• বুলবুলভাজা  খবর  খবর্নয়

  • শ্রমজীবি হাসপাতালঃ এক স্বাস্থ্য আন্দোলনের নাম

    সীতাংশুকুমার ভাদুড়ী লেখকের গ্রাহক হোন
    খবর | খবর্নয় | ২১ নভেম্বর ২০১১ | ২৬৯ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • শ্রমজীবী হাসপাতাল: এক স্বাস্থ্য আন্দোলনের নাম
    - সীতাংশুকুমার ভাদুড়ী
    [উৎস মানুষ পত্রিকার এপ্রিল-জুন ২০১০ সংখ্যায় প্রকাশিত]

    পশ্চিমবঙ্গে ভয়াবহ চিকিৎসা ব্যবস্থার বিরাট ক্যানভাস জোড়া ছবির বিপরীতে এক অন্য ছবি - শ্রমজীবী হাসপাতাল। যেন এক নিটোল তৈলচিত্র। যেখানে সাধারণ মানুষের ন্যায্য মূল্যে চিকিৎসা ও পরিষেবা মেলে। শ্রমজীবী হাসপাতাল এখন আর হাসপাতাল নয়, এ এক সামগ্রিক স্বাস্থ্য আন্দোলন। প্রতিদিন একটু একটু করে গড়ে উঠছে, যার কোনো ভৌগোলিক সীমা নেই। হাওড়া জেলা ছাড়িয়ে রাজ্য। রাজ্য ছাড়িয়ে সারা দেশ। এমনকি প্রতিবেশী বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান থেক্লে প্রতিনিয়ত রোগীরা আসছেন সুচিকিৎসার জন্য।

    কারখানার নিত্য নৈমিত্তিক রুটি রুজির লড়াইয়ের পাশাপাশি ইন্দো জাপান স্টিলস লিমিটেড কারখানার শ্রমিকরা সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সমাজের বৃহত্তর অংশের সংগ্রামের সাথী হওয়া ও তাদের সাথী করার তাগিদে কিছু চিন্তা ভাবনা শুরু করেন। "আমাদের স্বাস্থ্য আমরাই গড়ব' - এই প্রত্যয়ে অটল থেকে গড়ে ওঠে শ্রমজীবী স্বাস্থ্য প্রকল্প।

    ২ অক্টোবর ১৯৮৩ ইন্দো জাপান স্টিলস লিমিটেড এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ও পিপলস্‌ হেলথ্‌ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে খামারপাড়া জাগৃতি হিন্দী হাই স্কুল প্রাঙ্গণে প্রথম স্বাস্থ্য প্রকল্পের কাজ শুরু। উদ্যোগী তিন তরুণ চিকিৎসক - অনিল সাহা, রণজিৎ ঘোষ ও প্রদীপ মাইতি। এরপর ১৯৮৮-র ডিসেম্বর মাসে বেলুড় স্টেশনের পাশে নিসকো কারখানার ইউনিয়নের সহায়তায় কার্যালয় স্থানান্তরিত। সান্ধ্য বহির্বিভাগ ছাড়াও এখানে শুরু হল ছোট ছোট অস্ত্রোপচার। ডা: রণজিৎ ঘোষের আকস্মিক মৃত্যু ও অন্য কিছু কারণে কর্মসূচির সাময়িক শ্লথ গতি। ১৯৯১ সালে "বেলুড় শ্রমজীবী স্বাস্থ্য প্রকল্প সমিতি'র নিবন্ধীকরণ। জানুয়ারি ১৯৯৪ নিসকো কর্মী সংগঠনের অনাগ্রহে এই কেন্দ্রের কাজ সাময়িক ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। ১লা মার্চ ১৯৯৪ ইন্দো জাপান স্টিলসের পাশে গ্রান্ড স্মিতির পরিত্যক্ত বাড়ির সংস্কার সাধন করে শ্রমিকদের শ্রমে-ঘামে-আবেগে শ্রমজীবী মানুষের সহায়তায় শ্রমজীবী হাসপাতালের যাত্রা শুরু। প্রথমদিকে বহির্বিভাগ। ধীরে ধীরে অপারেশন থিয়েটার ও অন্ত:বিভাগ চালু ১৯৯৫ সালের জুন মাসে, শয্যা সংখ্যা ১৫।

    বাধাবিপত্তি কাটিয়ে শ্রমজীবী হাসপাতালের অগ্রগতি রুখতে প্রোমোটার, মিল মালিক, প্রশাসনের একটা অংশ এক হয়ে ২৬ এপ্রিল ১৯৯৭ দুপুর ১২টায় ঝাঁপিয়ে পড়ে হাসপাতালের ওপর। ওরা ভেবেছিল হাসপাতালের মৃত্যু হবে। কলকাতা হাইকোর্টে নারকীয় পুলিশি অত্যাচারের প্রতিবাদে এবং দোষীদের শাস্তি ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে জনস্বার্থবাহী মামলা দায়ের করা হয় [WP No. 8186(w) of 1997]। মহামান্য আদালতের নির্দেশে তদন্তের জন্য স্পেশাল অফিসার নিয়োগ করা হয় এবং তদন্ত রিপোর্ট আদালতে জমা পড়ে যাতে পরিষ্কার হয়ে যায় সব চক্রান্ত।

    ইন্দো-জাপান স্টিল লিমিটেডের মালিক শিউকুমার আগরওয়াল, প্রোমোটার গোয়েল এবং তাদের স্বার্থরক্ষাকারী তথা তল্পিবাহক পুলিশ নানা সময়ে একের পর এক মিথ্যা মামলা এনেছে হাওড়ার আদালতে শ্রমজীবী হাসপাতালের পরিচালন কর্তৃপক্ষ, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীর বিরুদ্ধে। কিন্তু এই সব মিথ্যা মামলা হাসপাতালের অগ্রগতিকে স্তব্ধ করতে পারেনি। রাজ্যের বিশিষ্ট নাগরিকদের সভা থেকে "শ্রমজীবী হাসপাতাল বাঁচাও কমিটি' গঠিত হয়। মিছিল, সভা ও প্রচার পুস্তিকায় প্রতিবাদে প্রতিরোধের শপথ নেওয়া হয়। অসংখ্য বুদ্ধিজীবী, গণ-সংগঠন, মানবাধিকার কর্মীরা হাতে হাত মিলিয়ে শ্রমজীবী হাসপাতালের লড়াই-এ সামিল হয়।

    শ্রমজীবী হাসপাতালের ইতিহাসে সব থেকে উল্লেখযোগ্য অসমসাহসী পরিকল্পনা যা সফল ভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে তা হল - "হৃদয় ছুঁয়ে'। মাত্র ২৫ হাজার টাকায় "বিটিং হার্ট' পদ্ধতিতে বাইপাস সার্জারি। এই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করতে প্রয়োজন ছিল এক কোটি টাকার। যা সংগৃহীত হয়েছে সাধারণ মানুষের আর্থিক সাহায্যে ও বিভিন্ন গণ সংগঠনের নানান সহায়তায়। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে ঘুরে এই অর্থ সংগৃহীত হয়েছে। ২৭ মার্চ ২০০৫ কার্ডিয়াক সার্জারি ইউনিটের উদ্বোধন করা হয়। শ্রমজীবী হাসপাতালে আজ পর্যন্ত তিনশোর বেশি মানুষের হৃৎপিণ্ডের জটিল বাইপাস অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। "হৃদয় ছুঁয়ে' প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সঙ্গীতশিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায় বলেছিলেন, অসংখ্য মানুষ প্রতিনিয়ত বেলুড়ে আসেন তীর্থ করতে। সেই স্থান যে কোথায় তা বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রতুলবাবু জানান যে তিনিও আসেন তীর্থ করতে এই বেলুড়ে। তবে তাঁর তীর্থ করার স্থান - বেলুড় শ্রমজীবী হাসপাতাল।

    ইতিমধ্যেই বেলুড় শ্রমজীবী হাসপাতালের তত্ত্বাবধানে দুটি কেন্দ্র সফল ভাবে চালু আছে। একটি প্রত্যন্ত সুন্দরবনে সরবেড়িয়ায়। যেটিতে শুধু বহির্বিভাগ নয়, অন্তর্বিভাগ ও অপারেশন থিয়েটার চালু হয়েছে। যার নাম - সুন্দরবন শ্রমজীবী হাসপাতাল।আর একটি কেন্দ্র শেওড়াফুলিতে। যেখানে শুধুমাত্র বহির্বিভাগ। এটির নাম - শেওড়াফুলি শ্রমজীবী স্বাস্থ্য প্রকল্প সমিতি।

    অক্টোবর ২০০৮। শ্রমজীবী হাসপাতাল রজতজয়ন্তীবর্ষ অতিক্রম করেছে। বর্তমানে এখানে যে সব নিয়মিত বিভাগগুলি চলছে সেগুলি হল - সাধারণ, শল্য, অস্থি, হৃদরোগ, কার্ডিয়াক সার্জারি, শিশু, দন্ত, নাক-কান-গলা, চক্ষু, চর্মরোগ, মেডিসিন, স্ত্রী, প্রসূতি, আকুপাংচার, রক্ত-মল-মূত্র পরীক্ষা, ডায়ালিসিস ইত্যাদি। বর্তমানে বেলুড় শ্রমজীবী হাসপাতালে রোগীর চাপ প্রতিনিয়ত। শুধুমাত্র স্থানের অভাবে বহু রোগীকে ফিরিয়ে দিতে হচ্ছে। স্থানাভাবে শুরু করা যাচ্ছে না প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিভাগ। এই স্বল্প পরিসরে চিকিৎসক, রোগী, স্বাস্থ্যকর্মী, স্বেচ্ছাশ্রমদাতা সকলেরই স্থানাভাবে নাভিশ্বাস উঠছে। তাই হাসপাতালের সম্প্রসারণের প্রয়োজন হয়ে উঠেছে। চাই নতুন ঠিকানা। সেই নতুন ঠিকানা - হুগলীর শ্রীরামপুরের অনতিদূরে পিয়ারাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলুমিল্কী গ্রামে। এই প্রকল্পের নাম - চাই স্বাস্থ্য, চাই প্রাণ। ১লা মে ২০১০ প্রকল্পের শিলান্যাস হয়ে গেল। এখানে ৭৫ বিঘা জমির ওপরে এক সুপার স্পেশালিটি স্বয়ংসম্পূর্ণ হাসপাতাল গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে, যেখানে এক ছাদের নিচে সমস্ত বিভাগের চিকিৎসা করা সম্ভব হবে। এর সঙ্গেই গড়ে উঠবে মেডিক্যাল কলেজ ও গবেষণা কেন্দ্র।

    অত্যাধুনিক ৫০০ শয্যার হাসপাতাল গড়ে তোলার সঙ্গে সঙ্গে গড়ে উঠবে খেলার মাঠ, পুকুর, কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, ওষধি গাছের বাগান, ওষুধ ও যন্ত্রপাতি তৈরির মেশিন শপ, সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র, পাঠাগার, বৃদ্ধাবাস ও স্কুল। এই স্কুল ও মেডিক্যাল কলেজকে ঘিরেই এক নতুন স্বপ্ন - কে জি টু পি জি। শিশুরা এখানে কে জি ক্লাসে ভর্তি হয়ে এখান থেকেই পোস্ট গ্র্যাজুয়েট করতে পারবে।

    প্রস্তাবিত হাসপাতালে যে সব বহির্বিভাগ ও অন্তর্বিভাগের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে সেগুলি হল - জেনারেল, মেডিসিন, সার্জারি, চোখ, দাঁত, নাক-কান-গলা, বক্ষ, হাড়, স্ত্রীরোগ, শিশু, চর্মরোগ, রক্ত, গ্যাস্ট্রোএন্টোরোলজি, নেফ্রোলজি, ইউরোলজি, কার্ডিয়োলজি, নিউরোলজি, অঙ্কোলজি, জেরোন্টলজি, কিডনি, লিভার, কর্ণিয়া ট্রান্সপ্ল্যান্ট, প্লাস্টিক ও কসমেটিক সার্জারি, জেনেটিক্স, সাইকিয়াট্রিক কমিউনিটি মেডিসিন, ফিজিওথেরাপি ইত্যাদি। এর সাথে ডায়ালিসিস ইউনিট, ব্লাড ব্যাঙ্ক, হিমোফিলিয়া, থ্যালাসেমিয়া ডিটেকশন সেন্টার সহ প্রায় সব ধরনের ডায়াগোনস্টিক সেন্টার।

    যাঁরা চাইবেন তাঁরা এখানে আড়াই কাঠা প্লট নিয়ে বাড়ি বানিয়ে স্থায়ী বসবাসও করতে পারবেন। যে সব শ্রমজীবী সমর্থক বা বন্ধু বিভিন্ন পেশায় যুক্ত আছেন, তাঁরা তাঁদের পেশাগত দক্ষতা দিয়ে শ্রমজীবীর সার্বিক বেঁচে থাকায় অবদান রাখতে পারবেন। যাঁরা বৃদ্ধাবাসে থাকবেন, তাঁরা একাকিত্বের বোঝা নিয়ে বৃদ্ধাবাসের চৌহদ্দিতেই আটকে থাকবেন না। সামর্থ্য-দক্ষতা-ভাবনা দিয়ে দৈনন্দিন কাজে নিজেদের যুক্ত রাখতে পারবেন। যাঁরা চিকিৎসক বা চিকিৎসা কর্মী নন তাঁরা বৃহৎ শ্রমজীবী পরিবারের অন্যান্য কাজ সামলাবেন। সুস্থ পরিবেশ স্বপ্ন নিয়ে সামগ্রিক মানুষের এক বৃহৎ শ্রমজীবী পরিবারের একত্রিত থাকার এক অন্য ভাবনা এই প্রকল্প। এই হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজ ও রিসার্চ সেন্টার গড়ে তোলার লক্ষ্যে জমি কেনা, ভবন নির্মাণ ও চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনার জন্য প্রথম দু বছরে আনুমানিক খরচ দশ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। এই অর্থ পুরোটাই অনুদানের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে। "হৃদয় ছুঁয়ে'-কে সফল করার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সহ ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শুভানুধ্যায়ীদের কাছ থেকে যেভাবে সাহায্য পাওয়া গেছে শ্রমজীবী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আশাবাদী যে এই প্রকল্পেও সেইভাবে সাহায্য পাওয়া যাবে।

    নতুন কলেবরে শ্রমজীবী হাসপাতাল গড়ে তোলার পরিকল্পনাকে রূপায়িত করতে যাঁরা সাহায্য করতে চান তাঁরা প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানায় - ৫, জি টি রোড, বেলুড়, হাওড়া। ফোন - ২৬৫৪-১১৮১/২৮৭৭-০১১২। শ্রীরামপুরে অস্থায়ী কার্যালয় - অগ্রিমা অ্যাপার্টমেন্ট, ১৯ মুখার্জি পাড়া লেন (ইউ বি আইয়ের রিজিওনাল অফিসের পাশের রাস্তা)।
  • বিভাগ : খবর | ২১ নভেম্বর ২০১১ | ২৬৯ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল প্রতিক্রিয়া দিন