• টইপত্তর  গুরুচন্ডা৯

  • হরিদাসের বুলবুলভাজা

    Guruchandali
    গুরুচন্ডা৯ | ২৮ এপ্রিল ২০০৬ | ২৫৫৪ বার পঠিত | জমিয়ে রাখুন
আরও পড়ুন
মজারু - Guruchandali
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ranjan roy | 117.198.1.156 | ১৩ নভেম্বর ২০০৯ ১০:৪২561752
  • তবে একটা পরিবর্তন এসেছে। আজকে কোন শালা "" মেরেছি, বেশ করেছি'' বলে মারে না। সবাই "" আত্মরক্ষা''র খাতিরে
    হিংসার আশ্রয় নেয়।

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদ/ শিবসেনা দাঙ্গা করে, কারণ হিন্দুদের অস্তিত্ব বিপন্ন(?)।
    মাওবাদীরা কথিত খোচরদের গলা কাটে, কারণ এরা থাকলে ওদের অস্তিত্ব বিপন্ন।
    বাম সরকার কিছু লেখক-শিল্পীদের ওপর কেস চালান বা আর্থিক সহায়তা বন্ধ করেন( এটাও ভায়োলেন্স) , নইলে ওদের অস্তিত্ব বিপন্ন?
    ওবামা আফগানিস্তানে/ইরাকে নিধন যজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছেন একই যুক্তিতে।
    এদিকে মাওবাদী নেতা মরিয়া হয়ে প্যান ইসলামিক ফান্ডামেন্টালিজমের মধ্যে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী যুক্তফ্রন্টের সম্ভাবনা দেখছেন একই ভাবে।
    তাহলে একবিংশ শতাব্দীতে যে আক্রমণকারীদের পাবলিক স্পেসে আক্রান্ত হওয়ার ভেক ধরতে হচ্ছে (আমাদের ফ্ল্যাটে যারা আমাদের মারতে এসেছিল তারাও বলছে আমরা ক'জন নাকি আগে ওদের ওপর গুলি চালিয়েছি, কাজেই আমাদের সপরিবারে আর্মস্‌ অ্যাক্টে জেলে পোরা হোক:((((() এটাই কি আজকে হিংসার ওপর নৈতিক জয় নয়?
    তবে প্রাপ্তি কি শুধ এইটুকুই?
  • ranjan roy | 117.198.0.254 | ১৩ নভেম্বর ২০০৯ ১০:৫৭561753
  • তৃতীয় বিকল্প অর্থাৎ "" কিছুই না করা'' ঠিক বুঝতে পারিনি।
    যদি এর মানে নীরব দর্শক হয়ে থাকা হয়, তাহলে প্রশ্ন জাগে যে এতে হিংসার সাহায্য নেয়া পক্ষটি ক্রমশ: লেজিটিমেসি পেয়েযাবে কি না।
    ধরুন, বস্তিবাড়ির মালিক জোর করে ভাড়াটে খলি করাচ্ছে, বা কেউ পুকুর বুজিয়ে জবরদখল করে বহুতল বানাবে-- সেখানে চুপচাপ থেকে--?
    কেউ কেউ শুধু ফিজিক্যাল হিংসায় সীমিত না থেকে জীবনের সর্বস্তরে ব্যাপ্ত হিংসা, লুকিয়ে থাকা হিংসা নিয়ে আলোচনা করতে বলছে। খুবই সংগত বক্তব্য। কিন্তু অ্যানালিটিক্যাল মডেলের ফার্স্ট অ্যাপ্রক্সিমেশন হিসেবে ফিজিক্যাল দিয়েই শুরু করা মনে হয় যথেষ্ট।
  • r | 125.18.104.1 | ১৩ নভেম্বর ২০০৯ ১৪:২২561754
  • "কিছুই না করার" বিকল্পটি আমার সংক্ষিপ্ত বাক্যের জন্য পরিষ্কার হয় নি। "কিছুই না করার" অর্থ নিষ্ক্রিয় প্রতিরোধ। অর্থাৎ, পুলিশ লাঠি হাতে মিছিলের উপর এগিয়ে আসছে। আপনি পাল্টা আক্রমণ করছে না। আত্মরক্ষার চেষ্টা করছেন না। কিন্তু এগিয়ে যাচ্ছেন। থামছেন না। খুব বিরল ঘটনা নয়। আমার ঠাকুমা বা ছোড়দাদুর কাছে স্বাধীনতা সংগ্রামের এইরকম গল্প শুনেছি। বা সম্প্রতি মায়ানমারের গোপন ভিডিওতে বৌদ্ধ সন্নাসীদের নেতৃত্বে মিছিলের ছবি দেখেছি। মেশিনগান তুলে কাতারে কাতারে সেনাদল এগিয়ে আসছে। মিছিলের সামনের সারিতে মুন্ডিতমস্তক সন্ন্যাসীর দল হাত জোড় করে বজ্রাসনে বসে। কিন্তু দুটি সমস্যা আছে। এক, যেখানে যুদ্ধের মাত্রা মহাদেশীয় এবং পাল্টা যুদ্ধ করার জন্য প্ররোচিত করছে, সেখানে নিষ্ক্রিয় প্রতিরোধ কি করে করা যাবে সেটা পরিষ্কার নয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ বড় উদাহরণ। দুই, ব্যক্তিগত স্তরে নিষ্ক্রিয় প্রতিরোধ উপলব্ধিনির্ভর। বুদ্ধ অহিংসার প্র্যাক্সিসের যে চূড়ান্ত উদাহরণ রাখেন, সেটা সর্বজনীন স্তরে জনপ্রিয় হওয়া বোধ হয় অসম্ভব। মানুষের উপর বিশ্বাস হারানো পাপ, কিন্তু মানুষের উপর এতটা বিশ্বাস রাখাও চাপ। অতএব মজ্ঝিম পন্থা। :-)
  • ranjan roy | 117.198.5.196 | ১৩ নভেম্বর ২০০৯ ১৭:৪২561756
  • রঙ্গন একটা চমৎকার জায়গা ধরেছেন।
    নিস্ক্রিয় প্রতিরোধের ব্যবহারিকতা বা রূপ অনেকটা নির্ভর করছে হিংসার মাত্রার ওপর।
    ব্যক্তির স্তরে হিংসা না সমষ্টির স্তরে?
    দেশীয় না আন্তর্জাতিক স্তরে ইত্যাদি।
    রঙ্গনের দেয়া উদাহরণগুলো আমাকে মনে করিয়ে দিলো তিয়েন আন মেন স্কোয়ারে ট্যাংকের সামনে মাথায় ফেট্টি বাঁধা দুই তরুণ-তরুণীর মৃত্যুঞ্জয়ী চেহারা।
    কিন্তু, এখানে আবার একটা কিন্তু আছে।
    আমি যখন তোমার আক্রমণের সামনে প্রতিঘাত না করেও নিজের অবস্থানে অবিচল থাকি, তার পেছনে ভাবনাটা কি আক্রমণকারীর চেতনায় সুপ্ত মানবিকতাকে জাগিয়ে তোলার চেষ্টা নয়?
    আমার অ্যাপীল কি আক্রমণকারীর অবচেতনের প্রতি নয়? অর্থাৎ আমি আক্রমণকারীকে আমারই মত মানুষ ভাবছি। বাঘ বা ভাল্লুক ভাবছি না।
    কিন্তু যেখানে আক্রমণকারী আমাকে মানুষ না ভেবে ইঁদুর বা আরশোলা বা সাপ ভাবছে,সেখানে আমি কী করবো?
    ধরা যাক আফ্রিকার জুলু-বান্টু-,মাসাই দের ইংরেজ-ওলন্দাজেরা কী চোখে দেখত? রেড ইন্ডিয়ানদের শ্বেত উপনিবেশকারীর দল?
    ঘৃণার যে স্তরে গিয়ে আমি গুজরাতে গর্ভবতী মায়ের পেট চিরে দিই, বা জঙ্গল্মহাল এলাকায় একটি মৃতদেহ কে পড়ে পড়ে পচে কাক-শকুনের শিকার হতে দিই, সেখানে আমার বিরুদ্ধে নৈতিক
    প্রতিরোধ আমার অবচেতনে কতটুকু ঢেউ তুলবে? আমি জানিনা।
  • ranjan roy | 117.198.7.3 | ১৩ নভেম্বর ২০০৯ ১৭:৫১561757
  • প্রয়াত কবি রাম বসু কোলকাতা থেকে বিলাসপুরে তার মামাতো ভাই ড: পূর্ণেন্দু ঘোষ ( তেভাগার সময় মেডিক্যাল কলেজ থেকে সুন্দরবনে যাওয়া রাঙ্গা ডাকতার) কে চিঠিতে লিখেছিলেন-
    মার্কস্‌ এর মনে হয় উনিশশতকীয় মানবতাবাদে বিশ্বাস ছিল। কিন্তু হিটলার ও ভিয়েৎনাম দেখার পর সেই বিশ্বাস ধরে রাখা বেশ কঠিন।
    তবে কি সুধীন দত্তের আস্থাহীনতার নান্দীপাঠই শেষ কথা?

    "" মানুষের মর্মে মর্মে করিছে বিরাজ
    নরকের কীট।
    শুকায়েছে কালস্রোত কর্দমে মেলেনা পাদপীঠ।
    অতএব পরিত্রাণ নাই,
    যন্ত্রণাই একমাত্র সত্য।
    জীবনের লক্ষ্য শুধু কীটের ভক্ষ্য হওয়া----''।।
    ( স্মৃতি থেকে, ভুল ধরিয়ে দেবে সোমনাথ বা ইন্দো ডাক্তার সেই ভরসায়।)

    সরি! সরি! এতোটা তিক্ত বক বক না করলেও হত।
  • anaamik | 59.164.229.215 | ১৩ নভেম্বর ২০০৯ ১৯:২৫561758
  • গর্‌র্‌র্‌র্‌র্‌র্‌র !!!!!!!!

    '...
    মানুষের মর্মে মর্মে করিছে বিরাজ
    সংক্রমিত মড়কের কীট;
    শুকায়েছে কালস্রোত, কর্দমে মিলে না পাদপীঠ।
    অতএব পরিত্রাণ নাই।
    যন্ত্রণাই
    জীবনে একান্ত সত্য, তারই নিরুদ্দেশে
    আমাদের প্রাণযাত্রা সাঙ্গ হয় প্রত্যেক নিমেষে।।
    ...

    (নরক - সুধীন্দ্রনাথ দত্ত - ক্রন্দসী)

    (বানান ও যতিচিহ্ন কবির অনুসারে)
  • vikram | 193.120.76.238 | ১৩ নভেম্বর ২০০৯ ১৯:৩৪561759
  • তাই ভাবি, রঞ্জনবাবু উদ্ধৃত কবিতাটি পাগলা দাশুর ন্যায় কেন?
  • Guruchandali | 59.164.99.32 | ১৫ নভেম্বর ২০০৯ ১০:৫৭561760
  • --------------------------------------------------------------------------
    প্রকাশিত হল দুটি লেখা :
    ১) বুলবুলভাজা - মাওবাদীরা কেন ভুল পথে : একটি আলোচনার ভূমিকা
    ২) টুকরো খাবার - নৈব নৈব চিতই
    --------------------------------------------------------------------------
  • dhur | 67.186.56.191 | ১৫ নভেম্বর ২০০৯ ১১:১৭561762
  • শৈবাল বাবুর লেখাটা বেশ। তবে দৃস্টিকটু লাগল ডিসক্লেমার দেখে। মানে এখানে শৈবাল বাবু ছাড়া বাকীরা কি খুব নিউট্রাল জায়্‌গা থেকে লেখেন?

    এবঙ্গ গুরু তে কি শুধু এই বিষয়েই বিরোধী মতামত প্রকাশ কর হলো?
  • kallol | 115.184.53.99 | ১৫ নভেম্বর ২০০৯ ১১:২৫561763
  • নতুন বুবুভা : - মাওবাদীরা কেন ভুল পথে : একটি আলোচনার ভূমিকা - শৈবাল।
    ভূমিকার ভূমিকায় শৈবাল প্রথমেই বলে নিয়েছেন - একজন সিপিআইএম সমর্থকের দৃষ্টিভঙ্গী থেকে লেখা। তাই প্রথমেই শৈবালকে সাবাশ, তাঙ্কিÄকভাবে মাওবাদীদের ধরতে চাওয়ায়।

    মাওবাদীদের ভারত রাষ্ট্রের শ্রেণী চরিত্র বিশ্লেষন নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। লেখক কোন সূত্র দেন নি, যেখান থেকে জানতে পারবো মাওবাদীরা ওরকমই মনে করে কিনা, নাকি লেখকের মনে হয়েছে মাওবাদীরা ওরকম মনে করেন।
    তবে ভারত রাষ্ট্রের শ্রেণী চরিত্র ঐ বিশ্লেষন ১৯৬৭র সিপিআইএমএল-এর ভারত রাষ্ট্রের শ্রেণী চরিত্রের বিশ্লেষনের সাথে হুবহু মিলে যায়। তাই তর্কের খতিরে ধরেই নিচ্ছি মাওবাদীরাও তাইই ভাবেন।

    আমার কয়েকটা জায়গায় কিছু আপত্তি আছে সেগুলো জানিয়ে রাখি।
    ১) এটাও প্রশ্ন ওঠে এই মুৎসুদ্দি বুর্জোয়া শাসকশ্রেণী........এখানে তো ব্রিটিশরাও দেয়নি, নেপালে রাজাও দেয় নি।(৩য় লাইনের প্রায় শেষ থেকে ৪র্থ লাইনের প্রায় শেষ)
    এই বিবৃতি ঐতিহাসিক ভাবে ভুল।
    ভারতে ১৯০৯ থেকে নির্বাচন হয়ে আসছে। The Government of India Act of 1909 — also known as the Morley-Minto Reforms (John Morley was the secretary of state for India, and Gilbert Elliot, fourth earl of Minto, was viceroy) — gave Indians limited roles in the central and provincial legislatures, known as legislative councils. (উইকিপিডিয়া : http://en.wikipedia.org/wiki/British_Raj#Beginnings_of_self-government
    তারপর ১৯১৯ সালে -
    The Government of India Act 1919 (9 & 10 Geo. V c. 101) was an Act of the Parliament of the United Kingdom. It was passed to expand participation of the natives in the government of India. The Act embodied the reforms recommended in the report of the Secretary of State for India, Sir Edwin Montagu, and the Viceroy, Lord Chelmsford. The Act covered ten years, from 1919 to 1929. This retraction of British imperialism was a result of India's enthusiastic participation in World War I.

    The Act provided a dual form of government (a "dyarchy") for the major provinces. In each such province, control of some areas of government, the "transferred list", were given to a Government of ministers answerable to the Provincial Council. The 'transferred list' included Agriculture, Health and Education. The Provincial Councils were enlarged.

    At the same time, all other areas of government (the 'reserved list') remained under the control of the Viceroy. The 'reserved list' included Defence (the military), Foreign Affairs, and Communications.

    The Imperial Legislative Council was enlarged and reformed. It became a bicameral legislature for all India. The lower house was the Legislative Assembly of 144 members, of which 104 were elected and 40 were nominated. The upper house was the Council of States consisting of 34 elected and 26 nominated members. This structure allowed Britain to use the Princely States (who were directly represented in the Council of States) to offset the growing power of the native political parties.

    The Act also provided for a High Commissioner who resided in London, representing India in Great Britain.

    The Indian National Congress was unhappy at these reforms and termed them as 'disappointing.' A special session was held in Mumbai under Hasan Imam and the reforms were condemned. However, leaders such as Surendranath Banerjea were inclined to accept the reforms, so they left the Congress and formed the Indian Liberal Federation, which played a minor role in subsequent affairs.
  • Ishan | 173.26.17.106 | ১৫ নভেম্বর ২০০৯ ১১:৩৭561766
  • কোন ডিসক্লেমারটা? নীলটা গুরুর দেওয়া। কালোটা লেখার অংশ।

    অবশ্য এটা না বললে ইতি গজ হয়ে যাবে, যে, লাইনটা বসানোর অনুরোধ আমারই ছিল। এক্ষেত্রে লেখার সঙ্গে এই কথাটা যাওয়া উচিত বলেই মনে হয়েছে। লেখকেরও যখন তাতে আপত্তি নেই, সমস্যাটা কোথায়?

    হ্যাঁ, এর আগেও অন্য পার্টির মুখপত্রের নাম দেওয়া হয়েছে প্রয়োজনবোধে। এর পরে এই বিষয়ে বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গীর লেখা আসতেই পারে। সেখানেও প্রয়োজনবোধে এরকম ডিসক্লেমার দেওয়া হতেই পারে।
  • dhur | 67.186.56.191 | ১৫ নভেম্বর ২০০৯ ১১:৫৮561767
  • কালোটা। লেখার অংশ হলে কিছু বলার নেই। নইলে কে বেশী নিরপেক্ষ সেই প্রশ্ন উঠে যায়।
    কারুর কাছে শুন্‌লাম লেখা ছাপানোর শর্ত,তাই জিগালাম।
  • Ishan | 173.26.17.106 | ১৫ নভেম্বর ২০০৯ ১২:১৮561768
  • বিভিন্ন লেখকের সঙ্গে লেখা নিয়ে অনেক কথা বার্তা হয়। এইটা করুন ঐটা করুন বলি, সেগুলো নিয়ে কি বাইরে আলোচনা করা উচিত? :)

    হ্যাঁ, অন্য একটা টই খুলেছি। এবার এখানে লিখলে ভালো হয়:

    http://www.guruchandali.com/guruchandali.Controller?portletId=8&porletPage=2&contentType=content&uri=content1258265785559
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত