• টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। যে কোনো নতুন আলোচনা শুরু করার আগে পুরোনো লিস্টি ধরে একবার একই বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে কিনা দেখে নিলে ভালো হয়। পড়ুন, আর নতুন আলোচনা শুরু করার জন্য "নতুন আলোচনা" বোতামে ক্লিক করুন। দেখবেন বাংলা লেখার মতো নিজের মতামতকে জগৎসভায় ছড়িয়ে দেওয়াও জলের মতো সোজা।
  • আস্তিকতা, নাস্তিকতা, স্বাধীন ইচ্ছা, চেতনা ইত্যাদি তর্ক

    dc
    বিভাগ : অন্যান্য | ১৫ মে ২০১৫ | ৮০ বার পঠিত
আরও পড়ুন
N-Deal-Freedom,CPIM-CONG - DC
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1 | 2
  • dc | 132.164.42.68 | ২৬ মে ২০১৫ ২০:০১676068
  • Rene Descartes কে অনেকে আধুনিক পাশ্চাত্য দর্শনের জনকও বলে থাকেন, মূলত দুটো কারনে। দেসকার্তেস তাঁর আগের প্রচলিত স্কলাস্টিক-অ্যারিস্টোটেলিয়ান দর্শনের ধারা ভেঙ্গে মেকানিস্টিক (mechanistic) ধারার প্রবর্তন করেন। তাঁর আগে যেখানে দর্শনের ভিত্তি ছিল আদি কারন (prime cause) আর চেতনা বা অভিজ্ঞতা ভিত্তিক জ্ঞান (sensation based knowledge), যা কিনা অনেকটাই ব্যক্তিকেন্দ্রিক, দেসকার্তেস সেখানে থিওরি ভিত্তিক বা ডিটারমিনিস্টিক দর্শনের ধারা চালু করেন। দ্বিতীয় কারন, দেসকার্তেস পাশ্চাত্য দর্শনে চেতন-শরীর দ্বৈত সমস্যার (mind-body dualism problem) উদ্ভব করেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, চেতন বা মন বলতে দেসকার্তেস চেতনার (consciousness) কথা বলেছিলেন,কারন তাঁর আগে অনেক দার্শনিক মনের নানান দিক নিয়ে আলোচন করেছিলেন। দেসকার্তেস এর সময় থেকেই mind-body dualism বলতে consciousness আর body পাশ্চাত্য দর্শনে একটি মূল ধারার সূচনা করে। আর এই দুইয়ের মধ্যে কি সম্পর্ক (বা আদৌ সম্পর্ক আছে কিনা) তার সন্ধান একটি প্রধান গবেষনার বিষয় হয়ে ওঠে।

    দেসকার্তেস বলেন যে চেতনা (consciousness) আর শরীর (body) এর মধ্যে কোন সম্পর্ক নেই, এই দুটি সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী। চেতনা যে উপাদান দিয়ে তৈরী, আর শরীর যে উপাদান দিয়ে তৈরী তা সম্পূর্ণ আলাদা, এই দুয়ের মধ্যে কোন সংযোগও নেই। তাহলে এই দুটো একে অপরের সাথে কাজ করে কি করে? এটা ব্যাখ্যা করার জন্য দেসকার্তেস বিশেষ প্রভেদ বা Real distinction থিওরির প্রবর্তন করেন। এই থিওরি মতে, দুটি আলাদা আলাদা ভিন্ন প্রকারের বস্তু একে অপরের ব্যাতিরেকে বিদ্যমান থাকতে পারে। আর প্রতিটি বস্তুর অস্তিত্বের প্রকারভেদ (different modes of existence) হতে পারে। যেমন একটা পাথর, সেটা গোলও হতে পারে আবার এবড়োখেবড়োও হতে পারে, অর্থাৎ পাথরের আকৃতি সেটার এক প্রকারের অস্তিত্ব (one mode of existence)। আবার সেটা কালোও হতে পারে সাদাও হতে পারে, তাহলে সেটার রং আরেক প্রকার অস্তিত্ব (another mode of existence)। দেসকার্তেস বলেন যে ঈশ্বর চাইলে শুধুমাত্র পাথর দিয়েও এই বিশ্ব বানাতে পারেন, আবার ঈশ্বর চাইলে শুধুমাত্র চেতনা (consciousness) দিয়েই এই বিশ্ব বানাতে পারেন - অর্থাৎ পাথর (বা শরীর) আর চেতনা হলো দুটি really distinct বস্তু, এবং এই দুটি একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ভাবেও থাকতে পারে।

    সিক্সথ মেডিটেশন বইয়ে দেসকার্তেস এইভাবে তর্ক করেনঃ "আমি আমার স্বরূপ পরিষ্কার ভাবে জানি, আমার মন যে একটি চিন্তাশীল non-extended বস্তু সেই ধারনাও আমার আছে। একই সময়ে আমার এই ধারনাও আছে যে আমার শরীর একটি প্রলম্বিত (extended) বস্তু। আমি জানছি (I can perceive) যে আমার মন আর আমার শরীর দুটি পরিষ্কার আর আলাদা (clear and distinct), সুতরাং আমার মন আমার শরীরের থেকে আলাদা হয়েও বেঁচে থাকতে পারে। আমার মন বোঝার জন্য আমার শরীরের দরকার নেই, আর আমার শরীরকে বোঝার জন্য আমার মনকে দরকার নেই। আর আমি যে আছি, বা আমার মন যে আছে, সেটা কিকরে বুঝব? আমি যে আমার নিজের ভাবনাকে সন্দেহ করতে পারছি, সেটাই আমার অস্তিত্বের সবথেকে বড়ো প্রমান। cogito ergo sum - আমি চিন্তা করছি, তাই আমি আছি। I think, therefore I am.
  • dc | 132.164.42.68 | ২৬ মে ২০১৫ ২০:০২676069
  • কার্তেসিয় দর্শন নিয়ে আরেকটু লেখার আছে, পরে লিখব।
  • nb | 125.112.74.130 | ২৭ মে ২০১৫ ১৬:০৭676070
  • http://gonitsora.com/the-monk-who-is-sold-on-geometry-an-interview-with-mahan-maharaj/
    এখানে এটা থাক - মহান দার একটা ইন্টারভিউ তে ওকে ম্যাথমেটিক্স আর spirituality নিয়ে প্রশ্ন করেছিল মহান দা নিজের মত উত্তর দিয়েছে । ( যারা জানে না তাদের জানাই - মহান দা maths এর একজন নামী প্রফ এন্ড রিসার্চার , ভাটনগর পুরস্কার প্রাপ্ত ।উনি আবার বেলুর মঠের মহারাজ ও )
  • ranjan roy | 192.69.106.132 | ২৯ মে ২০১৫ ০৯:০৬676071
  • পড়লাম।
    মহান মহারাজ এতে নিজের দার্শনিক অনুসন্ধিৎসা নিয়ে কম বলেছেন। তবে মিশনের মোনাস্টিক অর্ডার তাঁকে নিজের মত করে বিশুদ্ধ গণিত পড়ানো ও রিসার্চের সুযোগ করে দিয়েছে সেটা স্পষ্ট করে বলেছেন।
    ভালো লাগল।
  • সিকি | 165.136.80.172 | ০৩ অক্টোবর ২০১৬ ১৪:৪৬676072
  • আচ্ছা, এটা তো শেষ হয় নি, না?
  • avi | 113.220.208.35 | ০৩ অক্টোবর ২০১৬ ১৯:৫৫676073
  • হয় নি তো বটেই। ডিসি কই গেলেন? দেকার্তে দেখে উৎসাহিত হলাম, আরেকটা টইতেও রিসেন্টলি দেকার্তের বডি মাইন্ড ডুয়ালিজম নিয়ে কথা উঠেছিল। এই লেখাটা দিব্যি লাগলো পড়ে।
  • ranjan roy | 192.69.185.198 | ০৩ অক্টোবর ২০১৬ ২০:২৩676074
  • ডিসি ডিসি সচকিত,
    দামিনী চমকিত,
    --------।
    কোথায় গেলেন ডিসি?

    ফিরে আসুন।

    ফিরে এসো এই হাটে এই টইয়ে,
    ফিরে এসো দর্শনে আবার।
    গুরুর এ 'পাড়া ছেড়ে এদিক-ওদিক,
    কোনখানে যেয়ো নাক্কো আর!
  • dc | 116.208.21.114 | ০৩ অক্টোবর ২০১৬ ২০:২৬676075
  • আমি তো গোয়ায় ঘুরছি! ঃ-)
  • ranjan roy | 192.69.185.198 | ০৩ অক্টোবর ২০১৬ ২০:৩৭676076
  • হা হতোস্মি!
    কোথায় সুক্ষ্ম ও গম্ভীর দার্শনিক চর্চা আর কোথায় গোয়ায় হিপি হয়ে ঘোরা! ঃ)))
  • d | 144.159.168.72 | ০৫ অক্টোবর ২০১৬ ১৪:১৩676078
  • আহা ডিসি তো এইটা 'সামনের সপ্তাহ' থেকেই লিখতে শুরু করবেন।
    জানে না বুকা।
  • সিকি | 192.69.250.9 | ০৮ অক্টোবর ২০১৬ ০৯:০৬676079
  • ডিসি ফিরেছেন নিশ্চয়ই।
  • dc | 120.227.230.12 | ০৮ অক্টোবর ২০১৬ ০৯:১৫676080
  • হ্যাঁ গতোকাল ফিরেছি।
  • dc | 120.227.239.148 | ২৬ জানুয়ারি ২০১৭ ১২:০৮676081
  • গোয়ার পোস্ট দেখে মনে হলো, সমুদ্রের ধারে আমার ঘন্টার পর ঘন্টা কাটাতে ভাল্লাগে কারন ঢেউয়ের গসিয়ান ডিসট্রিবিউশান দেখতে ভাল্লাগে। নানান সাইজের ছোটবড়ো ঢেউ ক্রমাগত আসতে থাকে, মাঝে মাঝে একটা বেশ বড়ো ঢেউ, আবার কিছু মাঝারি, অনেকগুলো ছোট। বেশ একটা বেল কার্ভের মতো।

    যাই হোক, দেসকার্তেস নিয়ে লিখছিলাম দেখছি, সেখান থেকেই এগনো যাক। দেসকার্তেস কেন "বিশেষ প্রভেদ" থিওরির প্রবর্তন করেছিলেন? কারন উনি চেয়েছিলেন মেকানিস্টিক ধারা আনতে, আর শরীর ও মন কে আলাদা ভাবে দেখাতে। মনে রাখতে হবে, এর আগে অ্যারিস্টোটল বলেছিলেন যে মহাবিশ্ব ডিটারমিনিস্টিক না, শুধুমাত্র সম্ভাব্যতার প্রবাহ (stream of chances)। কিন্তু দেসকার্তেস তাঁর জিওমেট্রিক মডেল এর পক্ষে সওয়াল করতে গিয়ে বলেন যে ফর্ম আর সাবস্ট্যান্স যদি আলাদা করা যায়, অর্থাত মন আর শরীর যদি আলাদা করে দেখা যায়, তাহলে একদিকে যেমন মহাবিশ্বকে শুধুমাত্র মেকানিকাল নিয়মসমূহ দিয়ে ব্যাখ্যা করা যাবে, অন্যদিকে তেমনই অমর আত্মা (eternal soul) কেও ব্যাখ্যা করা যাবে। Meditations on First Philosophy তে উনি লিখেছিলেন যে মন, বা আত্মা, আর শরীর যদি আলাদা হয় তাহলে এও বলা যায় যে শরীরের জরা, ব্যাধি ইত্যাদির প্রভাব মনের ওপর পড়েনা। কাজেই মহাবিশ্ব শুধুমাত্র সম্ভাব্যতা নয়, সৃষ্টিকর্তা মরনশীল শরীর আর অমর আত্মা দুয়েরই ব্যবস্থা করেছেন, আর মানুষ প্রতিনিয়ত যে পাপ-পূণ্য ইত্যাদি করে চলেছে সেসবেরই দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব আছে।

    এই কার্তেসিয় substance dualism এর ফলে কিন্তু বেশ কিছু প্রশ্ন তৈরি হয়। প্রথম প্রশ্ন অবশ্যই, শরীর আর মন যদি দুটো আলাদা হয় তাহলে এদুটো এক অপরের সাথে সংযোগ ঘটায় কিভাবে? দেসকার্তেস আর প্রিন্সেস এলিজাবেথ (princess elizabeth of palatinate) এর মধ্যে এ নিয়ে বেশ কিছু পত্র বিনিময় হয়, যাতে দেসকার্তেস লেখেন যে এই সংযোগস্থল হলো পিনিয়াল গ্ল্যান্ড। এই গ্ল্যান্ডে শরীরের animal spirit আর আত্মার পরষ্পরের ওপর ক্রিয়া করে। তবে শেষ পর্যন্ত দেসকার্তেস কোন সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিয়ে যেতে পারেন নি।

    দেসকার্তেস এর থিওরি থিওরি অফ সাবস্ট্যান্স আরো কয়েজন দার্শনিক প্রসারিত করেছিলেন, যেমন টমাস হবস আর জন ব্রাম্হাল (Thomas Hobbes, John Bramhall), কিন্তু কেউই এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি। এই থিওরিকে প্রথম উল্লেখযোগ্যভাবে পরিবর্তন করেন স্পিনোজা (Baruch Spinoza), যাঁর সম্বন্ধে মহামতি হেগেল লিখেছিলেন "You are either a Spinozist or not a philosopher at all"। দেসকার্তেস যদি ডুয়ালিস্ট হন তাহলে স্পিনোজা ছিলেন মোনিস্ট।
  • dc | 120.227.239.148 | ২৬ জানুয়ারি ২০১৭ ১৩:০০676082
  • দেসকার্তেস বলেছিলেন বস্তু আর তার গুন আলাদা, মর আর শরীর আলাদা, ঈশ্বর আর মহাবিশ্ব আলাদা। দেকার্তয় ডুয়ালিজম। কিন্তু স্পিনোজা বললেন না, ঈশ্বর এক ও অদ্বিতীয়, ঈশ্বর ছাড়া কিছুই নেই, এই মহাবিশ্ব, আমরা, আমাদের শরীর, মন সবকিছুই ঈশ্বরের বহিঃপ্রকাশ। মোনিজম।

    স্পিনোজার মৃত্য়্র পর ওনার বন্ধু ওনার লেখা Ethics পাঁচ খন্ডে প্রকাশ করেছিলেন, যার প্রথম খন্ডে তিনি এইভাবে মোনিজমকে ব্যাখ্যা করেছিলেনঃ

    ১। প্রতিটি বস্তুর অন্তত একটা গুণ (attribute) আছে।
    ২। দুটো আলাদা বস্তুর এক গুণ থাকতে পারে না।
    ৩। মহাবিশ্বে যা কিছু গুণাবলী আছে তার সবই ঈশ্বরের আছে।
    ৪। ঈশ্বর আছে।
    ৫। তাহলে ঈশ্বর ছাড়া অন্য কোন বস্তু নেই।

    http://www.iep.utm.edu/spinoz-m/#H3

    স্পিনোজা এও বলেন যেহেতু সবই ঈশ্বর, সুতরাং মানুষের কোন স্বাধীন ইচ্ছা নেই। আর এক ধাপ এগিয়ে উনি বলেন যে ঈশ্বরেরও স্বাধীন ইচ্ছা নেই, কারন ঈশ্বর প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সমস্ত সময়ের জন্য পুরো মহাবিশ্ব বানিয়ে ফেলেছেন, ফলে কোন কিছু পাল্টানোরও নেই। এই মতবাদের জন্য স্পিনোজাকে ওয়েস্টার্ন ফিলজফিতে প্যানথেইজম এর জনক হিসেবে ধরা হয়।

    স্পিনোজার প্রেমিসগুলোর প্রায় প্রত্যেকটাই অন্যান্য দার্শনিকরা খন্ডন করেছিলেন, যাঁদের মধ্যে বোধায় সবথেকে নামকরা ছিলেন লাইবনিৎজ (Gottfried Wilhelm Leibniz)। সেই লাইবনিৎজ যাঁকে অনেকে এখন ক্যালকুলাসের জনক হিসেবে ধরেন, যদিও সেই সময়ে বেশীর ভাগই নিউটনের পক্ষে ছিলেন।
  • dc | 120.227.239.148 | ২৬ জানুয়ারি ২০১৭ ১৩:০১676083
  • আজকে আর নয়, এবার থেকে রোজ দুয়েকটা করে পোস্ট করার চেষ্টা করব। অন্যদের আলোচনা স্বাগতম।
  • avi | 57.15.47.203 | ২৬ জানুয়ারি ২০১৭ ১৪:৫২676084
  • পড়ছি।
  • | 233.191.56.162 | ২৬ জানুয়ারি ২০১৭ ১৬:১৯676085
  • আলোচনা করার মত বিদ্যে নেই। পড়ছি।
  • ranjan roy | 24.99.206.232 | ২৭ জানুয়ারি ২০১৭ ০০:০৮676086
  • থ্রি চিয়ার্স ফর ডিসি!
    আশা করি মামু, ডিডি, হানু, কল্লোল এবং আরও অনেকে এই বিতর্ক এগিয়ে নিয়ে যাবে। অপেক্ষায় আছি।
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1 | 2
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত