এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • a x | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১২:৪৯286650
  • আর কোন মডেল সফল? এই আন্দোলনের শুরু তো কেরালা থেকে!!
  • a x | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১২:৪৮286649
  • উপভোক্তা ও প্রোডাক্টের মধ্যে ট্যাবুর কথা আসছে কোত্থেকে? মেয়েরা (উপভোক্তা) স্যানিটারি ন্যাপকিন (প্রোডাক্ট) - এটাকে ট্যাবু ভাবছে?! আসছে তো লার্জার সমাজে ট্যাবু প্রসঙ্গে! এবং ট্যাবু তো আর স্যানিটারি ন্যাপকিন বিষয়ে না, ট্যাবু মেনস্ট্রুয়েশন বিষয়ে। স্যানিটারি ন্যাপকিন ইস দ্য ক্যানভাস। এবং সেইভাবেই ব্যবহার করা হয়েছে।
  • সে | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১২:৪৬286648
  • @a x, থ্যাঙ্কিউ।
  • একক | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১২:৩৭286647
  • অক্ষ
    কেও ট্যাবু ব্রেক না করে এক্সেস তৈরীর চেষ্টা করেনি। মার্কেটে কোনকিছু নিয়ে ট্যাবু থাকলে সেটা ব্রেক না করে এক্সেস তৈরী করা যায়না। খেয়াল করে দেখুন একসময় আনন্দবাজার 'পত্রিকা' তে ন্যাপকিন এর বিজ্ঞাপন ছাপানো নিয়েও হইচই হয়েছিল। সমাজের যে লেভেলেই হোক না কেন প্রোডাক্ট পৌছতে গেলে মিনিমাম বাধা/ট্যাবু আসেই। কাজেই ট্যাবু ব্রেক না করেই এক্সেস জাস্ট অসম্ভব।

    আমি কোথাও উপভোক্তা এবং প্রোডাক্ট এর মাঝখানে ট্যাবু ভাঙ্গার বিরোধিতা করিনি। দ্যাট ইস পার্ট অফ ক্রিয়েটিং এক্সেস। যখন খোলা ন্যাপকিন বিক্কিরি হবেনা ক্যানো ট্যাবু ভাঙ্গ টাইপের কথা হচ্ছিল তখন বলেছি এটা যদি উপভোক্তার ব্যারিয়ার না হয় বা অন্য কোনভাবে সেই ব্যারিয়ার কে বাইপাস করা যায় তবে সেটা আদৌ কাউন্তেব্ল ট্যাবু নয়। এখানে ওয়ার্কশপে খোলাখুলি কথা বলেই ট্যাবু ভাঙ্গা হচ্ছে উইথ ক্রিয়েটিং এক্সেস। যেকারণে মডেল টা সফল।
  • dc | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১২:৩৬286646
  • হ্যাঁ, বেশীর ভাগ বাড়ীতে পিরিয়ড কথাটা উচ্চারন পর্য্যন্ত করেনা। সেইজন্যই পাব্লিক ডিসকোর্সের দরকার আছে।
  • sosen | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১২:৩০286644
  • দুটোকে জড়িয়ে ফেলার কোনো মানে নেই। ট্যাবু ব্রেকিং পথনাটিকা করেও হতে পারে, ছবির প্রদর্শনী করেও হতে পারে। যারা করবে তাদের চয়েস, তাদের টার্গেট অডিয়েন্স কারা সেটাও ভেবে দেখা দরকার। এই আন্দোলনটা জরুরি ছিল বলেই আমার ব্যক্তিগত মত। মেন্সট্রুয়েশন এবং ফিমেল আইডেন্টিটি এসব নিয়ে ওরা কথা বলছে, হেলথ নিয়ে কিছু করবে এরকম তো বলেনি। করলে করতে পারে, যেহেতু এটা একটা ভালো প্ল্যাটফর্ম ছিলো, ওদের কথা লোকের কাছে পৌঁছেছে, শক ট্রিটমেন্টটা কাজ করেছে, দরকার ছিল।

    অ্যাওয়ারনেসটা খুব বেশী দরকার। যেভাবেই আসুক না কেন। ন্যাপকিনের বদলে কাপড় ব্যবহার করলেও যে অসুবিধা নেই, কিন্তু রি-ইউজ না করলেই ভালো বা স্বাস্থ্যটা কতটা জরুরি এক্ষেত্রে এসব বুঝতে পারলে কিন্তু প্রয়োজনীয়তার লিস্টে ব্যাপারটা উপরে উঠে আসে। তবে বিনিপয়সায় স্যানিটারি ন্যাপকিন যোগানোটাই ট্যাবু ভাঙার জন্য যথেষ্ট নয়। ধরুন্না কেন, আমার মাইমা। কোনো মেয়ে বাড়িতে গেলেই প্রথমে জিগিয়ে ন্যান, হয়েছিস নাকি? উরুশ্চারণ কর্বেন্না। তারপর সে চলে গেলে এমনকি পর্দা পর্যন্ত কেচে ফেলেন। আমার মামা সিইএসসির উচ্চ্পদাধিকারী। সবচেয়ে দামী ন্যাপকিনটাই কেনা হয় বাড়িতে।

    এইসব। দুটো আলাদা টার্গেট অডিয়েন্স। সরকারী উদ্যোগে শস্তার, খুব শস্তার ন্যাপকিন দেওয়া দরকার, তবে কাদের? সেটা একটা পয়েন্ট।
  • dc | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১২:৩০286645
  • একক, "এদের" বলতে কাদের কথা বলছেন? যাদবপুরের কোন একটা আন্দোলনের কথা বলছেন কি? আমি ওদের ব্যাপারে প্রায় কিছুই জানিনা। যে টইতে পিরিয়ড সংক্রান্ত ট্যাবু নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল সেখানে একেবারে শুরুর দিকে লিখেছিলাম যে যাদবপুরের আন্দোলন নিয়ে আমার কোন মন্তব্য নেই, তেমন কিছু জানিই না। তারপর থেকে যা লিখেছি সবই জেনারাল, বাকি ভারতের প্রেক্ষিতে।

    এবার ইন জেনারাল আপনি যদি প্রশ্ন করেন যে ট্যাবু ব্রেকিং ক্যাম্পেন কিভাবে কাজ করে তো আমি বলবো সাসটেন্ড আলোচনা চালাতে হবে, মাঝে মাঝে দুয়েকটা আন্দোলনও করা যেতে পারে যাতে পাব্লিক স্ফিয়ারে এই আলোচনাটা উঠে আসে। এই ধরুন ন্যাপকিনে মেসেজ লিখে যদি সেটা নিয়ে নানান শহরে আন্দোলন হয় তো অন্তত পাব্লিকের নজরে আসবে, কিছুদিন সেটা নিয়ে কথা তো হবে! তারপর আস্তে আস্তে এই প্রশ্নও করা যাবে যে কুসংস্কার কেন মানা হবে, কেন মেয়েরা পিরিয়ড চলাকালীন পুজো দিতে পারবে না ইত্যাদি। আবার বলি, এর সাথে যাদবপুরের আন্দোলনের সম্পর্ক নেই।
  • একক | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১২:২০286643
  • @ডিসি
    ট্যাবু কাটানো এবং এক্সেস চ্যানেল তৈরী করা প্যারালাল প্রসেস। এদের সেরকম কোনো ইচ্ছে থাকলে সেলফ হেল্প দের নিয়ে কাজ করত। সস্তায় ন্যাপকিন এর এটলিস্ট একটাও মেকিং/দিস্ত্রিবিউশোন মডেল বের করে দেখাত। এরা পাতি একটা সর্বভারতীয় আন্দোলনের ছাতার তলায় গিমিক করে কাগজে আসতে চাইছে তার সঙ্গে আবার শ্লীলতাহানি জুড়ে। একটা মডেল বানাতে মিনিমাম যে এটাচমেন্ট লাগে সেটাও এদের নেই। কারণ ওসব কাজে গ্ল্যামার নেই :) কাজেই এরা যেরকম সেরকমই ফিডব্যাক পাবে।

    হাউ ডু বিলিভ দেয়ার মডেল ওয়ার্কস ? একটু মাথা লাগান না ! যদি গ্রামে গিয়ে একটা গ্রুপ কে এই ট্যাবু ভাঙ্গা কথাগুলোই শুনিয়ে /বা ধরুন শহরের বস্তিতেই করলো। দেন নেক্সট ফিউ মান্থস ইউ সী ন্যাপকিন কনসাম্পশন বাড়ছে। তবেই না ? সোশাল ওয়ার্ক ফিডব্যাক ছাড়া হয় নাকী ? হিয়ার পিপল হ্যাস প্রুভ্দ যে কথা বলে ট্যাবু কেটেছে /কনসাম্পশন বেড়েছে। গুলবর্গা থেকে নেল্লোর সর্বর্ত্র ইস্কুলের /গ্রামের স্টাডি রিপোর্ট আছে।

    সিম্পলি টেল মি হওয়াত মেকস ইউ বিলিভ ইভেন দিস 'ট্যাবু ব্রেকিং ক্যাম্পেইন' ওয়ার্কস :)
  • dc | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১২:১৬286640
  • একক, পবর কোনকিছুতেই যুক্তি খোঁজা আমি বহুকাল আগে বন্ধ করে দিয়েছি :d পব হলো বিপ্লবের পীঠস্থান, ওর কথাই আলাদা। আমি বাকি ভারতের প্রেক্ষিতে বলছি।

    "সস্তার এক্সেস তৈরী এবং ট্যাবু ব্রেকিংপাশাপাশি চলতে পারেনা ?"

    নিশ্চয়ই পারে, চলা উচিতও। তবে কুসংস্কার কাটানো দীর্ঘস্থায়ী আলোচনার ব্যাপার, নানান ফোরামে নানারকম আলোচনা করে তবে কিছুটা কমানো যেতে পারে। তার সাথে দুয়েকসময় ধাক্কা দেওয়ারও বোধায় দরকার হয়।
  • a x | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১২:১৬286641
  • ২৮৬৫৯ পাতায়
  • a x | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১২:১৫286639
  • নিশ্চয়ই চলতে পারে, কিন্তু এ কেন ওটা না করে, এটা করল, এই প্রশ্নটা স্রেফ এটা করা পছন্দ নয় থেকেই আসে। একজন যখন ট্যাবু ব্রেক না করে অ্যাক্সেস তৈরি করার চেষ্টা করছে, তখন কিন্তু আসেনি।
  • সে | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১২:১৪286638
  • যশোধরার লেখার কোনো লিঙ্ক আছে? কেউ দেবেন এখানে?
  • dc | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১২:১২286637
  • মানে বিনামূল্যে বা কম দামে ন্যাপকিন ডিস্ট্রিবিউট করাই উচিত, এটা পাব্লিক হেল্থ এরও একটা অংশ। কিন্তু শুধু সেটা করেই পিরিয়ড সংক্রান্ত ট্যাবু বা কুসংস্কার ভাঙ্গা যাবে, সেটা নাও হতে পারে। তার জন্য পাবলিক ডিসকোর্সটাও দরকার।
  • একক | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১২:১১286636
  • *সস্তার এক্সেস তৈরী এবং ট্যাবু ব্রেকিংপাশাপাশি চলতে পারেনা ?
  • একক | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১২:১০286634
  • আপনার কী মনে হয় দক্ষিনভারতে তথাকথিত "ট্যাবু" নেই ? এরা তো ওয়ার্কশপেই খোলাখুলি কথা বলে ট্যাবু কাটাচছে। কী এমন আলাদা কালচার পশ্চিমবঙ্গে যেখানে সস্তার এক্সেস তৈরী এবং ট্যাবু পাশাপাশি চলতে পারেনা ? পোলিওর টিকা নিয়ে ট্যাবু কাটানোর জন্যে কী টিকা-ডাক্তার সবাইকে নিয়ে মহল্লায় বসে কথা বলেন নাকী প্রথমে হাত-পা বেঁকিয়ে মাঝরাস্তায় শুয়ে পোলিও রুগীর অভিনয় করে "ট্যাবু" কাটান ? এরকম চাইলেই মনমত যুক্তি খাড়া করা যায় নাকী ? বাকি সব রাজ্য কিছু বোঝেনা সব বুদ্ধিমান পব তে ? :)
  • dc | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১২:০৯286633
  • একক, শুধু ন্যাপকিন সহজলভ্য করে ট্যাবু বা কুসংস্কার ভাঙ্গা নাও যেতে পারে। যাঁরা ন্যাপকিন ব্যবহার করে তাঁদের মধ্যেও, বা সেই সব ঘরের পুরুষদের মধ্যেও নানারকম কুসংস্কার আছে। দামের সাথে এর কোন যোগাযোগ নেই। কিন্তু কুসংস্কারগুলো ভাঙ্গতে পারলে ভালো।
  • pi | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১২:০৬286632
  • হুম। এদিকে স্কুলগুলোতে নাকি সরকার থেকেই দেওয়ার কথা, দেওয়া হয়না। এরকম কিছু একটা পড়েছিলাম, খুঁজে পাচ্ছিনা।
  • a x | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১২:০৪286631
  • কি অদ্ভুত রে ভাই। দুটো জিনিস নিয়ে কথা হচ্ছে। একটা অ্যাক্সেস, আরেকটা অ্যাসোসিয়েটেড রিপ্রেশন ও ট্যাবু।

    আমার অ্যাক্সেস আছে, তাই আমি আগে সবার অ্যাক্সেস নিশ্চিত না করে দ্বিতীয়টা নিয়ে কথা বলতে পারবনা?

    আমার চাকরি আছে তাই আমি আগে সবার চাকরি নিশ্চিত না করে নিজের ওয়েজ ডিস্প্যারিটি নিয়ে কথা বলতে পারব না?

    এই অমুক বনাম তমুক এটা তো স্রেফ গায়ের জোরে হচ্ছে।
  • একক | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১২:০৩286630
  • পাই
    তামিলনাড়ু তে একটাকায় দাম নাবিয়ে আনা হয়েছে। একদম লো কস্ট মডেল। দু টাকা মত ভর্তুকি আছে অবশ্য।
    আর ন্যাপকিন মেশিন বসানো হয়েছে গ্রামের স্কুল গুলোতে। ১৪০০০ টাকা দাম মেশিনের। কেপাসিটি ১০০ টা। ন্যাপকিন ইন্কার্নেতর বলেও একটা মেশিন সাপ্লাই করা হচ্ছে যাতে ল্যান্ডফিল না হয়। সেটা আধঘন্টায় ১৫ টা ন্যাপকিন ইন্কার্নেত করতে পারে। এরা রেগুলার ড্রাইভ চালাচ্ছে।
  • একক | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১১:৫৯286629
  • যশোধরার লেখার অবজেক্টিভ কিছু মাথায় ঢুকলোনা। গোটা দক্ষিন ভারত জুড়ে হাতে কলমে কাজ হচ্ছে। সরকারী বেসরকারী উদ্যোগে একাধিক প্রজেক্ট চলছে। সস্তায় ন্যাপকিন তৈরী ও দিস্ত্রিবিউশোন নিয়ে লোকে চিন্তিত। ওয়ার্কশপ হচ্ছে। ঠিক এরকম একটি মুহুর্তে যখন আমি সারা ভারতে স্যানিটারি ন্যাপকিন নিয়ে কাজকর্মে পশ্চিমবঙ্গের কোন্ত্রিবিউশোন/রিপ্রেসেন্তেষণ খুঁজছি তখন যদি দেখি দেয়ালে ঝোলানো কিছু ব্র্যানডেড ন্যাপকিন ছাড়া কিস্যু নেই তাহলে ঠিক কতটা বা আদৌ সিরিয়াসলি এদের নেওয়া দরকার কিনা কেজানে। উনি লেখার প্রথম দিকে পশ্চিমবঙ্গের এইসব টোকেনিসম তারপর ঝপাং করে খানিকটা দক্ষিন ভারত-গুজরাট এবং তারপর আবার পব এনে ঠিক কী দাঁড় করালেন ? এটা তো আরও প্রকট করে দিলো পব কতটা পিছিয়ে। অবশ্য আর নতুন করে কী বা প্রমান করবে :/
  • a x | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১১:৫৩286628
  • লীলা মজুমদারের ওপর শ্রীজাতর লেখাটা বেশ ভালো লাগল।
  • dc | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১১:৫২286625
  • আমারও মনে হয়না শ্লীলতাহানির প্রতিবাদ করতে গিয়ে ন্যাপকিন ঝোলানোর দরকার আছে বলে। পিরিয়ড নিয়ে ট্যাবু বা কুসংস্কার ভাঙ্গার দরকার আছে, এটা নিয়ে আলাদা ভাবেই প্রতিবাদ করা উচিত আর সেই প্রতিবাদে ন্যাপকিনের ওপর মেসেজ লিখে ডিসপ্লে করে ধাক্কা দেওয়া যেতেই পারে। সাধারনত দুটো আন্দোলন আলাদা ভাবেই করা উচিত, যদি না কোথাও কোন স্পেসিফিক কারন থাকে দুটো এক করার। আমার আগের পোস্টে আজকালের লেখাটার কথা মিন করেছিলাম।
  • pi | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১১:৫২286626
  • রাজীব সেনগুপ্তরা এই নিয়ে বেশ ভাল কাজ করছেন। ওনাদের একটা প্রোজেক্ট রিপোর্ট কিন্তু বলছে, দামটা একটা ফ্যাক্টর।

    "In rural India, 97% of woman lack access to basic hygienic means that allow them to stay clean throughout their menstrual cycle. Women resort to unhygienic alternatives like old cloth rags, husks, sand, or even ashes which results in vaginal infections often leading to chronic Reproductive Tract Infections (RTIs), pelvic inflammatory diseases, Child-Birth issues and sometimes life-threatening cervical cancer. A countrywide survey conducted AC Nielsen and Plan India, among women and adolescent girls all throughout India revealed that nearly 70 percent of women said that their families cannot afford sanitary napkins and that over 88 percent of women resorted to shocking alternatives such as cloth, ashes and husk sand during menstruation, thereby causing severe reproductive health problems. The study showed that Reproductive Tract Infections (RTIs) was 70% more common among women using unhygienic practices while 12% of women who use napkins are at a lower risk of cervical cancer which is the most prevalent form of cancer among women in developing nations.
    The primary reason cited for this problem in rural India is unaffordability and high cost of sanitary napkins whose average price range is approximately Rs. 60/- to as high as Rs 100/- for a pack of 8. As the sanitary napkin products are not available in a single pack, the rural women, who are mostly daily wage earner at Rs 120/day, needs to shell out ½ of her wage to buy a single pack of Sanitary napkin. The cheapest sanitary napkin available at Rs 30/- for a pack of 8, is also not cheap enough, if we take into consideration the large Below Poverty Line(BPL) population ( The threshold of BPL population in rural India is Rs 32/- day). Also, the cheap napkins are so poor in quality that instead of one, multiple napkins (at-least two) are required in a day, thus effectively costing twice as much or Rs. 60/- (Rs 30 X 2) for the whole period
    Still, a large population of rural women, who could have afford the sanitary napkins, do not use them for the following two reasons:
    • Low awareness of proper reproductive hygienic practices. This is probably the biggest barrier for adoption, as reproductive hygiene education and sexual education is not part of any education system in India. The adolescent girls only form of such education is from her mother and grandmother, who themselves had practiced the unhygienic behaviors for years and thus do not see any harm in the practices of using old cloths during menstruation. Though in urban India the trend has changed in recent years, but in rural India, these topics remained significantly taboo among all, irrespective of social and economic status.
    • Social issues that prevent women from obtaining sanitary napkins at local pharmacies due to embarrassment on the topic (most pharmacies are run by men and women feel socially uncomfortable asking for these products from male pharmacists – an inherent issue in these regions)
  • pi | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১১:৪৮286624
  • এটা কয়েকবছর আগের তথ্য, এখন কী জানিনা।
    Around 23% of adolescent girls in the age-group 12-18 drop out of school after they begin menstruating because of inadequate menstrual protection like sanitary napkins; those who are in school absent themselves for an average of five days a month.

    ‘Sanitary Protection: Every woman’s health right’, a study conducted by A C Nielsen and reviewed and endorsed by the community development organisation Plan India, reveals that only 12% of India’s 355 million menstruating women use sanitary napkins.
  • pi | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১১:৪৩286623
  • ফেবুতে এই নিয়ে অনেক তর্ক চলছে, এখানেও লিখি।

    মামুর লেখায় এই লাইনটা ছিল। 'শ্লীলতাহানির প্রতিবাদে স্যানিটারি ন্যাপকিন গাছে-গাছে ঝোলানো এর অন্যতম উদাহরণ। বোরিং জনসংযোগের পরিবর্তে পাবলিককে শর্টকাটে শক-দানই লক্ষ্য বলে এটির পোশাকি নাম শক-থেরাপি। '

    শ্লীলতাহানির প্রতিবাদে ন্যাপকিন ঝোলানোর ধাক্কাটা কতটা কী ফলপ্রসূ জানিনা ( বরং উল্টোটাই মনে হয়), পিরিয়ড নিয়ে ট্যাবু প্রসঙ্গে হয়তো কার্যকরী ধাক্কা হতেও পারতো।
  • a x | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১১:৪২286622
  • আজকাল এদিক পানে মেনস্ট্রুয়াল কাপ ব্যবহার করে অনেকেই। দেশে কি পাওয়া যায়? যেটুকু দেখলাম তাতে বুঝলাম কেউ যদি অভ্যস্ত হতে পারে, তাইলে এর চেয়ে ভালো জিনিস আর হতে পারেনা। স্যানিটারি ন্যাপকিন, ডায়াপার এগুলো তো একগাদা ল্যান্ডফিল তৈরি করে। একটা কাপ অনেকদিন ব্যবহার করা যায়, আর অনেকক্ষণও ব্যবহার করা যায় একবারে।
  • sosen | ১২ এপ্রিল ২০১৫ ১১:৩৮286621
  • ধাক্কার সাথে একটা কোরিলেশন ও আছে, জড়তা কেটে গেলে আলোচনা সোজা হয়, প্রয়োজনীয় ব্যাপারগুলো কুয়াশা কাটিয়ে চোখে পড়ে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত