ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • জাপান ৭

    Rumjhum Bhattacharya লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৩ মে ২০২২ | ১৭৯ বার পঠিত
  • গিয়ন কর্ণারের আলো ঝলমল জনবহুল পরিবেশ থেকে বেরিয়ে আমরা দু'বোন শিজো ডোরি ধরে হাঁটা লাগিয়েছি পরের গন্তব্য ইয়াসাকা স্রাইনের উদ্দেশ্যে।কিয়োতোর পুবদিক বরাবর প্রায় তিরিশ মিনিট হাঁটা পথ পেরিয়ে পৌঁছে গেলাম মন্দিরে। তেরশো বছরের পুরোণো এই মন্দিরে সস্ত্রীক অধিষ্ঠিত আছেন সমুদ্র আর ঝড়ের দেবতা সঙ্গে তাঁর আট সন্তান সন্ততি। হেইয়ান যুগ শুরু হওয়ারও দেড়শো বছর আগে সপ্তম শতকে তৈরি হয় শিন্তো ধর্মের এই মন্দির। শিন্তো ধর্মের আধার হল প্রাকৃতিক যা কিছু তার প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন, তার কাছে নিজেকে সমর্পণ করা। পূর্বপুরুষের আত্মাও যেমন আরাধ্য 'কামী' তেমন পাহাড়, জঙ্গল, পশু পাখি, বৃষ্টি বাদল, সবই শিন্তো ধর্মে কামীরূপে আরাধ্য। আর এমন সব অসংখ্য পবিত্র কামীর অধিষ্ঠান এই স্রাইন বা মন্দিরগুলিতে। জাপানের লোকাচারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে শিন্তো ধর্মের মূল দর্শন। মানুষ ও প্রকৃতির উপযুক্ত সামঞ্জস্যসাধনেই যে মানুষের জীবন সমৃদ্ধশালী হয়ে উঠতে পারে সে কথা জাপান জাতি আজ থেকে হাজার বারশো বছর আগেই বুঝেছিল। চাষবাস করা যখন শুরু হল তখন ভাল ফসলের জন্য প্রার্থনা করার তাগিদে কামীর অধিষ্ঠানের জন্য মন্দির তৈরি হল। বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি মন্দিরগুলি গোড়ার দিকে খুব সাধারণভাবে নির্মাণ করা হত। কিন্তু হেইয়ান যুগে সমগ্র জাপান জুড়ে বৌদ্ধ ধর্মের ব্যাপক প্রসার ঘটল। তখন বৌদ্ধ মন্দিরের আদলে শিন্তো ধর্মের মন্দিরগুলো পাকাপোক্তভাবে নির্মাণে মন দিলেন রাজারা। হেইয়ান যুগে (যার স্থায়িত্ব ৭৯৪ থেকে ১১৮৫ শতক) জাপানের রাজদরবার তখন শিল্প, সংস্কৃতি, সাহিত্য সব দিক দিয়ে খ্যাতির তুঙ্গে। তাঁরা তখন মন্দির নির্মাণের কাজে উদ্যোগী হলেন। অনেকক্ষেত্রে দেখা গেল একই জায়গায় শিন্তো মন্দিরের পাশেই  বৌদ্ধ মন্দির তৈরি করা হয়েছে। রাজ রাজড়াদের আনুকুল্য বৌদ্ধ ধর্ম ও চৈনিক কনফুসিয়াস ধর্মের প্রতি থাকলেও সাধারণ মানুষের জন্য এই সর্বপ্রানবাদী শিন্তো ধর্মের দ্বার খুলে রাখতেই চেয়েছেন তাঁরা। সেই থেকেই বুঝি বা প্রায় দেড় হাজার বছরের সহাবস্থানের ইতিহাস রচনা। ইয়াসাকা স্রাইনও সেই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জ্বলন্ত উদাহরণ। 

    মন্দিরের প্রবেশদ্বারটি যেন তার উজ্জ্বল মেটে সিঁদুরে রঙে রাতের অন্ধকারকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। গেটের দুধারে বসানো আছে কাঠের মস্ত এক জোড়া  মূর্তি।  সিংহের আদলে তৈরি এই মূর্তিকে জাপানি ভাষায়  বলা হয় কোমাইনু।কোমাইনু শব্দটা কোরিয়ান কুকুর অর্থে ব্যবহার হয়। জানা যায় এক কালে কোরিয়ার রাজধানী ছিল কোমা। চায়নার পাহারাদার সিংহের সঙ্গেও বেশ মিল পাওয়া যায় এই কোমাইনুর। মোদ্দা কথা হল বিদেশী প্রভাবের সাক্ষ্য এই পাহারাদার সিংহ- কুকুর শিন্তো স্রাইনের প্রবেশ দ্বারে অশুভ শক্তি রোধ করার জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয়। কাঠের তৈরি অশুভ শক্তি নাশক একজোড়া সিংহের ব্যবহার নারা যুগ ( ৭১০ থেকে ৭৯৪) থেকেই চলছে। প্রায় ছয়শো বছর সেগুলো স্রাইন বা মন্দিরের ভেতরে রাখা হত। পরে সেগুলো মন্দিরের প্রবেশ দ্বারে স্থান পেল। নবম শতকে এই জোড়া সিংহের রূপ বদল হল। এখন থেকে একজনের মুখ খোলা আর একজনের মুখ বন্ধ। যদিও তার ব্যাতিক্রম যে হয় না এমনটা নয়। এই পরিবর্তনের তাৎপর্য নজর করার বিষয়।খোলা মুখের অর্থ  সংস্কৃত  'ও' আর বন্ধ মুখে তার বাকি অংশ 'ম' উচ্চারিত। দুয়ে মিলে 'ওম'। বোঝ কান্ড। হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, "সব পথ এসে মিলে গেল শেষে....."। তৃতীয় শতকে ভারতে সম্রাট অশোক সিংহের মুখওয়ালা অশোক স্তম্ভ স্থাপন করলেন। সেই ধারা পৌঁছোলো চীনে। সেখান থেকে কোরিয়া হয়ে জাপানে কোমাইনুর মূর্তি ধরে মন্দিরের দ্বাররক্ষী হিসাবে আবার এমন করে ফিরে পাব কে জানত। মানব সংস্কৃতির এই লেনদেন চিরন্তন। সে যুগে আন্তর্জালের অভাব তাকে ক্ষুণ্ণ করতে পারে নি এক ফোঁটাও। 
    মন্দির প্রাঙ্গনে প্রবেশ করে দেখলাম একটা ছোট ছাউনি মতো করা আছে। সেখানে আলো জ্বলছে। ছাউনির নীচে কুল কুল জল্প্রবাহের শব্দ  নিস্তব্ধতা চিরে রাতকে করে তুলেছে রহস্যময়ী। তখন প্রায় দশটা বাজে। গা টা ছমছম করে ঊঠল। আর কোন টুরিষ্ট সেভাবে নজরে পড়ল না। মনে মনে প্রমাদ গুনলাম। বোনটা আমার এই বয়সেও বেশ ছেলেমানুষ। ওর কথায় এভাবে চলে আসাটা কি হঠকারীতা হয়ে গেল? সন্দিদ্ধ মন নিয়ে ছাঊনির দিকে এগোলাম।শুদ্ধিকরণের জন্য তৈরি জায়গাটাকে টেমিযুয়া বলে। টেমিযুয়ায় পৌঁছে দেখলাম একটা বোর্ডে শুদ্ধিকরণের পদ্ধতি জাপানি আর ইংরাজি ভাষায় বোঝানো আছে। বাঁশের তৈরি হাতা, হিশাকু সাজানো আছে দুটো লম্বালম্বি রাখা বাঁশের ওপর। নীচে একটা বেসিনের মতো বানানো আছে। সেখানে কয়েকটা সরু বাঁশের মধ্যে দিয়ে ঠান্ডা জল তিরতির করে পড়ছে। নিয়ম মেনে ডান হাতে একটা হিশাকু ধরে জল তুললাম। এই একবার তোলা জলে পুরো ব্যাপারটা সেরে ফেলতে হবে। একটু জল বাঁ হাতে দিলাম এবার হিশাকু বাঁ হাতে নিয়ে একটু জল ডান হাতে দিলাম। এবার আবার হাত পরিবর্তন। ডান হাতে হিশাকু নিয়ে এবার আবার বাঁ হাতে জল। তারপর বাঁ হাতে জল নিয়ে মুখে দিয়ে কুলকুচি।মুখের জল পাশের নর্দমায়। এবার আবার বাঁ হাত ধুয়ে হিশাকু খাড়াভাবে ওপরনীচ করে ধরলে যেটুকু জল হিশাকুতে রইল সেটা দিয়ে হাতলখানা ধুয়ে যেখানকার জিনিস সেখানে রাখা।এমন একটা শুদ্ধিকরণ করে মনে হল শুচি হওয়া নিয়ে এ জাতির কিঞ্চিৎ শুচিবায়ুগ্রস্ততা আছে বটে। আমরা পশ্চিম দিক দিয়ে ঢুকেছি। 

    সমস্ত মন্দির চত্বরের মধ্যে বিশেষ ধরণের বাতি জ্বলছে। বাতিগুলো আধাস্বচ্ছ ঢাকনা দিয়ে ঢাকা বলে আলোর বাড়াবাড়ি নেই। মৃদু আলোয় চারপাশে নরম একটা আবেশ ছড়িয়ে পড়ছে। সামনে এগোতে নজরে পড়ল অনেক অমন শেড পরানো আলো ঝোলানো একটা বড় বেদির মতো করা। জানা গেল এটা নাচের স্টেজ। এখানে প্রতি বছর জুলাই মাসে গিয়ন মাতসুরি উৎসবের সময় বিভিন্ন নাচের অনুষ্ঠান হয়। স্টেজের ছাউনি থেকে সারি সারি বাতি ঝোলানো। বাতির শেডের গায়ে জাপানি ভাষায় কি সব লেখা। পরে জেনেছি স্থানীয় ব্যবসাদারদের অনুদানের প্রচারমাধ্যম ওই বাতি সজ্জা। কিছুটা এগিয়ে যেতে মন্দির নজরে পড়ল। সামনের অংশে প্রার্থনা করা হয়। সারি সারি সোনালি ঘন্টা থেকে দড়ি ঝুলছে। প্রার্থনারও নিজস্ব রীতি আছে। ঘন্টা বাজিয়ে, মাথা ঝুঁকিয়ে, তালি মেরে ঈশ্বরের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে বিশ্বাসী শিন্তো ধর্ম। ভিতরের দিকের অংশে দেবতা অধিষ্ঠিত আছেন। সতেরশো শতাব্দীতে মন্দিরের প্রধান অংশ পুনর্নিমিত হয়। আমরা আমাদের মতো করেই প্রার্থনা সেরে চারপাশটা ঘুরে দেখতে লাগলাম। এগিয়ে যেতে যেতে চোখে পড়ল একটা ছোট মন্দির সামনে একটা স্তম্ভাকার গেট(টোরি)। টোরি কি সে প্রসঙ্গে পরে আসছি। আমাদের যেমন প্রধান মন্দির চত্বরে আরো ছোট ছোট মন্দিরে অন্য দেবতারাও পূজিত হন তেমনই এখানেও নজরে পড়ল। রাত বেশ গাঢ় হয়েছে। আকাশের গায়ে যেন শীতলতার চাদর। এক দুজন জাপানের মানুষ কেবল নজরে পড়ল। আমাদের রাতের বেলা এই মন্দিরে আসার পরিকল্পনা দুটো কারণে করা এক ভিড় কম হবে আর দুই রাতে লন্ঠনের শোভা দেখতে পাব। আমাদের পরিকল্পনা যে একশো ভাগ সফল তা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। শিন্তো স্রাইনে সব সমস্যার সমাধান আছে। আর্থিক সমস্যা, পরীক্ষার ফল, ব্যক্তিগত সম্পর্ক সব কিছুতেই আছেন সংশ্লিষ্ট দেবতা। এমন কি গোটা বিশ্ব যখন সৌন্দর্যের পণ্যায়নে কোটি কোটি টাকা লগ্নীকরণে মেতে উঠেছে তখন শিন্তো স্রাইন রূপ সচেতন মেয়েদের সে সমস্যারও সমাধান  দিয়ে থাকে একদম নিখরচায়। আমরা যে মন্দিরের সামনে দাঁড়িয়ে সেই মন্দিরে অধিষ্ঠিত আছেন সৌন্দর্যের তিন দেবী। নারা যুগে( ৭১০ থেকে ৭৮৪) লেখা জাপানের প্রাচীনতম গ্রন্থ কোজিকিতে আছে এই তিন দেবীর  উত্থানের গল্প। এঁরা থাকেন এই উতসুকুশি গোযেন শা নামের স্রাইনে। উতসুকুশি মানে সৌন্দর্য, গোযেন মানে নারী আর শা মানে মন্দির। মন্দিরের পাশে নজরে পড়ল একটা পাথরের ছোট্ট চৌবাচ্চার মতো করা আর তাতে বাঁশের পাইপ লাইন দিয়ে তির তির করে জল পড়ছে। ভূগর্ভ থেকে উঠে আসা এই জল পান করে, ঘন্টা বাজিয়ে মাথা নত করলে দেবীর বরে সৌন্দর্যপ্রাপ্তির জন্য আর বাজার চলতি পণ্যের ওপর নির্ভর করতে হবে না। তাছাড়া সমস্যার কথা কাগজে লিখে গাছে টাঙিয়ে দিলে নাকি সৌভাগ্য সঙ্গে নিয়ে ফেরা যায়, দুর্ভাগ্য রয়ে যায় গাছের কাছেই।এমনটাই বিশ্বাস করেন জাপানের মানুষ। ঘুরতে ঘুরতে দক্ষিণ দিকে নজরে পড়ল একটা বিরাট লাল রঙের গেট। জাপানের ভাষায় যার নাম হল টোরি। জাপানের প্রায় সব মন্দিরেই নজরে পড়বে টোরি। লম্বালম্বি দুটো আর আড়া আড়ি দুটো স্তম্ভ দিয়ে তৈরি টোরির নাকি অন্তর্নিহিত একটা মানেও আছে। আড়া আড়ি আর লম্বা লম্বি ভাগ করা দুই ধরণের স্তম্ভ দিয়ে আসলে মানুষের সাধারণ জীবনযাপনের পরিসর থেকে এই পবিত্র পরিসরের গন্ডিকেই আলাদা করা হয়েছে। নৈতিক শিক্ষা নয় প্রকৃতির মূল্য দেওয়ার শিক্ষাই পারতপক্ষে দেওয়া আছে  এই ধর্মে। এবার আমরা দক্ষিণের এই গেট দিয়ে বেরিয়ে পড়লাম আরেকটা শিন্তো স্রাইনের উদ্দেশ্যে। এবার যাব ফুশিমি ইনারি। 
     
    কেইহান লাইন ধরে যখন ফুশিমি ইনারি স্টেশনে পৌঁছোলাম তখন রাত এগারোটা বেজে গেছে। এই মন্দিরও  সারারাত খোলা থাকে। স্টেশন থেকে হাঁটা পথে মন্দির কাছেই। কিয়োতোর পূর্ব দিক থেকে এখন চলে এসেছি পুরোপুরি দক্ষিণে। জাপান ভ্রমণে এসে এই দেশের ইতিহাস, লোকাচার, সংস্কৃতি, বিশ্বাস সম্বন্ধে এত কিছু জানতে পেরে খুব ভাল লাগছিল। এশিয়ার এই দেশটি চিরকাল আমার মনে কৌতুহলের বেড়াজাল তৈরি করে রেখেছিল। সেই বেড়াজাল ছিঁড়ে গিয়ে আস্তে আস্তে  আমার মানসচক্ষের সে তৃষ্ণা চর্মচক্ষুর দৃষ্টিসুখে পরিনত হওয়ায় জীবন যে কত আনন্দময় সে যেন নতুন করে উপলব্ধি করলাম। 
    টোরি গেটের সারি

     টেমিযুয়ায় শুদ্ধিকরণ

     
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে প্রতিক্রিয়া দিন