• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • চীনের ভাইরাস আমাদের ভাইরাস: #দ্বিতীয় কিস্তি

    Rajarshi Raychaudhuri লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৭৯৪ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • এক | দুই | তিন
    কিছুদিন আগে (তাও প্রায় মাস দেড়েক হয়ে গেলো ) "চীনের ভাইরাস আমাদের ভাইরাস" নামে একটা আর্টিকেল লিখেছিলাম| তার মূল বক্তব্য ছিল করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত নানান কন্সপিরাসি থিওরীকে debunk করা| (এই ইংরিজি শব্দটির বাংলা প্রতিশব্দ আমার জানা নেই, সুধী পাঠক নিজগুনে মার্জনা করবেন)| লেখাটা পড়ে আমার এক বন্ধু মন্তব্য করেছিলেন, "দ্যাখ যারা বিনা চিকিৎসায় মরছে they need to blame someone| কিন্তু যারা এই থিওরীগুলো ছড়াচ্ছে তারাই হচ্ছে আসল ভিলেন|"

    কথাটা সত্যি | ভারতবর্ষের পরিযায়ী শ্রমিক, বা বিলেতের কাজ থেকে ছাঁটাই হওয়া সিঙ্গল মা, দুজনেই দোষ দেবার পাত্র খোঁজে| সামনে রয়েছে চীন থেকে উৎপত্তি হওয়া ভাইরাস, অন্তত নির্বাচিত সরকার তাই বলছে, তাই সব ব্যাটাকে ছেড়ে বেঁড়ে ব্যাটাকে ধর! কিন্তু সে পরের কথা| আগে ঠিক করা যাক আলোচনাটা কি ব্যাপার নিয়ে হবে|

    বাজারে এখন করোনাভাইরাস সংক্রান্ত যে গুজবগুলো চলছে, তার মধ্যে অন্যতম অবশ্যই "চীনের ভাইরাস|" সেই ব্যাপারটা নিয়ে এর আগের কিস্তিতে লিখেছি, কিন্তু এই বারে তার পিছনের কারণগুলো নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করলে মন্দ হয় না| সেই সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, ব্রাজিলে এবং বিলেতে যে মাস্ক-বিরোধী গন্ডগোলটি চলছে সেটা সম্বন্ধেও দু চার কথা!
    সব শেষে ওই তিনটি দেশে (প্রধানত) যে "মরে যাবো তবু ভ্যাকসিন নেবো না" মার্কা আন্দোলন আরম্ভ হয়েছে, সেই ব্যাপারটা সম্বন্ধে কিছু না লিখলে সমস্ত ব্যাপারটা অপূর্ণ থেকে যাবে!

    সৈয়দ মুজতবা আলীর একটি প্রবন্ধে প্যারিসের এক জজসায়েবের কথা পড়েছিলাম যিনি সারাক্ষণই বলতেন, "cherchez la femme" অর্থাৎ "মেয়েটাকে খোঁজো!" তাঁর ধারণা ছিল, বিশ্বের সব কেসের পিছনে কোথাও একটি নারী চরিত্র লুকিয়ে আছে; তাঁর সন্ধান মিললেই কেসের সুরাহা হবে! আজকে করোনা-সংক্রান্ত গুজব-থিওরীগুলো দেখে মনে হয় ব্যাপারটা একটু অন্যরকম| এখন খেলাটা দাঁড়িয়েছে "cherchez la monnaie!" আক্ষরিক ফরাসি থেকে অনুবাদ করলে দাঁড়াবে, "নগদ পয়সাটাকে খোঁজো!" ঠিকই, চাইনিজ ভাইরাস ব্যাপারটার মধ্যে অৰ্থনীতি, xenophobia এবং geopolitics - এই তিনটি বিষয় একেবারে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে আছে|

    বিভিন্ন ইকনমিস্ট ও রাজনৈতিক কমেন্টটারদের মতে বিশ্বে এখন দুটি দেশ আছে যাদের সুপারপাওয়ার বলা চলে| প্রথম অবশ্যই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র| দ্বিতীয়, চীন| 2004 সালে লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্সের প্রফেসর ব্যারি বুজান লেখেন "China certainly presents the most promising all-round profile of a potential superpower| সেই একই কথা পরাগ খান্না বা অরবিন্দ সুব্রামানিয়ামএরও| এই শেষোক্ত ভারতীয় অর্থনীতিবিদ লিখেছিলেন 2020 সালে চীনের রেনমিনবি, আমেরিকার ডলারকে পৃথিবীর প্রধান কারেন্সী হিসেবে প্রতিস্থাপন করবে| এই কথাগুলো 2012 সালের, তখন করোনাভাইরাস দূর অস্ত, কিন্তু আজ চীন দেশে রোগটা শুরু হওয়া সত্ত্বেও আমেরিকা, ব্রাজিল, ব্রিটেন ও পশ্চিম ইউরোপের নানান দেশের অবস্থা যখন দেখি তখন ওই ভবিষ্যৎবানীকে প্রফেটিক বলেই মনে হয়! শুধুমাত্র করোনা-আক্রান্তদের সংখ্যার কথা বলছি না; শুধু মৃত্যুর সংখ্যা বলছি না, করোনাভাইরাস সংক্রান্ত অন্যান্য অগ্রগতির দিকে দেখলেও সেই একই কথা মনে হয় না কি?

    করোনাভাইরাসএর প্রথম জিন ম্যাপিং করা হয়েছে চীনে| তৎপরবর্তী সময়ে ভ্যাকসিন ইত্যাদি নিয়ে যা যা কাজকম্মো হয়েছে সবই সেই জিন মাপকে অনুসরণ করেই|
    কোভিড 19 এর চিকিৎসার যা যা গাইডলাইন আমাদের সামনে আছে, (সামান্য তফাৎ ছাড়া) আমরা এখনো মোটামুটি সেই গাইডলাইনই ফলো করছি| স্পেসিফিক উদাহরণ হিসেবে কম পরিমানে ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড ব্যবহার, হাই ফ্লো অক্সিজেনের ব্যবহার, BIPAP এর ব্যবহার একদম শেষ অবস্থায় যাবার আগেই ভেন্টিলেশন, রুগীদের উপুড় করে শুইয়ে ভেন্টিলেট করা, যাকে বলা হচ্ছে early proning, এই সবই চীনে বৈজ্ঞানিক ও ডাক্তারদের সুবাদে পাওয়া|

    কিছু কিছু পরিবর্তন অবশ্যই হয়েছে, তার মধ্যে hydroxychloroquine যে কাজ করে না, সেই ব্যাপারটি অন্যতম| সেটা হয়েছে সারা বিশ্বের বিজ্ঞানীদের চেষ্টায় ও বিজ্ঞানের অমোঘ অগ্রগতির জন্যে|

    সরাসরি অর্থনীতির ক্ষেত্রেও 2020 সালে চীন আমেরিকাকে ছাড়িয়ে গেছে| ওয়ার্ল্ড ব্যাংকএর International Comparison Programmeএর 29 মে'র রিপোর্ট অনুযায়ী মার্কিন দেশের GDP ছিল সাড়ে উনিশ ট্রিলিওনের একটু বেশি| সেই তুলনায় চীন উনিশ দশমিক ছয় ট্রিলিয়ন ছাড়িয়ে গিয়েছিলো| একটি এস্টাব্লিশড ক্ষমতাশীল দেশের জায়গায় আর একটি দেশ যখনি বসতে চায়, তখনি বিভিন্নভাবে যুদ্ধ-বিগ্রহের (সেটা যে কোনো ভাবেই হোক না কেন) একটা সম্ভাবনা থাকে| হার্ভার্ডের এক পলিটিকাল সায়েন্টিস্ট গ্রাহাম এলিসনের মোতে এর নাম থুকিডিডিস ক্রাইসিস| 431 BC তে এথেন্স এবং স্পার্টার মধ্যে যে পেলোপোনেসিয়ান যুদ্ধ ঘটেছিলো তার বর্ণনা দিয়েছিলেন থুকিডিডিস| সেখানেও "সমস্যাটা" এই একই রকম ছিল!
    এটা অবশ্য নতুন কিছুই নয় জীবনবিজ্ঞানের ছাত্রদের কাছে জীবজন্তুদের টেরিটোরিয়ালিটি বলে যে ব্যাপারটা আছে সেটাই মানুষদের ক্ষেত্রে এই ভাবে চলে এসেছে|

    এই অর্থনৈতিক ও geopolitical পটভূমির ওপর দাঁড়িয়ে ট্রাম্প, পেন্স, পম্পেও, ব্রিটেনে নাইজেল ফারাজ, ডেমিয়ান গ্রীন, টম তুগেন্ডহাট, টোবিয়াস এলউড ইত্যাদি দক্ষিণপন্থী রাজনীতিক, ব্রাজিলে Bolsanaro, সব্বাই যে কাজে নেমেছেন, তাকে সহজ ভাষায় বলে China Bashing, এই কোভিড 19এর পরিপ্রেক্ষিতে| পৃথিবীর 80% এর বেশি বিজ্ঞানীই বলছেন যে নভেল করোনাভাইরাস সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ভাবে, ক্রমবিবর্তনের পথ অনুসরণ করেই উদ্ভূত হয়েছে, কিন্তু সে সব অরণ্যে রোদন!

    আসল কথা সারা বিশ্ব যখন অর্থনৈতিক ক্রাইসিসএর মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে তখন নিজের যদি বাঁচানো বড়ো দায়! কাউকে দোষ দিতেই হবে; তাই বাদুড়খেকো চীনেগুলোকেই দোষারোপ করা সবচেয়ে সুবিধে! যাঁরা Nature Medicine এর ওই সুবিখ্যাত পেপারটির (Proximal Origin of SARS-CoV2) উল্লেখ করবেন, তাঁদের বলা হবে 'দেশদ্রোহী' অথবা কখনো, "ওই পেপারটা চীনাগুলো পয়সা খাইয়ে লিখিয়েছে!"

    এবারে আসি দ্বিতীয় প্রসঙ্গে| মাস্ক পড়লে জীবাণু ছড়ায় কম; 'ইহা সর্বজনবিদিত সত্য'! কিন্তু এই সামান্য ব্যাপারটি যে এতটা politicised হতে পারে সেট কি আমরা আগে ভেবেছিলাম? সেখানেও ডান-বাম বিভেদটা অত্যন্ত প্রকট| ট্রাম্প, বলসানারও, ব্রিটেনে প্রথম দিকে বরিস জনসন ইত্যাদির কেউই মাস্ক পরতে রাজি ছিলেন না| ইন ফ্যাক্ট, মাস্ক পরলে লোকজনের কত ক্ষতি হতে পারে, তাতে রক্তে অক্সিজেনের পরিমান কমে যায় এমনকি মুখে ব্রণ পর্যন্ত বেরিয়ে যায়, সব কিছুই বলা হয়েছে! একটা out-of-this- world কুযুক্তিও শোনা গেছে! করোনাভাইরাস নাকি মুসলমানদের তৈরী যাতে সারা বিশ্বে শরিয়া আইন চালু করবার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে সারা বিশ্বের জনগণের (নারী- পুরুষ নির্বিশেষে) বোরখা পরানোর ব্যবস্থা করা যায়!

    আমি একটা এক্সপেরিমেন্ট করেছিলাম| (যাদের স্মার্ট ফোন আছে এবং লম্ফ ঝম্প করে অভ্যেস আছে তাঁরাও রিপিট করে দেখতে পারেন|) মুখে একটা মাস্ক পরে স্যামসুং হেলথ app ব্যবহার করে নিজের অক্সিজেন saturation মেপেছিলাম| 98%| তারপর এক মাইল জগ করলাম, আবার মেপে দেখলাম| ওই একই| তিন মাইল মাস্ক পরে দৌড়ে দেখেছি অক্সিজেন লেভেল 95% এর নিচে নামেনি| পঞ্চাশোর্ধে তিন মাইল দৌড়োবার পরেও যদি অক্সিজেন লেভেল ঠিক থাকে তাহলে মাস্ক পরে বাজারে ঘুরতে বা সাধারণ কাজ করতে নিশ্চয়ই অসুবিধা হবার কথা নয়! তবে ওই যা বললাম প্রমাণসাপেক্ষ!

    সব শেষে, ভ্যাকসিন প্রসঙ্গ| আমি নিজের ডিপার্টমেন্টে এই প্রশ্নটা বারংবার শুনেছি, "যদি ভ্যাকসিন বেরোয় তুমি ভ্যাকসিন নেবে?" আমার কাছে উত্তরটা খুব পরিষ্কার - অবশ্যই নেবো! কারণ তাহলে আমার পরিবারের, আমার রুগীদের এবং অবশ্যই আমার নিজের এই অসুখটি হবেনা! কিন্তু ব্রিটেন, আমেরিকা ইত্যাদি দেশে এবং ইউরোপের বিভিন্ন অংশে একটা বোরো সংখক মানুষ আছেন যাঁরা প্রবল ভাবে ভ্যাকসিন বিরোধী| এই ভ্যাকসিন বিরুদ্ধতা অবশ্য শুধুমাত্র পশ্চিম দুনিয়াতেই থিম নেই, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, এইসব দেশেও এঁদের অভাব নেই! মনে আছে প্রায় পনেরো ষোলো বছর আগে পালস পোলিওর বিরুদ্ধতা করে কিছু বাঙালি গ্রামবাসী বলেছিলেন, "পঙ্গু হয়ে থাকবো তবু পালস পোলিও খাবো না!"

    আমেরিকা ও ব্রিটেনে ভ্যাকসিন বিরুদ্ধ আন্দোলন শুরু হয় অ্যান্ড্রু ওয়েকফিল্ড নাম এক শিশু চিকিৎসকের একটি পেপার থেকে| সেই পেপারে তিনি বলেছিলেন যে MMR ভ্যাকসিন (MUMPS/MEASLES/RUBELLA) দিলে নাকি অটিজম হওয়ার সম্ভাবনা থাকে| তার সমাধান হিসেবে তিনি সাজেস্ট করেন প্রতিটি অসুখের বিরুদ্ধে সিঙ্গল ভ্যাকসিনেশন|
    পরে প্রমাণ হয় যে ওয়েকফিল্ড তাঁর রিসার্চে মিথ্যাচার করেছিলেন| তাঁর পেপারটি নাকচ করা হয় এই ভদ্রলোকের GMC রেজিস্ট্রেশনও কেড়ে নেওয়া হয় বৈজ্ঞানিক মিথ্যাচারের জন্য| কিন্তু ততক্ষনে যা হবার হয়ে গেছে| ওয়েকফিল্ড আমেরিকায় বসবাস আরম্ভ করেন এবং বিরাট মাপে ভ্যাকসিনেশন বিরোধী আন্দোলন শুরু করেন| অনেকেরই হয়তো মনে থাকবে যে 2016 সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে নির্বাচনী প্রচার করতে গিয়ে বলেছিলেন যে তিনি মনে করেন ভ্যাকসিন দিলে শিশুদের ক্ষতি হয়!

    ভ্যাকসিন বিরোধী গুজব আর rhetoric সারা পৃথিবীর দক্ষিণ পন্থীদের কাছেই একটা বোরো অস্ত্র| সম্ভবত ভ্যাকসিন বিরুদ্ধতা আর বিজ্ঞান বিরুদ্ধতা দুটো ব্যাপারই প্রায় এক জাতীয়| সেই সঙ্গে, ভ্যাকসিনেশন প্রোগ্রাম সাধারণত সরকারের পয়সায় হয়ে থাকে| State funded হেলথ কেয়ার প্রোগ্রাম চিরকালই দক্ষিণ পন্থী রাজনীতির চক্ষুশূল, সেটা 1948 সালে ব্রিটেনে NHS তৈরী করার সময় টোরি পার্টির বাধা দেবার বিবরণ থেকেই পরিষ্কার| সেই ট্রেডিশন আজিও চলিতেছে!

    করোনাভাইরাস প্যানডেমিকের মধ্যে কাজ করতে গিয়ে যেটা বুঝেছি, সেটা হচ্ছে এই: শুধু ভাইরাস নয় আমাদের শত্রু আজ অনেক| জেক WHOর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে "misinformation, disinformation and infodemic" সেটাও শত্রু হিসেবে কম মারাত্মক নয়|

    সবাই ভালো থাকবেন, সাবধানে থাকবেন|
    অলমিতি

    (রেফারেন্স লেখার মধ্যে মধ্যেই গুঁজে দেওয়া আছে তাই আর আলাদা করে লিস্ট দিলাম না| আশা করি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে|)
    এক | দুই | তিন
  • বিভাগ : ব্লগ | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৭৯৪ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
আরও পড়ুন
আঁধি - Jahar Kanungo
আরও পড়ুন
ভগীরথ - Vikram Pakrashi
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে প্রতিক্রিয়া দিন