এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Blank | ০৫ মে ২০১৫ ২২:১৬292860
  • ভাগ্যিস স্লো কুকার টা এখনো খারাপ
  • Samba Bump Cells Pen | ০৫ মে ২০১৫ ২২:১৪292859
  • না না, অভ্যুরোস্টে হবে না, ব্ল্যাংকিরোস্ট আমার। স্কিন করা, নুন-লংকা মাখানোও আমি করবো। অভ্যুরোস্ট তোমরা খাওগে।
  • Blank | ০৫ মে ২০১৫ ২২:১৩292858
  • একি জিওল মাছ নাকি !! যে জ্যান্ত রান্না হবে !! একি অন্যায়। তাও অভ্যুদার কেসে আমি কেমন চিংড়ি অ্যাড করেচি। এরা কি পিচাশ!!
  • aspen clamps bumble | ০৫ মে ২০১৫ ২২:১২292856
  • এই অ্যানাগ্রামটা জ্বালিয়ে খেল :-/
  • Samba Bump Cells Pen | ০৫ মে ২০১৫ ২২:১২292857
  • জ্যান্ত অবস্থায় স্কিন করে নুন লংকা
  • একক | ০৫ মে ২০১৫ ২২:১১292854
  • আরে তুমি অভ্যুরোস্ট খাবা। তাপ্পর আমরা ব্ল্যান্কি রোস্ট :)
  • Samba Bump Cells Pen | ০৫ মে ২০১৫ ২২:১১292855
  • যে রোস্ট হবে তাকে রোস্ট হওয়ার সুখটা দিতে হবে না, ভালো করে? তাই নুন লংকা।
  • Blank | ০৫ মে ২০১৫ ২২:১০292853
  • নিজেকে খাবো কি করে !! একি অন্যায় !!
  • Blank | ০৫ মে ২০১৫ ২২:০৯292850
  • আমাকে রোস্ট করলে আমি খাবো কি করে !!! এটা চল্বেনা।
  • একক | ০৫ মে ২০১৫ ২২:০৯292851
  • কেনো ইংলিশ ড্রেস ভালো হবেনা ? ব্ল্যান্কির গায়ে পোচুর লোম ?
  • Blank | ০৫ মে ২০১৫ ২২:০৯292852
  • ভেজ কেন!!! অভ্যুদার কে ছোট ছোট করে কেটে কুচি চিংড়ি মিশিয়ে ভাজলেই হয়
  • Samba Bump Cells Pen | ০৫ মে ২০১৫ ২২:০৬292849
  • আর ব্ল্যাংকিকে রোস্ট করলে আগে স্কিন করে নিতে হবে। তারপর একটু নুন আর লংকা মাখিয়ে শিকে গাঁথলেই হবে।
  • Samba Bump Cells Pen | ০৫ মে ২০১৫ ২২:০২292848
  • শেষে ভেজ খাবে? এম্নি রোস্ট করলেই তো ভালো হত।
  • Blank | ০৫ মে ২০১৫ ২১:৫৬292847
  • অভ্যুদা যা রোগা পটকা, তাতে পাট শাক বানিয়ে লাভ নেই। খাওয়া যাবেনা। বরং সজনে ডাঁটা বানাও। খেতে সুবিধে।
  • | ০৫ মে ২০১৫ ২১:৫৩292845
  • অভ্যুকে পিটিয়ে পাটশাক বানিয়ে দেব
    #!@#!#$!#$@#$#$
  • Blank | ০৫ মে ২০১৫ ২১:৫৩292846
  • কোনো চাপ নেই। হাতির ছানা হলে আমাকে দিয়ে দিও। আমি হাতোর ছানা পুষতে চাই।
  • | ০৫ মে ২০১৫ ২১:৫২292843
  • ইকি হাতি পুষবো কেন? এবং কেমন করেই বা? এইটা নির্ঘাৎ অভ্যুর কোনও নতুন মিচকেমি
    @#$%%^^%$^$%&^%$
  • Blank | ০৫ মে ২০১৫ ২১:৫২292844
  • অ্যাঁ এই টি সেই দ্রোন !! একলব্যের আঙুন কেটে সাবল্টার্নের উত্থান কে থামিয়ে দেওয়ার কুচেষ্টা করেছিল !!! নিজে অনার্য হয়ে আর্য দের সাথে অশুভ আঁতাত গড়েছিল !!
    ছি ছি
  • Blank | ০৫ মে ২০১৫ ২১:৫০292842
  • অনেক প্রশ্ন
    ১। দম দি হাতি পুষছে কেন ? দম দি কি পিসি সরকার?
    ২। সোসেনদি ঐ ঝুপুস কুকুর টার জন্য ভিসা রিনিউ করাবে কেমন করে?
    ৩। ঈশ্বর নিউএ আর্টিআই তো নাকচ হয়ে গেছে। কারন সত্যের ডেফিনেশান ও সংবিধানে নেই।
  • T | ০৫ মে ২০১৫ ২০:১৯292840
  • এইটা ঠিক জমল না।
  • T | ০৫ মে ২০১৫ ২০:১৭292839
  • নাহ্‌, এককের তারিফ করতেই হবে। খ্যাল করেছেন ! 'যুদিশয়ারী'। একধাক্কায় আইন আদালতের ধ্ম্মপুত্ত ভাবটা ধরে ফেলেছে।
  • একক | ০৫ মে ২০১৫ ২০:০৫292838
  • ওহ এত অতি নীরিহ ব্যাপার :)
  • b | ০৫ মে ২০১৫ ২০:০৩292835
  • ফেবু-তে এটা পেলামঃ
    ঘাসের কেল্লা!! বাঁশের কেল্লা!!!
    - (লুক্কায়িত উৎস হতে সংগৃহীত)

    ।।১।।
    “ভালো লাগছে না রে তোপসে। ভালো লাগছে না”, বলল ফেলুদা। তার মুখ গম্ভীর। কপালে গভীর খাঁজ। অবশ্য এখন তার যা বয়স, তাতে সারাক্ষণই মুখ গম্ভীর হয়ে থাকে। সারা মুখের চামড়া কুঁচকে গেছে। তাই কপালের গভীর খাঁজ আমি ছাড়া কেউ বুঝতে পারে না।

    ফেলুদা যখন দার্জিলিঙে প্রথম গোয়েন্দাগিরি করেছিল, তখন আমার বয়স ছিল সাড়ে তেরো। ফেলুদার তার ডবল। অর্থাৎ ২৭। সে আজ ৫০ বছর আগেকার কথা, অর্থাৎ এখন তার বয়স ৭৭। লোকে এখন তাকে ফেলুদাদু বলে ডাকে। গত ২০ বছর সে কোনও কেস হাতে নেয়নি। হয়তো নিয়েছিল, কিন্তু আমাকে জানায়নি। কারণ আমি, মানে সোনার কেল্লার সেই তোপসে সিনেমা ছেড়ে এখন পদ্মফুলে। আর ফেলুদা বরাবরই লাল ঘেঁষা। কিন্তু মুকুলের কেসটা সমাধান করার জন্য আমাকে ডাকতেই হয়েছে। সিধুজ্যাঠা বলেছে, মনের দরজা জানলা খুলে রাখো ফেলু। বি জে পির মনে কী আছে তা জানতে না পারলে তুমি কখনই মুকুলের রহস্য ভেদ করতে পারবে না।
    ফেলুদা বলল, “ কয়েকজন অত্যন্ত লোভী ও বেপরোয়া লোক মুকুলের ব্যাপারে একটু বেশি মাত্রায় কৌতূহলী হয়ে পড়েছে। তারা ভাবছে, মুকুল তাদের সারদার গুপ্তধনের হদিশ দিতে পারবে।“

    “কিন্তু ফেলুদা, মুকুলের কাছে কি এখনও গুপ্তধন আছে? ”
    আমার মাথায় একটা গাঁট্টা মেরে ফেলুদা বলল,
    "মুকুলের কাছে না থাকলেও কার কাছে আছে, সেটা মুকুল জানে। তারা সেই গুপ্তধন নিয়ে কী করেছে সেটাও সে জানে। মুকুল ভবিষ্যতে কী করবে সেটা জানতে গেলে, তার অতীতটাও তো জানতে হবে। নইলে সবই তো উটের পাকস্থলী হয়ে যাবে।"
    শেষের কথাটা ফেলুদা বলল লালমোহন গাঙ্গুলিকে উদ্দেশ্য করে। তিনি এই মাত্র পর্দা ঠেলে ঘরে ঢুকলেন। অনেক দিন তাঁর নতুন বই চোখে পড়েনি বলে আমি ভেবেছিলাম তিনি মারা গেছেন। কিন্তু ফেলুদা বলল লালমোহনবাবু আজকাল আর জটায়ু নামে রহস্য রোমাঞ্চ উপন্যাস লেখেন না। ‘ভঙ্গুর হল সিঙ্গুর’, ‘নন্দীগ্রামের ফন্দি’ ইত্যাদি রাজনৈতিক উপন্যাস লেখেন। তাঁর লেখা সাম্প্রতিকতম উপন্যাস ‘ডেলো পাহাড়ের কেলো’ নাকি ২০ হাজার কপি বিক্কিরি হয়েছে।
    ফেলুদা আরও বলল, লালমোহনবাবু নাকি বুদ্ধিজীবী হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার মুছতে চান। তাই এথিনিয়াম ইন্সটিটিউশনের বাংলার মাস্টার বৈকুণ্ঠনাথ মল্লিকের কবিতা না আউড়ে আজকাল দিদিমনির কবিতা বলেন।
    লালমোহনবাবু বললেন, “শুনবেন নাকি একটা!”
    বলেই হাত পা ছুঁড়ে, গলা ছেড়ে আবৃত্তি করলেন,
    "হংস বলাকা
    জোটবদ্ধ
    সব চলে সাথে সাথে
    প্যাঁক প্যাঁক
    দ্যাখ সবাই দ্যাখ"
    ফেলুদা একটা গলা খাঁকারি দিতে মাঝপথেই কবিতা বন্ধ হয়ে গেল।

    ।। ২।।
    আমি বললাম, "আচ্ছা ফেলুদা, এত বছর পরে তুমি হঠাৎ মুকুলকে নিয়ে পড়লে কেন?"
    হাঁটুর ব্যথার জন্য ফেলুদাকে আজকাল জিলাক্সো লাগাতে হয়। টিভিতে তার বিজ্ঞাপনও দেখায়। অতিকষ্টে উঠে দাঁড়িয়ে একগাদা খবরের কাগজ আর ম্যাগাজিন নিয়ে এল।
    বলল, "মুকুলের বাবা সুধীরবাবু আমাকে অনুরোধ করেছিলেন, তাঁর ছেলেকে নিরাপদে ঘরে পৌঁছে দিতে। তাঁর অনুরোধেই আমরা রাজস্থানে গেসলুম। কিন্তু এই কাগজগুলো দ্যাখ। মুকুল আজও ঘর পাচ্ছে না। নিজাম প্যালেসে ছিল। কিন্তু এখন সেখানে তার থাকা না থাকা সমান। দিল্লির ঘর থেকে সব জিনিসপত্র নিয়ে গেছে। উচ্চসভাতে ছিল সামনের সারিতে, এখন একেবারে পিছনে, তার নিজের ছেলে প্রণাম ট্রনাম করে পুরানো ঘরে ঢুকে পড়েছে। কিন্তু মুকুল যেখানে আছে সেটা তার ঘর নয়। যেখানে যেতে চায় তারা দরজা বন্ধ করে রেখেছে। কখনও সে দার্শনিক হয়ে পড়ে, তখন বলে, ‘ক্রিজে পড়ে থাকলেই রান আসে।’ কখনও বলে, ‘সময় এর উত্তর দেবে।’ বাংলাতেই বলে। কিন্তু কী যে বলে, ঠিক বোঝা যায় না। এমন বাংলা, যা ল্যাটিন বা স্প্যানিশের থেকেও দুর্বোধ্য।"
    “আচ্ছা ফেলুবাবু, মুকুল কোথায় যাবে সেটা তো তাকে জিগ্যেস করলেই হয়’’ বললেন লালমোহনবাবু।
    “আপনি যখন মুকুলকে দেখেছিলেন তখন তার বয়স ৮ বছর ৯ মাস। সরলমতি বালক। মাথায় মাঙ্কি ক্যাপ। কিন্তু আজ সে বুড়ো দামড়া। মাথার চুল, ফ্রেঞ্চ কাট দাড়ি, সব পেকে গেছে। মনের ভেতরটা আরও বেশি পেকেছে। তাকে কিছু জিগ্যেস করলেই বলে সোনার কেল্লায় যাব। বুঝতেই পারি না এজন্মের কথা বলছে না গত জন্মের। তবু আপনি যখন বলছেন আজ বিকেলে তাকে নিয়ে একবার বেরব। ”

    ।।৩।।
    লালমোহনবাবু নিজের অ্যাম্বাস্যাডারটার সবুজ রং পালটে নীল সাদা করেছেন। তাঁর ধারনা, যে শহরে বাড়ির রং নীল সাদা করলে কর ছাড় দেওয়া হয়, সেই শহরে গাড়িতে নীল সাদা রং করলে ট্র্যাফিক আইন ভাঙলেও পুলিশ কিছু বলবে না।
    লালমোহনবাবু বললেন, আমরা কি ডেকয়েটসদের পিছু নেব?
    “ডেকয়েটস, তবে আরাবল্লির নয়, খাস কলকাতার।”
    ‘ডেকয়েটসদের নিয়ে কিছু প্রশ্ন করা চলবে?”
    “চলবে?”
    “এরা কি রাজনৈতিক ডেকয়েটস?”
    “সম্ভবত হ্যাঁ।।।”
    “এরা কী খায়?”
    “প্রধানত চিট ফান্ডের টাকা।”
    “টাকা কি এরা বেছে বেছে খায়, না কি সব চিট ফান্ডের টাকাই খায়?”
    ‘ড্রাইভারসাব রোখকে রোখকে ’ বলে চেঁচিয়ে উঠলাম আমি।
    আমরা যাচ্ছিলাম ই। এম। বাইপাস ধরে। দেখি রাস্তা জুড়ে পোড়া কুপন ছড়িয়ে আছে। আর সেই রাস্তার পাশে জোড়াফুল আঁকা একটা বাড়ি। সে দিকে তাকিয়ে মুকুল ফুপিয়ে ফুপিয়ে কাঁদতে লাগল। বলল, ওইটা আমাদের অফিস ছিল। ওখানে আমরা কুপন পোড়াতাম।
    ফেলুদা মুকুলকে বলল, “এটাই কি তোমার সোনার কেল্লা? তুমি কি এই বাড়িতে থাকতে চাও?”
    “এটা সোনার কেল্লা না। আমি সোনার কেল্লায় যাব।”
    এরপর মুকুলকে নিয়ে আমরা গেলাম কয়লাঘাটায় রেলের সদর দপ্তরে, তারপর গেলাম গঙ্গার ধারে শিপিং কর্পোরেশনের অফিসে (গতজন্মে মুকুল নাকি এই বাড়িগুলোতে কিছুদিন ছড়ি ঘুরিয়েছিল)। কিন্তু মুকুল কাঁদতে কাঁদতে বলল, কেন তোমরা আমাকে বারবার ভুল কেল্লা দেখাচ্ছ। ভাবলাম, দিল্লিতে নিয়ে যাব। কিন্তু ইদানীং সেখানেও সে যেতে চাইছে না। মুদিবাবুর সঙ্গে বৈঠক করেছে, কেটলির সঙ্গেও বার কয়েক বসেছিল। সবাই ঝোলাচ্ছে। নেব নেব করেও নিচ্ছে না। মুকুল এখন ওদেরকেও বলছে, ‘দুষ্টুলোক’।

    ।। ৪।।
    শেষ চেষ্টা হিসাবে আমরা মুকুলকে ডেলোর পাহাড়ে নিয়ে যেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু মুকুল বলল একবার ওখানে গিয়ে ফেসেছে। আবার গেলে তাকে পাহাড় থেকে ফেলে ভ্যানিস করে দিতে পারে।
    ‘কে ভ্যানিস করে দেবে মুকুল?’
    ‘দুষ্টু লোক।’
    মুকুলের দুষ্টু লোক কে? এজন্মের না আগের জন্মের সেটা বুঝতে না পেরে ফেলুদা হিপনোটিজম করার সিদ্ধান্ত নিল।
    "দুষ্টু লোক কে মুকুল ?"
    "হাজ হাজ হাজ।।।"
    লালমোহনবাবু বললেন, "মনে হয়, ডক্টর হাজরার কথা বলছে।"
    “সোনার কেল্লা কোথায় মুকুল?”
    “হা-হা-হা- ”
    লালমোহনবাবু বললেন, “হালিশহর, কাঁচড়াপাড়া?”
    “শ-শ-শ”
    “হাজ-হাজ-হাজরা”।
    “তোপসে, লালমোহনবাবুকে গাড়ি বের করতে বল। ফেলু মিত্তিরের টেলিপ্যাথির জোর আজ বোঝা যাবে।’’ আমি বললাম, ‘ও কি ডাক্তার হাজরার কথা বলছে ? যাকে পাহাড় থেকে ফেলে দেওয়া হয়েছিল ?’
    ফেলুদা বললেন, "সময়টা বোঝার চেষ্টা কর। এখানে হাজরা মানে, ডক্টর হাজরা নয়, ও বলতে চাইছে হাজরা রোডের কথা। তার কাছাকাছি কোথাও গুপ্তধন থাকতে পারে।"
    হাজরার মোড়ে পৌঁছে লালমোহনবাবু বললেন, "আচ্ছা ফেলুবাবু, হাজরার মোড়ে কি হাজার হাজার হাজরা থাকে ?"
    ফেলুদা কোনও কথা না বলে, গাড়ি ঘোরাল চেতলা ব্রিজের দিকে। হরিশ চাটুজ্জে স্ট্রিট হয়ে গাড়ি থামল আদিগঙ্গার ধারে, একটা গলির সামনে। একটু দূরেই একটা টালির বাড়ি।
    “চিনতে পারছ মুকুল?”
    “সো-না-র কে-ল-লা।“
    “আর তোমার বাড়ি?”
    “আমার বাড়ি তো কাঁচড়াপাড়ায়। এটা সোনার কেল্লা। ওইদিকে ববির বাড়ি, ওইদিকে মদনের বাড়ি, আর ওইদিকে বক্সির বাড়ি। আমরা এখানে সাংবাদিক সম্মেলন করতাম। ”
    “আর গুপ্তধন? গুপ্তধন কার কাছে আছে?”
    মুকুল উত্তর দেওয়ার আগেই বিশাল ভুঁড়িওয়ালা একটা লোক, গায়ে ক্যাটক্যাটে সবুজ পাঞ্জাবি, মুখটা হুলোবেড়ালের মতো গম্ভীর, গলির ভিতর থেকে বেরিয়ে এল।
    “ফেলুদা দেখেছ, নকল ডাক্তার হাজরার মতো এর থুতনিতেও ফ্রেঞ্চ কাট দাড়ি আছে।"
    সেই ভুঁড়িওয়ালা- ফ্রেঞ্চকাট দাড়ির লোকটা মোবাইলে কাকে যেন বলছে, ‘সিবিআই নিয়ে চিন্তা নেই। সব ম্যানেজ হয়ে যাবে।’
    লালমোহনবাবু বললেন, ‘হাইলি সাসপিসাস’।
    মুকুল এতক্ষণ কান্নাকাটি করছিল বলে লোকটাকে দেখতে পায়নি। ‘সিবিআই’ শুনেই মুকুল সেই লোকটার দিকে তাকাল। তার দিকে চোখ পড়তেই, 'তুমি দুষ্টু লোক, তোমার জন্যই আমি সোনার কেল্লায় ফিরতে পারছি না। তোমাদের জন্য পদ্মবাবুরাও আমাকে নিচ্ছে না। তোমরা দুষ্টু লোক, দুষ্টু লোক,' বলতে বলতে গলির ভিতরে ছুটে গেল।
    আমি, ফেলুদা আর লালমোহনবাবু তার পিছু পিছু ছুটলাম। “মুকুল, তুমি কোথায় মুকুল মুকুল…”
    মুকুল কোথায় যে হারিয়ে গেল!
    ফেলুদা বলল, ছেড়ে দে। ওকে বাড়িতে ফেরানো আমাদের কম্ম নয়। আমাদের থেকে অনেক বেশি বুদ্ধি ওর আছে। ও নিজের বাড়ি ঠিক নিজে খুঁজে নেবে।
  • একক | ০৫ মে ২০১৫ ২০:০৩292836
  • বাপ-মা পচন্ড পাকা পাকা কথা বলে। কচি ছেলেমেয়ে ভাবলেও বেশিক্ষণ সে ভাব ধরে রাখা যায়না কারণ মশমশ করে কান মোলা তো যায়না আরযাইহোক :|
  • sosen | ০৫ মে ২০১৫ ২০:০৩292837
  • দিনে তিনবার হেঁটে বাজার যাওয়া আসা করার যে কোন প্রয়োজন নেই এই সামান্য কথাটাও বোঝানো যায় না।
  • sosen | ০৫ মে ২০১৫ ১৯:৫৯292834
  • বাপমাকে কচি ছেলেমেয়েতে কনভার্ট করে নেওয়া যায়? তাহলে অ্যাট লিস্ট সান্ত্বনা পাওয়া যায় যে না বুঝে গোঁয়ার্তুমি করছে। আর পারা যায় না।
  • একক | ০৫ মে ২০১৫ ১৯:৫৩292833
  • যুদ্শিয়ারী ভগবান কে লিগাল মাইনর এনটিটি আন্ডার ট্রাস্টি বোর্ড স্টেটাস দেয়। এত সেই কাশী বিশ্বনাথ এর মামলার সময় সুপ্রিম কোর্ট পরিস্কার করে বলেই দিয়েছিলো।
  • pi | ০৫ মে ২০১৫ ১৯:৪৬292832
  • হ্যাঁ, আমিও খালি এই খবরটাই দেখেছি। ওদিকে কোন একটা বাংলা কাগজের কাটিং এ দেখলাম গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বলা হয়েছে। বিজেপি র লোক্জন প্রচুর চেঁচাচ্ছে মুসলিমদের কীর্তি বলে।
  • pi | ০৫ মে ২০১৫ ১৯:৪৫292831
  • 'Who is ‘Eeshwar’ in whose name oath is taken? '
    আর টি আই ফাইল হয়েছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত