• খেরোর খাতা

  • যমদুয়ারে নকশালি পটলা

    Manab Mondal লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৩ জুন ২০২১ | ৬৭৬ বার পঠিত | রেটিং ৪.৮ (৪ জন)
  • আদর্শ বাঙালির সিক্স প্যাক বা সেক্সি প্যাক কিছুই নেই। ভাতখেকো তাই নিচের অংশটা সরু, পেটের দিকটা মোটা তাই আদুরে নাম পটলা। চায়ের দোকান থেকে খাবার টেবিলে ভীষন প্রতিবাদী তাই উপাধি পেয়েছি নকশালি। আরে একসময় দেখতেন না, মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কথা বলেই আপনি হয়ে যেতেন মাওবাদী তেমনই একটা ব্যাপার। তবে আমি নেতা মন্ত্রীদের বিরোধিতা তো দূরে থাক পাড়াতুতো রাজনৈতিক টিকটিকি গিরিগিটিদের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলি নি কখনও। যত হম্বিতম্বি চেনাজানা মহলে আর কি।

    ছোট্ট বেলা থেকেই সত্যজিৎ রায়ের ফ্যান তাই আরশোলাকে ভয় পেলেও ভূতকে কোনদিন ভয় পাই নি। সময় সুযোগ বুঝে তাই ভূতের বরটা আদায় করলাম। একটু দেরি হল, এরিয়াতে দুমদাম ফ্লাট উঠে যাওয়ায় বাঁশবাগানের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। শেষমেষ পেলাম।

    ভূতের রাজা একটু কিপটে হয়ে গেছে এখন। অনেক দরকষাকষি করে একটা বর দেবে বলল। এখন যা খুশি খেতে চাই না আমি। ফ্রি-তে চাল ডাল তো দিচ্ছে, যথেষ্ট। ভাইপো কিংবা ভাইরা কোটিপতি হোক না আমার বাপের কি আসে যায়। যা খুশি খেতে চাই বরটা তাই নিলাম না, পেট ভরা খেতে পেলেই হবে। দ্বিতীয় বর - ভালো গান করার - কিন্তু সেটাও নিলাম না - বাথরুম সিংগার ভালোই আছি। রিয়েলিটি শোতে নাম লেখাবার ইচ্ছেও নেই আমার। যুদ্ধটুদ্ধ থামাতে যাবার ইচ্ছে নেই আমার। লোকে তো যুদ্ধ ভালোবাসে দেখুন, সবার মোবাইলে পাবজি বাবাজি কতো যুদ্ধর গেম ডাউনলোড করা আছে।

    তৃতীয় বর চাওয়া আগেই ভূত বাবাজি বলল - একে লকডাউন গাড়িঘোড়া নেই, তার ওপর পেট্রোল এর দাম ১০০ টাকা ছুঁইছুঁই, তাই যেখানে সেখানে নয় কোনো একটা জায়গায় যাবার ইচ্ছে পূরণ করতে পারি। আমি বললাম সত্যজিৎবাবুর ভুতের রাজা তিন তিনটে বর দিয়েছিল, আমার বেলায় আধখানা বরও জুটবে না? ভূতের রাজা বলল এর জন্য মুদ্রাস্ফীতি দায়ী। আগে রবিবার করে পাঁঠার মাংস খেতিস? এখন সাতশো টাকা কিলো, মাংসের দোকানের ধারেকাছেও তো ঘেঁষিস না। তোরা হিসাব-নিকাশ করে চলতে পারলে আমি কেন চলব না। তাছাড়া ব্যাঙ্কের সুদ কমে যাওয়ায় আমারও হাত খালি। আমিও ১০০ দিনের কাজ খুঁজছি। বেলার বাবা বলেছেন সরকারি চাকরি না পেলে বিয়ে দেবে না। ssc বন্ধ, রেলওয়েতে সব বিহারীগুলো সুযোগ পাচ্ছে, সরকারি চাকরি খুঁজতে খুঁজতে মরে ভূত গেলাম। তাই ভাবছি ১০০ দিনের কাজ মানেও তো সরকারি কাজ, তাই ওটা পেলে বেলাকে ফোন করব।

    যাই হোক ভুতের কথা মানতেই হবে। প্রতিবাদে বনধ ডাকলে লোকে বলে সাধারণ মানুষের ক্ষতি হবে, কিন্তু সরকার লকডাউন করলে কিছু বলতে পারেন? তেমনই ভূত ক্ষমতায়, তাই ও যা দেয় তাই মানতে হবে। তাছাড়া এগুলো গায়ে সওয়া হয়ে গেছে। ওই তো আগের বছর আমফানে ক্ষতিপূরণ এলো ২৫০০০ টাকা, ছোট দাদা, মেজো দাদার হাত ঘুরে আমরা পেলাম ২০০০ টাকা। যাই হোক কাশ্মীরে কি একটা গন্ডগোল চলছে বছর খানেক ধরে, এদিকে পাসপোর্ট নেই, নয়ত সুইজারল্যান্ড-এর কথাই বলতাম, তাই হুঁস করে বললাম দিলাম স্বর্গে যেতে দিতে হবে। ভূত গ্যাঁ গোঁ করছি, তখন বললাম ভানু যদি যেতে পারে আমি পারব না কেন?

    যাই হোক স্বর্গে যাবার আগে ইমিগ্রেশন হল যমলোকে, খুবই খারাপ অবস্থা। চিত্রগুপ্ত বোধহয় যমের কিছু কেলোর কীর্তির কথা জানান তাই ইন্দ্রর নির্দেশ অমান্য করেও চাকরিতে বহাল রেখেছেন। তাই বোধহয় অনেক বেশি অব্যবস্থা। Air India-র মত এটাকে বিক্রি না করতে হয় সেটাই দেখার। তবে যমের সমর্থকরা অন্য কথা বলছেন। কেন্দ্র রাজ্যের সম্পর্ক এখানেও। ওরা বলেছে কেন্দ্র টাকা দেয় না। অথচ কয়েকদিন আগেই শনিদেব, মানে যমের ভাই, একটা কর্মীসভায় বলেছেন - কাটামানি নেওয়া বন্ধ করতে হবেই। প্রতি বছর রাস্তার গর্ত বোজাতে যে টাকা লাগে স্বর্গে নাকি সেই টাকায় প্রতি বছর নতুন রাস্তা বানতে পারে, দশ বছর ধরে।

    নরক যেতে বলল যে তাদের অবস্থা নাকি সুন্দর বনের চেয়েও খারাপ, VIPরা মাঝে মাঝেই আসেন এখানে ফেসবুক ফটো দেবার জন্য মুড়ি চিঁড়ে ত্রান নিয়ে। এক প্যাকেট মুড়ি দিয়ে দশটা বারোটা ছবি তুলে নিয়ে যায়। অথচ প্রতিবছর নাকি হাজার হাজার টাকা খরচ হয় এখানে উন্নয়ন এর জন্য।

    আই মিস ইউ সত্যজিৎ রায়, দড়ি ধরে মারো টান রাজা হবে খান খান। এটা নিশ্চিত উনি এখানেও করতেই পারবেন। একথা ভাবেতে না ভাবতেই হিরক রাজার দেশের মাষ্টারমশাই এসে হাজির আমার সামনে। বললেন, "এখানে কিছু করা সম্ভব নয়। আমি না হয় এখানে এসেছি হালে, কত বিপ্লবী তো এসছে এখানে। ওই ভারতে মন্ত্রীরা নিজেদের জন্য ঈগল নেস্ট বানাচ্ছে, এখানে তারচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যপার এখানে চলছে। একে দেবতাররা অন্তরযামী, তার উপর এখানে ফিয়ার ডিটেকটার, স্মোক ডিটেকটার এর মতো মাইন্ড ডিটেকটর লাগিয়ে রেখেছে। শুধুমাত্র যমের বৈঠকখানাটা সেফ, এখানকার মেশিনটা খারাপ করে রেখেছে যম। নয়ত এখানে দেবতাদের বিরুদ্ধে কিছু কথা ভাবলেই সাইরেন বাজিয়ে দেবে। দেখো না প্রতি বছর মহালয়ায় দূর্গা সেই একই মহিষাসুর এর সাথে লড়াই করেন, কোনো updated অসুর নেই বাজারে।

    যাই হোক স্বর্গে যেতেই আমাকে ইন্দ্র আমাকে চিনতে পারলেন - তুমি সেই ছেলেটি না গত বার একটু বৃষ্টি হতেই ড্রেনে নেমে সাঁতার কেটে খবর করেছিলে কলকাতা ভেসে গেছে।

    আমি বললাম, "আমি স্টাফ রিপোর্টার ছিলাম না, trp জন্য করছিলাম যদি চাকরি টা পাকা হয়ে যেতো"।

    ইন্দ্র বেশ ভালো মানুষ বলল, "এখানে চা কফি চল নেই, সুরা মানে ওয়াইন, বিয়ার যা খুশি নিতে পারো, তোমার সাথে এসো একটু আড্ডা মারি"।

    কথাটা একটু ঘাবড় গেলাম, কিছুক্ষণ পরে বুঝতে পারলাম আসল মতলবটা কি। ইন্দ্র বলেন, "দেখ নারদ মুনিকে, বসে বাচ্চাদের মতো গেম খেলছে। একটু বোর হলে ফেসবুক চ্যাট করবেন। ফ্রি wifi, খাওয়া দাওয়া ফ্রি, কাজের দরকার কি? online classes এর জন্য গরীর ছেলেমেয়েদের ফ্রিতে মোবাইল দিয়ে ছিলাম, ব্যাটা সেখান থেকেই মোবাইলটা ম্যানেজ করেছে। এখন সারাদিন মোবাইল নিয়ে বসে আছে। এতো মর্ত্যলোক নয় যে ভোটের আগে পাঁচটাকাতে ডিমভাত চালু করে দুম করে বন্ধ করে দেব। নেক্সট বিলে প্রস্তাব রাখবো - সব কিছু বিনা পয়সায় পাবে, কিন্তু নগদে কিনেতে হবে, পরে ব্যাঙ্কে চলে যাবে টাকা, নয় তো সব লোক কুড়ে হয় যাচ্ছে স্বর্গের GDP কমে যাচ্ছে। যাই হোক, বল তো যম কি আমার বিরুদ্ধে কোনো যড়যন্ত্র করেছে নাকি, তুমি সংবাদিক মানুষ কিছু তো খবর আছেই তোমার কাছে।

    TRP র জন্য তিলকে তাল করা আমাদের ধর্ম, কিন্তু এবার সেটা করলাম সাধারণ মানুষের ভালোর জন্য। আপনার জানেন যুদ্ধ না হোক প্রতি বছর প্রতিটা দেশ তার বাজেট এর বেশীর ভাগ টাকা খরচ করে অস্ত্রের পিছনে। ইরাকে আমেরিকা আক্রমণ করেছিল ওই অস্ত্র রাখার অজুহাতে। তাই ঐ চালটাই চালালাম এখানেও। বিশ্বজুড়ে উষ্ণায়ন, যম এ বছর কিছু গাছপালা লাগিয়ে ছিলো। কথায় কথায় এখন cbi পাঠানো বন্ধ, প্রচুর সিসি ক্যামেরা খারাপ তাই সব খবর পাচ্ছেন ইন্দ্র, তাই একটু ঝুঁকি নিয়ে বললাম - এগুলো কি গাছ আপনার জানা আছে। ইন্দ্র বললেন "ফুল ফল তো হতে দেরি আছে, কি করে জানবো?"। আমি বললাম "ওগুলো বোমা গাছ"।
    ইন্দ্র মাথায় হাত বলল, "তলে তলে এই রকম যম, জেনো এবার ও ভোটে জেতে নি। রিইলেকসানেও জিততে পারতো না, আমি ওর বিরুদ্ধে প্রাথী দিলাম না তবুও এরকম করছে। কি করি বলো তো"।

    আমি বললাম, "ওর ত্রান তহবিল যে টাকা চাইছে পাঠিয়ে দিন, চুরি করলে এমনিতেই জনপ্রিয়তা কমে যাবে। আপনি বরং ঐ শুকনো চিঁড়ে মুড়ি বদলে ngo গুলো কে আপেল আম, কলা নিয়ে যেতে বলুন। অপুষ্টিতে ভোগা মানুষেরা একটু খেতে পেলেই আপনাকে আশির্বাদ করবে। তখন ও বোমা ছোড়ানোর জন্য লোক পাবেন না।"
  • বিভাগ : অন্যান্য | ০৩ জুন ২০২১ | ৬৭৬ বার পঠিত | রেটিং ৪.৮ (৪ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বিপ্লব রহমান | ০৩ জুন ২০২১ ০৯:৩৭494496
  • একটু ছাড়ানো হলেও স্যাটেয়ার ভাল লাগলো। চলুক

  • Manab Mondal | ০৪ অক্টোবর ২০২১ ০৬:২০499029
  • ধন্যবাদ
  • Manab Mondal | ০৪ অক্টোবর ২০২১ ২১:৪৪499059
  • চা with স্বরসতী পড়ে দেখবেন
  • Jai Sri Ram | ১১ অক্টোবর ২০২১ ২১:২২499439
  •  ভালো লাগলো
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি প্রতিক্রিয়া দিন