এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • পুরীর মহাপ্রসাদ

    Manab Mondal লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৭ জুন ২০২৩ | ৯০১ বার পঠিত
  • পুরী জগন্নাথ মন্দিরে প্রসাদকে মহাপ্রসাদ বলা হয় কেন?



    বিভিন্ন পুরাণ যেমন পদ্মপুরাণ, স্কন্দপুরাণ, বিষ্ণুপুরাণে জগন্নাথের প্রসাদ বা জগন্নাথের ভোগ এর অপরিসীম মাহাত্ম্যর কথা বলা হয়েছে। ভগবান জগন্নাথ, দাদা বলরাম ও দেবী সুভদ্রা এই তিন মূর্তি দর্শন করলে এবং মহাপ্রসাদ গ্রহণ করলে আমাদের কলুষিত মন কলুষমুক্ত হয় আর আমাদের মনে ভক্তি ভাবের উদয় হয়। আর এই ভক্তি থেকেই আসে প্রকৃত জ্ঞান। প্রকৃত জ্ঞান থেকেই আসে মুক্তি। তাই মুক্তি পেতে অবশ্যই ভক্তিভরে গ্রহণ করুন পুরীর জগন্নাথের প্রসাদ।

    নিজের প্রসাদ সম্পর্কে প্রভু জগন্নাথ কি বলেছেন?
    জগন্নাথ নিজে বলছেন যদি আমার নিবেদিত অন্ন কুকুরের মুখ থেকে পড়ে যায় এবং সেই অন্ন যদি ব্রহ্মাদি দেবগণ সৌভাগ্যবশত লাভ করেন তাহলে তাঁরা সেই অন্ন অনায়াসে ভক্ষণ করতে পারেন। কারণ এর মহত্ত্ব কখনো নষ্ট হয় না।

    তাহলে কি এর মাহাত্ম্য কি কোনো দিন বা কোনো ভাবে নষ্ট হয়?
    না, হয় না।

    এই মহাপ্রসাদ শুকিয়ে যাক, বা পর্য্যুষিত মানে বাসি হোক, অথবা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে নিয়ে যাওয়া হোক, বা অস্পৃশ্য জাতির স্পর্শ পেলেও এই মহাপ্রসাদের মাহাত্ম্য নষ্ট হয় না।



    প্রচলিত গল্প অনুযায়ী, একবার এক শাস্ত্রজ্ঞ পণ্ডিত ব্রাহ্মণ এসেছিলেন পুরীর ধামে। তিনি জগন্নাথ দর্শন করলেন, কিন্তু জগন্নাথ দেবের মহাপ্রসাদ তিনি গ্রহণ করলেন না। ব্রাহ্মণের তাত্ত্বিক বিচার তাঁকে প্রসাদ গ্রহণে বাধা দিল। যাই হোক পরে তাঁর কুষ্ঠ হল। তিনি মনে মনে ভাবলেন জ্ঞানত তিনি কোন পাপ করেন নাই তাহলে কি কারণে কুষ্ঠ হল? অনেক ভেবে তিনি বুঝলেন তিনি জগন্নাথের মহাপ্রসাদ কে অস্বীকার করেছেন বলে তাঁর কুষ্ঠ হয়েছে। তিনি পরে জগন্নাথের প্রসাদ গ্রহণ করলেন এবং তাঁর কুষ্ঠ রোগ সেরে গেল।

    বিষ্ণুপুরাণে এবং স্কন্দপুরাণে ব্ৰহ্মা নারদের কথপোকথনে আছে যে জগদীশ্বর বিষ্ণুকে একবার কোন অন্ন বা পানীয় নিবেদন করা হলে, সেই অন্ন এবং পানীয় সাক্ষাৎ নির্বিকার ব্রহ্মস্বরূপ বস্তুতে পরিণত হয়ে যায়। সেই জন্য বিষ্ণুর মহাপ্রসাদের নিয়ে ভক্ষ্যাভক্ষ্য বিচার করতে হয় না।

    ব্রাহ্মণদের মধ্যে কেউ কেউ নিজেদের জাতির শ্রেষ্ঠ বলে মনে মনে গর্ববোধ করে এবং কখনও কখনও প্রসাদ গ্রহণ করার আগে বিচার করেন। যদি এমন বিচার মনের মধ্যে উপস্থিত হয় তাহলে তাঁরা কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত হন এবং দারাপুত্র রহিত অর্থাৎ নির্বংশ হয়ে নরকে যান। তাঁরা এমন নরকে গমন করেন যেখান থেকে তাঁদের আর উদ্ধারের কোনো উপায় থাকে না।



    পদ্মপুরান অনুযায়ী লক্ষ্মীদেবী স্বয়ং রান্না করেন ভগবান বিষ্ণুর জন্য, তাই অন্ন খুব পবিত্র এবং দেবতাদেরও মধ্যেও দুর্লভ। বিষ্ণুপুরাণে পরিষ্কারভাবে বলা আছে পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের ভোগ এর অন্ন যতক্ষণ পর্যন্ত জগন্নাথ দেবকে পরিবেশন না করা হয় তার আগে পর্যন্ত এটি মহাপ্রসাদ হয় না। নিবেদন করার পর এটি মহাপ্রসাদ হয়। জগন্নাথের প্রসাদের কোন সংস্পৃষ্ট দোষ নেই। একবার প্রসাদ গ্রহণ করলেই সমস্ত পাপ তৎক্ষণাৎ দূর হয়ে যায়। বিষ্ণুপুরাণে এবং স্কন্দপুরাণে বলা আছে অতিপাপ, মহাপাপ, সমস্ত পাপ জগন্নাথ দেবের অন্নগ্রহণ করলে তৎক্ষণাৎ শেষ হয়ে যায়।



    প্রভু জগন্নাথ দেবের নৈবেদ্য ভক্ষণে মহাপাতক নাশ হয় আর এই মহাপ্রসাদ গ্রহন এক কোটি গোদান এর পুণ্যফলের সমান। গরুড় পুরাণে স্পষ্ট বলা হয়েছে মহাপ্রসাদ গ্রহণের কোন নিয়ম নেই। একাদশী, আমাবস্যা, চান্দ্রায়ণ ব্রতেরও কোনো নিয়মই এখানে প্রভাব খাটাতে পারে না।



    যাঁরা মোক্ষলাভ করতে চান তাঁরা মহাপ্রসাদ পাওয়ামাত্রই কোন রকম বিচার না করে তৎক্ষণাৎ ভক্ষণ করে নেবেন।
    উপরের তথ্যগুলো সবাই কম বেশি জানেন হয়তো এমন লেখাটি ফেসবুক ঘুরো ঘুরি করে ‌। কিন্তু প্রশ্ন হলো চৈতন্য মহাপ্রভু প্রভাবেই কি জগন্নাথদেবের এই পরিবর্তন। কারণ জগন্নাথ দেবে আদিবাসীদের দেবতা বলেই তাঁর প্রসাদ গ্রহণ করতে ব্রাহ্মনের আপত্তি ছিলো। কিন্তু পরে সে প্রসাদ গ্রহণ করে। অর্থাৎ জগন্নাথ দেবে প্রসঙ্গে  এসে সবাই ছুঁতে অছুঁতের বিষয় টি ভুলতে শুরু করলেন। এটাকি চৈতন্য মহাপ্রভু ধর্ম আন্দোলেনের প্রভাবে ঘটলো এটাই নিশ্চিত একটা বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে মহাপ্রসাদ নিয়ে আলোচনার প্রসঙ্গ এলে।?? 

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | ২৭ জুন ২০২৩ ১২:৫০520731
  • পুরীর প্রসাদ বেশ ভালোই রাঁধে। পয়সা দিলে হোটেলে পৌঁছে দেয়। বাকি সব ঢপঢাপ। এধরণের মাহাত্ম্য প্রচারের পোস্ট পুরী - লোকনাথ - বড়মা এসব নামে ফেবু-হোয়া তে চলে। এখন দেখচি গুরুতেও শুরু হল। 
  • মালপো  | 117.198.52.83 | ২৭ জুন ২০২৩ ১৩:১৯520733
  • পুরীর হোটেলের রেসিডেন্ট পাণ্ডা  মন্দিরের মালপো খাইয়েছিলেন। ১০ টা বোধ হয়  ২০০্‌  হবে । মোক্ষলাভ হবে কি না জানা নেই, তবে সেই  খেয়ে তাৎক্ষণিক স্বর্গ লাভ হয়েছিলো  । 
  • ar | 108.26.161.231 | ২৭ জুন ২০২৩ ১৭:৩৮520735
  • শেষের ছবিটা দেখে মনে হচ্ছে যে খুবই নোংরা পাত্রের মধ্যে খাবার রেখে ঠাকুরকে ভোগ নিবেদন করা হচ্ছে!!!
  • পলিটিশিয়ান | 2603:8001:b102:14fa:df4d:c5d0:c411:59e9 | ২৭ জুন ২০২৩ ১৮:০৮520737
  • বিমলা দেবীর প্রসাদ কি করে পাওয়া যায়? শুনেছি মাছ মাংস থাকে।
  • প্রিয়তমাসু | ২৭ জুন ২০২৩ ১৯:৪৭520739
  • কীসব যা তা কুসংস্কার ছড়াচ্ছ মন্ডলের পো ! মাধ্যমিক অব্দি বেসিক বিজ্ঞানের পড়াশোনাটাও ঠিকঠাক করনি, সে তো বুঝলাম , কিন্তু নিজের অশিক্ষা এরকম ঢাক পিটিয়ে জাহির না করলেই  কি চলছিল না ? 

    কলেরার জীবাণু, ফিতাকৃমি এরা তোমার থেকে বেশী বিজ্ঞান মানে , এবং এদের উপস্থিতি খাবার কার প্রসাদ তার ওপর মোটেই ডিপেন্ড করে না ৷ একবিংশ শতকে মোবাইল ফোন আর ইন্টারনেট ব্যবহার করে এইসব ক্ষতিকর কুংসংস্কার ছড়ানো অদ্ভূত হিপোক্রিসি ও ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ ৷
  • r2h | 192.139.20.199 | ২৭ জুন ২০২৩ ২০:০৪520740
  • লেখাটা অত্যন্ত ঢপ, পুরো ফেবু শেয়ার মেটিরিয়াল। এসব গুরুতে দেখতে না হলে স্বস্তি পাই।

    পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের প্রসাদ খেতে চমৎকার। সত্যি বলতে কী মন্দিরের রান্না করা ভোগ (প্রায়) সব সময়ই খুব খেতে অতি সুস্বাদু হয়।

    'মণ্ডলের পো' সম্বোধন কুরুচিকর লাগলো। টেকনিকেলি কোন ভুল নেই, পদবী উলেখ করে অমুকের পো বা তমুকের ঝি তথ্যগতভাবে ঠিক, তবে আমার কানে অত্যন্ত সংকীর্ণ গ্রাম্য টাইপ লাগলো। আপত্তি জানালাম, এমন জিনিসও গুরুতে দেখতে না হলে স্বস্তি পাই।

    (তবে আমার স্বস্তিবিধানের কথা ভেবে সসাগরা ধরা বিচলিত নয়, এও সত্য।)
  • প্রিয়তমাসু | ২৭ জুন ২০২৩ ২১:৪৫520742
  • @r2h 
     
    দুটো ব্যাপারে একমত :
    ১. "অমুকের পো " গ্রাম্য ও কিছুদূর তাচ্ছিল্য-সূচক ব্যবহার ৷
    ২. আপনার স্বস্তিবিধান আমার স্বস্তিবিধানের জন্য আবশ্যিক কিছু নয় ৷

    আরেকটা কথা যেটা সেটা হল , বিভূতিভূষন বেঁচে থাকাকালীন আপনার আপত্তিটা উঠলে কাজের কাজ কিছু হত , ভদ্রলোক "অপরাজিত" থেকে এই শব্দবন্ধ পরিবর্তন করে অন্য কিছু লিখতেন আর আমিও এই "সঙ্কীর্ণ" শব্দটা শিখতে (ও লিখতে ) পারতুম না । 
     
  • r2h | 2607:fb90:ac92:50f9:c487:7f11:ced9:f622 | ২৭ জুন ২০২৩ ২১:৫৭520743
  • রুচি সংস্কৃতি আচার সময়ের সঙ্গে পাল্টায়। আর বিভূতিবাবু যা করেছেন তা করতে হলে তার মত কলমের জোরও লাগে।
    যাউগ্গা।
  • প্রিয়তমাসু | ২৭ জুন ২০২৩ ২২:১৩520744
  • @r2h 
    রুচি সংস্কৃতি আচার শুধু সময় না স্থান ভেদেও পাল্টায় ।  "গ্রাম্য টাইপ" লেখা লজ্জাজনক তা মনে করিনা । 

    বিভূতিভূষণের শব্দের ব্যবহার আধুনিক রুচি-বিরুদ্ধ বলার জন্যও কিছুটা কলমের বা কিবোর্ডের জোর একান্ত  দরকার নয় কি ?
  • যোষিতা | ২৭ জুন ২০২৩ ২২:৫১520746
  • মণ্ডল হোক কি ঘোষ কি মজুমদার — সব পদবী সমান চোখে দেখি তা মুখে ও মনে এক নয়। 
    তাই মজুমদারের পো বললে প্রতিবাদ না ও আসতে পারত। কিন্তু মণ্ডলের পো এ প্রতিবাদ করাটা সুশীল সমাজের একটা নৈতিক কর্তব্য। জাতপাতের পলিটিক্স এই লাইনেই চলে। 
    মতামত সম্পূর্ণ নিজস্ব। cheeky
     
  • | 2406:7400:63:cf39::102 | ২৭ জুন ২০২৩ ২২:৫৬520747
  • 'অস্পৃশ্য জাতির স্পর্শ পেলেও এই মহাপ্রসাদের মাহাত্ম্য নষ্ট হয় না।' এক্কেবারে কালচার এর আচার |
  • r2h | 208.127.183.209 | ২৭ জুন ২০২৩ ২৩:০৩520748
  • আচ্ছা আচ্ছা, বেশ। আমি বরং ঝল খাই। (রেফঃ "ঝল খাও, ঝল খাও!")
     
    আর, ইয়ে,
    • প্রিয়তমাসু | ২৭ জুন ২০২৩
    • বিভূতিভূষণের শব্দের ব্যবহার আধুনিক রুচি-বিরুদ্ধ বলার জন্যও কিছুটা কলমের বা কিবোর্ডের জোর একান্ত  দরকার নয় কি ?"
    না, তেমন তো মনে করি না। 
     
    তবে মজার ব্যাপার হলো কাল সন্ধ্যায় অপরাজিত'র ঠিক এই পাতাগুলোই পড়ছিলাম।
  • ব্যপার হল | 2405:8100:8000:5ca1::54:677 | ২৮ জুন ২০২৩ ১৯:৫৭520787
  • ভুক্ত পদবী মন্ডল পদবীর চেয়ে উচ্চজাতি নিকি? তাইজন্যি বুঝি মন্ডলের পো বলচে?
    র২হ বলল বিভুতিভূষণের মত তাচ্ছিল্যবাচক শব্দ ব্যবহার করতে গেলে বিভুতিভুষণের মত কলমের জোর থাকা উচিত যেটা ভুক্তের পোয়ের নেই। এদিকে  এ মানে বুঝলই না, নাকি নিজের কলমের জোর নেই সেটা মানতে অসুবিধে হল ক্যা জানে। বিভুতিভুষণের ঘাড়ে বন্দুক ঠেলে দিয়ে বিভুতির কলমের জোর নেই বলে দিল। 
     
    তবে কথা সেটাও নয়। কথা হল বিভুতিভূষণের এই লেখা একটা উপন্যাসের অংশ। সেই উপন্যাসের চরিত্রে  সেই সময়কার তাচ্ছিল্য নীচতা সবই থাকতে পারে। রিয়্যাল লাইফে সেটার ব্যবহার এত বছর বাদে করা,যখন সামাজিক মূল্যবোধ অনেকটা বদলেছে তারপর বিভুতিভুষণের ঘাড়ে বন্দুক ঠেলে দেয়া আদতে ব্যবহারকারীর চরিত্রের নীচতা বোঝায়।
  • @নিন্নিছা | 41.106.3.130 | ২৮ জুন ২০২৩ ২০:১১520789
  • প্রিয়তমাসু আর ভুক্ত আলাদা।
  • প্রিয়তমাসু | ২৮ জুন ২০২৩ ২০:৩০520790
  •  ভুক্ত আমার পদবি কস্মিনকালেও ছিল না । বাকি "নীচতা" ইত্যাদি নিয়ে কিছু  বলতে ইচ্ছা করছে না । 

    r২h  এর
     "কাল সন্ধ্যায় অপরাজিত'র ঠিক এই পাতাগুলোই পড়ছিলাম" 
    নিয়ে বলি : বিভূতিভূষণের এই  লেখাটা (এবং আরো অনেক লেখাই ) সত্যি বারবার পড়া যায় .. বারবার, বারবার, বারবার । আমার অনেকদিন পড়া হয়নি , আবার পড়ব পড়ব ভাবছি ।
  • r2h | 192.139.20.199 | ২৮ জুন ২০২৩ ২০:৩৩520791
  • হ্যাঁ, আমিও, পথের পাঁচালী আর অপরাজিত যেকোন সময় যেকোনও পাতা খুলে পড়ি।
  • প্রিয়তমাসু | ২৮ জুন ২০২৩ ২০:৪৫520792
  • আর ইয়ে "ব্যপার হল" মশাই, আপনি যখন সেই গালাগালিই করবেন আমার নিজের পোস্টের নীচে গিয়ে করুন না, তেমন হলে পোস্টগুলো একটু ভিসিবিলিটি পায় | দেখবেন কমেন্ট বক্সে পরিলক্ষিত নীচতা, আমার অন্যান্য লেখালিখিতে হ্যাংলামী নোংরামি এইসবের আকারে প্রতিফলিত হয়েছে | এই নিয়ে একটু সময় টময় দিয়ে গবেষণা করে একটা দুটো কমেন্ট নামিয়ে ফেলুন |
  • প্রিয়তমাসু | ২৮ জুন ২০২৩ ২০:৫৬520793
  • @r2h

    আরন্যক টা, কিছু ছোটগল্পও ভাল লাগে খুব । এক ক্যানভাসারকে নিয়ে ভদ্রলোকের লেখা একটা গল্প পড়েছিলাম অনেক দিন আগে ..  এত অনায়াস আন্তরিক লেখার ক্ষমতা অন্য কারও দেখেছি বলে মনে পড়ে না । 

    গদ্যে মানিক বন্দ্যোর লেখার আমি এমনিতে ভক্ত , কিন্তু বিভূতির মত এত ন্যাচারাল ব্যাপারটা মানিকবাবুরও নেই ।
  • r2h | 192.139.20.199 | ২৮ জুন ২০২৩ ২১:০৭520794
  • হুঁ, বিভুতিভূষণের ছোট গল্প মনে হলে একটার পর একটা গল্প মনে পড়তে থাকে, অতি সামান্য মানুষের অতি সামান্য জীবন। একটা গল্প আছে, একটা বাড়ি তৈরি হতে হতে কখনো শেষ হলো না। আরেকটা গল্প মনে পড়ে, শিশুপুত্র বাবার কাছ ছাড়ে না কখনো, এক বছরের ব্যবধানে দু'জনক কামটে নিয়ে গেল নদীতে।
    তালনবমী ইত্যাদি তো বিখ্যাত গল্প।
  • প্রিয়তমাসু | ২৮ জুন ২০২৩ ২১:৩৮520795
  • হ্যাঁ একদমই তাই । বিভূতির ছোটগল্পে বেশ ঘরোয়া একটা ভাব আছে ৷ পড়তে পড়তে দিব্যি কল্পনা করা যায় , আলো আঁধারী গ্রামের পরিবেশ .. স্ট্যাগন্যান্ট জীবনে বৈচিত্রহীন বিষন্নতার আবেশ কোথাও কোথাও ৷  খুব যে বিশেষ কোনো পরিনতির দিকে টেনে নিয়ে গিয়ে , "শেষ হয়েও হইল না শেষ" টাচ দিতে হবে এমন দাবিদাওয়া মোটেই নেই ।
  • প্রিয়তমাসু | ২৮ জুন ২০২৩ ২১:৪৫520796
  • অসমাপ্ত বাড়ির গল্পটা মনে পড়ছে , কামটের টা পড়িনি সম্ভবত ৷ কামট নিয়ে বিভূতির অন্য একটা গল্প মনে পড়ছে , মাছ ভেবে কামট টেনে তোলার গল্প ৷ 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে প্রতিক্রিয়া দিন