এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সে | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২৩:০৫262590
  • পাই,
    টুক টুক করে নিজেই পড়ে নিলে কিন্তু সরাসরি জানা যাবে। :-)
  • pi | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২৩:০৩262589
  • ধুত্তেরি অন্য প্রশ্নটা করতে ভুলে গেলাম। কোরান আমি পড়িনি। কেশীদা দেখলাম লিখেছেন উনি পড়ে সেরকম কিছু পাননি। ওদিকে সিকি আর ডিডিদার পোস্ট পড়ে মনে হয়েছে ( ভুল মনে হতে পারে), বিদ্বেষমূলক অনেক এলিমেন্ট আছে। থাকলে কিছু নমুনা পাওয়া যাবে ?
  • সে | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২৩:০১262588
  • সেতো এখানেও একশবার সম্ভব। আমি তো বন্দোবস্ত করেই রেখেছি কবরে যাবার।
    কিন্তু আমার পয়েন্টটা ছিলো ভারতে সম্ভব কিনা সেই নিয়ে।
  • aka | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২২:৫৮262587
  • আমার এক প্রাক্তন সহকর্মী খ্রিষ্টান, কিন্তু ক্রিমেটেড হবে বলে ঠিক করে রেখেছে, কারণ ধর্ম টর্ম নয় বরং টাকা, আজগাল কবরে যেতে আম্রিগায় খুব খরচ।
  • Ekak | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২২:৫৪262585
  • কবর/সমাধি বেশ গোলমেলে জিনিস। স্পেস টা অকুপাই হয়ে থেকে যাচ্ছে হরায়জন্তালি তো বটেই তাই লেস প্রদাক্তিভ নেচারে। যুদ্ধ -দাঙ্গা হচ্ছে কম বলে এক সভ্যতার কবরের ওপর আরেক সভ্যতা গড়ে উঠবে সেই সম্ভাবনা আগের চে কম। আফটার সার্টেইন পিরিয়ড সমস্যায় পর্বে মানুষ। বহুতল সমাধি চালু হোক আর ভাড়া গুনতে না পারলে রিসায়কলে বিক্রি করে দিক।
  • সে | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২২:৫৪262586
  • ইউকেতেও এমনি অনেক ইমাম আছেন যাঁরা ক্রমাগত এরকম শান্তির কথা প্রচার করে চলেছেন নিয়মিত ক্রমাগত। তবুও উল্টোপথে যাদের হাঁটবার তারা হাঁটছে। সুখের কথা যে অধিকাংশ মানুষই শান্তির পথে হাঁটতে চায়।
  • pi | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২২:৪৮262584
  • সিকি ডিডিদার কিছু পোস্ট পড়ে (কিছু মিসও করে থাকতে পারি) কয়েকটা প্রশ্ন পেল। ধর্মপ্রাণ অনেক মুসলিমও তো আছেন, যাঁরা পরমতসহিষ্ণু। সেটা কীভাবে ব্যাখ্যা করা যায় ?

    এই মুসলিমরা কারা ?


    এঁরা ?
    https://www.facebook.com/photo.php?fbid=792324100826455&set=pcb.792324180826447&type=1&theater

    https://www.facebook.com/photo.php?fbid=792667820792083&set=pcb.792324180826447&type=1&theater

    ছবিগুলো আশা করি সত্যি। কাগজে দেখিনি, সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখেছি। Terrorists have no religion. They just use religion. These are today's picture at Burdwan. A meeting was organised to protest against terrorism and to maintain communal harmony in West Bengal. Some people think muslims don't protest against terrorism. More than 1 lakh people gathered there. Do they need more?

    এগুলো সত্যি হয়ে থাকলে কেনো মিডিয়ায় সেভাবে আসছে না, সেটাও কিছু প্রশ্ন জাগাচ্ছে। কিছু সন্দেহও।
  • sosen | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২২:৪৩262583
  • খ্রিস্টান ক্রিমেটোরিয়াম আছে, অনেক খ্রিস্টানই পারিবারিক প্রথা অনুযায়ী বা নিজ ইচ্ছায় ক্রিমেটেড হন। এ দেশে যদিও একটু কম।
    হিন্দু শিশু ও গর্ভিণী মায়েরা মারা গেলে গোর দেওয়া হয়।
    তাছাড়াও অনেকেই এরকম ইচ্ছা প্রকাশ করেন, তা মান্য করতে কিছুটা জমি কেনার দরকার হতে পারে।
    মুসলিমদের দেহ দাহ হতে এতাবত দেখিনি।
  • Ekak | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২২:৪০262582
  • এখন তো দেহদান বলতে চিকিত্সাবিজ্ঞান এর কাজে লাগানো কেই শুধু বোঝানো হয়। ওটাই তো ইন্ডাস্ট্রির একমাত্র চ্যানেল না। আমি দাবি করতে পারে আমাকে ট্যাক্সি ডারমি করে সর্বোচ্চ নিলামে বেচে দেওয়া হোক। কেও দাবি করতে পারে স্পেসশীপ থেকে ছাই ছড়ানো হোক। চাওয়াটা তে দোষ নাই। দোষ যখন ধর্ম ধরে চাওয়া টা নির্দিষ্ট করা হচ্ছে। বেসিকালি একটা ওয়েস্ট রিসাইকল পলিসি যার মধ্যে বেস্ট মেথড নিয়ে তর্ক। সেটা দল না পালিয়ে ওপেন রাখা ভালো, হবেও ; বাজারের বিস্তারের সঙ্গে। পোস্ট মরটাল রিচুয়াল কন্ট্রাক্ট মেনে একেকটা কোম্পানি সার্ভিস দেবে। এই "আমি কোলগেট ছাড়া মাজিনা " এটা থাগ্বেনা চিন্তা নাই :)
  • সে | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২২:৩৯262581
  • না। ভারতে অন্ততঃ নেই। অন্য কোনো দেশে আছে কিনা জানিনা।
    মৃত মানুষের চয়েস থাকে তো। উইল। চক্ষুদান করা যায়, দেহদান করা যায়, অথচ সৎকারের ব্যবস্থা সমস্তই ধর্মীয় গ্রুপের আন্ডারে। ডেথ সার্টিফিকেট কিন্তু দিচ্ছে সরকার, ধর্মীয় গ্রুপেদের সে অধিকার নেই। তবে কেন এই চয়েসটুকু থাকবে না? যা আছে সে তো খুবই ভালো, যা নেই সেটা চাওয়া কি খারাপ?
  • সিকি | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২২:৩৭262580
  • ঠিক তাই। কিছুই এসে যায় না। মৃত ব্যক্তির আস্তিকতা বা নাস্তিকতা এক্ষেত্রে ম্যাটার করে না। ম্যাটার করে তার নিকট পরিজনদের বিশ্বাস অবিশ্বাস।
  • hu | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২২:৩৪262579
  • কোন মৃত মানুষেরই তো চয়েস নেই। তাতে কি হল? সুনীল গাঙ্গুলী তো শুনি দেহ দিতে চেয়েছিলেন। তাঁর পরিবার রাজি হননি। আবার শম্ভূ মিত্র চেয়েছিলেন ওনাকে নিয়ে যেন কোন শোভাযাত্রা না হয়। শাঁওলী সৎকারের পর বাবার মৃত্যুর খবর জানিয়েছিলেন। তো সবই নির্ভর করছে মৃত্যুর পর কাছের মানুষদের সহযোগিতার ওপর। নাস্তিকরা কি মৃত্যুর পরের অস্তিত্বে বিশ্বাস করেন? যদি নাই করেন তো মৃত্যুর পরে কি হল তাতে কি এল গেল? কোন জন্মসূত্রে হিন্দু নাস্তিক যদি তাঁর বন্ধু-পরিবার-পরিজনকে বলে যান আমাকে মরার পর কবর দিও তাহলে কি সেটা বাস্তবে সম্ভব নয়? জমি-টমি বন্দোবস্ত করে সব খরচা দিয়ে যান যদি? নাকি জন্মসূত্রে হিন্দুদের সে অধিকার নেই?
  • সিকি | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২২:২৯262578
  • দেহদান করলে এ সমস্ত ঝঞ্ঝাট থেকে মুক্তি পাওয়া যায়, আস্তিক নাস্তিক নির্বিশেষে। যেহেতু ক্রিমেটোরিয়াম বা কবরস্থান ইত্যাদি ধর্মীয় আইডেন্টিটির আখড়া, সুতরাং হিন্দু নামধারী কোনও নাস্তিককে কোনও কবরখানায় কবর দেবার কথা ভারতে ভাবাও যায় না। মুসলমান বা খ্রিস্টান, কেউই তাদের সিমেট্রিতে হিন্দু মৃতদেহ কবর দিতে দেবে না। অ্যান্ড ভাইসি ভার্সা।

    দুবাইতে ক্রিমেট করবার কোনও ব্যবস্থাই নেই। হিন্দু (আস্তিক বা নাস্তিক যাই হোক না কেন) মারা গেলে হয় মৃতদেহ ভারতে নিয়ে আসতে হয় দাহ করবার জন্য, অথবা দুবাইতেই অ-মুসলিমদের কবরখানা আছে, সেইখানে কবর দিয়ে আসতে হয়।
  • সে | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২২:২২262577
  • যেটা বলতে চেয়েছিলাম সেটা সোজাসুজিই আবার বলি। যতই নাস্তিক হই না কেন, মৃত্যুর পরে হিন্দু নাস্তিক পুড়বে, খ্রিষ্টান নাস্তিক কবরে যাবে। (দেহদানের কথা বলিনি - সেটা আগে থাকতে করা থাকলে অন্য ব্যাপার)। কিন্তু আগে থাকতে কোনো খ্রিষ্টান নাস্তিক যদি বলে আমি বাপু কাশীমিত্তিরের ঘাটে পুড়তে চাই সেটা সম্ভব নয়। পোড়া ভালো কি কফিনে ঢোকা, কি কফিনহীন গোর দেয়া ভালো সে অন্য আলোচনা। যেটা বলতে চাই সেটা হচ্ছে, মৃত নাস্তিকের কোনো চয়েস নাই, জীবদ্দশায় যে ধর্মের মেম্বার বলে বোঝা গেছে সেই পদ্ধতিতেই মৃতদেহের বন্দোবস্ত হবে। অন্য কোনো অপশান নাই।
    বুঝবার হলে এতেই বোঝা যাবে।
    নাহলে কোনোভাবেই বোঝানো যাবে না।

    নাস্তিকতা একটা অবস্থান। কিন্তু ভারতে নাস্তিক অবস্থায় ঐ অবস্থানে থেকে, কিছু রিচুয়ালে অংশগ্রহণ না করে, বা পছন্দসইগুলোয় অংশগ্রহণ করে নিজেকে নাস্তিক বলা যায়। বিয়ের জন্যে ধর্মনিরপেক্ষ আইন আছে, কিন্তু সৎকারের জন্যে নিজস্ব চয়েস থাকে না। এতে নাস্তিকদের কোনো হাত নাই, আবার অন্য চয়েস ও নাই। রেগে যাবার ও কিছু নাই। আমি যদি বলি যে আমি নাস্তিক ও আমার মৃতদেহ পাখি দিয়ে খাওয়াবো (জীবদ্দশায় পার্শি ছিলাম না, দিব্যি হিন্দুদের মতো পদবী, আত্মীয় স্বজনও হিন্দু) তবে সেটা সম্ভব হবে না। এইটাই।

    আবার সমস্ত নাস্তিকদের জন্যে আলাদা করে কোনো ব্যবস্থাও করে দেওয়া নেই। মারা যাবার পরে কোনো কিছুই প্রমাণ করতে হয় না মৃত মানুষকে।
  • Ekak | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২২:১৮262576
  • যান্ত্রিক কুকুরের দরকার কি আমরা যদি ত্রেইন্দ কুকুরের চিন্তা পড়তে পারি কেস ধরে ধরে ? আর এক্সট্রা যা দরকার শরীরে জুড়ে দেওয়া হবে। ভবিষ্যতের পারফেক্ট হিউম্যানয়েদ মনে হয় বায়-মেশিন হবে। বায়োলজিকাল নেটয়ার্ক টা বেকার সিমুলেট করার খরচা বেশি আর অনেক দূর ফিউচার।
  • সিকি | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২২:১৩262574
  • রঞ্জনদাকে একটা উত্তর দেবার ছিল। গুরুদ্বারা লেখার সময়ে ভিন্দ্রানওয়ালা বা অপারেশন ব্লু-স্টার মাথায় এসেছিল ঠিকই, তবে ভেবে দ্যাখো, সেটাকে ইসলামি জঙ্গীপনার সাথে কমপেয়ার করা যায় কিনা। ঝামেলাটা ছিল খালিস্তান নিয়ে, তার মাধ্যমে ভিন্দ্রানওয়ালার উত্থান, এবং পরে অবস্থা বেগতিক বুঝে স্বর্ণমন্দিরের স্যাংচুয়ারি ইউজ করে দেদার অস্ত্রশস্ত্র এবং নাশকতার চেষ্টা করা। পুরোটাই রাজনৈতিক, শুধু ঢাল হিসেবে একটা ধর্মপ্রতিষ্ঠানকে ইউজ করা হয়েছিল। কখনও কি গুরু গ্রন্থসাহেব পড়ে এই খালিস্তানি জঙ্গীরা হাতে অস্ত্র নিয়েছিল, শিখ ধর্মকে প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে?
  • Atoz | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২২:১৩262575
  • সমস্ত কুকুর ধরে ফেলে যেসব দেশে চাউমিন দিয়ে ডিশ বানিয়ে খায়, সেসব দেশে রফতানি করা হোক। আর যান্ত্রিক কুকুর পাড়ায় ও পুলিশে রাখা হোক। ঃ-)
  • Ekak | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২২:০১262573
  • এক বন্ধু এসছিল। এবং সিদ্ধান্ত হলো ইনফরমেশন এন্ড নলেজ ট্রিকল ডাউন এর সুত্র ধরে আমেরিকা অনেক বেশি ভবিষ্যত জানে যা আমরা জানিনা। মাল্টিপল উন্নত গ্রহ পৃথিবীতে কলোনি বানাবার কথা ভাবছে আর আমেরিকা ভাবছে কিভাবে দালালি খাওয়া যায় বা ওদেরই রিকয়ারমেন্ট বুঝে উন্নত হয়ে গ্রহদের বাজারে ঢোকা যায়। এখন ছোট বিক্রেতা রা সেটা আঁচ করে আবার নিজেদের পৃথিবীর মালিক বানাতে চায়। তো এইসব হাবিজাবি আলোচনার পর আমরা শুকনো টেনে রাস্তায় হাঁটতে বেরলুম এবং কিভাবে নেড়ি কুকুরদের শরীরে -মাথায় বিভিন্ন সরকম সার্ভায়ল্যানস ডিভাইস জুড়ে এবং ট্রেনিং দিয়ে বিশাল সিভিল সার্ভায়ল্যানস পুলিশ বাহিনী বানানো যায়। কেও রং পার্কিং -দেয়ালে মতোন -মাগিং কিছু করতে গেলেই পেছনে তাড়া। ডগ ফিডিং সেন্টারের খাবার ছাড়া খাবেনা। কিন্তু তারপর বাস্তবিক চারপাশের সমস্ত নেড়ি মিলে প্রবল ঘেউ ঘেউ শুরু করাতে আবার ঘরে ফিরে এলুম :( পোল্ট্রি করা শুনে মনে পড়ল আরকি :)
  • Tim | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২১:৪৭262571
  • সে তো হবেই। আগে আগে জন্তুদের খাওয়ার সময় হলেই যুদ্ধ হতো। এখন সে তুলনায় চুপচাপ শান্তিপূর্ণ পোলট্রির মত অবস্থা।
  • h | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২১:৩৫262570
  • ওভার অল, এখন যুদ্ধ বেশ কম, মানে বড় টাইম স্কেল করে দেখলে। তবে মাঝে গুঃগঃ যুদ্ধ টা বেটার হ্ছিলো এখন আবার য্যাঃতেঃপ্রঃ (য্যানো ত্যানো প্রকারেন, এন্ড জাস্টিফয়িং মিন্স) টা বেশি হচ্ছে।
  • Ishan | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২১:১৪262568
  • জিন ইতিহাসের ডকুমেন্ট করে? ক্যায়সে?
  • Ekak | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২১:১৪262569
  • যুদ্ধ কিন্তু কম হচ্ছে। ক্ল্যাশেষ আর মাচ লেস। তুলনামূলক সহজে বিক্রি করা যাচ্ছে। আমাদের অস্ত্রগুলো অনেক বেশি আলাদা সেটা ব্যাপার।
  • aka | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২১:০৮262567
  • দুই ধরণের মতামত আছে

    ১। লোকেদের মধ্যে ধর্মীয় চেতনা খুব প্রবল, অনেকদিন ধরে নার্চার্ড হতে হতে এমনভাবে গেঁড়ে বসেছে যে সহজে যাবে না, বরং তা ক্রমশ বাড়বে। একটু বড় করে দেখলে এক একটা সিভিলাইজেশন ও তাদের মধ্যে ক্ল্যাশ। এই ক্ল্যাশ ক্রমশ বাড়বে ইত্যাদি। কেউ ভুল বুঝে নয়, বরং এই ক্ল্যাশের জন্যই একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে, জেহাদ করবে ইত্যাদি।

    হান্টিংটন - ক্ল্যাশ অফ সিভিলাইজেশন অ্যাণ্ড রিমেকিং অফ ওয়ার্ল্ড অর্ডার।

    ২। হিংসার কোন আইডেন্টিটি নেই। কিছু মানুষ আপাত গালিবল লোকেদের "ভুল" বুঝিয়ে অন্যরা তাদের স্বার্থ সিদ্ধি করছে। আসলে পৃথিবী ক্রমশ একটা মাল্টিকালচারাল লোকেদের মিলেমিশে থাকার জায়গা হচ্ছে।

    সেন - আইডেন্টি অ্যান্ড ভায়োলেন্স।

    আপাত দৃষ্টিতে পৃথিবীতে কবেই বা যুদ্ধ বিগ্রহ কম ছিল? এখনও নেই, এই মারামারি করতে করতেই একদিন হয় উন্নত হবে নয়ত শেষ করে ফেলবে। শান্তি আসতে যুদ্ধ হয়েইছে। ঐতিহাসিক ভাবে সত্য। সিয়া-সুন্নি, হিন্দু-মুসলমান, আম্রিগা-ইরাক, আম্রিগা-আল কায়দা চলছেই।
  • h | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২১:০৬262566
  • কিন্তু বোঝার বা বিশ্লেষণ এর সময়ে সকলেই আমজনতা হতে চাইলে কি করি ঃ-)) বুঝবো না, বুঝতে চাই না, এই প্রেমাইস থেকে কি করে বুঝবো ;-)
  • dddd | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২১:০৪262565
  • আচ্ছা এই জেহাদ, ঘৃণা এসবের কোনো জিনগত প্রেক্ষিত নেই? চালু ধারণা তো, ইতিহাসের সবথেকে ভালো ডকুমেন্টেশন জিনই করে|
  • Ekak | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২০:২৯262564
  • ওহ, ওকে ক্লিয়ার। কোয়ালিটি কমিট করে প্রডাকশনে হাত দিচ্ছেন।
  • Ekak | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২০:১৭262563
  • এই নাস্তিকের পার্শিয়াল প্রেগ্নান্সী কেস টা বুঝিনা !! হাউ ইস ইট পসিবল ?
  • dd | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ২০:০২262562
  • ক্ষি সব অদ্ভুতুড়ে অভিযোগ ?

    আমি নাস্তিক। ১০০% নই। জন্মসুত্রে কতো সংস্কার কোষে কোষে ঢুকে গেছে। সব সময়ে নিজেই টের পাই না।

    বরম বলতে পারি ধর্ম উদাসীন।

    কিন্তু কনসাসলি কোনো রিচুয়াল মানি না। বিয়ে,শ্রাদ্ধ,গৃহপ্রবেশ .... হ্যান ত্যান কিসুই মানি না।

    কিন্তু মারা যাবার পর আমার "নিরপেক্ষতা" প্রমান করতে গোরস্থানে যাবো - এটা ভাবতেই ..... নাঃ, বিশেষণ খুঁজে পাচ্ছি না।
  • Ekak | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৯:৪৭262561
  • নাহ, সবকটা লেয়ার-ই এন্তার্প্রেনীয়র। পিছিয়ে থাকা মানুষের মান্ডেন ইন্সিকীয়ৃতি নিয়ে ধর্মের মার্কেটিং হয়। এবার পিছিয়ে থাকা মানে শুধু গরিব তাও না। আমাদের সেট করা মার্কেট কোয়ালিটি আর প্রাইস ম্যাচ করাতে পারছে না। সেটা করাতে গেলে ওদের ধর্ম টা ছড়িয়ে দেওয়া জরুরি। ধর্মের শেষ ব্যাখ্যা ধর্মগ্রন্থ, এইজন্যেই তো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত