এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aka | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ২১:২৪260430
  • এই ইস্যুতে পিনাকির সাথে সহমত। ভিসি হয়ত ভালো করে জানেও না তার নাম আছে, এটা খুবই চালু প্র্যাকটিস।
  • pinaki | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ২১:২৩260428
  • না, অনেকেই টোকে, তাই যা হয়েছে ঠিক হয়েছে - এটা আমার বক্তব্য নয়। আমার বক্তব্য সফওয়্যার ছাড়া থার্ড অথরের পক্ষে জানা সম্ভব নয় টোকা (এরকম ধরণের) হয়েছে কিনা। আর সফটওয়্যার দিয়ে প্লেগিয়ারিজম চেকের কালচার এখনো সেরকম ভাবে চালু নয় সর্বত্র।
  • anirban | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ২১:২৩260429
  • " টোকা কিছু অংশের ল্যাঙ্গুয়েজ। যেখানে একটা নোন মেথডকে ডেসক্রাইব করা হচ্ছে। "
    - এই দুটো-ই প্লেজিয়ারিজম। মেথড-টা নোন বলেই আরো সমস্যা। কারণ অন্যের (মেথড আর) টেক্সট নিজের বলে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। অন্ততঃ তিনটি আলাদা জায়গায়, মূল সোর্স উল্লেখ না করে এই কাজটা করা হচ্ছে। এইটা ভয়ংকর অপরাধ। এইখানে এল্সেভিয়ারের ডেফিনিশন - দেখে নিন। এই চারটি ক্ষেত্রেই প্রমানিত প্লেজিয়ারিজম ভিসির অথরশিপের পেপারগুলিতে রয়েছে।
    http://www.elsevier.com/__data/assets/pdf_file/0020/183404/ETHICS_PLA01a_updatedURL.pdf

    " আমি থার্ড অথর হিসেবে পেপার যদি খুব খুঁটিয়ে পড়িও, আমি কিকরে জানবো যে ঐ নোন মেথডের ডেসক্রিপশন্টা অন্য লোকের থেকে হুবহু কপি পেস্ট করা হয়েছে কিনা। "
    - আমার নিজের বিষয়ে কী কাজ হয়েছে, তা নিয়ে খুব ভালো ধারণা থাকলেই পারব। আইডিয়ালি তাইই হওয়া উচিত। সেটা না থাকলে রিসার্চ করানোর কি দরকার?

    "যে ইকোয়েশনের কথা অনির্বান বল্ছে ওগুলো সবই নোন ইকোয়েশন।"
    নোন ইকোয়েশন আকাশ থেকে পড়ে না। কেউ না কেউ তৈরী করেন। আর ঐ পেপারে নোন ইকোয়েশন (এবং তার আগের ও পরের ৬০০ শব্দও ) নোন-বলে বলা হয়নি। ফলে ওটা ওরিজিনাল বলেই "দাবী"। কারণ ঐ পেপারের আগে যে এক-ই জিনিস ব্যবহার হয়েছে সেটা উল্লেখ নেই। এটাকে লিটারেল প্লেজিয়ারিজম বলে।

    আমি তো বললামই যে টেকনিকালি ডেফিনিশন অনুযায়ী প্লেগিয়ারিজম বলা যায়। গুণগত ফারাক আমরা নির্ণয় না করলেও সেটা আছে ও থাকবে। যেখানে সমস্যাটা প্যারফ্রেজের অভাব সেখানে কোটেশন মার্ক বসিয়ে দিলে বা উপযুক্ত পেপারকে সাইট করে দিয়ে পার পাওয়া যাবে। যেখানে আইডিয়া চুরি সেখানে পুরো কাজটাকেই ডিনাউন্স করতে হবে।
    - অ্যাকাডেমিক জগত ক্লীন রাখতে গেলে এই দুটোকেই বর্জন করতে হবে। একটাকে গ্রহনযোগ্য বললে আরেকটাকে বর্জন করা যায় না। আর তোমার কী মনে হয়? অল্প চুরি আর বেশি চুরির মধ্যে লাইন না টেনে চুরি আর না-চুরির মধ্যে লাইন টানাই ভালো।

    আমি ব্যক্তিগতভাবে থার্ড অথর হিসেবে যখন কোনো একটা পেপারের সাথে যুক্ত থাকবো, তখন প্র্যাকটিকালি এরকম হতেই পারে ঐ পেপার লেখায় আমার কোনো ভূমিকা নেই। হয়তো আইডিয়া শেয়ারিং এ আছে। -
    ক্লুলেস থার্ড অথার হলেই এই সমস্যা হবে। একই বিষয়ে কী কাজ হয়েছে তা জানা না থাকলেই হবে। এইটা অপরাধমূলক হয়ে যায় যখন থার্ড অথার গ্রুপের হেড বা অন্যতম ফ্যাকাল্টি। তুমি যেখানে পি এইচ ডি করেছো, সেখানে এইটা হলে তাড়িয়ে দেওয়া হত।
  • sosen | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ২১:১২260427
  • ইকোয়েশন-ই লেখা হোক, আর যাই লেখা হোক। সাইটেশন না দিলে টোকা টোকাই। আর তার দায় সব অথরের উপর বর্তায়। এবার পিনাকীদা যদি বলেন এরকম অনেকেই টোকে, তাতেও প্র্যাকটিস ভুল-ই থেকে যায়। আর সফ্ট-ওয়ারে দেখতে তো খুবই কম সময় লাগে দেখা সম্ভব নয় এটা কোনো অজুহাত হতে পারে না।
    ভিসি কি ঐ সব পেপারের করেসপন্ডিং অথর?
  • pinaki | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ২০:৩৮260426
  • টিমকে,

    আমি ব্যক্তিগতভাবে থার্ড অথর হিসেবে যখন কোনো একটা পেপারের সাথে যুক্ত থাকবো, তখন প্র্যাকটিকালি এরকম হতেই পারে ঐ পেপার লেখায় আমার কোনো ভূমিকা নেই। হয়তো আইডিয়া শেয়ারিং এ আছে। এবার এক্ষেত্রে পেপারের মূল কনটেন্টটা যতই ট্রিভিয়াল হোক, সেটা টোকা নয়। টোকা কিছু অংশের ল্যাঙ্গুয়েজ। যেখানে একটা নোন মেথডকে ডেসক্রাইব করা হচ্ছে। আমি থার্ড অথর হিসেবে পেপার যদি খুব খুঁটিয়ে পড়িও, আমি কিকরে জানবো যে ঐ নোন মেথডের ডেসক্রিপশন্টা অন্য লোকের থেকে হুবহু কপি পেস্ট করা হয়েছে কিনা। যে ইকোয়েশনের কথা অনির্বান বল্ছে ওগুলো সবই নোন ইকোয়েশন। ঐ মেথডকে বর্ণণা করতে গেলে ঐ ইকোয়েশনগুলো লিখতেই হবে। সেক্ষেত্রে ল্যঙ্গুয়েজটা টোকা কিনা এটা সফটওয়্যার দিয়ে চেক না করলে জানার কোনো উপায় নেই।
  • pinaki | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ২০:৩২260425
  • না, সেটাও প্লেজিয়ারিস্ম। ইউস অফ আদার্স ল্যন্গুএজ। গুণগত ফারাক নির্ধারণ করার আপনি আমি কে? কাজটাই আসল আর লেখাটা নয়? আমার তো মনে হয় এই ক্ষেত্রে (যেখানে কাজটা সেই পার্মুতেশান/কম্বিনেশন) লেখাটা একটা সেলিং পয়েন্ট।

    আমি যখন টিচিং এসিস্ট্যান্ট ছিলাম তখন স্টুডেন্ট রিপোর্টে প্লেজিয়ারিস্ম খুঁজতে হত। সেখানে তো জানাই আছে আইডিয়া নতুন হবেনা, লেখাটাই সব। তাবলে কি টুকে দিলে চলত?

    -------

    আমি তো বললামই যে টেকনিকালি ডেফিনিশন অনুযায়ী প্লেগিয়ারিজম বলা যায়। গুণগত ফারাক আমরা নির্ণয় না করলেও সেটা আছে ও থাকবে। যেখানে সমস্যাটা প্যারফ্রেজের অভাব সেখানে কোটেশন মার্ক বসিয়ে দিলে বা উপযুক্ত পেপারকে সাইট করে দিয়ে পার পাওয়া যাবে। যেখানে আইডিয়া চুরি সেখানে পুরো কাজটাকেই ডিনাউন্স করতে হবে।

    আমি এই পেপারগুলো দেখেছি। আমি ভীষণভাবে কনভিন্সড যে এগুলো ক্যালাসনেস। সচেতনতার অভাব আর তার সাথে তাড়াহুড়ো করে পাবলিকেশনের সংখ্যা বাড়ানোর ইচ্ছে। যে পারমুটেশন কম্বিনেশনটা করতে পেরেছে সাকসেসফুলি, ম্যাটল্যাবে কোড লিখে রেজাল্ট বের করেছে, সে চাইলে একটু সময় নিয়ে ইন্ট্রোডাকশনটা বা মেথডের ডেসক্রিপশনটা নিজের ল্যাঙ্গুয়েজে রিফ্রেজ করতে পারতো না - এটা ভাবার কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ আমি দেখি না।
  • anirban | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ২০:৩১260424
  • যেই করে থাকুন, পেপারে নাম দিয়ে দেওয়া এবং তা পড়ে না দেখা - এটা ভুল কাজ। এটা অ্যাকডেমিক প্র্যাকটিস হয়ে থাকলে "এই সবই চলে" না বলে অ্যাকডেমিক প্র্যাকটিসকে চেঞ্জ করার কথা বলা দরকার। রিসার্চ এথিক্সের বিষয়গুলি আলোচনা ও নিজের গ্রুপে আগে চালু করা দরকার। সেটা এই ভি সি করেন নি। নিজের গ্রুপ-এ যিনি একটা নৈতিন মান নির্ধারণ করতে পারেননা তিনি বাকী জায়গায় পারেন এটা আশা করা যায় না।

    আর গুনগত ফারাক? না। টোকায় কোনো গুনগত ফারাক নেই। এক্ষেত্রে আমি কী ভাবলাম তাই দিয়ে কিছু আসে যায় না। জার্নালগুলির স্ট্রিক্ট ডেফিনিশন আছে - কাকে প্লেজিয়ারিজম বলে কাকে নয়। যে তিনটে কেস আমি নিজে দেখে্ছি - তাতে একাধিকবার এই কাজ করা হয়েছে। কমপিউটারস অ্যান্ড ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিঃ - জার্নালে একটা ফিগার অবধি ২০০৬-এর IISC র একটা পেপার থেকে ঝেড়ে দেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রেও সোর্স দেওয়া হয় নি। প্যারাফ্রেজিং করতে গিয়ে সমস্যা হলে এই জায়গাগুলোতে অথর সোর্স দিতেন। তা করেননি। এই অ্যাটিটিউড-টাই সমস্যা। এইটার এখুনি বদল দরকার। আর শীর্ষপদে থাকা লোকেরা যদি এই সব করেন ও যা করেছি বেশ করেছি বলেন - তাহলে কড়া পদক্ষেপ দরকার।
  • bhagidaar | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ২০:২৩260423
  • -- বাহ! যে পেপারে আমার নাম জাবে, জে পেপার আমি আমার সিভিতে লিস্ট করবো, সেটাতে কি লেখা হোলো সেটা দেখা আমার কাজ নয়?
  • Tim | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ২০:২১260422
  • আমার পক্ষে জানা সম্ভব নয় টুকছে কিনা অতএব আমার পেপারে টোকা হলে আমি সিস্টেমের শিকার? এইটাই কি পিনাকীদা বলছে?
    ইয়ে, জানা সম্ভব নয় কেন?
  • pinaki | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ২০:১৬260421
  • "আর কেউ যদি তাতে বার বার পার্টিসিপেট করে থাকেন তাহলে অ্যাকাডেমিক ইন্স্টিটিউশন চালাবার ক্ষেত্রে তাঁর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন জাগে।"

    এই জায়গাটা নিয়েই স্পেসিফিক্যালি আমার দ্বিমত আছে। এই ভিসি অযোগ্য - এনিয়ে সমস্যা নেই। কিন্তু এই যে পেপারগুলোয় টোকা আছে এটা অনির্বান সফটওয়্যার দিয়ে চেক করার আগে পর্যন্ত ভিসির পক্ষে কিকরে জানা সম্ভব ছিল? ভারতের একাডেমিয়ার সিনিয়র বিগশট প্রফেসররা, যাঁদের নাম শুধুমাত্র পেপার পাবলিশ করতে সুবিধে হবে বলে অথর লিস্টে ঢোকানো হয়, তারা সবগুলো পড়ে চেক করে দেখে যে প্লেগিয়ারিজম আছে কিনা? এটা কি সম্ভব? হ্যাঁ জানার পরে তিনি একশন নিচ্ছেন কিনা সেটা অবশ্যই ম্যাটার করে। কিন্তু জানার সাথে সাথেই যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার কথা না। অন্ততঃ যে একাডেমিক ওয়ার্ল্ডে আমরা বসবাস করছি তার রিয়েলিটিকে মাথায় রাখলে।
  • Bhagidaar | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ২০:১৫260420
  • এই জায়গায় বুঝতে ভুল হচ্ছে। এখানে মেথডটা ইউনিক নয়। সেটা দাবী করাও হয় নি। বিশেষ প্রবলেমে বিশেষ মেথডের কম্বিনেশন্টা ইউনিক। সেখানে 'টোকা' নেই। টোকা আছে অলরেডি এক্সিস্টিং মেথডটার ডেসক্রিপশনে। যার থেকে টোকা সেও মেথডটা নিজে বানায় নি। অন্যের থেকে নিয়েছে। কিন্তু নিজের ল্যাঙ্গুয়েজে লিখেছে। আর এই ছাত্রটি সেই ল্যাঙ্গুয়েজ চেঞ্জ করার চাপটা নেয় নি।

    সেটা ক্যালাসনেস।
    an act or instance of using or closely imitating the language and thoughts of another author without authorization and the representation of that author's work as one's own, as by not crediting the original author:

    না, সেটাও প্লেজিয়ারিস্ম। ইউস অফ আদার্স ল্যন্গুএজ। গুণগত ফারাক নির্ধারণ করার আপনি আমি কে? কাজটাই আসল আর লেখাটা নয়? আমার তো মনে হয় এই ক্ষেত্রে (যেখানে কাজটা সেই পার্মুতেশান/কম্বিনেশন) লেখাটা একটা সেলিং পয়েন্ট।

    আমি যখন টিচিং এসিস্ট্যান্ট ছিলাম তখন স্টুডেন্ট রিপোর্টে প্লেজিয়ারিস্ম খুঁজতে হত। সেখানে তো জানাই আছে আইডিয়া নতুন হবেনা, লেখাটাই সব। তাবলে কি টুকে দিলে চলত?
  • Rit | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ২০:০৯260419
  • পিনাকি যেটা লিখলেন সেটা হক কথা।
    আগে সায়েন্স বা ইঞ্জিয়ারিং এ দুটো জিনিস ছিল। থিওরী আর এক্সপেরিমেন্ট। হাইপোথেসিস বানিয়ে সেটাকে বার বার ভ্যালিডেট করে থিয়োরি তৈরী হত।
    এখন এসেছে সিমুলেশন ও সিমুলেটার। অনেকেই সিমুলেশন কেই এক্সপেরিমেন্টাল ভ্যালিডেশন মনে করে। আর শুরুর মডেলের অ্যাজাম্পশনকেই থিওরী। আর ঐ সফ্ট কম্পিউটিং অ্যালগো গুলো হয়ে গেছে রিসার্চ। তাই কেও অন্য ধরনের পিউর থিওরীতে কাজ করলেও রিভিউয়ার দের প্রশ্ন আসে যে কম্পারিজন কোথায়? অন্য কাজের সাথে?
  • sosen | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ২০:০৭260417
  • হ্যাঁ, অনির্বাণ ঠিক বলছেন। এটা রং কালচার। আর কেউ যদি তাতে বার বার পার্টিসিপেট করে থাকেন তাহলে অ্যাকাডেমিক ইন্স্টিটিউশন চালাবার ক্ষেত্রে তাঁর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন জাগে।
  • pinaki | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ২০:০৭260418
  • না, লঘু করার কোনো ব্যাপার নেই। কিন্তু এই ব্যাপারটা একটা সাধারণ কালচার। এর মধ্যে ভিসির আলাদা করে কোনো কন্ট্রিবিউশন নেই। যাদবপুরে যখন সবাই টুকতো, তখন যদি একজনকে সিঙ্গল আউট করে কলেজ থেকে বের করে দেওয়া হত, তাহলে সেটা যেমন খুব ন্যয্য কাজ হত না, এখানেও ব্যাপারটা তাই।
  • pinaki | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ২০:০৩260416
  • - অ্যাকাডেমিক জগতে এইটাই সিরিয়াস ক্রাইম। যে কোনো ডেফিনেশন অনুযায়ী এটা প্লেজিয়ারিজম। এটাকে ছোটো করে দেখানো হল অপচেষ্টা। দ্বিতীয়তঃ কো-অথরের রেস্পন্সিবিলিটি অবশ্যই আছে। অন্তত জানার পর স্টেটমেন্ট দেওয়া উচিত ছিল - কাজটা অন্যায়।

    টেকনিকালি কারেক্ট। কিন্তু এই দুধরণের প্লেগিয়ারিজমের মধ্যে গুণের তফাৎ আছে। একটা জায়্গায় সমস্যাটা ওয়েল নোন মেথডকে বর্ণণা করার সময় প্যারাফ্রেজ না করার। আর এক জায়গায় মূল আইডিয়া চুরি করার।

    কোঅথরের অবশ্যই উচিৎ ছিল জানার পরে স্টেটমেন্ট দেওয়া। এবং পেপার রিট্র্যাক্ট করা বা উপযুক্ত একশন নেওয়া। এ নিয়ে দ্বিমত নেই।
  • anirban | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ২০:০০260415
  • বুঝতে ভুল হচ্ছে না। ৬৫০-টা মত শব্দ ভার্বেটিম টুকে দেওয়া ইকুয়েশন সমেত সাইটেশন ছাড়া - এইটা প্লেজিয়ারিজম। মেথড ইউনিক হোক বা না হোক। মেথড যদি পঞ্চাশের দশকেরও হয়, অরিজিন্যাল সোর্স দিতে হয়। কেমিস্ট্রি, বায়োলজি থেকে শুরু করে সমস্ত জার্নালেই এটা এক্সপ্লিসিটলি বলা থাকে।
  • anirban | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ১৯:৫৬260412
  • একদিকে তুমি আদর্শ সমাজের কথা বলবে, আদর্শ শিক্ষাব্যবস্থার কথা বলবে - সেই ভাবনার জায়গায় এই ধরনের প্র্যাকটিসের কোনো স্থান আছে?

    আবার বলছি, এই জিনিস একবার - দুবার হলে বলা যায় কো-অথরেরা ইনোসেন্ট। কিন্তু বার বার হলে, এবং সব কিছু জানার পরও কো-অথররা কোনো স্টেটমেন্ট না দিলে, এবং এই কাজটা অন্যায় এটা না বললে সন্দেহ হয় জেনেবুঝেই এটা করা। সায়েন্টিফিক জার্নাল আর্টিকল-এ এই ধরনের কাজকে কনডেম করাই বাঞ্ছনীয়।
  • pinaki | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ১৯:৫৬260413
  • " ইন্ট্রোডাকশনে বা কোনো মেথডের ডেসক্রিপশনে (যেটা কিনা ইউনিক নয়) টোকা থাকলে গাইডের পক্ষে ধরা অসম্ভব, যদি না গাইড সফটওয়্যার দিয়ে চেক করে।"
    - না, লিটারেচার সম্বন্ধে আইডিয়া থাকলেই জানবে। আগে কি কাজ হয়েছে সে সম্বন্ধে জানা থাকলেই কার্সরি রিডিং-এই বোঝা যাবে মেথডটা অন্যলোকের কিনা। অন্যের মেথডকে নিজের বলে চালানো-টা টেকনিক্যাল ও মর‌্যাল দুইদিক থেকেই অন্যায়।

    - এই জায়গায় বুঝতে ভুল হচ্ছে। এখানে মেথডটা ইউনিক নয়। সেটা দাবী করাও হয় নি। বিশেষ প্রবলেমে বিশেষ মেথডের কম্বিনেশন্টা ইউনিক। সেখানে 'টোকা' নেই। টোকা আছে অলরেডি এক্সিস্টিং মেথডটার ডেসক্রিপশনে। যার থেকে টোকা সেও মেথডটা নিজে বানায় নি। অন্যের থেকে নিয়েছে। কিন্তু নিজের ল্যাঙ্গুয়েজে লিখেছে। আর এই ছাত্রটি সেই ল্যাঙ্গুয়েজ চেঞ্জ করার চাপটা নেয় নি। সেটা ক্যালাসনেস।
  • ari | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ১৯:৫৪260411
  • প্লেগিয়ারিজম বিষয় এল তাহলে ভারতরত্ন সি এন রাও আসবে না?
  • anirban | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ১৯:৫০260410
  • "প্লেগিয়ারিজম এর ব্যাপারটায় ভিসি টেকনিকালি দায়ী। কিন্তু প্র্যাকটিকালি ওটা দেখলেই বোঝা যায় যে ফার্স্ট অথরের ক্যালাসনেস। ফার্স্ট অথর খুব সম্ভবতঃ পিএইচডি স্টুডেন্ট। সেকেন্ড অথরই আমার ধারণা প্রাইমারি সুপারভাইজার। তাকে আমি চিনিও। সে যথেষ্টই পড়াশোনায় ভালো ছেলে। যাদবপুরে আমাদের এক ব্যাচ সিনিয়র। ভিসি থার্ড অথর, অধিকাংশ পেপারেই - যেখানে অভিযোগ গুলো উঠেছে। খালি একটায় বোধহয় ভিসি সেকেন্ড অথর। সাধারণতঃ যে ধরণের প্লেগিয়ারিজম হয়েছে সেটা খুব আইডিয়া বা রেজাল্ট চুরি করার মত প্লেগিয়ারিজম নয়। একটা অলরেডি এক্সিস্টিং মেথডকে বা প্রব্লেমকে বিবরণ দেওয়ার সময় অন্য পেপার থেকে সাইটেশন ছাড়া টেক্স্ট টুকে দেওয়া হয়েছে।"

    - অ্যাকাডেমিক জগতে এইটাই সিরিয়াস ক্রাইম। যে কোনো ডেফিনেশন অনুযায়ী এটা প্লেজিয়ারিজম। এটাকে ছোটো করে দেখানো হল অপচেষ্টা। দ্বিতীয়তঃ কো-অথরের রেস্পন্সিবিলিটি অবশ্যই আছে। অন্তত জানার পর স্টেটমেন্ট দেওয়া উচিত ছিল - কাজটা অন্যায়।

    " ইন্ট্রোডাকশনে বা কোনো মেথডের ডেসক্রিপশনে (যেটা কিনা ইউনিক নয়) টোকা থাকলে গাইডের পক্ষে ধরা অসম্ভব, যদি না গাইড সফটওয়্যার দিয়ে চেক করে।"
    - না, লিটারেচার সম্বন্ধে আইডিয়া থাকলেই জানবে। আগে কি কাজ হয়েছে সে সম্বন্ধে জানা থাকলেই কার্সরি রিডিং-এই বোঝা যাবে মেথডটা অন্যলোকের কিনা। অন্যের মেথডকে নিজের বলে চালানো-টা টেকনিক্যাল ও মর‌্যাল দুইদিক থেকেই অন্যায়।

    "আর আমি খুব ভালো করে জানি দেশে তো বটেই, বিদেশেও এমনকি আই ট্রিপলই র অনেক জার্নালেও সফ্টওয়্যার দিয়ে প্লেগিয়ারিজম চেক এখনো করা হয় না।। ।।।।।।।অথচ গাইড করার বেলায় অষ্টরম্ভা। তখন অনেক সময়ই স্টুডেন্টরা আরো সিরিয়াস লেভেলের টোকাটুকি করে। মানে আইডিয়া বা রেজাল্ট ঝেড়ে দেওয়া - ইত্যাদি। এরকমই চলছে। এগুলো একাডেমিক জগতের সার্বিক পচন। 'পাবলিশ অর পেরিশ' ফিলজফির কদর্য প্রকাশ।" -

    -পয়েন্টটা কী? অনেক হয় বলে মেনে নাও। ট্রিভিয়াল বলে চালাও? চুরি-তো অনেক হয় - ফলে চাপ নেই? এটা এখানে খাটে না। যেমন খাটেনা অন্যান্য অপরাধের ক্ষেত্রেও। খুন, সেক্সুয়াল ভায়োলেন্স-ও সংখ্যায় অনেক। কেঊ
    'ও, হাজার হাজার লোকে এই কাজ করছে" বলে তাকে ট্রিভিয়ালাইজ করার চেষ্টা করে না।

    "কিছুটা জোর করে ক্যারেকটার এসাসিনেশনের চেষ্টা টাইপের হয়ে যায়।" - না হয় না। কারণ টুকে থাকলে কো অথরকে দায় নিতেই হবে। এড়িয়ে যেতে পারেন না। গাইড আর কো-অথরের দায়িত্ব এই নিজের গ্রুপে এই প্র্যাকটিস বন্ধ করা। ফার্স্ট অথর চেঞ্জ হচ্ছে (অন্তত তিন বার) অথচ টোকা থেকে যাচ্ছে -এর একটাই মানে, এইটাই এই গ্রুপের কাজের পদ্ধতি। এটা "ভালো ছেলে"-র কাজ নয়। একে ডিফেন্ড করার চেষ্টাটাই অপচেষ্টা।
  • sosen | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ১৯:৪৯260408
  • কিন্তু অল্টারনেটিভ সলিউশন বের করাটাও তো ও তো রিসার্চ-ই। নাকি?
  • pinaki | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ১৯:৪৯260409
  • আইআইটি বা ইউএসএ হলে কি করত? না সেই সোয়ার্ম এলগোর হয়তো কোনো একটা ভ্যারিয়্যান্ট বানিয়ে সল্ভ করত। ওরকম হাজারটা ভ্যারিয়্যান্ট বাজারে অলরেডি আছে। একটু বুদ্ধিমান হলেই সে হয়তো একটা ভ্যারিয়্যান্ট নামিয়ে দিতে পারবে। একাডেমিয়ায় আমাদের ফিল্ডে যারা স্বনামধন্য গারবেজ প্রডিউসার তারা এই কাজই করে চলেছে বছরের পর বছর, বিশ্বজুড়ে।
  • pinaki | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ১৯:৪৪260407
  • সায়েন্স এর সাথে ইঞ্জিনিয়ারিং এ কিছু তফাৎ আছে। এই পারমুটেশন কম্বিনেশনের বিস্ফোরণটা হয়েছে (অন্ততঃ আমাদের ফিল্ডে) সফট কম্পিউটিং টেকনিক আবিষ্কার হওয়ার পরে (মানে ফাজি লজিক, নিউরাল নেটওয়ার্ক, সোয়ার্ম ইন্টেলিজেন্স, জেনেটিক এলগোরিদম, এগুলো)। মানে ধর ভোল্টেজ স্টেবিলিটির প্রবলেম একটা জানা প্রবলেম। সেটা হয়তো ৩০ বছর ধরে জানা। কেউ একটা হয়তো রিসেন্টলি সেই প্রব্লেমের কোনো একটা অপটিমাইজেশন পার্ট সল্ভ করার জন্য জেনেটিক এলগো লাগিয়েছে। আমি আর কি করব? পেপার বের করার জন্য আমি সেই একই প্রব্লেম পার্টিকল সোয়ার্ম অপটিমাইজেশন দিয়ে সল্ভ করলাম। এখানে প্রবলেম এবং সলিউশন টেকনিক দুটৈ অন্য অন্য কনটেক্স্টে অলরেডি জানা। আমি কি করলাম? শুধু উপযুক্ত কম্বিনেশনটা খুঁজে বের করলাম যা এখনো কেউ করেনি। রিসার্চের নামে এইটাই চলছে। এর মধ্যে প্রব্লেম ডেফিনেশনটা বা ঐ সোয়ার্ম এলগো বা জেনেটিক এলগো র ডেসক্রিপশনটা কেউ নিজের ল্যাঙ্গুয়েজে লিখছে, অভিজিৎ বাবুর ছাত্রদের মত কেউ বেশী ক্যালাস হলে ডায়রেক্ট টুকে দিচ্ছে। যদি ডায়রেক্ট নাও টুকতো তাহলেও বেসিক সমস্যাটা একই জায়গায় থাকতো।
  • sosen | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ১৯:৩৮260406
  • হ্যাঁ, দুটো এক নয়। আমি লিখলাম অমুক এট অল এই এই লিখেছেন, আর অমুক এট অল টা উড়িয়ে একই জিনিস লিখলাম দুটো এক নয়। এটা রেফারেন্সিং এর ক্ষেত্রে, কিন্তু যদি পুরো পেপারের ভিতটাই টোকা হয় তা হলে তো আরো-ই মুশকিল। কোনোটাই মার্জিনাল এরর নয়।
    আমি একটি এম এস এর স্টুডেন্ট কে চিনি, যে তার প্রোজেক্ট পুরো টুকেছিল। টোকা যে অপরাধ সেটাই সে জানত না। তার ফিনান্সিয়াল অ্যাসিস্ট্যান্স চলে যায়। সে প্রথমে টোকা স্বীকার করেনি বলেই এই সিদ্ধান্ত হয়েছিল। ২০০৬ এ ন্যু ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির ঘটনা।
  • pinaki | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ১৯:৩৬260405
  • না, আমি যেটা বলছি সেটা ভীষণ মৌলিক কাজ না করা আর গোদাভাবে চুরি করার মাঝামাঝি একটা কিছু। অর্থাৎ টার্গেট দেওয়া আছে আমাকে প্রোমোশন পেতে হলে বা পিএইচডি পেতে হলে তিনটে পেপার করতে হবে। আমার এমন মৌলিক কাজ নামানোর মত ক্যাপা নেই যা দিয়ে একটা ইউনিক পেপার হতে পারে। তখন আমি কি করব? এক্সিস্টিং প্রবলেম আর এক্সিস্টিং মেথডের মধ্যে পারমুটেশন কম্বিনেশন চালাবো। আমি সেইটা বোঝাতে চেয়েছি। এবার কেউ সেই এক্সিস্টিং প্রব্লেমকে ৫০১ নম্বর বার নিজের ভাষায় লিখবে, বুদ্ধিমান হলে। বোকা হলে অন্য পেপার থেকে টুকে দেবে। কিন্তু দুটো ক্ষেত্রেই আসল সমস্যা হল ঐ পারমুটেশন কম্বিনেশনকে রিসার্চ নাম দিয়ে চালানো।
  • sswarnendu | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ১৯:৩৩260404
  • *ঠিক

    *কলকাতার ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যাকাডেমিয়া
  • sswarnendu | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ১৯:৩১260403
  • যদিও কলকাতার অ্যাকাডেমিয়া সম্পর্কে অভিজ্ঞতা নেই আদৌ... সেইজন্যেই অবাক লাগছে হয়ত... আমার কাছে তুমি যা বলছ সাররিয়েল লাগছে বললেই থিক বলা হবে...
  • sswarnendu | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ১৯:২৮260402
  • এক একটা ফিল্ডে এক একটা সেমিনাল পেপারের আইডিয়া অন্য জায়গায় অ্যাপ্লাই করে বহু কাজ সব জায়গায় হয়... সেইটা আর এইটা আদৌ এক নয়
  • sswarnendu | ০৬ অক্টোবর ২০১৪ ১৯:২৬260401
  • পিনাকিদা, একটা কথা না বলে পারছি না... তুমি যাকে " ইধার কা মাল উধার করে পাবলিকেশন বাগানো " সেটাকে সাদা বাংলায় চুরিই বলে কিন্তু...
    ইধার কা মাল উধার করে পাবলিকেশন বাগানো বলতে যা বোঝায় তা সারা পৃথিবীতেই চলে... প্রতিটি পেপারেই কেউ ফান্ডামেন্টাল কাজ করছে না...
    কিন্তু তুমি যেটার কথা বলছ তাকে "ইধার কা মাল উধার করে পাবলিকেশন বাগানো" বলে না বোধহয়...
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত