• খেরোর খাতা

  • বিভূতিভূষণের সাহিত্য ও জীবন সাধনা।

    Lipikaa Ghosh লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৮ অক্টোবর ২০২০ | ১৫৭ বার পঠিত | ১ জন)
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • বিভূতি ভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ( 12 ই সেপ্টেম্বর 1894- 1লা নভেম্বর 1950)-


    জীবন ও সাহিত্য দুটোই ছিল যাঁর সাধনা। ১৩২৮ বঙ্গাব্দের (1921) মাঘ প্রবাসীতে প্রথম গল্প ‘উপেক্ষিতা’ প্রকাশের মধ্য দিয়ে বিভূতিভূষণের সাহিত্যিক জীবন শুরু হয়। ভাগলপুরে চাকরি করার সময় 1925 খ্রিস্টাব্দে তিনি পথের পাঁচালী রচনা শুরু করেন এবং শেষ করেন 1928 খ্রিস্টাব্দে। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হলো: অপরাজিত (1931), মেঘমল্লার (1931), মৌরীফুল (1932), যাত্রাবদল (1934), চাঁদের পাহাড় (1937), কিন্নরদল (1938), আরণ্যক (1949), আদর্শ হিন্দু হোটেল (1940), মরণের ডঙ্কা বাজে (1940), স্মৃতির রেখা (1941), দেবযান (1944), হীরামানিক জ্বলে (1946), উৎকর্ণ (1946), হে অরণ্য কথা কও (1948), ইছামতী (1950), অশনি সংকেত (1959) ইত্যাদি। 'পথের পাঁচালী' বিভূতিভূষণের শ্রেষ্ঠ রচনা। প্রথম রচিত এই উপন্যাসই তাঁকে জনপ্রিয় করে তোলে। 'অপরাজিত' হল 'পথের পাঁচালী' র পরবর্তী অংশ। উভয়গল্পে তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের ছায়াপাত ঘটেছে। প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় ‘পথের পাঁচালী’কে চলচ্চিত্রে রূপদান করেছিলেন । এবং ' অশনি সংকেত' উপন্যাস দুটি অবলম্বনেও অসাধারণ চলচ্চিত্র নির্মিত হয় ।'পথের পাঁচালী' উপন্যাসটি এতটাই জনপ্রিয় হয়েছিল যে ভারতীয় বিভিন্ন ভাষাসহ ইংরেজি ও ফরাসি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তিনি 'চিত্রলেখা' নামে একটি সিনেমা পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন । 'ইছামতী'উপন্যাসের জন্য তিনি মরণোত্তর রবীন্দ্রনাথ পুরস্কার পেয়েছিলেন (1951)। তাঁর রচনায় প্রকৃতির সৌন্দর্য ও সাধারন মানুষের সুখ দুঃখের কথা বরাবর এসেছে। আর এসেছে অভাব ,অনাহার, অভুক্তির কথা ।‘পথের পাঁচালী’তে সর্বজায়ার ভান্ডার যেন পুর্ণ্ই হই না৷ সাংসারে সার্বদাই আভাব ৷ দুগ্গা একটা লাল পেড়ে সুতির শাড়ির জন্য বাবার কাছে আব্দার করে ৷ হরিহরের মৃত্যুর পর অপু র মা আর অপু অভাবের সাগরে পড়ে যায় ।'পথের পাঁচালী’ অপু-দুর্গার আশ-শ্যাওড়ার ফল খাওয়ার গল্প। বিভূতিভূষণ লিখেছিলেন, জন্মে থেকে তারা কোনও ভাল জিনিস খেতে পায়নি। অথচ তারা তো পৃথিবীতে নতুন। তাই মিষ্টি রসের স্বাদ পেতে চায় তারা। কিন্তু মিষ্টি কিনে খাওয়ার মত আর্থিক অবস্থা তাদের নেই। কিন্তু, বিশ্বের সম্পদ অনন্ত । সেখান থেকেই সামান্য বনের গাছের ফল তারা সানন্দে সংগ্রহ করে। লেখকের কলমে: ‘‘...লুব্ধ দরিদ্র ঘরের বালক বালিকাদের জন্য তাই করুণাময়ী বনদেবীরা বনের তুচ্ছ ফুলফল মিষ্টি মধুতে ভরাইয়া রাখেন।’’ তার পরে এক দিন নিশ্চিন্দিপুরের পাশের গ্রামে আদ্যশ্রাদ্ধের নিমন্ত্রণে গিয়ে ব্রাহ্মণদের দেখাদেখি ছাঁদা বাঁধে অপু। সেই ছাঁদা দেখে বড় খুশি হয় তার মা সর্বজয়া। অপরাজিত তেও অভাব অনটন ও অভুক্তির সঙ্গে লড়াই করে শেষে অপরাজিত থেকেছে অপু। এখানে অপু চরিত্র টিতে তাঁর নিজের চরিত্রের ছাপ ও রয়েছে। ‘তালনবমী’র আগের রাতে গোপাল স্বপ্ন দেখেছিল— ‘‘খোকা, কাঁকুড়ের ডাল্‌না আর নিবি? মুগের ডাল বেশি করে মেখে নে... খোকা যাই তাল কুড়িয়ে দিয়েছিলি, তাই পায়েস হল! ....’’ বিভূতিভূষণের অনেক গল্পের চরিত্রই এমন অভুক্ত। ‘পুঁইমাচা’ 'সই' বা ‘অনুবর্তন’-এ বারবার খিদে উঠে এসেছে বিভূতিভূষণের কলমে। বড় বেশি দারিদ্র্য দেখেছেন লেখক তিনি। সাহিত্যে তার ছাপ থাকবে না, তা-ও কি হয়? চরিত্র ওগল্প প্রাণ পায় সেখান থেকেই। ‘পথের পাঁচালী’ প্রসঙ্গে দিলীপকুমার রায়কে এক চিঠিতে বলেছিলেন, ‘‘দৈনন্দিন ছোটখাটো সুখ-দুঃখের মধ্যে দিয়ে যে জীবনধারা ক্ষুদ্র গ্রাম্য নদীর মত মন্থর বেগে অথচ পরিপূর্ণ বিশ্বাসের ও আনন্দের সঙ্গে চলেছে—আসল জিনিসটা সেখানে... নভেল কেন কৃত্রিম হবে?’’ প্রকৃতি প্রেমী বিভূতিভূষণের প্রিয় ফল ছিল আম আর কাঁঠাল। ভালবাসতেন চাঁপা, বকুল, শেফালি ফুল। বন্য ফুলের মধ্যে পছন্দ ছিল ঘেঁটু আর ছোট এড়াঞ্চি। ঋজু বনস্পতিতেও আকর্ষণ ছিল তাঁর। গাছ আর মেঘমুক্ত রোদের দিনে দিগন্ত— এ সব নিয়েই চলত তাঁর পড়াশোনার নেশা। বিভূতিভূষণের বাবা মহানন্দ বন্দ্যাপাধ্যায় ছিলেন ভবঘুরে প্রকৃতির মানুষ । একেবারে গোড়ায় ছেলের লেখাপড়া শুরু হয়েছিল তাঁরই হাতে। তবে বছরের বেশির ভাগ সময়টাই বাইরে বাইরে কাটত তাঁর। কাজ এবং ভ্রমণ, দুই উদ্দেশ্যেই। সেই স্বভাব পেয়েছিলেন বিভূতিভূষণও। চিরকালই হেঁটে স্কুলে যেতেন। অবশ্য সেটা দারিদ্র্যের কারণেও। তবে এই সময়ে পল্লীপ্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতেন দু’চোখ ভরে। পথের সৌন্দর্যই তাঁর মনে প্রকৃতির প্রতি প্রেম জাগিয়ে তোলে। পরে এই ছাপ ফুটে ওঠে তাঁর লেখায় _বিশেষ করে আরণ্যকে,চাঁদের পাহাড়ে,সুন্দরবনে সাতবছরে। বিভূতিভূষণের লেখাপড়ার গোড়ার দিনগুলোয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল ‘বর্ণপরিচয়’-এর। মাসের প্রথমেই সাড়ে সাত আনা পয়সা দিয়ে এক মাসের ‘বর্ণপরিচয়’ কিনে রাখতেন মহানন্দ। তাঁর কাছেই লেখাপড়া শুরু হয়েছিল বড় ছেলের। রোজ সকালে এক পয়সা দামের একটা ‘বর্ণপরিচয়’ দিয়েই পড়া শুরু হত। সন্ধের পরে সেই বইয়ের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকত না। বাবার জিম্মা থেকে হরি রায়ের পাঠশালা, তার পরে হুগলি জেলার সাগঞ্জ-কেওটা, অবশেষে মহানন্দের কলকাতা বাসের কালে বৌবাজারের আরপুলি লেনের পাঠশালা— এত দীর্ঘ পথ পেরিয়ে সম্পন্ন হয় বিভূতিভূষণের প্রাথমিক শিক্ষা। এর সঙ্গে পাঁচ বছর বয়স থেকেই বাবার কাছে সংস্কৃত এবং মুগ্ধবোধ ব্যাকরণ পাঠ। বিভূতিভূষণের স্কুলের নাম বনগ্রাম উচ্চ ইংরাজি বিদ্যালয়। তাঁর সেখানে ভর্তি হওয়াটাও একটা গল্প। মহানন্দ বাড়িতে থাকতেন না। প্রবল অভাবের সংসারে ছেলেকে উচ্চশিক্ষিত করার আশা পোষণ করতেন না মৃণালিনী। এ দিকে বিভূতিভূষণ দেখতেন, প্রতিবেশীর ছেলেরা বনগ্রামে গিয়ে স্কুলে ভর্তি হয়। তাঁরও খুব ইচ্ছে হল। দ্বিধা কাটিয়ে কোনও এক ইংরেজি বছরের মাঝামাঝি গিয়ে ভর্তি হয়ে গেলেন সেখানে। ‘লক্ষ্মীর ঝাঁপি’ থেকে সিঁদুর মাখানো টাকা দিলেন মৃণালিনী দেবী । কড়া নজর ছিল প্রধান শিক্ষক চারুচন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের। প্রথম দু’দিন ভয়ে স্কুল কম্পাউন্ড অবধি গিয়ে বাড়ি ফিরে এসেছিলেন বিভূতিভূষণ। তৃতীয় দিন তাঁকে ডেকে পাঠান প্রধান শিক্ষক। সিঁদুর মাখানো টাকা দেখে আসল ঘটনা জানতে চান এবং জানার পরে, ছাত্রের বেতন মাফ করে দেন। পড়াশোনা চলতে থাকে। তিনি যখন ক্লাস এইট, প্রয়াত হন মহানন্দ। সংসারের সব দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে 1914 সালে প্রথম বিভাগে প্রবেশিকা পরীক্ষা উত্তীর্ণ হন বিভূতিভূষণ। 1918 সালে রিপন কলেজ থেকে ডিস্টিংশন নিয়ে বিএ পরীক্ষায় পাশ করেন বিভূতিভূষণ। তার পরে কিছু দিন এমএ এবং ল ক্লাসে পড়েছিলেন। তৃতীয় বর্ষে পড়ার সময়ে বসিরহাটের মেয়ে গৌরীদেবীর সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। কিন্তু এক বছরের মধ্যেই বিসূচিকা রোগে মারা যান গৌরীদেবী। বিভূতিভূষণেরও পড়াশোনায় ইতি ঘটে। হুগলির জাঙ্গিপাড়ার মাইনর স্কুলে শিক্ষকের চাকরি নেন। পরে জাঙ্গিপাড়া থেকে সোনারপুরের হরিনাভি। এর পরে এগিয়ে যেতে হয় প্রায় দু’দশক। এক দিন হঠাৎ হইচই পড়ে যায় ছোট্ট বনগ্রামে। অঞ্চলে খবর ছড়িয়ে পড়ে, ইছামতী নদীতে স্নান করতে নেমে ডুবে গিয়েছেন বিভূতিভূষণের বোন জাহ্নবীদেবী। সেই খবরের সূত্রেই প্রখ্যাত লেখকের ঠিকানা এসে পৌঁছয় ফরিদপুর জেলার ছয়গাঁও নিবাসী ষোড়শীকান্ত চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় কন্যা রমাদেবীর কাছে। বাবার দেওয়া আকাশি-নীল রঙের সোনালি ঢেউ খেলানো শাড়ি পরে বিভূতিভূষণের সঙ্গে দেখা করতে যান রমাদেবী। লেখক তখন বড়ই বিষণ্ণ। অটোগ্রাফ খাতায় সই করে লিখে দিলেন: ‘‘গতিই জীবন, গতির দৈন্যই মৃত্যু।’’ অতঃপর 30 বছর ব্যবধানের দুই মানব-মানবীর বন্ধুত্ব এবং চিঠি চালাচালি। রমাদেবী বিবাহের প্রস্তাব দিলেন। সময় চাইলেন বিভূতিভূষণ। মনে করিয়ে দিলেন গৌরীদেবীর কথা। বোঝালেন নানা ভাবে। বললেন, ‘‘আমার সাথে তোমার বয়সের অসম্ভব তফাত। তুমি না হয় ছেলেমানুষ, বুঝতে পারছ না, কিন্তু আমি একজন বয়স্ক লোক হয়ে কি করে তোমাকে ডোবাই?’’ এমনকি এ-ও বললেন, ‘‘দেখ আমার গায়ের রোমে, মাথার চুলে পাক ধরেছে।’’ কিন্তু রমাদেবী নাছোড়, ‘‘আপনাকে মাত্র দশদিনের জন্য স্বামী হিসেবে পেলে আমি ধন্য।’’ 3 ডিসেম্বর, 1940 সম্পন্ন হল সেই শুভকাজ। সাত বছর পরে জন্ম হল পুত্র তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের (বাবলু)। লেখালেখি ছিল তাঁর সাধনার বিষয়। লিখে গেছেন জীবনের প্রায় শেষ দিন পর্যন্ত। শেষ দশ বছর লিখেছেন, 'অশনি সংকেত’ বা ‘ইছামতী’র মতো কালজয়ী উপন্যাস। মৃত্যুর ঠিক পাঁচ-সাত দিন আগে পুজোর ছুটিতে শেষ করেছিলেন জীবনের শেষ গল্প ‘শেষ লেখা’। পরে বিভূতিভূষণের লেখার বাক্স থেকে উদ্ধার হয়েছিল সেই গল্প। শেষ জীবনে নাকি পরলোকতত্ত্ব নিয়ে আগ্রহী ছিলেন। পড়াশোনা নিয়েই থাকতেন। তাই সারা বাড়িতে বইপত্র ছড়ানো থাকত। আলমারিতে গুছিয়ে রাখতে পছন্দ করতেন না। শেষ মেষ 1লা নভেম্বর 1950খ্রিঃ এ জীবনের সাধনা সাঙ্গ করে মৃত্যুর ডাকে সাড়া দিয়ে চলে গেলেন এই কালজয়ী লেখক। রেখে গেলেন অসংখ্য গুণগ্রাহী আর তাঁর সৃষ্টি কর্মকে।

  • ২৮ অক্টোবর ২০২০ | ১৫৭ বার পঠিত | ১ জন)
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন