• বুলবুলভাজা  আলোচনা  বিবিধ

  • এই লোকসভা নির্বাচন কি শেষ নির্বাচন?

    সুমন সেনগুপ্ত লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ১৩ মে ২০১৯ | ৯৩ বার পঠিত | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • ভারতের নির্বাচন চলছে। ৩ দফা হয়ে গেছে আরও ৪ দফা বাকি আছে। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেন না ভারতের নির্বাচন কি পদ্ধতিতে হয়। ভারতের নির্বাচন হয় এফপিটিপি বা ফার্স্ট পাস্ট দা পোস্ট পদ্ধতিতে। অনেকেই ভাবছেন এটা আবার কি বিষয়? সহজ করে বললে এই শব্দটার মানে দাঁড়ায় এই পদ্ধতিতে যে প্রার্থী সবচেয়ে বেশী ভোট পাবেন তাঁকেই জয়ী হিসেবে মান্য করতে হবে ভোটারদের। সে যদি কোনও ভোটার তাঁকে ভোট নাও দেন তাও। এই পদ্ধতিতে সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এখন ভোট হয়। দেখা গেছে যে যে সব দেশ বিভিন্ন সময়ে ইংরেজদের কলোনি ছিল যেমন কানাডা, সুদান, কেনিয়া , ভারত এবং অন্যান্যরা এখনো এই পদ্ধতিতে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এই পদ্ধতিতে অসুবিধা কোথায় এবং এর সঙ্গে ইভিএমের কি সম্পর্ক?

    এফপিটিপি ব্যবস্থায় সুবিধা অসুবিধাগুলো কি কি?

    এই পদ্ধতিতে যথেষ্ট তাড়াতাড়ি ভোট করানো এবং গোণা সম্ভব। মূলত দ্বিপার্টি সিস্টেমে এই পদ্ধতি কার্যকরী। কিন্তু কয়েকটি বিষয় নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায় । কম ভোট পেলেও এই পদ্ধতিতে যেকোনও প্রার্থী জিতে জেতে পারেন, এবং যেহেতু ভারতের গণতন্ত্রে মূলত নেগেটিভ ভোট দেওয়া হয়, মানে ভোটারদের যাকে অপছন্দ তাঁর বিপক্ষে মানুষ ভোট দিয়ে অভ্যস্ত সুতরাং এই পদ্ধতিতে কখনোই সর্বশ্রেষ্ঠ প্রার্থী নির্বাচিত হবেন না। যেই জায়গা থেকে আজকের শাসক দল ক্ষমতায় এসেছে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশকে কাজে লাগিয়ে, মিডিয়াকে সেই প্রচারের সঙ্গী বানিয়ে কারুর কারুর অপছন্দ হলেও বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে। অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন এর বিপরীতে কি আর কোনও পদ্ধতি আছে ? হ্যাঁ , আছে। রিপ্রেসেন্টেটিভ পদ্ধতি বা চয়েস বেসড পদ্ধতি। এতে কিভাবে ভোট হয়? প্রত্যেকটি ভোটার তাঁর নিজস্ব পছন্দমতো প্রার্থীকে ১ থেকে ১০ অবধি ( যদি ১০ জন প্রার্থী থাকেন) নম্বর দেবেন পছন্দ অনুযায়ী। সেই প্রাপ্ত নম্বর অনুযায়ী ভোট গোণা হবে। যে প্রার্থী ৫০ শতাংশ ভোটের বেশী পাবেন তাঁকে জয়ী ঘোষণা করা হবে। যদিও এই পদ্ধতিতেই জার্মানিতে হিটলার ক্ষমতায় এসেছিলেন তাও ভারতের মতো দেশে যেখানে মাল্টি পার্টি বা অনেক দলের রাজনীতি চলে সেখানে এই পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ করাটা কি বাঞ্ছনীয় নয়? যদিও এই ক্ষেত্রে ভোট গণনার কাজটা যথেষ্ট জটিল হয়ে যায়।

    এফপিটিপি ব্যবস্থায় ভোটে কিভাবে ইভিএমকে প্রভাবিত করা হয়?
    এফপিটিপির সঙ্গে ইভিএমের কি সম্পর্ক?


    যেহেতু এই পদ্ধতিতে কৌশলগত ভোট হয় এবং নেগেটিভ ভোট দেওয়া হয় তাই ইভিএমকে যদি প্রভাবিত করা যায় তাহলে জেতাটা সহজ হয়ে যায়। এটা যদিও প্রমাণিত হয়নি যে ইভিএমকে প্রভাবিত করা সম্ভব কিন্তু তৃতীয় দফা নির্বাচনে দেশের বিভিন্ন কোণা থেকে ইভিএম গোলমালের খবর এসেছে। একটি ইভিএমে ধরা যাক ১০০০ ভোট নেওয়া হবে। দেখা গেছে যেখানে শাসক দল শক্তিশালী সেখান থেকে কম অভিযোগ এসেছে, বরঞ্চ যেখানে শাসকদল কম শক্তিশালী সেখান থেকে এই বিষয়ে বেশী অভিযোগ এসেছে। এরও একটা কারণ আছে। যেখানে দলের শক্তিশালী সংগঠন সেখানে ভোট করানো যায় সংগঠন দিয়ে আর যেখানে শক্তিশালী নয় বা তুলনামূলক ভাবে কম শক্তিশালী, সেখানে যদি মেশিনকে প্রভাবিত করা যায় তাহলে সারা দেশে জেতাটা নিশ্চিত করানো যায়। অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন কম শক্তিশালী জায়গায় মেশিনকে প্রভাবিত করলে তো ধরা পড়ার সুযোগ বেশী, কিন্তু হিসেব করলে দেখা যাবে এই পদ্ধতিতেই জেতাটা বেশী সহজ। যদি ধরাও পড়ে যায় তাহলে কোনও ক্ষতি নেই বলা যাবে মেশিন বিভিন্ন কারণে কাজ করেনি আর ধরা না পড়লে তো লাভই লাভ। নির্বাচন কমিশন যদিও এবারের ভোটে ইভিএমের সঙ্গে ভিভিপ্যাট মেশিন যুক্ত করেছেন কিন্তু তাতেও কি খুব কিছু লাভ হয়েছে? উল্টে দেখা গেছে আসামে একজন প্রাক্তন ডিজি যখন দেখেন যে তাঁর ভোট তাঁর অনিচ্ছা সত্ত্বেও শাসকদলের পক্ষে দেখাচ্ছে প্রতিবাদ করতে গিয়ে তাঁকেই উল্টে বলা হয় গ্রেপ্তার হতে পারেন কিন্তু। যখন একজন প্রাক্তন পুলিশ অফিসারের কথারই কোনও গুরুত্ব নেই তখন একজন সাধারণ মানুষের কথার আর কি গুরুত্ব থাকতে পারে? যারা এই মুহূর্তে ইভিএমের মক পোল করছেন মানে পরীক্ষা করে দেখছেন তাঁদের থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী এক একটি ইভিএমের মাত্র ৫০ থেকে ১০০ টি ভোট দিয়ে পরীক্ষা করতে দেওয়া হয়। সুতরাং এমন যদি হয় যে ২৫০টি ভোটের পরে ১টি অন্তর ১টি শাসক দলের পক্ষে যায় তাহলে কি ভাবে বলা সম্ভব যে ইভিএমকে প্রভাবিত করা সম্ভব নয়? এই প্রশ্নগুলি করেছেন ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈজ্ঞানিক অধ্যাপক ভোরা প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার নাসিম জাইদিকে কিছু প্রশ্ন করেন। উত্তরে যথারীতি নির্বাচন কমিশন নির্বিকার ভাবে বলে ‘ইভিএম প্রভাবিত করা সম্ভব নয় ব্যাস’। এখন ধরা যাক ৫% ইভিএমকে ১০০০ ভোট দিয়ে পরীক্ষা করতে দেওয়া হলো , কিন্তু বাকি ৯৫% মেশিনকে তো আর পরীক্ষা করা হলো না সুতরাং যদি দেখা যায় মাত্র ২৫% ইভিএমকে প্রভাবিত করার বন্দোবস্ত করা হয়েছে সুতরাং অঙ্কের নিয়মে ১.২৫% মেশিনে এটা ধরা পড়ার সম্ভাবনা থাকে বাকিগুলোতে পরীক্ষা করা সম্ভব নয়। যে কারণে এবার নির্বাচন কমিশন ইভিএমের সঙ্গে ভিভিপ্যাট মেশিন যুক্ত করলো । যুক্ত করলেও কিন্তু আইনের ফাঁক রেখে দিল। কেউ অভিযোগ করতে গেলে উল্টে তাঁকেই গ্রেপ্তার করা হবে এবং জরিমানা দিতে হবে, যে উদাহরণ আগেই দেওয়া হয়েছে। এটা অনেকটা ওইরকম ঘটনা যে সিগারেট খেলে ক্যান্সার হতে পারে অনেকেই জানে। তার মানে ঘুরিয়ে বললে ক্যান্সার হলে সিগারেট খাওয়ার অসুখ সেরে যায় তেমনি ভিভিপ্যাট দিয়ে ইভিএম প্রভাবিত করার রোগ সারানো যায় তাই নয় কি ?

    তাহলে কি এই এফপিটিপি পদ্ধতিতে শাসকদলকে হারানোর কোনও উপায় নেই ?

    ভারতের নির্বাচনে এই লোকসভা নির্বাচন কি শেষ নির্বাচন? অনেকেই এটা বলছেন। আসলে এর পরের নির্বাচনে হয়তো বা আধারকে বাধ্যতামূলক করে দেওয়া হবে। যে আধারের কোনও ভিত্তি নেই যেই আধারের তথ্যভাণ্ডার কারুর দ্বারা প্রত্যয়িত নয়, পরীক্ষিত নয় , যে আধারে কারুর সই নেই , জানা নেই কত ভুয়ো আধার এই মুহূর্তে আছে, যে আধার নাগরিকত্বের প্রমাণ নয় আধার কতৃপক্ষের কথায়, সেই আধারকে বাধ্যতামূলক করলে যে কেউ পৃথি্তহায়,জে কোনও প্রান্ত থেকে ভোট দিতে পারবেন এবং ভারতের বৈধ নাগরিকেরা যেহেতু তখন একটা সংখ্যা ছাড়া কিছু নয় সেই সংখ্যারা প্রতিবাদও করতে পারবেন না। তাহলে উপায় কি ? উপায় একটাই আপাতত যদি বেশী সংখ্যায় মানুষকে এবার ভোট দেওয়ানো যায় এবং সমস্ত নির্বাচককে যদি সচেতন করা যায় তাহলেই একমাত্র গণতন্ত্র রক্ষা করা সম্ভব। না হলে প্রতিটি নাগরিকের অবস্থা কিছুদিন আগে প্রকাশ পাওয়া একটি হিন্দিতে ডাবড হওয়া তামিল ছবি “ রিটার্ন অফ অভিমন্যুর’ মতো অবস্থা হবে। একটা কথা মনে রাখা সবসময়ে জরুরী গণতন্ত্রে শাসকদল যাকে সবচেয়ে বেশী ভয় পায় সে হলো মানুষ।

  • বিভাগ : আলোচনা | ১৩ মে ২০১৯ | ৯৩ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • DP | 127812.51.9002312.152 (*) | ১৮ মে ২০১৯ ০২:৪৭78581
  • FTP হোক, বা ইভিএম, কোনটা নিয়েই ২০১৪ সালের মে মাসের আগে পর্যন্ত কোন পোসনো ছিলনা। সেই যে মে মাসটা এক, আর দেশের সব মেশিনারি বা সিস্টটেম নিয়েই পোসনো উটে গেল। তা সে যাই হোক, ভারতের মত দেশে এফটিপি তো বটেই, এই এরিয়া বেসড ওয়েস্টমিনস্টার মডেলও বিশেষ গ্রহনযোগ্য বিষয় নয়। চয়েস বেসড ভোটের জটিলতায় না গিয়েও অন্য অনেক পদ্ধতি আছে। যেমন ইজরায়েল বা ইতালির ধাঁচে প্রপরশনার রিপ্রেজেন্টেশন করা যায়। আরেকটা সমস্যা আসে তা হল প্রার্থীর সাথে দল বা দলীয় নেতার দ্বন্দ্ব। এক্ষেত্রে যেটা করা যায় তা হল দুটো করে ভোট হোক। একটা নিজের এলাকার প্রতিনিধী নির্বাচনের জন্য, আরেকটা প্রপরশনাল রিপ্রেন্টেশন প্যানেলে। আর পার্লামেন্টে যেকোন কিছুতে দলীয় হুইপ জারি বন্ধ করা হোক।
  • S | 458912.167.34.76 (*) | ১৮ মে ২০১৯ ০৪:০২78582
  • ১) বিজেপি অনেকদিন ধরেই ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে পরিবর্তন করার চেস্টা করছে। আগেরবার বিজেপি সরকারের আমলেও প্রেসিডেনশিয়াল স্টাইলে ডিবেট এবং ইলেক্শনের কথা উঠেছিলো। বিজেপির ভরসা ছিলো যে বাজপেয়ি-আডবানীর মতন সুবক্তা কঙ্গ্রেসে ছিলোনা। এখনো মোদির মতন বক্তা কঙ্গ্রেসে নেই বলেই ওদের ধারণা। এবং ওরা চায় যে ডিবেটটা হবে হিন্দিতে। কারণ (ক) ইংরেজি ভালো করে বলার লোক তেমন নেই, (খ) হিন্দি বলয়ে বিজেপি কঙ্গের থেকে বেশি শক্তিশালী, (গ) অন্য ভাষার নেতা, ভোটার, এবং আন্চলিক দলগুলোকে সহজেই পথ থেকে সড়িয়ে দেওয়া যাবে - যাকে বলে ডিজএনফ্রেনচাইজ্ড করা যাবে (এইটাই ঈশানদা অন্য টইতে লিখেছেন)।

    ২) এই বিজেপি দলটার এবং মোদি-শাহের উপরে কোনো ভরসা নেই। এরা ইভিএম নিয়ে যা খুশি করতেই পারে। গণতন্ত্রের উপরে নাগপুরের কোনোদিনই ভরসা ছিলোনা। গায়ের জোড়ে দেশ চালানোটাই ওদের স্টাইল এবং ইচ্ছে। অতেব হ্যাঁ ২০১৪এর পরে এই সন্দেহ বেড়েছে বৈ কমেনি। যেভাবে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ক্ষমতা দখল করেছে, যেভাবে ধর্ম থেকে যুদ্ধ সবকিছুকেই ইলেক্শনের জন্য ব্যবহার করেছে, যেভাবে ইলেকশন কমিশনের সবকটি নিয়মকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ক্যাম্পেইনিঙ্গ করেছে, যেভাবে ক্যাম্পেইন ফাইনান্স বিল পাশ করে রাজনীতিতে কালো টাকার খেলার পথ সুগম করেছে, যেভাবে প্রধান মন্ত্রী নিজে হর্স ট্রেডিঙ্গের পক্ষে সওয়াল করেছে - তাতে এই দলটি এবং এই দলটির লীডারদের প্রতি বিন্দুমাত্র বিশ্বাস নেই।

    ৩) বিজেপির আইটি সেল এবারে একটা ক্যাম্পেইন চালিয়েছে ভোটের আগে এইটা দাবী করে যে ২০১৯ই হোক শেষ ইলেকশন। এর দুটো কারণ। এক, এই ইলেকশনটা জেতার সম্ভাবনা প্রবল হলেও পরেরটা যে হারবে সে বিষয়ে মোদি-শাহের উপরে বিজেপির অনেক ভরসা। দুই, গণতন্ত্রের প্রতি বিজেপির ঘৃণা। যদি প্রশ্ন করেন যে মোদি হারলেও এটাকে শেষ ইলেকশন বলবেন বা যেবারে কঙ্গ জিতবে সেটাকে শেষ ইলেকশন বলে মেনে নেবেন, তখনই দেখবেন অন্যরকম উত্তর আসছে। তার মানে নাগপুর থেকে ভক্তবৃন্দ সকলেই হিন্দুরাষ্ট্রবাদী ডেক্টেটরশীপ চালু করার পরিকল্পনা করছে। অতেব জনগণ সাবধান।
  • DP | 127812.51.9002312.152 (*) | ১৮ মে ২০১৯ ০৪:৩৯78583
  • ঘোড়া কেনাবেচা, কেন্দ্রীয় সংস্থার অপব্যবহার, এগুলো ২০১৪ তে নতুন কিছু বিষয় নয়। কংগ্রেসও এসবের বহু ব্যবহার করেছে, বরং আরো বেশী করে। অতীতে পব তে ৪০% এর কম ভোট পেয়েও কং জিতত। কংগ্রেস নামক দলটিই ১৯৫৭ তে কেরলের নাম্বুদ্রিপাদের সরকার, ১৯৬৭ তে গঠিত হওয়া বিভিন্ন অকংগ্রেসী সরকারকে ৩৫৬ প্রয়োগ করে ফেলেছে। পবতে ১৯৭২ এর বিধানসভা নির্বাচনের মত প্রহসন উপহার দিয়েছে, এবং জরুরী অবস্থা জারীও তাদেরই কৃতিত্ব। আরো পরে মোরারজী দেশাই বা ভিপি সিংহের সরকারগুলেকে ফেলে দেওয়াটাও স্মরনীয়। সঞ্জয় গান্ধী মারা না গেলে ভারত ফুল ডিক্টেটর বহু আগেই দেখে নিত। সে যাই হোক, ২০১৪ এর পরে এগুলো নিয়ে টনক নড়ল বলার অর্থ এগুলো অস্বীকার করা নয়। যেটা বলতে চেয়েছি তা হল দীর্ঘদিন ধরে একটা ফ্লয়ড সিস্টেমকে লালন পালন করে যাওয়া, যা সবশেষে এই জায়গায় পৌঁছেছে। তা বেটার লেট দ্যান নেভার। তবে যারা মনে করছেন কেন্দ্রে সরকারখানা উল্টে গেলেই সব সমাধান হয়ে যাবে, তাদের জন্য অপেক্ষষা করা ছাড়া আর কিছু বলার নেই।
  • Ishan's friend | 340112.24.7878.60 (*) | ২০ মে ২০১৯ ১১:৪২78584
  • "বিজেপির আইটি সেল এবারে একটা ক্যাম্পেইন চালিয়েছে ভোটের আগে এইটা দাবী করে যে ২০১৯ই হোক শেষ ইলেকশন।"

    Proof? Screenshot? Sakshi Maharaj said this, but is there any evidence of an organized campaign propagating this? I don't see how this would be attractive for most of the electorate — people in India generally *like* to vote, and turnout is higher than in many countries.
  • S | 458912.167.34.76 (*) | ২০ মে ২০১৯ ১১:৪৯78585
  • You may watch Prannoy Roy's coverage of this election in UP.
  • S | 458912.167.34.76 (*) | ২১ মে ২০১৯ ১২:০৫78587
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত