এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Abhyu | ১২ মে ২০১৫ ০৪:১৭294120
  • আমি এই টুকু জানতাম। কথামৃত সূত্রে।

    মাধব বহুত মিনতি করি তোয়
    দেই তুলসী তিলু এ দেহ সমর্পিলু
    দয়া জনু ছোড়বি মোয়
    গণইতে দোষ গুণলেশ না পাওয়বি
    যব তুহুঁ করবি বিচার
    তুঁহু জগন্নাথ জগতে কহায়সি
    জগ বাহির নহ মুঞি ছার
  • i | ১২ মে ২০১৫ ০৩:৪১294119
  • আর ইয়ে হয়েছে, কি যেন বলব-
    আমার শাশুড়িকে তিলের বড়া বানাতে দেখেছি (মানে খেয়েছি আর কি) চালবাটা দিয়ে। নুন লংকা তিল তো রইল সঙ্গে চালবাটা। আটা বা বেসন নয়।
    প্রতিবছরই খাই। এবারে শিখে আসব না হয়।
  • i | ১২ মে ২০১৫ ০৩:৩৩294118
  • ও এ টু জেড, আমি যদিও জানকারীওলা নই.. তবে এই পদটা জানি। বিদ্যাপতির পদ।
    মাধব বহুত মিনতি করি তোয়।
  • kk | ১২ মে ২০১৫ ০৩:০০294117
  • এমজালে ঈশানের লেখাটা খুব ভালো লাগলো।ওখানে কথপোকথন মানা বলে এখানে বললাম।
  • Atoz | ১২ মে ২০১৫ ০২:২১294116
  • চারদিক থেকে সবাই বলছে "আমার ঘুড়ি আমার ঘুড়ি" হি হি ঃ-)
    এ সেই টিনটিনের ভালুকছানাকে পাউরুটি খাওয়ানোর কেস। বনবাদাড় ভেঙে শয়ে শয়ে ভালুকছানা, ভালুক মা বাবা মামা মাসি পিসি কাকা সব এসে হাজির!
    ঃ-)
  • একক | ১২ মে ২০১৫ ০২:১২294115
  • ঘুড়ি ঠিক্করে ওড়াতে না পারা ছাড়াও এই ছাদে ঘুড়ি কেটে পরা নিয়ে একটা বাধো বাধো ছিল। মানে অন্যের জিনিশ এসে চাইতে পারে তাই গুছিয়ে রেখে দিতুম। তাপ্পর দেখি চারপাশে সবাই চাইছে জিগালেই বলছে তার ঘুড়ি। বাড়িওয়ালা জেঠুর ছেলে বুড়োদা একদিন বল্লো ধুর বোকা ঘুড়ি তো যে ধরে নেয় তার !
  • aka | ১২ মে ২০১৫ ০১:৫৪294114
  • আমিও দস্যি ছিলাম না আদৌ। রবিদা পাশের বাড়ির ছাদ থেকে যাস্ট ঘুড়ি ধরবে বলে দোতলা থেকে লাফ দিল। মাঝে ইলেকট্রিকের লাইনে শক খেল। তারপর রাস্তহ থেকে উঠে ধীরে ধীরে বাড়ি চলে গেল। কিসুই হয় নি তেমন।

    আমার বাবা দেবদারু গাচ থেকে ঘুড়ি পাড়তে গিয়ে পড়ে গিয়ে প্রায় প্যারালিসিস হয়ে যাচ্ছিল। সেই থেকে আমাদের ঘুড়ির পেছনে দৌড়নো বারণ ছিল। দাদু বারণ করেছিল। ঘুড়ির মরশুমে দাদু প্রতিদিন ৩০ পয়সা করে দিত একটা করে ডাবল ল্যাজ ঘুড়ি কেনার জন্য। মাঝে মাঝে এত্তে বা দোতে ঘুড়ি কেনার পয়সা পাওয়া যেত। হাতে পরে পাওয়া ঘুড়ি থাকলে সেই পয়সা সীতারামের ঘুগনিতে যেত।
  • Div0 | ১২ মে ২০১৫ ০১:২৫294113
  • হেহে, বেশ বেশ। ওটা ট্রাই কররে দেখেছি, হয়। এলোমেলো হাওয়া বইলে ঘুড়ি গাছে পড়ে যাওয়ার একটা চান্স থাকে সেইজন্য চোখে চোখে রাখতে হত। তবে তুই যেটা বলছিস সেটা বিজয়ীর ললকার মানে, আর কে আছিস চলে আয় :)
  • Div0 | ১২ মে ২০১৫ ০১:২০294112
  • 2014'র জানুয়ারির এক সকালে বেনারসে বাঙালিটোলায় এক ছাদে দাঁড়িয়ে ক্যামেরা বাগিয়ে বেশ মন দিয়ে গঙ্গার ছবি তুলছি এমন সময় পাশে আরেক ছাদ থেকে হই হই আওয়াজ। উৎসুক হয়ে মুখ তুলে দেখি তারা আমাকে উত্তেজিতভাবে কিছু দেখানোর চেষ্টা করছে। আমি মজা পেয়ে শাটার টিপতে যাবো এমন সময় দেখলাম সেটা প্রায় এসে গেছে। একটা গোলাপি বড়ো ঘুড়ি, সুতো লুটিয়ে লুটিয়ে যাচ্ছে ছাদের কার্নিস বরাবর। ধরে দিয়েছিলাম। খুশী খুশী এত্তগুলো মুখ।
  • Tim | ১২ মে ২০১৫ ০১:১৮294111
  • বলা বাহুল্য মার্কেট সাফ তুতো দাদা বা কাকুর সৌজন্যে। আমি সহকারী ঃ-)
  • Tim | ১২ মে ২০১৫ ০১:১৭294110
  • ডিভো, এটা আমরাই করতাম। এক একদিন মার্কেট সাফ হয়ে যেত, একটা ব্রেক (কারণ বাকিরা বাড়বে, তবে না খেলা)। তখন ঐভাবে স্থির ঘুড়ি দেখা। আমরা বলতাম, ফিট আছে ঘুড়িটা। মাঠে হলে মাটিতে লাটাই পুঁতে বসে থাকা।
  • Atoz | ১২ মে ২০১৫ ০১:১৬294109
  • বৈষ্ণব পদাবলির জানকারীওয়ালা কেউ থাকলে একটু বলবেন কোন গানে এটা ছিল?
    "করম বিপাকে গতাগতি পুনপুন মতি রহু তুয়া পরসঙ্গে।"
    সকাল থেকে কেবল "কীট পতঙ্গে তুয়া পরসঙ্গে" এইসব মনে হচ্ছে, অথচ প্রথম লাইন কিছুতেই মনে পড়ছে না। ভয়াবহ একটা অবস্থা।
    আগাম থ্যাংকু রইলো।
  • Atoz | ১২ মে ২০১৫ ০১:১২294108
  • ছাদগুলো থেকে সমস্বরে চিৎকার উঠতো মাঝে মাঝে, ভো ও ও ও কাট্টা।
    আমাদের ওদিকের বড়ো মাঠে ভালো হাওয়ার দিনে অনেক সময় বড়ো বড়ো লেজওয়ালা ডাকঘুড়ি ওড়ানো হত, সে ঘুড়িগুলো ওড়ার সময় শব্দ হতো ওঁ ওঁ ওঁ, সেইজন্যেই মনে হয় ডাকঘুড়ি নাম।
  • Div0 | ১২ মে ২০১৫ ০১:০৯294107
  • একটা ভাই ছিল, আমাদের সঙ্গ বাঁচিয়ে চলত সদাসর্বদা। মার্কেটে কেউ না থকলে সে তার ঘুড়ি অল্প তেয়ে বসে থাকত উবু হয়ে। লাটাই হয়ত অ্যন্টেনার খাঁজে গোঁজা। লাটাই ধরার / সুতো ছাড়ার বালাই নেই। সুতো লাটাইয়ের চাকার আলপিনে ফাঁসিয়ে আটকানো আছে, একটুও বেরোবে না। স্টেডি হাওয়ায় ঘুড়ি ছাতার মত মাথার উপর স্থির। সে অবাক হয়ে বসে ঘুড়ি দেখছে। আকাদা এমন সাররিয়্যালিজম দেখেনি।
  • Tim | ১২ মে ২০১৫ ০১:০৩294106
  • ন্যাড়া ছাদে চিৎ হয়ে শুয়ে অনেক উঁচুতে ফুটকির মত ঘুড়ি কেটে দেখতে ব্যাপক লাগতো। অনেক সময় তার সুতো এত লম্বা যে সেটাও খানিক পরে হেলেদুলে পেছন পেছন চলছে, দেখতে পেতাম,
  • Tim | ১২ মে ২০১৫ ০১:০১294105
  • আসলে দিনকাল আলাদা ছিলো। আমি মোটেও খুব দস্যি ছিলাম না, মানে তখনকার স্কেলে আমি মোটের ওপর শান্তই ছিলাম একরকম। কী সব ছেলেপুলে ছিলো পাড়ায়! এখন সময় এতটাই পাল্টেছে যে মনে হবে এইগুলোই কি না কি।
  • Div0 | ১২ মে ২০১৫ ০১:০০294104
  • ঘাড়ে ফেলে / ঢিলে খেলে কাটতে এন্থু চাই। বাড়ি-গাছ-পালা-নদী-প্রান্তর পার হয়ে যাচ্ছে দুই ঘুড়ি, নীচে লম্বা আঁকশিহাতে ছেলেপুলের দল ইঁটপাথরখানাখন্দ ইগনোর করে উপরদিকে তাকিয়ে ছুটছে... খুব ক্রুয়েল প্রসেস, স্লো ডেথ। তাচ্চাইতে ছিল কোনক্রমে প্রতিপক্ষ কোন্‌ ছাদ থেকে সেটা বুঝে ডিস্ট্যান্স অনুমান করে নীচ থেকে গুটিয়ে দাও। মাঞ্জা কড়ক হলে এক সেকেন্ডে সব শেষ। পুরো ঢিক-চুঁইইই কেস :p
  • Tim | ১২ মে ২০১৫ ০০:৫৬294103
  • কিন্তু কি জানো, যার ঘাড়ে ফেলে দিলো সেও কিন্তু সুতো ছাড়তে থাকে, মানে আমি ঐভাবে খেলতাম, তাতে অন্যটাই কেটে যেত। কারণ যে ফেললো সে টানতো এক সময় না একসময়।
  • Div0 | ১২ মে ২০১৫ ০০:৫৫294102
  • আমাদের মত ছাদ-খুঁজে-বেড়ানো পাব্লিকদের জ্বালায় অতিষ্ঠ হয়ে পাড়ার চেনাশোনা মানে যাদের ভালো ছাদ আছে তারা পুঁচকে তালা ঝুলিয়ে আমাদের আটকানোর মত একটা বন্দোবস্ত করত। তাদের ব্যবস্থায় জল ঢালতে আপাদের ছিল পাশের বাড়ির আলসে। ঘেরা ছাদে তেমন ইয়ে থাকত না। তাই চিলেকোঠার ছাদ, ন্যাড়া ছাদ - দি বেস্ট। তবে ওই আর কি। উঠে পড়েছি। ঘুড়ি মাঝ আকাশে। আর কেউ দেখতে পেয়ে চিলচীৎকার। তবে এরকম ঘটনার পর কখনও সরাসরি বাড়ি ফিরতাম না। ফিরলেও ফিরেই খুব উত্তেজিতভাবে কোনও তুচ্ছ বিষয়ে বাবাকে প্রশ্ন করতাম। এটা বেশ কাজ দিত।
  • Tim | ১২ মে ২০১৫ ০০:৫৪294101
  • আ প্রফেট দেখলাম
  • aka | ১২ মে ২০১৫ ০০:৫৩294100
  • না না ঘাড়ে ফেলে টুকটুক করে সুতো ছেড়ে যাওয়া হল ঢিলে খেলা। বাবা খেলত অমন ভাবে।
  • Tim | ১২ মে ২০১৫ ০০:৫০294099
  • টেনে খেলার একটা পরিভাষা তো ঘাড়ে ফেলে দেওয়া। ঃ-)
  • Tim | ১২ মে ২০১৫ ০০:৪৮294098
  • ছাদে ওঠার সিঁড়িটার মুখে একটা কোলাপসিবল গেট লাগানো থাকতো, তালা মারা। কিন্তু গেটটা যেই লাগিয়ে থাকুক সে বোকার হদ্দ ছিলো, কারণ সাইডগুলো গ্রিল দিয়ে ঘেরেনি। আমরা ঐদিক দিয়ে টপকে উঠে যেতুম।
  • Div0 | ১২ মে ২০১৫ ০০:৪৫294097
  • অফকোর্স। আর টেনে খেলা এবং বেশী লাট খাওয়াতে চাইলে সুতোর গিঁট্টি থেকে পাতকাঠির উপর দিকের দূরত্ব কম রাখুন।
    উঁচুদরের খেলুড়েরা ঘুড়ি লাট না খাইয়ে হাপ্পাই খাওয়াতো, যেটা একটা সিম্পিল লাটের চারগুণ বড়ো সার্কাম্ফারেন্স নেয়।
    সুতোয় ভালো টান থাকলে এক হাপ্পাইয়ে উপরে-নীচে দুই প্রতিপক্ষের দুই ঘুড়ি সাফ করে দেওয়ার ঘটনাও কম নয়।
  • Tim | ১২ মে ২০১৫ ০০:৪৪294096
  • আমাদের নারকেল গাছটা বাঁক খেয়ে উঠে যাওয়ার মুখে একটা ডাল খানিক বাড়িয়ে রাখতো পাশের বাড়ির ছাদের দিকে। সেটা আবার ন্যাড়া ছাদ। আমাদের ছাদ ছিলোনা, টিনের চাল। তাই ন্যাড়া ছাদে উঠে আঁকশি দিয়ে নারকেল গাছে আটকানো ঘুড়ি উদ্ধার করা হতো। অনেক সময় নিজেদেরই ঘুড়ি আটকাতো ঝোড়ো হাওয়ায় ওখানে। এক এক দিন নিচে চোখ চলে যেত ছাদের ধারে দাঁড়িয়ে, তিনতলার ছাদ, সেই বয়সে বেশ উঁচুই লাগতো। বাড়ির উঠোন থেকে কেউ না কেউ দেখে ফেলতো ছাদে আছি। ঐ দ্যাখো অমুক ছাদে উঠেছে। চিল্লামিল্লি করে ডেকে এনে তারপর বাড়িতে উত্তাল গাল।
  • aka | ১২ মে ২০১৫ ০০:৩৮294095
  • ঘুড়ি কেনার সময়ে ঘুড়িতে কার্ণিক লাগবে কিনা বুঝবেন কি করে? কাপকাঠি মানে যেটা কিনা হাফ সার্কেলের মতন সেটাকে নিজের দিকে স্কুইজ করে দেখুন দুটো দিক সিমেট্রিক কিনা। যদি হয় তো কার্ণিক লাগব না, নইলে লাগবে। যেদিকে বেশি উঠে থাকবে সেদিকে।
  • Div0 | ১২ মে ২০১৫ ০০:২৮294094
  • এখন এখানে "কাইট ফেস্ট" হয়। হয় তো আগে থেকেই হত। মহা মহা বোদা অগা ঘুড়ি। এখানে সেই চেনা একতেয়ে দোতেয়ে চাঁদিয়াল মোমবাতি বাংলাদেশের পতাকার মত দেখতে ঘুড়িগুলো দেখি না। ঘুড়ির জগতে প্লাস্টিক কাগজ যে বিপ্লব এনেছিল সহজে-ছিড়বেনা-ভিজবেনা ক্যাটিগরিতে সবথেকে জঘন্য ছিল সেগুলো। সেদিন দেখলাম এক কাপল বিশাল এক ঘুড়ি ওড়াচ্ছে পুলের পাশে, মানে রিপিটেডলি ধরতাই দেওয়া, হ্যাঁচকা মেরে খানিক ওপরে তোলা আর তারপর থুবড়ে পড়ার লূপ। খানিক দেখলাম। মায়াই হল সামান্য। লোভনীয় দেখতে কোনও ঘুড়ি হয়ত ছাদের পাশের নারকেলগাছে এসে লাগল। ওপাশ থেকে সুতো কাটার আগে পর্যন্ত টানামানি চলল খুব। শেষপর্যন্ত গাছ জিতে গিয়ে ঘুড়ি রেখে দিল। প্রথমে ঢিলপ্যাঁচ করি, আসে না। আঁকশি, তাও কুলোয় না। ওখানেই লেগে থাকে। বেশ রোদ হাওয়া পেয়ে একদিন দেখি কানা ঠিকরে ছিঁড়ে গেছে। সেও তো মায়াই হত। :(
  • Div0 | ১২ মে ২০১৫ ০০:১১294093
  • তর্জনির মাঝবারাবর ফালাফালা কাটা, তার মধ্যে অল্পস্বল্প কাঁচগুড়ো। জাব্দা লাটাই ধরে উড়িয়ে আর না পারলে বয়ে যাওয়া ঘুড়িকে বাড়ি ফিরিয়ে আনতে অগত্যা হাতে গোটানো। দুহাতেই কড়ে আঙুলের নীচে জলভরা ফোস্কা। তারপর ঘরে ফিরে পিঠে নিয়ে বসে ব্যথা ভুলতাম।
  • Tim | ১২ মে ২০১৫ ০০:০৪294092
  • মনে সেটাও আরেকটা কারণ আর কি। এমনিতে আবার বিশ্বকর্মা পুজোয় মাঝে সাঝে নেমন্তও থাকতো, সে ক্ষি জ্বলুনি, ক্ষতবিক্ষত হাতে যোদ্ধার মত খেতে বসা।
  • Tim | ১২ মে ২০১৫ ০০:০২294091
  • আমাদের চিরকাল সাবুর মাঞ্জাই হতো। আমিই সবথেকে এলেবেলে ছিলুম ঘুড়িতে, তবে মাঞ্জায় হাত লাগাতাম। আমি চত্ব থেকেই বুড়োটে কিনা, তাই সুতো ছেড়েই খেলতাম। অবশ্য হাত এত কাটতো যে শেষে বিরক্ত হয়ে যেতাম।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত