এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • ক্রিকেট বিশ্বকাপ এ ভারতের পরাজয় 

    PIJUS SARKAR লেখকের গ্রাহক হোন
    ৩০ নভেম্বর ২০২৩ | ৪১০ বার পঠিত
  • ক্রিকেট বিশ্বকাপ এ ভারতের পরাজয়ের পর একদল খুব নাচানাচি করছে অথচ মজার ব্যাপার হলো অসুখ-বিসুখে ভারতে আসার ভিসা পাওয়ার জন্য ছটফট করে। কথাটা কেউ বলতেই উত্তর আসছে ভারতে কি বিনা পয়সায় চিকিৎসা করে? 
    আরে ভাই টাকা খরচ যদি করবেই তো পাকিস্তানে কিংবা সৌদি আরবে চলে যাও। ভারতে আসার দরকার নেই। ভারতের চিকিৎসা নেবে পিঁয়াজ-আলু-রসুন তিস্তার জল সব নেবে আর ভারতের পরাজয়ের পর আনন্দে আত্মহারা হয়ে নৃত্য করবে? যতসব মাথামোটা মর্কটের দল! 
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ফরিদা | ৩০ নভেম্বর ২০২৩ ১৬:১১526613
  • বেশ করবে ভারতের পরাজয়ে নাচবে। যার যাকে খুশি সমর্থন করবে, যাকে খুশি অপছন্দ করবে, যেখানে সুবিধা পবে সেখান থেকে চিকিত্সা করাবে, আলু পিঁয়াজ রসুন কিনবে। তিস্তার জলে চাষবাস করবে ইচ্ছে হ'লেই। 
     
    কাউকে পাত্তা দেওয়ার দরকার নেই। 
  • | ৩০ নভেম্বর ২০২৩ ১৬:২০526614
  • হ্যাঁ করবে তো।ভারত যেমন চীন থেকে কম্পিউটারের মাদারবোর্ড, প্রচুর জীবনাদায়ী ওষুধের কাঁচামালইত্যাদি কেনে, তারপরেও দুদিন বাদে বাদে চীনকে  গালি দিয়ে ধুয়ে দেয় সেরকমই একই ব্যপার।   ভারত এতকিছু কেনে বলে কি আপনি অলিমপিকেচীনকে সমর্থন করেছিলেন?  
     
    যত্তসব আজগুবি যুক্তি! 
  • ল্যাঞ্জা মাস্ট বি ফ্লন্টেড | 2405:8100:8000:5ca1::15c:adb1 | ৩০ নভেম্বর ২০২৩ ১৭:১৮526615
  • এই কথাগুলো সবাইকে পড়তে বলি। পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের জন্ম, ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড এগুলো ঘটেছিলো কেন, কি কারণে, ভারত কেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটা ফ্যাক্ট, ভারত বিদ্বেষ কেন বাংলাদেশের জাতীয় ইস্যু তা কিছুটা হলেও পরিষ্কার হবে।
    এ কথা এখন কেউ বলে না ১৯৭৫ সালে খন্দকার মোশতাক ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব বাংলাদেশের’ ঘোষণা দেয়নি ভারতের ভয়ে!
    ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর মেজর ডালিম রেডিওতে ঘোষণা করেছিলেন, ‘দেশে সামরিক শাসন জারি করা হয়েছে এবং এখন থেকে বাংলাদেশ ইসলামি প্রজাতন্ত্র হিসেবে পরিগণিত হবে’।
    এই ঘোষণায় পাকিস্তান উল্লাসে ফেটে পড়ে। পাকিস্তানে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত হেনরি বাইরোড নিজ দেশকে এক বার্তায় জানান, পাকিস্তানের সরকার, গণমাধ্যমসহ সাধারণ মানুষ মেজর ডালিমের এই ঘোষণায় বাংলাদেশের সঙ্গে কনফেডারেশ করা যায় কিনা সে বিষয়ে আশান্বিত হয়ে উঠেছে।
    ওদিকে সৌদি আরবসহ মধ্যপাচ্যের মুসলিম দেশগুলো বাংলাদেশ ইসলামি প্রজাতন্ত্র হতে যাচ্ছে জেনে এক এক করে স্বীকৃতি দিতে শুরু করে যা বঙ্গবন্ধু জীবিত থাকাকালীন কেউ স্বীকৃতি দেয়নি। ডালিমের ঘোষণার পর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেসিডেন্ট মোশতাক কি বলেন সেটা জানার আগ্রহ ছিলো সকলের। প্রেসিডেন্ট জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে বাংলাদেশের অবস্থান পরিস্কার না করে বরং ঘোলাটে করে রাখলেন। তিনি বললেন না বাংলাদেশ এখন থেকে "ইসলামিক প্রজাতন্ত্র"। তিনি আসলে ডালিমের ঘোষণার পর চারদিকে ছড়িয়ে পড়া ‘বাংলাদেশ ইসলামী প্রজাতন্ত্র’ এর প্রতিক্রিয়ায় ভারত কি বলে সেটার জন্য অপেক্ষা করছিলেন।
    ভারতের তখনকার রাষ্ট্রদুত সমর সেন খন্দকার মোশতাকের সঙ্গে দেখা করে ভারতের অবস্থান জানানো একটি চিঠি হস্তান্তর করেন। এ বিষয়ে সমর সেন ভারতের ফ্রন্টলাইন পত্রিকার সঙ্গে ১৯৯৮ সালে ২১ নভেম্বর কথা বলেছিলেন এবং কোলকাতার স্টেটসম্যান পত্রিকার সম্পাদক মানস ঘোষ এক কলামে একই রকম বিবরণ দিয়েছেন যা সমর সেন ফ্রন্টলাইনে দিয়েছিলেন। সমর সেন জানান, কটুনৈতিক নোটে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে লেখা ছিলো, ‘যদি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের নাম পরিবর্তন করা হয় এবং কোনো দেশের সঙ্গে কনফেডারেশন করা হয়, তাহলে ভারতের কাছে থাকা বৈধ চুক্তির আওতায় ভারতের সেনাবাহিনী যথাযথ পদক্ষেপ নেবে।’
    এরপরই ইন্দিরা গান্ধী বাংলাদেশ সম্পর্কে তার দেশের অবস্থান স্পষ্ট করেন মিশরের দৈনিক আল আহরাম পত্রিকায় একটি সাক্ষাৎকারে। সেখানে তিনি বলেন, ‘ভারত বাংলাদেশ ও অন্যান্য প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ও সহযোগিতা বৃদ্ধির ব্যাপারে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে সকল আদর্শের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, সে সকল আদর্শ রাষ্ট্র ও সমাজের সকল স্তরে প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দকে কাজ করতে হবে।’
    বাংলাদেশ কাগজে কলমে ইসলামিক শাসনে চলে যেতে পারেনি ভারতের এই হুমকির পরই। বাংলাদেশ ভৌগলিক দিক দিয়ে ভারতের কাছে নানাভাবে টিকে থাকার জন্য নির্ভর। তাই ভৌগলিক রাজনীতি, অথনৈতিক রাজনীতিসহ আন্তর্জাতিক রাজনীতির নানা হিসেব কষে ভারতকে ক্ষ্যাপিয়ে আনুষ্ঠানিক ইসলামী শাসনতন্ত্রে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে সংবিধান থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ দিয়ে বিসমিল্লাহ বসানোসহ অন্যান্য ইসলামিকরণ শুরু করে মোশতাক থেকে জিয়াউর রহমান পর্যন্ত। কিন্তু বাংলাদেশের নাম পরিবর্তন ও পাকিস্তানের সঙ্গে কনফেরারেশন করা সম্ভব হয়নি ভারতের থ্রেটের কারণে এ কথা তখনকার মার্কিন রাষ্ট্রদুতও তার নোটে উল্লেখ করেছেন। ভারতের এই "দাদাগিরি" কখনোই বাংলাদেশের মানুষ মেনে নিতে পারেনি।
    ১৯৬৫ সালে পুরো পূর্ব পাকিস্তান জুড়ে গুজবে ছেয়ে যায় যে পূর্ব পাকিস্তানে ইন্ডিয়ার স্পাইয়ে ভরে গেছে। এরা দেশের তথ্য ভারতের পাচারের জন্য দেয়ালে কান পেতে আছে। এই দালালরা হচ্ছে দেশের মধ্যে থাকা হিন্দুরা। ৬৪-৬৫ সালে বড় রকমের হিন্দু খেদানো হলো পূর্ব পাকিস্তান থেকে। পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের ভারত বিরোধীতা ছিলো বলেই পশ্চিম পাকিস্তানের পক্ষে এখানে খাকা হিন্দুদের খেদানো এবং বাঙালী মুসলমানকে হিন্দু বাঙালী থেকে পৃথক এক জাতিসত্ত্বা করে গড়ে তুলতে নানা রকম প্রজেক্ট গ্রহণ করা সহজ ছিলো। যেমন বাংলা ক্যালেন্ডার সংশোধন, সিলেবাস থেকে বাংলা সাহিত্যের হিন্দু লেখকদের অপসারণ ইত্যাদি।
    এর মাত্র কয়েক বছর পরই মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে এই ভারত বিরোধী জনতাই ভারতের সেল্টার নিয়ে ভারতের মাটিতে ট্রেনিং নিয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। মেজর জলিলের ‘সম্মুখ সমরে’ বইতে এই অবস্থানটি তুলে ধরা হয়। তিনি লিখেন, ৬৫ সালে তিনি যাদের মারতে গুলি চালিয়ে ছিলেন তাদের সঙ্গেই আজ প্লাণ করছেন ওপারে গ্রামগুলো যারা জ্বালিয়ে দিচ্ছে যাদের সঙ্গে কাধে কাধ রেখে ৬৫ সালে যুদ্ধ করেছিলাম। মেজর জলিলের দেশ স্বাধীনের পর তার ভারত বিরোধীতা ছিলো চরমে। ভারত বাংলাদেশ থেকে সব লুট করে নিয়ে যাচ্ছে এটা দিয়েই তিনি শোরগোল শুরু করেন এবং পরবর্তীতে রাজাকার হাফেজ্জি হুজুরের শিষ্যত্ব নিয়ে ইসলামিক রাজনীতি শুরু করেন।
    একথা অস্বীকার করা যাবে না ১৫ আগস্টের খুনিরা মুক্তিযোদ্ধাই ছিলো। কিন্তু তারা ভারতের সাহায্যে সেক্যুলার বাংলাদেশের জন্ম মেনে নিতে পারেননি। বাংলাদেশের সিংহভাগ মানুষও তাই। আজকাল যখন ভারত বিদ্বেষের কথা উঠে তখন কেউ কেউ সাম্প্রতিককালের সীমান্ত হত্যা, বাণিজ্য ঘাটতির কথা বলে তারা দাবী করেন ভারতের এইসব কাজ কারবার বাংলাদেশের মানুষকে ভারত বিরোধী করে তুলেছে। এটা বলে তারা বাংলাদেশের মানুষের ঐতিহাসিক ভারত বিরোধীতার নেপথ্যে যে সাম্প্রদায়িক মনোভাব আছে তা আড়াল করতে চান। তাই এবার দেখা যাক সদ্য স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশ কেমন করে শুরুতেই ভারতের প্রতি তার পুরোনো বিদ্বেষ বজায় রেখেছিলো। মুক্তিযুদ্ধে আশ্রয় দিয়ে, ট্রেনিং দিয়ে, নিজের সৈন্য দিয়ে সহায়তা করা একটা দেশ রাতারাতি বাংলাদেশের কাছে শত্রু হয়ে গেলো কেমন করে? দেখা যাচ্ছে ৭২ সাল থেকেই বাংলাদেশে ভারত বিরোধীতা তুঙ্গে উঠে যা ৭৪-৭৫ সালে সব বাধ ভেঙ্গে যায়। কুটনৈতিক সুত্রগুলো জানাচ্ছে, তখন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহায়তাকে সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছিল। ভারত আসলে নিজের চক্রান্ত বাস্তবায়ন করতে বাংলাদেশকে দিয়ে যুদ্ধ করিয়ে পাকিস্তান ভাঙ্গিয়েছে। যুদ্ধে ভারতেরই লাভ হয়েছে কারণ তারা বাংলাদেশের গোলাবারুদ টাকা পয়সা সম্পদ সব লুট করে নিয়ে গেছে। ভারতের রাষ্ট্রদুত সমর সেন বলেন, এরকম ভারত বিরোধী মনোভাবের সময়ই ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সফরে আসেন জুলফিকার আলী ভুট্ট। যে লোকটি বাংলাদেশের গণহত্যার রক্ত তার হাতে মেখে আছে তাকে বাংলাদেশের মানুষ একনজর দেখতে রাস্তায় ভীড় জমান এবং স্বাদর অভিনন্দন জানান!
    ভেবে আশ্চর্য লাগে যে মানুষটির বাংলাদেশর গণহত্যার দায় রয়েছে, অগুণতি নারীর ধর্ষিতার দায় যার, তাকে নিয়ে এদেশের মানুষ এত উচ্ছ্বাসিত ছিলো কেন? মাত্রই যে দেশের মানুষের ভালোবাসা আর সহযোগিতায় আমরা দেশ স্বাধীন করলাম তাদের কেন ফের শত্রু ভাবা শুরু করলাম? উপকারীকে তার উপকারের জন্যই সন্দেহ করা হচ্ছে! সে ধারা আজো অব্যাহত আছে। বাংলাদেশ ইসলামী রিপাবলিক হতে পারেনি ভারতের বিরোধিতার কারণে এই ক্ষোভ তো সহজে যাওয়ার নয়!
     
    [তথ্য সূত্র : ষড়যন্ত্রের জালে বিপন্ন রাজনীতি, আবেদ খান। মার্কিন দলিলে মুজিব হত্যাকাণ্ড, মিজানুর রহমান খান। ফ্রন্ট লাইন, ২১ নভেম্বর ১৯৯৮]
  • dc | 122.164.82.87 | ৩০ নভেম্বর ২০২৩ ১৮:০০526617
  • পিঁয়াজ -আলু-রসুন এর ব্যাপারটা বুঝলাম না। বাংলাদেশিরা কি ভারতে এসে সব আলু পেঁয়াজ রসুন কিনে নিচ্ছে, ফলে গৌমাতারা না খেয়ে থাকছে? চাড্ডিদের বক্তব্যটা কি?  laugh
  • জয় বাংলা | 2405:8100:8000:5ca1::198:bca2 | ৩০ নভেম্বর ২০২৩ ১৮:৪৩526618
  • যাকে খুশি সাপোর্ট করুক, ভারতকে যত খুশি গাল দিক, আমরা সোনার বাংলা বলে মাথায় তুলে রাখবো। মেরেছো কলসির কানা তা বলে কি প্রেম দেবো না?
  • এগিয়ে বাংলা | 192.42.116.181 | ৩০ নভেম্বর ২০২৩ ২০:৫১526622
  • বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসার জন্যে আসা রোগীরা যাতে সহজে ভিসা পায় তার জন্যে বিশেষ পোর্টাল তৈরি করছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এখন ভিসার জন্যে কমবেশি এক থেকে দেড় মাস সময় লাগে। তথ্যপ্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে সেই সময়টা কমিয়ে মাত্র দুদিনে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে রাজ্যের তথ্যপ্রযুক্তি দপ্তর। সম্প্রতি এই নিয়ে দপ্তরের সচিব রাজীব কুমার বৈঠক করেন রাজ্যের বেসরকারি হাসপাতালগুলির সঙ্গে। ২০২১ সালের তথ্য বলছে, বছরে ২৪ লক্ষ ৭০ হাজার মেডিক‌্যাল টুরিস্ট বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসে।
     
    শুধু বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা মানুষ মেডিক‌্যাল টুরিজমে পাঁচ হাজার কোটি টাকার বেশি খরচ করে। এটা যারা মেডিক‌্যাল ভিসা নিয়ে যাচ্ছে তাদের তথ্য। এছাড়া অন্য ভিসাগ্রহীতারাও আছেন। রাজ্য হিসাবে এই সংখ্যাটা ভাগ করা মুশকিল। দিল্লি ও মুম্বইয়ে ১০ থেকে ১২ শতাংশ মানুষ যায়। সবচেয়ে বড় অংশ পায় পশ্চিমবঙ্গ, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রোগী যায় তামিলনাড়ুতে, চেন্নাই ও সিএমসি ভেলোরে। এখন বেঙ্গালুরু, হায়দরাবাদেও কিছু মানুষ যাচ্ছেন।
     
  • &/ | 151.141.85.8 | ০১ ডিসেম্বর ২০২৩ ০০:৫২526624
  • এত মানুষ চিকিৎসার জন্য ভারতে আসেন বাংলাদেশ থেকে, এটা ভারতের চিকিৎসা-পরিষেবার ভালোত্বেরই পরিচায়ক। শুধু তাই নয়, অর্থনীতির পক্ষেও মঙ্গলজনক। মেডিকেল টুরিজম এর ব্যবস্থাপনা দিন দিন ভালো হোক।
  • DIDI | 2a0b:f4c0:16c:13::1 | ০১ ডিসেম্বর ২০২৩ ১০:০৮526627
  • যে গোরু দুধ দেয় তার লাথি খেয়েও সুখ।
  • Prabhas Sen | ০২ ডিসেম্বর ২০২৩ ১২:১৩526642
  • মনে হয় অতি মাত্রার দেশপ্রেম বজায় রাখার জন্য  "শত্রুর"/"প্রতিদন্দ্বীর দরকার  ,তা বাস্তব  বা কাল্পনিক যাই হোক না কেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন