• বুলবুলভাজা  কূটকচালি

  • একটি ইন্টারভিউ পরবর্তী দিন

    ছাপোষা
    কূটকচালি | ১৪ মার্চ ২০২১ | ৭০৫ বার পঠিত | ১ জন
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • লুঙ্গি একটি রাজনৈতিক ন্যারেটিভ হয়ে উঠতে পারে, তার পক্ষে ও বিপক্ষে লেখালিখি চলতে পারে, গত কালের আগে কে ভেবেছিল এই বঙ্গভূমে?

    ক-বাবু ঘড়ি দেখলেন। আব্বাসের ইন্টারভিউটা শেষ হয়েছে ঘন্টাখানেক হয়ে গেল। এইবার কিছু একটা উত্তর নামাতে হয়। লোকজন ইতিমধ্যেই আব্বাসের গোঁড়ামি নিয়ে শঙ্কিত। তিনি নিজেও যে নন, এমন নয়। কিন্তু দলের দায় বড় দায়। জোটটা যখন হয়েইছে তখন ডিফেন্ড তো করতেই হবে। কিন্তু কেউ যদি স্টুডিওতে বসে অন ক্যামেরা বলে হিন্দুদের মসজিদ আর মুসলিমদের মন্দিরে যাওয়া ঠিক নয়, একে ডিফেন্ড করা খুব চাপের। ভাবলেন, আজ থাক। কাল সকালে উঠে দেখা যাবে।

    সকালে উঠে ফ্রেশ হয়ে ফোনটা হাতে নিলেন। লিখলেন, "বাঙালি ভদ্রলোকের মুখোশ খুলে গেছে। লুঙ্গি পরা তথাকথিত ছোটলোক সাবঅল্টার্ন আজ প্রথমবার নিজের হকের পাওনা বুঝে নিতে এসেছে বলে গেল গেল রব উঠেছে।" পোস্ট করতে যাবেন, এমন সময় মনে হল, আজ প্রথমবার লিখলে লোকে প্রশ্ন করবে তাহলে এতদিন পার্টি তাহলে কী করল? তারা কী তবে এতদিন গরীবের কথা বলে নি?
    সাত-পাঁচ ভেবে "আজ প্রথমবার" কথাটা কেটে দিলেন। তারপর পোস্টটা করে দিয়ে বাজারের দিকে রওয়ানা দিলেন। রবিবার, একটু পাঁঠা না কিনলেই নয়।

    দশটা নাগাদ বাড়ি ফিরে আবার ফোন হাতে নিয়ে বসলেন। জনাকতক চেনা লোককে ট্যাগ করে লিখলেন, "লুঙ্গি খুবই স্বস্তির পোষাক। এতে শরীর ঠান্ডা থাকে। লুঙ্গি আমার বাবাও পরতেন। লুঙ্গি আর ধর্মকে এভাবে জুড়ে দেওয়া নিতান্তই শহুরে এলিটিজম"।

    এরপর স্নান সেরে পাঁঠার ঝোল দিয়ে একথালা ভাত খেয়ে একটু গড়িয়ে নিলেন। রোববারের এই আয়েসটুকু তাঁর চাইই চাই।

    বিকেলে উঠে চায়ের কাপটা হাতে নিয়ে আবার ফেসবুক খুললেন। এইবার খ-বাবুকে ট্যাগ করে লিখলেন, "যখন দেশে ধর্মনিরপেক্ষতা বিপদের মুখে, যখন প্রধানমন্ত্রী সরাসরি পোষাক চিহ্নিত করে বিভাজনের তাস খেলছেন, তখন পোষাকের রাজনীতি শুধু নিন্দনীয়ই নয়,ঘৃণার্হও বটে"।

    খানিকবাদে খ-বাবু উত্তরে লিখলেন, "কিন্তু আমি তো একবারও লুঙ্গির কথা লিখি নি। আমি তো আব্বাসের সমস্যাজনক কথাবার্তা নিয়ে পোস্ট দিয়েছিলাম"।

    ক-বাবু একটু থতমত খেলেন। খ-বাবুর টাইমলাইনে ওলটপালট করেও মুসলিমবিরোধী বা লুঙ্গিবিষয়ক কিছু পেলেন না। ফিরে এসে নিজের দেওয়ালে লিখলেন,

    "এই বাঙালি হিন্দু ভদ্রলোকেদের আব্বাস বিরোধিতার আসল কারণ তার লুঙ্গি ও টুপি হলেও, তারা কখনো সে কথা প্রকাশ্যে লেখেন না। এই যে আব্বাস ও তাঁর মত মেহনতী জনতার পোষাক লুঙ্গি নিয়ে না লেখা, সেই প্রসঙ্গ না তোলা, কথা না বলা, এই স্নবারিই এঁদের সুপ্ত ইসলামোফোবিয়াকে প্রমাণ করে"।


    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন

  • বিভাগ : কূটকচালি | ১৪ মার্চ ২০২১ | ৭০৫ বার পঠিত | ১ জন
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ranjan Roy | ১৫ মার্চ ২০২১ ১৩:২৬103708
  • লে হালুয়া!!! 

  • ?? | 2401:4900:3140:b9ef:dccc:542c:89c7:2eab | ১৫ মার্চ ২০২১ ১৪:১৯103710
  • দেবাংশুর কমেনটা দেখেন নি তা তো নয়। দেখে শুনেও এই অখাদ্য হ্যাজ  

  • বীজেমুল | 77.98.239.56 | ১৯ মার্চ ২০২১ ০০:৫৬103872
  • প্রথম লাইনে সিপিআইএম পচা, দুষ্টু বলে দিলেই এত বড় গল্প লিখতে হয়না। নাকি বড় রচনা ছাড়া প্রশান্ত কিশোর পয়সা দেবেনা বলেছে? 

  • বিজেমুল | 77.98.239.56 | ১৯ মার্চ ২০২১ ০০:৫৮103873
  • দেবাংশু র কমেন্ট পড়েছে কিনা জানতে চাইবেন না । ওসব বললে হবেনা। দিদিমনির দলের সব ভালো। 

  • Soujatya Roy Chowdhury | ১৯ মার্চ ২০২১ ২১:৪৭103886
  • আব্বাস সিদ্দিকীর বক্তব্য ছিল যে সাধারণ মানুষ কখনও যায় তাতে অসুবিধা নেই বরং ভোটের আগে নেতারা এইভাবে ধর্মকে ব্যবহার করার জন্য মসজিদে বা মন্দিরে যায় তাতে তার আপত্তি আছে।

  • aranya | 2601:84:4600:5410:b864:e88b:f103:f623 | ১৯ মার্চ ২০২১ ২৩:০৮103888
  • সেকুলার, লিবারাল ভাইজান দেখলাম একসময় মাত্র ৫০ কোটি ভারতীয়-কে মারার জন্য খোদাতালার কাছে প্রার্থনা করেছিলেন। যাক সে কথা, সামান্য ব্যাপার। 


    এখন নিশ্চয়ই পুরো পালটে গেছেন, কাউকে আর মারতে চান না 

  • &/ | 151.141.85.8 | ২০ মার্চ ২০২১ ০৬:২৭103891
  • ৫০ কোটি?????

  • PT | 203.110.242.23 | ২০ মার্চ ২০২১ ১৪:০০103902
  • ফেবু থেকে টুকে দিলামঃ 

    মাননীয় সুমন,
    দিন তিনেক আগে আব্বাস সিদ্দিকীর সাথে আপনার ' ঘন্টাখানেক ' দেখছিলাম।
    না, ঐ যে ক্যাপশান টা আপনার,আপনাদের সাথে সেঁটে আছে ---' পড়তে হয়,নাহলে পিছিয়ে পড়তে হয় -----', ----- আমি তার ঠিক উল্টোদিকে গিয়ে চুপিচুপি বলছি আপনাকে ------
    ----------' দেখছি, তাই এগিয়ে যাচ্ছি '!
    আহা!
    আসলে আপনি একজন অ-সাধারণ সংবাদ পরিবেশক,সঞ্চালক।।
    কোনও সন্দেহ নেই এতে।
    আপনার ছুঁড়ে দেওয়া শব্দের অসামান্য জাগলারি, মোচড়,পেশাগত দক্ষতা বারবার চোখ টেনে নেয় দর্শকের ---হয়তো আমারও।।
    কিন্তু,মাননীয় সুমন,
    এর সাথে আপনাকে ঐ হট সিটে বসে থাকতে দেখে আরও একটা বোধ জাগে মনে -----
    করুণা।।
    অন্তহীন করুণা জাগে মনে ----- প্রখর মেধা,দক্ষতাকে কি অনায়াস প্রয়াসে আপনি বন্ধক দিয়ে দিতে পারেন প্রভুর চরণতলে --- এই কথা ভেবে।।।
    সত্যিই করুণা হয়।।
    আপনি আব্বাসের ইন্টারভিউ নিচ্ছিলেন।
    সেখানেও আপনার সেই ঝলক, মোচড়।।
    পর্দার আড়াল থেকে আসা নির্দেশ মেনে ছোবলের পর ছোবল।
    পুরোনো ভিডিও দেখিয়ে,উত্তেজিত করে দিয়ে, প্রায় হারিয়ে যেতে থাকা বাইনারী কে আরও হিংস্র ভাবে ফিরিয়ে নিয়ে আসার জন্য কি মরীয়া প্রয়াস আপনার ------
    দেখেছি।।
    আপনি সেদিন ইন্টারভিউ শেষে খুব ভালো সার্টিফিকেট পান নি, এটা নিশ্চিত।।
    কিন্তু,
    আপনার আর চিন্তা কি?
    এখন তো হৈ হৈ কান্ড -----
    একের পর এক ' ঘন্টাখানেক ' -----
    ' হিল্লোলিত হুইল ' কিম্বা 'আমি দুরন্ত বৈশাখী ঝড় '
    ----"ইত্যাদি,ইত্যাদি।।
    দেখাতে হয়,নাহলে বাজার পড়ে যায়!!
    মাননীয় সুমন,
    ঠিক এই সময়েই টাইম মেশিনে চেপে একটু পেছনে চলে গেলে কেমন হতো?
    অনেকগুলো রোমহর্ষক থ্রিলার যদি এখন উঠে আসতো আপনার ঘন্টাখানেকে?
    তাহলে কেমন হতো??
    ধরুন, মার্চ,দু হাজার বারো ---ডেলোর হোটেলের মাঝরাতের ঐ মিটিং নিয়ে আপনি আর মুকুল বাবু।।
    অথবা, ভুবনেশ্বরের জেল থেকে বেরিয়ে আসার পর পর আপনি আর সুদীপ বাবু।।
    কিম্বা, পুলিশ ভ্যানের খাঁচা ঝাঁকিয়ে চিৎকার করা আপনার সাংবাদিক বন্ধু কে নিয়ে ---
    আপনি আর কুনাল বাবু।।
    আর, রবীন্দ্রনাথ কে ছেচল্লিশে গান্ধীর ফলের রস খাওয়ানো নিয়ে -----
    স্বামী বিবেকানন্দ কে ঠাকুর পদবী দিয়ে দেওয়া নিয়ে -------
    আহা!
    এই স্লট যদি না শেষ হয়,
    তবে কেমন হতো, বলোতো!!
    সত্যিই দেখতে হয়, নাহলে ---------
    আপনি একজন অসাধারণ সঞ্চালক ; নিঃসন্দেহে,
    এবং অবশ্যই প্রভুভক্ত ----এটাও অনিবার্য ভাবেই সত্যি।।
    ঠিক এজন্যই যখন আপনি প্রাণপণে লড়ে যান আব্বাস কে একজন সংসদীয় বোধহীন কিং মেকার প্রতিপন্ন করতে, সেই সময়ে আপনার কাছে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট কিভাবে ব্যানার্জী সরণী নামাঙ্কিত হয়ে যায়,কিভাবে ত্রিফলা,নীল -সাদা,টেট কিম্বা প্রাইমারি -------রাস্তাটা ছড়াতে ছড়াতে আপনারই স্টুডিওতে আলো ঝলমলে,বিনোদন জগতের স্টারদের কপালে বিভুতি হয়ে ঝকঝক করতে থাকা কোনো এক মেহতা কে নিয়ে একটাও ঘন্টাখানেক করার মতো দম, হিম্মত ----না, কোনোটাই নেই আপনার।।
    আপনি পারবেন না।।
    একটাও না।।
    মাননীয় সুমন, আপনি আব্বাস সিদ্দিকী কে সংসদীয় পথ চেনাচ্ছিলেন।
    আপনি তাঁকে ' বুদ্ধদেবের দাদাগিরি ' মনে করিয়ে দিচ্ছিলেন।।
    আপনি প্রবল শ্রেণীনিষ্ঠায় ভাগের বাইনারী কে ফিরিয়ে আনতে চাইছিলেন।। বুঝি।
    কিন্তু,দু হাজার সাতের নন্দীগ্রামের খড়ের আগুনে ঝলসে যাওয়া শংকর সামন্ত,কলম হাতে মুখ থুবড়ে পড়ে থাকা দিবাকর মাহাতো আর সেই সময়ে ভগ্নাংশের কম সময়ের ফারাকের জন্য আজও বেঁচে থাকা সেদিনের মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্য কে নিয়ে একটাও একঘন্টা, একবারও সংসদীয় পথ চেনানোর ধ্বক দেখাতে পারবেন না।।
    কারণ, আপনি শিকলে বাঁধা।।
    আপনি আব্বাস কে তাঁর পুরোনো ভিডিও দেখিয়ে আইনের পথে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।।
    আচ্ছা,আপনার সংগ্রহে ' পুলিশকে বোম মারো ', --এই ভিডিও টা নেই?
    আপনার কাছে যাদবপুরের ছাত্রীদের সম্পর্কে দিলীপ বাবুর বলা কথার ভিডিওটি নেই?
    আপনার কাছে 'গোলি মারো শালো কো ' র দিল্লি আর বাংলা ---বড়ো আর ছোটো ফুলের সংস্করণ দুটো নেই??
    আছে।। সবকিছুই আছে।।
    কিন্তু,দালাল রা দালালির কাজ ছাড়া বাকি কিচ্ছু করতে পারে না ---এটাও আপনার খুব ভালো জানা আছে, তাই না?
    এই জন্যেই,মাননীয় সূমন ---আপনি ঘন্টাখানেকে বৈশাখী --শোভন দেখাতে পারেন, মদন --অর্জুনের কলতলার ঝগড়া শোনাতেও পারেন ;
    কিন্তু আমফান ধ্বস্ত মানুষ গুলোর ক্ষতিপুরণের জন্য জমা দেওয়া আলাদা আলাদা অ্যাকাউন্ট নম্বরের সাথে সাথে সবার মোবাইল নম্বর এক হয়ে গিয়ে কোনো এক প্রধান অথবা ব্লক সভাপতির নম্বরে পালটে যাবার ম্যাজিক টা কিছুতেই দেখাতে পারেন না।। বালিতে মুখ গুঁজে রেখে ভাবেন, আপনি না দেখালেই সব ক্লিয়ার!!
    হয় না, এভাবে আড়াল হয় না।।
    জানি, প্রভুর দুঃখে আপনিও খুব কাতর এখন।।
    কদিন আগেও সাত আর পাঁচ পার্সেন্টের হিসেব ছিল।। তাচ্ছিল্য ছিল।।
    লুঠের ভাগিদার থেকে যাবার চকচকে নেশা ধরানো চোখ ছিল।।
    কিন্তু, ঝড়ের চেয়েও জোরে বাতাস বইছে এখন।।
    অংক এখন রসায়ণ ; মানুষের।।
    তাই, শেষ, বেপরোয়া,মরীয়া যুদ্ধ এখন আপনার প্রভুদের।।
    টিকি আর টুপি কিছুতেই এক হতে দেওয়া যাবে না।।
    তাই প্রভুর আদেশকে নামাবলী করে,বেতনভুক ভৃত্যের মতই ঝাঁপ মেরেছিলেন ----।।
    তাই তো??
    বড্ড করুণা হয় আপনার জন্য।।
    রাগ টা আপনার প্রভুদের জন্য তোলা থাকছে।
    ওটা নেবার যোগ্যতাই আপনার হয়নি।।
    আসলে কি জানেন,
    ট্যালেন্ট কখনই শেষ কথা নয়।।
    আসল দক্ষতা মিশে থাকে শিরদাঁড়ায় ---দুর্ভাগ্যক্রমে যা এখন হারিয়ে ফেলেছেন আপনি আর যেটা শক্ত হয়ে মিশে আছে মানুষের মধ্যে।।
    আব্বাস সিদ্দিকী তার একটা নমুনা মাত্র।।
    ভালো থাকবেন।।
    বাইনারী মুছে দিয়ে সব মানুষেরা একসঙ্গে আপনার কাছে আসবেন।।
    প্রচুর ' ঘন্টাখানেক ' এর স্লট লেখা হচ্ছে।।
    দেখা হবে।।. ( সংগৃহিত )
  • ওলে ওলে | 2a0b:f4c2:1::1 | ২০ মার্চ ২০২১ ১৭:১৭103905
  • আহা সোনা গো খুব কষ্ট হচ্চে বলো

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে মতামত দিন