এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Atoz | ২৭ মার্চ ২০১৫ ০৭:০৫283830
  • আলোচনার আর কোনো সীমা থাকে নাকি? যা হোক একটা কিছু নিয়ে হলেই হল।
    ঃ-)
  • S | ২৭ মার্চ ২০১৫ ০৬:৪৩283829
  • ঠিক করলাম দুটো টইতে লিখবো। তারপরে আলোচনা পড়ে কন্ফুজিয়ে গেলাম। কি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে?
  • Atoz | ২৭ মার্চ ২০১৫ ০১:২৬283828
  • কী রে বাপা, সব গেল কোথা?????
  • আরশোলা | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২৩:৫৩283827
  • আমার ভয়েসটা...
  • S | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২৩:৪৭283826
  • ওফ এবারে আপিসে আর গুচও করা চলবে না। লোকে কিসব ছবি চিপকে দিচ্ছে।
  • Atoz | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২২:৪১283825
  • গুর্চ হচ্ছে এক অফুরান নাটকের উৎস। ডাইনে বাঁয়ে উপরে নিচে সামনে পিছনে ফুরফুর করে উঠছে নতুন নতুন নাটক। ঃ-)
  • Tim | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২২:৩৯283824
  • হকি লস্ট কেস
  • Binary | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২২:৩৬283823
  • সুধু ফুটবল কেন ? ব্যাডমিন্টন ? হকি ? লিস্ট যে খ্যালা গুলোতে তাও একটা লেভেল আছে। হকি তে তো ধুয়ে-ই গ্যাছে
  • কেদি | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২২:৩৪283820
  • ধুস অই সব থেকে দুরে থাকতাম। তবে সংস্কৃতির অন্য সব প্রোগ্রামে খুবই থেকেছি। হিসেব করে দেখলাম আমাদের ব্যাচের অন্তত জনা তিরিশেকতো হবেই, যারা কোনওদিন ওয়েটিতে যায়নি।
  • | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২২:৩৪283821
  • ওটা আইপির ভয়েস। ওকে আসতে দাও বাইনারি
  • | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২২:৩৪283822
  • ওটা আইপির ভয়েস। ওকে আসতে দাও বাইনারি
  • Binary | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২২:৩২283819
  • আরে আমার আইপি তে প্রথম তিনটে ডিজিট ১৯৬ এর জায়গায় ২০৮ দেখায় কেন ?
  • Tim | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২২:৩১283818
  • এই জোশ আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচে খানিক এলে হতো। দিনের পর দিন গাছাড়া ফুটবল, খালি স্টেডিয়াম চোখে দেখা যায়না।
  • Tim | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২২:২৯283816
  • তবে একথা স্বীকার করতেই হবে আজ ভারতবর্ষ হেরে গিয়ে একদিক থেকে ভালো হয়েছে। পরেরদিন স্ট্রিমিং বেটার হবে, হুজুগে আদিখ্যেতা শেষ হয়ে খেলাটা দেখা যাবে। আজ শালা যখন আট উইকেট পড়ে গেছে তখনও আমার ভিডিও লোড হয়নি। শুধু বৃত্তের ভয়েস শুনে গেলাম।
  • byaang | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২২:২৯283817
  • কেন রে কেসি? যাস নি কেন ওএটিতে?
  • kc | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২২:২৬283815
  • মাইরি, আমি একবারও ওয়েটিতে যাইনি।
  • Binary | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২২:২৩283814
  • ফোজ্জি, বাংলাদেশ-এ এখন অনেক অনেক লোক পাকিস্তানের সাপোর্টার আছে। বিএনপি -এর সিংহ ভাগ এখন এইরকম।
  • 4z | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২২:১৮283813
  • দমদি @ 10:09 :-D

    এই লোকগুলোকে জিগ্গেস করতে হয়, সেমি তে ভারত-অস্ট্রেলিয়া না হয়ে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হলেও ওরা এরকম লাফাত কিনা পাকিস্তান জিতলে
  • Binary | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২২:১৭283812
  • এই যারা ঢিল-মিল ছুড়ছে, তাদের ভ্যালুস -এর সাথে মুকেশ সিং -এর উকিলে-এর ভ্যালুস -এর কোনো পার্থক্য নেই।
  • Binary | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২২:১০283810
  • দাদা কি টুইট করেছে ?
  • | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২২:০৯283809
  • আর বোলো না একটা গ্রুপে একজন খুব লাফাচ্ছিল ভারত নাকি খুব ব্খারাপ, ভারত নিজের স্বার্থে ৭১ এ সাহায্য করেছে আবার অস্ত্রগুলো সব ফেরত নিয়ে নিয়েছে, জল আটকে রাখে, সে কত রাগ। অনেকক্ষণ দেখেটেখে আলতো করে বললাম যে হ্যাঁ ৭১ কেন সেই আগে থেকেই চীনের সাথে সম্পর্কটা ভাল রাখলেই পাকিস্তান দুদিকের চাপে টাইট থাকত আর তখন ৭১ এ সীমান্ত সীল করে দিলেই বেটার হত।
    ভবিষ্যতের পক্ষেও ওটাই ভাল হত।

    তারপর কিছুক্ষণ লোকজন একেবারে থমকে গেল। তারপর শুরু হল পেল্লায় হুড়ুম দুড়ুম। আমি নোটি অফ করে দিলাম।
    :-)
  • pi | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২২:০৮283807
  • সিকি, এটা পড়ো। প্রবীর ঘোষের নামে ঐ অভিযোগ আনা ইঃ নিয়ে ওনার শিবিরের বক্তব্য বোঝা যাবে। তবে পুরোটা পড়ে, সত্যি ..

    প্রসঙ্গঃ প্রবীর ঘোষ
    মণীশ রায়চৌধুরী
    ১৪ মার্চ ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির বাৎসরিক সম্মেলন শুরু হল। সভাপতির ভাষণ পড়েই বুঝেছিলাম ঝড় আসন্ন। প্রবীর ঘোষ চিরকালই স্পষ্টভাষী। ধর্ম, সমাজ, রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে তিনি যদি প্রচলিত হুজুগের স্রোতে গা ভাসাতেন তাহলে তিনি সেইসব বিখ্যাত নাস্তিক লেখকদেরই একজন হয়ে থেকে যেতেন, যাঁরা লেখালেখির জগতেই নিজেদের সীমাবদ্ধ রেখে সেলিব্রিটি হয়েছেন, কোনও দিন বাস্তব প্রয়োগ করে মানুষকে শোষণ মুক্তির দিশা দেখাননি।
    সভাপতির ভাষণ আমাদের ওয়েবসাইটে উঠতেই ভারত ও বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়ায় শ্লীল ও লুম্পেনদেরও লজ্জায় ফেলে দেওয়ার মতো চূড়ান্ত অশ্লীল ভাষাতে সমালোচনার ঝড় উঠল।
    ইন্টারনেট সার্চ করে এরকম বহুজনের বক্তব্য আমি জেনেছি। যুক্তিবাদী সমিতির একজন সামান্য সদস্য হিসেবে তাদের সমালোচনার জবাব দেওয়ার তাগিদ অনুভব করছি।
    সমালোচনাকারীদের বক্তব্য অনুসারে তাদের কতগুলি শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়ঃ-
    ১) প্রবীর ঘোষ ও অভিজিৎ রায়ের বইয়ের অনুরাগী শিক্ষিত পাঠকবর্গ। অভিজিৎ রায়ের মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের পরই প্রবীর ঘোষের বক্তব্য পড়ে তাঁরা ব্যথিত হয়েছেন।
    কিন্তু, ‘নাস্তিকতা’ এবং যুক্তিবাদী আন্দোলনের কর্মপদ্ধতি নিয়ে এদের স্বচ্ছ ধারণার অভাব আছে।
    আন্দোলনের স্বার্থেই এই বন্ধুদের ভুল ভাঙানো প্রয়োজন।
    ২) উপরোক্ত দুই লেখকেরই অনুরাগী। কিন্তু, ১৯৯৬-এর যুক্তিবাদী সমিতি ভাঙার অন্তর্ঘাতের পর থেকে মিডিয়ার ব্ল্যাক আউটের কল্যাণে শেষ ২০ বছর প্রবীর ঘোষের বইপত্রের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ছিন্ন হয়েছে। তাই এদের মধ্যেও নাস্তিকতা বিষয়ে লেখালেখি এবং যুক্তিবাদী আন্দোলন সমার্থক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
    এরা স্পষ্টতই মনে করেন, দীর্ঘদিন প্রবীর ঘোষের বইয়ের কোনও বাজার নেই। তাই অভিজিৎ রায়ের লেখক হিসেবে বিপুল খ্যাতি দেখে তিনি প্রবল ঈর্ষান্বিত হয়েই এই বক্তব্য পেশ করেছেন।
    ৩) সমকামী, উভকামী, রূপান্তরকামী, পশুকামী গোষ্ঠী- এদের ক্রুদ্ধ হওয়ার কারণ অত্যন্ত স্পষ্ট।
    এরা অসংখ্য ‘লিঙ্ক’ ও তথ্য তুলে ধরে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন যে তারা স্বাভাবিক। এদের অনেকেই নিজেকে নাস্তিক বলেও দাবি করেন। স্বীকার করছি, যৌনতা বিষয়ে আপনাদের মতো অত পড়াশুনা আমার নেই। কারণ আন্দোলনের স্বার্থে আমাকে ইতিহাস, দর্শন, ধর্ম, বিজ্ঞান, রাজনীতি সকল বিষয়েই পড়াশুনা করতে হয়।
    এই মাত্রাতিরিক্ত যৌনচিন্তা অবশ্যই একটি মানসিক রোগ। তাই এরা কোনও দিনই যুক্তিবাদী আন্দোলনকে দিশা দেখাতে পারবে না।
    ৪) শীতঘুম কাটিয়ে জেগে ওঠা সাপেদের দল। দেবাশিষ ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে ’৯৬-এ সমিতিকে বিকিয়ে দেওয়ার কারিগররা এই সুযোগে গর্ত থেকে বেরিয়ে এসেছে। তার স্পষ্ট প্রমাণ আমার হাতে এসেছে। ‘ক্রিমিনাল প্রবীর ঘোষকে চিনে নিন’ জাতীয় ২০ বছর পুরনো লিফলেটগুলি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিয়ে এরা মানুষকে ভুল বোঝাতে চেষ্টা করছে যে, প্রবীর ঘোষ বহুদিন আগেই যুক্তিবাদী সমিতি থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন।
    ছাপার অযোগ্য ভাষায় এরা যে সকল গালিগালাজ করছেন তা বহু আগেই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে তুলে ধরেছি।
    দেবাশিষ ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে প্রবীর ঘোষের বিরুদ্ধে যে ১৪টা মামলা করা হয়েছিল সেসব অভিযোগ ভুয়ো ছিল এবং প্রবীর ঘোষ সব মামলাতেই জেতেন। প্রবীর ঘোষকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে যে ওরা দাবি করছে,চ্যালেঞ্জ রইলো তার প্রমাণ ওরা দেখাতে পারবে না। রেজিস্টার অফ সোসাইটি একই নামে দুটো সংস্থাকে সার্টিফিকেট দিতে পারে না। আমি সার্টিফাইট কপি তুলেছি, যে কোনও ভারতীয় নাগরিক সার্টিফাইট কপি তুলতে পারেন। সেখানে লেখা আছে ৭২/৮, দেবীনিবাস রোড, কোল-৭৪ হল ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির registered অফিস। এবং প্রবীর ঘোষ সভাপতি ভারতীয় বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদী সমিতির।
    সমিতির নেতৃবৃন্দকে এদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্হা নেওয়ার অনুরোধ করছি।
    এবার মূল বক্তব্যে আসা যাক। সভাপতির বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট তিনি সাম্প্রতিককালে আততায়ীর হাতে নিহত নরেন্দ্র দাভোলকর, গোবিন্দ পানসারে এবং অভিজিৎ রায়কে সামগ্রিক অর্থে যুক্তিবাদী বলে মনে করেননা। তাঁর মতে, প্রচারমাধ্যম এদের ইমেজকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে অনেক বড় করে দেখাচ্ছে। অনেকেরই তাঁর এই বক্তব্যকে নির্লজ্জ আত্মপ্রচার, আত্মশ্লাঘা বলে মনে হয়েছে।
    তাই চলুন নিরপেক্ষভাবে উপরোক্ত ব্যক্তিদের কর্মকান্ডকে বিচার করি।
    গোবিন্দ পানসারে ১৯৩৩ সালের ২৬ নভেম্বর মহারাষ্ট্রের আহমেদনগরে জন্মগ্রহণ করেন। প্রচন্ড দারিদ্রের সাথে সংঘর্ষ করে কোলাপুরের রাজারাম কলেজ থেকে তিনি LLB পাশ করেন। আজীবন তিনি CPI-এর সদস্য ছিলেন। মারাঠী ভাষায় তিনি মোট ২২টি বই লিখেছিলেন। যার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় বই ‘শিবাজী কৌন হোতা’ অর্থাৎ শিবাজী কে ছিলেন। বইটি ৫-৬টি ভাষায় অনূদিত হয়ে বিপুল জনপ্রিয়তা লাভ করে।
    প্রায় দু’মাস আগে কোলাপুরের শিবাজী ইউনিভার্সিটিতে এক বক্তব্যে বলেন, গান্ধী হত্যাকারী নাথুরাম গডসেকে যেভাবে পূজা করা হচ্ছে তা উচিত নয়। এতেই RSS-এর নেতারা তাঁর উপর ক্ষুব্ধ হন এবং ফলশ্রুতিতে তাঁকে নিহত হতে হয়।
    এবার তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞাকে বিশ্লেষণ করা যাক। তিনি CPI-এর সদস্য ছিলেন। CPI তার তাত্ত্বিক ও বাস্তবিক কর্মকান্ডের ভিতর দিয়ে কোনও দিন সাম্য আনতে পারবে বলে আপনাদের মনে হয়?
    শিবাজীকে মহারাষ্ট্রের মানুষ মাত্রাতিরিক্ত শ্রদ্ধা করে। তাই তাকে নিয়ে ভাল কথা লিখলে সেই বই বিক্রি হতে বাধ্য। যে শিবাজী নিজের প্রজাদের উপর ‘চৌথ’ ও ‘সরদেশমুখী’ নামক অতিরিক্ত কর বসিয়েছিলেন তিনি কতটা মহান মানুষ ছিলেন তা পাঠক বিচার করবেন।
    তাছাড়া ‘ভাল রাজা’ বা রাজতন্ত্র জনকল্যাণকামী রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠন করতে পারে বলে যে পানসারে মনে করতেন, তাঁকে আদৌ সাম্যকামীরা যুক্তিবাদী বলবেন কি?
    নভেম্বর ১৯৪৫ সালে মহারাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করা নরেন্দ্র অচ্যুত দাভোলকর পেশায় নামী ডাক্তার ছিলেন। ১৯৮৯ সালে কুসংস্কার বিরোধী আন্দোলন করার জন্য ‘মহারাষ্ট্র অন্ধশ্রদ্ধা নির্মূলন সমিতি’ গঠন করেন। সংগঠনটি আজ পর্যন্ত যেসকল যুক্তিবাদী আন্দোলন করেছে তা হল :-
    ১) গণেশ চতুর্থীতে জলাশয়ে মূর্তি বিসর্জন করে জলদূষণ না করার জন্য আবেদন।
    ২) পরিবেশ দূষণ রোধ করতে ছোট গণেশ মূর্তি ব্যবহার ও মূর্তির সাজসজ্জার জন্য জৈব রঙ ব্যবহার করতে জনতাকে আবেদন।
    ৩) ২০০২ সালে জলে হাঁটা, হাওয়ায় ভেসে থাকা, জ্বলন্ত কয়লার উপর পাঁচ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকা- এরকম ১২টি অলৌকিক ঘটনা ঘটিয়ে দেখালে ১১ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা।
    ৪) ২০০২-এর বিধানসভা নির্বাচনে ৮০% নির্ভুলভাবে ফলাফল ঘোষণার জন্য ২১ লক্ষ টাকার চ্যালেঞ্জ।
    ১৯৯২ সালে ‘অন্ধবিশ্বাস নির্মূলন সমিতি’ পুণে জেলার বারামতি গ্রামের মিঠেবাবার অলৌকিক ক্ষমতাকে ৫ লাখ টাকার চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হেরে যায়। এই সমিতির নেতা ছিলেন শ্রীরাম লগু এবং তাঁরই অবর্তমানে নরেন্দ্র দাভোলকর নেতা হন পরে। কিন্তু প্রবীর ঘোষ ‘আজকাল’ পত্রিকার প্রতিনিধি হিসেবে গিয়ে মিঠেবাবার অলৌকিক ক্ষমতার রহস্য ফাঁস করেন। আজকাল পত্রিকায় দুপাতা জুড়ে এই ভান্ডাফোড়ের প্রতিবেদন বেরিয়েছিল। এবং ‘টাইমস অফ ইন্ডিয়া’র পত্রিকায় দেড় লক্ষ টাকার চ্যালেঞ্জ জানান। কিন্তু ভানুদাস গাইকোয়ার অর্থাৎ মিঠেবাবা চ্যালেঞ্জ গ্রহণ না করে পালানোকেই বুদ্ধিমানের কাজ বলে মনে করেন।
    ৫) মহারাষ্ট্র প্রিভেনশন অ্যান্ড এরাডিকেশন অফ হিউম্যান স্যাক্রিফাইস অ্যান্ড আদার ইনহিউম্যান এভিল অ্যান্ড অঘোরী প্রাকটিসেস অ্যান্ড ব্ল্যাক ম্যাজিক অ্যাক্ট ২০১৩’ আইন প্রনয়ণের জন্য আন্দোলন।
    এই আইনে দোষী সাব্যস্ত হলে ‘অলৌকিক’ক্ষমতার দাবিদারদের শাস্তি হবে ন্যূনতম ৬ মাস থেকে ৭ বছর পর্যন্ত জেল এবং ৫ হাজার টাকা থেকে ৫০,০০০ টাকা জরিমানা।
    ধর্মবিরোধী বলে হিন্দুত্ববাদীরা দাবি করলে সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঈশ্বর বা ধর্মকে অপমান করা তাদের উদ্দেশ্য নয়। তারই সংগঠনের শ্যাম মানব যিনি এই আইনটি ড্রাফট করেছিলেন তিনি জানান, এই আইনে অলৌকিক ক্ষমতা দেখাতে বাধা দেওয়া হচ্ছে না, কিন্তু তার সাহায্যে লোক ঠকালে শাস্তি হবে।
    অর্থাৎ অলৌকিক ক্ষমতা কিন্তু আছে। কিন্তু মিডিয়ার প্রচারে এরাও যুক্তিবাদী!
    তার থেকেও বড় কথা ইংরেজ আমলেই এরকম দুটি আইন ছিল যার নাম ‘ড্রাগস অ্যান্ড ম্যাজিক রেমেডিজ অ্যাক্ট’ এবং ‘ড্রাগস অ্যান্ড কসমেটিক্স অ্যাক্ট’।
    ২০০৯ সালে আইন দুটিকে সংগঠিত করে সারাভারতের জন্য একটি শক্তিশালী আইন তৈরি হয় যার নাম ‘ড্রাগস অ্যান্ড ম্যাজিক রেমেডিজ অবজেকশনেবল অ্যাডভারটাইজমেন্ট অ্যাক্ট, অ্যামেন্ডমেন্ট ২০০৯’। যার ড্রাফটিং কমিটিতে ছিলেন স্বয়ং প্রবীর ঘোষ।
    এই আইনে শাস্তি ১০ বছর জেল ও ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা। আর রোগী মারা গেলে যাবজ্জীবন কারাদন্ড হবে।
    অথচ, তার ৪ বছর পর একটা অপ্রয়োজনীয় সামান্য আইন করতে গিয়ে দাভোলকর খুন হলেন।
    এরপর যদি প্রবীর ঘোষ বলেন যুক্তিবাদী হতে গেলে পড়াশুনা করতেই হবে, তাহলে তিনি কি ভুল বলেছেন?
    এরপর সবচেয়ে বিতর্কিত অভিজিৎ রায় প্রসঙ্গে আসা যাক। নিঃসন্দেহে উচ্চশিক্ষিত মানুষ। তিনি দুটি আবিষ্কারের পেটেন্ট হোল্ডারও ছিলেন। প্রবীর ঘোষ মুক্তকণ্ঠে স্বীকার করেছেন, তাঁর সবচেয়ে বড় গুণ ছিল বিজ্ঞানের জটিলতম বিষয়কে সহজবোধ্য ভাষায় জনগণের কাছে তুলে ধরা। তিনি সম্ভবত ৮টি বই লিখেছিলেন।
    কিন্তু, তাঁর কর্মকান্ড বিজ্ঞান কুসংস্কার বিষয়ক বই লেখা ও ‘মুক্তমনা’ নামে একটি অতিজনপ্রিয় ওয়েবসাইট পরিচালনার ভিতরই সীমাবদ্ধ ছিল। নাস্তিকতা ও যুক্তিবাদ নামক সামগ্রিক শোষণমুক্তির সাম্যবাদী আন্দোলনের পার্থক্য যাঁরা বোঝেন তাঁরা স্পষ্টতই বুঝবেন, কেন তাঁকে নাস্তিক বলা গেলেও যুক্তিবাদী বলা যায় না।
    সমকামিতাকে সমর্থন করতেন অভিজিৎ রায়। প্রবীরদা তার বিরোধিতা করাতেই সবচেয়ে বেশি সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
    সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে একের পর এক লিঙ্ক তুলে সমকামিতাকে স্বাভাবিক প্রবৃত্তি প্রমাণ করার চেষ্টা হয়েছে।
    জবাব দিতে কিছু পড়াশুনা করতে হল। তাতে দেখলাম সারা পৃথিবীতে মানসিক রোগ বিষয়ে ইন্টারন্যাশনাল ক্লাসিফিকেশন অফ ডিজিজেস (ISD) ও ডায়াগনোস্টিক অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিক্যাল ম্যানুয়াল অফ মেন্টাল ডিসঅর্ডার (DSM)কে মান্যতা দেওয়া হয়।
    এর আধুনিকতম ভার্সন হল ICD10 ও DSM5। এতে সমকামিতা ও অন্যান্য জেন্ডার আইডেন্টিটি ডিসঅর্ডারগুলিকে এখনও ‘ডিসফোবিয়া’ ববলেই চিহ্নিত করা হচ্ছে। তবে এবিষয়ে বিজ্ঞানীদের ভিতরও তীব্র মতানৈক্য আছে। ‘ডিসফোবিয়া’ শব্দটির অর্থ নিজ যৌনতা নিয়ে তীব্র অসন্তোষজনিত বিশৃঙ্খলা। অর্থাৎ, স্বাভাবিক নয়।
    আচ্ছা যদি ভবিষ্যতে একে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রূপে গণ্য করা হয় তাহলে কী হবে?
    তখন একজন যুক্তিবাদী হিসেবে মেনে নেব। কিন্তু, সমকাম, উভকাম, পশুকাম নিয়েই যাদের দিন কাটে, সর্বক্ষণ যৌনতার চিন্তাকারী এই মানুষরা লম্পট হবেই। এবং এদের দিয়ে সাম্যের আন্দোলন কোনও দিনই হবে না- সেকথা আমরা অস্বীকার করতে পারি কি? সবচেয়ে মজার বিষয় সাম্যকামী প্রবীর ঘোষ অভিজিৎ রায়ের সম্পর্কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে কথাটি বলেছেন তা হল, তিনি ছিলেন শ্রেণিবিভক্ত সমাজের সমর্থক।
    অর্থাৎ সমাজে হুজুর-মজুর সম্পর্ক থাকবেই এবং শক্তিমানরা লুন্ঠন চালিয়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক।
    একবার, শোষণকে স্বাভাবিক বলে মনে করলে তার প্রতিরোধ অর্থহীন হয়ে পড়ে।
    অভিজিৎ রায়ের হত্যাকান্ডের পর মাত্রাতিরিক্ত আবেগ ভারত ও বাংলাদেশে গড়ে উঠতে থাকা সাম্যবাদী আন্দোলনের পক্ষে ধ্বংসাত্মক হতে পারে বুঝতে পেরেই প্রবীরদা সকলকে সাবধান করতে চেয়েছেন।
    সম্ভবত, সমকামীদের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা শূণ্যের কোঠায় থাকায় তারা এই বক্তব্যটির কোনও বিরোধই করেননি।
    পরিশেষে বলি, প্রবীর ঘোষ কোনও দিনই নিজেকে সর্বজ্ঞ বলে জাহির করে কোনও ‘প্রফেটিক’ সংগঠন চালান না।
    তাঁর বই পড়লেই দেখতে পেতেন লেখা আছে, আমি এতো দূর পর্যন্ত ভাবতে পেরেছি, আপনারা আরও এগিয়ে নিয়ে যান।
    তিনি কোনও দিনই চান না কালের নিয়মে তিনি মারা গেলেই সংগঠন বন্ধ হয়ে যাক। তাই তিনি আমাদের মতন অতি তুচ্ছ ছেলেদের হাতে ধরে লিখতে শেখান, প্রুফ রিডিং শেখান।
    আর কোনও অভিজিৎ যাতে রাস্তায় পড়ে না মরে, সেজন্যই তিনি নিজের অভিজ্ঞতা সবাইকে শেয়ার করে বোঝাতে চেয়েছেন কীভাবে কোটিপতি ধর্মগুরুদের ভান্ডাফোড় করেও বেঁচে থাকতে হয়।
    গভীর অনুতাপের বিষয় যে আপনারা তাঁর কথার মর্মোদ্ধার করতে না পেরে তাঁর বাপান্ত করে ছাড়লেন।
  • Binary | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২২:০৮283808
  • মানে ভারতের লোক-ও কিছু কম যায় না। এর আগে ফালতু কাঠি করে মজা দেখেছে। কার্টুন এটিসি। অনেকের আবার একটা ফালতু সুপিরিয়ায়ারিটি কমপ্লেক্স।
  • 4z | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২২:০৪283805
  • দেশের আসল সমস্যা থেকে নজর ঘুরিয়ে রাখতে গিয়ে ফালতু জিঙ্গৈসমকে ধোঁয়া দিলে এই হয়।
  • | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২২:০৪283806
  • ধোনীর বাড়ীর বাইরে পাহারা বাড়ানো হয়েছে।

    আর সৌরভ, অভিষেক বচ্চন ইত্যাদিরা পাল্টা ট্যুইট করছে বলে ফেবুতে দেখলাম। কি ভাগ্গিস আমার ট্যুইটার নাই।
  • Arpan | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২২:০৩283804
  • দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অমন হলে অনেক কিছুই হয়। বাংলাদেশের মিডিয়াও যেটুকু ফলো করেছি তাতে মনে হয়েছে এই আফিম খাওয়ানোর পর্ব ভালোই সেরেছে।
  • pi | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২২:০২283803
  • অনুষ্কার বাড়িতে পাথর ছোঁড়ার জন্য জোরদার ট্যুইটিং চলছে !
  • Binary | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২১:৫৯283802
  • না, মানছি, ইন্ডিয়াও এককালে, সেই আজহারউদ্দিন আগের যুগে, সব ম্যাচে হারত, তারপর একটা ফ্লুকে ১৯৮৩ ওয়ার্ল্ড কাপ জিতে গিয়ে লেজ মোটা হলো। তারপর হেরে গেলেই আম্পায়ার -এর দোষ বলতাম। মানে ওই আর কি, পাকিস্তানের আম্পায়ার সাকুর রানা'র পিন্ডি চটকানো চলতো। কিন্তু এইরকম উদুম মার মার ভাব হয় নি কখুনো।
  • 4z | ২৬ মার্চ ২০১৫ ২১:৫৪283801
  • পোলাপানের দল
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত