ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • সন্ত্রাসবাদীর কোন ধর্ম হয় কী ?

    রুদ্র
    অন্যান্য | ১৭ ডিসেম্বর ২০১৪ | ২৩২৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ranjan roy | 24.97.201.184 | ২১ ডিসেম্বর ২০১৪ ২৩:৩৩655808
  • SC,
    আপনি ভাবতে বাধ্য করলেন।
  • aranya | 83.197.98.233 | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৪ ০৯:২৬655809
  • http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=15428&boxid=14464831

    আইএস চায় সারা পৃথিবী দখল করতে এবং কোরানের আইএস প্রচারিত ব্যাখা যারা না মানবেন তাদের সবাইকে হত্যা করতে। ইহুদী ও রোমান ক্যাথলিকরা ছাড় পাবেন।

    - বললেন আইএস-এর সঙ্গে ১০ দিন কাটিয়ে আসা এক জার্মান সাংবাদিক

    সন্ত্রাসবাদী-দের ধর্ম হয় বলেই মনে হচ্ছে।
  • সৌভিক | 24.96.0.203 | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৪ ১০:৫৯655810
  • পাকিস্থানের পেশোয়ারে তালিবান জঙ্গীদের দ্বারা সংগঠিত শিশুমেধ সারা বিশ্বের মানুষকে বেদনায় বিষ্ময়ে হতবাক করে দিয়েছে। সন্ত্রাসবাদের নৃশংস ইতিহাসেও শিশুহত্যার এরকম বর্বর নিদর্শন বিরল। দেড় শতাধিক শিশু, ও তাদের শিক্ষক শিক্ষিকা, বিদ্যালয় কর্মীর মৃত্যুর ঘটনার প্রাথমিক বিহ্বলতার ধাক্কা সামলে বিভিন্ন মহল থেকে এই নারকীয় ঘটনাকে নানাভাবে বোঝা, বিশ্লেষণ করার চেষ্টা চলছে। এই ধরণের নারকীয় সন্ত্রাসের সমাধান কীভাবে হতে পারে তা নিয়ে আলাপ আলোচনা তর্ক বিতর্কও জারী আছে। কেউ তালিবানদের মৌলবাদী কট্টর শরিয়তি আইন নির্ভর ইসলামিক রাষ্ট্র স্থাপনের জন্য মরীয়া চেষ্টাকে এই ঘটনার কারণ হিসেবে বুঝতে চেয়েছেন, কেউ বা ধর্মীয় দিকটিকে তুলনায় গৌণ মনে করে পাকিস্থান সেনার তালিবানদের ওপর চালানো সাম্প্রতিক বিভিন্ন অভিযান এর প্রতিক্রিয়া হিসেবেই এই ঘটনাকে ব্যাখ্যা করেছেন। আমেরিকা ও ন্যাটো বাহিনীর ড্রোন হামলা, তাতে পাকিস্থান সেনার তরফে অংশীদারিকেও কেউ কেউ এর সঙ্গে যুক্ত করেছেন। পাকিস্থানের বামপন্থীরা এই ঘটনাকে ও এই অঞ্চলে বিদ্যমান সেনা সন্ত্রাস সাম্রাজ্যবাদ সংক্রান্ত জটিলতাকে বুঝতে চেয়ে শুরু করতে চেয়েছেন আশির দশকে আফগানিস্থান এ সোভিয়েত জমানার বিরুদ্ধে ধর্মীয় মৌলবাদ সন্ত্রাসবাদকে পুষ্ট করে তোলার অধ্যায় থেকে। পাকিস্থানের পরিচিত মার্কসবাদী নেতা লাল খান তার ‘পেশোয়ার গণহত্যার বর্বরতা’ শীর্ষক একটি নিবন্ধে বলতে চেয়েছেন পাকিস্থান রাষ্ট্রের চরিত্রর মধ্যেই রয়ে গেছে মূল সমস্যা। তারা তাদের দমন ও শোষণমূলক শাসন কায়েম রাখার জন্য বরাবরই ইসলামিক মৌলবাদী বিভিন্ন শক্তির ওপর নির্ভর করে এসেছে। সন্ত্রাসবাদী দল ও কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন মানুষ যে বিভিন্ন সময়ে ধরা পড়েও বেকসুর খালাস পেয়ে যাচ্ছেন, সেটা আমরা প্রায়শই লক্ষ্য করি। এর কারণ বিশেষত মধ্যস্তরের বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত বিচারকর্তারাসহ শাসন যন্ত্রের বিভিন্ন দিক ও স্তরের কর্তাব্যক্তিদের অনেকেই ধর্মীয় জেহাদী বিশ্বাসের দ্বারা বহুলাংশে বশীভূত। আমরা দেখেছি পাঞ্জাবের গভর্নর সলমন তাসেরকে যে পুলিশ রক্ষী খুন করেছিল, আদালতে বিচারের সময় তাকে আনা হলে সেখানকার উকিলরা মালা দিয়ে তাকে অভ্যর্থনা জানায়। তাকে বিচার ব্যবস্থা এখনো কোনও সাজা দিয়ে উঠতে পারে নি। ‘লস্কর ই তৈবা’র অন্যতম প্রধান মাথা মহম্মদ হাফিজ সঈদ প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। বিভিন্ন টেলিভেশন চ্যানেলের অনুষ্ঠানে হাজির থাকছেন, প্রকাশ্য জনসভায় বক্তৃতা করছেন। মুম্বাই হামলার নেপথ্য নায়ক হিসেবে তিনি অভিযুক্ত, তাকে ধরার পুরস্কার মূল্য হিসেবে আমেরিকান গোয়েন্দা সংস্থা ৬০ কোটি টাকার বিপুল অঙ্ক ঘোষণা করে রেখেছে। কিন্তু পাক গোয়েন্দা সংস্থা আই এস আই তাকে নিশ্চিন্ত আশ্রয় ও নিরাপত্তা দিয়ে চলেছে। তার জন্য এমনকী ভারতের সঙ্গে শান্তি আলোচনাকে ভেস্তে দিতেও পাকিস্থান তৈরি। শুধু লস্কর ই তৈবা নয় আরো অনেক জঙ্গী সংগঠনই আই এস আই এবং পাকিস্থানের শাসক কুলের মদত পেয়ে থাকে। মাদ্রিদ এবং লন্ডনে রেল বিস্ফোরণ ও হত্যাকাণ্ডের অভিযুক্ত, কট্টর ইসলামিক প্রচার কার্যে নিয়মিত যুক্ত ‘তাবলেগি জামাত’ এর মতো সংগঠন এর বার্ষিক সভায় ব্যাপক অনুদান ও মদত আসে, এতে প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ মানুষ হাজির থাকেন। লাল খান অভিযোগ করেছেন যারা প্রকৃতপক্ষে দেশটাকে চালাচ্ছে তারা সরাসরি জনগণের কাছে বা অন্য কারো কাছে জবাবদিহি করতে দায়বদ্ধ নন। পাকিস্থানে গণতন্ত্রের লড়াই আর সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই তাই আজকে আর বিচ্ছিন্ন কোনও ব্যাপার নয়।

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে মার্কিন কর্তাব্যক্তিদের সমস্ত বাগড়ম্বরের আড়ালে আমরা দেখি আমেরিকান সাম্রাজ্যবাদও মূলগতভাবে পাকিস্থানের এই শাসন পদ্ধতির সঙ্গে এক ধরণের সমঝোতা করে নিয়েছে। অনেকে মনে করেন সাম্প্রতিক সময়ে আফগানিস্থানে মার্কিন নীতি ও আগ্রাসনের ব্যর্থতার কারণেই তারা এ কাজে খানিকটা বাধ্য হয়েছে। কিন্তু পাকিস্থানের সমরনায়কদের সঙ্গে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের যোগসূত্রের ইতিহাস দীর্ঘ, বলা যায় পাকিস্থানের জন্মের পর থেকেই তা বিদ্যমান। অন্যদিকে পাকিস্থানের ঘরোয়া রাজনীতিতে বরাবরই মৌলবাদী ধর্মকেন্দ্রিক রাজনীতির শক্তিশালী উপস্থিতি আমরা লক্ষ্য করি। বিশেষত জিয়া উল হকের সময় থেকেই বিভিন্ন ইসলামিক আইন কায়েম করা হতে থাকে। সমস্ত সরকারী কর্মচারীর জন্য দিনে পাঁচ বার নমাজ পড়া বাধ্যতামূলক করা হয়। সমস্ত জাতীয় দিবসগুলির সঙ্গেই ইসলামকে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করে ফেলা হয়। জিয়া এবং আই এস আই নির্দেশিত এই ব্যাপক ইসলামিকরণ এর প্রচেষ্টায় আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা সি আই এ এবং সৌদি শাসকেরা একযোগে মদত দিয়েছিল। এর পেছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল আফগানিস্থানে বামপন্থী সরকারের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানের চেষ্টাকে শক্তিশালী করা এবং পাকিস্থানে বামপন্থার উত্থানের সমস্ত প্রচেষ্টাকে ধ্বংস করা। পরবর্তীকালের বিভিন্ন পাকিস্থান সরকারও রাষ্ট্রের ইসলামিকরণের এই প্রক্রিয়া থেকে সরতে পারেন নি। বেনজির ভুট্টো এবং নওয়াজ শরিফও একইপথে চলেছেন। আফগানিস্থানে জেহাদের লড়াইকে শক্তিশালী করার জন্য সি আই এ এই অঞ্চলে ড্রাগের ব্যবসাকে মদত দিয়েছিল। সোভিয়েত জমানা ও ঠান্ডা যুদ্ধের অবসানের পর এখানে মার্কিন নীতি ও আগ্রহ বদলেছে কিন্তু অবৈধ ড্রাগ ব্যবসা রমরমিয়ে চলছে। এই খাতে যে পরিমাণ কালো টাকা ঘোরাফেরা করে তা পাকিস্থানের বৈধ অর্থনীতির দ্বিগুণ। ড্রাগ ব্যবসার অর্থ এখনো বিভিন্ন জঙ্গী সংগঠনকে মদত জোগায়। সোভিয়েত বিরোধী লড়াই এর স্বার্থে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ পাক প্রশাসন এর সঙ্গে যোগসাজশে যে সন্ত্রাসবাদী জঙ্গী কার্যকলাপ ও মৌলবাদী ধর্ম কেন্দ্রিক রাজনীতিকে পুষ্ট করেছিল পরিবর্তিত সময়ে তা এখন তাকেই আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে। শুধু যে তারা মার্কিনের গলার কাঁটা হয়ে উঠেছে তা নয়, আই এস আই তথা পাকিস্থান এর শাসককুলকেও তা ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের মতো মাঝে মাঝেই বিপদগ্রস্থ করছে। বিভিন্ন জঙ্গী সন্ত্রাসবাদী সংগঠন নিয়ন্ত্রণের সীমারেখার বাইরে চলে গিয়ে নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে লিপ্ত। তাদের কারো কারো বিরুদ্ধে পাকিস্থানী সেনা আক্রমণ শানাচ্ছে, আবার কারো কারো ক্ষেত্রে তারা নিজেদের গোপন কৌশলগত অবস্থান থেকে নিশ্চুপ বা মদতদাতা। এই ধরণের বাছাবাছি এবং কৌশল সন্ত্রাসবাদকে রোখার ক্ষেত্রে কার্যকর তো হচ্ছেই না বরং আঘাত পাল্টা আঘাতের এক দুষ্টচক্র কায়েম হচ্ছে। একদা বন্ধু অধুনা শত্রু হয়ে ওঠা সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলিই শাসকদের কাছে বেশি বিপদজনক কারণ রাষ্ট্রের মদতেই তারা প্রশিক্ষণ পেয়েছিল এবং সেহেতু সংশ্লিষ্ট রণকৌশল ও অন্যান্য পরিকল্পনা বিষয়ে তারা সম্যক অবহিত।

    পাকিস্থানে সন্ত্রাসবাদের বাড় বাড়ন্ত নিয়ে আমেরিকা বা তার সহযোগী দেশগুলির যে কোন বক্তব্য দ্বিচারিতা ও ভণ্ডামির চরম নিদর্শন। তিল তিল করে মদত দিয়ে যে বিষের জন্ম তারা দিয়েছে এখন তার বিরুদ্ধে সমস্ত কুম্ভীরাশ্রু তার অতীতকেই কেবল ব্যঙ্গ করতে পারে। তাদের ড্রোন হামলা এবং তার দ্বারা সংগঠিত মূলত সাধারণ মানুষেরই বেশি সংখ্যায় হত্যালীলার ঘটনাগুলি পরিস্থিতিকে আরো বিপদজনক করে তুলছে। পাকিস্থানের ঘরোয়া রাজনীতির অভিমুখ সম্পূর্ণ বদল করে সেখানে সাম্রাজ্যবাদের মদত ও নির্দেশমুক্ত গণতান্ত্রিক শক্তির জাগরণ না হলে গোটা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দুরূহ বলেই সেখানকার বাম রাজনীতি ও জনগণের শক্তিগুলির প্রতিনিধিরা মত প্রকাশ করেছেন।

    পাকিস্থানের ঘটনাবলী থেকে ভারতবর্ষেরও উল্লেখযোগ্য শিক্ষা নেবার আছে। ধর্ম কেন্দ্রিক উত্তেজক রাজনীতির বিষবৃক্ষ মদত পেলে তা কোন বিষ অরণ্য তৈরি করতে পারে পাকিস্থান তার জ্বলন্ত উদাহরণ হিসেবে সামনে আছে। ভারতে সাম্প্রতিক সময়ে বিজেপির ক্ষমতায় আসা, আর এস এস এর বাড়বাড়ন্ত এবং ক্ষমতার অলিন্দে সরাসরি প্রবেশ ও প্রভাব বিস্তার যথেষ্ট চিন্তাজনক ব্যাপার। এর জোরালো প্রতিক্রিয়া ও প্রত্যাখান প্রয়োজন। মালেগাঁও বিস্ফোরণ, গুজরাট গণহত্যা বা মুজফফরপুর সহ বিভিন্ন দাঙ্গা সংগঠনে যারা অভিযুক্ত বা মদতদাতা তারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ‘আমরা সবাই হিন্দু’ এই শ্লোগান তুলে বলপূর্বক ধর্মান্তরের চেষ্টা করছে। ইতিহাস ও পাঠ্যপুস্তক কে বিকৃত করে তার গৈরিকীকরণের চেষ্টা করছে। ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ ও বহুত্ববাদী ঐতিহ্যকে বিপন্ন করার চেষ্টা চলছে। ভারতের বুকে একে পরাজিত করার সংগ্রাম আর পাকিস্থানে গণতান্ত্রিক কন্ঠস্বরকে দেশের শাসন ব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠিত করার ধারাবাহিক ও নিরলস চেষ্টা পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এবং তা আজকে ভারতীয় উপমহাদেশের জনগণের অন্যতম প্রধান লড়াই হিসেবে সামনের সারিতে রয়েছে। শাসকের বিভাজনের রাজনীতির চেষ্টাকে পরাজিত করে জনগণের গণতান্ত্রিক লড়াইয়ের ঐক্যকে উপমহাদেশ জুড়ে বিস্তার ঘটাতে কমিউনিস্ট ও বাম শক্তিকে অবশ্যই সক্রিয় উদ্যোগ নিতে হবে।
  • সৈয়দা সুমাইরা আল-হুসাইনী | 98.150.172.110 | ২৩ ডিসেম্বর ২০১৪ ২১:১৯655811
  • সন্ত্রাসবাদ রাজনৈতিক অভীষ্ট সিদ্ধির জন্য অনুসৃত একটা রাস্তা। আয়ারল্যাণ্ডে গ্রেট ব্রিটেনের ব্ল্যাক & ট্যান, জার্মানির নাজিবাদ - এগুলো ব্যাপকতর অর্থে সন্ত্রাসবাদ। 'ধর্ম' এখানে একটা mobilising force। এব্রাহামিক ধর্ম এব্যাপারে অধিকতর মানানসই, তবে বাদবাকি ধর্মগুলিও যে কিছু কম যায় না, তার নজিরও অজস্র।
  • Arpan | 125.118.156.211 | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৪ ০০:২৫655814
  • সচলায়তনের লেখাটা ভালো লাগল। এরকম লেখা আরো আসবে আগামী দিনে এই আশা রাখি।
  • dd | 132.171.92.21 | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৪ ০০:৫৪655815
  • সচায়লতনের লেখটা ভালাগ্লো বল্লে কম হয়। অ্যাকদম আমার মনের কথা। তাইতেই ভাবাবেগে আপ্লুতো হই। বলি সাবাশ সাবাশ।

    সম্পুর্ন অন্য প্রাসংগিকে টইবোন কয়েছিলেন "মহত্বের নেশা"। সেটাই দেখি কয়েজনের পোস্টিএংএ। টিপিক্যাল হিলেলির পোস্টিং। আর কিছু অবস্কিওর ব্লগারের কপি পেস্টিংএ।

    "দ্যাখেন, দ্যাখেন,আমারে দ্যাখেন। মরাল মাচায় উইঠ্যা বইস্যা আছি। মাগো মা, আমি ক্ষী নিরপেক্ষো রে দাদা"। আরেক চাড্ডী।
  • r2h | 172.136.192.1 | ২৪ ডিসেম্বর ২০১৪ ০১:২৭655816
  • সচলায়তনের লেখাটা ভালো লাগলো।

    আর ডিডির Date:18 Dec 2014 -- 08:23 AM, 'আমার খুব বিশ্বাস বাংলাদেশের যারা জন্মসুত্রে মুসলিম আর এখন "নাস্তিক" নামে চিহ্নিত তারাই এ বিষয়ে পথিকৃত হবে।' - আমারও এইরকম বিশ্বাস হয়।

    প্রকৃত ধর্ম আমার ইসে।
  • . | 59.207.210.64 | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ০০:০০655617
  • বুড়ো ভামেরা যে বদ্লায় না তা লেখা পড়লেই বোঝা যায়
  • রুদ্র | 59.200.29.113 | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ০১:২৩655618
  • #যম ঠিক বুঝলাম না আপনী ঠিক কী বোঝাতে চাইলেন ?

    ABP নই আমি যতটুকু শুনেছি , সেটা ওনেক টা এই রকম

    বড়ো হামলায় আসামে তিন জেলায় নিহত ৬৪

    ফের জাতিদাঙ্গার আগুন জ্বলে উঠল উত্তর-পূর্ব ভারতে৷ অরুণাচল প্রদেশ ও ভুটান লাগোয়া আসামের তিনটি জেলায় মঙ্গলবার গণহত্যা চালাল বড়ো বিদ্রোহীরা৷ গভীর রাত পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, আসামের কোকরাঝোড়, শোণিতপুর এবং ধুবড়ি জেলায় অন্তত ৬৪ জন আদিবাসীকে খুন করেছে ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট অফ বড়োল্যান্ড (সংবিজিত) তথা এনডিএফবি(এস) সংগঠনের হামলাকারীরা৷ এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে৷ নিহতদের অধিকাংশই সাঁওতাল সম্প্রদায়ভুক্ত৷ তবে তাদের মধ্যে কোল, ভিল ও মুন্ডা সম্প্রদায়ের কয়েকজন রয়েছেন বলে খবর৷ অনুমান করা হচ্ছে, গত একমাস ধরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বড়ো বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে আসাম পুলিশ কম্যান্ডো এবং সেনার যৌথবাহিনী যে অভিযান চালাচ্ছে, তার বদলা নিতেই এই হামলা৷ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে স্পষ্টতই আসাহায়তা প্রকাশ করেছে প্রশাসন৷

    এ কে-৪৭ রাইফেলের মতো অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র নিয়েও হত্যালীলা চালিয়েছে বিদ্রোহীরা৷ আহতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে৷ সোমবার পুলিশের গুলিতে চিরং জেলায় দু'জন এনডিএফবি(এস) বিদ্রোহীর মৃত্যু হয়৷ তার পরই সংবিজিত বসুমাতারির নেতৃত্বাধীন ওই সংগঠন হুমকি দেয়, ওই ঘটনার বদলা নিতে মঙ্গলবার রাত ৯টার পর থেকে গণহত্যা শুরু করবে তারা৷ সেই হুমকিকেই এ দিন ঘড়ির কাঁটা মিলিয়ে অক্ষরে অক্ষরে সত্যি করে ছাড়ল বিদ্রোহীরা৷ অন্য একটি সূত্রের খবর, সন্ধে সাড়ে ৬টা থেকেই হামলা শুরু হয়ে যায়৷

    অরুণাচলপ্রদেশ-লাগোয়া শোণিতপুর জেলার অবস্থা সবথেকে ভয়াবহ৷ সেখানকার পাভোই সংরক্ষিত অরণ্য এবং বাতাসিপুরে হামলা চালানো হয়৷ আসাম পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজিপি) খগেন শর্মা জানিয়েছেন, পাভোই অরণ্যের সিমাঙ্গপাড়া এলাকার আদিবাসী বসতিগুলিতেই হামলার নৃশসংতা ছিল সবথেকে বেশি৷ ধুবড়ি জেলার মধ্যে লাছিমপুরকেই হামলার জন্য বিশেষ ভাবে বেছে নেয় বড়ো বিদ্রোহীরা৷ এই পরিস্থিতিতে কার্যত প্রশাসনিক আসাহায়তার স্বীকার করে নিয়েছেন শোণিতপুরের পুলিশ সুপার সুরজিত্ সিং৷ তার কথায়, 'পুরো অবস্থাটা হাতের বাইরে বেরিয়ে গিয়েছে৷ পরিস্থিতি সামাল দিতে সেনাবাহিনীকে তলব করা হয়েছে৷ কিন্ত্ত এখনও তা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি৷' এই ঘটনার জেরে গোটা আসাম জুড়েই রেড অ্যালার্ট জারি করেছে রাজ্য প্রশাসন৷

    কোকরাঝাড় জেলার সেরফাংগুড়ি থানার পাখরিগুড়ি এবং ভারত-ভুটান সীমান্তবর্তী উল্টাপানি এলাকায় উন্মত্ত বড়োপন্থীদের তাণ্ডব ছিল চোখে পড়ার মতো৷ পাখরিগুড়িই ছিল বিদ্রোহীদের প্রথম নিশানা৷ আসামের তিনটি জেলায় মোট পাঁচটি হামলা তারা চালিয়েছে৷ সূত্রের খবর, বড়ো-পন্থীদের তরফ থেকে এ রকম হামলার আশঙ্কা যে ছিলই তা স্বীকার করেছে পুলিশ৷ সেই মতো এলাকার মুসলিম বাসিন্দাদের বসতিগুলিতে সুরক্ষা বাড়িয়েছিল প্রশাসন৷ কিন্ত্ত সেই হিসেব উল্টে দিয়ে সরাসরি আদিবাসীদের গ্রামগুলিকেই নিশানা করল বিদ্রোহীরা৷ এর আগেও, গত সোমবার কোকরাঝাড়ের পাতগাঁওয়ে গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল বড়োপন্থীরা৷ তাতে আহত হন মোট তিন জন৷ এ দিন সকালেই একটি সাংবাদিক বৈঠকে আসামের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ দাবি করেছিলেন যে, তার সরকার কিছুতেই বিদ্রোহী হুমকির সামনে মাথা নত করবে না৷ অনুমান করা হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে 'চ্যালেঞ্জ' ধরে নিয়ে আরও আগ্রাসী হয়ে ওঠে বড়োপন্থীরা৷

    রাজ্যের সাঁওতাল সম্প্রদায়ের প্রতি আসামের বড়ো বিদ্রোহীদের বিদ্বেষ প্রকাশের ঘটনা এই প্রথম নয়৷ ১৮ বছর আগে, ১৯৯৭ সালে নিম্ন-আসামে বড়ো ও সাঁওতালদের মধ্যে তীব্র জাতিদাঙ্গা সংঘটিত হয়৷ সে বার নিহতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছিল৷ নিহতের অধিকাংশই ছিলেন সাঁওতাল সম্প্রদায়ের৷ একটানা হিংসার জেরে ঘরছাড়া হয়েছিলেন অম্তত ৫০ হাজার মানুষ৷ প্রায় দুই দশক ধরে ত্রাণশিবিরে কাটাতে বাধ্য হয়েছেন তারা৷ এ বারের পরিস্থিতিও সে দিকে এগোতে পারে বলে আশঙ্কা প্রশাসনের৷ পাশাপাশি, বিভিন্ন মহলে এ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে যে, এ বারের দাঙ্গায় নিহতের যে সংখ্যা সামনে আসছে, আসল সংখ্যাটা তার তুলনায় অনেকটাই বেশি।–
  • রুদ্র | 59.200.29.113 | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ০১:২৪655619
  • #যম ঠিক বুঝলাম না আপনী ঠিক কী বোঝাতে চাইলেন ?

    ABP নই আমি যতটুকু শুনেছি , সেটা ওনেক টা এই রকম

    বড়ো হামলায় আসামে তিন জেলায় নিহত ৬৪

    ফের জাতিদাঙ্গার আগুন জ্বলে উঠল উত্তর-পূর্ব ভারতে৷ অরুণাচল প্রদেশ ও ভুটান লাগোয়া আসামের তিনটি জেলায় মঙ্গলবার গণহত্যা চালাল বড়ো বিদ্রোহীরা৷ গভীর রাত পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, আসামের কোকরাঝোড়, শোণিতপুর এবং ধুবড়ি জেলায় অন্তত ৬৪ জন আদিবাসীকে খুন করেছে ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট অফ বড়োল্যান্ড (সংবিজিত) তথা এনডিএফবি(এস) সংগঠনের হামলাকারীরা৷ এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে৷ নিহতদের অধিকাংশই সাঁওতাল সম্প্রদায়ভুক্ত৷ তবে তাদের মধ্যে কোল, ভিল ও মুন্ডা সম্প্রদায়ের কয়েকজন রয়েছেন বলে খবর৷ অনুমান করা হচ্ছে, গত একমাস ধরে সংশ্লিষ্ট এলাকায় বড়ো বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে আসাম পুলিশ কম্যান্ডো এবং সেনার যৌথবাহিনী যে অভিযান চালাচ্ছে, তার বদলা নিতেই এই হামলা৷ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে স্পষ্টতই আসাহায়তা প্রকাশ করেছে প্রশাসন৷

    এ কে-৪৭ রাইফেলের মতো অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র নিয়েও হত্যালীলা চালিয়েছে বিদ্রোহীরা৷ আহতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে৷ সোমবার পুলিশের গুলিতে চিরং জেলায় দু'জন এনডিএফবি(এস) বিদ্রোহীর মৃত্যু হয়৷ তার পরই সংবিজিত বসুমাতারির নেতৃত্বাধীন ওই সংগঠন হুমকি দেয়, ওই ঘটনার বদলা নিতে মঙ্গলবার রাত ৯টার পর থেকে গণহত্যা শুরু করবে তারা৷ সেই হুমকিকেই এ দিন ঘড়ির কাঁটা মিলিয়ে অক্ষরে অক্ষরে সত্যি করে ছাড়ল বিদ্রোহীরা৷ অন্য একটি সূত্রের খবর, সন্ধে সাড়ে ৬টা থেকেই হামলা শুরু হয়ে যায়৷

    অরুণাচলপ্রদেশ-লাগোয়া শোণিতপুর জেলার অবস্থা সবথেকে ভয়াবহ৷ সেখানকার পাভোই সংরক্ষিত অরণ্য এবং বাতাসিপুরে হামলা চালানো হয়৷ আসাম পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল (ডিজিপি) খগেন শর্মা জানিয়েছেন, পাভোই অরণ্যের সিমাঙ্গপাড়া এলাকার আদিবাসী বসতিগুলিতেই হামলার নৃশসংতা ছিল সবথেকে বেশি৷ ধুবড়ি জেলার মধ্যে লাছিমপুরকেই হামলার জন্য বিশেষ ভাবে বেছে নেয় বড়ো বিদ্রোহীরা৷ এই পরিস্থিতিতে কার্যত প্রশাসনিক আসাহায়তার স্বীকার করে নিয়েছেন শোণিতপুরের পুলিশ সুপার সুরজিত্ সিং৷ তার কথায়, 'পুরো অবস্থাটা হাতের বাইরে বেরিয়ে গিয়েছে৷ পরিস্থিতি সামাল দিতে সেনাবাহিনীকে তলব করা হয়েছে৷ কিন্ত্ত এখনও তা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি৷' এই ঘটনার জেরে গোটা আসাম জুড়েই রেড অ্যালার্ট জারি করেছে রাজ্য প্রশাসন৷

    কোকরাঝাড় জেলার সেরফাংগুড়ি থানার পাখরিগুড়ি এবং ভারত-ভুটান সীমান্তবর্তী উল্টাপানি এলাকায় উন্মত্ত বড়োপন্থীদের তাণ্ডব ছিল চোখে পড়ার মতো৷ পাখরিগুড়িই ছিল বিদ্রোহীদের প্রথম নিশানা৷ আসামের তিনটি জেলায় মোট পাঁচটি হামলা তারা চালিয়েছে৷ সূত্রের খবর, বড়ো-পন্থীদের তরফ থেকে এ রকম হামলার আশঙ্কা যে ছিলই তা স্বীকার করেছে পুলিশ৷ সেই মতো এলাকার মুসলিম বাসিন্দাদের বসতিগুলিতে সুরক্ষা বাড়িয়েছিল প্রশাসন৷ কিন্ত্ত সেই হিসেব উল্টে দিয়ে সরাসরি আদিবাসীদের গ্রামগুলিকেই নিশানা করল বিদ্রোহীরা৷ এর আগেও, গত সোমবার কোকরাঝাড়ের পাতগাঁওয়ে গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল বড়োপন্থীরা৷ তাতে আহত হন মোট তিন জন৷ এ দিন সকালেই একটি সাংবাদিক বৈঠকে আসামের মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ দাবি করেছিলেন যে, তার সরকার কিছুতেই বিদ্রোহী হুমকির সামনে মাথা নত করবে না৷ অনুমান করা হচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে 'চ্যালেঞ্জ' ধরে নিয়ে আরও আগ্রাসী হয়ে ওঠে বড়োপন্থীরা৷

    রাজ্যের সাঁওতাল সম্প্রদায়ের প্রতি আসামের বড়ো বিদ্রোহীদের বিদ্বেষ প্রকাশের ঘটনা এই প্রথম নয়৷ ১৮ বছর আগে, ১৯৯৭ সালে নিম্ন-আসামে বড়ো ও সাঁওতালদের মধ্যে তীব্র জাতিদাঙ্গা সংঘটিত হয়৷ সে বার নিহতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে গিয়েছিল৷ নিহতের অধিকাংশই ছিলেন সাঁওতাল সম্প্রদায়ের৷ একটানা হিংসার জেরে ঘরছাড়া হয়েছিলেন অম্তত ৫০ হাজার মানুষ৷ প্রায় দুই দশক ধরে ত্রাণশিবিরে কাটাতে বাধ্য হয়েছেন তারা৷ এ বারের পরিস্থিতিও সে দিকে এগোতে পারে বলে আশঙ্কা প্রশাসনের৷ পাশাপাশি, বিভিন্ন মহলে এ নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে যে, এ বারের দাঙ্গায় নিহতের যে সংখ্যা সামনে আসছে, আসল সংখ্যাটা তার তুলনায় অনেকটাই বেশি।–
  • r2h | 172.136.192.1 | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ০২:২৩655621
  • হুমঃ(

    পৃথিবীশুদ্ধ মানুষ নাস্তিক হয়ে যাবে তা দুরাশা তো বটেই। আমি নিজেও কিছু ধ্রুপদী প্র্যাক্টিসিং নাস্তিক নই। বিশ্বাস ইত্যাদি সংক্রান্ত অবস্থান যাই হোক সামাজিক ধর্মীয় আচারে ভাগ নিয়ে থাকি। তো আমার জীব্নই আমার বানী নয় আরকি।

    কিন্তু এই করে তো কেস বিগড়েই চলেছে। তো পন্থাটা কি।
  • দেব | 111.221.131.196 | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ১০:৩৯655622
  • অপেক্ষায় আছি কবে আসামের ঘটনাটার জন্য বাইবেলের উদ্ধৃতি তুলে "এই ঘটনার জন্য ক্রিশ্চানধর্ম দায়ী" বলে একটা লেখা নামে।
  • ranjan roy | 24.99.26.204 | ২৫ ডিসেম্বর ২০১৪ ১০:৪৮655623
  • "মন্দির-মসজিদ-গির্জাঘর নে বাঁট লিয়া ভগবান কো,
    ধরতী বাঁটি, সাগর বাঁটা, মৎ বাঁটো ইনসান কো।
    হিন্দু কহতে মন্দির মেরা মন্দির মেরা ধাম হ্যায়,
    (ওঁ নমঃ শিবায়, ওঁ নমঃ শিবায়,)
    মুসলিম কহতে মসজিদ মেরা, মসজিদ মেরা ইমান হ্যায়।

    বাঁটতে- বাঁটতে মারতে- মরতে ভুল গয়া ভগবান কো,
    ধরতী বাঁটি, সাগর বাঁটা, মৎ বাঁটো ইনসান কো।"

    [ বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পরে বিলাসপুরে কোরবায় যে গান গাওয়া হত)]
  • r2h | 82.209.12.191 | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪ ১০:০৫655624
  • ধর্মই দায়ী এইরকম কোন সরলরেখার মত দাবী আমার অন্তত নেই। আবার ধর্ম আদৌ দায়ী নয় তাও মনে করিনা, ধর্মান্ধ লোক, ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা দায়ী ইত্যাদি। কিন্তু সেইসব অন্ধ বা ভুল লোকককে চাপার জন্যে ঠিক লোকেদের, ধর্ম বিশ্বাসী ঠিক লোকেদের এফেকেটিভ কোন চেষ্টা চোখে পড়েনা। এফেকটিভ। দুটো নিন্দে করে এই মাগ্গীগন্ডার দিনে কি হয়।

    দেড়শোখানা বাচ্চা মরে গেল, আমি কি করলাম? না নিন্দা করলাম।

    গায়ের জোরে তুলে দেওয়া যাবে না, বিদ্যাসাগরের শাস্ত্রব্যাখ্যা করে বিধবাবিবাহ বা রামমোহনের সতীদাহ বিরোধ অনেক প্রভাব রেখেছে (আইন না হলে কি হতো তা অবশ্য প্রশ্ন), কিন্তু ইয়ং বেঙ্গলের উগ্র নাস্তিকতা খুব স্থায়ী হয়নি। এইসব চাড্ডী ছাগু গালমন্দ আমি আপত্তিকর মনে করি যে কারনে, এগুলি প্রতিরোধ বাড়ায় আমার বিশ্বাস।

    কিন্তু এইসব ধর্মের অজুহাতে আস্ফালন ও অন্ধতা, এর কোন প্রতিকার তো দেখিনা। ধর্মকে যাঁরা বাঁচিয়ে রাখতে চান তাঁদের হয়তো জানা আছে কিছু পথ।

    বাঁচিয়ে রাখতে চান। বেঁচে থাকবে বা সহসা পটল তুলবে এরকম সম্ভাবনা কম মনে করেন তেমন লোকের কথা বলছি না। সেই দলে তো আমিও পড়ি। কিন্তু চাই যে ফুটে যাক। একটা আপদ তো যাবে।

    মানছি, ধর্ম দায়ী নয়। কে দায়ী? হাঁচি কাশি টিকটিকি শণি গ্রহের আংটি মঙ্গলবারে কুষ্মান্ডভক্ষণ, কে? অশিক্ষা দারিদ্র গাম্বাটপনা? কি? বিবিধ সমস্যা, সমস্যার মূলে না পৌছলে বোঝা যাবে না?
    সমস্যার মূল হলো এক আশ্চর্য জিনিস। ক্ষুধার্ত মানুষের ক্ষুধা সমস্যার মূলে পৌঁছতে পৌঁছতে দেখি সে অলরেডি পটল তুলেছে। তারচেয়ে দুটো খেতে দিলে বেঁচে যেত।
  • SC | 34.3.17.255 | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪ ১১:৪৫655625
  • ধর্মহীন পৃথিবী! কি ভয়ংকর! এরকম পৃথিবী তে যেন কোনদিন বাঁচতে না হয়।
    dostoyevsky র দু:স্বপ্ন ছিল এমন এক পৃথিবী, ভগবানের প্রতি মানুষের বিশ্বাস উঠে যাচ্ছে, মরালিটি অবক্ষয়ের পথে, জন্তুর মত একে অপরকে খুবলে খেয়ে ফেলছে মানুষ।
    ধর্ম তো আমাদের মানব সমাজ কে ধারণ করে রেখেছে, মানুষের জীবন কে purpose দিয়েছে। ভগবানের সান্নিধ্য এক পরম শান্তির জায়গা, সেটা না থাকলে অনেকের বাঁচায় অনর্থক হয়ে যাবে।
    শহুরে উচ্চশিক্ষিত ডিগ্রিধারী সেক্যুলার আর কয় শতাংশ। হিন্দু বলুন, মুসলিম বলুন, দেশে বিদেশের গ্রামে গ্রামে ধর্ম হচ্ছে সামাজিক বন্ধনের মূল জায়গা।
    খাওয়ার জন্য তো এত লড়াই, তাহলে কি খাওয়া বন্ধ করে দেব। ধর্ম নিয়ে মানুষ লড়ে, কারণ ধর্ম মানুষের খুব খুব গভীর একটা জায়গা।
    সেটাই অনেক নাস্তিক বুঝতে চাননা।
    আমি কি উত্তম সৌমিত্র, বাঙাল ঘটি, শচীন সৌরভ, এসব ঝগড়া হলে লোককে কেটে ফেলে দি? বড়জোর খিস্তি করি।
    তাহলে ধর্ম নিয়ে মারপিট হলে লোকে এত বেশি উত্তেজিত কেন হয়? শুধুমাত্র তারা অশিক্ষিত, "brainwashed " বলে। জানিনা।
    ধর্ম তাদের জীবনের খুব গভীর একটা জায়গা কে অধিকার করে আছে, তাই হয়ত।
    কে যে brainwashed , সে তো বলা শক্ত। অনেকে তো বলবে, আপনারা যারা ধর্মে গভীর ভাবে বিশ্বাস রাখেন না, তারাই সেক্যুলার শিক্ষাব্যবস্থার দ্বারা brainwashed । কলোনিয়াল চিন্তাভাবনা, ইউরোপিয়ান secularism , এসব আপনাদের মাথা খেয়েছে।

    হানাহানির কারণ ধর্ম কিনা, সেই নিয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে। হানাহানির কারণটা মনে হয় দখলের রাজনীতি। ধর্ম একটা ঘোড়া। দখলের রাজনীতি কি নাস্তিকরা করেনি। বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে জঘন্য গনহত্যাকারীদের মধ্যে অন্তত ৫০% মনেহয় নাস্তিকই ছিল। কমিউনিস্ট ঘরানার।
  • T | 24.139.128.15 | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৪:১২655626
  • তার আগের কুড়িটা শতাব্দী জুড়ে গণহত্যাগুলো তো আর কমিউনিস্টরা করেনি।

    মানুষের জীবনকে পারপাস দিয়েছে, ধর্মের অ্যাতবড় শক্তি, এসব মানি না। মানুষের জীবনের পারপাস অনেক বড়ো ব্যাপার। লৌকিক ধর্মের ক্ষুদ্র গন্ডীর সাধ্য নেই। সমাজ বদলাচ্ছে, সামাজিকতা বদলাচ্ছে, মেলামেশার ক্ষেত্র আর প্যাটার্ণও বদলাচ্ছে, ধর্ম খামোখা মূল জায়গা হিসেবে অনড় থেকে যাবে কেন। আধ্যাত্মিক ব্যাপার স্যাপারের জন্য ধর্মের প্রয়োজনীয়তাই বা কী কে জানে। ধর্ম ইজ ইক্যুয়াল টু ঈশ্বরবিশ্বাস এইসব আইডেনটিটি তো অনেক দিন হ'ল। সমাজ ফর্মেশনের পিছনে লৌকিক ধর্ম ফর্ম এসব জড়িয়ে আছে। এখন ফর্মেশনটা নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে, সে এক্সপ্লোর করবেই। লৌকিক ধর্ম নির্দেশিত আচার বিচার ওসব সাইডলাইন হয়ে যাবে।
  • দেব | 133.63.241.33 | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৪:৪৬655628
  • @r2h

    পেশোয়ারের ঘটনাটা অনগোয়িং আফগান যুদ্ধের অংশ। ধর্মের অজুহাতে আদৌ হয়নি এটা।

    ধর্মের প্রভাবে অনেক কিছুই হয় কিন্তু যেটা আদৌ ধর্মের অজুহাতে হয়নি সেখানেও ধর্ম টেনে আনলে সেটা হাওয়ার সাথে লড়াই। আর যদি সেটা শুধু একটা ধর্মের সাথেই করা হয় দেন ইট বর্ডারস অন বিগট্রি। যে কারণে লিখেছিলাম যে দেখি আসামের ঘটনাটায় কেউ ক্রিশ্চানধর্ম টেনে আনে কি না। জানি কেউই আনবেন না। প্রত্যেকেই বলবেন এটা উত্তর পূর্বের জাতিবিদ্বেষের ফল।

    কোন ঘটনার আসল কারণের সঠিক ব্যাখ্যা করার কার্টসিটুকু মুসলিমদের সাথেও করা হোক এইটাই দাবী।
  • ? | 59.207.231.130 | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৪:৫৯655629
  • SC কে জেনে বুঝে এত বড় মিথ্যাচার করলেন? বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় হত্যা ইহুদী হত্যা - তার মুলে কমিউনিস্ট? বাংলাদেশের হত্যা বা আফ্রিকার হত্যা পিছনে কমিউনিস্ট? পলপট অব্শ্যিই কমিউনিস্ট ছিলেন। আর তারপরের হত্যা পিছনে আপনার দেশ আমেরিকা - তাহলে ৫০% কমিউনিস্টদের দ্বারা কি করে হল?
  • . | 59.207.231.130 | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪ ১৫:০১655630
  • একটু পরেই বুড়ো ভামের লেখা আসবে - দেব কিরকম নিরপেক্ষতা দেখানর নামে মুসলিম তোষণ করছে।।।
  • r2h | 172.136.192.1 | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪ ২২:২৪655631
  • দেব, ধর্মের অজুহাতে হয়নি, আর নির্দিষ্টভাবে এই ঘটনা তো সেনাবাহিনীর কাজের প্রতিশোধ হিসেবেই। কিন্তু দলগুলি ধর্মের ভিত্তিতে তৈরী। এই হানাহানি বেঁচে থাকার পেছনে ধর্ম একটা ফ্যাক্টর। বাবরি মসজিদ ভাঙা বা গুজরাত দাঙ্গা আরেসেস ইত্যাদি রাজনৈতিক অস্তিত্বকে জল হাওয়া দিয়েছে। কিন্তু পেছনে ধর্ম ছিল তো।

    ধর্ম চলে গেলে গায়ের রং ভাষা অঞ্চল তেলের দাম জমির দখল অনেক কিছুই থাকবে। কিন্তু একটা তো গেল।

    'কোন ঘটনার আসল কারণের সঠিক ব্যাখ্যা করার কার্টসিটুকু মুসলিমদের সাথেও করা হোক এইটাই দাবী।' কোন নির্দিষ্ট ধর্মের সাথে আলাদা কিছু ট্রিটমেন্ট দাবী করছিনা। এইসব আলকায়দা তালিবান বজরংদল শ্রীরামসেনে ইত্যাদি আপদগুলির পেছনে যতই রাজনৈতিক অভিসন্ধি ও ধনতান্ত্রিক উস্কানি থাকুক, এদের ধারন করে রাখে ধর্ম, এইটুকুই।

    তো ঠিকাছে ধর্ম থাকুকু, ধর্মহীন পৃথিবীর বিভীষিকা ভেবে আমরা আতঙ্কিত নাই হলাম। তাহলে ধর্মের কারনে মগজধোলাই হওয়া গাম্বাটদের দায় ধর্মের লোকেরা নিন।

    মানে ধরুন শঙ্করাচার্য বিবৃতি দিলেন যে প্রমোদ মুথালিক একটি গাম্বাট তার কথা যে শুনবেন না যেন। ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে ইহা প্রকৃত উহা ভ্রান্ত এইসব বললে সাধারন লোক বোঝেনা যে। বা একজন বড়সড় লোক বললেন যে তালিবানদের বর্জন কর। ওরা আপদ। উহাদের ঐ কাজ সহি ইসলাম নয় এইসব অস্পষ্টবাদনে কনফিউশন বাড়ে।

    তো স্বপ্নের ভরসাদায়ক ধর্মের হোতারা তো এইসব পরিস্কার কথা বলেননা।
  • T | 24.139.128.15 | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪ ২৩:১৯655632
  • উফ্‌, হুতোদাকে প্রচুর ক।
  • একক | 24.99.135.91 | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪ ২৩:৩২655633
  • কী ভয়ঙ্কর লোক আপনেরা :( বিজেপি তো এটাই চায় ! এব্রাহামিকে একটা মাথা কে ধরা সহজ কারণ ভেড়ার পালে পালের গোদা থাকবএই । অন yo khetre taa নoy ।রাষ্ট্র চায় যে করে হোক এদিকে দানগা ওদিকে কোনভার্সন ei kore সিনgl pantheon e sobaai ke অনte । ekchuali হীনdu dhormo বole বঅস্তব e kichhu nei বole এখন o বেনche গ্যাছেন । ekhono aiyar -আয়েনgar ra lorai kore । কানchir shankoracharjo kichhu বolle keo shone na । জেদিইন ঝুনti বেনdhe phela jaabe সেদিন সেনtral প্ল্যানইনg er বish বএরুবe । ter পাবএন ।

    ki দে-regulated কিব ord re বা ব aa :/
  • সিকি | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪ ২৩:৩৪655634
  • একক নিশ্চয়ই গলা পর্যন্ত মাল টেনেছে।
  • a x | 60.171.26.111 | ২৬ ডিসেম্বর ২০১৪ ২৩:৫৮655635
  • হুতো, "একটা তো গেল" বলে যেটা যাবার কথা বলছ, সেটা প্রাচীনতম শক্তির মধ্যে একটা। আর কোনো কিছু দিয়ে একসাথে অনেক মানুষকে এককাট্টা করা যায়না। কাজেই যাক বলে যদি কিছু নাই হয়, তাহলে এই যাক বলার মানে কি?

    মূলে যেতে চাও না, অথচ যে জিনিস শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে যাওয়ানো যায়নি, সেটা যাক যাক বললে ক্ষুধার্ত মানুষের খাদ্য জুটে যাবে? মানে মূলে যাবার চেয়ে উইশফুল থিংকিং কীভাবে বেশি এফেক্টিভ?

    যে লিংকটা দিয়েছিলাম, তাতে এটা বলা হয়েছিল যেখানে ইকনমিক স্টেবিলিটি এসেছে, সেখানে ধর্মের প্রভাব কমেছে - সেইটা নিয়ে তাহলে কথা হচ্ছেনা কেন? ধর্মের প্রভাব কমানোই যদি লক্ষ হয়?
  • দেব | 111.221.133.31 | ২৭ ডিসেম্বর ২০১৪ ০০:২৭655636
  • ধর্ম বিদেয় নিলে (নিজের থেকে) কোন আপত্তি নেই। অনেক ঝামেলা কমবে। কিন্তু কথাটা আবার সেই একই জায়গায় ফিরে এল। পেছনে 'ধর্ম' ছিল? না পাকিস্তানী শাসকরা এদের ব্যবহার করেছিলেন বলে আজ এই অবস্থা। এই কাউন্টার ফ্যাকচুয়ালটা ভাবুন, ১৯৭৮ অনওয়ার্ড রাশিয়া, আমেরিকা, পাকিস্তান কেউই আফগানিস্তানে নাক গলালো না। এই জায়্গায় পরিস্থিতি আসত না। এখন চাইলে আপনি অনেক কিছু দিয়েই মনস্টার বানাতে পারেন ইনক্লুডিং ধর্ম। উত্তর কোরিয়া আর সৌদি আরবের শাসকরা দুটোই সমান বাঁদর। দুটো দেশেই শাসক শ্রেণী ক্ষমতা দখলে রাখে একটা করে টোটালিটারিয়ান ইডিওলজি দিয়ে। পার্থক্য এই যে উত্তর কোরিয়া সরকারী ভাবে নাস্তিক। এটাকে বেস করে কেউ যদি নাস্তিকদের গাল দেয় (অনেকে দেয়ও) কি বলবেন তাকে?

    যদি বিবৃতির কথা বলেন সে তো দিয়েছে লোকে। এগেন এন্ড এগেন এন্ড এগেন। আল আজহার প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে দিয়েছে আইসিসের বিরুদ্ধে। অফকোর্স, টু জিরো এফেক্ট এবং সেটাই স্বাভাবিক। আমি যদি স্থির করি খুনখারাপি করব কোন ধর্মগুরুর বচনই আমায় টলাতে পারবে না। কিন্তু আপনার কথাটা ইন্টারেস্টিং। 'ইহা সহি ইসলাম' নয় এটা যদি অস্পষ্টবাদন হয় তাহলে স্পষ্টবাদনটা কি? ইহাই 'সহি ইসলাম'? এই কথাটা কোনো নাস্তিক স্বীকার করবেন উত্তর কোরিয়ার জন্য যে ইহাই সহি নাস্তিকতা? আর যদি স্পষ্টবাদন মানে শুধু এদের বর্জন করার ডাক দেওয়ার কথা হয় সে অজস্র উলেমা দিয়েছেন।

    এগেন, জাতিসত্ত্বা, ধর্ম বা ভাষার বিভেদ না থাকলে খুব ভালো স্বীকার করি। কিন্তু এগুলো আছে এবং থাকবে। কিন্তু থাকলেই এগুলোকে এবিউজ করতে হবে এমন তো নয়। কিন্তু এবিউজ করার পরে, কেস খারাপ হওয়ার পরে এগুলো না থাকলে ভাল হত, ঝামেলা হত না ইত্যাদি বলা, টেকনিক্যালি ভুল নয়, বাট ওন্ট হেল্প।
  • lcm | 118.91.116.131 | ২৭ ডিসেম্বর ২০১৪ ০১:১৩655637
  • গত শতাব্দীর শুরু থেকে বড় জেনোসাইড --

    ১৯১৫-১৯২৩ আর্মেনিয়া জেনোসাইড - ১৫ লাখ
    ১৯১৫-১৯১৮ গ্রিক জেনোসাইড - ৯ লাখ
    ১৯১৫-১৯১৮ অ্যাসিরিয়ান (সিরিয়া-ওটোমান) - ৭.৫ লাখ
    ১৯১৯-১৯২০ রাশিয়া বলশেভিক - ৫ লাখ
    ১৯৩২-১৯৩৩ রাশিয়া ইউক্রেন হলডোমর - ৭.৫ লাখ
    ১৯৩৭-১৯৪৫ জাপান ওয়ার ক্রাইম - ১০ লাখ
    ১৯৩৭-১৯৩৮ নানকিং ম্যাসাকার, জাপান ওয়ার - ৪.৫ লাখ
    ১৯৪১-১৯৪৫ হলোকাস্ট, ইহুদী - ৫০ লাখ
    ১৯৪১-১৯৪৫ ক্রোয়েশিয়া (সার্ব) - ৬.৫ লাখ
    ১৯৬২-১৯৯৬ গুয়াতেমালা (মায়া প্রজাতি নিধন) - ২ লাখ
    ১৯৬৫-১৯৬৬ ইন্দোনেশিয়া বিদ্রোহ - ৫ লাখ
    ১৯৬৭-১৯৭০ নাইজিরিয়া সিভিল ওয়ার - ৩০ লাখ
    ১৯৭০-১৯৭১ বাংলাদেশ যুদ্ধ - ৩০ লাখ
    ১৯৭৫-১৯৭৯ কম্বোডিয়া (পল পট) - ৩০ লাখ
    ১৯৯৪-১৯৯৫ রোয়ান্ডা জেনোসাইড - ১০ লাখ
    ২০০৩-২০১০ সুদান ডার্ফুর - ৪ লাখ
    (* সংখ্যাগুলি হাই এস্টিমেট, আসল সংখ্যা কোনো ক্ষেত্রেই জানা যায় না)

    এবার দেখো, বেশীর ভাগই টেরিটোরিয়াল ডিস্‌পিউট্‌/এক্সপানশন...
  • aranya | 154.160.5.104 | ২৭ ডিসেম্বর ২০১৪ ০১:৩৩655639
  • মানব সভ্যতার গৌরবময় ইতিহাস :-(
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন