এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • siki | ১৯ মার্চ ২০১৪ ২১:১৭216930
  • পিপি হুমেরুর বয়েসী? কবেথেকে?
  • sosen | ১৯ মার্চ ২০১৪ ২১:১৫216929
  • আমার মা-ও বাজে শাড়ি পরে, আমিও
  • san | ১৯ মার্চ ২০১৪ ২১:১৩216928
  • ধ্যাৎ পিপি আমাদের বয়েসী। এখন সুমেরুদাও আমার বয়েসী বেরোলে জানিনা ঃ-)
  • /\ | ১৯ মার্চ ২০১৪ ২১:১১216926
  • পিপি নাকি হু এর বয়সী? পিপি না হুমেরুদার ক্লাসমেট?
  • hu | ১৯ মার্চ ২০১৪ ২১:১১216927
  • ছোট থেকে শাড়ি পরার সাথে ভালো করে শাড়ি পরার কোন সম্পর্ক নেই। আমার মা সারাজীবন শাড়ি ছাড়া অন্য কিছুই পরেনি। তা সত্বেও আমি মায়ের চেয়ে ভালো শাড়ি পরি। অবশ্য অন্য যে কারোর সাথে তুলনায় আমি বাজে শাড়ি পরি।
  • san | ১৯ মার্চ ২০১৪ ২১:০৮216925
  • আমায় তো ছোটোবেলায় বড়ো চুল রাখতেই দিতনা রে। নাকি ছোটো মেয়েদের ছোটো চুলই দেখতে ভাল। ইশকুলে বন্ধুদের দেখে আমারও ভারি বিনুনি বাঁধার শখ হত। নো ওয়ে। বড়ো হয়ে অবশ্য আর চেষ্টা করিনি। এ জীবনে কোনোদিন বিনুনি করাই হলনা :-)
  • sosen | ১৯ মার্চ ২০১৪ ২১:০৭216924
  • আর শাড়ি ছোটবেলায় কোনদিন পরিনি, এখনো পত্তে পারিনা ভালো
  • sosen | ১৯ মার্চ ২০১৪ ২১:০৬216923
  • আমার তো পুরোই নুন মরিচ :P
  • এমেম | ১৯ মার্চ ২০১৪ ২১:০৫216922
  • মইধ্যখানে কথা কইসি, ভুল হইসে, আপনেরা থাইমেন না।
  • hu | ১৯ মার্চ ২০১৪ ২১:০৪216921
  • ফোর থেকে টেন চুল কাটি নি। দুই বেনী বাড়তে বাড়তে কোমর ছুঁল। তারপর ইলেভেনে শহরে এলাম। হোস্টেলে থাকব। সকালে চান করে কলেজে যেতে হবে। চুল কাটার অনুমতি মিলল। বিএসসির সময় আবার নিজেই বাড়ালাম কোমর পর্যন্ত। তখন এক বিনুনী। ঐভাবে ছিল দু-হাজার পাঁচ, নাকি ছয় পর্যন্ত। তারপর আবার কাটলাম। আর বাড়েনি। এখন আর বাড়িয়েও কাজ নেই। রুপোলী রং লাগতে শুরু করেছে।
  • এমেম | ১৯ মার্চ ২০১৪ ২০:৫৯216920
  • অল্প ও মাঝারি বয়েসকে মিস করছি হঠাত করে। তাও আবার নাকি শাড়ীর প্রসঙ্গে।
  • sosen | ১৯ মার্চ ২০১৪ ২০:৫৫216919
  • এদিকে আমার কোনো রং খারাপ লাগেনা। কোনো হিরোইনকেও খারাপ লাগে না। হায় আমার কি হবে।
    পোশাকের চেয়েও চুলের বিবর্তন আমার কাছে বেশি প্রাসঙ্গিক। একসময় ইয়া মোটা মোটা দুই বিনুনি হত, মস্ত বড় হাতখোঁপা। বার তিনেক ক্যালকাটা ফিভার, টাইফয়েড ইত্যাদিতেও সেই চুলের কিছু বিশেষ ক্ষতি করতে পারে নাই। কিন্তু মা চুল কাটতে দেবে না। রোজ ঘ্যান ঘ্যান করতাম। মা কাঁচি দিয়ে চুলের নিচটুকু ছেঁটে দিত। তারপর একদিন অমনি মা ছেঁটে দিছে, আমি অভ্যেসমত ঘ্যানঘ্যান কচ্ছি, হঠাত মা খুব রেগে গিয়ে বলল নে, কেটে দিচ্ছি। বলে ক্যাঁচ করে কোমর অব্দি চুল ধরে ঘাড় অব্দি এক মস্ত গোছা কেটে ফেলে দিল।
    তার পর আমিও যত কান্না, মা-ও তত দুখী। অতটা কাটার কোনো ইচ্ছেই ছিল না। কিন্তু ইউনিতে সবাই খুব ভালো ভালো বলতে লাগলো। আর আমার চুল অভিমানেই পাতলা হতে শুরু কল্লো কিনা কে জানে। আর ত্যামন বাড়ে না। বাড়ানো-ও হয়না।
  • san | ১৯ মার্চ ২০১৪ ২০:৫২216918
  • গোলাপি আর হলদে, একদম না। কালচে নীল আর কালচে লাল খুব পছন্দ।
  • hu | ১৯ মার্চ ২০১৪ ২০:৪২216917
  • দমদি আমার থেকে কিছু বছরের বড়। পিপি বোধহয় আমার বয়সীই হবে। আমার ভাইয়ের বউ নবছরের ছোট আমার থেকে। ইংলিশ মিডিয়ামে পড়া মেয়ে। সেও যখন আসানসোলে তার বাড়ি যায় শুনতে পাই তাকে শাড়ী পরেই যেতে 'হয়'। নিজের বাড়ি, শ্বশুরবাড়ি নয় কিন্তু। বিয়ে হয়ে গেছে মানে শাড়ি পরতেই হবে। স্কুলে কাজ করে। স্কুলশিক্ষিকাদের শাড়ি বনাম সালোয়ার কামিজ নিয়ে অনেক বিতর্কের কথা কাগজে পড়ি। এ মনে হয় চেষ্টাও করেনি সালোয়ার কামিজ পরার। কোন কোন জায়গায় সময় এগিয়েছে। অনেক জায়গাতেই সময়ের বদল বুঝতেই পারবে না।
  • এমেম | ১৯ মার্চ ২০১৪ ২০:৩৮216916
  • সমুদ্রে শাড়ীই বেস্ট।
  • pipi | ১৯ মার্চ ২০১৪ ২০:৩৭216914
  • রং নিয়ে আমার কোনই ছুৎমার্গ নেইঃ-) যেটা চোখে লাগে পরে ফেলি। ঐ জন্যই কোন রংএ আমায় মানায় ভাল সে আমি আজও জানি না। বা কেউ যদি জিগায় কোন রং প্রিয় - তারও কোন উত্তর নেই আমার কাছে। সব ভাল লাগে। তবে অজান্তেই, চড়া রং বোধহয় একটু এড়িয়ে চলি।
  • aka | ১৯ মার্চ ২০১৪ ২০:৩৭216915
  • কোন কোন টইতে চোখ রাখা উচিত কেউ একটু চট করে বলে দিন দিকি, বেশ উত্তেজক ব্যপার স্যপার হচ্ছে মনে লিচ্ছে। হীঃরাঃ তো বুইলাম অন্য টই কোনটা যেখানে গালাগালি চলছে?
  • | ১৯ মার্চ ২০১৪ ২০:৩৪216913
  • আমি তো সালোয়ার কামিজই পরেছি চাকরি করে। তার আগে শাড়ীই শাড়ী। এমনকি পুরীর সমুদ্রেও শাড়ী পরে। :-) তবে আমার পোশাক বিবর্তন বেশ বড়সড় গপ্পো। পরে কখনও লিখবোখনে।
  • pipi | ১৯ মার্চ ২০১৪ ২০:৩০216912
  • জামাকাপড় প্রসঙ্গে - বিদেশ যাবার আগে অবধি কোনদিন জিনস পরি নি। মানে পরতেই দেয় নি। প্রাচীণপন্থী পরিবার - আজও বাড়ি গেলে জিনস পরা খুব একটা পছন্দ করে না। জিনসের উপর লং কুর্তি পরলে অবশ্য কেউ কিছু বলে না কিন্তু কুর্তি পাজামার সাথে দোপাট্টা না নিলে ভুরু একটু কুঁচকোয় জানি। তেমনি জিনসের উপর শর্ট টপ পরলেও মুখ ব্যাজার হয়। কত যে ফ্যাচাং! তা বলে অবশ্য শাড়ি ধরাবার জন্যও কেউ জোরাজুরি করে নি, এইটা মহা আশ্চর্য্যের ব্যাপার! ফ্রক, স্কার্ট, লং স্কার্ট আর তারপরে সালোয়ার কামিজে উত্তরণ!
    আমাদের্মফস্বলের ইস্কুলে ক্লাস নাইন থেকে শাড়ি ছিল। নীল পাড় সাদা শাড়ি। কিন্তু শাড়ি পরা ম্যাণ্ডেটরি ছিল না। শাড়ি অথবা স্কার্ট দুটৈ পরা যেত। অবশ্য বেশীরভাগ মেয়েরাই শাড়ি পরার জন্য মুখিয়ে থাকত। কে না জানে শাড়ি পরলে এক ধাক্কায় বেশ বড় বড় দেখায়, ওপাশের বয়েজ স্কুলের ছেলেরা নতুন চোখে দেখতে শুরু করে। এদিকে শাড়ি পরার নাম শুনলেই আমার কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসত। মা একেবারেই ভাল করে শাড়ি পরাতে পারত না। আর আমিও ছিলাম ঝাঁটাকাঠির মত ডিগডিগে। কোনরকমে সেই শাড়ি জড়িয়ে যখন চলতাম পুরো মনে হত চলমান তাঁবু! এখানে এখানে গুচ্ছ সেফটিপিন সে বস্ত্রখণ্ডকে কোনরকমে ধরে রাখত। তাও থেকে থেকে শাড়ি, ঘাগরা তো হয়ে যেতই আরো কেলো হত যখন ফসফস করে কোন একটা দিক খুলতে শুরু করত! ক্লাসের মধ্যে মাঝেমাঝেই এ এ এ এ এ করে একটা রব উঠত, দিদিমণি টেবিলে ডাস্টার ঠুকতেন, ওপাশ থেকে কেউ একজন চেঁচাত দিদিইই, ....র শাড়ি খুলে গ্যাছে! কি আনন্দের কথা! ঐ নিয়ে আবার সাইকেল চড়ে ইস্কুলে যাতায়াত! ধুপুসধাপুস প্রায়ই উল্টাতাম, বলাই বাহুল্য! ফেরার পথে একটা ছোট্ট গলি পড়ত, কাঠকলের পাশ দিয়ে। সেইখানটা সর্বদাই স্যাঁতসেঁতে, কাঠপচা গন্ধ আর কাঠকলের লোকেদের বিড়ির গন্ধে ভারী হয়ে থাকত। একবার উল্টালাম সেইখানে! শাড়ি ছিঁড়ল, সারা গাহাতপায়ে কাদা তো মাখলামই, উঠে দাঁড়াতে গিয়ে দেখি কি সর্বনাশ! কোঁচা খুলে বেরিয়ে তো গেছেই, শাড়ীর কোল আঁচলও খুলে গেছে! অতবড় ধাড়ি মেয়ে সেদিন ঐখানে দাঁড়িয়ে কেঁদে ফেলেছিলাম। ছোট গলি এসে বড় রাস্তায় মিশেছে। স্কুলের ব্যাগ, সাইকেল, খুলে যাওয়া ছেঁড়া শাড়ি সব নিয়ে কি করে সেদিন বড় রাস্তা পেরিয়ে বাড়ি এসেছিলাম আজ কিন্তু আর মনে পড়ে না। তার উপর বাড়ি এসে বাক্যবাণের চোতে দিশাহারা!
    যাই হোক, কিছুদিন পরে দিদিমণিরা নিজেরাই একদিন তিচার্স রুমে ডেকে বললেন - বাপু হে, তুমি বরং স্কার্টই পরে এস। তোমায় শাড়ি পত্তে হবে না আর। তুমিও বাঁচ, আমরাওঃ-)
    আর আমায় পায় কে! প্রথম প্রথম এক সমুধ শাড়ির মধ্যে আমি একাই স্কার্ট। তারপর আরো দু চারজন পরে আসা শুরু করল। শেষে দেখা গেল প্রায় অদ্ধেক মেয়েই স্কার্ট ব্লাউজে প্রত্যাবর্তন করেছেঃ-)
    ইলেভেন টুয়েলভ থেকে কলেজ। সেখান থেকে সালোয়ার কামিজের শুরু। জামাকাপড় কোনদিনই আমার পছন্দে কেনা হত না। জামাকাপড়, সাজগোজের জিনিস এসবের উপর আকর্ষণকে মনে করা হত 'ফ্যাশন করা' এবং যারপরনাই অপছন্দ করা হত বাড়ীতে। একটা টিপের পাতা, একটা পণ্ডস পাউডার আর শীতকালে একটা পণ্ডস কোল্ডক্রীমের ডাব্বা - কসমেটিক্স বলতে ছিল এই। জামাকাপড় সুন্দর সুন্দরই কিনত কিন্তু রেডিমেড জামাকাপড় পরে সেই চলমান পাশবালিশের খোল ছাড়া আর কিছু মনে হত না। ক্লাসের বেশীরভাগ মেয়েরাই হয় দর্জির কাছ থেকে মাপমতন করানো ফিটিং জামাকাপড় পরে আসত অথবা সিধে শাড়ীতে ট্রান্সফার করে গিয়েছিল। আমি, একে তো শাড়ি পরতেই পারি না আর টেলার দিয়ে জামাকাপড় করানোর মত পয়সা ছিল না। স্কুলে থাকাকালীণ কোনদিন হাতখরচ পাই নি। চাইলে আট আনা, এক টাকা মিলে যেত কিন্তু রোজ রোজ চাইতে আর কারই বা ভাল লাগে। হাতখরচের প্রয়োজন কি সেটাই কারোর মাথায় ঢুকত না। ইস্কুলে টিফিন দেওয়া হয় আর বাদবাকী যা দরকার, বললে কিনে এনে দেওয়া হয়। তাহলে আবার এক্সট্রা হাতখরচ কিসের। কলেজ গিয়ে অবশ্য অনেক কাকুতি মিনতি করে মাসে দশ-বিশটা টাকা পাওয়া যেত। তাও হিসেব দিতে হত অনেকসময়।
    বারো ক্লাসের পরে যখন শহরের বড় কলেজে এলাম, তখন সহপাঠীদের ঝকঝকে ফ্যাশনেবল জামাকাপড়ের পাশে নিজের অতি সাধারণ, শেপলেস জামাকাপড়ের জন্য প্রথম প্রথম খুবই কুন্ঠিত থাকতাম অস্বীকার করব না। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যে যখন দেখলাম সেই সব ঝকমকে মেয়েদের বেশীরভাগই জয়েন্টে কি অন্য কলেজে অ্যাডমিশন পেয়ে চলে গেছে আর বাকে যারা ক্লাসে রইলাম তারা আমারই মত সাধারণ বাড়ীর যাদের পোষাক আষাক চলেবল টইপস তখন আর দুঃখ রইল না। তাছাড়া তখন অল্প বয়স, সদ্য পাওয়া স্বাধীনতা (সে যত সামান্যই হোক) আর নতুন বন্ধুদের সাথে হইহই এর ভীড়ে তুচ্ছ জামাকাপড় নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় কোথা!
    বাসে করে যেতে হত সেই বাবদ তাই হাতখরচাও কিছু বেড়েছিল। সেখান থেকেই বাঁচাতাম, যতটা যা পারা যায়। আর তখন আত্মীয়স্বজনরা পূজোয় জামাকাপড়ের বদলে টাকা দেওয়া প্রেফার করত। সেই ছিল আমার লক্ষীর ধনঃ-)
    এখন আমি পাগলের মত জামাজুতো কিনি। কিছুদিন পরে পরে সেগুলো ডোনেট করে দিয়ে আবার কিনি। আগে প্রচুর খচ্চা করতাম বই আর ডিভিডির পিছনে। কিন্ম্তু ভারী ভারী সেসব জিনিস টেনে নিয়ে যাওয়া যায় না বলে সেসবও বিলি করে দিতে হয়। বার্লিন ছাড়ার সময় বেশীরভাগ বই, ডিভিডিজ ডোনেট করে আসতে গিয়ে প্রায় বুক ফেটে গিয়েছিল। এখন আর তাই ওসব কিনি না। তবে আরেকটা জিনিস যার উপর বরাবরের ঝোঁক সে হল সফট টয়েজ। তবে সেগুলো কিন্তু ডোনেট করি না কখনো বা ফেলেও আসি নাঃ-)
  • | ১৯ মার্চ ২০১৪ ২০:২৫216911
  • হেঃ যতসব নাকউঁচু। কেন বাপু হাল্কা গোলাপি আমার দারুণ লাগে। এবারও একটা তাঁতের শাড়ি কিনে আনলাম মিষ্টি গোলাপি রঙের।
  • a x | ১৯ মার্চ ২০১৪ ২০:১৩216910
  • গোলাপী আমারও নাপসন্দ।
  • hu | ১৯ মার্চ ২০১৪ ২০:০৭216909
  • কই! সেরকম তো কিছু হয়নি! এমনিই বাজে লাগে গোলাপী। আমার ভাইয়েরও খুব বাজে লাগে। অথচ বাবা-মায়ের মনে হয় ভালোই লাগে।

    আমার ভালো লাগে সবুজ, রাস্ট, ঝরাপাতার হলুদ - মানে ঐ আর্থ কালার আর কি!
  • kk | ১৯ মার্চ ২০১৪ ২০:০৪216908
  • ওমা, ডাক্তার তো আমায় হিলছাড়া জুতো পরতে মানা করেছেন ! তাছাড়া এইরকম ওয়েজ হিলে আমার অসুবিধা হয়না তো। স্টিলেটো বা ঐ জাতীয় সরু হিলে ব্যালান্সের প্রবলেম হয়।
  • a x | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৯:৫৯216907
  • কলির না পায়ে ব্যথা? এইরম হিল পরে?
  • kk | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৯:৫৪216906
  • সে'র ৭-০২ এর পোস্টের প্রথম জুতোটা তো আমার খুব পছন্দ হলো। আমার আবার এই ডাস্টি পিংক রঙটা খুব প্রিয়। এই জুতোটা পেলেই কিনবো ভাবছি।

    হুচির গোলাপী রঙের ওপর এত বিতৃষ্ণা কী করে এলো গো? ছোটবেলায় কোনো গোলাপী জামা পরা বন্ধু খুব মারামারি- ঝগড়া করেছিলো?
    তোমার প্রিয় রঙ কী?
  • 4z | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৯:৩৮216905
  • আর আমি জানতে চাই আমার ছুটিতে কে নজর দিয়েছে? x-(
  • Arpan | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৯:৩২216904
  • যেন আমাদের বিশুদ্ধ ছুটি আছে!
  • pipi | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৯:২৮216902
  • ঢিংকাচিকা! কাল রাত থেকে এমনি বৃষ্টি শুরু হয়েছে যে সব বরফ লোপাট! ইন্দ্রলুপ্তের উপর আলগোছে ফেলে রাখা কয়েক গাছির মত এক দু চাবড়া এদিক সেদিক এখনো আছে বটে কিন্তু তার আয়ুও বেশিক্ষণ নয়। জীবণেও ভাবি নি এমন ঘ্যানঘেনে বৃষ্টি নিয়েও কোনদিন আহ্লাদীপনা করব!
  • Tim | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৯:২৮216903
  • কই আর ছুটি। আর অ্যাকাডেমিক্সের ছুটি গায়ে লাগেনা। ছদ্মছুটি সব। এও অন্ধের দিন রাত্রর মত।
  • Arpan | ১৯ মার্চ ২০১৪ ১৯:২৬216901
  • হ্যাঃ তোমাগো তো ছুটিই ছুটি। এদিকে অন্ধের কিবা দিন কিবা রাত্র।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত