• বুলবুলভাজা  ধারাবাহিক  উপন্যাস  শনিবারবেলা

  • ধারাবাহিক উপন্যাস: গল্প চা (পর্ব-২)

    বিতস্তা ঘোষাল
    ধারাবাহিক | উপন্যাস | ৩০ জানুয়ারি ২০২১ | ১২৪৭ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • ওয়েটার চলে গেছে বেশ কিছু আগে। তিয়াসার নিজেকে এতটাই অবসাদগ্রস্ত মনে হচ্ছিল যে নিজের হাতটাও ওঠাতে ভুলে গেল সে৷ পরমুহূর্তে হারানো আত্মবিশ্বাস খুঁজে পেল জলের গ্লাসে নিজের প্রতিবিম্বে। সে এবার চোখ তুলে টি-শপের চারপাশটা দেখে নিল৷ সবাই যে যার মত ব্যস্ত দেখে হাঁফ ছেড়ে বাঁচল৷

    তিয়াসার মনে হচ্ছিল দীর্ঘ একটা সময় সে এখানে বসে। অথচ কেন বসে- সেই প্রশ্নের কোনো উত্তর নেই। যেন নীরবে অপেক্ষা করা ছাড়া আর কিছুই করার নেই তার।

    এভাবেই আরো কয়েক মিনিট কাটার পর ওয়েটার সাদা রঙের নীল বর্ডার দেওয়া বড় কাপে চা নিয়ে সামনে এসে দাঁড়াল৷ তার গায়ের নীল বর্ণের পোশাকের মতনই সেই চায়ের রঙ৷ মৃদু হেসে ধন্যবাদ জানাল তিয়াসা।

    তখনই চলে না গিয়ে টেবিলের পাশে দাঁড়িয়ে রইল ওয়েটার৷ খানিকটা বিব্রতই হল তিয়াসা৷ কেনই বা সে চলে না গিয়ে দাঁড়িয়ে আর তারই বা কী করা উচিত ভেবে না পেয়ে চায়ের প্রতিই মনোযোগী হল সে৷  

    ঠোঁটে ঠেকিয়ে খানিকটা ফুঁ দিয়ে চুমুক দিল লিকারে৷ ধীরে ধীরে সাবধানে চুমুক দিলেও এর স্বাদ অচেনাই লাগল। চা-টা খুব সুন্দর করে মেশানো। এর আগে হয়ত এমন স্বাদ পেয়েছে, কিন্তু তা কিরকম ছিল ধরতে পারল না৷ মনে হল কাঠবাদাম, পেস্তা, মধু, গোলমরিচ সহ অজানা আরো কিসের যেন সংমিশ্রণ৷ খানিকটা চুমুক দিয়ে প্লেটে আবার রেখে দিল কাপ’টা৷

    চা পছন্দ হয়েছে? জিজ্ঞাসা করল ওয়েটার৷
    এক মুহূর্ত না ভেবে তিয়াসা উত্তর দিল, হ্যাঁ, খুব৷
    চমৎকার! তাহলে আমরা এখন গল্পের দিকে যেতে পারি, বলতে বলতে খালি চেয়ারের দিকে আঙুল দেখিয়ে বসার অনুমতি চাইল সে৷
    তারপর সম্মতির অপেক্ষা না করেই সে চেয়ারে বসে পড়লো৷ 
    তাকে বসতে দেখে তিয়াসা খানিকটা অবাক স্বরে জিজ্ঞাসা করল, গল্প?
    হ্যাঁ, এই চায়ের সঙ্গে গল্প ৷ আপনি তো গল্প-চা পছন্দ করেছেন, তাই না?
    তিয়াসা এমনটা কল্পনা করেনি। তার অস্বস্তি বেড়ে যাচ্ছিল। শোনা ছাড়া আর কী করার আছে এই মুহূর্তে, সে বুঝতে পারছিল না। পেছনে ফেরার পথ তার জানা নেই৷ শুধু দেখে যাওয়া তার অযাচিত অভিলাষ কোথায় নিয়ে যায় তাকে এখন৷ 

    নিজেকে সামলে নিয়ে উৎসাহ নিয়ে বলল, অবশ্যই গল্পটা শোনা যাক।

    ওয়েটার খানিকটা গলা ঝেড়ে নিল। যেন কোন অভিনেতা মঞ্চে উঠছেন আর এখনই তার সংলাপ আরম্ভ হবে৷ তারপর সে শুরু করল তার গল্প-

    এক ছিল জল্লাদ বংশ। ব্রিটিশ আমল থেকে বংশানুক্রমিকভাবে তারা এই পেশায়। এই বংশের শেষ জল্লাদ গোপীনাথ। এর আগে তাঁর দাদু শিবনাথ কয়েকশো ফাঁসি দিয়েছিলেন, সবই অবশ্য স্বাধীনতার আগে, যার জন্য সরকারি টাকাও পেয়েছেন আমৃত্যু। গোপীনাথ অবশ্য ফাঁসুড়ে না হয়ে ডোমের কাজ নিয়েছিল। সে তার কাজে ছিল নিষ্ঠাবান৷ তার বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ ও সহকর্মীদের কোনো অভিযোগ ছিল না। গোপীনাথ কাজের সঙ্গে সঙ্গে সামাজিক দায়দায়িত্বও বজায় রাখার চেষ্টা করতেন৷ অসময়ে স্বজন হারানো পরিবারের সদস্যদের তিনি মাঝে মাঝে চিঠি লিখতেন, তাঁদের খোঁজ খবর নিতেন আর পৃথিবীতে ঈশ্বর তাঁকে এই কাজের জন্যই নিয়োজিত করেছেন ভেবে, শান্তিতে দিনযাপনের আশায় থাকতেন৷

    গোপীনাথ কোনও মৃত দেহ চিতায় তোলার আগে গুনগুন করে কাওয়ালি গাইতেন, কিংবা শ্যামা মায়ের ভক্তিগীতি। গান গাইতে গাইতে কথক ঠাকুরের মতো বিশ্লেষণ করতেন সেই গানের প্রেক্ষাপট ও তার প্রকৃত অর্থ। গুনগুন করাটা তেমন মুদ্রাদোষ না হলেও হয়তো উত্তেজনা চাপতে এই ধরনের কিছু মুদ্রাদোষ তার এসে গেছিল। যাই হোক, গোপীনাথ অবধি তাদের এই কাজ ঠিকঠাকই চলছিল।

    এই অবধি বলে ওয়েটার একবার আড়চোখে দেখে নিল তিয়াসাকে। তারপর আবার নাটকীয় ভঙ্গীতে শুরু করল, এক সময় এই পরিবারের কনিষ্ঠ সদস্য, গোপীনাথের ছোট ছেলে রুখে দাঁড়ালো এই ডোমবৃত্তির বিরুদ্ধে৷ এই ছেলে শম্ভুনাথ নাইন অবধি স্কুলে পড়েছে।  সে কেন রুখে দাঁড়াল তার কারণের কোন ব্যাখ্যা দিতে সে আগ্রহী ছিল না। হয়ত তার বাবার এই কাজ তার মনের উপর যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করেছিল। সে দেখত দাহ করার সময় বাবা চোখের জল মুছত আড়ালে দাঁড়িয়ে।

    ওয়েটার আবার আড়চোখে দেখে নিল তার সামনে বসা মেয়েটিকে, সে এক দৃষ্টিতে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে তার দিকে। অভিজ্ঞ কথক বুঝতে পারল তাঁর গল্প মেয়েটিকে ক্রমশ আচ্ছন্ন করছে। সে সামনে রাখা বোতল থেকে গেলাসে জল ঢেলে একটু একটু করে খেতে লাগল। যেন বুঝে নিতে চাইলো কতটা মোহিত হয়েছে তার শ্রোতা।

    তারপর আবার পূর্বের ভঙ্গিতে শুরু করলেন বলা, যাই হোক, সেই ছেলে বাড়ি থেকে পালিয়ে পাহাড়ের ওপরে অবস্থিত এক নির্জন স্থানের সরকারি হাসপাতালে কাজে যোগ দিল। যথেষ্ট সুস্বাস্থ্যের অধিকারী, পরিশ্রমী শম্ভুনাথ পাহাড়ের উঁচুতে ফোটা ফুলগুলোর বিস্তারিত বর্ণনা লিখতে শুরু করেছিল তার খাতায়৷ সেই হাসপাতালের এক নার্স তাকে এ কাজে যথেষ্ট সাহায্য করছিল৷ যখন তাদের ডিউটি থাকত না তখন তারা দুজন একসঙ্গে উচুঁ-নিচু পাহাড় পেরিয়ে নতুন কোন প্রজাতির নমুনা নিয়ে আসত৷ সেই ফুলের বীজ হাসপাতালের প্রাঙ্গনে পুঁতে দিত। তার থেকে নতুন চারা বেরোলে সেই আনন্দে তারা আত্মহারা হয়ে যেত। এ যেন তাদের কাছে সৃষ্টির আনন্দ। অন্যদিকে তার পরিবার এতদিন ধরে মানুষ মেরেছে শাস্তির নামে, আর সে নতুন প্রাণ আনছে, এই বোধ শম্ভুনাথকে শান্তি দিত।


    আরও পড়ুন
    বাধা - Tanima Hazra



    ওয়েটার থেমে গেল এই অবধি বলে।

    তারপর – তিয়াসার গলায় কৌতুহল। সে শুনতে চাইছে এরপর কী ঘটতে চলেছিল…
    সেদিকে তাকিয়ে ওয়েটার বলল, হাসপাতাল জুড়ে এই সবুজ লাগানোর প্রেমকে কেন্দ্র করে ছড়িয়ে যায় তাদের দুজনের প্রেমের কল্পকথা৷ সকলেই ভাবে তারা একে অপরের প্রতি আসক্ত। যদিও তারা এ ধারণাকে পাত্তা না দিয়ে নিজেদের কাজটা মন দিয়ে করে যাচ্ছিল৷

    এদিকে হল কী! সেখানকার একজন সত্তর বছরের রোগী, পেশায় অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, অনেক টাকার মালিক, তার আয়ু ডাক্তারের কথায় নামমাত্র ৷ তাই তিনি বেশ চিন্তিত- ছোটবেলা থেকে জমানো নানান দেশের ডাকটিকিট সংরক্ষণ করে রাখা বাক্সটার ভবিষ্যৎ নিয়ে৷ বাক্সের মধ্যে রাখা ডাকটিকিটের সঙ্গে সব দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, বরেণ্য ব্যক্তিদের পরিচয়, ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত লেখা ছিল। এমনকী কিভাবে ডাকটিকিটের উৎপত্তি সে বিষয়েও ছিল তথ্য।

    তাঁর ডায়েরি থেকেই জানা গেল, সময়টা ১৮৩৭ সাল। এই সময় প্রেরককে নয়, প্রাপককেই ডাক মাশুল দিতে হত। চিঠির পাতার সংখ্যার উপর ভিত্তি করে ডাক মাশুল ঠিক হত। ফলে অনেক সময়ই প্রাপক বিভিন্ন টালবাহানা করে ডাক মাশুল দিতেন না। চিঠিও ফেরত যেত। এইসব অসুবিধা দূর করার জন্য বৃটেনে রোল্যান্ড হিল ডাক বিভাগের সংস্কারের বিভিন্ন প্রস্তাব দেন, যার অন্যতম ছিল ডাকটিকিটের প্রচলন। তাঁর প্রস্তাব অনুযায়ী ঠিক হল এখন থেকে প্রাপককে আর ডাক মাশুল দিতে হবে না, এর দায় প্রেরকের।
    আরো জানা গেল, উপমহাদেশের এমনকি এশিয়ার প্রথম ডাকটিকিট প্রথম চালু হয় পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে। আর ভারতে চালু হয় ১৮৫৪ সালে।
    সে যাইহোক, চিকিৎসার জন্য এখানে ভর্তি হবার পর থেকে এগুলোর আর দরকার ছিল না। অথচ এগুলো সংরক্ষণ করে রাখার মত তাঁর কেউ নেই৷ হাসপাতালের খাতা থেকে জানা যায় তিনি ছিলেন নিঃসন্তান ও ডিভোর্সি। তাই তিনি এ বিষয়ে একের পর চিঠি লিখেছেন বিভিন্ন জাদুঘরকে। এমনকি বিভিন্ন প্রধান শহরের জিপিও-কেও। এগুলো নিয়ে গেলে তাদের রক্ষণাবেক্ষণের খরচাপাতি দিতেও রাজি তিনি৷ কিন্তু কোন উত্তর পাননি৷ তাদের নিঃস্পৃহতা তাঁকে ভারাক্রান্ত করছিল ক্রমশ৷

    একদিন তিনি অস্থির অবস্থায় সমাজের ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থা হারিয়ে সব ডাকটিকিট ঘরের মধ্যে একত্রে জড়ো করে আগুন ধরিয়ে দিলেন৷ মুহূর্তেই আগুনের ঊর্ধ্বগামী লেলিহান শিখা ছড়িয়ে দ্রুত এগোলো পাশের কামরায় দিকে৷ এক এক তলা করে পুরো হাসপাতালটা আগুনের গ্রাসে যেতে লাগলো, কারণ আগুন নেভানোর জন্য যে ব্যবস্থা থাকা দরকার তেমন কিছুই ছিল না সেখানে। আর বাড়িটাও বহু বছরের, ভগ্নপ্রায়, জীর্ণ৷

    আশেপাশে কোনো জলের ব্যবস্থাও ছিল না। এইরকম অবস্থায়, বিভীষিকাময় কোলাহলে সবার মনযোগ ছিল অসহায় রোগীদের প্রতি৷ হট্টগোলের মধ্যে সবার অজান্তেই সেই ছেলেটা ভিতরের দিকটায় চলে গেল৷
    কী হল তার? অস্থির ভাবে জিজ্ঞেস করল তিয়াসা।

    সে প্রশ্নের উত্তর সরাসরি না দিয়ে ওয়েটার বলল, সে দাউ দাউ করে করতে থাকা দালানের ভিতরে ঢুকে গেল, দোতলায় পৌঁছে অফিস ঘর থেকে হাসপাতালের অনেক জরুরি কাগজপত্র ফেলে দিল জানলা দিয়ে নিচের দিকে৷ যদিও ততক্ষণে আগুনের লেলিহান শিখা ঘিরে ফেলে তার চারপাশ৷ 

    এরপর আর কিছুই জানালা দিয়ে উড়তে দেখা যায়নি এবং তার টিকিটিও আর নজরে আসেনি৷ পুরো হাসপাতালটা মাটিতে মিশে গেল৷ প্রাণপণ চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত একসময় আগুন নেভানো গেল। পনেরোটি লাশ মিলল ধ্বংসাবশেষে৷ পুড়ে কঙ্কাল হয়ে যাওয়া দেহগুলোর পরিচয় উদ্ধার করা গেলেও দেখা গেল একমাত্র সেই ছেলেটির কোনো হদিশ পাওয়া যাচ্ছে না৷ তাকে চিহ্নিত করার মত কোনো তথ্য সম্পূর্ণ ভস্মীভূত দেহগুলোতে ছিল না। শেষে সকলে ধরে নিল তার দেহ আগুনে পুড়ে পুরো ছাই হয়ে গেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে মৃত ঘোষণা করা হলো৷

    এই অবধি বলে ওয়েটার তৃপ্তি নিয়ে প্রীতি সম্ভাষণ জানালো৷ হাততালির প্রস্তুতি নিল তিয়াসা, কিন্তু কনুইয়ে ভর দিয়ে শুধু স্মিত হাসি ফেরত দিল৷ এমন রহস্যময় ও ভালবাসার গল্পই তার পছন্দ৷ যদিও এ কাহিনি জুড়ে খালি যন্ত্রণা৷ ভালবাসার কথা প্রায় কিছুই নেই। তাছাড়া শম্ভুনাথ ছাড়াও আরো অনেকেই মারা গেল এই ভয়াবহ আগুনে৷ তাদের কথা ভেবে মন খারাপ হয়ে গেল তার।

    অবশ্য চায়ের অর্ডারে এখন আর তার কোনো আফশোস নেই৷ অবাক হতে হয় এমন আইডিয়া দেখে, গরম চায়ের সাথে চমকপ্রদ গল্প পরিবেশনা যেন চোখের সামনে অভিনীত কোনো দৃশ্য৷ একটাই আক্ষেপ, গল্পটা বেশ ছোট৷ সব কিছু নিখুঁতভাবে শেষ হবার আগেই যেন মঞ্চে পর্দা পড়ে গেল। অনেকটা যেন সেই অণুগল্পের মতো। শেষটা পাঠককে নিজের মতো করে বুঝে নিতে হবে।

    আচ্ছা যদি আবার চায়ের অর্ডার দিই তাহলে কী হবে! প্রতি চায়ের জন্য কি নুতন নুতন গল্প থাকবে? তার আগে এই চা-টা শেষ করা দরকার৷ যদিও গল্প শুনতে শুনতে চা বেশ ঠান্ডা হয়ে গেছে, ভাবতে ভাবতে তিয়াসা কাপ ধরে বেশ জোরেই দীর্ঘ এক চুমুক দিল।এখনো কিছুটা গরম চায়ের স্বাদ পেয়ে অবাকই হলো সে৷
    চমৎকার, কাপ রেখে সে ওয়েটারকে বলল, এখনো একটু চা আছে। আমরা আবার গল্প শুরু করতে পারি।



    পরের পর্ব আগামী শনিবার


    গ্রাফিক্স: মনোনীতা কাঁড়ার
  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ৩০ জানুয়ারি ২০২১ | ১২৪৭ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • i | 61.68.146.29 | ৩০ জানুয়ারি ২০২১ ০৬:৫৭102189
  • প্রথম পর্বে 'গল্প চা' শব্দে শর্ট স্টোরি ডিস্পেন্সার ইনিশিয়েটিভের কথা মনে হয়েছিল এক ঝলক।
    ২য় পর্বের অপেক্ষায় ছিলাম। গল্পের মধ্যে গল্প - আস্তে আস্তে মহা ঘূর্ণিপাক শুরু হয়ে যাবে- আশায় আছি। আপাতত পরের পর্বের অপেক্ষায়।

  • তপন রায়চৌধুরী | 45.112.241.174 | ৩০ জানুয়ারি ২০২১ ১০:৪৩102193
  • অদ্ভুত প্লট। প্রশ্ন জাগছে বা বলা যায় বেশ ভালো লাগছে, ওয়েটার এসে গল্প শুনিয়ে যাচ্ছে, এই কনসেপ্টাই অসাধারণ। আর, তাই নিয়ে গল্প এগিয়ে চলেছে! 

  • moulik majumder | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ০০:৩৯102373
  • অভিনব

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন