• হরিদাস পাল  আলোচনা  বিবিধ

    Share
  • স্কুল-পড়ুয়ার আগুপিছু

    Anindita Roy Saha লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ১৪ জুলাই ২০২০ | ৩৬১ বার পঠিত | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • প্রতি বছর এই সময়ে পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়, দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর। খবরের কাগজের হেডলাইনটা আমাদের সকলের জানা হয়ে গেছে - মেয়েরা এগিয়ে, girls outperform boys. অর্থাৎ মেয়েরা বেশি ভালো ফল করেছে। শতকরা হিসেবে মেয়েরা ছেলেদের থেকে বেশি পাশ করেছে। ছেলেদের হার যদি হয় ৮১%, তো মেয়েদের ৮৪%। প্রথম শ্রেণীতে পাশের হারও বেশি। হয়তো প্রথম স্থানেও আছে কোনো মেয়েই। কাগজে ছবিও ছাপা হয়েছে স্কুলের গেটের সামনে আনন্দে মাতোয়ারা কিছু সফল ছাত্রীর। এই ভীষণ খুশি-করা খবরটা শুনে পাড়ার মাসিমাও বলতে থাকেন, মেয়েরাই এখন বেশি সফল। হয়তো তাঁর নিজের না পাওয়ার দুঃখটাও কমে যায় খানিকটা। আমাদের মেয়েদের কাছে স্বপ্নের মতো এই খবরটা শুনে প্রতিবারই থমকে যাই, সংখ্যাতত্ত্বের হিসাবের নিয়মগুলো আওড়াতে থাকি মনে মনে।
    যে কোনো পরিসংখ্যানের বিশ্লেষণ দুভাবে করা যায় - শতকরা হিসাব (percentage) আর প্রকৃত মান (absolute value) । এই যে সংখ্যাগুলি গণমাধ্যমের হেডলাইনে ছাপা হয়, তা শতকরা হিসাব। আসল সংখ্যাগুলি লুকিয়ে থাকে ভিতরের পাতার ছোটো কোনো এক কোণে। পাঠক হয়তো মন দিয়ে পড়েনও না। চোখে পড়ার কথাও নয় তেমন। কী সেই সংখ্যাগুলি? মোট কতজন ছাত্র আর কতজন ছাত্রী পরীক্ষা দিয়েছিল। লক্ষ করলে দেখা যাবে যে প্রথম সংখ্যাটা দ্বিতীয় সংখ্যাটার চেয়ে অনেকটাই বেশি। যেমন দেখা যেতে পারে, ২০২০ সালে সারা ভারতবর্ষে সি বি এস ই তে দশম শ্রেণীর পরীক্ষার্থী ছিল ১৮,৮৯,৮৭৮। এর মধ্যে ছাত্র ছিল ১১,০১,৬৬৪ জন আর ছাত্রীর সংখ্যা ৭,৮৮,১৯৫। এর শতকরা হিসাবটা কেমন দাঁড়ায়? সামান্য পাটিগণিত বলে দেবে, মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্রদের অংশগ্রহণের হার ৫৮% আর ছাত্রীদের ৪১% (বাকি ১৯ জন তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ)। অর্থাৎ তফাৎ ১৭ শতকরা মানের (percent point)। এই সংখ্যাটা কিছুটা বদলায় দ্বাদশ শ্রেণীর ক্ষেত্রে। ছাত্র সংখ্যা ৬,৮৪,০৬৮ আর ছাত্রী সংখ্যা ৫,২২,৮১৯। অর্থাৎ ছাত্রদের ভাগ ৫৬% আর ছাত্রীদের ৪৩% (৬ জন তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ)। শতকরা মানের পার্থক্য ১৩। দুই ক্ষেত্রেই এই বৈষম্য ভারতবর্ষের লিঙ্গ-অনুপাতের (sex ratio) বৈষম্যের (৯২৪/১০০০) চেয়ে বেশি। এবার কি হিসাবটা আর আগের মতোই মনে হচ্ছে? এগিয়ে আছে মেয়েরাই?
    কোন মেয়েরা আছে এই ভালো ফলের হিসেবের মধ্যে? ভারতবর্ষের শহর বা আধা-শহরের স্বচ্ছল শিক্ষিত পরিবারের কন্যাসন্তান, যারা সুবিধা পেয়েছে নানারকম। তাদের আছে বেশ নামীদামী স্কুল, বাড়িতে গৃহশিক্ষক, মা-বাবার মনোযোগ। পড়াশুনোর চাপ সামলানোর জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার তারা ছোটবেলা থেকেই পায়। বাড়িতে মাকে কাজে সাহায্য করার প্রয়োজন নেই, কাজের মাসি আছে। মন ভালো রাখার জন্য বাবার বেড়াতে নিয়ে যাওয়া আছে। আছেন গৃহশিক্ষকের নিয়মিত সহায়তা, আছে সহপাঠীর সঙ্গে আলোচনা করার সুযোগ। মেয়ের পরীক্ষা মানে পুরো পরিবারেরই যেন এক সম্মিলিত প্রচেষ্টা। এরা ভালো ফল করবে সেটাই তো প্রত্যাশিত।
    এবার দেখা যাক, কোথায় গেলো অন্য মেয়েরা? এরা সেই হিসেবের বাইরের তিন লক্ষেরও বেশি (বা ১৭% ব্যবধানের) মেয়েগুলি, যারা এই দৌঁড়ে যোগ দিতেই পারে নি। অমর্ত্য সেনের ধারণা অবলম্বনে এদের বলা যেতে পারে ‘না-থাকা-কিন্তু-থাকতে-পারতো’ এমন মেয়েরা (missing women)। তারা এখনো সবাই স্কুলে যায় না, গেলেও শেষ পরীক্ষা পর্যন্ত টানতে পারে না। তাদের পড়াশুনার গুরুত্ব আজও তাদের ভাইদের চেয়ে কম। তারা ঘরে কাজ করে, অপুষ্টিতে ভোগে, পিছিয়ে পড়ে বারবার। তাই মোট ছেলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যার থেকে অনেকটাই কম থেকে যায় মোট মেয়ে পরীক্ষার্থীর সংখ্যাটা।
    ছেলেরা তো সুবিধা পায়, তবে ভালো ফলের শতকরা হিসেবে হেরে যাচ্ছে কেন? কারণ তাদের মোট সংখ্যাটা সব শ্রেণীর ছাত্রদের মিলিয়ে। সেখানে সুযোগসুবিধা পাওয়া ছেলেদের সঙ্গে সঙ্গে আছে এমন অনেক না-পাওয়া আর কম-পাওয়া ছেলেরাও, যারা লড়ছে এক অসম লড়াই। তারা হয়তো বাবার সঙ্গে ক্ষেতে যায়, কিংবা সকালে খবরের কাগজ বিলি করে। তাদের পরীক্ষার ফল তেমন ভালো হয় না। ফলতঃ, ছেলেদের যোগদানের মোট সংখ্যাটা বেড়ে গেলেও শতকরা হিসেবে ছেলেদের ভালো রেজাল্টের হারটা পড়ে যায়।
    তাই বলে কি সব মেয়েই সুবিধাপ্রাপ্ত ? তা অবশ্যই নয়। চরম প্রতিকূলতার মধ্যে লড়াই করা বেশ কিছু মেয়েও আছে এর ভেতর। তাদের যোগদান ক্রমশ বাড়ছে, যদিও তাদের মতো জায়গায় সমযোগ্যতার ছেলেরা যে সুবিধা বা গুরুত্ব পায়, তা হয়তো আজও তুলনীয় নয়। আর এদের হিসেবটা ওই সংবাদের শতকরা অংকের মধ্যে থাকে না। ‘মেয়েরা বেশি ভালো ফল করেছে’ বলে যে ঘোষণাটা হয়, সেই অঙ্কটা কিন্তু কষে দেয় সুবিধাপ্রাপ্ত শ্রেণীর মেয়েরাই। কারণ সেই সংখ্যাগুলোর ভিত্তি হল ওপরের দিকের ফলের হিসেব।
    শতকরা হিসেব আর প্রকৃত মানের গরমিলটা দেখতে পাই উচ্চ শিক্ষার পরিসংখ্যানেও। বিজ্ঞান আর কারিগরি বিদ্যাতেও আজকাল মেয়েদের অংশগ্রহণ বাড়ছে বলে শোনা যায়। কিন্তু কতখানি সেই বৃদ্ধি? শতকরা মান দেখলে দশমিক বা ভগ্নাংশ থেকে বেড়ে হয়তো এক অংকের সংখ্যায় উঠেছে। আসলে তো এখনো হাতে গোনা যায় আই আই টিতে কটি ছাত্রী আছে। একটি ইঞ্জিনারিং-এর গড় ক্লাসে (জীববিজ্ঞান ভিত্তিক পাঠক্রম ছাড়া) ৬০ জনের মধ্যে ৮-১০ টির বেশি মেয়ে থাকে না। এখনো তো মেয়েদের সংখ্যা বেশি হয় ইতিহাস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দর্শন কিংবা সাহিত্যের ক্লাসে। শেষ পরীক্ষার পরে চাকরির বাজারে মেয়েদের তো আজও কম দেখা যায়। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে কর্মরতা মেয়েদের সংখ্যার অনুপাত এখন আবার নিম্নমুখী। যে মেয়েরা স্কুলে ভালো ফল করেছিল, তারাই বা সব গেলো কোথায়? সর্বভারতীয় সি বি এস ই পরীক্ষায় প্রথম স্থানে একজন ‘কলাবিভাগ’-এর ‘মেয়ে’ থাকবে, এটা আজকাল মোটামুটি স্থির। এই ‘পলিটিক্যালি কারেক্ট’ ঘটনাটার পরের পর্বটা ভালো ভাবে জানা নেই। এ কথা অবশ্যই সত্য যে, মেয়েদের পেশাগত প্রতিষ্ঠার সামনে আজও আছে বহুবিধ সামাজিক প্রতিবন্ধকতা। তাহলে তো বলতে হয় লম্বা দৌঁড়ে ছবিটা তেমন বদলায়নি। তবে তো এই স্কুলের পরীক্ষায় মেয়েদের ভালো ফলের খবরে এক ছিঁটে নুন দিয়ে পড়তে হবে, মানে খুঁজতে হবে সংখ্যাতত্ত্বের বাইরে।
    এবার একটা উল্টো প্রশ্ন তোলা যাক। আমাদের দেশে ডাক্তারি পড়তে আসছে আজকাল বেশ অনেক সংখ্যক মেয়েরা। শিক্ষকতা ও চিকিৎসা, এ দুটি অনেক উন্নত দেশেই মহিলাপ্রধান পেশা। আমরাও হয়তো সেইদিকে এগোচ্ছি। কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে ছবিটা অন্য। সেখানে ভর্তির জন্য আজকাল মেয়েদের অনেক উৎসাহ দেওয়া হয়। যেমন জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষায় আর সব দিকে সমান একটি ছেলে ও একটি মেয়ের মধ্যে শেষ প্রতিযোগিতায় মেয়েটিকে নম্বরের বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয়। এও কি এক রকমের সংরক্ষণ নয়? তার চেয়েও বড়ো কথা হলো এর অন্তর্নিহিত ভাবনাটি। এখানে ধরেই নেওয়া হচ্ছে যে, মেয়েদের এগিয়ে নিতে হলে তাদের বেশি করে কারিগরি ও প্রযুক্তিবিদ্যা পড়াতে হবে। নাহলে কেন আমরা দেখতে পাই না সাহিত্য-দর্শন-সমাজবিজ্ঞান পড়ার জন্য ছেলেদের উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে? কেন ছেলেদের নম্বরের বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয় না এই বিষয়গুলি পড়তে চাইলে? ধারণাটা সেই একইরকম পুরুষতন্ত্রে নিহিত। যে বিষয়গুলির অর্থকরী ভবিষ্যৎ কম, সেই বিষয়গুলি হল মেয়েলি।
    সব হিসেব গুলিয়ে যায় কেমন যেন। কিছু সংখ্যক মেয়ে মহাকাশে গেলে বা রাষ্ট্রপ্রধান হলে সমগ্র নারীজাতির উন্নতি হয় না। ঠিক তেমনি কিছু সুবিধাপ্রাপ্ত মেয়েরা ভালো ফল দেখালেই তা সব মেয়ের গল্প হয়ে ওঠে না। যে সমাজে মহিলাদের কর্মক্ষেত্রে পারিশ্রমিকে পার্থক্য আর গৃহের ভিতরে অত্যাচার করা হয়, যেখানে রয়েছে মেয়েদের জন্য আশৈশব অশিক্ষা, অপুষ্টি, কিংবা ভ্রূণ অবস্থাতেই হত্যা, সেখানে এই শতকরা হিসেবে স্কুলের পরীক্ষার ভালো ফল কি আদৌ কিছু বলে? আর সেই হারিয়ে যাওয়া সংখ্যার মেয়েরা সত্যিই কি এগিয়ে যায়? যেদিন সমসংখ্যক ছেলে ও মেয়ে পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাবে, যেদিন সমান যোগ্যতা ও স্বাধীনতায় সমান সংখ্যক ছেলে ও মেয়ে একই বিষয়ে পড়াশুনা করবে আর কর্মক্ষেত্রে যোগদান করবে সমান তালে, সেদিন এই পরীক্ষার ফলে এগিয়ে যাওয়ার হিসেবটা সঠিকভাবে কষা যাবে। আসলে, সেদিন এই হিসেবটার আর কোনো প্রয়োজনই থাকবে না।
  • বিভাগ : আলোচনা | ১৪ জুলাই ২০২০ | ৩৬১ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
    Share
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • স্বাতী রায় | 117.194.36.12 | ১৬ জুলাই ২০২০ ১৫:০৬95257
  • কোথায় যেন দেখেছিলাম, ছেলেদের মধ্যে এখন স্কুলছুটের হার মেয়েদের থেকে অনেক বেশি। গ্রামের দিকে। 

    কেমন মনে হয়, সবটাই প্রব্লেম্যাটিক। মেয়েরা শেষ অবধি যে দুনিয়াতে বাঁচবে সেখানে তো পাশে পাশে ছেলেরাও থাকবে। সেই ছেলেরা অনেকটা পিছিয়ে গেলেও সমস্যা। সবাই একসঙ্গে উঠে এলেই ভালো। 

  • অনিন্দিতা | 103.87.57.188 | ১৬ জুলাই ২০২০ ১৭:৩৭95261
  • একদম তাই।পরিযায়ী শ্রমিকদের মুখের দিকে তাকালে দেখা যায় কত ছোট ছোট ছেলেরা বেরিয়ে আসে অর্থোপার্জনের তাগিদে। এখনো এই বোঝাটা ছেলেদের ওপরেই বেশী।

    পান্জাব সরকার মেয়েদের ph d পর্যন্ত ফ্রি ঘোষণা করেছে। 

    কলকাতার এক বন্ধু বলেন, কন্যাশ্রীর মতো পুত্রশ্রী প্রকল্প চাই। 

    আশা করি সব thesis and antithesis শেষ পর্যন্ত synthesised হবে। 

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত