয়াল বাজ হেনে আামাদের দুজনকে ঘিরে ধরে গ্রামবাসীরা।আমরা তখন আর প্রেম-বাগানের অমৃতফল খুঁজতে থাকা চাতক রইলাম না।গ্রাম্য সমাজের নিয়মের বুকে ছুরি বসানোর অপরাধে আমার মৃত্যুদন্ড ঘোষণা হয়ে গেল নিমেষের মধ্যে।হঠাৎই তুমি সমস্ত গ্রামবাসীর সামনে সমস্ত দায় নিয়ে নিলে নিজের ওপর।নিজের মুখে চিৎকার করে বললে,এতবড় পরিবারের দায়ভার সামলাতে সামলাতে পরিশ্রান্ত তুমি হাতে কিছু টাকাপয়সা পাওয়ার জন্য আমার সাথে এই নাটকটা করেছ।আমি শুধু তোমার ফাঁদে পড়া শিকার বই আর কিছুই না।কিন্তু তাও গ্রামবাসীরা আমাকে মৃত্যুদন্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে  একচুলও নড়ল না।আমাকে জীবন্ত জ্বালিয়ে দেবার ব্যবস্হা আরম্ভ হয়ে গেল চারদিকে আর বলির পাঁঠার মতো হাত পা বাঁধা আমি কাঁপছি থরথর করে।হঠাৎ আমার নিধনযজ্ঞের উদ্দেশ্যে জ্বালানো আগুনে উন্মাদিনীর মতো ছুটে এসে যখন ঝাঁপিয়ে পড়লে তুমি আমার তখন ভয়ে আতঙ্কে চেতনা লোপ পাবার উপক্রম।কিন্তু তাও জ্বলন্ত অগ্নিকুন্ডে দগ্ধ হতে হতে ধরিত্রী কাঁপিয়ে আশ্বাস দিয়েছিলেন আমায়।"আমি আবার আসব...তোমার হাত ধরব যখন তুমি এভাবেই ডাকবে আমায়..."
    আজ বুঝি...জগৎ সংসারের স্বার্থপরতা,নিষ্ঠুরতার মধ্যে দগ্ধে দগ্ধে তোমার মতই জ্বলেপুড়ে খাক হয়ে অর্ধভস্মে পরিণত হয়ে যখন তীব্র আকুতিতে তোমায় ডাকব...তুমি এইভাবে  আবির্ভূত হবে আমায় মুক্তি দিতে...
    আমার তুলির প্রতিটি আঁচড়ে আজ যেন তোমার জীবনের সেই অন্তিম প্রতিধ্বনি যেন জীবন্ত হয়ে ফুটে উঠছে।আমি বুঝতে পারছি আমার মুক্তির আর বেশি দেরি নেই।রাত অনেক হল...এখন শরীরের বিশ্রাম প্রয়োজন।কাল থেকে তোমায় জাগিয়ে তুলে প্রাণসঞ্চার করার কাজে নতুন উদ্যম নিয়ে মনোনিবেশ করব।

    ২৯.১২.২০২৩

    ক্যানভাস জুড়ে তুমি বড় জ্বালাময়ী রূপ নিয়ে জেগে উঠেছ।দাবানল ছড়িয়ে দিয়েছ আমার প্রতিটি রোমকূপে।আমার সারা শরীর জুড়ে রক্তের প্রতিটি কণা যেন বিশ বছরের যুবকের ন্যায়ে শিরা উপশিরা তোলপাড় করে ভীষণ এক তেজোদৃপ্ততার প্রবল আস্ফালনে গর্জে উঠছে।আয়নার সামনে যখন দাঁড়াই আমি নিজেকে নিজে চিনতে পারি না।আমি নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারি না।আমি যেন ফিরে গেছি সেই দিনটিতে,যেদিন তোমায় জীবন্ত দগ্ধ হতে দেখে আমি ভয়ানক শক পেয়ে দীর্ঘদিনব্যাপী কোমায় চলে গিয়েছিলাম।দশটি বছর পার করার পর যখন আমি অতীতের স্মৃতি ফিরে পেলাম ততদিনে আমার বাবার পছন্দ করে রাখা মেয়ের সাথে আমার বিবাহ সম্পন্ন হয়ে সন্তানাদি হয়ে গিয়েছে।টাকা আর সম্পত্তির প্রাচুর্য দেখে এক স্মৃতিভ্রংশ মানুষ কে খুশিমনে বিবাহ করে নিলেও আমার স্ত্রীর অন্তরে আমি মনুষ্যেতর ব্যবহার ভিন্ন আর কিছুই পাইনি।এরপর দীর্ঘ এতগুলি বছর কেটে গেল স্রোতের মতই...কোনোদিন আমার সর্বশরীর মন জুড়ে জীবন এইভাবে জীবন্ত স্ফুলিঙ্গ হয়ে ওঠেনি।আমার প্রতিটি রক্তসঞ্চালন এই আকুতিই শুধু উথালপাথাল করে প্রতিধ্বনিত করছে একটিই আকুতি।তুমি যে দুনিয়ায় থাকো আমায় সেখানে পৌছাতে হবে।আমার মুক্তি যে সেখানেই...
    তাতান অবাক বিস্ময়ে নিজের ডায়েরীর পরের পাতাখানি উল্টালো।পাতা খালি।ডিসেম্বর মাসের ২৬ তারিখ আজ।আজ সকালে দাদু ইহলোকের মায়া ত্যাগ করেছেন। সমস্ত ব্যাপারটা জলের মতো পরিষ্কার হয়ে গেল তাতানের কাছে।হঠাৎ তাতান ক্যানভাসের দিকে তাকিয়ে দেখল।একটা জিনিস বোধগম্য হতেই তার সর্বাঙ্গ শিউরে উঠল।সে ক্যানভাসের দিকে আরো ভালো করে নিরীক্ষণ করতেই সে এই ব্যাপারে নিশ্চিত হল,ক্যানভাসের যে অংশ জুড়ে এক কৃষ্ণবর্ণা অপরূপ সৌন্দর্যস্নাত কুহকিনীর অবয়ব দেখতে পেয়েছিল লুকিয়েচুরিয়ে...ক্যানভাসের সেই অংশ এমনভাবে সাদা হয়ে রয়েছে যে সেই অংশটি ভালোভাবে দেখলে কোনো মানুষ বুঝতে পারবে ক্যানভাসের ওই অংশটিতে রংএর কোনো আঁচড়ও ফেলা হয়নি।হঠাৎ তাতানের চোখের সামনে এমন এক অপার্থিব ঘটনা ঘটতে থাকল যে অবাক বিস্ময়ে তাতানের পায়ের তলার মাটি কেঁপে উঠল।নিজের চোখকে তার বিশ্বাস করা সম্ভব হচ্ছিল না।ক্যানভাসে ওই নারী অবয়ব তাতানের চোখের সামনে প্রস্ফুটিত হচ্ছে ধীরে ধীরে।আর সেই অবয়বকে আলিঙ্গনরত অবস্হায় জীবন্ত হচ্ছে আরেকটি যুবার অবয়ব।সেই যুবা আর কেউ নন...দাদু।তাতানের ভয়ে বিস্ময়ে মাথা থেকে পা পর্যন্ত টলমল করে উঠল।এরপর সে ক্রমশ চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছিল পুরো ক্যানভাসটি কিভাবে আস্তে আস্তে সমস্ত রং আর অবয়বের সব চিহ্ন মুছে যাচ্ছে ধীরে ধীরে।মিনিট দশেক বাদে ক্যানভাসটি পুরো সাদা আর নতুন হয়ে গেল যেন সেখানে কোনোদিন রঙের কোনো আঁচড়ই পড়েনি।তাতান আর সহ্য করতে পারল না।সে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে গেল মাটিতে।
    পরদিন তাতানের ভীষণ জ্বর এল।সেই ধূমজ্বরের মধ্যেই তাতান জানল,দাদু তার সম্পত্তি সকলের মধ্যে সমান ভাগে ভাগ করে দিয়ে গেছেন এবং দাদুর উইল অনুযায়ী দাদুর ব্যবহৃত ঘরখানি তাতানের ভাগেই পড়ছে।নিজস্ব কিছু জমি ও সম্পত্তির মালিকানা পেয়ে তাতান এটা বুঝল,বাড়ির সকলের সাথে তার মতের বনিবনা না হলেও আর মেসবাড়িতে গিয়ে তার থাকবার প্রয়োজন পড়বে না।শরীর সুস্থ হওয়ার পর সে মেসবাড়ি থেকে তার যাবতীয় জিনিসপত্র গুটিয়ে এনে দাদুর ঘরখানিতে তার নিজস্ব থাকবার বন্দোবস্ত করে নিল এবং এরপর আর দেরী না করে সে তার দশটি উপন্যাসের সংকলনের জন্য শেষ উপন্যাসটি লেখার কাজে মনোনিবেশ করল।এবার আর ছেঁড়া ছেঁড়া চিন্তাভাবনার জাল জুড়ে প্লট তৈরি করার প্রয়োজন নেই।বিষয়বস্তু সে পেয়ে গেছে।একটি শহুরে যুবা এবং একটি আদিবাসী গ্রাম্য মেয়ের, সমাজ পৃথিবী সমস্তকিছুর উর্দ্ধে উঠে যে নিঃস্বার্থ নিখাদ প্রেমের হৃদয়স্পর্শী কাহিনী সকলের অগোচরে ছিল আজ তা মানুষের সামনে আনবার জন্য হাতে কলম তুলে নিল।কলম হাতে মনে মনে সে বলল,দাদু... তুমি ভালো থেকো...শান্তিতে থেকো...
    রশ্মিতা দাস

    --------------------------সমাপ্ত----------------------


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন