ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  আলোচনা   স্বাস্থ্য

  • স্বাস্থ্য গবেষনা; স্বাস্থ্য উদ্বেগ

    Sumit Roy লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | স্বাস্থ্য | ০৯ এপ্রিল ২০২২ | ২৯৯ বার পঠিত
  • ৮ এপ্রিল : ইউক্রেনে ১০০টিরও বেশি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে হামলা চালানো হয়েছে, বলছে ডব্লিউএইচও
     
    ইউক্রেনে চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে অন্তত ১০০টি হামলার ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এটিকে একটি "মারাত্মক মাইলফলক" (grim milestone) হিসাবে বর্ণনা করে ডব্লিউএইচও বলেছে যে ২৪শে ফেব্রুয়ারি ইউক্রেইনে রাশিয়া আক্রমণ করার পর থেকে তারা ইউক্রেনের স্বাস্থ্য অবকাঠামোর উপর মোট ১০৩ টি হামলার সত্যতা যাচাই করেছে, যার মধ্যে ৮৯ টি আক্রমণ স্বাস্থ্য সুবিধা বা হেলথ ফ্যাসিলিটিগুলিকে ও অ্যাম্বুলেন্স সহ ১৩টি পরিবহনকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

    স্বাস্থ্যসেবা ফ্যাসিলিটিগুলোর আক্রমণ আন্তর্জাতিক মানবিক আইন দ্বারা নিষিদ্ধ, আইনটি ১৮৬৪ সালে প্রথম জেনেভা কনভেনশনের অধীনে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এখানে এই আক্রমণকে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এভাবে যে, "মৌখিক বা শারীরিক সহিংসতা বা বাধা বা সহিংসতার হুমকির সাথে সম্পর্কিত যে কোনও কাজ যা নিরাময়মূলক এবং/অথবা প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য পরিষেবাগুলির প্রাপ্যতা, প্রবেশাধিকার এবং বিতরণে হস্তক্ষেপ করে" - এগুলোকেই স্বাস্থ্যসেবা ফ্যাসিলিটিগুলোর ওপর আক্রমণ হিসেবে ধরা হবে। যাই হোক, এটি সত্ত্বেও, হাসপাতাল এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো প্রায়শই সশস্ত্র সংঘাতে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়। ২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ডব্লিউএইচও ১১টি দেশ ও অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবার ওপর অন্তত ১৬০টি হামলার ঘটনা নথিভুক্ত করেছে।

    ইউক্রেনের ডাব্লুএইচও প্রতিনিধি ডাঃ জারনো হাবিচট একটি বিবৃতিতে বলেছেন "ইউক্রেন জুড়ে, ১,০০০টি স্বাস্থ্য সুবিধাগুলি সংঘাতপূর্ণ এলাকায় বা এরিয়া অফ কন্ট্রোলের এলাকার কাছাকাছি রয়েছে।... সারা দেশের স্বাস্থ্যকর্মীরা যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসা সেবার প্রয়োজনে সেবা দিচ্ছে তাদেরকে এবং তারা যেসব রোগীদেরকে সেবা দিচ্ছে তাদেরকে কখনোই লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা উচিত নয়। অধিকন্তু, স্বাস্থ্যসেবাগুলোকে ধ্বংস করার মাধ্যমে বা এগুলো ধ্বংস হতে পারে এমন ভয় দেখিয়ে যখন মানুষকে স্বাস্থ্যসেবার সন্ধান ও প্রবেশাধিকারে বাধা দেওয়া হয় তখন তারা আশা হারিয়ে ফেলে। যুদ্ধের ফলে যে মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়েছে তার অবমূল্যায়ন করা যায় না, এটি বেসামরিক নাগরিক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সমানভাবে প্রভাবিত করে।" ডব্লিউএইচও'র মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসাস এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, "স্বাস্থ্যসেবার ওপর হামলা অব্যাহত থাকায় আমরা ক্ষুব্ধ। স্বাস্থ্যসেবার ওপর হামলা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের লঙ্ঘন।... শান্তিই একমাত্র পথ।... আমি আবারও রাশিয়ান ফেডারেশনকে যুদ্ধ বন্ধ করার আহ্বান জানাচ্ছি।"

    তথ্যসূত্র
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Sumit Roy | ০৯ এপ্রিল ২০২২ ০০:০২736152
  • ৮ এপ্রিল : গান-ওউনারদের সাথে বসবাসকারী ব্যক্তিরা অন্যদের তুলনায় দ্বিগুণ হত্যার শিকার হয়
     
    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রো-গান ব্যক্তিরা নিজেদের, নিজেদের পরিবার ও সম্পত্তিকে রক্ষা করার জন্য একটি গান সাথে রাখেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ১০০ জনের জন্য ১২০টি করে গান রয়েছে, অর্থাৎ দেশটিতে যেকোন আক্রমণকারীর হাতেই বন্দুক থাকার সম্ভাবনা অনেক। কিন্তু গবেষণায় ধারাবাহিকভাবে দেখানো হচ্ছে যে গান বহন করলে নিরাপত্তা বৃদ্ধি হয় না, বরং হ্রাস পায়। যুক্তরাজ্যে যেমন ছুরি বহন করার ফলে ছুরিকাঘাতের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পেতে দেখা গেছে, তেমনি গান ব্যবহার করলেও গুলিবিদ্ধ হবার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়, আর এটি আপনার সাথে যারা বাস করে তাদের জীবনকেও বিপদে ফেলতে পারে। Annals of Internal Medicine জার্নালে প্রকাশিত নতুন গবেষণা অনুসারে, ক্যালিফোর্নিয়ার নাগরিকরা যারা আইনত তাদের বাড়িতে একটি হ্যান্ডগান রাখে, তাদের হত্যার মাধ্যমে মৃত্যুর ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় দ্বিগুণ হয়ে যায়। তাদের ক্ষেত্রে জীবনসঙ্গী বা পার্টনারদের দ্বারা গুলিবিদ্ধ হবার সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেশি। গবেষণার লেখক লিখেছেন, "নিজেকে এবং প্রিয়জনদের রক্ষা করা প্রায়শই একটি হ্যান্ডগান কেনার কারণ হয়, তবে হ্যান্ডগানের মালিকের সাথে বসবাসকারী প্রাপ্তবয়স্কদের (বিশেষ করে মহিলাদের) হত্যার দ্বারা মারা যাওয়ার ঝুঁকি হ্যান্ডগান নেই এমন পরিবারগুলিতে বসবাসকারী প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় বেশি পাওয়া গেছে।"

    পূর্ববর্তী গবেষণা দেখিয়েছিল বাড়িতে বন্দুকের মালিকানা আত্মহত্যা এবং হত্যার শিকার হওয়ার সম্ভাবনা উভয়ই বাড়িয়ে তোলে। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা এই সম্পর্কের গভীরে প্রবেশ করতে চেয়েছিলেন। ক্যালিফোর্নিয়ার ২১ বছর বা তার বেশি বয়সী ১৭,৫০০,০০০ এরও বেশি প্রাপ্তবয়স্কদের একটি বড় দল নিয়ে তারা গবেষণা করেন। এদের মধ্য থেকে গবেষকরা সনাক্ত করেছিলেন যে কারা হ্যান্ডগানের মালিক, কারা হ্যান্ডগান মালিকদের সাথে বসবাস করত এবং এবং কারা হত্যার শিকার হয়েছিল।

    ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে এই গবেষণায় দেখা গেছে, এই সাড়ে সতেরো মিলিয়ন লোকের মধ্যে ৭,৩৭,০১২ জন মারা গেছেন এবং তাদের মধ্যে ২,২৯৩ জন হত্যার শিকার হয়েছেন। এই হত্যার শিকারদের মধ্যে যাদের বাড়িতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল তাদের সংখ্যা যাদের মধ্যে আগ্নেয়াস্ত্র ছিলনা তাদের তুলনায় দ্বিগুণ। এটি নির্দেশ করছে, হ্যান্ডগান নিয়ে বাস করলে মৃত্যুর ঝুঁকি দ্বিগুণ হয়ে যায়। যারা হ্যান্ডগান ওউনারের সাথে বাস করেন তাদের নিজেদের জীবনসঙ্গীর দ্বারা মৃত্যুর সম্ভাবনা আরও সাতগুণ বেশি। এবং এই হত্যার শিকারের ৮৫%-ই নারী। শিশুরাও হ্যান্ডগান ওউনারদের বাড়িতে বর্ধিত পরিমাণে ঝুঁকির মধ্যে থাকে, কিন্তু গবেষণায় এই ঝুঁকি পরিমাপ করা হয়নি।

    সব মিলে, গবেষণার ফলাফলগুলি প্রিয়জনদের সুরক্ষার জন্য একটি হ্যান্ডগান কেনার সিদ্ধান্তের জন্য একটি অভিশপ্ত উপসংহারকেই প্রস্তাব করে। গবেষকরা বলেন যে, তারা তাদের গবেষণায় বন্দুকের অবৈধ মালিকানাকে বিবেচনা করেননি, যেগুলোকে বন্দুক-মুক্ত বাড়ির কাতারেই ফেলা হয়েছে। এটি বিবেচনায় নিলে ফলাফল আরও ভয়াবহ হতো। তারা ভবিষ্যতের গবেষণায় এই বিষয়টিকেও বিবেচনায় আনতে চান।
     
    তথ্যসূত্র
  • Sumit Roy | ০৯ এপ্রিল ২০২২ ০০:০৪736153
  • ৭ এপ্রিল : কানাডা শীঘ্রই "অনিবারণযোগ্য" মানসিক অসুস্থতার জন্য মেডিকেলগতভাবে সহায়তাপ্রাপ্ত আত্মহত্যার অনুমতি দেবে
     
    আগামী বছর, কানাডা বিশ্বের কয়েকটি দেশের মধ্যে একটি হয়ে উঠবে যা গুরুতর এবং দুরারোগ্য মানসিক অসুস্থতার রোগীদের মৃত্যুর জন্য চিকিৎসা সহায়তা চাইতে অনুমতি দেবে। সহায়তামূলক আত্মহত্যা (Assisted suicide) কখনও কখনও ইউথেনেসিয়া বা medical aid in dying (MAID) নামে পরিচিত। এটি গুরুতর অসুস্থ প্রাপ্তবয়স্কদের দুর্ভোগ শেষ করার জন্য ২০১৬ সালের জুন থেকে কানাডায় প্রথম আইনগতভাবে বৈধ হয়ে ওঠে। ২০২১ সালের মার্চ মাসে, আইনটি আরও সংশোধন করা হয় এবং "গুরুতর এবং চিকিৎসায় অনিবারণযোগ্যতার শর্তযুক্ত" রোগীদের জন্য সহায়তামূলক মৃত্যুর অনুমতি দেয়া হয়। তবে তবে মানসিক অসুস্থতা, দীর্ঘমেয়াদী অক্ষমতা বা নিরাময়যোগ্য রোগের ক্ষেত্রে এটি বৈধ ছিলনা। এই আইনের নতুন একটি পরিবর্তন আনা হয়েছে যা ২০২৩ সালের মার্চ থেকে কার্যকর হবে বলে ধার্য করা হয়েছে। এক্ষেত্রে এমন ব্যক্তিদের জন্যেও সহায়তামূলক আত্মহত্যার অনুমতি দেয়া হবে যাদের গুরুতর বিষণ্নতা, বাইপোলার ডিসঅর্ডার, পারসোনালিটি ডিজর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া, পিটিএসডি, বা অন্য কোনও মানসিক স্বাস্থ্যবিষয়ক সমস্যা রয়েছে যেগুলোকে যেকেনো চিকিৎসার ক্ষেত্রেই অনিবারণযোগ্য বলে মনে হয়। সহায়তাপূর্ণ মৃত্যুর জন্য যোগ্য হওয়ার জন্য, মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের অবশ্যই ১৮ বা তার বেশি বয়সী হতে হবে, "মানসিকভাবে সক্ষম" হতে হবে, জ্ঞাত সম্মতি প্রদান করতে হবে এবং দেখাতে হবে যে তাদের সিদ্ধান্তটি বাইরের চাপ বা প্রভাবের ফলাফল নয়। যাইহোক, এই সংবেদনশীল বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত হলো মিশ্র, এবং সংশোধিত আইনের নির্দিষ্ট দিকগুলি কীভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    কানাডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নাল দ্বারা প্রকাশিত একটি সাম্প্রতিক গবেষণায় নেদারল্যান্ডসের অনিবারণযোগ্য মানসিক অবস্থার লোকদের জন্য সহায়তামূলক আত্মহত্যার দিকে নজর দেওয়া হয়েছিল, যেখানে আইনটি ২০০২ সাল থেকে আইন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে আসছে। কোন মানসিক স্বাস্থ্যের অবস্থা সত্যিই অনিবারণযোগ্য বা চিকিৎসাযোগ্য কিনা তা সংজ্ঞায়িত করা কতটা কঠিন তা এই গবেষণার প্রতিবেদনে বর্ণনা করা হয়। প্রোগ্রেসিভ বা ডিজেনারেটিভ শারীরিক স্বাস্থ্যের অবস্থার ক্ষেত্রে যেভাবে "রোগনির্ণয়মূলক ভবিষ্যদ্বাণী" করা সম্ভব, বেশিরভাগ মানসিক ব্যাধিগুলোর ক্ষেত্রে তেমনটা করা যায়না। এর অর্থ হচ্ছে আসলেই কোন মানসিক ব্যাধি চিকিৎসাযোগ্য নাকি অনিবারণযোগ্য, চিকিৎসার সাথে রোগীর উন্নয়ন কেমন হবে এসবের ভবিষ্যদ্বাণী করা খুবই কঠিন, কারও কারও মতে তো অসম্ভব। গবেষণা প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, মানসিক রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সহায়তামূলক আত্মহত্যার অনুরোধ প্রায় ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রেই নেদারল্যান্ডসের মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা প্রত্যাখ্যান করেছেন। কানাডার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে, এই গবেষণাটির ডাচ মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ড. সিস্কো ভ্যান ভিন বলেন, "সাইকিয়াট্রিতে, সত্যি বলতে আপনার কাছে যা এভেইলেবল তা হল রোগীর বলা গল্প, আপনি আপনার চোখ দিয়ে যা দেখেন, আপনি যা শোনেন এবং রোগীর পরিবার আপনাকে যা বলে।" কানাডিয়ান সাইকিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তন সভাপতি এবং হ্যালিফ্যাক্স ফরেনসিক মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ গ্রেইন নিলসন বলেন, "আমি মনে করি আইনটি কীভাবে প্রয়োগ করা যায় সে সম্পর্কে ২০২৩ সালের মার্চে অনেক অনিশ্চয়তা থাকবে।"
     
    তথ্যসূত্র 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন