• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • আমার পূজো

    Nishan Chatterjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ | ১১৫২৯ বার পঠিত
  • যেকোন দ্রব্যের আগে বিলিতি জুড়ে দিলে তার গুণ রীতিমত লোপ পায়, এ জিনিস বহুকাল যাবৎ চলে আসছে ! যেমন ধরা যাক বিলিতি বেগুন, আপনি পড়ছেন আর ভাবছেন এ বোধহয় আমেরিকার ফলন্ত ঝুলন্ত বেগুন, কিন্তু না! বিলিতি বেগুন হোলো টমেটো, পুরুলিয়ার দিকে আবার অনেকে টমেটোকে বলেন বিলিতি আমড়া। তাহলেই দেখুন, কেবল মাত্র বিলিতির গুণে বেগুনের বেগুনত্ব আর আমড়ার আমড়াগাছি লোপ পেয়ে কেমন একই রকম লালচে টমেটোয় পরিণত হোলো।
    তেমনই বিলিতি পূজোও একটি দুর্ঘট বস্তু বিশেষ, যা না বিলিতি না পূজো!
    বিলিতি বাঙালীও তাই, না বাঙালী না বিলিতি। এঁদের মূলতঃ দু একটি বিলিতি বন্ধু থাকে, আন্তর্জাতিকতার জন্য, বাকি এঁরা নিজেদের বৃত্তেই ঘুরঘুরে পোকার মত ঘুরঘুর করেন। তার মধ্যে কিছু আবার সুনীল গাঙ্গুলীর অনুপ্রেরণা, অতএব হাফ বিলিতি ধারায় স্ত্রী শয়ান দেন পরপুরুষের সাথে আর সেই অজুহাতে সোয়ামী কচি মেয়ে পেলেই কচলে হাতের সুখ করে নেন। কিন্তু রসুনের মতই মাথা আলাদা হলেও পশ্চাদ্দেশ আবিষ্ট যুগযুগান্তব্যাপী সংস্কারে, বাজারে কেচ্ছার ভয়ও আছে, অতএব বিবাহটি বজায় থাকে, আর ঐখানেই বিলিতিয়ানার শেষ। বদহজম আর কাকে বলে!
    এঁরা প্রতি সন্ধেয় প্রায় হুইস্কি বা ওয়াইন সহযোগে দেশের জন্য মড়াকান্না কেঁদে থাকেন, ফিরতে যদিও কেউ আটকাচ্ছে না, তবু নানা কাঁদুনি। অধিকাংশের এটা স্বীকার করার সৎসাহস পর্যন্ত নেই যে তাঁদের এখানে দিব্যি লাগে। দোষটাই বা কি তাতে? কিন্তু না, তাঁরা না কাঁদলে গঙ্গার জল কমে যাবে না, তাই বিদেশে বসে এঁরা নিরন্তর গঙ্গায় অশ্রু সাপ্লাই দিয়ে থাকেন। আর দেশীয় রাজনীতির দুর্দশা নিয়ে টেবিলে তুফান তোলেন।
    মাঝে মাঝে দেশে গিয়ে এঁরা চাদ্দিক আলো করেন, এবং অভাগা আত্মীয়স্বজনকে বুঝিয়েই ছাড়েন বিলেতে কি হারে সুবিধা আমের মত গাছে ঝোলে আর "ইণ্ডিয়া কি ডার্টি বাবারেএএএ বাবারে, আর পারিনে!"
    গেলবার দিল্লী এয়ারপোর্টে বাঙালী বরের বিলিতি বউ দেখেছিলাম, বউ আমার সাথে বাংলায় কথা বললো দিব্যি, দাদা কিন্তু কলকাতা ছাড়ার পর বাংলায় আর শব্দক্ষয় করেননি, পাঞ্জাবী পাজামা ছেড়ে প্লেনের বাথরুম থেকে যখন বেরুলেন জিম করবেট মার্কা হাফপ্যাণ্ট পরে, কোন শালায় বলে বাঙালী সাহেব হতে শেকেনি!
    এঁরা শিখলেন না কাজের লোকের সাথে সমান ব্যবহার করতে, আমার মত ছাত্তরকে দেখলেই যাঁদের নাক হাফ কুঁচকে আসে কাজের লোকের প্রতি তাঁদের মহিমাময় ব্যবহার কেমন হতে পারে তা সহজেই অনুমেয়।
    যাইহোক কতিপয় বন্ধুবর্গের নিরতিশয় অনুরোধে আমার দ্বিতীয়বার বিলিতি পূজোর আমড়াগাছি দেখার সুযোগ হোলো, আগেই বলেছিলাম তাঁদের, যে এ অতি দুষ্পাচ্য দ্রব্য, কিন্তু গরীবের কথা বাসি হলে ফলে, তাই তাঁরা গেলেন, ঢুকলেন, তিতিবিরক্ত হয়ে পাঁচ মিনিটের মধ্যে বেরিয়ে এলেন।
    এখন শরৎকাল, ইংরাজমতে আটাম, যদিও মার্কিন দেশে 'ফল' কথাটা চলে, এবং গাছের পাতা সব ফাঁকা হয়ে যায় বলে ঐটেই আমার লাগসই লাগে, তবু বাটামের সাথে মিলের জন্য আটামটাই আমার পছন্দ। প্রকৃতি, শীতের কামড়টুকু বাদ দিলে সেজেছেন পরমা রূপে, প্রদীপ নেভার আগে দপ করে জ্বলার মত গাছের পাতায় উঁকি দিচ্ছে হলুদ-লাল আগুন। নাঃ বঙ্গপ্রকৃতির মাধুর্য নেই বটে, কিন্তু এ অনন্য সৌন্দর্য অস্বীকার করি কি করে? কি অসামান্যা তিনি, তাঁর রূপে দশদিশ আলোকিত হোক।
    এমন শরৎ দিনে, গাড়ি চড়ে বেরোলাম পূজা সন্দর্শনে, ভালো কথা। পথের চাদ্দিক দেখি আর কেমন যেন নেশা লাগে, নেশার মত আশ্লেষে জড়িয়ে ধরতে চায় গাছের সবকটি পাতা, সবকটি ডাল, সবকয়টি গুল্ম যেন শরীরে আগুন জ্বালিয়ে ডাকছে হাতছানি দিয়ে।
    সে যা হোক, সেসব পার করে অবশেষে উপনীত হলাম পথের উপান্তে, একটি হাইস্কুলের সামনে। (নামটা নাই বা বললাম, হরে দরে সবই এক)।
    ভিতরে ঢুকতেই দেখি, একটি টেবিলে হত্তা কত্তা বিধাতা তিনজন বসে আছেন, তাঁদের একজন আমরা কেবল প্রতিমা দর্শন করবো জেনে বললেন "১০ টাকা করে দিয়ে দিন তাহলে"। এখন মনে হচ্ছে ঐ টাকায় দু প্যাকেট রফিকির চিকেন ওভার রাইস হয়ে যেতো, অতি উপাদেয়। যা হোক দিয়ে তো ঢুকলুম, কিন্তু ঠিক ঢোকার সময়েই, যিনি আমাদের চাঁদা সংগ্রহ করছিলেন তাঁর সামনে এসে এক কাকিমা গোছের ভদ্রমহিলা এসে ইংরাজীতে কিসব সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে শুরু করলেন, আমার মন আনন্দে চনমন করে উঠলো, ভাবলাম বাঙালী প্রাদেশিকতা ছেড়ে বোধহয় আধুনিক হচ্ছে। কিন্তু সে মোলাসেস এ স্যাণ্ড! কতিপয় মুহূর্ত পরে তাঁর বিলিতি উচ্চারণের সুশীল বাংলা শুনে আমার উৎসাহ নেমে গেলো ফুস করে!
    তার প্রভাবেই বোধকরি, আমাদের চাঁদাকত্তা কাকু ফস করে মোড সুইচ করে চলে গেছেন ইঞ্জিরিতে, আমার দুবার বাংলা গলাখাঁকারিতেও কাজ হোলো না, অতএব সাধু সাবধান। চলো প্রতিমা সন্দর্শনে, আনন্দবাজারে পড়েছো, কুমোরটুলির হেববি উপকার হয় এসবে, তাও তুমি জানো, অতএব ভজ মন দুর্গানাম।
    ভিতরে ঢুকে চক্ষু চড়কগাছ, উৎসবের দিন সাজগোজ না করলেই নয়, অতএব পাটভাঙা শাড়ি আর পাঞ্জাবীর ধাঁধায় চোখে তালা লেগে গেলো, ভাবতুম বিলিতিরা বোধহয় ভালোভাবে বুড়োতে জানে না, কিন্তু ঠাকুমাদের গালে লালচে আভা দেখে সে ভ্রম আমার দূরীভুত হোলো। স্থান কাল পাত্র নির্বিশেষে যে উটকো লোক থেকেই থাকে এই বিশ্বাসে স্থির হলাম অবশেষে।যে সমস্ত ফ্যাসান বঙ্গভূমে পাঁচ বছর আগে উপে গেছে তাদের নব আবির্ভাব। কিছু ব্লাউজ দেখে ভাবলুম বোধকরি প্রাচীন আদিবাসী সংস্কৃতি ফিরে আসছে, ওষ্ঠরঞ্জনী, গণ্ডরঞ্জনীতে সে ভুল গেলো ভেঙে।
    সাথে পাঞ্জাবী বন্ধু, সে পাছে ভাবে দুর্গাপূজার উৎস ও উদ্দেশ্য বাণিজ্যমেলা, তাই প্রাণপণে বোঝাতে শুরু করলাম কি কেন এবং কিভাবে দুর্গাপূজা ধর্মীয় উৎসব থেকে বঙ্গীয় আবেগে পরিণত হয়েছে।
    ভুল পথে চলে পৌঁছে গেছিলাম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ঘরে, সেখানে ২৫ টাকা লাগতো, যাহোক যে কাকু সামনে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি জানালেন তিনি বঙ্গভাষণে অপারগ, কি দুঃখের কথা! তিনি জানালেন হস্তবন্ধনী (যার দাম ২৫টাকা) ব্যতিরেকে প্রবেশ নিষেধ, উল্টোপথে হাঁটা দিলুম ফের।
    করিডোরের ভিতরে হট্টগোল, একদিকে ললনারা শাড়ি জামা গয়না কিনছেন আর অন্যদিকে সুনীল গাঙ্গুলীর কিছু মধ্যমানের বই, বাঙালনামা ইত্যাদি বিক্কিরি হচ্ছে. শুনতে পেলুম "বাঙালনামাটা পড়েছিস? ব্যপক বই" (ভাগ্যিস ভারতবর্ষে রাত, নইলে তপনবাবু নিশ্চিৎ হেঁচকি তুলতেন)
  • আরও পড়ুন
    ২১৮ - Nishan Chatterjee
    আরও পড়ুন
    রণছোড় - Chayan Samaddar

  • সেসব কাটিয়ে ঢুকলাম প্রতিমা দর্শনে, ভিড়ে ভিড়াক্কার, আর কত রকমেরই চোখ দেখলুম, লাল নীল সবুজ বেগুনী রামধনু, সাথে টিসু পেপার থাকলে সৌন্দর্যের ভারী বিপদ, রঙের চলটা উঠে গেলেই কেলোর কীর্তি, সাড়ে সর্বনাশ। যাকগে সে আমার বিচার্য বিষয় নয়।
    তদুপরি ফেসবুক জমানায় পূজোয় গেলেই হয়না, একদিনের যে বাঙালীয়ানা উদযাপন, তা লোককে না জানালে হবে কেমন করে? কাজেই ফটো তোলার ঘনঘটায় গগন অন্ধকার, জনতার ফাঁকে ফাঁকে দুর্গামাতার রূপের ঝলক দেখাগেলো।
    তবে কিনা অনভ্যাসের ফোঁটা কপালে চড়চড় করবেই, বাঙালীয়ানার তালেগোলেও সেই চড়চড়ে অবস্থা!
    অতএব প্রবল ভিড়, পূজো না মেলা না মোচ্ছব বুঝতে বুঝতেই বন্ধুদের হাঁফ ধরে এলো, আমরাও বেরিয়ে এলাম।
    বাইরে আদিগন্ত সবুজ, বিকেলের রাঙা রোদ পড়েছে তেরচা হয়ে মাঠের কোণায়। হঠাৎ মনে হোলো এর আনন্দই বা কম কি?
    মৃত্যুধূপে আগুন জ্বালিয়ে ফুসফুসের শ্রাদ্ধ করলাম কিছুক্ষণ তারপর বাঙালী সুখাদ্যের আশায় পাড়ি দিলাম ক্যালকাটা অ্যাফেয়ার বলে এক রেস্তোরাঁর উদ্দেশ্যে!
    পথ বেশি না, মাইল পাঁচেক। রাস্তা ওয়ালপেপারের মত, ফোয়ারা, আর লাল হলুদ পাতা, তাই যাবার পথে শুঁড়িপথ নিলাম অষ্টাদশ শতকের এক চার্চের দিকে। চার্চের সামনে পৌঁছে দেখি, ওমা একি, সামনের মাঠে হরিণ চরে বেড়াচ্ছে। হরিণী চোখ তুলে চাইলে আমার দিকে, গাড়ি থেকে নামলাম, নিশ্চল মুর্তির মত, নিরন্তর মৃত্যুর মত হরিণী তখনো তাকিয়ে আমার দিকে, তার ঘাস খাওয়া শেষ, আর ঠিক যে মুহূর্তে আমি ভাবতে শুরু করেছি জ্যান্ত তো, একলাফে বাদামী বিদ্যুতের মত সে হারিয়ে গেলো হলুদ বনে, বোধহয় তার নাকচাবি গেছে হারিয়ে। চাদ্দিক শুনশান, কেউ কোথাও নেই, আর বাতাসে হিমেল পরশ, তাই বিশেষ কালক্ষেপ না করেই আবার উঠলাম গাড়িতে।
    মাইল তিনেক দূরেই রেস্তোরাঁ, সামনে ইলেক্ট্রিকের তারে আটকে দ্বাদশীর চাঁদ, এদেশে চাঁদ কেমন হলদে রঙের হয়। আর যখন ওঠে তাকিয়ে থাকলে কেমন ঘোর লেগে যায়। মনে হয় হেথা নয় হেথা নয় অন্য কোন কথা। মনে হয় এই সব মেকী, সব রঙের চলটা, সাদা বাদামী হলদে মানুষের ভিড় এসব কিচ্ছু নয়, এই চাঁদে লাল মানুষের বর্শা হাতে ছুটে যাবার কয়া বাদামী ঘোড়ায় চড়ে, তার বর্শা চকচক করুক হলদে চাঁদের আলোয়, আর তার বর্শা দেখুক রক্ত, হলদে আলোয় বাদামী রক্ত ঝরে যাক পাথুরে মাটিতে, আর তৃপ্ত হোক এই বন্য মৃত্তিকা।
    যাহোক, ২০১৪য় দিবাস্বপ্নের আয়ু মিনিট কয়েক, বুফে খেতে ঢুকলুম রেস্তোঁরায়। তখনও ফাঁকা ছিলো, দুটি মার্কিন পরিবার, একটি ভারতীয় গ্রুপ যার দুজন অবাঙালী। ওয়েটার পূর্ব ইউরোপীয়, ভারী অমায়িক লোক। বোধহয় পূজোর কদিন ভিড়ভাট্টা বেশি হচ্ছে, অনভ্যেসের দরূণ তিনি হাঁসফাঁস করছেন তখনো।
    কিন্তু সাধু সাবধান, কিছুক্ষণের মধ্যেই জনা দশেকের একটি বাঙালী গ্রুপ এবং জনা চারেকের আরেক বাঙালী পরিবার এসে বসলেন আমাদের সামনে। সেই একই মেকী- আনা, কিছু ওয়াইন আল্ট্রা আঁতলামি এবং চামচে দিয়ে ডালভাত খাওয়া। সামনের দশজনের দলের কথায় বুঝলুম এঁদের রাত হয় না, night হয়, আর "kids দের ওদিকে পাঠিয়ে দিলে Adults রা এদিকে বসতে পারে, degeneracy কমে" অহো বাহ্য, পাশের টেবিলে দেখি আরেক কেলোর কীর্তি। এক বয়স্কা ভদ্রমহিলা এসেছেন, তিনিই আমার সেদিনের বাঙলা। পায়ে তাঁর চটি, পরণে সবুজ শাড়ি, বোধহয় পাশের টেবিলের বঙ্গসাহেবের মা। প্রসঙ্গতঃ শহুরে ভারতীয় বিদেশে গেলে মা এর মূলতঃ আমদানি ঘটে সন্তানলাভ হলে, এদেশে আয়া রাখা অতীব খরচসাপেক্ষ। ইউরোপীয় সভ্যতা এদেশে পৌঁছতে এখনো বছর পঞ্চাশেক দেরী আছে।
    মহিলা বড়ই উসখুস করছেন, করারই কথা, আমরাই করছি। কিন্তু আমাদের বয়েস কম, হজমশক্তি বেশী।
    চামচে দিয়ে খেতে গিয়ে তাঁর নাজেহাল দশা, হাত দিয়ে শুরু করার মুহূর্তেই ছেলের কটমট দৃষ্টিপাতে আবার চামচে। হে ধরণী দ্বিধা হও!
    অখাদ্য কিছু পাঁটার মাংস, আর গোয়ানীজ চিঙড়ির ঝোল খেয়ে এমনিতেই মেজাজ খিঁচড়ে দোদমা, তায় এসব নাটক দেখে ভারী বিষাদ নেমে এলো হলদে বাল্বের আলোয়। আমরা বেরোলাম বাড়ির পথে। মাঝে হায়দার দেখার কথা নিউপোর্ট মলে।
    এবারেই চমক, ভারতীয় সভ্যতার চমক। বাঙালী সদা হীনমন্যতায় ভোগে, প্রাণপণে মুছে ফেলতে চায় আত্মপরিচয়! যে সাহেবরা মলত্যাগের পর কাগজ দিয়ে পশ্চাদ্দেশ মোছে, কিন্তু প্রস্রাবের পর হাতধোয়ার ঘনঘটায় পৃথিবীর জলসঙ্কট ঘটিয়ে ফেলে তাদের নকলে বাঙালীও নানা জিনিস রপ্ত করতে থাকে, আরো একটু বাড়ালে, একা বাঙালী কেন, ভারতীয় মাত্রেরই এই ঔপনিবেশিক দাস মনোবৃত্তি আছে। কিন্তু পার্মানেণ্ট মার্কারের কালি তোলা কি অতই সহজ? তাই যেখানেই ভারতীয় সেখানেই ক্যাঁচাল। এঁরা বাঙলা হিন্দী বলেন বিলিতি টানে, ইংরিজিটা ঠিক কিসের টান তা বোঝার সাধ্য আমার কেন? ঈশ্বরের বাবারও নেই। বাঙলা বলার ফাঁকে ফাঁকে প্রতিশব্দ হাতড়াতে হয়। অবশ্য খোদ পশ্চিমবঙ্গেই আজকাল ইংরিজি জানার চেয়ে বাঙলা না জানার গরিমা বেশি। মা মেয়েকে বলেন "দেখো দেখো night এ কত star আকাশে" "ঐ দেখো বাবু, tiger" "আজ ঐ green জামাটা পরে যেও কিন্তু"। বাড়িতে অতিথি এলে বাঙালী বাচ্চা আজকাল ছড়ার বদলে rhyme বলে। দেশোদ্ধার হচ্ছে সন্দেহ কি?
    নিউপোর্ট মলের সিনেমায় ঈদ ও দুগগোপূজোর ডবল ধামাকায় তখন ত্রাহি মধুসূদন দশা। অতএব বাথরুমেও তার ব্যতিক্রম না। অন্য সব দিন যে মলের বাথরুম ঝকঝক করে, তার ক্লোজেটে ক্লোজেটে গু ভেসে বেড়াচ্ছে, এবং জায়গাটা চেন্নাইয়ের সিএমবিটি বাসস্ট্যাণ্ডের বাথরুমের চেয়েও নারকীয় আকার ধারণ করেছে! জাতের গুণ যাবে কোথায়!
    যাইহোক হায়দার আর দেখা হোলো না, হাউসফুল, রাত ১১টা অব্দি ভয়ানক বাজে ভূতের সিনেমা দেখে নিউ ইয়র্কের রাস্তা ধরলাম।
    আর সেই রাতেই আমার পূজো, রাত দেড়টার "এল" ট্রেনে আমার সম্মুখবর্তিনী, সাদা টি শার্ট আর মেক আপ ছাড়া কবিতার মত বসে রইলো। হাই তুলতে যখন মুখ হাঁ করে আলতো সরালো, দেখি পেছনের পোস্টারে লেখা "poetry in motion", সে কোথায় নামলো, কি করে, কি খায় কোথায় থাকে আমার কিচ্ছু জানার নেই, শুধু রেখে দিলাম গতিময় কবিতার স্থবির স্মৃতিটিকে, এবারের পূজোর ছবি বলে।
    যাইহোক এই আমার পূজো, শেষে একটাই কথা, দুধের সাধ ঘোলে মেটাবেন সেও ভি আচ্ছা, কিন্তু না ঘরকা না ঘাটকা চুল্লু দিয়ে মেটালে চোঁয়াঢেকুর ও বদহজমের, এবং শেষে বমণের প্রবল আশঙ্কা!
  • বিভাগ : ব্লগ | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ | ১১৫২৯ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Nishan Chatterjee | 110.33.3.236 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ১১:৪০74879
  • তবে যাঁরা বাথরুম লিক করার কথা বললেন শিগগির প্লাম্বার নাহলে ডাক্তার ডাকুন। কারণ ছোঁচাতে গিয়ে যদি লিক করার মত জল মেঝেতে পড়ে তাহলে অবিলম্বে ডাক্তার ডাকা দরকার, তা নাহলে ছিটে জলেই যদি লিক করে, হয় মেঝের সমস্যা, নাহলে পাইপের, আর তাও না হলে বাড়িতে ভূত আছে।
  • Ekak | 24.99.133.76 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ১১:৫১74880
  • এই বাথরুম / ছোঁচান এসব হেব্বি পুরনো ব্যাপারস্যাপার । শরীরে দিস্পসেব্ল কলস্তমি ব্যাগ জুড়ে দিয়ে একটা সিস্টেম বানিয়ে দেওয়া গেলে ভালো হত । ব্যাগ ফুল হয়ে গেলে সিউঅরেজ বক্সে ফেলে দাও । বাড়ি মানেই হাগা-খানা বানাও আরও আনুসঙ্গিক খরচ /রাস্তায় বেরোলে হাগার জায়গা খোঁজা একটা কমপ্লিট প্রিমিটিভ এপ্রোচ । দূর দূর । মানুষ আই হোক বা এনারাই সেই পেছনেই পরে আছে । বরং ওই পার্ট গুলো সেক্সুয়াল অর্গান হিসেবেই দেদিকেতেদ থাকুক । ইনফেকশন এর চান্স ও কম হবে ।
  • jaladhar | 117.128.145.31 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ১২:০১74816
  • মানে মদ খায় না তো পাতি গোঁড়ামির জন্য।

    হুল্লাট শপিং , দামী গয়না, ,শাশুড়ীননদবিহীন এই অস্তিত্ব খুব দুঃখের বলছেন? কেন বলছেন একটু যদি খুলে বলেন
  • jaladhar | 117.128.145.31 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ১২:০৫74817
  • "কিন্তু আস্তে আস্তে ছেলেমেয়ে রা যখন বড়ো হতে থাকে তাদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে নিজের দেশে ফেরার স্বপ্ন কে জলান্জলি দিতে হয়।"

    আবারো ভুল কথা। ছেলে মেয়ে হওয়া বা বড় হওয়ার আগে খুব খুব সহজে ট্রান্সিশন করা যায়। অনেক সময় থাকে। পাতি সুযোগ সুবিধের জন্য থেকে যায়, কম্ফর্টের জন্য থেকে যায়, এইটা বলতে এত ফাটছে কেন? চীনেরা বা অন্যান্য নন-আঁতেল লোক্জন কিন্তু এগুলো সহজে এডমিট করে। আমাদের শুধু বাহানা।
  • ... | 117.193.242.2 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ১২:১৫74825
  • "আঙ্গুর ফল টক" টা পছন্দ হলো।
  • Nishan Chatterjee | 110.33.3.236 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ১২:২৬74826
  • আমি আধুলির সাথে একমত পোষালে থাকুন না পোষালে থাকবেন না, দয়া করে মড়াকান্না গাইবেন না। আমি যদি কোনদিন না ফিরতে পারি তার কারণ হবে ইণ্টারনেটের স্পীড, অবশ্য সেক্ষেত্রে এউরোপ বেশি ভালো জায়গা।

    তাও মাইরি আমি দেশেই ফিরতে চাই। দেশে আমার সাথে বাসে ট্রেনে বাওয়াল লাগলে নিশ্চিন্তে বলা যায় নিদেন পক্ষে কামরার ৪০% লোক আমার সাপোর্টে চেল্লাবে, এখানে কেউ চেল্লাবে না! হাজার একটা জায়গায় এভাবেই খামতি লাগে। এবং সেটাই অন্যতম কারণ

    দ্বিতীয় ভয়ানক বাজে জিনিস হোলো খাবার। ভার্জিনিয়ার বীচে গিয়ে প্রাণটা খুচখুচ করছে খাোয়ার জন্য। কি পাওয়া যাচ্ছে? নাচো আর হটডগ! ছ্যাঃ! রামোঃ! আমার মুখে রুচবে না!

    আর যিনি ১২৫ টাকার প্যাকেজের কথাটা বললেন, ছাত্রাবস্থায় ১০ টাকা দিতেই গায়ে লাগে, সেখানে ১২৫ আমার মোটে আকর্ষণিয় লাগলো না।

    দেশে হাজার একটা সমস্যা আছে সন্দেহ নেই। কিন্তু তার সাথে এটাও সত্যি কথা যে দেশটা আমার সেই সমস্যাগুলোও আমার। এবং আমি সত্যিই মনে করি আমার উচিৎ দেশে ফিরে যতটুকু পারা যায় দেশের উন্নতি করা।

    সেক্ষেত্রে আবার এক শ্রেণীর লোক আছেন, যাঁরা ফিরে যান এবং বাকি জীবন বিদেশের সুখস্মৃতি নিয়ে বড় বড় দীর্ঘশ্বাস ফেলেন, যদিও এদের কাছ থেকে সত্যিকার শেখার মত জিনিস একটিও শেখেন না।

    সেটার বাসনাও আমার খুব একটা নেই। যদি ফিরি জেনে বুঝেই ফিরবো।

    এদেশে ভাসান হয়না। সিঁদুরখেলা ও অঞ্জলী দেখেছি।

    আর সত্যি কথা বলতে কি, সব সমস্যাই দেশেও দেখা যায়। জাতীয় গুণ, কিন্তু এখানে চোখে পড়ে বেশী। নতুনত্ব থাকবে কোত্থেকে, হুতোম প্যাঁচার নকশা থেকে শুরু, তাতেও কোনকালে কোন ফল হয়েছে কি?
  • DhaDha | 122.79.39.191 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ১২:৩২74827
  • ।এখােন মেয়রা িনেজরমতঘুের বড়ােত পাের, দেশর মতধষকর দল এখােন ঘুের বড়ায়না।
    একটু বেশি বলা হয়ে গেল না? গুগল করে আর লিং দিলুমনা।
  • jaladhar no. 1 | 172.233.205.42 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ১২:৩২74818
  • ইয়ে দুসরা জলধর ভি আসলি হ্যায়, লেকিন নম্বরমে দো হ্যয়। ছবি-ও-সই-ওলা এক নম্বর জলধর তো ম্যায় হুঁ।
  • jaladhar2 | 117.128.145.31 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ১২:৪৬74819
  • @ আসলি জলধর ভাইয়া, মে তো অব তক তুমহারা হি proxy দে রহা থা। গুস্তাখি মাফ।

    কাহান মেরা আত্মগ্লানি আউর কাহান তুমহারা। তুম্হারা আত্মগ্লানি কিতনা জেনুইন, কিতনা সংবেদনশীল, কিতনা অনুভবী .. আউর কাহান মে ঃ(( দো দিন কা জলধর, brinjal কো বোলতা হুন এগপ্লান্ট।

    লেকিন ইস বিসয় মে আপকা মতামত তো দো। মে দারু পি রাহা হুন, আউর মেরা মরা কান্না কাদনে কা সময় ভি আ গেয়া হ্যা। আপ হাল ধর লো। প্লীজ।
  • sm | 233.223.158.110 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ১২:৪৭74828
  • আধুলির পোস্ট টা পরলাম। আপনার অবস্থান টা বুঝলাম।আপনি এমন দেশে থাকেন যেখানে ধর্ষণ হয়না, রেসিস্ম নেই, পুলিশ কলা বউ এর মত ব্যবহার করে আর ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স প্রায় নেই।
    আপনি আপনার মত করে বলেছেন। তবে এই সত্যি কথা টা অধিকাংশ এন আর আই বলেন না। তারা ছেলে মেয়ে বা এই বয়েসে দেশে কি আর করব, এই সব হাবি জাবি কথা বলেন ।
    তবে আমি আমার ব্যক্তিগত পারসেপশন থেকে লিখলাম। আমি এন আর আই ভালো না মন্দ এমন কোনো তুলনা করতে চাই নি। কারণ এন আর আই দের ভালো দিক নিয়ে অনেক কিছু লেখার আছে। আগেও কিছু কিছু আভাস দিয়েছি।
    ভালো মন্দ নিয়েই তো লিখব। আপনি চাইলে ভালো দিক নিয়ে কিছু পয়েন্ট সাপ্লাই দিতে পারি।
  • a x | 138.249.1.198 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৪ ০১:২৯75017
  • আমি এতক্ষণ ভাবছিলাম হ্যান্ড শাওয়ার, টেলিফোন শাওয়ার দিয়ে লোকে এইসব করে কি ভাবে! মানে ও দিয়ে তো শাওয়ারই করে! তবে যেসব জিনিসপত্রের ছবি দেখলাম ওগুলো মোটেও সুবিধের না। আপনার হাগাপাছার জল ছিটে ছিটে কোথায় যাচ্ছে সেসব ভেবেছেন? যা বলি শোনেন, হয় জল দিয়ে যেমন আজন্ম করেছেন করুন, কিন্তু প্যান্টটা তেনে তোলার আগে একটু হাওয়াতে শুকায়ে নিন নইলে একেবারে হাগজ, হাগজ, সবচেয়ে ভালো অল্প ভিজে হাগজ।
  • | 183.17.193.253 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৪ ০১:২৯75016
  • নিশানবাবু, আমার কোন কথাটা অযৌক্তিক ঠেকলো একটু যদি দেখিয়ে দেন।

    এদেশের গুণ গাইবার মত অনেককিছুই আছে,আবার বহুকিছুই নেই। অন্যদেশে বাস করতে গেলে স্বেচ্ছায়- অনিচ্ছায় যাপনপদ্ধতিও বদলে যায়। কুচক্রী, বদমাশ বাঙালির বাইরে ভালো লোকও নিশ্চয়ই আছেন। তবে বদ্ধ জলা তো, বেশিরভাগ সময় একই মুখ ঘুরে ফিরে দেখতে হয়। ভালো না লাগলে তাদের সঙ্গে গা ঘষাঘষি না করলেই হলো। কেউ তো মাথার দিব্যি দেয় নি।
  • a x | 138.249.1.206 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৪ ০১:৩২75018
  • আর এত এই সেই অমুকে তেমন তমুকে ওমন এইসব না করে হাজারটা দেশের মানুষ আছে তো, যে শহরে থাকেন সেখানে, তাদের সাথে মিশলেই তো হয়। যেখানে থাকি সেখানেও তো বহু কিছু করার থাকে, চারপাশে তাকালে। যেখানে আছি সেই কম্যুনিটিকে কিছু ফিরিয়ে দিতে পারলেও বা অসুবিধে কোথায়? এখানে পুলিশের জালিবাজি, অন্যায় যা দেখছেন সেইসব নিয়েও আওয়াজ তুলতে পারেন, ইউনি ক্যাম্পাসে থাকলে বিভিন্ন গ্রুপের সাথে একযোগে কিছু করা তো অপেক্ষাকৃত সহজ।
  • Abhyu | 81.12.146.98 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৪ ০১:৩৩75019
  • আমেরিকায় থাকি কারণ আমার যা বিদ্যা বুদ্ধি তা দিয়ে দেশে এই লাইফ স্টাইল মেনটেন করতে পারতাম না। কিন্তু ভালো কোনোদিনই লাগে নি। দশ বছর হয়ে গেল চাকরি করছি, তবু রোজই ভাবি হয়তো পরের বছরই দেশে ফিরে যাব। কিন্তু ঐ যে, ৯১১ নেই, আগের বছর যখন সার্জারি হল তখন মনে হয়েছিল এটা দেশে করাতে গেলে কি হত? (তা বলে কি দেশে মানুষ থাকে না? আমার মা বাবার যতো অপারেশন তো সব দেশেই হয়েছে।)

    একজন স্ট্যাটিসটিশিয়ান রাহুলদাকে বোঝাচ্ছিলেন যে এদেশে কাজ করার কত সুবিধে ইত্যাদি। ভদ্রলোক ওনার ছাত্রস্থানীয়। রাহুলদা খানিকক্ষণ চুপ করে শুনে বলেছিলেন - আচ্ছা একটা কথা বলো তো, যদি এক টাকা সমান পঞ্চাশ ডলার হত, আর বাকি সব এক, তখনো কি এই রকম ভাবতে?
    QED
  • | 183.17.193.253 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৪ ০১:৩৬75020
  • না না অক্ষ, জেট শাওয়ার বেশ কাজের। যে কোনো কাজের মত ক'বার কাজে লাগালেই সিদ্ধি এসে যাবেঃ)
    ভেজা হাগজ ব্যবহারের সময় সুগন্ধীমুক্ত কিনবেন, ওটি ত্বকের জন্যে অধিক ভালো;)
  • a x | 138.249.1.206 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৪ ০১:৩৮75021
  • ওমনি কনসিউমারিস্ম! উফ্ফ্ফ এবার বলবে অ্যালো মাখানো, গোলাপী, সুগন্ধী হাগজ চাই!!
  • Abhyu | 81.12.146.98 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৪ ০১:৩৯75022
  • LED লাগানো দেখে কিনবেন, অন্ধকারে সুবিধে হবে।
  • | 183.17.193.253 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৪ ০১:৪১75024
  • বল্লাম যে সুগন্ধী হাগজ কিনবেন না,পরে ত্বকের সমস্যা হতে পারে!
  • a x | 138.249.1.198 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৪ ০১:৪১75023
  • তাইলে তো ফ্লুরোসেন্ট হলেই হয়। কিন্তু আপনি অন্ধকারে এইসব করেন কেন?
  • | 183.17.193.253 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৪ ০১:৪৩75025
  • অন্ধকারে এই সব করবেন না খবর্দার!
  • Abhyu | 81.12.146.98 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৪ ০১:৪৪75026
  • আমি করি বলছি না, কিন্তু আপনি ধরুন ট্রিপে যাচ্ছেন, উপায় না দেখে বন্ধ গ্যাস স্টেশনের পাশে, অন্ধকারে -

    হ্যাঁ এই রোড ট্রিপ গুলো মোটেই কাজের কথা না। ঈশানকে জিগ্গেশ করুন।
  • a x | 138.249.1.206 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৪ ০১:৪৬75027
  • TMI
  • adhuli | 190.148.69.210 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৪ ০২:০২74887
  • ডিয়ার ব্লাক, আপনাকে cultivate করতে হছে মশায়। হেভি সব আইডিয়া ভেবে রেখেছেন তো disposal সিস্টেম নিয়ে। স্টিভ জবস এর মত কেও থাকলে আপনার আইডিয়া নিয়ে এত দিন এ হয়ত I -Potty বাজার এ নামিয়ে দিত। লেগে থাকুন, আমরা একদম পেছনেই আছি।
  • adhuli | 190.148.69.210 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৪ ০২:০৮74888
  • sm কে বলি এত রেগে থাকবেন না। আমাদের সবার ই অনেক খারাপ ভালো অভিজ্ঞতা হয় সব সময়। অরণ্য একদম ঠিক বলেছে, খারাপ বা ভালো সেটা দেশ নির্ভর নয় হয়ত। খারাপ যারা, তারা সব জায়গা তেই কাঠি দেবে। ওটাকে জেনারেল observation করে নিলেই মুস্কিল। নিজেরা সমবয়সী কজন মিলে দল বানিয়ে ফেলুন, তারপর দেখবেন আপনারাই আর একটা পূজা করে ফেলছেন। এই সব করেই তো engazed থাকা, না হলে থাকব টা কি নিয়ে।
  • Ishan | 183.17.193.253 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৪ ০২:২৩74889
  • সব এনারাই খারাপ না, যেমন সব বাঙাল বদ নয়। সব দলেই এক আধজন ভালো থাকে।

    অনেক মাথা খাটিয়ে লিখলাম। এটা নিয়েও একটু আলোচনা হোক।
  • Ekak | 24.99.231.15 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৪ ০২:৪৩75028
  • তাহলে খাবারেই কিছু বায়লুমিনেন্ট মেটেরিয়াল মিশিয়ে দিননা কেন , আলোকিত হাগবেন ।
  • DhaDha | 122.79.38.16 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৪ ০২:৫০74891
  • সব! কোন বাঙালই বদ না।
  • aranya | 154.160.226.93 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৪ ০২:৫০74890
  • হিন্দু-দের মধ্যে কিছু খারাপ আছে, মুসলিম-দের মধ্যেও কিছু ভাল আছে
    - এক মাসীমা বলেছিলেন, ঈশেনের কথায় মনে পড়ল :-)
  • a x | 138.249.1.198 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৪ ০২:৫৩75029
  • হ্যাঁ হ্যাঁ অপশান থাকবে, চেরি রং, হলুদ রং, সবুজ রং এইসব। তারপর প্রাইমারি কালার মিশিয়ে মিশিয়ে যেদিন মন খারাপ সেদিন গাঢ় নীল হাগা, যেদিন মন ফুরফুরে সেদিন হলদে-সবুজ ইত্যাদি।
  • | 24.97.149.176 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৪ ০২:৫৬74892
  • ব ল্যাঙ্কির ঠিক পেছনেই আধুলি!!? মানে ব্ল্যাঙ্কি যেখানে দাঁড়িয়ে শুকুচ্ছে??

    ইয়াআক্ক্ক্ক
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন