এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • বিশ্ব স্বীকারোক্তি দিবসে,  গোপন, গভীর ও ব্যক্তিগত এক স্বীকারোক্তি 

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ৯৪৭ বার পঠিত | রেটিং ৪.৮ (৪ জন)
  • আজ, এই বিশ্ব স্বীকারোক্তি দিবসে, আমার মনে পড়ছে কুড়ি বছর আগে, আমার (বা গুরুচণ্ডালির) প্রথম করা পাপের কথা। গুরু প্রথম পয়সা খায় মিঃ পাল নামক (পুরো নাম বললাম না, অকারণে নাম নিয়ে কী হবে) এক অনাবাসী বাঙালি ব্যবসায়ীর কাছে। ক্যাশে নয়, কাইন্ডসে। তাঁর সার্ভারের ব্যবসা ছিল, দাতব্য করে একটা সার্ভার গুরুর সাইটের জন্য ব্যবহার করতে দিয়েছিলেন। এইটা আমি প্রায় চেপে দিতে পেরেছিলাম। কিন্তু পুরো থ্রিলারের মতো হঠাৎ করে আমার একটা মেলের অংশবিশেষ ফাঁস হয়ে যাওয়ায় ব্যাপারটা ধরা পড়ে যায়। ভারতীয় টাকার অঙ্কে জিনিসটা বোধহয় মাস গেলে হাজার-খানেক টাকার মামলা। কিন্তু অঙ্কটা কম, আর জিনিসটা দাতব্য, বলে, ভাববেন না পাপ কম হয়েছিল। কারণ ব্যবসায়ীটি ছিলেন পাক্কা মিসোজিনিস্ট। একদম ফেবুর আদালতে বিচার হওয়া। এতে আমার ফাঁসি হওয়া উচিত ছিল, নিদেনপক্ষে দ্বীপান্তর। কিন্তু ফেবু আদালতের বিচারকরা পরবর্তীতে নিজেরা বড়বড় ইনভেস্টার খুঁজে পোর্টাল, পত্রিকা, সিনেমা, সিরিয়াল ইত্যাদি বানানোয় মন দেন, "টাকার কোনো রঙ হয়না যতক্ষণ তা দিয়ে ময়েশ্চারাইজার কেনা যাচ্ছে", এই মর্মে নতুন রায় দেন। ফাঁকতালে আমার অপরাধও ক্ষমা পেয়ে যায়।

    এতেই আমি সমঝে যেতে পারতাম, কিন্তু অপরাধী একবার রক্তের স্বাদ পেয়ে গেলে আরও বড় অপরাধ করতে থাকে। এরপর নানা জিনিসের সঙ্গে আমি জড়িয়ে পড়ি আন্তর্জাতিক চক্রে। বাংলাদেশের জেহাদি একটি ছেলে ছিল গুরুর গ্রুপে। সে এমনকি সাইটেও লিখত। সবাই জানে, গ্রুপের হাজার-পঞ্চাশেক, আর সাইটের কে জানে কয় লাখ ব্যবহারকারীর প্রত্যেকের জীবনীপঞ্জি মুখস্থ রাখা আমার কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। প্রথম পাপ হয়েছিল, সেই তালিকা আমি মুখস্থ করিনি। ছেলেটি বাংলাদেশে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হবার পরে খবর হয়, তখনই লোকে জানতে পারে। তাতেও জিনিসটা চেপে দিতে পারতাম। কিন্তু শ্রী ভট্টাচার্য নামক আমার এক পেয়ারের লেখক (আবারও নাম দিলামনা, এটা আমার পাপের স্বীকারোক্তি), "বাংলাদেশের ***কে কি আমরা চিনি?" বলে একটা আস্ত লেখা লিখে ফেলেন সাইটে। এই লেখকই একদা হিন্দু আইকনদের নিয়ে খারাপ মন্তব্য করেছিলেন। ফলে পুরো ব্যাপারটা ফাঁস হয়ে যায়। একদম আন্তর্জাতিক চক্র, পেট্রোডলার, হিন্দুত্ববিরোধী ষড়যন্ত্র, সব। আমার মুখোশ আবার খুলে যায়। এবার ভক্তদের হাতে। 

    এই নিয়ে খুবই ঝড় উঠেছিল আন্তর্জালসমাজে। আমার লজ্জায় অধোবদন হয়ে থাকার কথা। কিন্তু বিশেষ কিছু এসেই যায়নি, কারণ, এর আগেই আমি পেয়ে গেছি রত্নগুহার গুপ্তধন। সমস্ত কুচক্রীদের যা স্বপ্নের জিনিস, অর্থাৎ আমেরিকার টাকা ও মদৎ। সিয়ার যেটা সবচেয়ে ভালো ব্যাপার, এখন আমি আপনাদের বলতেই পারি, ওরা মানুষকে বলে অ্যাসেট। এবং অ্যাসেটদের রক্ষা করে। সিয়ার নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে আমার কাছে অনেকেই জানতে চেয়েছেন, কিন্তু খুবই দুঃখিত, এইটা ক্লাসিফায়েড হওয়ায়, এমনকি স্বীকারোক্তির মধ্যেও বলা গেলনা। বলে কোনো লাভও নেই, আমার মতো রেজুমে কি আপনাদের আছে? তবে একটা জিনিস বলতেই পারি, এই রক্ষাকবচ আমাকে বহু বিপদ থেকে রক্ষা করেছে। পাপটা ফাউ। আমিও যথেষ্ট সার্ভিস দিয়েছি, বলাবাহুল্য। একার উদ্যোগে সংখ্যালঘু ইউপিএ সরকারকে টিকিয়ে রেখেছিলাম। ২০১১ সালে একার হাতে বামফ্রন্ট সরকারের পতন ঘটাই। এর কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ নেই, সিয়ার কাজের থাকেও না। কিন্তু পাপ চাপা থাকেনা। শিখার রুমালনাড়া শেষ হলে, ছাইয়ের নিচে জমা থাকে। অনেকেই খুঁড়ে বার করার চেষ্টা করেছেন। তাঁদের অধ্যবসায়কে জানাই প্রণাম।

    এবং সবশেষে, বলতে লজ্জা করলেও, বলতে হবেই, এত বড়-বড় পোর্টফোলিও সামলানোর পর, শেষে আমি ছিঁচকে চুরিতেও নাম লেখাই। আসলে লোভ এক বিরাট বড় ব্যাপার। একবার যে পাপ করেছে, সে দুশো টাকা বা দুবস্তা চাল পেলেও ছেড়ে দেয়না। হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন, এটা একদম সাম্প্রতিক অতীতে। একদম রাজ্যস্তরের খুচরো ব্যাপার। বিশেষ চাপও নিতে হয়নি। তৃণমূলের স্থানীয় নেতা শ্রী চক্রবর্তীর (আবারও নাম নিলামনা, কারণ পাপটা আমার) সঙ্গে রফা হয়েছিল, যে, উনি রোজ দুবস্তা চাল আমার বাড়িতে দিয়ে যাবেন। তিনি সেই কথা রক্ষা করেন, এবং আমিও বিনিময়ে ২১ সালে তৃণমূলকে ভোটে জিতিয়ে দিই। অর্থমূল্যে এটা খুব বড়ো কিছু না, কিন্তু, যা হয়, পচা শামুকে পা কাটে। টাকা সরানো এক জিনিস, কিন্তু অত বস্তা বস্তা চাল? তার উপর, তৃণমূলের কাছাখোলা চুরির কারবার, সবই ফাঁস হয়ে যায়। রাগ করে ঘনিষ্ঠ কয়েকজন আমাকে পরিত্যাগ করে যান। কেউ সঙ্গে নিয়ে যান আইএসবিএন অ্যাকাউন্টের পুরোনো পাসওয়ার্ড। কেউ আইডিয়া, কাস্টমারের তালিকা, যোগাযোগ। কিছু কিছু করে চালও নিয়ে যান সম্ভবত। কিন্তু কারো নামের অর্ধেকও বলবনা। কারণ এগুলো কোনোটাই চুরি নয়, পাপের  ফল মাত্র। 

    পাপ সোজা জিনিস না। ফল সকলকেই ভোগ করতে হয়। রত্নাকরকেও ছাড়েনি। এরকম শেষবার হয়েছিল তাঁরই। আত্মীয়রা সব্বাই বলেছিল, চুরির দায় তাদের নয়, তারা ওঁর পিসতুতো ভাই হয়। ব্যাপারটা যে ঠিকই বলেছিল, সে তো রামায়ণেই লেখা আছে। রত্নাকর তারপর প্রচন্ড সাধনা করে বাল্মীকি হয়ে যান। এবং একদিন ভোরবেলা উঠে পদ্য লিখতে শুরু করেন। তা, স্বীকারোক্তিই হচ্ছে যখন, বলতেই হবে, আমিও তাই করতে শুরু করেছি। কলিকাল বলে অবশ্য এখনও সাধু হতে পারিনি। বাকিটা একই আছে। এছাড়া আমি রত্নাকরের মতো ফ্যাফ্যা না, পুরোনো পাপের ফলে প্রচুর সম্পত্তিও জমে গেছে। পেট্রো এবং অপেট্রো ডলার, সাঙ্গোপাঙ্গো সঙ্গীসাথী হই হট্টগোল। গুরুর অবিরত বাড়বৃদ্ধি। সিয়াসংযোগ কি আর সহজে বিফলে যায়? তাই পাপ এরপরেও করে যাব। ক্যাটক্যাট করে যা মুখে আসে বলব। উনিজিকে নিয়ে লিখব। দিদিকে নিয়ে লিখব। আপনাকে দেখলে "সোহাগ চাঁদ বদনী ধনি নাচত দেখি" গাইব। মোদ্দা কথা কোনো ছকে না আটকে পড়ে অবিরত অস্বস্তির কারণ হব। না, রাগারাগি করবেননা। কারণ শেষ জয় তো আপনারই। আমার এই স্বীকারোক্তিই তার প্রমাণ।

    পুঃ আজ বিশ্ব স্বীকারোক্তি দিবস ফিবস না, পুরোটাই গুল। এটি আমার "পাপী যখন বাপই" নামক রহস্যরোমাঞ্চকাহিনীর  প্রথম পরিচ্ছেদ। এই লিখতে শুরু করলাম। এর সব চরিত্র এবং ঘটনা কাল্পনিক। বাস্তবের সঙ্গে যেকোনো মিল, নেহাৎই কাকতালীয়। খালি বাল্মীকিটা মিথ্যে কথা না। দুম করে অনুপ্রেরণা এল বলেই তো লিখে ফেললাম। ছাপা হলে প্লিজ কিনে পড়বেন। পয়সার খাঁই আমার এখনও মেটেনি।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৭:৫৭523631
  • হা হা হা হা laughlaugh 
     
    আইএসবিএন চুরিটা লংটার্ম প্ল্যানিঙের ফল।  আধার প্যান একজনের আর ইমেল আইডি আরেকজনের এ আবার নর্মাল নাকি?  হয় সংস্থার ইমেল হবে নয়ত  যার আধার প্যান তার ইমেল হবে। এর বাইরে থার্ড পার্সন সি:গুলার নাম্বার নিজের ইমেল ব্যবহার করেছে মানেই তার পেছনে অন্য পরিকল্পনা।
  • dc | 2401:4900:1f2a:47bd:e0e2:4e8f:98c9:d18e | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৮:১৩523632
  • এতো সব স্বীকারোক্তি দিয়ে আসল পাপটা ঢেকে ফেলার চেষ্টা করেছেন, যা কিনা আসল পাপীদের লক্ষন (জন লে কার পড়লে জানতে পারবেন)। 
     
    গুরুর কোর কমিটির সাথে ডিপ স্টেট এর সম্পর্কটা বিলক্ষন চেপে গেলেন। 
  • সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৮:৩১523633
  • পরের পরিচ্ছেদে আসবে। ইন ফ্যাক্ট, আপনিই লিখে দিন না, আমার নাম করে বার করে দেব। laugh
  • dc | 2401:4900:1f2a:47bd:e0e2:4e8f:98c9:d18e | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৮:৪৩523637
  • laugh
  • r2h | 192.139.20.199 | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৮:৫১523661
    •  | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৭:৫৭
    • ...লংটার্ম প্ল্যানিঙের ফল। 
     
    আমি অবশ্য এমন কিছু বিশ্বাস করি না। যখন ঐ অ্যাকাউন্ট তৈরি হয়েছিল, আমি তখন এত কাজকর্মে না থাকলেও অনুমান করতে পারি, যে সেই সময় কেউ সুদূর কল্পনাতেও আনেনি যে এরকম একটা তিক্ত বিচ্ছেদ কোনদিন হবে।
    সৈকতদা এখানে "আমি (বা গুরুচণ্ডা৯)" এমন লিখেছে যেটা একটু মিসলিডিং বলে আমার মনে হয়, কারন পরবর্তীকালে অনেকেই গুরুচণ্ডা৯র সঙ্গে অত্যন্ত আন্তরিকভাবে যুক্ত হয়ে পুরো উদ্যোগটাকে ব্যক্তিগত থেকে যৌথতার উচ্চতায় নিয়ে গেছে - এবং গুরুর বিভিন্ন উদ্যোগে লোকজন নিজের কাজ ভেবেই জড়িয়েছে। ব্যক্তিগত ইমেল ব্যবহার করাটা দূরদর্শিতা ছিল না, কিন্তু আমার বিশ্বাস, ঐটুকুই।

    আমার বরং কৌতুহল এই ভয়াবহ তিক্ততাটা হল কেন। দূরত্ব তৈরি হতে পারে কিন্তু যে চূড়ান্ত অবিশ্বাসের জায়গাটা তৈরি হয়েছে তার নির্দিষ্ট কারন, উস্কানি ইত্যাদি আছে।

    আমার এখনও বিশ্বাস, এসব নিয়ে খোলাখুলি কথাবার্তা হলে অনেক কিছু মিটে যেত।

    কতটা খোলাখুলি লেখা সমীচীন হবে জানি না... কত কীই যে ঘটে।

    গুরু টুরু সংগঠন প্রতিষ্ঠান সেসব ঠিক আছে। আমার কাছে ব্যক্তিগত সম্পর্ক, বন্ধুত্ব - এগুলি বড় জিনিস। অকারন, অহেতুক, পথভ্রষ্ট তিক্ততা, নিজের ব্যক্তিগত স্টেক না থাকলেও দেখতে খারাপ লাগে।

    ২০১৯-২১এর সম্পাদকীয় চলন, জটিলতা, বাংলা বাজার, লেখক সম্পাদক প্রকাশকদের অলিগলি, গোষ্ঠী, বায়াস ও নির্মোহ ব, এসব নিয়ে আড়ালবিহীন কাছাখোলা কথাবার্তা হলে ভালো হত।
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:b424:4e48:a2ca:b9a9 | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২০:৫১523663
  • নির্মোহ ব নিয়ে নির্মোহ ব? কেমন মেটা শোনাচ্ছে। 
  • &/ | 151.141.85.8 | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২১:২৩523664
  • পাতিমোক্ষ। একে বলে পাতিমোক্ষ। বিশ্বাস না হলে বৌদ্ধদের জিগান।
  • &/ | 151.141.85.8 | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৩:০২523675
  • লেখাটা চমৎকার। আরও আসুক এরকম।
  • অভিভূষণ মজুমদার | 117.227.16.185 | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৬:৫০523756
  • বেশ সুন্দর লেখা এগিয়ে চলুক 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন