এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Tim | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৪৬285539
  • ক্যালাকেলি হচ্চে? (বাদাম নিয়ে বসি)
  • byaang | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৪৬285540
  • কুমুদি আমি কোথাও যাচ্ছি না। তবে কখনও যেতেও তো পারি, তাই খোঁজখবর নিয়ে রাখলাম।
  • byaang | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৪০285538
  • আকা, তুই থাবড়া খাবি? উইথ কিলঘুঁষি?
  • byaang | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৩৯285537
  • থ্যাংকিউ একক। আইটিনারির জন্য।
  • aka | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৩৮285536
  • তাইলে এক কাজ কর, মদ খা উইথ কফি। লিকুইড অক্সিজেনের মতন- কফি তোকে ঘুমোতে দেবে না, আর মদ তোকে জাগতে দেবে না।
  • byaang | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৩৭285535
  • আর আমি লিং চাই নি। আপনাদের নতুন নতুন মজার লেখা পড়তে চেয়েছিলাম।
  • byaang | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৩৫285534
  • উফ্ফ
    চা খাই না, কফি খাই, মদ খাই না,
  • kumu | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:২৯285533
  • অ মিঠু আমি ঐ চড়াইকথাটা খুবি ভালোবেসে পড়েছিলাম।এখানে লিখেছিলাম তো।
    নাকি লিখিনি?লিখেচি বলেই মনে লয়।যাগ্গে,বয়েসের দোষ, সরি চেয়ে নিলাম।
    আর ঐ ভুঁড়ি ফাঁসানোর প্রোগ্রাতে আমিও আছি।
  • একক | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:২৩285532
  • তবে আমার বাবা আর মামা হাইট করেছিলেন। বাবার কোনো খাওয়ার জ্বালা নেই, যা পান তাই খান টাইপ। আর মামা হচ্ছেন টিপিকাল বাঙালি। বিদেশের খাবার পোষাবেনা বলে বাইরে কনফারেন্সে গেলে অবধি কাজ মিটলেই পালিয়ে আসেন। এই দুই মক্কেল কে আমি ওই পুনাখা যাওয়ার টপ পয়েন্টের হোটেল বুক টুক করে মালিকের সঙ্গে পাঠিয়ে দিয়েছি। তারপর আপিসে বসে ফোন করে জিগাচ্ছি আমার গেস্ট রা ঠিকঠাক আছে তো ? উত্তর শুনি ওনারা তো রান্নাঘরে !! যেখানে কোনদিন বাইরের লোক এলাও নয় সেখানে বুঝিয়ে বাঝিয়ে ঢুকে সেই ওয়ান্গ্দী বাজার থেকে ইলিশ মাছ কিনে এনে ইলিশ এর ঝোল -ভাজা রান্না হচ্ছে। ওয়ান্গ্দী তে একটা জলবিদ্যুত প্রকল্প আছে, প্রচুর বাঙালি ইঞ্জিনিয়ার আছে। তাই লোকাল মার্কেটে ইলিশ আসে। আমি কোনদিন ওই বাজারে ঢুকেও দেখিনি অতবার পাশ দিয়ে গেছি !
  • aka | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:১৭285531
  • যদ্দিন রেন্টাল আছে কুছ নেহি খরিদনেকা। একটা অভতার রেন্টালে পেলে নিজের জন্য রেন্ট নিই বলে। লটারি পেলে অন্য কথা।
  • | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:১৪285530
  • প্রবাল নিজেই শজারু! ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে খুন করে বাড়ি চলে যায়।ব্যোমকেশ পিছনে২ ফলো করে।
    এরচে হাতে একটা কাঁটা থাকলে পরিচালকের ভুন্ডি ফাঁসিয়ে দিয়ে আমোদ পেতাম।
  • | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:০৮285529
  • কুমুর ওপর খুবি রাগ করেছি, চড়াইপ্রেম নিয়ে একটা অতিদীর্ঘ প্রবন্ধ লিখে অল্প সাধুসাধুরব আশা করেছিলামঃ((
  • kumu | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:০৩285526
  • ১।ব্যাং কোথায় ২ যাচ্চে ?আমিও যাব যদি বেশ সমান জায়গা হয়।বেশী ওঠানামা না কত্তে হয়।ফোজ্জি আমিও প্ল্যান্ট দেখব।
    ব্যাং, নন্দিনী ডেয়ারির জিনিস বেশ ভালো।নেসলের ঐ ভিডিওর লিং আছে?
    মিঠু,শজারুর কাঁটা আমারো খুব প্রিয়,হার্ট উল্টোদিকে থাকা ইত্যাদি সবকিছু নিয়ে।
    টংলিং নিয়েও ?ভাবা যায় না।তুমি কি তাদের ক্ষমা --ইত্যাদি
  • shatadal | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:০২285525
  • ওয়াইন, ব্রান্ডি এসবও মোটামুটি জুস। ক্যাথলিক বাড়িতে আগে বাচ্চাদেরও দিত। আজকাল একটু অসুবিধা হয়েছে।
  • | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:০১285524
  • আর ভি কেনা হয়ে গেছে? তাইলে সামারে আটলান্টা যাবোখন।
  • Abhyu | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:০০285523
  • ছোটো সাম্পানের ডাকনাম গাম্পু?
  • aka | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:৫৯285522
  • দিনে এক কাপ কফি, এক পাত্তর মদ ওকে। চা তো প্রায় জুস। গাম্পুও খায়।
  • Abhyu | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:৫৮285520
  • অ্যাঁ তবে যে বললে "আমি চা খাই, কফি খাই না, মদ খাই না। "
  • aka | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:৫৮285521
  • এবারে আরভিতে হাতেখড়ি করবই করব।বাড়ির ১০০ মাইলের মধ্যে।
  • | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:৫৫285519
  • ইকিরে বাবা! আগে বরম ঠিক করো, কী খাও আর কী খাও না। পোস্কার লিখেছ চা খাও কিন্তু কফি বা মদ খাও না।
  • byaang | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:৫২285518
  • বলছি চা খাই না। তাও বলে টিমেকার নেবেন! কেন রে বাপু? আমি মিনিমাম লাগেজে ঘুরে বেড়াতে চাই। আর তোকে আমার হেব্বি দরকার। ফোন করছি।
  • একক | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:৪৮285517
  • তাহলে একটা পুঁচকে টি মেকার সঙ্গে নেবেন যেগুলো ওই প্লাগ পয়েন্টে দিয়ে ইউস করা যায় :)
  • byaang | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:৪৪285516
  • আমি চা খাই, কফি খাই না, মদ খাই না। ওক্কে?
  • একক | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:৩৫285515
  • ব্যাং এর জন্যে :
    একটা ছোটো রুট লিখছি: যাওয়ার রাস্তা ট্রেইনে উত্তরবঙ্গ হয়ে আসার পথে পারো থেকে ফ্লাইট রাখলুম।

    ডে ওয়ান : হাসিমারা নেবে সেখান থেকে ট্যাক্সি নিয়ে ফুনছোলিং। ফুনছোলিং এ ঘোরার কিছু নেই। তবু যদি নেহাত ইচ্ছে করে তোর্সা রিভারসাইডের রাস্তা ধরে একচক্কর হেঁটে আসতে পারেন।ইমিগ্রেশন অফিসে পারো-থিম্ফু রুটের পারমিট বানিয়ে দুপুরের লাঞ্চ সেরে গাড়ি বুক করে রওনা দিন থিম্ফুর দিকে। একটু এগোলেই পরবে পাসাখা মনাস্ট্রি। একটা বাচ্চা মত লাখাং আরকি। ১৫ মিনিটের বেশি থাকার দরকার নেই। ওপর থেকে ফুনছোলিং শহরটা দেখা যায় নদী শুদ্ধু। ব্যাস। এবার গাড়ি নেক্সট দাঁড় করাবেন চুখা। একটা রেস্তরান্ট আছে। ভালো পর্ক স্টীম মোমো পাওয়া যায়। চুখা আসার রাস্তাতেই পাশে দেখবেন একটা পুরো কুয়াশা ঘেরা পাহাড় অন্যদিকে রাস্তা বেড়িয়ে গ্যাছে। ওটা দ্রাল্হা। আমার অফিস কাম ফ্যাক্টরি ছিল। ওদিকটা ডেন্স ফরেস্ট তবে আলাদা করে বেড়ানোর কিছু নেই। চারপাশে সবই সবুজ আর সাদা কুয়াশা। চুখা থেকে আবার রওনা দিয়ে সন্ধ্যে নাগাদ থিম্ফু ঢোকার মেইন ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট পাবেন। পথে আরও চেকপোস্ট আছে। বারবার কাগজ-ব্যাগ চেক করে তবে পুলিশ খুবই কোঅপারেটিভ।

    ডে-ওয়ান নাইট এ থিম্ফু স্টে। হোটেল টানডিন, হোটেল তাজ টাশি, হোটেল যুমাল্হরী এগুলো স্ট্যান্ডার্ড। শনি-রবিবার রাত হলে পাহাড়ের উইক এন্ড এনজয় করুন। সমস্ত বার, ক্লাব ঘিরে থিম্ফু শহর।মাঝরাত অবধি ছেলেমেয়েদের নাচগান হইচৈ। হোটেল টানডিন এর বেসমেন্ট এরিয়াতে একটা ভালো পাব আছে। শুধু মেটাল মিউসিক এর। বাছা লোকজন যায়। পরিবেশ ঠিকঠাক। আলাদা করে অন্য জায়গায় রাত্রে খাবার না খোঁজাই ভালো।

    ডে-টু : থিম্ফু তে "দেখার" বলতে ছোট্ট সাজানো শহর। থিম্ফু ছু নদী। নদীর লাইন ধরে হেঁটে গেলে জিনিয়া র জঙ্গল। পপলার এর সারি। মিউসিয়াম দেখতে পারেন। বুদ্ধা পয়েন্ট যেতে পারেন। একটু বাজারে ঘুরতে পারেন। নইলে জাস্ট থিম্ফু ইমিগ্রেশন কাউন্টার এর বাইরে বসে লোকজন দেখুন। ইমিগ্রেশন এক্সটেনড করে হা-পুনাখা-ওয়ান্গ্দীফদ্রং-বুমথাং করিয়ে নিন। ড্রাইভার সাহায্য করবে তবে নিজে দাঁড়িয়ে তাগাদা না দিলে দেরী হয়। রোববার কাউন্টার বন্ধ থাকে। ইমিগ্রেশন হাতে পেলেই সোজা বেড়িয়ে যান পারো। পারো পৌছেই আগে লাঞ্চ সেরে নিন। সাদা ভাত খুঁজে সময় নষ্ট না করাই ভালো। হোটেল পেলজোরলিং মোটামুটি সাবেকি ভুটানি রান্নার রেস্তরান্ট। রেড রাইস-চীসচিলি কারি -পর্ক -বীফ কারী পাবেন। চিকেন পাওয়া যায়। ভালো বানাতে পারেনা। খেয়ে বেড়িয়ে পারোর একটা হোটেল (এখানেও টাশি গ্রুপ বা অন্য অনেক হোটেল আছে )এ মালপত্র ঢুকিয়ে দিয়ে সিধে গাড়ি নিয়ে চলে যান জুমালাহরী পীক দেখতে। টিবেটান ফোর্ট দেখুন (ধ্বংসাবশেষ )। জুমালাহরী দেখুন। তারপর সন্ধ্যে অবধি পারো সিটিতেই পায়চারী করুন যত খুশি। রাত্রে হোটেলে সাদা ভাত-ডাল-চিকেন পাবেন।

    ডে -থ্রি : এবার ভোরে উঠে বেড়িয়ে হা,পারো মনাস্ট্রি, মিউসিয়াম দেখুন। হা হলো চায়না সীমান্ত। পুরনো বানিজ্য পথ। পাগলের মত হাওয়া দেয় সর্বদা আর চিকন রাস্তা। এখানে সাইক্লিং করতে বিশাল মজা। ওদিকে প্রচুর খুঁটিনাটি দেখার জিনিস আছে মনাস্ট্রি তে। মহাযান ইতিহাস পুরো। পারো তে হালকা বাজার করতে পারেন। ভুটানি পেইন্টিং (থান্খা) পাবেন, র সিল্কের তৈরী হাতে বোনা স্কার্ফ পাবেন আর হাতে বোনা মেয়েদের কিরা( র্যাপ-অন আরকি )। ৪-৫ হাজারের বেশি বললে কাটিয়ে দেবেন। টুরিস্টদের হেবি মুরগি করে।

    ২ট-র মধ্যে ফিরে খাওয়া সেরে গাড়ি চড়ে এবার চলুন পুনাখা যাওয়ার রাস্তায় টপ পয়েন্টে। এটা দারুন জায়গা। ফাটাফাটি একটা লজ আছে পাহাড়ের মাথায় বড় এরিয়া নিয়ে।খুব শান্ত, সিকীয়র প্লেস কারণ ঢিল ছোঁড়া দুরেই রাজার নিজের সামার হাট। এখানে থেকে যান। এখানে বুকিং পাওয়া একটু চাপের। ফরেনারদের ভীর থাকে তবে গেলে বলবেন আমার কাছে ফোন্নং ইত্যাদি আছে।আগে বুক করলেই হবে। এখানে সারা বিকেল সন্ধ্যে চুপচাপ বসেই সময় যায়। ১৮০ ডিগ্রির চেও বেশি ভিউ পাওয়া যায় টপমোস্ট পীক গুলোর। রাতের আকাশ দুর্দান্ত। এদের খাওয়াদাওয়া বেশ ভালো, পরিস্কার। তবে সব ভুটানি রান্না। যদি নেহাত মাছ খেতে মন চায় ড্রাইভার কে নিয়ে ওয়ান্গ্দী বাজার থেকে মাছ এনে দিলে ফ্রাই করে দেবে। আমার বাবা অবশ্য গিয়ে রান্নাঘর হাইজ্যাক করে ইলিশ রেন্ধেছিলেন :(

    ডে ফোর : ভোর বেলা উঠুন। পাহাড়ের পুরো ভিউ পাবেন। জেচু ড্রেক (ভুটানের হায়েস্ট পীক যেখানে আজ অবধি কারো পা পরেনি) দেখতে পাবেন। জ্যানুয়ারী তে গেলে এই এরিয়াটা চারপাশ বরফে সাদা থাকে। তা না হলেও এনজয়েবল। ব্রেকফাস্ট সেরে লাঞ্চ প্যাক করে গাড়িতে চড়ে পড়ুন পুনাখার দিকে। ব্রেকফাস্ট একটু একঘেয়ে। অত সকালে এদের মাংস হয়না তাই প্রচুর স্যান্ডউইচ ব্রেড আর অফুরন্ত চীস :(
    পুনাখা যাওয়ার রাস্তায় ব্রিজের আগে জোড়া নদী পাবেন। নীল জল। এবার পাহাড়ের রং চেঞ্জ করবে। কারণ এটা নীচু জায়গা। লো ল্যান্ড ভেজিতেষণ। ধান চাষ হয়। পুনাখা পৌছে দেখবেন পুনাখা জং। জং শব্দের অর্থ ফোর্ট আবার ডিস্ট্রিক্ট ও বটে। পুনাখা জং এর কারুকাজ দেখার মত জিনিস। প্রচুর ছোটো ছোটো কক্ষ আছে। টুকটুক করে ঘুরে দেখুন ছবি নিন। চার ঘন্টা লাগবে ভালো করে ঘুরে দেখতে। ১২ টার মধ্যে গাড়ি চড়ে বসুন, এবার যাত্রা বুমথাং এর দিকে। বুমথাং ৮ ঘন্টার পথ।

    মনগর হয়ে যদি গাড়ি ঢোকে আবার মাউন্টেন রেঞ্জে কালার চেঞ্জ পাবেন। পুরো কালো পাথর। দুর্গম উঁচু-নীচু পথ কোথাও। খুব এনজয়েবল রুট। রাত ৮ টার মধ্যে জাকার গ্রাম ক্রস করে বুমথাং ঢুকে যাবেন। বুমথান্গেও প্রচুর হোটেল-লজ। ড্রাইভার কে আগে থেকে নিজেদের পছন্দ-রেঞ্জ বলে দিলে রাস্তায় থাকতেই ফোন করে কোথাও বুক করে দেবে। বুমথাং এর চীস বিখ্যাত।

    ডে ফাইভ : সক্কাল সক্কাল উঠে বেড়িয়ে পড়ুন। বরফের সময় বুমথাং মোটামুটি মাইনাস টেন-টুএলভ থাকে তাই গরম জল বলে রাখবেন। বিশাল বিশাল গেইসার আছে প্রতিটা বাথরুমে কিন্তু সে এখন চালালে দুপুরে তার বরফ গলে জল বেরয় :( হোটেল রিসেপশন এ কোনো মেয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে ফেলুন। এরা প্রচন্ড দিলখোলা আমুদে মানুষ। ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বুমথাং মনাস্ট্রি, বুমথাং ছু নদী এসব দেখাবে। নদীর রাস্তা টা খুব উপভোগ্য। আর মনাস্ট্রি তে গেলে মিনারেল ওয়াটার তৈরী দেখতে পাবেন ঝরনার জল থেকে। একাধিক মনাসট্রি বুমথাং এ। দারুন সব মূর্তি ভেতরে। থানকা পেইন্টিং, মহাযান স্ক্রিপ্ট এ ভর্তি।
    ফিরে এসে দুপুরের খাওয়া সেরে আবার বেড়িয়ে পরুন। লোকাল ওয়াইনারি, চীস ফ্যাক্টরি, সুইসদের ভিলেজ এসব দেখুন। আপেল থেকে তৈরী ভালো বিয়ার পাবেন। সীডার ও বানায়। খাবার জিনিস কেনাকাটি করার সময় হোটেলের বন্ধুর পরামর্শ মেনে চলা ভালো। নইলে অথেন্টিক ভুটানি কিন্তু আমাদের জিভে বিকট স্বাদের কিছু খেয়ে বসতে পারেন। যেমন ব্লু চীস। ভালো না লাগলে ট্রাই করবেন না। অনেকের পেট কামড়ায়।
    বুমথাং ভ্যালির সন্ধে খুব খাট্টাশ টাইপ। ঝপ ঝপ করে টেম্পারেচার নাবতে থাকে। পেটে এলকোহল না থাকলে একটু মাঙ্কিক্যাপিত হয়ে থাকা ভালো। তবে শুকনো পপলার আর সিল্ক ওক এর ওপর দিয়ে যখন চাপ চাপ অন্ধকার বিছোয় তখন সারাদিন গায়ে ব্যথা করে এসে বারান্দায় বসে সুজা খাওয়ার মজাই আলাদা। আরেকটা কথা।এরা ঠিক বাঙালি "চা" বানাতে পারেনা। ফিকা বানায় অর্থাত খুব লাইট লিকার সোনালী রঙের যেটা সারাদিন ধরে খায়। আর নইলে সুজা মানে বাটার টি উইথ হার্ব। সুজা টেস্ট করে দেখতে পারেন। দুর্দান্ত ডেলিকেসি। এক মাগ খেলে ঠান্ডা পালায়। নইলে নিজে চা বানিয়ে খাওয়া শ্রেয়।

    ডে সিক্স : পরদিন ভোরে উঠে রওনা দিন পারোর দিকে। যদি আসার পথে পুনাখা তে বেশি সময় দিতে না পারেন এবার ফেরার পথে বিকেল বেলা ঘুরে নিন। পারো নাইট স্টে করে পরদিন সকালে ফেরার ফ্লাইট ধরুন।

    টাশি ডেলেক :)
  • | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:৩১285514
  • যাগ্গে ১৫র ডিসেম্বারে সহজ দুদুভাতু সান্দকফু-ফালুট প্ল্যান করছি। মনে হয় না কেউ আগ্রহী হবে, তবু হলে জানিও একসাথে প্ল্যান করা যাবেনে।
  • | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:২৩285513
  • টং লিং! টং লিং!!!!
    উফফফফ
  • | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:২১285512
  • সত্যবতী টা কে? সোনালী গুপ্ত!!
  • byaang | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:২০285511
  • আমি সেই গোঁসাইবাগানের ভূত দেখার পর থেকেই বুকে একটা দশমুণে চাপিয়ে নিয়েছি। ঃ(
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত