এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সে | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৯:১৫262560
  • সেতো নাহয় পালের গোদাকে অন্ত্রপ্রনয়র ধরলাম। যাদের রিক্রুট করছে, তারা? তারা তো জেহাদের জন্যে বলিপ্রদত্ত। মানছি তাদের ব্রেন ওয়াশ করানো হচ্ছে ভালো করেই, কিন্তু ঘৃণার কোনো একটা ইন্ধন না থাকলে শুধু ব্রেন ওয়াশে কি এতটা ডেডিকেশন আসে?
  • Ekak | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৯:১৩262559
  • হ্যা, লাইফ কোয়ালিটি ও বাড়াতে হবে। একটা "মোটামুটি সুখিমত জীবন" এইত খদ্দের চায় এবং তারপরেই ভ্যাবাচাকা হয়ে মরে যেতেও রাজি।
  • সে | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৯:১১262558
  • ঠিক।
    সম্পদে অধিকার করতে এসে গেল যে তারা! তাই ঘৃণা ও রেষারেষি। তবে এটাও ঠিক যে এই জিনিস প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পরিবাহিত হয় না।
  • Ekak | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৯:০৯262557
  • জিহাদিস আর বাডিং এন্তার্প্রেনীয়র্স, নাথিং এলস। জাস্ট লেস পিপল আর বাইং দেয়ার প্রদাক্ত্স। এখন তাদের প্রডাক্ট কোয়ালিটি এসীয়রেনস নেই। মর্টালিটি রেট্ কমাতে পারছে না। এসীয়র করলেই কিনবে।
  • d | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৯:০৭262556
  • এখানে একটা মজা আছে, অন্তত আমার দেখা কিছু পরিবারে দেখেছি। পূর্ব পাকিস্তান থেকে আসা আমার বাবা মা'দের প্রজন্মের লোকেদের মধ্যে প্রবল বিদ্বেষ, আমাদের প্রজন্মে নেই, কিন্তু এই পরিবারগুলির পড়শী পশ্চিমবঙ্গীয় পরিবারের এই প্রজন্মের মধ্যে বেশ বে-এ-শ ভালমত বিদ্বেষ। এই 'ওদের জন্যই বাঙালগুলো এসে আমাদের এখানে উঠল অতএব ঐ .... ' বলেও সেটা অনেকে
  • সে | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৮:৫৭262555
  • মুসলমানদের প্রতি রাগ দেখা যেত আগে খুব, পূর্বপাকিস্তান থেকে ঘর বাড়ী ছেড়ে আসতে বাধ্য হওয়া মানুষগুলোর মধ্যে। তবে মনে হয় না সেই রাগ ও ঘৃণা পরবর্তী প্রজন্মতে ছড়িয়েছে বলে। কিন্তু যারা পূর্ববাংলা ছেড়ে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন তাঁদের অনেকের স্মৃতিচারণাতে প্রবল ঘৃণা প্রকাশ পেত। পরের জেনারেশন এই ঘৃণা জমিয়ে রাখে নি। অল্প কিছু এক্সেপশান থাকতে পারে।
  • cm | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৮:৫৪262553
  • আস্তিক হলেও, নিখরচায় ব্যবস্থা হয়ে গেল।
  • সিকি | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৮:৫৪262554
  • দাহ করাটা ভালো কিনা জানি না। তবে বড় পাশবিক লাগে। মানে দাহ সংক্রান্ত রিচুয়ালগুলো।
  • d | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৮:৫২262552
  • দেহদানটা বেস্ট অপশান। আর নাস্তিক হলে তো অবশ্যই
  • cm | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৮:৫০262550
  • নাস্তিক হিন্দুর শব পোড়াতে আপত্তি কেন, পরিবেশদূষণ?
  • hu | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৮:৫০262551
  • দাহ করা তো ভালো ব্যবস্থা। খামোখা নাস্তিক (জন্মসূত্রে হিন্দু) কবরে যেতে যাবে কেন? যার কাছে মৃত্যু পরবর্তী রিচুয়ালগুলো কোন অর্থ বহন করে না সে কি আদৌ এগুলো নিয়ে মাথা ঘামাবে? অনেকে তো দেহদানও করে যান। তাদের ঝামেলা আরোই কম।
  • সে | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৮:৪৬262549
  • ইয়োরোপে প্রচুর খ্রিষ্টান এখন কাগজে কলমে নাস্তিক। কারণ হচ্ছে ট্যাক্সের পয়সা বাঁচানো। চার্চের ট্যাক্স না দেবার জন্যে এরা নিজেদের নাস্তিক লেখে। কিন্তু মনেপ্রাণে খ্রিষ্টান। অন্যধর্মের লোকেদের জন্যে ধর্মীয় ট্যাক্স নেই, তাই তারা নিজেদের নাস্তিক ঘোষণা করে না। তাই সেভাবে দেখলে সংখ্যায় জালি আছে।
    চীনে প্রচুর মানুষ মুসলমান, কিন্তু পরিসংখ্যানে এদের স্থান নেই। ভেঙ্গে যাওয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের থেকে যে স্বাধীন রাষ্ট্রগুলো রয়েছে সেখানেও ধর্মীয় পরিচিতি সকলের আজও নেই কাগজে কলমে। কিন্তু মনের মধ্যে আছে।
    ভারতেও নাস্তিক হিন্দু, নাস্তিক খ্রিষ্টান, এইসব পাওয়া যাবে। কিন্তু মৃত্যুর পরে এদের যথাক্রমে দাহ করা হয়, বা কবর দেওয়া হয়ে থাকে। এখন অবধি দেখা যায় নি যে নাস্তিক হিন্দুর কবর হচ্ছে বা নাস্তিকের জন্যে আলাদা গোরস্থান (থাকগে এটা অন্য আলোচনা)।
  • সিকি | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৮:২৮262548
  • রাতে লিখছি। যুক্তিগুলো কনভিন্সিং লাগছে না এখনও।
  • সে | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৮:২৭262547
  • de,
    শুধু ব্রিটেন, অ্যামেরিকা নয় - ফ্রান্স, বেলজিয়াম ও ধরতে হবে।

    ফ্রান্স, বেলজিয়াম এ যারা মুসলমান জঙ্গী দলে যোগ দিয়েছে, তাদের মধ্যেও নানারকম সামাজিক পটভূমিকা রয়েছে। অনেকে আছে ইমিগ্র্যান্ট পরিবার। অনেকে পারিবারিক গল্পে ক্ষোভ ঘৃণার ইতিহাস ছোটোবেলা থেকে শুনে আসছে। সবচেয়ে দগদগে ঘা হচ্ছে গাজা প্যালেস্টাইন এর যে অত্যাচার। এগুলো কিছু কিছু (সবাই নয়) কিশোর তরুণ মনকে উত্তেজিত করে দেয়। আবার যেদেশের মাটিতে বড়ো হচ্ছে (হয়ত সেখানেই জন্মেছে) সেই ইউরোপীয় মাটি কিন্তু তাকে অনাত্মীয়ের চোখেই দেখে। নিজের জন্মভূমিতেই পরবাসী হয়ে থাকার একটা অনুভূতি। সেখান থেকে জন্ম নেয় ঘৃণা আক্রোশ। অথবা একটা যুবতী গৃহবধু। স্বামী হয়ত কোনো গুপ্ত দলে যুক্ত ছিলো, তাকে হত্যা করা হয়েছে - এখন সেই বিধবাটির পক্ষে সেই দলে যোগ দেয়াটা অনেকটা প্রতিহিংসা চরিতার্থ করা। এইরকমের বিধবারাও আছে।

    ব্রিটেনে সম্ভবতঃ সবচেয়ে বেশি ইমিগ্র্যান্ট। ঘেটো অনেক। চাকরির বাজার অনেক ইমিগ্র্যান্টের জন্যেই অনুকূল নয়। আরেকটা জিনিস - জোর করে দাগিয়ে দেয়া হয়েছে মুসলমানদের। যেন সব মুসলমানই টেররিস্ট।
    আমাদের এখানে বেশ কিছু পাকিস্তানি মেয়ে নিজেদের ইন্ডিয়ান বলে পরিচয় দেয়। কেন? না, লোকে এখন মুসলমান শুনলে সন্দেহের চোখে দেখে। কোণঠাষা অবস্থা থেকেও হিংস্র হয়ে যায় কিছু লোক।
    একই কারণ হয়তো নয়, কিন্তু দারিদ্র্যই একমাত্র কারণ নয়। অসহায়তা, ঘৃণা পেয়ে পেয়ে সয়ে থাকা, ডিস্‌ক্রিমিনেশন, এইরকম এক বা একাধিক কারণ রয়েছে।
    আর যারা এদের ব্যবহার করছে, তারা ঝানু লোক, তাদের মাথা ঠাণ্ডা।
  • cm | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৭:৪৯262546
  • অ্যাঁ, এও বুঝিয়ে বলে দিতে হচ্ছে!
  • ranjan roy | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৭:৩১262545
  • আরে পাকিস্তানে কেন? ভারতেই। ভাটাপাড়ায় ( ছতিশগড়ে বোম্বে মেলের স্টেশন) দেখেচি মসজিদের গায়ে বোর্ড টাঙানো যার মোদ্দা কথা হল-- এই মসজিদে কোন শিয়া, আহমদী, বরেলভি ( বেরেলির ইমামের চ্যালারা) ও ওয়াহাবির প্রবেশ নিষেধ। আমি এখন একজন ঘড়ি সারাবার দোকানীকে জিগ্যেস করলাম-- এই তো হাতে গোনা কয়জন আপনারা। একই খোদার কাছে সুখ-সমৃদ্ধি-শান্তির জন্যে প্রার্থনা করবেন। তাতেও যদি এত ভাগাভাগি করেন তো খোদার বান্দারা মারামারি করে খোদার থেকে দূরে সরে যাবে না? এই কুবুদ্ধি কে দিয়েছে?
    আমতা আমতা করে বলল-- কী করব? মৌলবি বলেছে। এটাই নাকি ইয়ের ইচ্ছে।
    অন্য টইয়ে ড্যাশ নাকি ফুটকি একটা দামী কথা বলেছিলেন। যার সার হল-- হিন্দুসমাজ আজকাল গীতাকে পূজো করলেও ওর বা রামায়ণের বা মনুসংহিতার দৈনন্দিন ব্যবহারবিধির আর্কেইক নিয়মগুলো নিয়ে আদৌ মাথা ঘামায় না, যেমন মুসলিম সমাজে হয়।
    কিন্তু ডিডি 'র কথাটা ভাবাচ্ছে। ডিডি বলছেন-- দারিদ্র্য কারণ নয়। নইলে এত উচ্চশিক্ষিত আমীর ঘরের ছেলেপুলে বা ইউরোপীয় লোকজন জেহাদি হয় কি করে?
    আমার মতে এর ব্যাখ্যা মাওবাদী আন্দোলন।
    দুটো আন্দোলনেরই মূল ভিত্তি বঞ্চনা, শোষণ, অশিক্ষা, অপমান।
    কিন্তু দুটো আন্দোলনেরই ঋত্বিক-হোতা-অধ্বর্যু-ব্রাহ্মণদের অধিকাংশ সম্পন্ন উচ্চশিক্ষিত কিছু নারীপুরুষ যাঁরা মানতে রাজি নন--তোমার হাতে নাই ভুবনের ভার। তাঁরা সর পে কফন বাঁধকর ময়দান মে উতরে হ্যাঁয়। তাঁদের দুচোখে স্বপ্ন, মনে অদম্য সাহস।
    এদের ক্যানন-ফডার অবশ্যই গরীব বঞ্চিত শোষিতের দল। মুবাই হামলার কাসভএর ব্যাকগ্রাউন্ড দেখুন।
    ধর্মযোদ্ধা হলে মানুষ সম্মান পায়, ক্ষমতা পায়, লোকে ত্রাতা ভাবে। শহীদ হওয়ার লোভ কম লোভ নয়। এলিয়টের "মার্ডার ইন দ্য ক্যাথিড্রাল" এ শেষ নাইটদের আর্গুমেন্ট দেখুন।আইডেনটিটির আকাঙ্ক্ষা খুব বড় মোটিভেটিং ফোর্স।
    এবার বর্ধমনের সেই মুখবুঁজে থাকা আপাত নিরীহ মেয়েদুটোকে দেখুন। মূল গরীবি, মূল সমাজে কোন আইডেনটিতি না থাকা। জেহাদে যোগ দিয়ে ওরা ঘর-বর- ভবিষ্যতে ক্ষমতা ও সম্মানের প্রতিশ্রুতি সব পেয়েছিল।
  • ranjan roy | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৭:০২262544
  • আমি হাতড়াচ্ছি। আমার causal analysis অসম্পূর্ণ। ছটফট করছি।
    একটু লম্বা করে বকবক করি? একটু ধান-ভানতে শিবের গীত/
    -- একটা ঘট্না কেন ঘটে? কেন লোক জিহাদী হয়? ( মানে যে কোন ধর্মের নামে কেন লোক মরতে ও মারতে তৈরি হয়?)
    -- কেন আমার ব্যাংকের গ্রাহক অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে অন্য ব্যাংকে গিয়ে লেনদেন করে?
    যতদূর বুঝেছি -- multiplicity of cause। উপরের দুটো ক্ষেত্রেই। খালি একটা কারণ খুঁজতে গেলে সুইপিং জেনারাইলেজেশন হবে।
    ব্যাংকের ক্ষেত্রে বেশ কিছু স্টাডি হয়েছে।
    অন্য ব্যাংকে বেশি সুদ দিচ্ছে/ অন্য ব্যাংক ঘরের কাছে? অন্য ব্যাংক ভাল ব্যবহার করে? তাড়াতাড়ি কাজ হয় বলে/
    দেখা যাচ্ছে উপরের সব গুলোই কারণ। কিন্তু সব গুলো সবার কাছে সমান গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারো জন্যে বেশি সুদের হার, আবার কারো জন্যে কম সূদ হলেও বেশিক্ষণ দাঁড়াতে হয় না বা ঘরের কাছে হওয়া বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
    ঠিক যেমন ধারে দেয় বলে বা লিস্টি ধরিয়ে /ফোন করলে ঘরে দিয়ে যায় বলে একটু ইনফিরিয়র কোয়ালিটির জিনিস রাখা দোকান থেকেই
    বেশি কেনেন।
    -- ব্যাংকে ১৫% লোক ব্যাংক পাল্টান সুদের হারের জন্যে; ২১% ঘরের কাছে বলে বা ভীড় কম হয় বলে। কিন্তু ৬৪% গ্রাহকের পুরনো ব্যাংক ছাড়ার কারণ হল আগের মত বা প্রত্যাশিত সম্মান/রিকগনিশন না পাওয়া!!!!!
    রিসেন্টলি ইউপিতে যে এক দলিত পরিবারের বাপ-ছেলে সবাই মিলে (চারজন) ইসলামে ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্যে আবেদন করেছিল তা কালেক্টর নাকচ করে ধর্মরক্ষা সেনা, বজরঙ্গ দলদের খবর দেয়। ওরা হল্লা করে বলে নিজধর্মে ফিরে না এলে গ্রামছাড়া করা হবে। বুড়ো বাপ রাজি হলেও বড় ছেলে রাজি হল না। খুব চাপাচাপি করায় দশদিন সময় চাইল। ওদের নাকি কোন ঘটনায় উচ্চবর্নের লোক ইত্যাদি--।
    তো কথা হল দলিতদের ইসলাম আপাত বা ছদ্ম সাম্যের স্বাদ দেয়। যেমন মসজিদে নামাজ পড়ার সময় আমীর গরীব সব এক পংক্তিতে নামাজ পড়ে। কিন্তু হিন্দুমন্দিরে দলিতদের প্রবেশাধিকার নেই।
    তেমনি ক্রিশ্চান মিশন থেকে গরীব ধর্মান্তরিত হলে জামাকাপড়, শস্তায় চিৎসা দেয়। এমনকি মিশন বা হাসপাতালে ওদের বৌ-বাচ্চা সমেত আয়ার কাজ, মালির কাজ, ড্রাইভারের কাজে লাগিয়ে দেয়। এই আর্থিক সুরক্ষাটা বড় ইস্যু। আর এস এস এসবকে কাউন্টার করতে "বনবাসী আশ্রম" ইত্যাদি চালাচ্ছে। কোথাও কোথাও বেশ সফল, আমি গিয়ে দেখেছি।
    কমিউনিস্টরা এসব ব্যাপারে একেবারে বাল! এগুলো এদের এজেন্ডার বাইরে।
    -- এর নেক্স্ট স্টেপ হচ্ছে জেহাদি-- মাও/ইসলামী/ হিন্দুসেনা। যখন এই ভালবাসা/কৃতজ্ঞ্তা থেকে একটা আত্মীয়তা/আপনাপন গড়ে ওঠে। তার থেকে আমরা-ওরা। নেক্স্ট স্টেপ-- আমরা বিপন্ন (ইসলাম/হিন্দুধর্ম/ সাম্যবাদ)। নেকস্ট স্টেপ -- বাঁচতে গেলে মারতে হবে, নইলে মরতে হবে। ফাইনাল স্টেপ-- হয় আমরা থাকবো, নয় ওরা থাকবে। তাই "অপর"কে দুনিয়া থেকে মুছে দাও। = জঙ্গী /জিহাদী।
    আরেকটা ভার্সন-- ন্যায়ের দুনিয়া প্রতিষ্ঠা কর ( সাম্যবাদ/ইসলাম)। অন্য দুনিয়া ( সাম্রাজ্যবাদ/ ইসলামবিরোধী কাফির দুনিয়া) কে ধ্বংস কর।

    সিকি,
    আম জনতার চশমা দিয়ে দেখছ ঠিকই। তবে আম জনতা ভুলে গেছে গুরুদ্বারা থেকেই আরেক ধর্মযুদ্ধের প্রচারের কথা। ভিন্দ্রনওয়ালার কথা। খালিস্তানি আন্দোলনের কথা।
    তোমার আরেকটা সঠিক প্রশ্নঃ এত ইসলামী জিহাদী কেন?
    সেদিন দেখালাম ২০১১ র বিশ্ব সেন্সাস অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি হল ক্রিশ্চান। তারপরে ইসলাম। তারপরে নাস্তিক ও অজ্ঞেয়বাদী!! তারপরে হিন্দু।
    ফলে ইসলামীদের মধ্যে জেহাদীদের প্রতিশত যাই হোক, সংখ্যার ব্যাপারে ভিজিবিলিটি বেশি।
  • dd | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৭:০১262543
  • কোরাণে ভুল ভাল বেশী না বাইবেলে না বেদে- এটা তক্কের ব্যাপারই নয়।

    বাইবেল লোকে খুব পড়ে কিন্তু বাইবেলে যা আইন দেওয়া আছে সেগুলি কোনো ক্রিস্চিয়ান দেশেই সিবিল কোর্টে মানে না। সমাজে বা আইনে - কোথাও ই বাইবেলের অভ্রান্ততা গ্রাহ্য হয় না। সব ধর্মগ্রন্থেই একটা "খুঁটে খাওয়া"র চান্স থাকে।সমাজ বা রাষ্ট্র সিলেকটিভলি মেনে নেয়।

    বেদ তো এই টপিকে আসেই না। লোকে পড়া তো দুরের কথা,চোখেই দেখে নি। ভাগ্যিস !

    আর মৌলবাদ= গরীব= অত্যাচার, এটা ১০০% ভুল। ৯/১১'র নায়কেরা সবাই সৌদি আরবের,আম্রিকায় প্রবাসী,শিক্ষিত। বিন লাদেন নিজেও তাই। পৃথিবীর বহু দেশেই জিহাদিস্টরা ঐ গরীব/অশিক্ষিত/অত্যাচারিত'এ ফর্মুলায় পরে না।

    বা আইসিসের ডাকে প্রায় কয়েক হাজার সাহেব মেম দেশ ছেড়ে লড়াই করতে গেছে। ইন্ডিয়া থেকেও গ্যাছে যারা তারাও কেউ ঐ ফর্মুলায় পরে না।

    আইসিসের মতোন বর্বরতাই তাদের কাছে একটা আকর্ষণ। সেটা যাদেরকে অ্যাটার্ক্ট করছে তাদের অনেকের পিছনেই আর কোনো ঐতিহাসিক কারণ নেই।
  • de | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৭:০০262542
  • সে, কোচ্চেন কুটকুটায়!

    ব্রিটেন, আম্রিগা থেকেও বেশ কিছু সাদা চামড়ার মুসলিমও যোগ দিয়েছে আইসিসের সঙ্গে - এরা কি বলে জঙ্গী হোলো? এরা তো উন্নত দুনিয়াতেই বড়ো হয়েছে।
  • b | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৬:৪৪262541
  • উদিকে দেওবন্দীরা ঘোরতরভাবে অ্যান্টি মুসলিম লিগ ও অ্যান্টি পার্টিশন ছেলো।
  • de | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৬:৪৩262540
  • সে, বুঝলাম!
  • Du | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৬:৪১262539
  • সে-র ৪।৩২ অনেকটাই এক্সপ্লেন করে। একটা মানুষের জীবনের আমরা কি জানি? বাইরে থেকে কোন একটা পরিচয় দেখে নি~ই।

    আহমেদীরা ড্যালাসে ভালো সংখ্যায় ছিল, তথাকথিত মডার্ন, অবস্থাপন্ন এবং কসমোপলিটন অ্যাটিচুড। এরা ভারত পাকিস্থানে বিয়ে করে প্রায়ই এবং মেলামেশা করতে দ্বিধাবোধ করে না।
    এরা চেয়েছিল পার্টিশন - জানতাম না - আশ্চর্য্যই হলাম। তবে হিন্দুদের যা সব ব্যবহার শুনেছি সেগুলো এদের পক্ষে বেশি অপমানকর লাগাই স্বাভাবিক।
  • PM | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৬:৩৩262538
  • আরবি ভাষা অত্যন্ত অলন্কার প্রবন ভাষা। ঐ অলন্কার ভেদ করে আসলে কোরানে কি করতে বলা হয়েছে সেটা বার করা খুব চাপ। এই প্রসঙ্গে চর্যাপদ বা বাউল গানের কথা মনে করুন তাহলে কিছুটা অনুধাবন করা যাবে। যা বলা হচ্ছে আর তার মধ্যে দিয়ে যা বলতে চাওয়া হচ্ছে তার মধ্যে প্রচুর তফাত।

    তাই আরবি ভাষায় লেখা স্লোককে নিজের মত করে ব্যাখ্যা করা খুব সহজ। একটা ব্যাখ্যা থেকে আর একটা ব্যাখ্যার তফাত যোজন প্রমান-ও হতে পারে। আর সেটাই হচ্ছে।

    ৭২ কুমারী হুরীর ব্যাপারটা বোধ হয় কোরানে নেই। কোনো হাদীসে আছে।
  • সে | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৬:৩২262537
  • "name: de mail: country:
    IP Address : 69.185.236.52 (*) Date:21 Oct 2014 -- 03:37 PM"

    এই বেসিক কোশ্চেনের খানিকটা উত্তর হয়ত দিতে পারব। সবাইকে নয়, তবে কোনো কোনো মানুষকে এরকম বানিয়ে ফেলা সম্ভব। চুড়ান্ত অত্যাচার, দারিদ্র্য, অবিচারের মধ্যে যারা রয়েছে, যে মায়েরা চোখের সামনে সন্তানের মৃত্যু দেখছে, যে লোকগুলো ভয়ঙ্কর শৈশবের মধ্যে দিয়ে বড়ো হয়ে উঠেছে অথচ সামনে কোনো ভালো ভবিষ্যৎ ও দেখতে পাচ্ছে না, তারা হয়ত পারে, সবাই নয়, কেউ কেউ। এদের হারাবার কিছু নেই। প্রতিশোধস্পৃহা আছে। এদেরকে ব্যবহার করে জঙ্গী সংগঠনেরা।
  • b | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৬:২৯262536
  • কতোদিন ধরে হাতে পায়ে ধরে কইচি আফনেরা ম্যাক্সিম রোদাসঁ (maxime roddinson)-র মুহম্মদ বইটা পড়ুন, তা তো পড়বেন্না।
  • সে | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৬:২৪262535
  • "name: kc mail: country: IP Address : 204.126.37.78 (*) Date:21 Oct 2014 -- 03:59 PM"

    খাঁটি কথা।
    তবে একথাও সত্যি, কোরানে বড্ড ভয় দেখানো অ্যাটিটিউড। এবং শেষের দিকটায় পুরো অন্ধকার কালো পর্দা।
  • PM | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৬:২৩262534
  • সকলের জন্য আলাদা মসজিদ। পাকিস্তানে আহম্মেদিরা সুন্নিদের মসজিদে গেলে প্রান নিয়ে ফিরতে পারবে না!!!
  • de | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৬:২২262533
  • সাম্প্রতিক ইসলামিক রাজনীতিতেই কিন্তু কোরানের ভুল এক্সপ্ল্যানেশন দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা বেশী দেখা যাচ্ছে - এতোদিন আগে লেখা একটা ধর্মগ্রন্থের দোহাই দিয়ে মানুষ মারার কাজটা আজ থেকে ষাট-সত্তর বছর আগেও কিন্তু এতো প্রমিনেন্ট ছিলো না। সারা দুনিয়া জুড়ে আইসিস, বোকো হারাম বা আল কায়দার মতো টেররিস্ট অর্গানাইজেশানের এতো রমরমা ছিলো না। কোরানেই যদি ভুলভাল লেখা থাকে তাহলে তো অনেক আগে থেকেই ইসলামিক টেররিজম চালু থাকতো।
  • de | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৬:১৬262532
  • যাঁরা কোরান সত্যি পড়েছেন - একটু লিখুন না কোরান নিয়ে - টই খুলে-
  • de | ২১ অক্টোবর ২০১৪ ১৬:১৫262531
  • রাষ্ট্রনীতি, বিদেশনীতি যারা বানায় - তারা কূটনীতি বা রাজনৈতিক সুবিধা পেতে তাদের মতো করেই কোরানকে এক্সপ্লেইন করেছে - সাধারণের কাছে সেই এক্সপ্লানেশনই পৌঁছেছে!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত