• বুলবুলভাজা  আলোচনা  বিবিধ

  • রবীন্দ্রনাথ দিচ্ছে ডাক- নরেন্দ্র মোদী নিপাত যাক

    সোমনাথ রায় লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ১০ মে ২০১৪ | ৮০৪ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • রবীন্দ্রনাথ, যতই বিশ্বনাগরিক হোন, আসলে একজন হিন্দু। হিন্দু ভাববাদ অর্থে আমরা বেদ উপনিষদ গীতা তন্ত্র মিলিয়ে যে দর্শনগুলোর কথা ভাবি, রবীন্দ্রনাথ খ্রিস্টান আলোকপ্রাপ্তি নিয়ে সেগুলোর প্রচারক। একইভাবে মূলতঃ হিন্দুত্ব দিয়েই মহাত্মা গান্ধিকেও চিনতে হয়। তা স্বত্ত্বেও এরা মোদির বিরুদ্ধে। কিন্তু কেন? বয়সের সঙ্গে সঙ্গে এঁরা কি হিন্দুত্বকে ত্যাগ করলেন, নাকি বিরোধিতার কোনও গূঢ় কারণ আছে। সেইটা বোঝার জন্য হিন্দুধর্মের, ঐতিহ্যের প্রেক্ষিতে মোদিকে দ্যাখা দরকার।  মোদির হিন্দুত্ববাদ নিয়ে আমাদের অবশ্যই কোনও সংশয় নেই। তাঁর বক্তৃতাগুলো একটা মন দিয়ে শুনলেই দ্যাখা যাবে, লাইন নয়, শব্দের ফাঁকে ফাঁকে কীভাবে হিন্দুত্ব গোঁজা। অনুপ্রবেশকারী, সীমান্তের ওপারের শত্রু, শত্রুর মদতদাতা- এইসব নামে মুসলিমবিদ্বেষ ছড়ানো থেকে একটিবারও বিরত হচ্ছেন না তিনি। বিধর্মীর প্রতি এই বিদ্বেষ আমরা হিন্দু ইতিহাসে দেখেছি। শিবাজি-আনন্দমঠের অনেক আগে ভারতের মাটি দেখেছিল মীমাংসক কুমারিল ভট্টের অধীনে অযুত বৌদ্ধ হত্যা। দক্ষিণে পেরিয়ার প্রতিদিন ৬০০০ করে জৈনকে মেরে যজ্ঞে আহুতি দিতেন। এবং এর মধ্যে ধর্মের পালনই তাঁরা দেখেছেন। অনুশোচনা, ক্ষমাপ্রার্থনার কথা তাঁরা লিখে যান নি, যেরকম কুরুক্ষেত্রের ধর্মযুদ্ধে অক্ষৌহিণী হত্যার পরে কৃষ্ণার্জুন-যুধিষ্ঠির হত্যা নিয়ে কোনও অনুশোচনা দেখান নি। মোদিও সাম্প্রতিকতম সাক্ষাৎকারে বলেছেন, গুজরাট দাঙ্গা নিয়ে তিনি ক্ষমা চাইবেন না, দেশের আইন তাঁকে দোষী প্রমাণ করতে পারলে ফাঁসি দিতে পারে। জনশ্রুতিভিন্ন কোনও ইতিহাস-সাক্ষ্য কুমারিলদেরও দোষী প্রমাণ করেনি, মোদিকেও পারবেনা সুতরাং মোদিভক্তদের চিয়ার্স। কিন্তু, মোটের ওপর ভারতের শাইনিং বর্ণহিন্দুদের কাছে বার্তা পৌঁছে গ্যালো নরেন্দ্র মোদি গুজরাট দাঙ্গার খুন-ধর্ষণ-অগ্নিসংযোগ নিয়ে বিন্দুমাত্র অনুতপ্ত নন। এবং ভবিষ্যতে ধর্মের আহ্বানে বিধর্মী গর্ভবতীর পেটে ত্রিশূল ঢুকিয়ে খুঁচিয়ে ভ্রূণহত্যাকে তিনি আবারও সরকারি মদত দিতে পারেন। কারণ শাস্ত্রমতে বিধর্মীরা উন্নয়নবিরোধী এবং দণ্ডনীয়। এবং চাণক্যনীতি মেনেই সেইসব ইতিহাসের নথি তিনি মুছে দেবেন এমনভাবে যাতে জনশ্রুতিকে মিথ্যা মনে হতে থাকে। উল্লেখ্য, পুরাণে শূদ্র মহাপদ্মনন্দের শাসনকাল  থেকে কলিযুগের সূত্রপাত। চাণক্যর আবির্ভাব সাম্রাজ্যবাদী বিদেশি শক্তির সাহায্য নিয়ে শূদ্ররাজাকে সিংহাসনচ্যুত করে ব্রাহ্মণ্য মন্ত্রণায় আমলারাজ প্রতিষ্ঠায়।



    অর্থাৎ, ইতিহাস পুনরাবৃত্তি করে। এইখান থেকে আমাদের রবীন্দ্রনাথ গান্ধির হিন্দুত্বে ঢুকতে হবে। কিন্তু, তার আগে, মোদির আদর্শ আরেক হিন্দু নেতার কথা স্মরণ করে নিই। স্বামী বিবেকানন্দ। ব্রাহ্মণ্য ভাবধারার মধ্যে থেকে তিনিই প্রথম বলেছিলেন শূদ্ররাজত্ব প্রতিষ্ঠার কথা। বহু বিতর্কিত মন্তব্য স্বত্ত্বেও তিনি এমন এক ভারতের কথা ভেবেছিলেন যেখানে সবধর্মের মানুষ তাঁদের নিজস্ব ধর্মীয় আইডেন্টিটি নিয়ে অংশগ্রহণ করবেন। এবং, রবীন্দ্রনাথ, গান্ধির মত তিনিও ভীষণ অহিংস। অহিংসা ভিন্ন এই হিন্দুত্বের ধারাটিকে উত্থাপন করা মুশকিল। অহিংসা এখানে খুব ইম্পর্ট্যান্ট।  ভারতের ইতিহাসে অহিংসার দর্শনকে প্রথম চ্যাম্পিয়ন করান জৈনরা বৌদ্ধ বা বৈষ্ণবদেরও আগে। মহাবীর বলেছিলেন অনেকান্তবাদের কথা। অনেক-অন্ত থেকে, বিভিন্ন অবস্থান থেকে একই বস্তু বা ঘটনা কে দ্যাখার কথা। এবং ঘটনাক্রম এতই বিচিত্র যে এই দ্যাখাগুলো বিভিন্ন হতে বাধ্য। ফলে একই বিষয়ের অনেক ভাষ্য তৈরি হবে। যতমত ততপথ। প্রকৃত সত্যকে (যদি আদৌ তা থেকে থাকে) বোঝার জন্য এই মত বা পথগুলির মধ্যে ডায়লগ বাঞ্ছনীয়। তার জন্য, কোনও ক্ষেত্রে ভীষণ পরস্পরবিরোধী দুটি বক্তব্যকেও আলোচনার টেবিলে বসতে হবে। একটি মতের কাছে আরেকটি ঘৃণ্য, তাদের পোষকরাও, তবু তাদের প্রায় প্রেমবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে কথাবার্তা চালিয়ে যেতে হবে। কারণ প্রেম নইলে বিনিময় হয় না, আর অহিংসা না থাকলে চূড়ান্ততম বিরোধীকে সহ্য করে তার সঙ্গে কথা বলা যায় না। এখানে গান্ধির মহাভারত আর তিলকের মহাভারত আলাদা হয়ে যায়। যুদ্ধের আগের কৃষ্ণকে গান্ধি অধিকার করেন, যিনি যুদ্ধ থামাতে স্বয়ং অপমানিত হয়ে দৌত্যকর্মে যান। যুদ্ধের কৃষ্ণ, যুদ্ধের গীতা-র জন্যে অহিংস বৈষ্ণব ব্যাখ্যার আশ্রয় নিয়ে হয়। রবীন্দ্রনাথ সেখানে বলেন, ‘আমরা চলব আপন মতে শেষে মিলব তাঁরই পথে’। হিন্দুত্বের ইতিহাসে সংহারক কুমারিলের পাশাপাশি দেখি অনন্ত তর্ক চালিয়ে যাওয়া মাধবাচার্য, শংকর, রামানুজ, শ্রীচৈতন্যকে। ব্রহ্ম সদ্‌ না অসদ্‌, দুই না এক নাকি তিন, সে সব নিয়ে হাজার বছরের বিতণ্ডা। তার আগে পরে দিয়ে ঘুরে যাচ্ছেন, আজীবিক, অজিত কেশকম্বলী, মক্ষলি গোশালরা। মহাভারতে চার্বাকের ইনকুইজিশন হচ্ছে। কিন্তু রাম জাবালিকে তর্ক উত্থাপন করতে দিচ্ছেনও। পাত্রাধার তৈল না তৈলাধার পাত্র, তা নিয়ে অসম্ভব মাত্রায় আলোচনা চলছে। একই সভা আলো করে বসছেন নৈয়ায়িক, নব্য নৈয়ায়িক, উত্তর ও পূর্ব মীমাংসক, এমন কী বৌদ্ধরাও। মনুস্মৃতি যাঁদের ছায়া মাড়ালে প্রায়শ্চিত্তের বিধান দিয়েছে, সেই তস্করসমান বৌদ্ধপণ্ডিত ক্ষত্রিয় রাজা- ব্রাহ্মণ মন্ত্রীর সভা আলো করে থাকছেন।  অহিংসার বাতাবরণে ‘হিন্দু’শাস্ত্র যে অনন্ত আলোচনার পরিমণ্ডল দিয়েছে, ঐতিহাসিকভাবে তা অতুলনীয়। 



    আমরা বলব, এই ভিন্নমত সহনশীলতা, এই ‘সেকুলার’ আলোচনামণ্ডল, এই তো গণতন্ত্র। ঠিকই। বুর্জোয়া গণতন্ত্রে এই অহিংসার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। এ তো অনস্বীকার্য, যে আমরা ক্রমশঃ রক্তক্ষয়ী আগ্রাসী যুদ্ধের সংখ্যা কমিয়ে ফেলছি পৃথিবী জুড়ে। যুদ্ধটা অন্যভাবে চললেও, গান্ধির সন্তানরা বছর বছর নোবেল পেয়ে যাচ্ছেন। এবং তার পাশাপাশিই গতবছর জে পি মরগান এক বক্তব্যে জানাচ্ছেঃ ‘Too much European democracy getting in our way ’। 


    এই অনন্ত আলোচনা চালিয়ে যাওয়া, বিরোধীমতকে হিংসা না- কথা দিয়ে, শ্রুতি-ইতিহাস দিয়ে বোঝানো। এসব তো বিশাল সময়সাপেক্ষ ব্যাপার, কষ্টসাধ্যও। বুঝিয়ে জমি নেওয়া যে যায় না, সিপিএম, নবীনবাবু থেকে রবার্ট ভদ্রা সবাই প্রমাণ করেছেন ভারতে। বুঝিয়ে উন্নয়ন করতে গেলে মর্গান কোম্পানিরা যান কোথায়।  নিয়মগিরি দেখিয়েছে বুঝিয়ে পাহাড় কেনা বেদান্তর কর্ম না। তাহলে এই অনন্ত আলোচনার পার্প্সপেক্টিভে ঢুকলে ধান্দার ধনতন্ত্রর তো অস্তিত্ব সংকট! তাই, গণতন্ত্রে উন্নয়ন হয় না, এমন বক্তব্য তাঁরা মুহুর্মুহু প্রচার করছেন। নেতা, এবং তাঁর কোম্পানি নির্মিত ভিশন ছাড়া দেশ চলবেনা, এরকম অ্যাড টিভি খুললেই আমরা দেখছি। রবীন্দ্রনাথ কিন্তু অন্যভাবে বিশ্বাসী ছিলেন, আমরা চলব আপন মতের পরে লিখে ফেলেছেন ‘মরব না কেউ বিফলতার বিষম আবর্তে।’ এদিকে, মোদি কিন্তু জানেন বাঁদর সেনারা বাঁচলে লঙ্কায় স্বর্ণপ্রাচীর অক্ষত থাকেনা। কুবেরের ধন রক্ষা করাও যায় না। ফলে ব্রাহ্মণ্য ভারতে শূদ্রহত্যা আবশ্যক। আর কে না জানে শূদ্রেতররা কনভার্ট হয়েছে মুসলমানে। অথবা শূদ্রেতররাই ট্রাইবাল- মাওয়িস্ট। এর ফলে রবীন্দ্রনাথের হিন্দুত্ব আর মোদির হিন্দুত্ব উল্টোমুখ করে দাঁড়াতে বাধ্য। 


    কিন্তু, রবীন্দ্রনাথ তো অহিংস, তিনি হঠাৎ কেন এরকম ভাবে মোদিকে আক্রমণ করবেন। এর দায় লেখকের। ডাক পাঠকের মত সেও শুনেছে। শুধোলে ঠাট্টা করে বলে, ওনার দেড়শর ওপর বয়স, এখন কি আর মুখের ভাষা ঠিক থাকে। কিন্তু সে বস্তুত বিশ্বাস করে, এ না বলে গুরুদেবের উপায় ছিল না। তিনি হিংসায় উন্মত্ত পৃথ্বী, চলমান বিশ্বযুদ্ধ দেখতে দেখতে শেষ নিঃশ্বাস ফেলেছেন। মুসোলিনির রাজসিক মায়াকে ঔদার্য ভেবে পরে মাথার চুল ছিঁড়েছেন। হিংসা বড় পীড়া দ্যায় তাকে। তবু সেসবই শেষ কথা নয়। দাদু উত্তরাধুনিক, সোভিয়েত পতনের পরে ক্রিশ্চান আলোকপ্রাপ্তি ছেড়ে উত্তর উপনিবেশবাদের মধ্যে ইতিহাসের আশ্রয় দেখতে পাচ্ছেন। বিশ্বনাগরিক বলে আরাফত, শ্যাভেজ, জাপাতিস্তাদেরও ঘুরে ঘুরে দেখেছেন তিনি। একবিংশ শতাব্দীর শুরুর থেকে শিল্পবিপ্লবের আগ্রাসী রূপটা ক্রমশঃ প্রতীত হচ্ছে তাঁর মানসে। অরণ্য, কৃষি ধ্বংস করে পরিকল্পনাহীন ভাবে বেড়ে চলেছে কিছু উঁচু মানুষের দাবি। দরিদ্র আরও দরিদ্র হচ্ছে, এত দরিদ্র হচ্ছে যে দারিদ্রের সংজ্ঞা পালটে দিতে হচ্ছে। পৃথিবী উষ্ণতর হচ্ছে। মানুষকে বের করে আনা হচ্ছে জল-মাটি-অরণ্য-পাখি-র সংশ্লেষ থেকে। আরও একলা হচ্ছে, এলিয়েনেটেড হচ্ছে সে। আর রবীন্দ্রনাথ দেখছেন, আমাদের ঐতিহ্যে, সংস্কারে, উৎসবে মিশে আছে এর বিরোধিতার বীজ। জাপাতাদের সংগঠক জেনারেল মার্কোস বলছেন, একমাত্র ট্রাইবাল কমিউইনিটি স্ট্রাকচারেই তিনি দেখছেন আগ্রাসী সাম্রাজ্যবাদের বিরোধিতার শক্তি। রবীন্দ্রনাথও দেখছেন, এই হিন্দুত্বকে যা সবাইকে অমৃতের পুত্র বলে সম্বোধন করে। যা কুল-মান-এর তোয়াক্কা না করে মনের মানুষের সন্ধানে দেশে দেশে ঘুরে বেড়ায়। যে হিন্দুত্ব দেখায়, ছোট ছোট মানুষের কাজ, তাদের অ্যাবস্ট্রাক্ট লেবার-এর সম্মেলন শতশত সাম্রাজ্যের ভগ্নশেষ-এর পরেও থেকে যায়। দুহাজার বছরের ইতিহাস পুনর্পাঠের সূত্র দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। বলছেন, ইতিহাস, সমস্ত যুগে সমস্ত দেশে এক হবে এই কুসংস্কার ত্যাগ না করলেই নয়। তিনি জানেন রাজার রাজা হয়ে মানুষের বেড়ে ওঠার জন্য এই পঠনের দরকার কতটা। বিতর্কের গভীরে ঢুকে খুঁজে আনতে হবে সত্য কী, ঝড়ে বাইরের নিয়ম নড়ে যাওয়ার পর ভবিষ্যতের জন্য অটুট হয়ে কোনটা পড়ে থাকে।


    মোদিকে সক্রিয় বিরোধ করার দায় তাঁর এখানেই। যাঁরা বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে আলো- আশু সর্বনাশের মুখে তাঁদের ক্ষমা করার মন্ত্র তিনি দিতে পারছেন না। আর, আলোচনার জায়গাটাই থাকছেনা। মিশনারি হিন্দুত্ব আর আগ্রাসী ধন-সাম্রাজ্যবাদের মুখে দাঁড়িয়ে, রবীন্দ্রনাথ গান্ধির হিন্দু ইতিহাস, দর্শন বিশ্লেষণের জায়গা কোথায়। দলের লোকেদের তখন ছুটতে হবে ইস্কুলে ইস্কুলে কম্পালসরি আগ্রাসী হিন্দুত্বর প্রচার বন্ধ করতে।  অন্তর্দৃষ্টিতে নিজের ভিতর, নিজের জ্ঞানের গভীরে পথের সন্ধান না করে বাইরের বিদ্বেষ থামাতেই যুগ অতিক্রান্ত হবে আর মানুষের বেঁচে থাকা বাঁচিয়ে রাখার লড়াই আরও পিছিয়ে যাবে। শাস্ত্রের বদলে আবার শস্ত্রের আশ্রয় নিতে হবে। আর সেই সুযোগে পুনরায় বেড়ে যাবে হিংসার থাবা, ধংসের দিকে।



    তাই, রবীন্দ্রনাথ দিচ্ছে ডাক – নরেন্দ্র মোদি নিপাত যাক।


    '


     
  • বিভাগ : আলোচনা | ১০ মে ২০১৪ | ৮০৪ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • robu | 122.79.37.59 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০৫:১৮87970
  • কোট থেকে মুসলমান বিদ্বেষ ঠিক বোঝা গ্যালো না। যেটুকু যা পাওয়া গ্যালূ তর ভিত্তিতে "মোদির চেয়েও কট্টর হিন্দুত্ববাদি" বলা হলে মোদী খুবই অপমনিত বোধ করতে পারেন।
  • ঈশান | 60.82.180.165 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০৫:২৭87971
  • এটা লেখা নিয়ে কোনো মন্তব্য না। বিপের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে মন্তব্য বলা যায়। বিপের কোট করা অংশটির ভিত্তিতে রবীন্দ্রনাথকে মুসলমান বিরোধী বলাটা যুক্তিযুক্ত একেবারেই না। কারণ লেখাটা ইংরেজ বিরোধী। কোটেশনের ভিতরের অংশটি অনেকাংশে শ্লেষোক্তি।

    লেখাটি নেটে পাওয়া যায়। সকলেই পুরোটা পড়ে নিতে পারেন। http://www.ebanglalibrary.com/rabindranath/4403
  • pi | 24.139.209.3 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০৫:২৯87972
  • এটাই জাস্ট লিখতে যাচ্ছিলাম। বিবেকানন্দের নারী বিদ্বেষের মত এগুলোও সব প্রেক্ষিতবিহীন কোটেশন নয় তো ?
  • PT | 213.110.247.221 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০৫:৩৯87973
  • "ekta boro ongsho other british colonies theke geche jana ache to"

    আছে আছে। কিন্তু ইতিহাস তার পরেও আছে। ৮০-র দশকে ১৫/১৬ হাজার ডাক্তার ছিল শুধু ভারত থেকেই। তার মধ্যে ৪ হাজারের কাছাকাছি শুধু কলকাতা থেকেই। এদের অনেকেই ওখানে ভারতীয় ক্রিকেট দলকে সমর্থন করে আর দেশে এসে পাকিস্তানের ক্রিকেট টিমের সমর্থকদের ভারত থেকে দূর করে দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করে। ভন্ডামির একটা মাত্রা থাকা দরকার এসব ব্যাপারে।
  • y | 103.115.84.195 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০৫:৪৭87974
  • এই ডাক্তাররা কি ওদেশে ইল্লিগাল ইমিগ্রান্ট?
  • b | 24.139.196.6 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০৬:০০87976
  • তবে রবীন্দ্রনাথের শিবাজী উৎসব বা অন্য কিছু লেখা, স্বদেশী সমাজ এসব পড়ে মনে হয়েছে রবীন্দ্রনাথ কট্টর মুসলমান-বিদ্বেষী না হলেও প্রাচীন ভারতের জয়গান, তার পবিত্রতা এসবে বেশ উদ্বুদ্ধ ছিলেন, জীবনের একটা ফেজ-এ। স্বদেশী আন্দোলনের সময় রাস্তায় নেমে তথাকথিত স্বদেশপ্রেমিকদের মুখ দেখে আস্তে আস্তে পরিবর্তন হয়।
    মোটাদাগের জেনেরালাইজেশন করলাম।
  • pi | 24.139.209.3 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০৬:০৮87977
  • পুরো লেখাটি পড়লাম। বিপদাকে একটা প্রশ্ন ছিল। লেখাটা পড়ে তার মধ্যে থেকে বুঝেশুনেই কোট করেছিলেন, নাকি অন্য কোথাও থেকে খাপছাড়া ভাবে কোটটি পেয়ে এখানে লাগিয়ে দিয়েছিলেন ? দুটোই বিপজ্জনক অবশ্য, কোনটা বেশি, তাই ভাবছি।
  • z | 103.115.84.195 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০৬:০৯87978
  • এই তালে যে যার নিজের লেখার টিআরপি বাড়াতে ব্যস্ত।
  • PT | 213.110.247.221 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০৬:৩৮87979
  • বৃটিশ নাগরিক যদি ভারতীয় ক্রিকেটদলকে সমর্থন করতে পারে তাহলে ভারতীয় নাগরিকদের পাকিস্তানি ক্রিকেট দলকে সমর্থন করতে অসুবিধে কোথায়।

    যদি না জানেন। "ইংরেজ মোদী" নর্মান টেবিটের কুখ্যাত ক্রিকেট পরীক্ষাঃ In April 1990, he proposed the "Cricket test", ..."A large proportion of Britain's Asian population fail to pass the cricket test. Which side do they cheer for? It's an interesting test. Are you still harking back to where you came from or where you are?"
  • সোমনাথ মুখোপাধ্যায় | 96.152.250.74 (*) | ১১ মে ২০১৪ ০৭:৫০87980
  • কোথায় একটা শিবাজি কে টানা হয়েছে দেখলাম ... এই প্রসঙ্গে জানাই:

    মারাঠা পেশওয়ার 'হিন্দু' সাম্রাজ্য বিস্তার ও ভাগোয়া ধ্বজ কে সঙ্গে করে যে বীর যোদ্ধা ও তাঁর ১২০০০ সৈন্য বহিরাগত আফগান শত্রু কে মেরে কচু কাটা করেছিল (আহমেদ শাহ দুরানির ৪৫০০০ আফগান হানাদার প্রাণ হারায়) তারা সকলেই মুসলমান ছিলেন এবং এই বীর যোদ্ধার নাম ইব্রাহীম খান গার্দি ....এনারা সকলেই আদপে ভীল আদিবাসী (এছাড়াও বনজারা ইত্যাদি আরও অনেক উপজাতি মিলিয়ে এই গার্দি সম্প্রদায় ) কিন্তু মোঘল আমলে ধর্মান্তরিত । পেশওয়াদের সব থেকে বিশ্বস্ত সেনাপতি ও সৈন্য দলে অনেকেই ধর্মপ্রাণ মুসলমান ছিলেন এবং তাদের ব্যক্তিগত দেহরক্ষী পেশওয়া রাজের শেষ দিন অব্দি সকলেই এই গার্দি সম্প্রদায়ভুক্ত !

    মারাঠা হিন্দু সাম্রাজ্যের সৈন্য বাহিনীর মূল চালিকা শক্তি ছিল এই মুসলমান গার্দি সম্প্রদায় এবং এরাই বিস্তার করে মারাঠা 'হিন্দু' রাজ !
  • কল্লোল | 125.242.219.64 (*) | ১১ মে ২০১৪ ১২:৫২87954
  • একজনের মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় এমন একটা ভায়ানক দাঙ্গা হয়ে গেলো, তাতে তার দায় নেই, এটা মানা গেলো না।
    প্রমান - প্রমান তো কতকিছুরই হয় নি। সিদ্ধার্থ রায়ের সময় বরানগর-কাশীপুর গণহত্যা, সরোজ দত্তকে ঠান্ডা মাথায় খুন করা, চারু মজুমদারকে ওষুধ না দিয়ে মেরে ফেলা, রুনু গুহনিয়োগী, দেবী রায়্দের নকশাল ও সিপিএম পেটানো - কোনটারই প্রমান হয় নি। যেটা প্রমান হয়েছিলো অর্চনা গুহের মামলায়, যে অত্যাচারের বিবরণ শুনতে শুনতে বিচারকও অসুস্থ বোধ করেন, তাতে রুনুর সাজা হয়েছিলো দু বছরের জেল। পরে জামিন পেয়ে বেরিয়েও আসে। তো কি প্রমান হলো?
    কিসুই না।
    লেখাটা হয়তো আরও ভালো হতে পারতো। সেটা অন্য প্রশ্ন। কিন্তু মোদী/আরএসএস/বিজেপির হিন্দুত্বের ধারনাই একমাত্র হিন্দুত্ব নয়, হিন্দুত্ব নানা প্রকার, এ নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। তবে ব্রাহ্মণ্যবাদ হিন্দুত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এবং এর inclusivenessএর চরিত্র খুবই আগ্রাসী। রামের হাতে শম্বুক খুন হন, বেদ পাঠের "দোষে"। সেই রামই দরকারে গুহকের মিতা হন।
    গোটা পূর্ব ও উত্তরপূর্ব ভারতের আদি তন্ত্রের চৌষট্টি যোগীনীকে একটা কালী বানিয়ে, তকে শিবের বউ বানিয়ে দেওয়ার মধ্যে যে আগ্রাসন - সেটাও হিন্দুত্ব। বিবেকানন্দের মেথর মুচি চন্ডাল আমার ভাই - সেটাও হিন্দুত্ব, অরবিন্দের "সকলেই ব্রাহ্মণ" চিন্তাবলী, সেটাও হিন্দুত্ব। ফলে আমার ধারনা হিন্দুত্ব দিয়ে মোদী বিরোধীতা - বেশ দুর্বল প্রকল্প।
  • pi | 24.139.209.3 (*) | ১২ মে ২০১৪ ০১:২৮87983
  • এই কোটেশনগুলোও কোথায় ন্যাজামুড়োহীনভাবে ঘুরে বেড়ায়, যেখান থেকে বিপদা অন্ধ ভক্তিসহ সেগুলো সংগ্রহ করেন, সেটাও জানার।
  • cb | 127.194.72.212 (*) | ১২ মে ২০১৪ ০১:৩৩87984
  • আজকেই মমতা রোবিন্দোনাথের ১০৮ করে দিয়েছে!!!!

    ২০১১ এর আগে খুব দেখতাম চ্যানেলে চ্যানেলে উনি কোবতে, গান আউড়াচ্ছেন। এবার স্যাট করে ২৫ শে বৈশাখটাও পালন করে নিলেন।
  • pi | 24.139.209.3 (*) | ১২ মে ২০১৪ ০৩:৩৭87981
  • বিপদা আর উত্তরটা জানালেন না।ঃ(
  • PM | 233.223.157.64 (*) | ১২ মে ২০১৪ ০৫:৩৬87982
  • বিপ বাবু শুধু কোটেসন পড়েন, লেখা পড়েন না। এটা ওনার প্রায় ক্রনিক অসুখে পরিনত হয়েছ। এ রোগের ওষুধ কি?
  • যম | 181.207.225.61 (*) | ১৮ মে ২০১৪ ১০:৩৯87985
  • দেশের জনগণ সোমনাথ রায়-এর পাশাপাশি কলকাতার সুশীলদের পিছনে যে আছোলা বাঁশগুলো ঢুকিয়ে দিয়েছে নরেন্দ্র মোদীর নামে, তার ব্যথা কি কমেছে? গুরুচন্ডালিতে সুশীলদের ছ্যাঁচড়ামো ১৬ তারিখের পর এত কমে গেল কেন? বাঁশগুলো কি এখনো মাঝে মাঝে মোচড় দিচ্ছে?
  • কল্লোল | 125.242.165.186 (*) | ১৯ মে ২০১৪ ০১:২২87986
  • পবতে বাঁশ তো খেয়েছে বামেরা। সব ধুয়েমুছে গেছে, শুধু সিপিএম দুই। আর সেই বাঁশ দিয়েছে বিজেপি। প্রচুর মমতা বিরোধী ভোট, যা সিপিএম/বাম পেতো এতোকাল, এবার বিজেপি পেয়েছে। মুস্কিলটা হলো, যারা বাঁশ খেয়েছে তারা এতো বাঁশ খেয়েছে, যে পিছনটা অসার হয়ে গেছে। আর বুঝতেও পরেনা যে বাঁশ কোথায় কতটা ঢুকছে।
  • কল্লোল | 125.242.248.203 (*) | ২১ মে ২০১৪ ০৩:৫২87989
  • সইত্যের খাতিরে।
    বিজেপি বাঁশ দেবে তো বটেই। এতো মাসতুতো ভাই কং নয়। তবে এতোটা বাঁশ, তাও সিপুএমরে - আন্দজ করা কঠিন ছেলো।
    আহারে!! অগোর পিছনটা অসার হয়্যে গেছে। আর বুঝতেও পারেনা যে বাঁশ কোথায় কতটা ঢুইক্যাছে।
  • pradip naskar | 122.79.39.103 (*) | ২১ মে ২০১৪ ০৪:৫১87987
  • লেখক ইতিহাসকে চটকে ছে । যদি ১৯৪৬ এর
    কলকাতার দাঙ্গা চটকাতেন পাঠকের বুজতে সুবিদা হত ।
    ওভার অল লেখার স্টাইল ভালো ।
  • PT | 213.110.243.21 (*) | ২১ মে ২০১৪ ০৪:৫৭87988
  • বিজেপি যে বাঁশ দেবে সেটা কি আগে জানা ছিল নাকি চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ার মত রেজাল্ট আউটের পরে তত্বিকতা হচ্ছে?
  • lcm | 138.32.84.27 (*) | ২১ মে ২০১৪ ০৫:১৩87990
  • রোবিন্দোরনাথের ডাকে কাজ তো হল না, মোদি তো নিপাত গেলো না, উল্টে জাঁকিয়ে বসল। সব কিছুতে রোবিন্দরনাথ, লোকটাকে এবার ছেড়ে দাও বাপু।
  • PT | 213.110.247.221 (*) | ২১ মে ২০১৪ ০৫:৪৬87991
  • বামেদের নাহয় পেছ্ন অসার হয়েছে এখন কিন্তু মমতাময়তায় আচ্ছন্ন ও মাওব্যথী বিদগ্ধ ব্যক্তিদের মস্তিষ্ক বহু আগেই অসার হয়ে ছিল। নইলে তথাগত রায় ও সম্প্রদায় নিয়ে বামেদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে? অসার পেছন নিয়ে তবু কিছু করা যায়। যাদের মস্তিষ্কই অসার হয়েছে তারা আর সমাজের কোন কাজে লাগবে?
  • মোদিজী | 212.142.123.14 (*) | ২১ মে ২০১৪ ০৫:৫২87992
  • হুঁ হুঁ ... যোদি তোর ডাক শুনকর কোই না আআআসে ... ..

    যোদি সোবাই ফিরে যায় , ওরে ওরে ও ওভাগা,
    যোদি গোহোন পথে যাবার কালে কেউ ফিরে না চায়—
    তোবে পোথের কাঁটা
    ও তুই রোক্তোমাখা চরণতলে একলা দলো রে॥
    যোদি বাত্তি না ধরে, ওরে ওরে ও ওভাগা,
    যোদি ঝোড়-বাদলে আঁধার রাতে দুয়ার দেয় ঘোরে—
    তবে বোজ্রানলে
    আপনা বুকের পিঁজরা জ্বালিয়ে নিয়ে একলা জ্বলো রে॥

    হাঁ হাঁ ..একলা জ্বলো একলা জ্বলো একলা জ্বলো রে .....
  • খ্যাক্স | 24.99.187.39 (*) | ২১ মে ২০১৪ ০৬:২৭87993
  • যাদের মস্তিষ্কই অসার হয়েছে তারা আর সমাজের কোন কাজে লাগবে?

    .......তারা বামেদের অসার পেচুনে মাথা ঢুকিয়ে বলবে : টুকীঈঈঈঈই
  • PT | 213.110.247.221 (*) | ২২ মে ২০১৪ ০৩:০৫87994
  • একদা তুমি প্রিয়ে আমারই এ তরুমুলে .....
    The agitation against the Tata Motors' project in Singur - on the outskirts of Kolkata - intensified on Monday with Trinamool Congress chief Mamata Banerjee going on an indefinite fast and BJP President Rajnath Singh backing her........
    .....Singh was later released at Dankuni, 25 km from the project site, and he turned up to share the dais with the Trinamool Congress chief.

    যখন এইরূপ মাখামাখি হইতে ছিল তখন কোন পন্ডিতের ব্যাটা "অশনি-সংকেত" দেখেছিল কি? তখন এই দাঙ্গাবাজ দলের হাত ধরতে নীতিহীন বালখিল্যদের অসুবিধে ছিল না?
  • j | 230.227.106.153 (*) | ২২ মে ২০১৪ ০৩:৩৮87995
  • ঐ মঞ্চে থেকেও জানা যায় কিভাবে "বিজেপি" কে বাড়তে দিতে নেই , টেকনিক বুঝলেন টেকনিক । দেখুন না তিথি-নক্ষত্র দিয়ে বলা হবে ওটা ঠিকই ছিল বৃহত্তর স্বার্থে !

    আর হঠাৎ করে ইয়ে অসার-টসার মুলক কথাবার্তা শুনে বোঝাই যাচ্ছে , বামেদের বিপর্যয়ে উল্লাস চেপে রাখা যাচ্ছে না !
  • lcm | 118.91.116.131 (*) | ২২ মে ২০১৪ ০৩:৪০87996
  • ও পলিটিক্সে ওরকম হয়।
    মনে নেই, সেই সিপিএম/সিপিএআই বামেরা হৈ হৈ করে ইন্দিরাকে সাপোর্ট দিয়ে পোধানমোন্ত্রী পদে রেখে দিল, নইলে হয়ত ইন্দিরার পলিটিক্যাল ক্যারিয়ার ষাটের দশকেই ওখানেই শেষ হয়ে যেত।
  • cm | 116.208.86.98 (*) | ২২ মে ২০১৪ ০৩:৪৩87997
  • অ তখনি বিজেপি এসে যেত! নাকি বিপ্লব?
  • lcm | 118.91.116.131 (*) | ২২ মে ২০১৪ ০৩:৪৮87998
  • সেকি! আপনেরাই তো ইন্দিরার এমার্জেন্সি, সত্তরের জুজু দেখান। সেই জুজুকে তো আপ্নেরাই বানাইসিলেন ষাটের দশকে।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন