• টইপত্তর  গুরুচন্ডা৯

  • হরিদাসের বুলবুলভাজা

    Guruchandali
    গুরুচন্ডা৯ | ২৮ এপ্রিল ২০০৬ | ৩২৯৩ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন
আরও পড়ুন
Test - Guruchandali
আরও পড়ুন
মজারু - Guruchandali
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • shyamal | 24.117.233.39 | ৩১ আগস্ট ২০০৯ ১৮:০৬561452
  • সৌভবাবু শেষে প্রায় বলেছেন , সুর্য পূর্বদিকে ওঠে। অর্থাৎ একটি সত্য যা কিনা অরওয়েল বহুদিন আগে বলে গেছেন তার পুনরাবৃত্তি করেছেন।

    সোজা কথা, বাম হলেই ভগবান এই ভাবার কারণ নেই। বরং বামপন্থী সরকার দেশে দেশে বহু রিপ্রেসিভ রেজিম তৈরী করেছে। কাজেই কাস্ত্রোর কিউবা আর পিনোচের চিলের মধ্যে কি খুব ফারাক আছে? ফ্লরিডার মায়ামী অঞ্চলে যে লক্ষ লক্ষ কিউবান কাস্ত্রোর অস্ত্র থেকে বাঁচার জন্য আশ্রয় নিয়েছে , তাদের জিগ্যেস করলেই জানতে পারবেন। তার মানে এই নয় যে বাতিস্তা ভাল লোক ছিল।

    কিউবা, চীন, উত্তর কোরিয়া (আর কি কমিউনিষ্ট দেশ আছে?) কারো রেকর্ডই সুন্দর নয়।
    সমকামিতা ও কমিউনিজম নিয়ে উইকিতে একটি আর্টিকল পড়লাম। তার থেকে:
    স্ট্যালিন ১৯৩৩ সালে নিয়ম করল কেউ গে জীবন যাপন করলে তার পাঁচ বছরের হার্ড লেবার সহ জেল হবে। সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙা অবধি এই আইন বলবৎ ছিল।
    হিটলার আবার জু দের সঙ্গে কমিউনিষ্ট ও গে দেরও কচুকাটা করেছে।
    আমেরিকায় জো ম্যাককার্থির ঘৃণ্য সময়ে কমিউনিষ্টদের সঙ্গে গে দেরও প্রায় একইরকম অপরাধী বলে গণ্য করা হত।

    আজ যে কটা কমিউনিষ্ট দেশ আছে তার কোন কোনটায় সমকামিতা বেআইনী। অন্যত্র আইনী হলেও মানুষ বা সরকার ভাল চোখে দেখেনা।

    সে তুলনায় উন্নত বাজারপন্থী দেশগুলো ( সাম্রাজ্যবাদী, পুঁজিবাদী, অতি দুষ্টু, ইস আমাদের লোভ দেখিয়ে মহান কমিউনিজম থেকে বিচ্যুত করছে, আর ওখানকার অত্যাচারিত প্রোলেতারিয়েতগুলোও সেঁটে থাকবে কিন্তু মহান কিউবা বা উ: কোরিয়াতে যাবেনা) গত কুড়ি বছরে গে দের বহু বহু অধিকার দিয়েছে। আমেরিকায় বর্তমানে গে দের বিয়ে বোধ হয় গোটা দুয়েক রাজ্যে বৈধ। কয়েক বছরের মধ্যেই প্রচুর রাজ্যে বৈধ হবে।

    শেষে বলি, টিভি মুভি সমালোচক রজার এবার্ট কিন্তু ঘোর দক্ষিণপন্থী রিপাবলিকান। সেটা তার মুভি সমালোচনাকে অ্যাফেক্ট করে কিনা জানিনা।
  • a x | 143.111.22.23 | ৩১ আগস্ট ২০০৯ ২১:৫২561453
  • এই লেখাটা খুব উৎসাহ নিয়ে পড়তে শুরু করেছিলাম। কিন্তু কিঞ্চিৎ নিরাশ হতে হল। লেখাটার নামকরণ বোধহয় খুবই ব্রড হয়ে গেছে। পলিটিক্স তো খালি লেফট এবং রাইট না। যৌনতা ও রাজনীতি নাম দিলে অন্যান্য পাওয়ার স্ট্রাকচার, বিশেষ করে চার্চকে প্রশ্ন করা দরকার। কালচারাল, সোশ্যাল কনস্ট্রাক্ট অফ জেন্ডার/সেক্সকে প্রশ্ন করা দরকার। জেন্ডারের "পার্মানেন্সি" বনাম "পার্ফর্মেটিভ" রোল নিয়ে আলোচনা দরকার। শৌভর কাছে কি এইগুলো নিয়েও একটা সিরিজ হিসেবে লেখা আশা করতে পারি?

    আর ব্যক্তিগত মতামত - আলিয়ার স্ট্রবেরি অ্যান্ড চকোলেট বেশ বাজে সিনেমা। বিশেষ করে এই একই লোক মেমরিজ অফ... বানিয়েছে মনে রাখলে। রাষ্ট্রের কথা বলতে গিয়ে কিছু টিপিকাল স্টেরিওটাইপ ব্যবহার করেছেন সমকামীদের জন্য। এবং ঐ ভয়েস ওভার ব্যবহার করা কেমন যেন ওনার মত শক্তিশালী পরিচালকের কাছে ঠিক মানায় না। সিনেমাতে সিনেমাটোগ্রাফি ভালো, শৈল্পিক দিক দিয়ে ভালো, কিন্তু কোনো র‌্যডিকাল এজ্‌ পাওয়া যায়না। এটা আরো পরিষ্কার হয় যখন দেখি আমেরিকাতে আলিয়া কে ভিসা ডিনাই ইত্যাদি করা হয় ঐ মেমোরিজের জন্য পুরষ্কার গ্রহণ করতে আসার সময়, কিন্তু স্ট্রবেরি অ্যান্ড চকোলেট খুবই সমাদৃত হয় :-)

    প্রসঙ্গত, আমাদের দেশে এই তো সবে সোডোমি ডিক্রিমিনালিজড হল, কিউবা তে তো ৭০এর দশকে হয়েছিল। আর বামপন্থী মুলুক নেপালে মাওবাদীরাই সমকামী সম্পর্ককে এই কদিন আগে আইনগত স্বীকৃতি দিলেন। তাই মনে হয়, এরম ডান/বাম ভাগ করে বোধহয় এই নিয়ে ঠিক ভাবা যায়না।
  • dri | 75.5.174.134 | ০১ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ০০:২৬561454
  • ইন্টারভিউ দুটো মূল্যবান। ডেটা আমার খুব ভাল্লাগে। ইন্টারেস্টিং, যে সতেরো বছরের ছেলেটি আর ঊনত্রিশ বছরের যুবকটি মিডিয়ার রোল নিয়ে পুরো বিপরীত কথা বলেছে। তবে সতেরো বছরের তুলনায় ছেলেটিকে মিডিয়া নিয়ে খুব কনশান মনে হল। আমার সতেরো বছরে আমি অতশত কিছু বুঝতাম বলে মনে পড়েনা।

    আমার একটা প্রশ্ন আছে। এই সমকামীদের কিভাবে অ্যাপ্রোচ করা হচ্ছে? মানে যারা ইন্টারভিউ নিচ্ছেন তারা কি এদের আগে থেকেই চিনতেন? মানে সমকামীদের খুঁজে পাচ্ছেন কি উপায়ে? এটা লজিস্টিক্সের প্রশ্ন। ইন্টারভিউদাতাদের প্রাইভেসিতে ই¾ট্রুড করার কোন ইচ্ছে আমার নেই।
  • b | 203.199.255.110 | ০১ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ১৫:৫০561455
  • পিয়ের ত্রুদো-র নাম কল্লেন না কেউ? কানাডার ন্যায়মন্ত্রী হিসেবে ১৯৬৮-তে সমকামী সম্পর্ক Decriminalized ( এর ভালো বাংলা কি হবে?)
    করেন। কারণ হিসেবে বলেছিলেন, State has no business in the bedroom of Nation
  • pi | 72.83.80.253 | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ১৪:০৬561456
  • দ্রি, আপনার পোস্টটা মিস করে গেছিলাম।
    হ্যাঁ, চেনাজানার সুতো টানাটানি করেই অ্যাপ্রোচ করা। অন্তত শুরুতে।
    কেউ কেউ চেনা।
    তাদের চেনা কেউ কেউ ।
    তারপর সেই চেনাদের চেনা আরো কেউ। মানে আলটিমেটলি অচেনা।
    এই রকম আর কি।
  • Guruchandali | 173.26.17.106 | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ১০:১২561457
  • -----------------------------
    প্রকাশিত হল দুটি লেখা:
    ১। "ভাল যুদ্ধে'র ধাঁধা।
    ২। কথোপকথন - দুই।
    -----------------------------
  • h | 203.99.212.224 | ০৭ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ১২:২২561458
  • ভালো যুদ্ধের ধাঁধা ভালো লেগেছে।
  • h | 61.95.144.10 | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ০৪:৫১561459
  • অ্যাকচুয়ালি খুব-ই ভালো হয়েছে।
  • h | 203.99.212.224 | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ০৯:৪২561460
  • শৌভ চট্টোপাধ্যায়ের লেখাটার আর্গুমেন্ট টা আগের দিন বুঝি নি, আজকে মনে হয় কিছুটা ধরতে পেরেছি। ভালো লেগেছে। আর পুইগের বইটা আমার ব্যাপক প্রিয়। বক্তব্য সামান্য কিছু আছে, সেগুলো প্রায় সব-ই অন্যদের আলোচনায় এসে গেছে। আমার বক্তব্য আমি একটু পরে টাইম পেলেই জানাচ্ছি। আমি আশা করবো, এরা তাড়া দিতে ভুলে গেলেও, শৌভ নিয়মিত লিখবেন।
  • intellidiot | 220.225.245.130 | ০৮ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ১১:৫১561462
  • আর্য্যদার লেখাটা খুব ভালো লাগলো। আর একটু বড় হলে বোধহয় আরো ভালো লাগতো।
  • pi | 128.231.22.89 | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ০৯:১৬561463
  • শৌভর লেখায় সমকামিতা বিষয়ে বামপন্থীদের মনোভাব নিয়ে সমালোচনা সূত্রে মাওবাদীদের সমকামিতাকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রসঙ্গ এসেছে। অবশ্য ই ওনাদের এখনকার স্ট্যান্ড টি ওয়েলকাম।
    কিন্তু এই লেখাটি পড়লে কিছু প্রশ্ন জাগে।
    http://www.counterpunch.org/leupp04232007.html
    এই যে গুরুং এই কথাগুলো বলেছিলেন দু বছর আগে, তাঁর মত লোকের অ্যাটিচুড বা ভাবনা চিন্তার জায়গা কি বদলেছে ?

    "... In January a senior party leader, Dev Gurung, now Minister of Local Development in Nepal's transitional government, was quoted in the press as stating: "Under Soviet rule and when China was still very much a communist state, there were no homosexuals in the Soviet Union or China. Now [that] they are moving towards capitalism, homosexuals may have arisen there as well. So homosexuality is a product of capitalism. Under socialism this kind of problem does not exist."

  • Guruchandali | 173.26.17.106 | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ০৮:০৬561464
  • -----------------------------
    অনিবার্য কারণবশত: এ সপ্তাহের বুলবুলভাজা আজ প্রকাশ করা গেলনা।
    -----------------------------
  • Guruchandali | 173.26.17.106 | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ০৭:৩৫561465
  • -----------------------------
    প্রকাশিত হল দুটি নতুন লেখা:
    ১। আলোচনা: লার্স ভন ত্রীয়ের -- অ্যান্টিক্রাইস্ট
    ২। খবর্নয়? -- এনকাউন্টার
    -----------------------------
  • Arijit | 61.95.144.123 | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ১০:৪৯561466
  • ভিকির লেখাটা ভালো লাগলো - ভালো লাগলো বুঝলুম কারণ সিনেমাটা দেখার আগ্রহ তৈরী হল। সিনেমা আর বই নিয়ে এরকম লেখা একটু বেশি রেগুলার হোক। বই নিয়ে বোধি অলরেডি দাবিটা রেখেছে - সিনেমাটা আমি জুড়লাম।
  • P | 163.244.62.138 | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ১৭:৫৮561467
  • অনেকদিন পরে বিক্রমের একটা লেখা বেশ ভাল লাগল :)

    কিছু কিছু রেফারেন্স ( কারা কিতাপ ইত্যাদি) জাস্ট প্‌ড়া নেই বলে আইডেন্টিফাই কত্তে পাল্লুম না , কিন্তু ঐ যে অজ্জিত যেমন বলল রিভিউ পড়ে সত্যি মনে হল সত্যি দেখতে হত সিনেমাটা।

    কালে কালে ডিভিডি নিশ্চয় বেরবে !
  • I | 59.93.245.209 | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ২২:১৪561468
  • ভিকিদা বড় ভালা ল্যাখসেন।
    শেষটা শুধু একটু ক্যামন জানি।
  • Sayantan | 115.108.25.26 | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ২৩:২৮561469
  • অ্যান্টিক্রাইস্ট ডাউনলোড করতে ঠিক ভরসা হচ্ছিল না। আমি সেই প্যাশন অব ক্রাইস্ট গোছের কিছু একটা ভাবছিলাম (আইএমডিবি লিঙ্ক না-দেখেই)। ভিকির লেখা পড়ে এখন নামাচ্ছি।
  • a x | 143.111.22.23 | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ২৩:০৫561470
  • এবারের এনকাউন্টার বিষয়ক লেখাটা প্রসঙ্গে, এইটা মনে পড়ল। সুধা ভরদ্বাজ লিখেছিলেন, ছত্তিসগড়, বস্তারের প্রেক্ষিতে।
    But I could only grasp the enormity of the information blackout – the silence, half truths and sheer lies – call it the “wall of silence”, that exists between Bastar and the rest of Chhattisgarh, when as an active member of the Chhattisgarh PUCL, I joined several fact finding teams to investigate into fake encounters. When we found out that the shiksha karmis and student killed in Gollapalli allegedly in “Naxalite cross fire” had actually been murdered by the police and SAF even after they had repeatedly asserted their identity; when the “dreaded Naxalites encountered” in Nayapara turned out to be adivasis who had returned to their ancestoral village in search of work; when the theory of “accidental firing because of hidden Naxalites” in the Cherpal Salwa Judum camp was boldly rubbished by the villagers in the camp who were furious at the killing of a woman and a small baby by a trigger happy CRPF jawan. In the media we repeatedly saw a total silence about ordinary people on the one hand, and cymbal-clashing war-cries against Maoists, always pictured as AK-47 toting with sinisterly covered faces, on the other. Each time we uncovered the truth, which, mind you, was absolutely self-evident to the local people, and tried to cross the “wall”, it was buried again under a heap of papers – false statements, enquiries, and the inevitable conclusions justifying the atrocities. In short, back to square one.

    সুধা ভরদ্বাজ কে?
    http://www.telegraphindia.com/1080523/jsp/opinion/story_9308826.jsp
  • Samik | 122.162.75.190 | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ২৩:২৬561471
  • অ্যান্টিক্রাইস্ট নামালাম। দেখলাম। মানে পুরোটা দেখতে পারলাম না। গা ঘুলনো রকমের বাজে লাগল। ডিলিট মেরে দিলাম।

    এই জন্যিই আমি মুভি বাফ হতে পারলাম না। :-)
  • Guruchandali | 173.26.17.106 | ২১ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ১০:১০561473
  • -----------------------------
    বুলবুলভাজা প্রকাশে এ সপ্তাহেও দেরি হবে।
    -----------------------------
  • Guruchandali | 173.26.17.106 | ০৫ অক্টোবর ২০০৯ ০৮:৩৫561474
  • -----------------------------
    প্রতি বারের মতো এবারেও বুলবুলভাজা প্রকাশে দেরি হচ্ছে। :)
    -----------------------------
  • Guruchandali | 173.26.17.106 | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ০৮:৪৪561475
  • -----------------------------
    প্রকাশিত হল নতুন বুলবুলভাজা: শাইনিং ইন্ডিয়া, কালো ভারত।
    -----------------------------

    এই বিষয়টি নিয়ে প্রত্যেক পাঠক ও লেখকের কাছে আবেদন জানানো হচ্ছে লেখা পাঠানোর জন্য। যেকোনো দৃষ্টিভঙ্গীর লেখা। লেখাগুলি এক এক করে প্রকাশ করা হবে।
    -----------------------------
  • kc | 213.132.250.2 | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ১০:১৯561476
  • খুবই সুন্দর লেখা। সম্পাদকমশাইকে অনেক ধন্যবাদ।
  • shrabani | 124.124.86.102 | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ১০:৫৮561477
  • শিরোনাম যাই হোক লেখাটার মত লেখা বুবুভা বা টইতে আগেও দেখা গেছে। কালো ভারত কি শুধু আদিবাসী এলাকায় শোষণ, বা মাওবাদীদের বিরুদ্ধে অত্যাচার, নন্দীগ্রাম সিঙ্গুর?
    ভারতের সর্বত্র, গ্রামে গঞ্জে শহরে প্রতিনিয়ত যেভাবে রাজনীতির খেলায় নানাভাবে সাধারণ মানুষ (যাদের পেছনে ক্ষমতাশালীরা নেই বা পয়সা নেই) পেষা যাচ্ছে সেসব নিয়ে আলোচনা এখানে হতে দেখিনা। আসলে দলমত নির্বিশেষে ক্ষমতাধারীদের মুখ বা মুখোশের কোনো রকমফের নেই সে মাওবাদীদের বন্দুকের ক্ষমতাই হোক আর সরকারের লোকেদের গদির ক্ষমতাই হোক।
    এখানে সমাজের নানা ক্ষেত্রে দুর্নীতি নিয়ে কেউ কিছু বলেনা। এখানের আলোচনা দেখলেও আমার সেই নামী দামী লোকেদের ডিজাইনার সানগ্লাস চোখে দশহাজারী খাদী পরে বস্তি উন্নয়ন বা সমাজসেবা করতে যাওয়ার মত লাগে।
    ছত্তিশগড়, বিহার ঝাড়খন্ডের আশেপাশের অঞ্চলে বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রী তে কাজ করতে যেতে হয়, এলাকাগুলো আজকাল কাশ্মীর আসামের মতই, থ্যাঙ্কস টু মাওবাদী । বাড়ির মানুষ গেলে যতক্ষণ না ফিরে আসে শান্তি নেই। প্রায়ই এদিক ওদিক কর্মচারী তুলে নেয় (কয়েকদিন আগেই কহলগাঁও তে এ বি বি র একজন ইঞ্জিনীয়ার কে তুলেছিল, টাকা নিয়ে ছাড়ে একদিন বাদে) রিপোর্টিং হয়না কারণ এরা মধ্যবিত্ত ছোটখাটো সরকারী বেসরকারী চাকুরে, বুদ্ধিজীবি বা নামীদামী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নয়।
    কনভয় না নিয়ে রাস্তায় চলা যায়না দিনে বা রাতে কোনো সময়েই। বড় বড় লোকেদের তো কিছু নয়, তারা রাস্তা চলে বন্দুক লোক লস্কর নিয়ে। ভয় তো সাধারণের, তাদের রামেও মারে রাবণেও মারে!
    আমার ইদানীং এখানের সমস্ত আলোচনা প্রচন্ড বিরক্তিকর একপেশে প্রচার ভিত্তিক লাগছে (এটা শুধু আমার মনে হচ্ছে, একান্ত ব্যক্তিগত!)। বিরক্তিকর!
  • Ri | 121.241.218.132 | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ১৩:০৬561478
  • এক্কেবারে একমত শ্রাবনীদির সঙ্গে।
  • r | 125.18.104.1 | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ১৩:৪১561479
  • আমার খুব একটা খারাপ লাগে নি। অন্তত: টইয়ের পেরেনিয়াল ঝগড়াঝাঁটিতে সময় নষ্ট না করে খেটেখুটে একটা বড় প্রবন্ধ নামিয়ে দিয়েছে। সেটা ভাল। প্রথম অংশের যুক্তির বাঁধুনি চমৎকার, কারণ এই যুক্তি বহু লেখায় প্রচারিত, প্রকাশিত, প্রায় মুখস্থ হয়ে যাওয়ার মত। মাওবাদী অংশে পৌঁছে আর সেই দার্ঢ্য নেই, কেমন কথা হারিয়ে যাওয়া ভাব। কারণ রাষ্ট্রের বাইরে মাওবাদ বিরোধিতার যৌক্তিক কাঠামোটাই তৈরি হয় নি, মানে এই অংশটা আপাতত: সিলেবাসের বাইরে।

    বনবাসী চেতনা আশ্রমের উপর ছত্তিশগড় সরকারের বর্বর আক্রমণের খবর এতদিনে প্রচারিত, অথচ তাদের উপর মাওবাদী হুমকি সম্পর্কে কিছু অস্ফুট ধ্বনি বাদে বাকিটুকু অখন্ড নীরবতা।

    http://kafila.org/2008/10/19/maoist-disruption-of-the-non-violent-human-shields-movement-in-chhattisgarh/

    সাম্প্রতিক একটি গণহত্যায় মাওবাদীদের দায়মুক্তি নিয়ে যতটা কূটকচালি, তার খুব সামান্য ভগ্নাংশ খরচ হয় ২৯শে অগাস্ট বুন্দুতে মাওবাদীদের শিশুহত্যার ঘটনা নিয়ে।

    http://blog.taragana.com/n/maoists-mayhem-in-jharkhands-bundu-area-153554/

    কথা বলা দরকার, ঠিকই। নইলে সিলেবাসের বাইরে প্রশ্ন এলে কিভাবে উত্তর দেব সেটা শেখা হবে না। :-)
  • h | 203.99.212.224 | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ১৪:৪১561480
  • শ্রাবণীদির সমালোচনা টা মন দিয়ে পড়লাম। ভ্যালিড অবস্থান, মানে আমি না স্বীকৃতি দিলেও ভ্যালিড। যদি সিমিলার উদাহরণ চান, এইরকম কনসার্নের জায়গা থেকেই ধরুন নাসিরুদ্দীনের wednesday সিনেমাটা তৈরী, বা বলা যেতে পারে, এটাই ইংরেজি মিডিয়ার মূল সুর। বাংলা মিডিয়ার-ও এইটেই মূল সুর ছিল। এখন ২০১১ অব্দি সাসপেন্ডেড আছে। রামধনু ফ্রন্ট সাসটেনেন্সের জন্য এটা জরুরী।

    সৈকতের লেখাটার মূল জায়গাটা ডায়লোগের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে। সেটা সম্পর্কে কী আপনার আপত্তি আছে? মনে হয় না, তবে প্রাইমারিলি এক্সটর্শনিস্ট একটা আউটফিটের সঙ্গে রাষ্ট্র কেন আলোচানায় যাবে সেটা নিয়ে আপনার হয়তো প্রশ্ন আছে। ভ্যালিড আপত্তি, কিন্তু মাওবাদের ভিত্তি আদৌ জেনুইন যদি নাও মনে করেন, ডিসকন্টেন্টের ভিত্তি যে কিছুটা জেনুইন এটা বোধ হয় মানা যায়। সেক্ষেত্রে, ন্যুনতম আলোচনার ক্ষেত্র কিন্তু আছে। সম্পূর্ণ অস্ত্র ত্যাগ জরুরী, কিন্তু সেটা হয়তো আলোচনার একটা পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছনো যাবে। আপাতত: অবিশ্বাসের ভিত্তি কে দুর্বল করার যন্য কিন্তু আলোচনা জরুরী। নতুন নতুন শর্ত রোজ চাপাবে দু পক্ষ। কিন্তু ঘরের লোকের দুশ্চিন্তা দূর করার জন্য-ই একটু ডি-এসকালেশন হওয়া দরকার।

    এইবার লেখকের ইন্টিগ্রিটি নিয়ে যে প্রশ্ন তুলেছেন সেটা আরেকটু বেশি সিরিয়াস। বলছেন যে এই দূরে বসে কাচের ঘরের ভেতর থেকে এই সব অ্যাডভাইসের কী মানে। এই যুক্তিটা শ্রাবণীদি প্লিজ কিছু মনে করবেন না, খানিকটা দুর্বল। আসলে এটার দুটো সমস্যা। প্রথমত: তাইলে কী নিজের দৈনন্দিন ছাড়া আর কিছু সম্পর্কে সমস্ত আলোচনা বন্ধ রাখবো? দ্বিতীয় সমস্যাটি আরেকটু গভীর। ব্যক্তি নিরাপত্তা ব্যাপক ভাবে ক্ষুণ্ন। ঠিক। কিন্তু দেশের একটা বিরাট অংশের মানুষের কী আদৌ কোন নিরাপত্তা আছে? আমার ঘরের লোক আক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত কী আমি কিছু বলবো?সামাজিক নিরাপত্তা? এই বিষয়ে কী, মূলত: শিক্ষিত মধ্যবিত্তের এজেন্ডা নিয়ে চলা সরকারের কোন পরিকল্পনা আছে? আছে অল্প স্বল্প স্কিম টিম আছে। ধরুন এনরেগ। দিনে ৮০-৮৫ টাকা। এর সামান্য ইমপ্লিমেন্টেশনেই ওয়াই এস আর অন্ধ্রে ভোটে হু হু করে জিতে গেলেন। আমি আপনি ২৪০০ টাকায় মাস চালাতে পারবো? পারবো, হ্যাঁ আরো অন্যান্য সামাজিক নিরাপত্তা পেলে? সব ধরণের ওয়েলফেয়ার পেলে। অনেকের ক্ষেত্রেই সেটা অলীক স্বপ্ন। ভারত বর্ষ কতদূর গরীব যে সরকার বছরে ২০০ দিনের কমে কাজ দিতে পারলে, হু হু করে ভোটে জিতে যাচ্ছে। কতটা কাঙাল আমরা।

    বর্তমানে মাওবাদী দের সঙ্গে ওয়েলফেয়ারের সম্পর্ক আদৌ কী সেটা বিতর্কিত। সিপিআইএম মনে করে কোন সম্পর্ক নেই, কারণ তাহলে তারা পঞ্চায়েতে অংশগ্রহণ অন্তত: করতো। এঁরা এই ডিসকন্টেন্ট কে ব্যবহার করছেন মাত্র। ওঁদের ক্রেডিবিলিটি ধরে নিলাম খুব কম। তবু আলোচনার জায়্‌গা কী একেবারেই নেই।

    ধরে নিচ্ছি আমরা সকলে শখের খেলুড়ে। তার উপরে আমি তো আবার সিপিএম, তাইলে একাধারে শখের খেলুড়ে তথা গুন্ডা বদমায়েস চোর ও স্তালিনিস্ত। এন জি ও মার্কা রা বেসিকালি কালেকটিভলি চায়, উন্নয়ন পদ্ধতিটি তাদের কুক্ষীগত হোক, উপকারে দেশ ভাসুক, আকাউন্টেবিলিটি না থাক, ইলেকটোরাল প্রসেসের , রিপ্রেজেন্টেটিভ পলিটিক্সের ডিসক্রেডিটিং হোক। তাদের কথা বাদ-ই দিন। সরকারো এই ইউ এন মডেলে চায় উন্নয়নের কাজ আউটসোর্স করতে।দায়িঙ্কÄ এড়াতে। তবু একটা সত্য থেকেই যায়, আলো জল বাসস্থান খাদ্য ও কর্ম নিরাপত্তা নেই অনেক মানুষের জীবনে এটা স্বপ্ন। শহরে বা গ্রামে। সর্বত্রই পাবলিক ওয়েলফেয়ারের বড় মাপের ওভারহল হওয়া জরুরী। সেটা প্রাইভেট সেকটর পন্থীরা আদৌ চান না। তবু তো তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসছি। আমার আপনার পেন্সন ফান্ডের নিরাপত্তা যেমন জরুরী , বান্দোয়ানে ভালো হাসপাতাল ও জরুরী। আমরা একা প্রায়োরিটি ঠিক করতে পারি না, গণতন্ত্রের নিয়মেই পারি না।
    ইন্টিগ্রিটির প্রশ্নে ফিরলে বলা যায়, হ্যাঁ আমি অন্তত: ব্যক্তিগত ভাবে সুবিধেভোগী ও মতলববাজ, এটা সততার স্বীকারোক্তি নয়, স্টেটমেন্ট অফ দ্য অবভিয়াস। এবং এটাও মনে করার কারণ নেই, দারিদ্রপীড়িত মানুষ মানেই একেবারে মরাল রামসন্দ্র। কিন্তু আর উই টকিং মরালিটি? আমরা সোশাল মোবিলিটির কথা সমান সুযোগের কথা বলছি। এটা রাষ্ট্রেরি দায়িঙ্কÄ আপাতত:। এটাতে মাওবাদীদের আগ্রহা বিতর্কিত হলেও রাষ্ট্রের দায় অনসীকার্য। ভেবে দেখুন, এই আমার, হিন্দু উচ্চবর্ণ মাষ্টারের বেটা পুরুষের মরালি এবং সোশালি অ্যাকেসেপটেবল হওয়া, ইকোনোমিকালি ভায়েবল জীবন যাপন করা যত সোজা, বিভিন্ন মার্জিনাল লোকজনের সেটা নেই কেন? আমি না হয় আর বল্লাম না, হনেস্টির পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে নীরব হলাম, তারা তো বলবেই, স্বাধীন দেশে। তার সুযোগ কিছু লোক নেবেই। উন্নয়নের অভিমুখের ব্যাপ্তি জরুরী। বিনা রাজনীতির উন্নয়ন অলীক এই উপলব্ধি জরুরী।
  • h | 203.99.212.224 | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ১৪:৫৪561481
  • :-)

    আরেকটা কেস আমার মনে হয়েছে। মাওবাদী সংগঠন ও কর্মকান্ডকে নিওলিবেরালিজম বিরোধী আন্দোলনের সঙ্গে অতি সহজে ইন্টিগ্রেট করে দেখেছে সৈকত। এটা কী তাঙ্কিÄক ভাবে এবং রিয়েলে পলিটিকে এতটা সোজা। তাইলে তো অনেক আন্দোলন ডিসক্রেডিটেড হয়। মানে থিরোরেটিকালি? একটা জবাব দিবা/দিবি? জাস্ট আলোচনার জন্য-ই বলছি।
  • r | 125.18.104.1 | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ১৪:৫৯561482
  • তবে মাওবাদীদের দাবী নিয়ে অস্পষ্টতার দাবীটা বুঝলাম না। আমি নিশ্চিত যে মাওবাদীরাও বুঝবেন না। তার কারণ লেখক চিরাচরিত গণ-আন্দোলনের ফ্রেমওয়ার্কটাকে খামখা মাওবাদীদের ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়েছেন। এবং সেই ফ্রেমওয়ার্কের মধ্যে দাঁড়িয়ে দাবী রাখছেন মাওবাদীরা দাবীটা স্পষ্ট করে রাখুন। মাওবাদীদের মূল দাবী অত্যন্ত স্পষ্ট, ২০০৪ সালে পি ডব্লু জি এবং এম সি সি সংযুক্তিকরণের পরে পার্টির সংবিধানে সিধে ভাষাতেই লেখা হয়েছে:

    The Communist Party of India (Maoist) is the consolidated political vanguard of the Indian proletariat. Marxism-Leninism-Maoism is the ideological basis guiding its thinking in all the spheres of its activities. Immediate aim or program of the Communist Party is to carry on and complete the new democratic revolution in India as a part of the world proletarian revolution by overthrowing the semi-colonial, semi-feudal system under neo- colonial form of indirecr rule, exploitation and control and the three targets of our revolution—imperialism, feudalism and comprador big bourgeoisie. The ultimate aim or maximum programme of the party is the establishment of communist society. This New Democratic Revolution will be carried out and completed through armed agrarian revolutionary war i.e. the Protracted People’s War with area wise seizure of power remaining as its central task. Encircling the cities from the countryside and thereby finally capturing them will carry out the Protracted People’s War. Hence the countryside as well as the Protracted People’s War will remain as the center of gravity of the party’s work from the very beginning. During the whole process of this revolution the party, army and the united front will play the role of three magic weapons. In their interrelationship the party will play the primary role, where as the army and the united front will be two important weapons in the hands of the party. Because the armed struggle will remain the highest and main form of struggle and army as the highest form of organization of this revolution, hence armed struggle will play a decisive role. Whereas the united front will be built in the course of advancing armed struggle and for armed struggle. Mass organizations and mass struggles are necessary and indispensable but their purpose is to serve the war. The immediate and most urgent task of the party is to establish full-fledged people’s liberation army (PLA) and base areas by developing and transforming the guerilla zones and guerrilla bases. Just after completing the NDR the party will advance towards establishing socialism without any delay or interception. Because the NDR will already lay the basis for socialism and hence there will be no pause. Thereafter, the party will continue to advance towards realizing communism by continuing the revolution under the dictatorship of the proletariat.

    তলায় দাগ দেওয়া যায় না। অতএব, আলাদা করে দাগিয়ে দিই:

    "This New Democratic Revolution will be carried out and completed through armed agrarian revolutionary war i.e. the Protracted People’s War with area wise seizure of power remaining as its central task."

    "Because the armed struggle will remain the highest and main form of struggle and army as the highest form of organization of this revolution, hence armed struggle will play a decisive role."

    "Mass organizations and mass struggles are necessary and indispensable but their purpose is to serve the war."

    তৃতীয় উদ্ধৃতিটি ইদানীং জরুরী।

  • arjo | 168.26.215.13 | ০৮ অক্টোবর ২০০৯ ১৯:০৩561484
  • লেখাটি ভাল হয়েছে। অত্যন্ত সময়োপযোগী। আরও অনেক কিছু হয়ত অনেকেরই বলার আছে আর সেইজন্যই সম্পাদক সবার থেকে লেখা চেয়েছেন।

    শ্রাবণী বোধহয় পুরোটা পড়েন নি। নইলে একপেশে প্রচার ভিত্তিক মনে হত না। আর আপনি যা যা পয়েন্ট তুলেছেন সেই নিয়ে একটা লেখা লিখে দিন না। সম্পাদক মনে হয় খুশীই হবে। এক লেখায় আর কত কিছু ধরানো যায়। ঋজুকেও তাই বলার। আরও একটা কথা বলার আছে। লেখক যেহেতু সম্পাদক তাই হয়ত ওনার লেখাকেই পত্রিকার ভয়েস হিসেবে দেখা হচ্ছে। কিন্তু এই টইতেই সম্পাদক খুব পরিষ্কার করে লিখেছেন যেকোন পক্ষের লেখা চাই। তার মানে এই নয় যে সম্পাদক হয়েছেন বলে নিজের মতামত জানাবেন না। যদিও লেখাটা একপেশে বলে আমার অন্তত মনে হয় নি কিন্তু যেহেতু কথা উঠল, যদিওবা লেখাটি একপেশে হত তাহলেও তাও ব্যক্তিসঙ্কÄ¡র সাথে সম্পাদক সঙ্কÄ¡র যে বিভাজনটা লেখক বা সম্পাদক নিজে টেনেছেন সেটা একটা সৎ প্রয়াস হিসেবেই দেখা উচিত যতদিন না সম্পাদকের বিরুদ্ধে জোড়ালো কোন অভিযোগ আসে। আমার অভিজ্ঞতা বলে সম্পাদক এখন অবধিসেই অবস্থান ধরে রেখেছেন।

    এবারে একটা প্রশ্ন আছে, কেউ উত্তর দিলে ভাল হয়। উন্নততর গণতন্ত্র এবং ডিক্টেটরশিপ অফ প্রোলেতারিয়েত এই দুটো কি সমার্থক? মানে সোশ্যালিজমের পূর্ণাঙ্গ প্রয়োগে কি গণতন্ত্র আদৌ সম্ভব? নাকি রাষ্ট্রের হাত থেকে ক্ষমতা হস্তান্তরিত হয়ে পার্টির হাতে যাবে যাকে কিনা বইতে ডিক্টেটরশিপ অফ প্রোলেতারিয়েত বলে। ইতিহাস উন্নততর গণতন্ত্রের স্বপক্ষে কোন কথা বলে না।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন