এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • I | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৮:৫৭250860
  • একটা অন্য প্রশ্ন করে যাই। উইক এন্ডে (৯-১০) তাজপুর যেতে চাই। কোনো হোটেল সাজেস্ট করবেন ? আগাম বুকিং করতে হবে?
  • I | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৮:৪৫250859
  • আমার পুত্রই এই দ্বিতীয় দলে পড়ে। কিন্তু পেট রাখতে ভীষণ আগ্রহী, যদিও পেটের সব কাজ অন্যকে করে দিতে হবে ( বলে আমাদের ধারণা), কেননা, নিজের কাজ নিজে কিচ্ছু করে না। সোস্যাল নেটওয়ার্কিংয়ের বয়সে পৌঁছয় নি, গেমে আগ্রহী। প্রভূত পরিমাণ কার্টুন দেখে। গল্পের বই পড়ানো সিরিয়াসলি মার খাচ্ছে, তার কারণ আমরা নিজেরা বিচ্ছিরি ব্যস্ত। ইংরেজী তাও পড়ে। ধীরে ধীরে লীম, অবন ঠাকুর পড়ে শোনানোর একটা চেষ্টা হচ্ছিল, তাতে রেসপন্ড করেনা, তা কিন্তু নয়। কিন্তু অ্যাটেনশন স্প্যান খুব কম। এর সঙ্গে সহজলভ্য বৈদ্যুতিন প্রযুক্তির যোগ আছে কিনা জানি না।
    তবে নিজের ক্ষেত্রেই বলতে পারি, ইন্টারনেট আসার আগে আমার অ্যাটেনশন স্প্যান অনেক বেশী ছিল। এখন এক মুহুর্ত অবকাশ পেলেও চুপচাপ বসে থাকতে পারি না, খুটখাট এটা-সেটা করতে ইচ্ছে করে। বই পড়ার ইচ্ছা কমে গেছে।
  • sosen | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৮:১৯250858
  • কিছুদিন আগে এক মোটামুটি প্রতিষ্ঠিত সাইকোলজিস্ট বন্ধুর সাথে কথা হচ্ছিল। সে কলকাতার অনেকগুলো স্কুলের সঙ্গে যুক্ত। তো কথায় কথায় সে বলল, স্কুলের ছেলেমেয়েদের কেস আসা তার কাছে সাংঘাতিক বেড়ে গিয়েছে। কারোর কারোর স্পেসিফিক প্রবলেম থাকলেও বেশির ভাগ বাচ্চার-ই দু রকম জেনারালাইজড সিম্পটম-এর মধ্যে একটা, এক হল অসম্ভব কম্পিটিটিভ প্রবণতা এবং তার ফলে প্যানিক। আর এক হল খুব ক্যাজুয়াল, শেষ দিন অব্দি প্রোজেক্ট এসাইনমেন্ট সব ফেলে রাখছে, শেষ দিনে গিয়ে প্যানিক করছে, কিন্তু বারম্বার বল্লেও আগে করছে না। একই সাইকল। এরা সবই মোটামুটি উচ্চবিত্ত ফ্যামিলির ছেলেপুলে, একটি দুটি সন্তান। প্রত্যেকে নেট এডিক্টেড, প্রথম দল নেট-এ সারাক্ষণ পড়াশোনা করে, স্মার্টফোন, ট্যাব ইত্যাদি আছে, কিন্তু এটেনশন স্প্যান মাল্টিপল অপশন-এ যতোটা ভালো, একমুখী করাতে গেলেই আর সেটা পারছে না। এরা সারাক্ষণ জিনিসও হারাচ্ছে। দ্বিতীয় দল নেটে সোশ্যাল নেটোয়ার্কিং, গেম, ইত্যাকারে বেশি আগ্রহী, এরা আবার একটা দুটো এসাইনমেন্ট থাকলে হয়তো করে ফেলছে, কিন্তু সংখ্যা বেড়ে গেলেই আর নিতে পারছে না। প্যানিক এটাক উভয় দলেই সমপরিমাণ। প্রথম দলকে কাগজমুখী করিয়ে খানিক স্টেবল করা যাচ্ছে, দ্বিতীয় দলকে একেবারেই করা যাচ্ছে না। পেট রাখতে আগ্রহী নয়, অন্যের জন্য কোনো কাজ করতে রাজি নয়।
    পর্যবেক্ষণ মাত্র। কিন্তু চিন্তার বিষয়। এরা মোটামুটি সেভেন থেকে বারো ক্লাসের ছাত্র ছাত্রী।
  • T | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৬:৪৭250857
  • যন্ত্র রাষ্ট্র হাত ধরাধরি করে খেলতে চাইছে, মানতে অসুবিধে নেই। কিন্তু এখানে একটা গল্প আছে। লিবেরালিসম, নিজস্বতা হীন নিজস্বতা খুব বেশী করেই রাষ্ট্র চাইছে, কারণ যত বেশী প্যাটার্ণ তত বেশী বিচ্ছিন্ন ক্লাস্টার। স্মল গ্রুপ। গভর্নেন্সে সুবিধে। কারণ আওয়াজ কোনো ক্ষেত্রেই দানা বাঁধবে না। আবার একই সাথে যত বেশী প্যাটার্ণ তত যন্ত্রীদের অসুবিধে। তারা নিজেদের ক্ষমতার সীমা পরিসীমা জানে। ফলতঃ কন্টিন্যুয়াস নেগোশিয়েশন চলছে, যেমন যেমন টেকনোলজি ডেভেলপমেন্ট। বুঝেশুনে খেলছে সবাই।
  • Abhyu | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৬:৪১250856
  • কুমুদি পাঁচশোটা সিঁড়ি বড় কথা নয়, আসল কথা হল আমাদের আগে পরে যে পাঁচশ জন উঠেছিল তারা কেউই আমাদের মত জলের বোতল ছাড়া ওঠে নি। আমি কিনা সেগুলো লকারে রেখে এসেছিলাম ভুল করে।
  • Abhyu | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৫:৫৭250855
  • ঈশানদা আগস্টেই তোমাদের ওখানে যাবো। তবে লেক মিশিগান টা বেটার লাগবে মনে হয় মিসিসিপি নদীর থেকে। এপ্রিলে মিনেসোটা গিয়েছিলাম তখন তোমার মিসিসিপির ওপরে হেঁটে এসেছি (মানে জ্যোতি বসুর মতো জলের ওপরে না, ব্রিজের ওপরে)।
  • T | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৫:৫৪250854
  • স্টিরিওটাইপিং অবশ্যই গভর্নেন্সের সহায়ক, কিন্তু স্টেজটা আর সেখানে নেই। আরো পিছিয়ে অন্ততঃ দুশো বছর আগে থেকে শুরু হলে অ্যালগোরিদমিক গভর্নেন্স পাওয়া যেতে পারত। কিন্তু এখন ট্রী এর প্রচুর ব্রাঞ্চ তৈরী হয়ে গিয়েছে। একদম ছোটো বয়স, তারপর স্কুল, তারপর কলেজ, নানান লেভেলে স্টিরিওটাইপিং ঢোকাতে গেলে যে ইনফিলট্রেশন আর্কিটেকচার লাগবে সেটা ম্যাসিভ। এখন যেটা চলছে, খুচখাচ লেভেলে হাত মকশো। সব্বাই ডোরেমন দেখবে, বাজারে ডোরেমনের পেনসিলবক্স বিক্রী হবে, টি শার্ট, জুতো এইসব। পয়সা উঠবে। ব্যবসাপাতি। এটা বেসিক্যালি ডিফারেন্ট লেভেলে মার্কেটের বিগ প্লেয়ারদের মধ্যে মারামারি। কিন্তু মনোপলি তৈরী করার জন্য কেউ নেক্সট লেভেলে যাওয়ার চেষ্টা করবে না, একপ্রকার ইক্যুইলিব্রিয়াম (ন্যাশ?) বজায় থাকবে।
    নেক্সট ফিফটি ইয়ারস কোনদিকে গড়াবে সেটা টু মাচ আনপ্রেডিক্টেবল।
  • Ekak | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৫:৪৩250853
  • হ্যা, আপনার দুশ্চিন্তা ভুল নয় :) সেইকারণেই যন্ত্রের বিবর্তনে শুধু যন্ত্রী দের সাহায্য না নিয়ে রাজনৈতিক মোকাবিলা হচ্ছে। আপনার কি মনে হয় এই যে লিবেরালিস্ম, লিবারাল অমুক লিবারাল তসুক, মেশিন উইল ফ্রি আস এগুলো আসলে কী ? আমরা আসলে নিজস্বতা হীন নিজস্বে পৌছচ্চি। সে মানুষ যার প্রচুর ক্ষমতা কিন্তু টিকি বাঁধা। যে মুক্ত দাস। তাদের মধ্যে খুব বেশি মানুষ ফ্রি থিঙ্কিং করবে না। একটা মজার জিনিস খেয়াল করেছেন আমাদের যৌবনে এমেচার হ্যাকার দের দৌরাত্ম বিশাল বেড়েছিল ! সবাই নেট এ ঢুকেই জাভা স্ক্রিপ্ট খুঁজত :))) এখন কমতে কমতে তলানি তে। আমি কয়েকজন পাকি হ্যাকারের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছিলুম তাদের সূত্রেই আরও যোগাযোগ আর কী।

    এটা ঠিক যে আজরা সময় পেলে মানুষ ভেবে চিনতে আরও কমপ্লেক্স প্যাটার্ন বানাতে পারে কিন্তু বাস্তবে সেই আজারা সময়কে ফিল আপ করার জন্যেই এন্তর্তেইন্মেন্ত থেকে মেড আপ রিসেশন, দুশ্চিন্তা, স্টেট ক্রিয়েতেদ প্যানিক ......কী নেই ! মোদ্দা কথা আমরা লিবারেল হচ্ছি। ফ্রি হচ্ছি। নিজস্ব হচ্ছি। নিজস্বতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার এখানে জায়গা নেই কারণ উহা প্রতেকসনিস্ম এর বিরোধী। একচুয়ালি একা যন্ত্র খেললে কেস অন্য হত এই যে যন্ত্র আর রাষ্ট্র হাত ধরাধরি করে খেল্চ্ছে এটা পুরো মাখোম :))
  • Abhyu | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৫:৪২250852
  • অক্ষদা ওটা চেভাপি নয়, ওটা সুজুক http://en.wikipedia.org/wiki/Sujuk আগে কখনো খাই নি। ঝোলটা একটু টক টক, দারুণ খেতে।
  • T | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৫:২৮250851
  • একক, হ্যাঁ এই ধরণের প্রাথমিক এ আই বেশ কিছু সিস্টেমে চলে তো। গেমসে অ্যাপ্লিকেশন শুরু হয়েছে। কিন্তু এগুলো সবই অ্যাসিস্টেন্স লেভেলের, জেনারেল ডিসিশন মেকিং স্টেজে পৌঁছনো যায় না। একটা এগজ্যাম্পল দিচ্ছি। ধরুণ ট্যুরিং কম্পিটিশন। আপনাকে একটা প্রোগ্র্যাম লিখতে হবে যার সাথে মানুষ ইন্টারঅ্যাক্ট করবে। যন্ত্রটি মানুষের প্রশ্নের উত্তর দিতে থাকবে। মানুষকে আইডেন্টিফাই করতে হবে সে যন্ত্রের সাথে কথা বলছে না মানুষের সাথে। যে প্রোগ্র্যাম সবচেয়ে বেশীক্ষণ অবধি নিজেকে মানুষ হিসেবে হাইড করে রাখতে পারবে সে চ্যাম্পিয়ন। আল্টিমেটলি কিন্তউ ধরা পরে যাবেই। এইবার কিছু বছর আগে এক কোডার (স্বাভাবিক ভাবেই নাম মনে পড়ছে না) একটা দূর্দান্ত কাজ করেছিল মাল্টিপল ইউজার দের জন্য। আপনার করা প্রশ্ন কম্পিউটার করছিল অন্য আরেকজনকে। তার উত্তর আপনাকে দিচ্ছিল। এবং উল্টোটাও। প্রশ্নের প্যাটার্ন সার্চ ম্যাচিং ইত্যাদি অ্যালগো যা তা লেভেলের। ফলে বহুক্ষণ অবধি তাকে ধরাই যাচ্ছিল না।

    কিন্তু এসব কোনো জেনারেল সমাধান নয় (মেনলি ক্লাউড বেসড)। ফান্ডামেন্টাল লজিক কাঠামোর উপর বেস করে যাই বানানো হবে সবই শেষমেশ একজায়গায় এসে থেমে যাবে। এটা এ আই এর জনতা (জাপানীজরা বাদে) বহুদিন আগেই বুঝেছে, এবং কয়েক দশকের অ্যাপ্রোচ হচ্ছে আল্টিমেট ডিসিশন মেকিং স্মার্ট কম্পিউটর বানানোর থেকে মেনলি অ্যাসিস্টিং এর কাজ। যেমন স্মার্ট ফোন, নানান অ্যাপস ইত্যাদি।

    এইবার এরফলে আরো একটা সমস্যা হতে পারে। এই প্রযুক্তি বেসিক্যালি আপনাকে আরো বেশী সময় দিচ্ছে। এখন দুটো অপশন। এক্সট্রা টাইমে আইদার আইডিয়াল মোডে থাকুন, অথবা কাজে লাগান। যত বেশী হিউম্যান ব্রেন কাজ করবে, তত বেশী প্যাটার্ণ তৈরী হবে। যত বেশী প্যাটার্ন তৈরী হবে তত বেশী সমস্যা হবে ম্যাচিং এ। তত মেশিনের অসুবিধে। ফলে একসময় প্রসেসটা থামবে, আবার কিছুদিন পর প্রথম থেকে শুরু। এইভাবে এক একটা সাইকল চলতে থাকবে। মেশিন এজের চরম সুদিন সেকারণে খুব কম সম্ভাব্যময়। আর জনতা আইডিয়াল মোডে থাকলে, লিমিটেড প্যাটার্ণ পাওয়া গেলে মেশিনের বিবর্তন বন্ধ হয়ে যাবে। সে আবার আরেক কেলো।
  • Ekak | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৫:১৭250850
  • " অ্যানিমেশন এই নিজস্ব জগতটাকে মুছে দিচ্ছে। ফলে যে অ্যানিমেশনের যে প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হচ্ছে সেটা কদ্দুর মিটছে সে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে। টিউন বা কন্ট্রোল তো অনেক পরের কথা। মাগল উইজার্ড গ্রিফিনডোর ইত্যাদি বইয়ে পড়ার পর সিনেমায় তার রিপ্রেজেন্টেশন অনেকেই নিতে পারে নি। কারণ ঐ এক। নিজেদের জগতের সাথে মেলাতে পারেনি। আর বাদবাকী যে সমস্ত ‘হোয়াট ইউ সি হোয়াট ইউ গেট’ ব্যাপার আছে তার পেছনে কতটা দর্শন আর কতটা ইম্যাজিনেশনের অক্ষমতা সে নিয়ে দ্বিমত আছে।"

    অনেক টা একমত। তবে দর্শন আছে, অক্ষমতা অনেক থাকলেও একচুয়ালি একটা রাজনৈতিক দর্শন আছে এই সমস্ত কিছুকে প্র্প্তোতাইপ এ বেঁধে ফেলার পেছনে। উই নিড টু বি প্রতেক্তেদ। আউর চিলড্রেন নিড টু বি প্রতেক্তেদ। এল্গরিদ্মিক গভর্নেন্স বলে যে এইচ এন্ড এভরিওয়ান সুদ বি আন্ডার সার্ভায়লেনস অর এটলিস্ট এটাচড টু সাম টাইপ লেভেল। নইলে ফেচ করা যাবেনা। যে বাচ্চা কে দিনে দু ঘন্টা সময় দিয়ে আধুনিক মা -বাবা ভাবছেন যে "কোয়ালিটি টাইম " দিচ্ছি তাঁদের ভাবনায় দোষ নেই কিন্তু চিন্তা য় আছে। চিলড্রেন নিড মোর প্রটেকশন ইন আ ভার্চুয়াল ওয়ে। তাই প্রথম কাজ হলো কে কিভাবে ভাবে কে কোন অভতারে এটাচ সেটা রীদ করো, সেটাও না পারলে এটলিস্ট প্রথম ধাপ হিসেবে তাদের কে ধরাবাঁধা আইকন এ এটাচ করে দাও। একটিভিটি প্যাটার্ন জুড়ে দাও।

    জাস্ট একটা সহজ জিনিস ভাবুন যে আপনার বাচ্চা যদি রাত্রদিন এনিমেশনে তে দেখে যে তার আইকন মাটিতে পা ঠুকে লাফিয়ে আকাশে ওঠে তাহলে একটা নেট দিয়ে ঘেরা ত্রাম্পলীন কিনে দিয়ে খানিক নিশ্চিন্ত হওয়া যায় যে যাক বাবা কথাও থেকে ঝাঁপ দিয়ে ওড়ার চেষ্টা করবে না ! ইটস অল এবাউট প্রতেক্ষনিস্ম।
  • Ekak | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৫:০০250849
  • T

    ইউ বি সফট এর রক্স্মিথ ২০১৪ গেম সফটওয়ার তা দেখুন। ইটা একটা গীটার শেখার সফটওয়ার থ্রু গেম। লার্নার এর লেভেল বুঝে এ আই নিজেকে টোন আপ -ডাউন করে নেয়। ১০০% সাকসেসফুল বলবনা কিন্তু বিশেষজ্ঞ রাই বলছেন ৭০-৭৫% সাকসেসফুল। আপনি যেটা বলছেন ঠিক যে এখনো সেই লেভেলের জিনিস বেশি আসেনি। কিন্তু দেখুন আমরা যে সময়ে আছি তাতে বাজার তৈরী না হলে কোনদিন ই কোনো লেভেল আসবেনা।

    ধরুন : একটা ত্রান্স্লেতর সিস্টেম। এখন ৪০% কারেক্ট। আপনি বললেন ধুর ওটা ব্যবহার করে কি হবে :( এদিকে ওটা ব্যবহার করে ক্রমাগত ইনপুট আর ফিডব্যাক দিতে থাকলে তবেই ইভলভ করবে। তবেই প্রজেক্ট তা চলবে। টাকা আসবে। এবং আরও এগোবে। সাইক্ল টা তো জানেন :) আমি আর নতুন কি বলব। আগামী যুগের যন্ত্র কে যত বেশি আমরা ব্যবহার করব তত উন্নত যন্ত্র পাবো।
  • Ekak | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৪:৫৪250848
  • সোসেন
    আমি একবারও গুরুত্ব অস্বীকার করছিনা। বারবার হাহুতাশ কথাটা নৈংলি পয়েন্ট আউট করছি কেন ............দাঁড়ান একটু অন্যভাবে বলার চেষ্টা করি।

    ধরুন, সকালে উঠে মর্নিং ওয়াক করা এটার খুব গুরুত্ব আছে কেও অস্বীকার করবেনা। শুধু শরীর ভালো রাখা নয় এটা সোশাল রিলেশনের এর একটা অঙ্গ। দুজনের সঙ্গে দেখা হলো। রাস্তার ধরে একটা গাছ উপরে পরে আছে দেখলেন। একজনের ল্যাব্রাদর কে একটু ঘরের কাছে আদর করলেন। ফেরার পথে চা এর দোকানে নেড়ি কে বিক্কুট দিলেন। পাড়ার অমুক দাদা পিজি তে ভর্তি তাঁর খপর পেলেন বাকিদের কাছে। ইটস আ টোটাল প্যাকেজ। অসম্ভব গুরুত্ব।

    বাট, ইটস আ লীগাসী সিস্টেম। গুরুত্ব থাকলেও।

    এখনকার সিস্টেম হলো কনভেয়ার বেল্ট চালিয়ে ইন্ক্লিনেষণ ঠিক করে হাঁটা শুরু করুন। ব্লাড প্রেসার -ক্যালরি সব জানতে পারবেন। চেক করতে পারবেন স্পিড। আবার সামনে রাখা আই প্যাড এ চোখ বুলিয়ে দেখে নিচ্ছেন গাজা তে আবার বোমা বর্ষণ হয়েছে। এক জন মেসেজ করেছে তাকে উত্তর দিলেন। করবেট পার্কে একটা অনাথ বাঘের বাচ্চা কে এডপ্ট করেছেন। তার একাউন্ট এ টাকা পাঠিয়ে দিলেন। গুরু চন্ডালি তে একবার উঁকি দিয়ে খোঁজ নিলেন আলাস্কায় যে বন্ধু টি এক্সিডেন্ট করেছিল তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়েছে কিনা।

    এটা এখনকার জগত। অবশ্যই দুটো এক্সট্রিম। এর মাঝেও অনেকে পরেন। কিন্তু ওই এদিক ওদিক থেকে কমন নিয়ে। বক্তব্য এই যে এখানে কিন্তু রোজ সকালে কৃষ্ণচূড়া গাছের তলায় ফুল পায়ে দোলে দোলে মন্নিং ওয়াকে যাওয়া হচ্ছেনা বলে কোনো হাহুতাশ এর জায়গা নেই। দুটো এন্ড এর নিজের মত করে ভালো দিক আছে। এবং সবচে বড় কথা দুটো যাপন আপনাকে দুরকম জীবন উপহার দেয়। এখনকার যুগে এই ওয়ার্কিং উইমেন এন্ড মেন দের পরিবারে যে জীবন তাঁর ম্যাচিং যাপন টাও সেরকম ই। দাদু ঠাকুমা গল্প শোনালো না বলে হাহুতাশ করে কি লাভ ! তাহলে কি চাকরি ছেড়ে বাপ-মা বাড়িতেবসে থাকবেন। নিশ্চই নয়। কাজেই এই জীবনের সঙ্গে যা যা টুলস খাপ খায় সেই টুলস গুলোই বেছে নিতে হবে। এগুলো খারাপ তাতো নয়। এদেরও বিশাল গুরুত্ব আছে। টাচ প্যাড ইউস করে করে ছোট্ট ছোট্ট বাচ্চাদের হ্যান্ড-আই কো অর্ডিনেশন কি মারাত্মক বেড়েছে দেখে অবাক হয়ে যাই :) বাচ্চারা ছোট বেলা থেকে মেশিন অপারেট করতে শিখছে যা শিখতে আমাদের প্রজন্ম তার আগের প্রজন্ম প্রচুর সময় নিত। এই গুরুত্ব গুলো উনি অস্বীকার করছেন কি করে।

    "গুরুত্ব " ব্যাপারটাই তো নির্ধারিত হয় ভবিষ্যতে মানুষ কেমন হতে যাচ্ছে সেই "নিড " এর জায়গায় দাঁড়িয়ে তাই না ? যেখানে অক্ষরে লেখা বই আস্তে আস্তে কমে গিয়ে ইন্টারেক্টিভ ভিডিও লার্নিং চলে আসছে সেখানে তার ঠিক আগের স্টেজ হিসেবে রূপকথা "মুভি " মোড় এ আসুক সেটাই তো দরকার নাকি ? সেটাই তো এখনকার গুরুত্ব।

    আরেকটা পয়েন্ট : বাংলা রূপকথা র আইকনায়সেষণ খেয়াল করুন .। "এক গরিব ব্রাহ্মন " " কোটাল পুত্র " "রাজা বললেন " " বোকা জোলা "। এগুলো থেকে কি বোঝা যাচ্ছে ? বোঝা যাচ্ছে যে একটা মিদিয়াভেল সোসাইটি বেড়ে উঠছে যেখানে মানুষকে মূলত চিহ্নিত করা হয় তার জীবিকা দিয়ে এবং কচিত কদাচিত দে আর হীরো বাই নেম। এই আইকনায়সেষণ এর এককালে গুরুত্ব ছিল এখন নেই। এখন ইন্ডিভিজুয়াল নাম দরকার যা দিয়ে অভতার এম্বেড করা যেতে পারে। তাতে সুবিধে হলো বাচ্চা একটা নাম কে ধরে নিলেই তার পছন্দ-অপছন্দ - সে কোন দিকে ঝুঁকছে -কোনো অপরাধ প্রবণতা তৈরী হচ্ছে কিনা ঝট করে এনালিসিস করে ফেলা যায়। কুইক রীচ এন্ড কুইক ফীডব্যাক। প্রচন্ড ফিউচারিস্টিক ব্যাপার এগুলো। অথচ একদম জটিল না করে খেলার মাধ্যমে, ভিডিও এনিমেশনের মাধ্যমে পৌছে দেওয়া হচ্ছে। এর বিশাল গুরুত্ব।

    কিন্তু ওই আরকি কেও যদি ভাবেন সকাল বেলা পার্কে বেরানই শ্রেয় তাহলে পিছিয়ে থাকাটাও মেনে নিতে হবে।
  • T | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৪:৪৬250847
  • একক,

    বাইরের কঠিন বাস্তবকে আড়ালের জন্য যে রাখঢাক প্রয়োজন সেটা অ্যানিমেশন (স্পেসিফিক্যালি অ্যানিমেশনের কথাই বলছি) দিতে পারছে কি? অ্যানিমেশনের প্রাথমিক লিমিটেশন হ’ল তার মূর্ত রূপ। ফ্রেম বাই ফ্রেম চিন্তাভাবনাকে গাইড করে। অন্য কিছু ধারণা করার চান্স কম। এবং এর রিপ্রেজেন্টেশন প্রত্যেক বাচ্চার কাছে আলাদা হচ্ছে না। প্রত্যেকেই একই টম এবং জেরিকে দেখছে, তাদের দৌড়োনো লাফ ঝাঁপ নিয়ে স্কুলে আলোচনা করছে, শেয়ার করছে, কিন্তু কখনোই এগুলো কারোর নিজস্ব হয়ে উঠছে না। বাবা মা ফোনে কথা বলছে, পাশের ঘরে কাজের মাসি রান্না করছে, জানলার পাশে গলিতে জনতা ক্রিকেট খেলছে, এইরকম একই লেভেলের বাস্তবতা তৈরী হচ্ছে তাদের কাছে। খুব গোপন কিছু নয় বা প্রত্যেকের নিজস্ব আলাদা কিছু নয়। এদিকে বাইরের জগত সংক্রান্ত আড়ালের জন্য প্রচুর অ্যানিমেশন দেখালেও উত্তরটা বাচ্চাগুলো কিন্তু নিজের কাছেই খুঁজবে। সেখানে না পেলে কিছু করার নেই। অ্যানিমেশন এই নিজস্ব জগতটাকে মুছে দিচ্ছে। ফলে যে অ্যানিমেশনের যে প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হচ্ছে সেটা কদ্দুর মিটছে সে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে। টিউন বা কন্ট্রোল তো অনেক পরের কথা। মাগল উইজার্ড গ্রিফিনডোর ইত্যাদি বইয়ে পড়ার পর সিনেমায় তার রিপ্রেজেন্টেশন অনেকেই নিতে পারে নি। কারণ ঐ এক। নিজেদের জগতের সাথে মেলাতে পারেনি। আর বাদবাকী যে সমস্ত ‘হোয়াট ইউ সি হোয়াট ইউ গেট’ ব্যাপার আছে তার পেছনে কতটা দর্শন আর কতটা ইম্যাজিনেশনের অক্ষমতা সে নিয়ে দ্বিমত আছে।

    এদিকে দিয়ে কমিক স্ট্রিপ বা কার্টুন কিন্তু আলাদা। স্ন্যাপশটস। মাঝের জায়গাটুক্য প্রত্যেকের জন্য আলাদা। বাচ্চাদের অনেক বেশী স্পেস দেয়। একটু খেই ধরিয়ে দেওয়ার মতো। সেজন্য ছোটোদের কার্টুন ড্রয়িং এ রেখার ব্যবহার, রং এর গ্রেডিয়েন্ট কম থাকে। বাকিটা ওরা নিজেরা ভেবে নেবে। অনেক বেশী এফেক্টিভ।

    এই নিজস্বতা ব্যাপারটাকে কম্প্যুটার গেমস দিয়ে তৈরী করা কঠিন। প্রায় অসম্ভব। ই এ স্পোর্টস চেষ্টা করেছিল। প্রত্যেক ইউজারের ক্ষেত্রে গেমের ভার্সন হবে আলাদা। মুখ থুবড়ে পড়েছে। ফান্ডামেন্টাল লিমিটেশন।
  • kumu | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৪:৩৫250846
  • গোবুদা কেন বোষম খাবেন?
  • sosen | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৪:১৯250845
  • স্যান, এককের আগের পোস্ট পড়ে নে :)
  • sosen | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৪:১৭250844
  • একক। আধুনিক যুগের রূপকথা বলতে যদি হ্যারি পটার বা ওই রকম লেখাগুলি হয়, তাতেও ভায়োলেন্স ইত্যাদি আছেই। এবং বাচ্চারা সবই ট্রাই করে দেখাতে পারে। টিভিতে দেখা সিরিয়াল থেকে শুরু করে সব কিছুই। তাতে বিশেষ নিউ স্কুল পেরেন্টিং হয় কি? আমার পয়েন্টটা অন্য ছিল, যে কার কাছ থেকে ওই গল্পগুলো আসছে, কিভাবে আসছে ইত্যাদি নিয়ে উনি যেটা লিখেছেন সেটার কগনিটিভ পয়েন্ট থেকে গুরুত্ব আছে এবং সেটাকে রিপ্লেস আমরা এখনো করতে পারিনি। "ওনার উপর রাগ করা টা" অর্পণকে ইয়ার্কি মেরে লিখলাম ঃ)
    আমি রূপকথা নিয়ে ওনার কাজগুলো কাগজে পড়েছি, যাদবপুরে যদি কেউ থাকেন তাদের দিয়ে ডিজিটাইজ করাতে পারেন।
  • Ekak | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৪:১৬250843
  • " ইন ফ্যাক্ট নবনীতা লিখেছেন, লেখেন বলেই সমালোচনা করি। এইটাই সুচিত্রা ভটচাজ লিখলে পাত্তাও দিতাম না।"

    এক্স্যাক্টলি !! সুচিত্রা ভটচাজ লিখলে পড়েও দেখতুম না :P
  • Ekak | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৪:১৪250840
  • আগের পোস্ট সোসেন কে
  • kumu | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৪:১৪250841
  • দ ২ ১০ একদম ঠিক।ব্যক্তিগত ভাবে আমি মনে করিনা দাদু ঠাকুমার গল্প না শুনলে বিশাল কিছু মিস হয়,কারণ আমি কোনদিন এসব শুনিনি।
  • Arpan | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৪:১৪250842
  • গোবুদা কোথাও নিশ্চয় বিষম খাচ্ছেন। ঃ P
  • Ekak | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৪:১৩250838
  • এক নয়। কালেকটিভ আর ইন্ডিভিজুয়াল এক হবে কিকরে। যে ইন্ডিভিজুয়াল পিছিয়ে পর্বে কালেকটিভ থেকে সে কোনো না কোনভাবে কোপ আপ করবে। যে ভার্চুয়াল এক বক্স জগতে কাটাতে পারবেনা সে ক্লাউদ এ লগইন করে পেইড ঠাকুমার কাছে স্টোরি টেলিং সার্ভিস নেবে।
    তার ও নীচে ?
    সমস্যা হবেনা। কারণ যে যুক্তিতে কালেকটিভ এর উন্নতি ইন্দিভিজুয়ালে সর্বদা বর্তায় না সেই যুক্তিতেই যে পরিবারে কোনো আধুনিক সুবিধেই দেওয়া সম্ভব নয় সেখানে প্যারেন্ট দের দুজন চাকুরিরত, ভীষণ বিসি লাইফ এরকম ও হবেনা। হলে, বাকিগুলও হয়ে যাবে।
  • Arpan | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৪:১৩250839
  • এককের ২ নংটা খুবই সত্যি। মেয়েকে খুব সামান্য সময়ই সঙ্গ দিতে পারি। কিন্তু সচেতন ভাবে লক্ষ রাখি যেন আনরিলেটেড মেক-বিলিভ ওয়ার্ল্ডে বাস না করে নিজের ইন্সটিংক্ট আর অ্যাপটুটিউডের ওপর বেশি নির্ভর করতে শেখে, এরকমই বইপত্তর পড়ে। ইনার ভায়োলেন্স নিয়ে আলাদা করে লিখলাম না, কারণ সেটা অ্যানিমেশনের জগতেও কম নেই।
  • | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৪:১১250837
  • ইন ফ্যাক্ট নবনীতা লিখেছেন, লেখেন বলেই সমালোচনা করি। এইটাই সুচিত্রা ভটচাজ লিখলে পাত্তাও দিতাম না।
  • kumu | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৪:১০250835
  • একক ১ ঃ১৩ জেনারালাইজেশন বোধহয় ঠিক না।৮০+ মানুষ নাতি/নাতনীর সব ঝক্কি সামলান হাসিমুখে আবার ৪০+ কোন বাচ্চার কান্না শুনলেই প্যানিকি হয়ে পড়েন।
  • | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৪:১০250836
  • এগজ্যাক্টলি, নবনীতার এই জায়গাটাই আমার কেমন অদ্ভুত লাগে। রূপকথা উপকথায় ক্ষমতার চিত্রায়ণ নিয়ে ওঁর লেখাপত্রের সাথে এই হাহুতাশটাকে কিছুতেই মেলাতে পারি না।
  • san | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৪:০৮250834
  • আরে বড়ো করে বুঝিয়ে লেখো না !
  • sosen | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৪:০৫250833
  • হিউম্যান ইভোলিউশন আর সোশ্যাল চেঞ্জ এক জিনিস নয়।
  • Arpan | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৪:০৪250831
  • সেটাই তো বলেছিলাম লেখাটার সমালোচনার জায়গা।
  • Ekak | ২৭ জুলাই ২০১৪ ১৪:০৪250832
  • সোসেন

    ১) উনি এনিমেশন-কার্টুনের জগত কে খারাপ দেখান ওনার লের্খায় যদিও তার জন্যে কোনো যুক্তি পরিবেশন দেখিনি কোথাও। সেরকম কোনো লেখা দিলে পড়ব।

    ২) বাংলা রূপকথা নিয়ে ওনার ভালোলাগা এযুগের প্যারেন্তিং এর সঙ্গে মেলেনা। রূপকথা র অন্তর্নিহিত হিংসা জগত কে উনি এড়িয়ে যান ক্ষতিকর না ভেবে কারন ওল্ড স্কুল থিঙ্কিং এ আইডিয়া আর রিয়ালিটি অভার্ল্যাপ্দ ছিলনা। (যেখান থেকে সারকাসম এর কনটেম্পরারী স্পেস নিয়ে অনেক আলোচনা হয় যেটা এই আলোচনার উদ্দেশ্য নয় যাই হোক )। কিন্তু এখন দিন বদলাচ্ছে। বইয়ের পাতার হিংসা বাচ্চারা যে "ট্রাই করে " দেখবেনা আন এটেন্দেদ অবস্থায় তার কোনো গারান্টি নেই। কাজেই আধুনিক অবিভাবক অবশ্যই চাইবেন ওল্ড স্কুল রূপকথা থেকে বেরিয়ে আসতে।

    আমার এটুকুই বক্তব্য। রাগ ফাগ না। আর আগেই বলেছি ইমার মনে হয়েছে ওনার এই লেখাটা সিরিয়াস ভঙ্গিতেলেখা না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত