ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • স্প্রিনটার - ৬

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৬ জানুয়ারি ২০২২ | ৩৩৪ বার পঠিত
  • প্রতিযোগিতার ব্যবস্থাপকরা অনুষ্ঠানটিকে বর্ণাঢ্য করে তুলতে কোন ত্রুটি রাখেন নি। স্টেডিয়ামের চারদিকে গোল করে লাগান নানা রঙের পতাকা উড়ছে। স্টেডিয়ামের বাইরেও অ্যাথলেটিক্সের নানা কোলাজ সহ বেশ কিছু আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপনী বোর্ড লাগান হয়েছে।

    স্টেডিয়ামের দুটো গেট খুলে দেওয়া হয়েছে। প্রবেশ অবারিত। অ্যাথলেটিক্স প্রমোশানই এর উদ্দেশ্য।

    মাঠের একপাশে বড় সামিয়ানা লাগিয়ে অনেক চেয়ার পাতা হয়েছে। একটা বড় টেবিলও রয়েছে । তাতে নানা কাপ, মেডেল ইত্যাদি সাজানো রয়েছে।

    বেলা বারোটা বাজে। মাঠে কিন্তু বেশ লোক জমতে শুরু করেছে। তারা গ্যালারীতে ইতিউতি বসে পড়তে লাগল।

    সত্যেন্দ্রনাথ মুখার্জীকে পশ্চিম দিকের গেট দিয়ে ঢুকতে দেখা গেল। কৌস্তভ অপেক্ষা করেছিল তার জন্যই। সে এবং আরও দুজন উদ্যোক্তা । লাভলি এখনও এসে পৌঁছয় নি। তাকে অবশ্য একটা নাগাদ আসতে বলা হয়েছে। শুভকে নিয়ে স্পন্দন, পায়েল এবং তাদের বাচ্চা সকাল দশটার সময় এসে গেছে এবং তাদের সঙ্গে অবশ্যই এসেছেন মোহিনীমোহন এবং নিরুপমা।

    স্টেডিয়ামের ড্রেসিং রুম খুলে দেওয়া হয়েছে অ্যাথলিটদের জন্য।

    রোদে ভরা স্টেডিয়াম। ঝিরঝিরে হাওয়ায় পতাকাগুলো পতপত করে উড়ছে।

    সকাল দশটা থেকে বিভিন্ন ইভেন্টের হিটগুলো চলছে। বেলা বারোটার সময় লাস্ট ইভেন্ট চারশো মিটারের তিনটে গ্রুপের হিট শুরু হবার ঘোষণা করা হল।

    সত্যেন্দ্রনাথ মুখার্জি সামিয়ানার নীচে তার চেয়ারে গিয়ে বসলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতি ইস্টার্ন ইন্ডিয়ান অ্যাথলেটিক্স অ্যাসোসিয়েশানের ভাইস প্রেসিডেন্ট কৈলাশপ্রসাদ সিং এখনও এসে পৌঁছন নি। তার বোধহয় শুধু পুরষ্কার বিতরণের সময় হাজির থাকলেই চলবে।

    প্রথম দুটো গ্রুপের হিট হয়ে গেল। দুটো গ্রুপেই প্রথম দুটো ছেলে ভালই দৌড়ল। কিন্তু টাইমিং নজর কাড়ার মতো কিছু নয়। সত্যেন্দ্রনাথ অলস চোখে তাকিয়ে রইলেন। তার মনে কোন আলোড়ন উঠল না ।

    শেষ গ্রুপ, মানে ‘সি’ গ্রুপে আছে শুভ। আটজন প্রতিযোগী ট্রাকশ্যুট খুলে স্টার্টিং ব্লকে গিয়ে পজিশন নিল। শুভ আছে আট নম্বর লেনে। যেখানে শুভ চিতার মতো ওৎ পেতে সামনের দিকে তাকিয়ে আছে তার ডানদিকে কুড়ি মিটার দূরে বসে আছেন মোহিনীমোহন ও নিরুপমা। মোহিনীবাবু স্থির দৃষ্টিতে তার সম্পূর্ণ অচেনা শৈল্পিক বিভঙ্গময় ঈষৎ আনত দৃঢ় কঠিন এক স্থাপত্য মূর্তির মতো দৃশ্যমান এক শুভ নস্করের দিকে তাকিয়ে রইল।

    স্টার্টিং শ্যুট হয়ে গেল স্টার্টারের পিস্তলে। ঠিক এই সময়ে লাভলি রায় স্টেডিয়ামে ঢুকল ছেলে জিটোকে সঙ্গে নিয়ে।

    চারশো মিটারের স্টার্টিং একশো মিটারের মতো অত গুরুত্বপূর্ণ নয় কিন্তু শুভ কোন ঝুঁকি নিল না। পিস্তলের আওয়াজ হওয়া মাত্র ব্লক থেকে বেরোল একশ মিটার স্প্রিন্টিং-এর স্টাইলে। কারণ তার বিদ্যুৎ শিহরিত দুটি পা যে অনেক লোকের বকলমা নিয়ে বসে আছে। সে বিদ্যুতিক প্রক্ষেপন ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড বিশেষজ্ঞদের তৈরি করা টেকনিক এবং স্ট্র্যাটেজি জানে না...... তার গতি আরণ্যক — প্রাকৃত, জান্তব।

    পিস্তলের বিস্ফোরণ হওয়া মাত্র গুলির মতো ছিটকে বেরিয়ে গেল শুভ।

    শুভ যখন প্রথম ল্যাপ শেষ করছে অন্য সাতজন তখন অন্তত পনের মিটার পিছনে। চালু রীতি অনুযায়ী শেষ ল্যাপে গিয়ে গতি বাড়াবে। শেষ পাক যখন শুরু হল শুভ একশ মিটারের স্প্রিন্ট টানতে শুরু করল। তৃতীয় লেনের পরের প্রতিযোগী শুভর দশ বারো মিটার পিছনে। সতেন্দ্রনাথবাবু দাঁড়িয়ে উঠলেন। এমন দৌড় শেষ কবে দেখেছেন মনে করতে পারলেন না। অশীতিপর বৃদ্ধ মোহিনীবাবু উজ্জ্বল বিস্ময়ে নির্বাকভাবে তাকিয়ে রইলেন। নিরুপমা দেখলেন মোহিনীমোহনের ডানহাতের মুঠি পাকিয়ে উঠেছে। শুভ দ্বিতীয়জনকে দশ মিটার পিছনে রেখে ফিনিশিং লাইন পেরোল। সত্যেনবাবু হাততালি দিতে ভুলে গেলেন। তার চোখে স্বপ্নের ঘোর লাগল। তিনি বোধহয় সমুদ্রের গভীর তল থেকে তার খুঁজে বেড়ান রত্নধন খুঁজে পেলেন।

    সব ইভেন্টেরই হিট শেষ হয়ে গেল। বেলা একটা বাজে এখন। স্পন্দন ট্র্যাকের একপাশে দাঁড়িয়ে বলল, ‘একদম ঠিক আছে .... তুই নিজের মতো করে দৌড়। কনভেনশানাল কিছু ফলো করার দরকার নেই। মনটাকে কনসেনট্রেট করে একটা বিন্দুতে এনে ফেল। দেখবি রেজাল্ট খুব ভাল হবে।’ শুভ কি বুঝল কে জানে, বাধ্য ছেলের মতো ঘাড় নাড়ল।

    ভবানীপুর থানার ওসি কৌস্তভ লাহিড়ি সত্যেন্দ্রনাথের কাছে গিয়ে একটু ঝুঁকে বললেন, ‘স্যার ....ওই আপনাকে যে কেসটার কথা বলেছিলাম .... এই ভদ্রমহিলা .... খুব ট্রমাটাইজড এবং ডিসট্রট হয়ে আছেন....’
    — ‘ ও ..... আচ্ছা আচ্ছা .... উনি কি এসেছেন?’
    — ‘ হ্যাঁ স্যার .... ওই ওখানে ....’
    — ‘ ঠিক আছে .... ডোন্ট ওয়ারি.... ফোর হানড্রেড মিটারস-এর ফাইনালটা কমপ্লিট হবার পর কথা বলে নেব। সত্যি কথা বলতে কি, ওই লাল কস্টিউমের আট নম্বর ছেলেটার স্প্রিন্টটা দেখার পর আমি একটা ট্রান্সের মধ্যে আছি। যতক্ষণ না ফাইনালটা হচ্ছে আমি ঠিক ..... ডোন্ট মাইন্ড ....’।
    কৌস্তভ লাভলির কাছে গিয়ে বলল, ‘ ম্যাডাম আপনি একটু ওয়েট করে যান। ইভেন্টটা শেষ হলে স্যার কথা বলবেন। চিন্তা করবেন না..... উনি যখন কথা দিয়েছেন .... ’
    লাভলি বলল, ‘ ঠিক আছে .... আমি ওয়েট করছি।’

    একে একে সব ইভেন্ট শেষ হয়ে গেল । এই প্রতিযোগিতায় অবশ্য হ্যামার এবং ডিসকাস থ্রোয়িং বাদ দেওয়া হয়েছে। সবশেষে চারশো মিটারের ফাইনাল স্প্রিন্টিং। আট নম্বর লেনে লাল কস্টিউমের শুভ নস্কর। সত্যেনবাবু শিরদাঁড়া সোজা করে উদগ্রীব হয়ে তাকিয়ে রইলেন আশপাশের সবকিছু ভুলে গিয়ে। তিনি খেয়ালই করলেন না, এইমাত্র অনুষ্ঠানের সভাপতি কৈলাশপ্রসাদ সিং এসে উপস্থিত হয়েছেন এবং একটা ঠান্ডা পানীয়ের বোতলে টান দিচ্ছেন তার পাশেই বসে।

    মাঠে এতক্ষণে দর্শক কিছু কম জমে নি। এরা নিখাদ ক্রীড়াপ্রেমিক জনতা। খেলাধুলো নির্ভেজালভাবে ভালবাসে। এরা মাঠে এসেছে অনেকক্ষণ হয়ে গেল। চারশো মিটারের শেষ হিটটা দেখার পর থেকে তীব্র উত্তেজনার স্বাদ পাবার অপেক্ষায় বসে আছে। জনতা সবসময় একজন হিরোর খোঁজে থাকে। তারা বোধহয় আট নম্বর লেনের লাল গেঞ্জি পরা কালোমতো ছেলেটার মধ্যে একটা হিরোর গন্ধ পাচ্ছে।

    আটটা শরীর যে যার লেন ধরে ছুটতে শুরু করল, যে যার কোচের শেখান মাপা স্ট্র্যাটেজিতে। কেউ স্লো স্টার্ট নিল, কেউ মিডিয়াম, কেউ বা মিডিয়াম ফাস্ট। ফিনিশিং ল্যাপের জন্য দম ধরে রাখার বিভিন্ন প্রক্রিয়া ও কৌশল। তাদের ট্রেনারের সিস্টেমের ছাঁচে তাদের স্টাইল ঢালা।

    আট নম্বর লেনের দৌড়বাজ — এক আরণ্যক আদিম প্রাকৃতিক শক্তি। এসব প্রথাগত পদ্ধতি প্রকরণের বাইরে। সাড়ে নয় সেকেন্ডে একশ মিটার গতিতে দুটো পা আট নম্বর লেন থেকে বেরিয়ে গেল উল্কার মতো। চল্লিশ মিটার পেরোবার পর গ্যালারির জনতা তাদের কাঙ্খিত উত্তেজনার আঁচ পেয়ে গেল। শান্ত গ্যালারি আচমকা উত্তেজনায় তপ্ত হয়ে উঠল। একনাগাড়ে গর্জন উঠতে লাগল। সাধারণ জনতা সর্বত্রই একজন হিরো চায়, এক বিস্ময়-মানুষ চায়।

    শুভ বন্য গতিতে স্প্রিন্ট টেনে চলেছে। তার যখন দেড় ল্যাপ শেষ ,অন্যরা তখন প্রথম ল্যাপ পেরোচ্ছে। সত্যেন্দ্রনাথ স্থান কাল ভুলে হুড়মুড়িয়ে চেয়ার টেয়ার ঠেলে বেরিয়ে এসে রানিং ট্র্যাকের একেবারে ধারে গিয়ে দাঁড়ালেন। একটু ঝুঁকে দুহাতে তালি বাজাতে বাজাতে চেঁচাতে লাগলেন, ‘কাম অন .... কাম অন .... ব্রিলিয়ান্ট মাই বয়.... ক্যারি অন ..... গো গো গো ..... ’

    সত্যেনবাবুর পাশ দিয়েএক ঝটকায় বেরিয়ে গেল শুভ গো গো গো .... শুনতে শুনতে।

    তিনটে ল্যাপ পেরোল শুভ। এবারে শেষ ল্যাপ। অন্যরা এতক্ষণে গতি বাড়িয়েছ। সেটা তাদের নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতার কাজে লাগতে পারে কারণ শুভ যখন ফিনিশিং লাইন ছুঁল তারা ওর ধারে কাছেও কেউ নেই। গ্যালারিতে সাত আট হাজার লোক প্রবল চিৎকারে স্টেডিয়াম কাঁপিয়ে দিচ্ছে।

    বৃদ্ধ অথর্ব মোহিনীবাবু দাঁড়িয়ে উঠে একজন তরতাজা যুবকের মতো দুহাত মুষ্ঠিবদ্ধ করে ক্রমাগত ঝাঁকিয়ে যেতে লাগলেন। মাথা নীচু করে চোখ বুজে বিড়বিড় করে কি যেন বলতে লাগলেন । ওই হইহট্টগোলের মধ্যেও দুটো কথা নিরুপমা ঠি ক শুনতে পেলেন— ‘সাবাশ বাবলু ..... সাবাশ ’।

    শুভ পোডিয়ামে মাঝখানের চ্যাম্পিয়ান স্ট্যান্ডে উঠে দাঁড়াল জীবনে এই প্রথমবার। দর্শকরা কি আশ্চর্যের ব্যাপার, এখনও স্টেডিয়াম ছাড়ে নি। কৈলাসপ্রসাদজি মেডেল পরিয়ে দিলেন তিনজনকেই। শুভ মাথা নীচু করে মেডেল পরার সময় গ্যালারি থেকে তুমুল গর্জন উঠতে লাগল। সত্যেন্দ্রনাথ বিহ্বল অবস্থায় এক নাগাড়ে হাততালি দিয়ে যেতে লাগলেন। তিনি বোধহয় তার স্বপ্নের স্প্রিন্টারকে খুঁজে পেলেন।

    একটু পরে সমস্ত ইভেন্টের প্রতিযোগিদের পুরস্কার বিতরণ করা হল সত্যেন্দ্রনাথের হাত দিয়ে । শুভর হাতে কাপ তুলে দেওয়ার সময় তিনি গভীর আবেগাপ্লুত হয়ে শুভকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন।

    বেলা পড়ে এল। স্টেডিয়াম ধীরে ধীরে ফাঁকা হয়ে গেল।

    শুভ স্পন্দন এবং মোহিনীবাবুদের কাছে গিয়ে দাঁড়াল গলায় সোনার মেডেল পরে। স্পন্দন আবেগহীন পেশাদারি গলায় হাসতে হাসতে বলল, ‘ভাগ্যিস পায়েল ম্যাডাম খবরটা দিয়েছিল। আর কিছু না হোক না হোক পোডিয়ামে উঠে গলায় মেডেল পরাটা তো তোর প্র্যাকটিস হয়ে গেল.... কি বলিস.... হা : হা: হা: .... এই শুরু হল ......বুঝলি ? ’
    মোহিনীবাবু শুভর মাথায় হাত দিয়ে বললেন, ‘বড় ভাল লাগল .... আবার কবে হবে বাবা?’
    উত্তরটা স্পন্দন দিল, ‘খুব শীগ্গির মেশোমশাই ..... জামশেদপুরে .... নিয়ে যাব আপনাদের।’
    মোহিনীবাবু সবাইকে অবাক করে দিয়ে বললেন, ‘আর কোন কষ্ট নেই বাবা .....’

    নিরুপমা দেবী চমকে উঠে স্বামীর মুখের দিকে তাকালেন।

    ওই মাঠে দাঁড়িয়েই প্রশান্ত, অবিচলিত মুখে সত্যেন্দ্রনাথ লাভলি রায়ের কাছ থেকে সব বৃত্তান্ত শুনলেন। কৌস্তভও পাশে দাঁড়িয়ে রইল।

    সত্যেন্দ্রনাথের মন শুভ নস্করের দৌড়ের ছন্দ দোলায় দুলছে এখনও। তিনি শান্ত সমাহিত কন্ঠে বললেন, ‘আমি তোমার পাশে রইলাম। কোন চিন্তা করো না । পুলিশ তোমাকে প্রোটেকশান দেবে। সেটা কৌস্তভ দেখবে। তুমি যদি লিটিগেশানে যেতে চাও ..... তা সে ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স অ্যান্ড রিলেটেড ম্যাটারস কিংবা ডিভোর্স সুট ফাইল অ্যান্ড কমপেনসেশান ক্লেমের ব্যাপারে হোক, আমি আমার সব থেকে ট্রাস্টেড অ্যাডভোকেটের সঙ্গে কথা বলিয়ে দেব। আর যদি ফাউল প্লে হয় ? আমি চারশো মিটারের ওই ছেলেটার মতো দুরন্ত এবং আগ্রাসী .... দুরমুশ করতে ভালবাসি..... এই শোন এটা কিন্তু এক্সক্লুসিভলি আনঅফিসিয়াল।বাইরে লিক হলে কেস ঘেঁটে যাবে। যস্মিন দেশে যদাচার ..... হা: হা:..... সো টেক প্রপার কেয়ার । গট মাই পয়েন্ট ? যেমন কুকুর তেমন মুগুর .... তাই তো ? ’

    শেষের কথাগুলো কৌস্তভের উদ্দেশ্যে বলা। কৌস্তভ বলল, ‘ঠিক আছে স্যার .... ’

    — ‘আর হ্যাঁ নেক্সট উইকে আমি জামশেদপুরে যাব। ওখানে একটা বিগ মিট আছে। ওই শুভ নস্কর, না কি যেন নাম ...ও-ও নাকি পার্টিসিপেট করবে ওখানে হান্ড্রেড মিটার স্প্রিন্টিং-এ। বাট ইউ কিপ গেটিং ইন টাচ উইথ মি অল থ্রু। নেভার লুজ হার্ট আন্ডার এনি সারকামস্ট্যান্সেস.. .. ঠি ক আছে ? ’

    সন্ধে নেমে এসেছে। আপাতত সকলেই যে যার বাড়ি ফিরে গেল আগামীকাল আবার একটা নতুন সূর্য উঠতে দেখার স্বপ্ন বুকে নিয়ে।

    বাড়ি গিয়ে স্পন্দন মেল চেক করে দেখতে পেল জিএনএ থেকে একটা মেসেজ এসেছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের সিদ্ধান্ত জানাবার জন্য। কারণ তাদের সামনের সেশানের ‘রিক্রুটমেন্ট’ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে।

    (পরের অংশ পরের পর্বে )
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aranya | 2601:84:4600:5410:7955:1fa6:38b9:ccb8 | ১৬ জানুয়ারি ২০২২ ১২:২১502706
  • বেশ 
  • Anjan Banerjee | ১৬ জানুয়ারি ২০২২ ১৯:২৪502712
  • ধন্যবাদ
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন