এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Abhyu | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৪৫286859
  • ইয়েস
  • একক | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৪৫286860
  • জানে ভি দো ইয়ারো তো দেখে দেখে মুখস্থ হয়ে গেছে। আধা খাও, আধা ফেকো ; জাদা মজা আয়েগা ! খি জীবনদর্শন !!
  • dc | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৪২286858
  • জানে ভি দো ইয়ারো আর আন্দাজ আপনা আপনা দুটোই আমার ফেভারিট, অনেকবার দেখেছি। ছোটবেলায় আমরা বন্ধুরা আঁতেল সিনেমার ধারেকাছেও ঘেষতাম না। তপন সিনহা, মৃনাল সেন, এই নামগুলো শুনলেও পালিয়ে আসতাম। তবে বাসু চ্যাটার্জি ভাল্লাগতো, অরিজিনাল গোলমাল খুব ভাল্লেগেছিল। আর শক্তি সামন্ত - আনন্দ আশ্রম আর অন্ধ বিচার! মিঠুনদা! উফফ! :d
  • S | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৪০286857
  • জানে ভি দো ইয়ারোরো নাটকের সিনটা জাস্ট ভোলা যায় না। যেখানে মহাভারতের মাঝখানে সানগ্লাস পরে জালালুদ্দিন আকবর স্টেজে প্রবেশ করে।
  • dc | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৩৬286856
  • হ্যাঁ খোসলা কা ঘোসলাও ভাল্লেগেছিল। আসলে আমি সিনেমা দেখি, তারপর সিনেমাটা শেষ হলেই সেটা বেমালুম ভুলে গিয়ে অন্য কোন কাজে চলে যাই। জোকসগুলো মনে থাকে, আর মারপিটের সিনগুলো। ব্যোমকেশের সিনেমা নিয়ে টইটা পড়তে গিয়ে বুঝলাম সিনেমা নিয়ে এতো সব ভাবাও যায়! আর ইয়ে, নোয়া আর দুয়েকটা ওয়ার্ড এই প্রথম জানলাম ঃ-( যাগ্গে।
  • S | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৩৫286854
  • হেরা ফিরিতে পরেশ রাওয়ালের অভিনয় ল্যান্ডমার্ক হয়ে থাকবে। গোলমাল বেশ মজার সিনেমা - কিন্তু স্ক্রিপ্ট ছড়া খুব দায়সারা করে বানানো হয়েছে। নো এন্ট্রি আর গরম মশলার মতন অতি খাজা সিনেমা যে কেন ভালো লেগেছিলো এখনো বুঝতে পারিনা। বম্বে দেখিনি, রোজা দক্ষিনি সিনেমা। বাঙ্গলা সিনেমার ক্ষেত্রে আমার অবশ্যি পছন্দ ছিলো পুরোনো দিনের সিনেমা। আজকাল সোহমের সিনেমাগুলো দেখে মজা পাই। অমানুশ দেখতে পারেন - দক্ষিনি সিনেমা থেকে নকল অবশ্যি। আর জে সিনেমাটা সত্যিই খুব ভালো লেগেছিলো - বাইশে শ্রাবন। জাস্ট অসাধারণ। এই আরেকটা সিনেমা যেটা কমার্শিয়াল হয়েও প্রচন্ড ভালো ডিরেকশন।

    বোরিঙ্গ আঁতেল গম্ভির সিনেমা তইরী করা খুব কিছু ক্যালিবারের নয় - ওতে বিদেশ থেকে প্রাইজ পাওয়া যায় - কিন্তু দর্শক হলে না গেলে কোনো লাভ নেই। সেরকম সিনেমা পছন্দ হলে লা আমিস্তাদ দেখুন। আমার সবথেকে প্রিয় সিনেমা।

    আরেকটা সিনেমা খুব ভালো তইরী হয়েছিলো ১৯৯০ তে - কিন্তু ফ্লপ করে। প্রায় ১০ বছর পরে তার পুনর্মুল্যায়ন হয় - তখন দেখা যায় যে এটা সকলের খুব প্রিয় সিনেমা হয়ে দাড়ায় - আন্দাজ আপনা আপনা। এই সিনেমার অনেক ডায়লগ কাল্ট হয়ে দাড়িয়েছে।

    এরো আগে আরেকটা সিনেমা হয়েছিলো খুবই মজার - জিনে ভি দো ইয়ারো।

    আর সিরিয়াস ইস্যু নিয়ে শুল আর গঙ্গাজল দেখে ভালো লেগেছিলো। এই জনরের আরেকটা সিনেমা হয়েছিলো কিছুতেই নামটা মনে পড়ছে না।
  • hu | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৩৫286855
  • ভেজা ফ্রাই তো ঠিক অরিজিনাল ওয়ার্ক নয়। খোসলা কা ঘোসলা সেই অর্থে পাথ ব্রেকিং।
  • pi | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৩১286853
  • ভেজা ফ্রাই, খোসলা কা ঘোসলা .. এগুলো তো অনেকটা আলাদা ধরণের। মানে তখন থেকেই অন্যরকম সিনেমার ট্রেন্ডটা আবার সেট করছে।
  • pi | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:২৯286852
  • আহ সেই অনন্যা ! ওখানেই সেই তিন না চার বছর বয়সে কার একটা কোলে চেপে হীরক রাজা দেশে দেখতে গিয়ে বড় সিনে বাঘমামা আসা মাত্রই সেই যে চোখ বুঁজেছিলাম, গোটা সিনেমায় আর খুলিনি। সিনেমা শেষে অঘোরে ঘুমন্ত আমাকে আবিষ্কার করা হয়েছিল, আর সেই থেকে বাড়ির সকলের কাছে আমার সাহসিকতা নিয়ে সেই যে খোঁটা খাওয়া শুরু হল, লোডশেডিং এ সিঁড়ি দিয়ে চারতলা একেবারে একা একা উঠে ইমেজগৌরবের কিছুটা উদ্ধার গেলেও পুরোটা যায়নি। এখনো কথা শুনতে হয় ঃ(

    S, জানে ভি দো ইয়ারোঁ ? ঃ)
  • একক | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:২১286851
  • এই দিলালে তাপ্পর সেই কাজল-রাণী-শাহরুক একটা ঢপের সিনেমা এইগুলো হচ্ছে ভিডিও কোচ ইস্পেশাল। আমিও লুরু থেকে বম্বে যাবার সময় এরকম সব স্যাম্পল দেখি :(
  • S | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:১৯286850
  • হুর সাথে একমত। দিল চাহতা হ্যার কথা একদম ভুলে গেছিলাম। হলে গিয়ে আমি খুব কম হিন্দি সিনেমা দেখেছি। ঐরকম আরেকটা সিনেমা আর আসবে না। ক্লাসিক।

    দিলাওয়ালে দুলহনিয়া লে যায়েঁগে দেখেছিলাম ২০০৯/২০১০ এ মারাঠা মন্দিরে - সে অন্য এক গল্প। আমি আবার এই লোকটিকে একদম দুচক্ষে দেখতে পারতাম না। বিশেষত কেকেআর কেনার আগে অবধি।
  • dc | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:১৭286849
  • আমি ছোটবেলায় বাংলা সিনেমা বেশী দেখতাম, হিন্দি একটু কম দেখতাম। পোসেনজিত এর অন্ধ ভক্ত ছিলাম :d আর বেদের মেয়ে জ্যোত্স্না! উফ! পরের দিকে যীশু, জিত, দেব, এদের কতো সিনেমা দেখলাম! হিন্দিতে বম্বে, রোজা, দিল সে, দিল চাহতা হ্যায়, গোলমাল সিরিজ, হেরা ফেরি সিরিজ, এগুলো দেখে খুব মজা পেতাম। ভেজা ফ্রাই ভাল্লেগেছিল, আর গরম মশলা। এগুলো সব টাইমপাস ধরনের মুভি।
  • dd | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:০৮286848
  • দিলালে দুলহন লে যায়েগে - এই সিনিমাটি আমি কম পক্ষে দশবার দেখিচি।

    বাসে করে সেন্নাই থেলে লুরু আসতেম প্রতি সপ্তাহে। আর প্রতি সপ্তাহেই এই একই ভিডিও চলাতো। গাঁক গাঁক করে। না দেখে না শুনে উপায় থাকতো না।

    সেই থেকে আমি কিরম জানি একটা হয়ে গেছি।
  • একক | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:০৭286847
  • একটা বই পড়ে দেখতে পারেন। "স্টারস ফ্রম আনাদার স্কাই", মানটোর লেখা। বম্বে ফিল্ম ইন্দাস্ত্রী নিয়ে মানটো র আরো কিছু লেখা আছে। কাছ থেকে দেখেছেন তো। একটা লম্বা সময়ের দলিল।
  • hu | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:৫৭286846
  • হিন্দী সিনেমা সম্পর্কে আমার অনেক দিন পর্যন্ত খুব অভক্তি ছিল। প্রথম সেটা ভাঙে রোজা দেখে, যদিও রোজা সে অর্থে হিন্দী সিনেমা নয়, তামিল। কিন্তু রোজার পরেও রেগুলার হিন্দী সিনেমা দেখতে শুরু করলাম তেমন নয়। তখন বলিউড মানেই খানভাইরা। আর আমার সকলকেই কমবেশি খারাপ লাগত। ২০০১ এ দিল চাহ্তা হ্যায় আসে এবং বন্ধুরা জোর করেই নিয়ে যায়। দিল চাহতা হ্যায় দারুন লেগেছিল। এখনও টিভিতে দিলে দেখে ফেলি। এর পর থেকে হিন্দীতে অনেক ইন্টারেস্টিং প্রোজেক্ট হতে শুরু করে। আমার অভক্তিও কেটে যায়। ৬০/৭০ এর দশকে কিছু ভালো আর্ট ফিল্ম হয়ে থাকতে পারে, কিন্তু লোকে বলিউড বলতে সেগুলোকে বুঝত না।
  • S | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:৪০286845
  • চার্লস চ্যাপলিন ছোটোবেলায় দেখতাম মজার জন্যে। পরে বুঝলাম। আজকাল সেই সিনেমাগুলো দেখলেই কান্না পায়।
  • একক | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:৩৮286844
  • চ্যাপলিন ফুল সিরিস ও ছোটবেলাতেই দেখা। গ্রেট দিক্তেতর আর দ্য সার্কাস বাবার সঙ্গে হল-এ। অনন্যা-য় এসেছিল। বাকিগুলো বাড়িতে। অনন্যা হল টাই তো বন্ধ হয়ে গ্যালো। জয়শ্রী উঠে গেল।
  • S | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:৩০286843
  • আমার বাবা আমাকে বালক/কিশোরবেলায় বসে তিনটে সিনেমা দেখিয়েছিলেন - গান্স অব নাভারুন, ব্রিজ অন দ্য রিভার কোয়াই, আর বেনহার। চার্ল্টন হেস্তন আর গ্রেগরি পেগের খুব বড় ভক্ত। টেন কমান্ডমেন্টস আমরা ইস্কুলে চাঁদা তুলে ভিডিও ভাড়া করে দেখে নি/দিয়েছিলাম।
  • একক | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:২৬286842
  • হ্যা,৭০-৮০ বেশ প্রডাকটিভ সময়। তবে ওই সিনেমাগুলো দেখা শুরু করি প্রায় পাঁচ বচ্ছর পর থেকে। ছোটবেলায় আমার একটু এলার্জি ছিল অন্যরকম সিনেমার পরিচালক দের নিয়ে। তার কারণ মৃনাল সেন দেখে বেজায় বিতৃষ্ণা আসা। পরে যখন সথ্যু-কেতন গোগ্রাসে গিলছি তখন বুঝেছিলুম মৃনাল বেসিকালি আঁতেল, আর্টিস্ট নন। সিনেমা বোঝেন, বানাতে Zআনেন না না :/
  • S | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:২৩286840
  • না ১৯৭০ তো উড়িয়ে দিলাম না। বললাম তো যে ঐ সময়ই বলিউড বলিউড হয়ে ওঠে।
    গোবিন্দ নিহালনি - উনি হাজার চুরাশির মা করেছিলেন না? অনেক পরে অবশ্যি।
    আর যাদের নাম করলেন এদের সক্কলের (শ্যাম বাবু ছাড়া) একটাই প্রব্লেম ছিলো - এরা সবাই যাকে চলতি কথায় বলে আর্ট ফিলিম তইরী করতেন। মানে সাধারণ লোকেদের জন্যে নয়। তখন কমার্শিয়াল সিনেমা আর আর্ট ফিলিমে কাজ করা লোকেরাও আলাদা হতেন। নাসিরুদ্ধিন, ওম পুরি, স্মিতা পাতিল, শাবানা আজমি ইত্যাদি। তাই ১৯৮০ তে এতো ভালো সিনেমা হলেও অন অ্যাভারেজ সিনেমার মান খুবএকটা ভালো হয়নি। কারণ কমারশিয়াল সিনেমা তেমন ভালো তইরী হয়নি। সেদিক থেকে হৃষিকেশ বাবু, শক্তি সামন্ত অনেক বেশি সাফল্য পান। আমারও ধারনা ছিলো যে এই দুটো রকমের সিনেমা কখনও এক হতে পারে না। কিন্তু তারপরে দেখলাম ফরেস্ট গাম্প।

    সেইটা পরে - বিশেষত ভিশাল ভরদ্বাজ - খুব সাফল্যের সঙ্গে করে দেখালেন।
  • pi | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:২৩286841
  • পিয়াসা আমাকেও বাবাই বসিয়ে দেখিয়েছিল। ইন ফ্যাক্ট পুরো গুরু দত্ত রেট্রোস্পেক্টিভটা।
  • একক | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:১৯286839
  • বাবার সঙ্গে হিন্দি সিনেমা দেখে দেখে আমার পছুন্দ গুলো ওরকমই হয়ে গেসলো। হলে গিয়ে অবিশ্যি কিং-কং, আফ্রিকান সাফারি টাইপের সিনেমা ছাড়া বিশেষ দেখিনি নাইন-টেন অবধি। কিন্তু টিভি এলো তখন বোধায় ক্লাস টু। রাত্তির বেলা দুইজনা চাদর মুড়ি দিয়ে দেকচি : সাজন রে ঝুট মাত বোলো, খুদা কে পাস জানা হায়। তারপর .....চলো দিলদার চলো। বাবার নন্দা ফেভারিট, আমারও :) মধুবালা অত ছোটতে পোষাতনা। ভরত ভূষণের সঙ্গে দুলে দুলে জঙ্গল মে মোরনি.....ধুস। হাওড়া ব্রিজ দেখে জিভে স্বাদ পাল্টালো। ভয়েস বোলে তো গীতা দাত। পিয়াসা দেখলুম সেটা কোন কেলাস ? মনে নাই :/ প্রথম "শোর নাহি রে বাবা শোওওর" মনে আছে। সেও বাবার সঙ্গে।

    তবে বিধিনিষেধ কি ছিলনা ? ছিল। "মিস্টার ইন্ডিয়া" দেখার তাল করছি শুনেই বললেন : ওসব বাদ্দাও।
  • pi | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:১০286838
  • যাঃ, ৭০-৮০ তে শ্যাম বেনেগাল, গোবিন্দ নিহালনি, সৈয়দ মির্জা, কুন্দন শাহ, সথ্যু, কেতন মেহতা ইত্যাদিদের পুরো উড়িয়ে দিলেন !
    এই লাঞ্চবক্স নিয়ে এখন অত আহা উহু দেখে বোধহয় একবার লিখেছিলাম, এরকম সিনেমা তো সেসময় আকছার হত !
  • S | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:০২286837
  • তবে ২০০০-২০১০ অবধি যত ভালো হিন্দি সিনেমা হয়েছে অত ভালো সিনেমা কোনোদিন হয়নি, হবে কিনা জানিনা। সেইজন্যেই হিন্দি সিনেমা দেখতে শুরু করি। আমি কোনো এক্সপার্ট নই। ভুল হলে আপনার বলে দেবেন।

    ১৯৫০-৬০ ছিলো মনোজ কুমারের দেশভক্তির সময়।
    ১৯৬০ থেকে রোম্যান্টিক কমেডি আসতে শুরু করে, দেবানন্দ, রাজেশ খান্না সাহাব।
    ১৯৭০ হোলো আসল বলিউড - বিশাল বড় হোলো - মেগা ব্যাপর্টা এলো - সক্কলে ছিলেন তখন - বিশেষ করে অমিতাভ বচ্চন। তাঁদের পার্সোনাল লাইফ নিয়ে লোকে চর্চা করতে শুরু করলেন।
    ১৯৮০ খুব ঘেঁটে যাওয়া সময়, কোনো দিকের ঠিক নাই।
    ১৯৯০ - এখনকার সিনেমার প্রধানদের আবির্ভাব - চার খান, কুমার ইত্যাদি। বিদেশে শুটিঙ্গ হতে শুরু করলো। এনারাই ইত্যাদি।

    এই এতো দিন অবধি কোনো হিন্দি সিনেমা তেমন দেখিনি - শোলে ছাড়া।

    ২০০০ এর মাঝামাঝি থেকে হিন্দি সিনেমা দেখতে শুরু করি। তার আগে একটা সিনেমা খুব স্মার্ট লেগেছিলো - সরফারোশ। আর লেগেছিলো সত্যা (রাম গোপালের জে কি হোলো কে জানে)। ওমকারার কথা খুব মনে পরে। এই সিনেমাটাই হিন্দি সিনেমা সম্বন্ধে আমার ধারনা বদলে দেয়। এছাড়া দিবাকর ব্যানর্জি আছেন। নাগেশ কুকুনারের ডোর বলে একটা সিনেমা দেখি। ব্ল্যাক আর ব্ল্যাক ফ্রাইডে। সরকার। পরেশ রাওয়াল এলেন। জানি এগুলোর মধ্যে অনেক সিনেমাই মধ্যমানের। কিন্তু একটা জিনিস খুব ভালো লেগেছিলো। সেটা হোলো পুরো দেশি চিত্রনাট্য - আর বিদেশে শ্যুটিঙ্গ নেই। যে কারণে আমার কামিনে খুব ভালো লেগেছিলো। মুম্বাইর বৃষ্টির থেকে বেশি রোমান্চকর দৃশ্যপট আর হয়্না। তারপরেই আস্তে আস্তে হিন্দি সিনেমা সম্বন্ধে একটু একটু গ্যান গম্মি হতে লাগলো।
  • pi | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:৫৯286836
  • এরকম একটা একুশে আইন দেশে আছে, এখন উঠতে না বসলে জানতেই পারতাম না !
    Under the State Beggary Act, persons affected by leprosy are earmarked in the same category as persons suffering from lunacy. এবং এই পেশেন্টদের জন্য না করতে পারার আরো কত বড় এক নিয়মের লিস্টি !
  • Atoz | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:৪৩286835
  • এখন ফিরে দেখে ভাবলে আমার মনে হয় আসলে সম্ভবতঃ ঐ সময়ের ঐ অভিভাবকরা বাংলা সংস্কৃতির একটা নিজেদের মতন ধারণা করে নিয়েছিলেন আর সেটাকে রক্ষার চেষ্টা করছিলেন। হিন্দি কালচারের পুরো ব্যাপারটাকেই মনে হয় ওনারা আগ্রাসন মনে করতেন। এদিকে রামায়ণ মহাভারত ইত্যাদি টিভি সিরিজ এসে পড়ে কিন্তু শেষ অবধি ছেলেপুলেরা সেগুলো দেখছিলই। তবু ও ওনাদের মানসিক একটা চাপ বহুদিন রয়ে গিয়েছিল।
  • Atoz | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:৩৯286834
  • আরে বড়ো এস, আমিও এমনই অনুমান করেছিলাম। এইসব পরবর্তীকালে জেনেছেন। ঃ-)
  • S | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:৩৮286833
  • আচ্ছা এই নামগুলো যে খারাপ সিনেমা ইত্যাদি সেগুলো সেই গুরুজনেরা জানলো কি করে? এইধরনের অপ্রস্তুত কোস্নো করলে লোকে আরো রেগে যেতেন ঃ)
  • Atoz | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:৩৬286832
  • একবার একজন, সে তখন স্কুলে ক্লাস সিক্সে পড়ে, বলেছিল "তিনটে নাম শুনলাম, কিমি মন্দাকিনী মীনাক্ষী", ব্যস হয়ে গেল! চারিদিক থেকে সরু মোটা জোরালো গম্ভীর সুচালো ভারী নানা গলায় নানা প্রশ্নের আক্রমণ! সে কী জেরা বাপ্পো! কোথা থেকে এই নামগুলো শুনলি? আর কী কী জেনেছিস? দেখেছ তলায় তলায় কী ডেঁপো হয়েছে ! মুখ দেখে তো মনে হয় ভাজা মাছটি উল্টে খেতে জানে না, এদিকে ভেতরে ভেতরে ঝুনিয়ে গ্যাছে।

    এদিকে সেই বেচারা এই তিনটে নামই শুধু শুনেছে, কী বিত্তান্ত কেন কী কিছুই জানে না! শুধু নামের ফেরেই যে বিচারশালা বসে যাবে সে স্বপ্নেও ভাবে নি।

    ঃ-)
  • S | ১৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:২৯286830
  • শশীকাপুর দেখতে অসাধারন একজন পুরুষ - কিন্তু অভিনয়। বাপরে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত