এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • প্রসঙ্গ রোদ্দুর রায় ও 'মোক্সা' খামখেয়াল

    jyotirmoy sil লেখকের গ্রাহক হোন
    ০২ জানুয়ারি ২০২৩ | ৬১৯ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • কাঁচা-পাকা দাড়ি আর মাথায় কাপড়ের ফেট্টি বেঁধে  নিজের "মোক্সা" ভাবনাচিন্তা আওড়ানো রোদ্দুর রায়ের ভিডিও বিগত কয়েকবছর ধরে সোশ্যাল মিডিয়াতে ট্রেন্ডিং।  এক খ্যাপাটে হাসি নিয়ে তার ইউটিউবের দর্শকদের সম্বোধন করে হয় ইংরেজী টানে বাংলায় নিজের নানাবিধ মত প্রকাশ করতে শুরু করেন, উকেলেলেতে তরঙ্গ তুলে গান করেন, কখনো স্বরচিত মোক্সা কবিতা, বা কিম্ভুত "মোক্সা" নাচ। সেই রোদ্দুর রায়ের অসলগ্ন কথায়, (আপাত) অশালীন ভাষা, খানিক পাগলামো হাবভাব, হাসিতে উঠে আসে রাষ্ট্র তথা শালীন সমাজের রীতি-নীতি গন্ডীর প্রতি অবজ্ঞা বিদ্রুপ। সেই দ্বেষ কখনো তীব্র নিনাদিত বা কখনো আমুদে ব্যঙ্গ (তা'বলে তা মিছড়ির ছুরি নয়) হয়ে ব্যক্ত। সবই তাঁর নাকি মোক্সা চিন্তনের প্রতিরূপ। এখন প্রসঙ্গ হলো মোক্সাবাদের ব্যাখ্যা কি হতে পারে। সংস্কৃতে "মোক্সা", যা আমরা বাঙালিরা "মোক্ষ" উচ্চারণ করি, আক্ষরিক অর্থে "মুক্তি"।  তবে এই মোক্সা বা মোক্ষের বহুস্তরীয় অর্থ রয়েছে। মোক্ষের এক অর্থ সংসারের দুঃখ, মৃত্যু, পূর্নজন্ম থেকে মুক্তি। এর আর এক অর্থ দাঁড়ায় জ্ঞানের আলোকে অজ্ঞানতা থেকে মুক্তি। তাহলে আধুনিক মোক্সাবাদ তুলে ধরে (বাস্তব) জ্ঞান, স্বাধীনচেতনা, বৈরাগ্য (স্টোইসিসম), অযাচিত প্রতিষ্ঠান-বিরোধী (অ্যন্টিএস্টাব্লিশমেন্ট) মানসিকতা। জঁ-জ্যাঁ রুশো তাঁর "দ্য সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট" (১৭৬২) গ্রন্থে বলেছেন, "স্বতন্ত্রতা কোনো শাসনব্যবস্থার মধ্যে নেই। সেটা আছে স্বাধীন ব্যক্তির মনের মধ্যে, সে সেটাকে সর্বদা সবজায়গায় আগলে নিয়ে চলে" ("Liberty is not in any form of government. It is in the heart of free man, he carries it with him everywhere.")। রুশোর স্বতন্ত্রতার ধারণা, মতামত ও চিন্তাভাবনা স্বাধীনভাবে ব্যক্ত করার অধিকার সম্পর্কে বক্তব্য ফরাসী বিল্পবের সময় খুব আলোড়ন ফেলেছিল। মোক্সাবাদ, তার ব্যুৎপত্তিগত ব্যাখ্যা অনুযায়ী, রুশোর স্বাধীনচেতনার দৃষ্টিভঙ্গির (liberty of soul) সাথে মিলে যায়। তবে, রোদ্দুর রায় মোক্সাবাদকে তার মূল ধারণার পরিসর থেকে খানিক বিচ্যুত করে  নিজের মতন ধাঁচে গড়ে নিয়েছেন। রোদ্দুর রায়ের মোক্সাবাদ যেন শুধু মনের মধ্যে যা ভাবনা চেতনা ক্ষোভ সব ভাষার পরিসর কিংবা সামাজিক তথা রাজনৈতিক অনুষঙ্গ না মেপে অনর্গল বলে চলা। কিন্তু প্রশ্ন যখন উনি ক্ষমতাসীন কোন ব্যক্তির ব্যক্তিগত আত্মমর্যাদার কথা মাথায় না রেখে তাঁর স্পষ্ট নাম উল্লেখ করে অশালীন শব্দ সহযোগে যা ইচ্ছে ভাবে ইউটিউব চ্যানেল বা ফেসবুকের মতো সর্বজনগ্রাহ্য মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করতে শুরু করেন সেটা কতটা গ্রহণযোগ্য? ব্যক্তিগত মর্যাদাহানিও কি মোক্সাবাদী মানসিকতার অংশ বলে এড়িয়ে যাওয়া যাবে পুরোপুরি? তবে সেটার জন্যে গ্রেপ্তারী অবশ্য অন্য প্রসঙ্গ। এই রাষ্ট্র নামে গণতন্ত্রের ধারক হলেও, আদতে যথেচ্ছাচারী। ক্ষমতা অধিকার, দল, ক্ষমতাসীন মানুষ রদবদল হয়, কিন্তু রাষ্ট্রশক্তির রূপ নয়। এবং রোদ্দুর রায় কেনো, যে কোনো সত্ত্বা সেই শক্তির কাছে নগন্য।  প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, ষাটের দশকে "হাংরি জেনেরশন" লেখকদের লেখার সংস্কৃতি-বিমুখতা, অশ্লীলতা, ও ওনাদের ব্যক্তিগত পরিসরের যথেচ্ছাচারের বিরুদ্ধে প্রশাসন ও একদল অতি-সংস্কৃতিপরায়ণ সভ্য ব্যক্তিবর্গ তৎপর হয়ে উঠেছিল। ১৯৬৫ সালে "হাংরি জেনেরশন" এর প্রমুখ কবি মলয় রায়চৌধুরীকে তার "প্রচন্ড বৈদ্যুতিক ছুতার" নামক “অশ্লীল” কবিতা প্রকাশনার দায়ে ২৯২ ধারা অনুযায়ী মহামান্য আদালত এক মাসের জেল খাতার সাজা ঘোষণা করে এবং কবিতার সমস্ত পাণ্ডুলিপি নষ্ট করার নির্দেশ দেয়। 
    মোক্সা কবিতা বা মোক্সা-ডোপ প্যারোডির মধ্যে আপাত অশালীনতাকে শৈল্পিক স্বাধীনতার আঙ্গিক মানা যেতেই পারে। তা বলে, রবীন্দ্রনাথের গানের কথা বিকৃতি? যে রবীন্দ্রনাথ বাংলা সংস্কৃতির অনেকখানি জুড়ে সেখানে আপোষ কি করে চলে? তবে গানে সভ্য ভাষার পরিধি পেরোনো নিয়ে সমস্যা কিন্তু এখানে নয়। সমস্যা হলো সর্বজন উপলভ্য সোশ্যাল মিডিয়াতে ক্যামেরার সামনে রোদ্দুর রায়ের রবীন্দ্রসঙ্গীতের বিকৃতি করে উল্লাস করা নিয়ে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুধু এক ব্যক্তিবিশেষ নন, এক সংস্কৃতি, কালচার। সেই সংস্কৃতির কোনো ভাগে মোকসাবাদ বা অন্যকিছুর নামে করা বিকৃতির প্রশ্ন আসলে আপত্তি আসবে বৈকি। শালীন ভদ্রসভ্য সমাজে ধিক্কৃত সেই রোদ্দুর রায়ের গাওয়া "চাঁদ উঠেছিল গগনে" এক বিরাট অংশের কমবয়সী নেটিজেনদের কাছে ব্যাখ্যাতীত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। তবে কে যেন রটিয়ে বেড়াচ্ছে যে শালীনতার বন্ধনীতে থাকা অনেকজনই সেই খ্যাপাটে লোকটির ভার্সন শুনে আড়ালে “মজা” (guilty pleasure) পেয়েছেন।  এখনো পাড়ায় পাড়ায় কান পাতলে বোঝা যায় যে কমবয়সীরা খিস্তি মিলিয়ে নামকরা গানের প্যারোডি বানায়। আগেকার দিনে এই ট্রাডিশান তো ছিলোই। যাগ গে সেসব। মোদ্দা কথা হলো স্বাধীনতার নামে (সেটা শৈল্পিক স্বাধীকার হলেও) যে কোনো কিছুর বিকৃতিও আপত্তিকর হতেই পারে। তবে, ঠাকুরবাড়িকে নিয়ে অতি-রঞ্জন করা কাল্পনিক স্ক্যান্ডালের আখ্যানসম্যূহ-এর সমালোচনা সেভাবে দেখা যায়না। বরং সেই সমস্ত উপন্যাস গুলোকে বাংলার সংস্কৃতিমনন পাঠকগণ বেস্টসেলার বানিয়ে রেখেছেন। যায় হোক, রোদ্দুর রায়, যার আসল নাম অনির্বাণ রায়, এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্মে "রোদ্দুর রায়" চরিত্রে অভিনয় করেন। ওনার মতে, সেই  কনফিউজ্‌ড ফ্রাস্টেটেড ক্যারেক্টার যখন রবীন্দ্রনাথের  গান গাইছে, সে তার মতো করেই করবে তো। সেই সাক্ষাৎকারেই অনির্বাণ বাবু (রোদ্দুর রায় ক্যারেক্টারের থেকে বেরিয়ে এসে) বলছেন যে "টেগোর" এক "মিথ" যার "ব্রহ্মভাব"-কে ছুঁয়ে দরদী সমাজ গড়ে তুলতে পারিনি। কিছু মুষ্টিমেয় পুঁজিবাদীর হাতে টেগোর এখন "বিজনেজ অবজেক্ট" হয়ে উঠছে। 
    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলার অধ্যাপক আব্দুল কাফি রোদ্দুর রায় প্রসঙ্গে বিবিধ ডট্ ইন্-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে সব কিছু "রাবীন্দ্রিক পেলবতা" দিয়ে বিশ্লেষণযোগ্য নাও হতে পারে, কিন্তু রোদ্দুর রায় যেটা করেছেন সেটা হলো "পাহাড়ে গিয়ে খুব চিৎকার করে খুব রাগ প্রকাশ করে নেমে এসে আবার সিস্টেমে অংশগ্রহণ করা"। প্রসঙ্গ আসতেই পারে বিংশ শতকের ইংরেজ "অ্যংরী জেনারেশন"-এর লেখক তথা চরিত্রের কথা। তবে পুঁজিবাদী ক্ষমতাসীন শ্ৰেণীর কুক্ষিগত ক্ষয়িষ্ণু সামাজের প্রতি ইউনিভার্সিটি ডিগ্রি নিয়ে মিষ্টির দোকান চালানো এক মধ্যবিত্ত শ্রেণীর জিমি পোর্টারের (ওসবর্ণের "লুক ব্যাক ইন অ্যঙ্গার") রাগ, কিংবা আর্থার সিটনের (সিলিটোর "স্যাটারডে নাইট এন্ড সানডে মর্নিং") শ্রেণীশোষণের প্রতি যে ক্রোধ তাকে অনির্বাণ রায়ের নির্মিত রোদ্দুর রায় চরিত্রের মধ্য দিয়ে উগ্রতা-পাগলামি মিশিয়ে ব্যক্ত করা এলোমেলো ক্ষোভকে মেলানো যায়না। কারণ আগেরটা অর্গানাইজড মুভমেন্ট এর পরেরটা এক বিক্ষিপ্ত হঠকারিতা যা সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে কিছু সময় ভেসে থাকে আবার মিলিয়ে যায়। রোদ্দুর রায়ের ইউটিউব চ্যানেল একটু ঘেঁটে দেখলে বোঝা যাবে যে আদতে উনি যাই করেননা কোনো সেটাকেই মোক্সা নাম দিয়ে দেন। সেখানে রোদ্দুর রায়ের প্রায় সবকটা ভিডিওই এলোমেলো যুক্তিতে "মোক্সা" শিরোনামে রাখা। এই ধরুন বিদ্রুপাত্মক ভিডিওগুলোর "মোক্সা ডোপ কমেডি" শিরোনাম রাখা, উকুলেলেতে সুর তুলে যেমন তেমন গেয়ে "মোক্সা সঙ", "মোক্সা ডিজে", বা "মোক্সা আরবান" নাম দেওয়া,  নারকেল গাছ ছাড়ানো লোকেদের সাথে সাধারণ আলাপচারিতা করে সেটাকে "আমি কোকোনাট ম্যান" নামের "মোক্সা মুভি" বলা, বা নিজের ঘরে নাট্যভঙ্গিতে উদ্ভট আকার-বিকার করে সেটাকে "মোক্সা কটেজ-থিয়েটার ড্যান্স" আখ্যায়িত করা। এছাড়াও "মোক্সা গার্ডেনড্রামা", "মোক্সা রিপোর্ট" ইত্যাদি ইত্যাদি। তাই রোদ্দুর রায়ের ইউটিউব ভিডিওগুলি কোনোভাবেই মোক্সাবাদের ইশ্তেহার নয়, বরং নিছক নিজস্ব আঙ্গিকে মোড়া খাপছাড়া মোক্সা (শুধুমাত্র স্বতঃস্ফূর্ত অর্থে) খামখেয়াল যার মধ্যে সমকালীন সামাজিক তথা রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতা বিক্ষিপ্তভাবে মিশে আছে। তবে এটা মানতেই হয় যে রাষ্ট্র তথা সমাজের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে সোশ্যাল মিডিয়ার মতো গণমাধ্যমের সামনে "রাজা তোর কাপড় কোথায়" ভঙ্গিতে বা ফ্যাতারু হাবভাবে প্রতিস্থানবিরোধী তীব্র আক্রোশ বিদ্রূপে বা তারস্বরে সোপাটে উগড়ে দেওয়া নেহাত সহজ নয়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পলিটিশিয়ান | 2607:fb90:ed03:9900:c527:bffc:bbdd:292 | ০২ জানুয়ারি ২০২৩ ০৩:৩৬514965
  • রোদ্দুরের কথাবার্তা পছন্দ হয়নি? wink
  • Kuntala | ০২ জানুয়ারি ২০২৩ ১২:২৯514976
  • খারাপ  আমার ও  লাগে  - না  দেখলেই  হোলো 
  • :( | 2405:8100:8000:5ca1::15c:c968 | ০৫ জানুয়ারি ২০২৩ ০৮:২২515009
  • ম.রা.চৌ.এর হাবড়গাবড়গুলো সব হাংড়ি (বা অ্যাংড়ি-বাংড়ি-টেংড়ি-কাংড়ি) সৃষ্টি বলে চালিয়ে দেয়াটাও একই রকম।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল প্রতিক্রিয়া দিন