• খেরোর খাতা

  • ভারতে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি, The Lancet Covid-19 Commission, India Task Force

    Abhijit chakraborty লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৭ এপ্রিল ২০২১ | ৬৪৮ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • ভারতে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি

    Covid-19 Wave: Urgent Steps
    The Lancet Covid-19 Commission, India Task Force

    ভারতের বর্তমান (১০’ই এপ্রিল, ২০২১) কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে বিখ্যাত ল্যান্সেট পত্রিকার তত্ত্বত্তাবধানে সদ্য একটি রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে। এই রিপোর্টের উদ্দেশ্য হচ্ছে পাব্লিক পলিসি নির্ধারণের জন্য সামগ্রিক ভাবে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে কয়েকটি গাইডলাইন স্থির করা। আজ আমি এই পোস্টের মাধ্যমে রিপোর্টে প্রকাশিত প্রায় সব তথ্য এবং প্রস্তাবিত গাউডলাইন গুলোকে খুব সংক্ষেপে এবং পয়েন্ট আকারে লিখবার চেষ্টা করলাম - 

    ভারতে কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ে কিছু নতুন তথ্য

    • ভারতে কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ’র সাথে প্রথম ঢেউ’র কিছু গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য পাওয়া গেছে। প্রথম পার্থক্য হচ্ছে সংক্রমণ বৃদ্ধির হার যা এবার অনেক বেশি। দ্বিতীয় পার্থক্য হচ্ছে এবার উপসর্গ হীন এবং মৃদু-উপসর্গ যুক্ত কোভিড সংক্রমণের হার প্রথমবারের তুলনায় বেশি। তৃতীয় পার্থক্য হচ্ছে এবার মৃত্যুহার প্রায় ০.৮৭% যা প্রথম ঢেউ থেকে ০.৪৩% কম (মার্চ ২০২০ তে মৃত্যুহার ছিল ১.৩%)।

    • গত বছর থেকে আজ পর্যন্ত, একটানা, কোভিড-১৯ সংক্রমণের লিস্টে ভারতের প্রথম ১০% জেলার তালিকায় এই ৯ খানা জেলা রয়েছে - কোলকাতা, উত্তর-চব্বিশ পরগণা, চেন্নাই, মুম্বাই, নাসিক, নিউ দিল্লী, পুনে, থানে, এবং সোলাপুর।

    • গত বছর কোভিড সংক্রমণের সময় ভারতের প্রথম ৫০% ’এর মধ্যে ৪০টি জেলা ছিল, দ্বিতীয় ঢেউতে প্রথম ৫০% ’এর মধ্যে ২০ খানা জেলা আছে।

    • কোভিড-১৯ সংক্রমণ বৃদ্ধির হার কে কন্ট্রোল করতে না পারলে আগামী জুলাই মাসের মধ্যে প্রতিদিন ১,৭৫০-২,৩২০ মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী (২৫ ‘শে এপ্রিল এই সংখ্যা ছিল ২,৮১২)। আর্থিক দিক থেকে ভারতের আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৯.৫ বিলিয়ন ডলারের (~ ৬৬,৫০০ কোটি টাকা) ক্ষতি হবে।

    গাইডলাইন

    1. সবাইকে ভ্যাক্সিন দিতে হবে ঃ ভারত আপাতত ৪৫+ বয়স্কদের ভ্যাক্সিন দেবার টার্গেট রেখেছে। কোভিশীল্ড ও কোভ্যাক্সিন মিলিয়ে এই গ্রুপের প্রায় ২৯.৬% লোকেদের অন্তত প্রথম ডোজের ভ্যাক্সিন দেওয়া হয়ে গেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী গরিবদের মধ্যে কোভিড-১৯ সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি, তাই এই গ্রুপের (৪৫+) অন্তর্গত গরিবদের ভ্যাক্সিন দেওয়ার কথা বিশেষ করে উল্লেখ করা হয়েছে। অনূর্ধ্ব ৪৫’দেরও ভ্যাক্সিন দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, বিশেষ করে যাদের কমরবিডিটি আছে (কয়েকদিন আগেই ভারত সরকার ভ্যাক্সিনকে আলাদা করে বিক্রি করার ছাড়পত্র দিয়েছে, ফলে সবাই ভ্যাক্সিন নেওয়ার সুযোগ পাবে)।

    2. কোভিশীল্ড ও কোভ্যাক্সিন ছাড়াও অন্যান্য ভ্যাক্সিনকে ভারতে ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হোক ঃ সুরক্ষা এবং কার্যকারিতার উপর ভিত্তি করে ভারত ইতিমধ্যে Janssen (Johnson and Johnson), Novavax, Sputnik V, এবং mRNA ভ্যাক্সিন (Pfizer-BioNTech and Moderna) ব্যবহারের ছাড়পত্র দিয়ে দিয়েছে। গাইডলাইন অনুযায়ী শুধুমাত্র দুটো ভ্যাক্সিনের উপর নির্ভর না করে এই পরিস্থিতিতে যে সব ভ্যাক্সিন ভালো কাজ করছে তাদের সবকটিকে ব্যবহার করা উচিত। এর ফলে কোভ্যাক্সিনের উপর চাপ কম পরবে এবং কোভ্যাক্স কোম্পানি অন্যান্য দেশেও কোভ্যাক্সিন পাঠাতে পারবে।

    3. কোভিশীল্ড এবং কোভ্যাক্সিনের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে হবে ঃ বর্তমান ক্ষমতা অনুযায়ী প্রতিমাসে প্রায় ৭-৮ কোটি ভ্যাক্সিন বানানো যাচ্ছে, কিন্তু সেটা যথেষ্ট নয়। উৎপাদন ক্ষমতা আরও বাড়াতে হবে এবং তার জন্য এই রিপোর্টে তিনটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে - ক) ভ্যাক্সিন বানানোর জন্য দরকারি কাঁচামালের বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে, খ) অন্যান্য দেশীয় ভ্যাক্সিন প্রস্তুতকারীদের সুযোগ দিতে হবে এবং গ) দেশীয় ভ্যাক্সিন প্রস্তুতকারীদের আর্থিক সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করে দিতে হবে।

    4. ভ্যাক্সিনের ভয় দূর করতে হবে ঃ রিপোর্ট বলছে ভারতে ভ্যাক্সিন নেওয়ার হার বেশ ভালো, কিন্তু এখনো লোকজনের মনে দ্বিধা আছে, বিশেষ করে ভ্যাক্সিন থেকে গুরুতর অসুস্থতার ব্যাপারে। গাইডলাইনে এই বিষয়ে সরকার এবং ভ্যাক্সিন কোম্পানিগুলোর পক্ষ থেকে লোকজনকে পরিষ্কার ভাবে ভ্যাক্সিনের ভালো ও মন্দ দুটোর ব্যাপারে জানাতে বলা হয়েছে। এই বিষয়ে আরও স্বচ্ছতা আনতে হেল্পলাইন এবং কাউন্সিলিং সেন্টার খোলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভ্যাক্সিন দেওয়ার পর ৩০-৪০ মিনিটের মধ্যে সাধারণত তার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায়, তাই রিপোর্টে এই ৩০-৪০ মিনিট লোকজনের প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে এবং সরকারকে এই ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ঘটনাকে নথিভুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    5. মাস্ক পরা, এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার গুরুত্ব সংক্রমণ ঠেকাতে কতখানি সফল সেটা বোঝাতে সরকারকে আরও প্রচার করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মিটিং, মিছিল ও জমায়েত বন্ধ রাখতে হবে, এবং আগামী ২ মাস ১০ জনের বেশি জমায়েতকে নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে। Contact tracing কে আরও জোরদার করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    6. কোভিড-১৯ টেস্টিং আরও বাড়াতে হবে, বিশেষ করে RT-PCR টেস্টিং বাড়াতে হবে ঃ যেহেতু এই দ্বিতীয় ঢেউতে উপসর্গহীন কোভিড রোগীর সংখ্যা বেশি দেখা যাচ্ছে তাই RT-PCR টেস্টিং কে অ্যান্টিজেন টেস্টিং থেকে বেশি করে ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া ভ্যাক্সিন বেওয়ার ফলে অনেকের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে, তাই ফলস-পজিটিভ এড়াবার জন্য RT-PCR টেস্টিং সবচেয়ে ভালো উপায়।

    7. ভ্রমণ ঃ বাইরের দেশ থেকে যারা এইসময় যারা ভারতে আসবে তাদের বাধ্যতামূলক ভাবে ৭ দিনের কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে এবং RT-PCR টেস্টিং নেগেটিভ না আসা পর্যন্ত তাদের ইসোলেশনে থাকার কথা বলা হয়েছে। দেশের মধ্যে ভ্রমণের কোনও বাধ্যতামূলক নিয়মের কথা বলা হয়নি। শুধু মাস্ক, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শ্রমিকদের সরকারি সাপোর্ট দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    8. স্কুল এবং কলেজ ঃ বর্তমানে যে হারে সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে তার ফলে আপাতত স্কুল ও কলেজ খোলা সম্ভব নয়। স্কুল এবং কলেজ খোলার আগে শিক্ষকদের ভ্যাক্সিনের অগ্রাধিকার দিতে হবে, স্কুল কলেজের হোস্টেল গুলো যাতে কোভিড সংক্রমণের উৎস না হয়ে দাঁড়ায় সেটা লক্ষ্য রাখতে হবে। রিপোর্ট অনুযায়ী আগামী দুমাস যদি তাদের গাইডলাইনকে ফলো করা হয় তবে জুলাই মাসে শেষে স্কুল ও কলেজ খোলার কথা ভাবা যেতে পারে। গত এক বছর থেকে স্কুল, কলেজ বন্ধ থাকার ফলে শিক্ষা ক্ষেত্রে যা ক্ষতি হয়েছে, বিশেষ করে শিশুদের এবং গরিবদের শিক্ষার ব্যাপারে সরকারকে বিশেষভাবে নজর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    9. জিনোম সিকোয়েন্সিং ঃ কোভিড-১৯ ভাইরাসের মিউটেশন গুলোকে ভালো বোঝার জন্য এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রয়োজন কোভিড-১৯ ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং। এই জিনোম সিকোয়েন্সিং করার উদ্দেশ্যে Indian SARS-COV-2 Genomics Consortium (INSACOG) তৈরি করা হয়েছে। INSACOG লক্ষ্য হচ্ছে প্রতি মাসে অন্তত ৫% কোভিড স্যাম্পলের জিনোম সিকোয়েন্সিং করা, এবং ভারতে কোভিড মিউটেশনকে নথিভুক্ত করে তার বিশ্লেষণ করা। এই রিপোর্টে INSACOG কে যথাসম্ভব আর্থিক সাহায্যের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    10. স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও ভালো করতে হবে ঃ গত এক বছর ধরে ভারতের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা মারাত্মক চাপের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। এই রিপোর্টে ভারত সরকারকে কয়েকটি বিষয়ে বিশেষভাবে লক্ষ্য দেবার কথা বলা হয়েছে - ক) জরুরী ওষুধ (যেমন স্টেরোইড) এবং উপকরণের সাপ্লাইকে সুনিয়ন্ত্রিত করতে হবে, খ) হসপিটাল গুলোকে আরও উন্নত করতে হবে, গ) কোভিড নিয়ে স্বাস্থ্য কর্মচারীদের আরও বিশদে ট্রেনিং দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে, ঘ) অত্যধিক কাজের ফলে স্বাস্থ্য কর্মচারীদের কাউন্সিলিং এবং প্রয়োজন মতো তাদেরকে চিকিৎসার সুযোগ দিতে হবে।

    11. সামগ্রিক লকডাউনের প্রয়োজন নেই ঃ লকডাউন সংক্রমণ বন্ধ করতে সফল হলেও, এর সামাজিক এবং অর্থনৈতিক দিক দিয়ে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব আছে। তাই এই রিপোর্টে সামগ্রিকভাবে লকডাউন করতে মানা করা হয়েছে, তবে অবস্থা অনুযায়ী এবং অত্যধিক সংক্রামিত অঞ্চলে “micro-containment zones” তৈরি করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মিটিং, মিছিল ও জমায়েত কে নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে। রিপোর্টে লোকাল অথোরিটিদের স্থানীয় লোকজন এবং ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে micro-containment zone বা কারফিউকে বাস্তবায়ন করার ক্ষমতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।


    আমি পোস্ট শেষ করবো এই রিপোর্টের উপসংহার দিয়ে -

    “India is at a critical stage in the COVID-19 pandemic. In the first instance, all efforts need to be made to break the transmission chain and reduce the rate of new infections, with minimum disruption to the economy and to the livelihood of its people. Simultaneously, accelerated vaccinations will help contain the pandemic in the medium run. The past year has shown us, both within India and in other countries, that strong political will, together with building preparedness in the health system, and individual and community behaviour change can yield powerful results. We hope that strong, decisive actions taken now will spare India a long second wave and set in place actions to prevent further waves of COVID-19 infections.”

    রিপোর্ট ঃ

    ১) https://covid19commission.org/s/India-TF-Policy-Brief-April-2021.pdf
  • বিভাগ : অন্যান্য | ২৭ এপ্রিল ২০২১ | ৬৪৮ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • π | ২৯ এপ্রিল ২০২১ ০৮:৫৯105265
  • অনেক ধব্যবাদ, অনুবাদের জন্য। 


    কিন্রু র‍্যালি,  কুম্ভস্নান,  এসি রেস্তোরাঁয় খাওতাদাওয়া,  এসব বারণ করেনি? 

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে মতামত দিন