• ভাটিয়ালি
  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা।

  • comment | 162.158.165.197 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:২৮
  • জীবনানন্দের কবিতার ইউনিক চিহ্ন গুলো কে প্রি মডার্ন আর মডার্ন এর মধ্যে কার সাঁকো হিসেবে দেখাই সঙ্গত। নইলে কবিতা গুলো এক্সোটিকা চর্চার একটা সম্ভাবনা থেকে যায় , সময়ের সঙ্গে সম্পর্ক রহিত ভাবে সাহিত্য তো নয়ই, মহৎ সাহিত্য দেখা বেশ পরিশ্রম সাধ্য।
  • commentAtoz | 162.158.187.90 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:২১
  • আমার তো কেবল জ্যাজ, এফ এম আর হোমিওপ্যাথির জায়গাগুলোই শুধু কিঞ্চিৎ চেনা চেনা ঠেকল। আর হ্যাঁ , শিল্পবিপ্লবের কথাও মনে হচ্ছে ছিল নিচের্দিকে।
    ঃ-)
  • comment | 162.158.166.56 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:১৭
  • এলসিএম, স্মাইলি ইমোজি প্রিন্ট আসছে না, আলাদা করে হাসতে হচ্ছে, তোমাদের তো মাইরি রামগরুড়ারাইটিস ছিলনা।
  • commentAtoz | 162.158.187.90 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:১৪
  • কেউ কিছু বুঝলেন মহাশয়গণ? ঃ-)
  • comment | 172.69.134.176 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:১০
  • জীবনানন্দর কবিতা কে আলো , শান্তি ইত্যাদি বললে জ্যাজ বা ক্লাসিক এবং এবং এফ এম কে অনৈতিহাসিক এবং অনৈতিক স্ট্রেস বাস্টার হিসেবে বেচার পদ্ধতি মনে পড়ে, ভদ্রলোকের সিরিয়াস সচেতন ভাবে তৈরি বিশ-ত্রিশ দশক পরবর্তী আধুনিকতার ভাষা কে কে অস্বীকার করা হয়। এটা তো কয়েকজনই একাধিক বার সামান্য অন্য ভাষায় বললেন। বোদলেয়ার ও সম্ভবত বালজাক ও দস্তয়েভস্কি পরবর্তী কবিতা র ও সাহিত্যের ঐতিহ্য কে অস্বীকার করা হয়, এটা শুধু পার্সোনাল রিডিং এর বিষয় না বলেই মনে হয়। মনের শান্তি ইত্যাদি র জন্য হোমিওপ্যাথি ভালো হতে পারে, জেনুইন স্পিরিচুয়াল জার্নি থাকতে পারে, কিন্তু আলোর পথযাত্রার নাগালের
    বাইরে , এমনকি যাকে বলা যায় ইমরালিটিই একটা আর্ট পিসের একমাত্র চারন ও গম্য হলেও , মেটাফোর গুলি জরাগ্রস্ত বা আহত , উত্তরন সম্ভাবনা রহিত হলেও আধুনিক সাহিত্যে অবাক হবার কিসু নেই। সাধারণতঃ এনলাইটেনমেন্ট পরবর্তী আধুনিকতার কন্ট্রাস্ট হিসেবে আজকাল তথাকথিত মধ্যযুগীয় বা প্রাক আধুনিক সাহিত্যে ও (যে টার্মটা বেশি চলে, সেটা ট্রান্সফরমেশন ) ইরেভারেন্স খোঁজা র বা পাঠে টাকা চুল গজানোর ওষুধের মত কোন উপকার না খুঁজে পড়ার একটা চল হয়েছে , এখনকার লিট-ক্রিট সিলেবাস ও সেরকম ভাবে সাজানো, কিন্তু তাই দিয়ে উনবিংশ শতকের শিলপ বিপ্লব ও সাম্রাজ্য বাদের বীভৎসতা পরবর্তী বা বিংশ শতকের যুদ্ধ পরবর্তী সেন্সিবিলিটি র মধ্যে থেকে তৈরি হওয়া স্টল ওয়ার্ট দের আলাদা করা কঠিন, কোন শ্বাশ্বত কোন পুরোনো রকমের সুন্দর তাঁদের পথ দেখিয়ে ছে বলে য়নে হয়না। যাই হোক লহমা, ও, অন্যান্য দের ধন্যবাদ এই তাপস পরবর্তী জীবু ইজ ওয়েল কাম
  • commentAtoz | 162.158.187.90 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:০৯
  • জীবনানন্দ একটা ভিন্ন জগৎ গড়ে দেন কবিতাগুলো দিয়ে। একটা মায়াবী অনুভবের জগৎ। শুধু বনলতা কেন, সেই বন্য হরিণরা আর লুকিয়ে থাকা শিকারীরা, সেই মীরুজিন নদীর জলে সন্ধ্যার আকাশের ছায়া, মহীনের ঘোড়ারা কার্তিকের জ্যোৎস্নার প্রান্তরে, কমলালেবু রঙের রোদ্দুরে কাকাতুয়া আর পায়রা উড়ছে, সাদা দেয়ালের পাশে বিছানায় শুয়ে থাকা এক রোগী, তাকে কমলালেবুর করুণ মাংস এনে দেন দেখভাল করছেন যিনি, আর অনেক দূরে আকাশ ছড়িয়ে থাকে অপরাজিতার মত নীল হয়ে, তার ভিতর দিয়ে হাওয়ার রাতে উড়ে যায় কবির হৃদয়, নক্ষত্রের দিকে। সবটা মিলে একটা অখন্ড মায়াজগৎ। খুব কম কবিই এরকম পেরেছেন। এদিক থেকে দেখলে জীবনানন্দ তুলনারহিত।
  • comment:-( | 172.68.189.168 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:০৬
  • ক্ষী আশ্চজ্জ! লোকে স্ব [sb] লিখতে পাচ্চে না?
  • commentসিএস | 162.158.118.211 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:০৩
  • যাঃ, সবাই তো সঅর্গ লিখছেন !!
  • commentAtoz | 162.158.187.138 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৫৬
  • টাঁড়বাড়ো আছেন। বুনো মোষেদের রক্ষা করেন। যদিও ট দিয়ে শুরু, কিন্তু ব ও আছে নামের মধ্যে। ঃ-)
  • commentarin | 198.41.238.123 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৫৪
  • "দ্যাখেন, বিয়াত্রিচেতেও 'ব' আছে, বনলতাতেও 'ব' আছে। জীবনানন্দ, দান্তে ভালো করেই পড়েছিলেন আর দান্তের লেখায় তো বিয়াত্রিচেই পথহারা দান্তেকে সঅর্গপানে নিয়ে যায়।"

    সেই,
    বিয়াত্রিচে, অবলোকিতেশ্বর কুয়ান ইন, বনলতা সেন , পথহারা দিগ্ভ্রষ্ট মানুষএর
    স্বর্গের আগের স্টেশন এ পৌঁছনোর অবলম্বন :-)
  • commentAtoz | 162.158.187.138 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৫২
  • "হায় সখা, এ তো স্বগর্পুরী নয়।
    পুষ্পে কীটসম হেথা তৃষ্ণা জেগে রয়
    মর্মমাঝে, বাঞ্ছা ঘুরে বাঞ্ছিতেরে ঘিরে,
    লাঞ্ছিত ভ্রমর যথা বারম্বার ফিরে
    মুদ্রিত পদ্মের কাছে। হেথা সুখ গেলে
    স্মৃতি একাকিনী বসি দীর্ঘশ্বাস ফেলে
    শূন্যগৃহে--হেথায় সুলভ নহে হাসি।
    যাও বন্ধু, কী হইবে মিথ্যা কাল নাশি--
    উৎকণ্ঠিত দেবগণ।

    যেতেছ চলিয়া ?
    সকলি সমাপ্ত হল দু কথা বলিয়া?
    দশশত বর্ষ পরে এই কি বিদায় !"

    পারা যায় তো স্বর্গ লিখতে !!!!
  • commentসিএস | 162.158.118.245 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৪৬
  • তাহলেই ভেবে দেখুন গুরুতে পর্যন্ত swarga লেখার উপায় নেই।
  • commentAtoz | 162.158.187.138 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৪৩
  • সিএস, আমি তো ভেবেছিলাম অর্গ। মানে কিছু একটা ডট অর্গ। ঃ-)
  • commentAtoz | 162.158.187.138 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৪১
  • অরিন, হাল ভেঙে দিশা হারালে সর্বদা মনে মনে স্মরণ করবেন "কপালকুন্ডলা" তে বৃদ্ধ গঙ্গাসাগরযাত্রীর সেই মহান বাণী, "কেনারায় পড়ো, কেনারায় পড়ো।" ঃ-)
  • commentসিএস | 162.158.118.245 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৪০
  • দ্যাখেন, বিয়াত্রিচেতেও 'ব' আছে, বনলতাতেও 'ব' আছে। জীবনানন্দ, দান্তে ভালো করেই পড়েছিলেন আর দান্তের লেখায় তো বিয়াত্রিচেই পথহারা দান্তেকে সঅর্গপানে নিয়ে যায়। কিন্তু জীবননান্দ অনেক পরের যুগের মানুষ হয়ে জানেন যে সঅর্গ ব্যাপারটা আর নেই, ফলতঃ অনেক ঘুরে, অনেক হাল ভেঙ্গে শেষ পর্যন্ত বিয়াত্রিচেকে আর পাওয়া যাচ্ছে না, বড়জোড় পড়ে থাকছে নাটোরের 'সাধারণ' বনলতা সেন।

    (দান্তে অ্যাংগেলটা আনতে পারলে, জীবনানন্দর কবিতা নিয়ে খানকতক লেখা সহজে নামানো যাবে।

    (আর, টাইপ করতে গিয়ে ঝামেলা, স এ ব এ সঅর্গ লিখতে পারলাম না)
  • commentAtoz | 162.158.187.138 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৩৩
  • শঙ্কুও। বাংলাসাহিত্যের যত দাদা আছে টেনি ঘনা পিন্ডি ফুচা ইত্যাদি প্রভৃতি প্রায় সবাই। নন্টে ফন্টে রাও। বাঁটুলও। হাঁদা ভোঁদাও।
  • commentAtoz | 162.158.187.138 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৩০
  • ওটা ব্যামোফিলিক, বুঝলেন গননেন্দ্র? ব্যামোপ্রিয়।
    ঃ-)
  • commentS | 108.162.246.130 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:২৮
  • সেই মাঝখানে একবার হইচই হল যে টিনটিন নাকি গে। কারণ তার কোনও মেয়ে বন্ধু নেই। একমাত্র বন্ধু ক্যাপ্টেন হ্যাডক। কি মুশকিল। সেই হিসাবে তো ফেলুদা, তোপসে, জটায়ু, নকল হাজরা, এমনকি মগনলাল মেঘরাজও।
  • commentarin | 198.41.238.121 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:১৪
  • @Atoz, "কবিতাটা বহুমাত্রিকভাবে পড়া যায়। নানাভাবে দেখা যায়। পাঠকে পাঠকে অনেক অনেক বদলে যায় দেখা।"

    আসলে কবিতা একেকজনের কাছে একেক সময়ে একেক জীবনের গল্পের একেক ব্যঞ্জনা নিয়ে প্রতিভাত হয় । অল্প বয়েসে যখন পড়েছিলাম, তখন একরকম মনে হতো, এখন জীবনের নানান ঘাত প্রতিঘাতের মধ্যে দিয়ে যেতে যেতে মনে হয় এই কবিতাটিতে কোথাও যেন একটা চলার গল্প কেউ বলে, শুধু তাই নয়, বনলতা সেন একটা "unpanicked stability "'র metaphor, তাকে আশ্রয় করে দিব্যি সাংঘাতিক প্রতিকূল পরিবেশেও না panic করে অচল থাকা যায়।

    এই যে লাইনগুলো ধরুন,

    "আমি ক্লান্ত প্রাণ এক, চারিদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন,
    আমারে দু-দণ্ড শান্তি দিয়েছিলো নাটোরের বনলতা সেন।

    ... অতিদূর সমুদ্রের ’পর
    হাল ভেঙে যে-নাবিক হারায়েছে দিশা
    সবুজ ঘাসের দেশ যখন সে চোখে দেখে দারুচিনি-দ্বীপের ভিতর,
    তেমনি দেখেছি তারে অন্ধকারে"

    আমার্ ধারণা আপনাদের মধ্যে যাঁরা জেটস্কি করেন, তাঁরা এই ব্যাপারটা উপলব্ধি করেন । ধরুন সমুদ্রে জেট স্কি করছেন, ঝোড়ো হওয়ার মুখে পড়েছেন, সেও তো "চারিদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন", অথচ সেই মুহূর্তেই আপনার "হাল ভেঙে দিশা হারানো নাবিকের দশা " , যে কোনো মুহূর্তে সব শেষ হয়ে যেতে পারে। panic করলে, মন শান্ত না থাকলে বেঁচে ফেরা প্রায় অসম্ভব।

    আর তখনই ধরুন বনলতা সেন, অপার শান্তি আর স্টেবিলিটি নিয়ে হৃদয়ে প্রকাশিত হলেন, :-),

    জেটস্কির উদাহরণটি হয়তো extreme, তবু দিলাম, কারণ সমুদ্র, বিপদ, দিশা হারানো, বেঁচে ফিরতে হলে শান্ত থাকা, সব একসঙ্গে একাকার, কিন্তু আমার মনে হয় প্রায়ই জীবনের অন্য অনেক ক্ষেত্রেই এই ব্যাপারগুলো এসে পড়ে ।

    সেই perspective এ দেখলে আমার মনে হয় , বনলতা সেন সেই শান্তির, সেই stability র , metaphor ।
  • comment | 172.68.146.169 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৪:৫৫
  • কিন্তু সবাই সবাইকে বামোফিলিক ধরে নিচ্ছে কেন?
  • commentAtoz | 162.158.187.12 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৪:৪৮
  • আরে একলহমা, আমি নিজেও অনুবাদেই পড়ি। প্রাণের ভাষা ছাড়া গল্প উপন্যাস কাহিনিকাব্য রোমাঞ্চ এসব পড়ে সুখ নেই। ঃ)
  • commentএকলহমা | 162.158.186.167 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৩:৫৩
  • @আতোজ
    অনুবাদটা করছো? আমি আবার ইন্জিরিতে লাড্ডু। অনুবাদ ভালো লাগে।
  • comment:-.• | 162.158.255.211 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৩:৫২
  • দেখুন আমরা মিডিয়াকে অ্যাতো গাল দিই। তাপস পালের খবরের সঙ্গে কোনও কাগজ কিন্তু নন্দিনী-সোহিনী পালের প্রাইভেসীকে গুলিয়ে ফেলেনি। এটা প্রশংসনীয়।
  • comment বনলতা | 172.69.62.177 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৩:২৩
  • কাব্যভাষার ব্যাপারটা আলাদা লেভেলের তো বটেই, নইলে এত বছর ধরে এত নাচানাচি কিসের আর ...
  • commentAtoz | 162.158.187.176 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:৫৮
  • একশ্রেণীর লোকের খুব পছন্দ এই ধরণের ব্যখ্যা। বেশ একটা "আমি ক্রেতা আমি ক্রেতা আমি উপভোক্তা আমি উপভোক্তা" ভাব আসে মনে হয়। আমি কিনতে পারি, ও নিজেকে বিক্রি করে উপভুক্তা হয়, বেশ একটা পরোক্ষ বিজয়লাভ ! পিতৃতন্ত্র একেবারে রন্ধ্রে রন্ধ্রে। কে যে কোথা দিয়ে ধরা পড়ে যাচ্ছে হয়তো নিজেরাও বোঝে না। কোথা দিয়ে যে মিসোজিনি ঢুকে পড়ছে সেও বুঝতে পারে না।
    এই একই জিনিস দেখি কিছু কিছু স্পেসিফিক বিখ্যাত গল্পের ক্ষেত্রে। একেবারে একধারসে উল্লাসে লাফিয়ে ওঠে গল্পগুলোর উল্লেখ পাওয়া মাত্র। ঃ-) শকুনি যেন বলছে, "এই জিতলাম এই জিতলাম।"
  • commentএকলহমা | 108.162.237.129 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:৫৬
  • নাটোরের নৌটংকী - মনে ধরল খুব :-)
  • commentএকলহমা | 108.162.237.129 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:৫৫
  • গুগল ট্রাস্লেটে - হা-হা-হা-হা।
    ওটা ভয়ানক কন্ড ঘটায়। :)
  • commentAtoz | 162.158.187.176 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:৫২
  • উফ্ফ এই নাটোরের নৌটংকী আমি বিশ বচ্ছরের বেশি সময় ধরে শুনে শুনে একাকার। প্রথম মনে হয় বেরিয়েছিল নব্বইয়ের দশকে বড় হাউসের এক পত্রিকায়। "বনলতা, নাটোরের রূপাজীবা? --এরকম কোনো শিরোনামে। (এঁরা আবার রূপাজীবা কথাটা ব্যবহার করেন, মনে হয় বেশি সফিস্টিকেটেড শোনায় তাই। )
  • commentDu | 172.69.70.58 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:৪৮
  • নাটোর নিয়ে গুরুতে আগেই লেখা হয়েছিল। তাই প্রতিদিন থেকে পাওয়া নয় এব্যাপারে এমনকি আমিও সাক্ষ্য দিতে পারি ঃ))
  • commentAtoz | 162.158.187.176 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:৪৭
  • একলহমা,
    জানো, এডগার অ্যালান পো এর এই কবিতাটা গুগল ট্রাস্লেটে দিলাম। ইংলিশ থেকে বাংলা করে দিল। উফ্ফ সে যা কান্ড হল। ঃ-)
    আচ্ছা, "ক্যাম্পে" কবিতাটাও কি অনুপ্রেরণা পেয়েছিল এরকম কোনো অন্য কবিতা থেকে?
  • commentAtoz | 162.158.187.176 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:৪৪
  • এলসিএম, অনেক ধন্যবাদ। পুরনো টইগুলো খুঁজে খুঁজে বের করা বেশ কঠিন।
  • commentAtoz | 162.158.186.23 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:৩৪
  • কবিতাটা বহুমাত্রিকভাবে পড়া যায়। নানাভাবে দেখা যায়। পাঠকে পাঠকে অনেক অনেক বদলে যায় দেখা। এমনকি একই পাঠক আজ পড়তে পড়তে যেভাবে ভাবছেন, যে দৃশ্যকল্প দেখছেন, দশ বছর পরে যখন পড়বেন, হয়তো সম্পুর্ণ নতুন দৃষ্টিতে দেখবেন। সম্ভবতঃ সেই কারণেই "বনলতা সেন" একটি অসাধারণ সৃষ্টি। কোনো ছাঁচেই তাকে ফেলা যায় না। ভেবে দেখুন,চেনা চেনা নানা শব্দ দিয়ে তৈরী এক একটা লাইন, নাতিদীর্ঘ একটা কবিতা, তেমন কিছু সাংঘাতিক অচেনা বা উচ্চকিত কিছু নেই। কোমল বিনয়ী মগ্ন একটা স্বর। অথচ কী অনন্ত ব্যঞ্জনা!
  • commentএকলহমা | 108.162.237.45 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:২১
  • @আতোজ
    @বনলতা
    সহমত :)
  • commentAtoz | 108.162.237.57 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:১৪
  • জীবনানন্দের নিজস্ব কাব্যভাষা অত্যন্ত স্বতন্ত্র, অত্যন্ত জোরালো, অত্যন্ত অন্যরকম, একেবারেই রাবীন্দ্রিক নয়। নতু পথের দিকে বাঁক নিয়েছে ভাষা, একটা প্যারাডাইম শিফট যেন।
    কিন্তু তাতেও জীবনানন্দের আলোর কবি, অনন্ত সূর্যোদয়ের কবি হতে বাধা হয় না।
    সূর্যোদয় কি রবীন্দ্রনাথের একার? ঃ-)
  • commentAtoz | 108.162.237.57 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:১০
  • "মুছে যায় পাহাড়ের শিঙে শিঙে গৃধিনীর অন্ধকার গান--
    আবার ফুরায় রাত্রি, হতাশ্বাস
    আবার তোমার গান করিছে নির্মাণ
    নতুন সমুদ্র এক, শাদা রৌদ্র,
    সবুজ ঘাসের মত প্রাণ-
    পৃথিবীর ক্লান্ত বুকে।"
    এ লেখা যে কবি লেখেন তাঁকে আলোর কবি বলেই মনে হয়।
  • comment বনলতা | 162.158.78.75 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:০৩
  • কি জানি আলাদা কি হচ্ছে সূর্যোদয়ই যদি হবে
  • commento | 172.69.23.20 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:৫৮
  • রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে জীবনানন্দের মূল পার্থক্যটা এসেনসিয়ালিস্টের সঙ্গে একজিস্টেন্সিয়ালিস্টের পার্থক্য বলে মনে হয়। রবীন্দ্রনাথ অসম্ভব খোঁজখবর রাখা লোক ছিলেন। ফলে যখন 'সভ্যতার সংকট' লিখছেন, তখন দেখুন কীভাবে সমসাময়িক পৃথিবীর অন্ধকার দিকগুলিকে তুলে আনছেন। যে জাপানকে দেখে মুগ্ধ হয়েছিলেন, তার হিংস্র রূপ দেখে শঙ্কিত হচ্ছেন। আবার ইংরেজরা ভারত ছেড়ে গেলেও তাতে যে আমজনতার খুব লাভ হবেনা সেটাও বুঝতে পারছেন। কিন্তু শেষে গিয়ে লিখছেন 'পরিত্রাণকর্তার জন্মদিন আসছে আমাদের এই দারিদ্র্যলাঞ্ছিত কুটীরের মধ্যে;' 'ঐ মহামানব আসে' ইত্যাদি। সব ক্ষতির পরে একটা ক্ষতিপূরণ আছে, এ বিশ্বাস রবীন্দ্রনাথের আজীবন ছিল। রবীন্দ্রনাথ যখন 'ইউনিভার্সাল মাইন্ড' বলে একটা জিনিস আমদানি করেন, সেটা স্রেফ এই ক্ষতিপূরণের ধারণাটিকে ইমপ্লিমেন্ট করতে। মানুষের মধ্যে একটা ভালর তপস্যা আছে এরকম একটা কথায় ভরসা করতেন। এই 'ভাল' যে একদিন হয়ে ওঠা যাবে এটাই তাঁর সবচেয়ে গভীর বিশ্বাসের জায়গা ছিল। আধুনিক কবিতার সমালোচনা করতে গিয়েও তাই বলছেন যে সমাজ যখন রোগগ্রস্ত, তার বিছানার পাশে বসে আলোর কথা বলতে হবে, অন্ধকার হতাশার কথা নয়। ছবি তত বুঝিনা, বুদ্ধদেব বসু লিখেছেন বটে রবীন্দ্রনাথের ছবি তাঁর ভেতরের অন্ধকার দিকটার প্রকাশ। কিন্তু ছবিতেও দেখুন সবসময় সিল্যুয়েট, ফোরগ্রাউন্ডে অন্ধকার, কিন্তু পিছনে ঐ দূরে একটি আলোর উৎস আছেই। 

    জীবনানন্দ, অপরপক্ষে, সম্পূর্ণ বিপরীত। সবচেয়ে অরাবীন্দ্রিক কবি। সুচেতনার শেষ স্তবক দেখুনঃ

    মাটি-পৃথিবীর টানে মানবজন্মের ঘরে কখন এসেছি,
    না এলেই ভালো হ’তো অনুভব ক’রে;
    এসে যে গভীরতর লাভ হ’লো সে-সব বুঝেছি
    শিশির শরীর ছুঁয়ে সমুজ্জ্বল ভোরে;
    দেখেছি যা হ’লো হবে মানুষের যা হবার নয়—
    শাশ্বত রাত্রির বুকে সকলি অনন্ত সূর্যোদয়।

    শেষ লাইন দেখুন। রাত্রিটাকেও তিনি শাশ্বত বলে মেনে নিচ্ছেন, আবার তার বুকেই অনন্ত সূর্যোদয়। দুটোই সত্য। দুটোর মাঝখানে সিসিফাসের মত মানুষ পাথর ঠেলে চলেছে অবিরাম। এইজন্যই জীবনানন্দ ভীষণ আলাদা। কল্লোল যুগের কবিরা, জীবনানন্দের পরের বামঘরানার কবিরা অনেক চেষ্টা করেও রাবীন্দ্রিক না হয়ে পারেননি। কবিতায় হাজার হাজার শ্রমিক মজুর আমদানি করলেও এক লাইনও নতুন কথা লেখা যায় না। কবিতার ভেতরে দর্শনের যে জায়গা, ততদূর পৌঁছতে খুব কম কবিই পারেন। জীবনানন্দ পেরেছিলেন।

    এটা তুলনামূলক আলোচনা স্রেফ। ছোটবড়র ব্যাপার নয়। :-)     

  • commentএকলহমা | 108.162.238.118 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:৫৪
  • পো এর কবিতাটা কিন্তু আলোর কবিতা বলেই ত মনে হয়।
  • commentএকলহমা | 108.162.238.118 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:৪৮
  • আরেকজনের সুরে বলতে ইচ্ছে করছে, বলুনতো, প্রেম কি দু দন্ডের বেশী শান্তি দেয়, কখনও?
  • commentবনলতা | 172.68.65.245 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:৪২
  • পো এর কবিতাটা কিন্তু আলোর কবিতা বলেই মনে হয়েছিল
  • commentবনলতা | 172.68.65.245 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:৪১
  • To Helen
    BY EDGAR ALLAN POE
    Helen, thy beauty is to me
    Like those Nicéan barks of yore,
    That gently, o'er a perfumed sea,
    The weary, way-worn wanderer bore
    To his own native shore.

    On desperate seas long wont to roam,
    Thy hyacinth hair, thy classic face,
    Thy Naiad airs have brought me home
    To the glory that was Greece,
    And the grandeur that was Rome.

    Lo! in yon brilliant window-niche
    How statue-like I see thee stand,
    The agate lamp within thy hand!
    Ah, Psyche, from the regions which
    Are Holy-Land!
  • commentবনলতা | 172.68.65.245 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:৩৯
  • ঐ যে দু দন্ড শান্তি - এ তো ঠিক প্রেম নয়!
  • commentঅর্জুন | 162.158.118.235 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:৩৯
  • 'ভানু সিংহের পদাবলী' থেকে ধরলে রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যিক জীবন প্রায় ৬৪ বছরের। এই ৬৪ বছরের মধ্যে সকল কবি, লেখকই তাহলে তাঁর সমসাময়িক। 

  • commentlcm | 172.68.141.129 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:৩৯
  • Atoz ,
    সার্চে এল - কবি জীবনানন্দ দাশের ‘বনলতা সেন’ কি তাহলে পুরুষ ছিলেন !!!
    https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=8753

    অর্জুন,
    কি খুঁজছ?
  • commentএকলহমা | 162.158.187.184 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:৩৮
  • @বনলতা
    "বন্দরের কাছাকাছি নাটোরের মত জায়্গায় গিয়ে" প্রেম - হতে নেই, হতে পারে না, হয় না?
  • commentবনলতা | 172.68.65.245 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:৩৬
  • হয়্ত সেটাই কবিতাটার জিনিয়াস! ভালো-মন্দ সব থিওরিতে ফিট করে
  • commentএকলহমা | 162.158.187.184 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:৩৪
  • @আতোজ
    এইভাবে ভাবতেও ভালো লাগছে।
  • commentঅর্জুন | 162.158.119.58 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:৩৪
  • কবিতাকে নির্দিষ্ট করে দেওয়া যায়না। প্রেম- অপ্রেম মেশানোও হতে পারে। জীবনানন্দের অনেক আগে ' বিশ্বকবি, দূর সিন্ধুপারে' বলে গেছেন 'To be or not to be......' 

  • commentবনলতা | 172.68.65.245 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:৩৪
  • মনে হয় এই কন্ট্রা থিওরি সম্পূর্ণ বিপ্রতীপ বক্তব্য রাখছে - কবিতার মধ্যে আলো কিছু নেই।

    হাল ভাঙ্গা নাবিকেরা সহজেই বন্দরের কাছাকাছি নাটোরের মত জায়্গায় গিয়েছেন - এমন গপ্পো পড়া যায়!
  • commentঅর্জুন | 162.158.118.245 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০১:২৯
  • @Icm, সার্চে পুরনো টই খুঁজে পাচ্ছিনা। 


  • গুরুর মোবাইল অ্যাপ চান? খুব সহজ, অ্যাপ ডাউনলোড/ইনস্টল কিস্যু করার দরকার নেই । ফোনের ব্রাউজারে সাইট খুলুন, Add to Home Screen করুন, ইন্সট্রাকশন ফলো করুন, অ্যাপ-এর আইকন তৈরী হবে । খেয়াল রাখবেন, গুরুর মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে গুরুতে লগইন করা বাঞ্ছনীয়।
  • হরিদাসের বুলবুলভাজা : সর্বশেষ লেখাগুলি
  • জাগ্রত শাহিন বাগ
    (লিখছেন... বিপ্লব রহমান, আজ সুপ্রিম কোর্টে, Anjan Banerjee)
    জনসন্ত্রাসের রাজধানী
    (লিখছেন... র, pi, রঞ্জন)
    কোকিল
    (লিখছেন... দেবাশিস ঘোষ)
    বিনায়করুকুর ডায়েরি
    (লিখছেন... ^&*, একলহমা , pi)
    মিষ্টিমহলের আনাচে কানাচে - দ্বিতীয় পর্ব
    (লিখছেন... দীপক দাস , দীপক, দীপক)
  • টইপত্তর : সর্বশেষ লেখাগুলি
  • আগামীর অবয়ব
    (লিখছেন... দ্রি, দ্রি, দ্রি)
    নিমো গ্রামের গল্প
    (লিখছেন... সুকি , সুকি , সুকি)
    যুক্তরাস্ট্র নির্বাচন ২০২০
    (লিখছেন... )
    প্রেমিকাকে কোলকাতাতে ফুল পাঠাবো কিভাবে?
    (লিখছেন... pi, pi, সুকি)
    পুরোনো লেখা খুঁজছেন, পাচ্ছেন না - এখানে জিজ্ঞেস করুন
    (লিখছেন... lcm, r2h, দু:শাসন)
  • হরিদাস পালেরা : যাঁরা সম্প্রতি লিখেছেন
  • শ্রী রামকৃষ্ণ : কিছু দ্বন্দ্ব : Sumana Sanyal
    (লিখছেন... রঞ্জন, এলেবেলে, Anjan Banerjee)
    যুদ্ধ : Swapan Majhi
    (লিখছেন... )
    গাধা সময়ের পদাবলী : রোমেল রহমান
    (লিখছেন... Du)
    জোড়াসাঁকো জংশন ও জেনএক্স রকেটপ্যাড-৮ : শিবাংশু
    (লিখছেন... dd, i, শিবাংশু)
    তিরাশির শীত : কুশান গুপ্ত
    (লিখছেন... anandaB, ন্যাড়া, Apu)
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তত্ক্ষণাত্ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ যে কেউ যেকোনো বিষয়ে লিখতে পারেন, মতামত দিতে পারেন৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
  • যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত